এক ছাত্রের ফেসবুক থেকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতমূলক কমেন্ট করার অভিযোগে হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলার পর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার দিঘলিয়া গ্রামে।
ওই গ্রামের ভীতসন্ত্রস্ত হিন্দু পরিবারের অধিকাংশ সদস্য আশপাশের গ্রামে আশ্রয় নিয়েছেন। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন থাকলেও আস্থা রাখতে পারছেন না তারা।
দিঘলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত আসনের সাবেক নারী সদস্য বিউটি রানী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দিঘলিয়া গ্রামে প্রায় ৩০০টি পরিবার বসবাস করে। এর মধ্যে ১০৮টি হিন্দু পরিবার রয়েছে গ্রামের সাহাপাড়ায়।
‘হামলার পর হিন্দু পরিবারের নারী-পুরুষরা গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। অধিকাংশ বাড়ির দরজা তালাবদ্ধ রয়েছে। কিছু পরিবারের বয়স্করা বাড়িতে আছেন, তারাও ভীতসন্ত্রস্ত।’
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে একটি ফেসবুকের পোস্টে আকাশ সাহা নামে এক কলেজছাত্রের ফেসবুক আইডি থেকে গত বৃহস্পতিবার বিতর্কিত কমেন্ট করার অভিযোগ ওঠে। এর জেরে শুক্রবার বিকেলে হামলা হয় দিঘলিয়া গ্রামের সাহাপাড়ায়।
হামলাকারীরা গোবিন্দ সাহা ও দিলীপ সাহার বাড়ি, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বাবা অশোক সাহার দোকানসহ ১০টির বেশি বাড়ি-দোকান ভাঙচুর করেন। গোবিন্দ সাহার বাড়িতে আগুনও দেয়া হয়। বিক্ষোভকারীরা ইট-পাটকেল নিক্ষেপের পাশাপাশি সাহাপাড়া মন্দিরের প্রতিমা, চেয়ার ও সাউন্ড বক্স ভাঙচুর করেন।
বিউটি রানী অভিযোগ করেন, ‘গ্রামে যখন একের পর এক হিন্দু পুরুষদের মারধর করা হচ্ছিল, তখন পুলিশ ছিল। তারা দূরে থেকে দেখছিল। তারা কাউকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেনি। এ কারণে পুলিশের ওপর আস্থা রাখতে না পেরে গ্রামের মানুষ এলাকা ছেড়েছে।’
হামলাকারীদের মধ্যে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও ছিলেন বলে অভিযোগ করেন বিউটি। তিনি বলেন, ‘তাদের (আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী) উচিত ছিল আমাদের সেইফ করা। অথচ তারা সবাইকে আরও উসকে দিয়েছেন।’
আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির মালিক গোবিন্দ সাহা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যে ছেলেটির কমেন্ট নিয়ে কথা হচ্ছে তার বাড়ি থেকে আমাদের বাড়ি প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে। তাকে আমরা ভালো করে চিনিও না, তাদের সঙ্গে তেমন কোনো সম্পর্কও নেই।
‘তবু হামলাকারীরা আমার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিল। সে কী ফেসবুকে দিয়েছে তাও জানি না। সেও হিন্দু, আমি হিন্দু- শুধু এই কারণে আমার বাড়িতে আগুন দেয়া হলো।’
ঘটনার সময়ের বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘হামলাকারীরা যখন আগুন দেয়, তখন আমি ও আমার মা শিপালী রানী সাহা বাড়িতে ছিলাম। ভয়ে আমরা বাড়ির পেছনে বাঁশ বাগানে গিয়ে আশ্রয় নিই। ঘরে আগুন জ্বলতে দেখে মা কান্নাকাটি শুরু করে।’
হামলার সময়ে মরধরের শিকার হন গ্রামের সবচেয়ে বিত্তশালী হিসেবে পরিচিত গোপাল সাহা। স্থানীয় দিঘলিয়া বাজারের সার ও কীটনাশক ব্যবসা রয়েছে তার।
গোপাল সাহা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘২২ বছর ধরে আমি বাজারে ব্যবসা করি। দিঘলিয়া গ্রামসহ আশপাশের সব গ্রামের মানুষের সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক। সবাই ভালো জানে। অথচ কোনো কারণ ছাড়া, শুধু হিন্দু হওয়ার জন্য তারা আমাকে মারধর করেছে। অভিযুক্ত ছেলেটির বাড়ি, আমার বাড়ি থেকে সামান্য দূরে, এটা কি আমার দোষ?’
তিনি বলেন, ‘হামলাকারীরা কারও দোষ-গুণ খোঁজেনি। হিন্দু হলেই মারধর করেছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে আমাদের পরিবার এই গ্রামে ছিল। তখনও নিজেদের নিরাপদ মনে করেছি, তবে এখন আর নিরাপদ মনে করতে পারছি না।’
গোপাল সাহা রুদ্ধ কণ্ঠে বলেন, ‘অনেক কষ্ট করে এই গ্রামে ভালো বাড়ি ঘর তৈরি করেছি। তবে এখন আর থাকার ইচ্ছা নেই। বিক্রি করে অন্য কোথাও চলে যাব।’
গ্রামের সব থেকে বয়স্ক ও সর্বজন শ্রদ্ধেয় শীবনাথ সাহা স্থানীয় রাধা গোবিন্দ মন্দিরের সভাপতি। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শুক্রবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পুলিশ আমাদের গ্রামে আসেন। তারা অভিযুক্ত আকাশ সাহা নামের ওই ছেলে ডেকে নিয়ে আসেন। সেখানে আমাকেও ডাকা হয়।
‘আকাশ সাহা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে তার ফেসবুক আইডিটি হ্যাক হয়ে গেছে। সে ওই কমেন্ট ফেসবুকে করেনি। তখন সবাইকে ডেকে ইউএনও বিষয়টি মিটমাট করে দেন।
‘এরপর বিকেলে বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এসে সাহাপাড়ায় হামলা চালায়। হিন্দুদের বেছে বেছে মারধর করে।’
এলাকাবাসী চরম নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ করলেও প্রশাসনের দাবি, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে।
লোহাগড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হারান চন্দ্র পাল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রাতেই ওই ছাত্র আকাশ সাহা ও তার বাবা অশোক সাহাকে আমরা থানায় নিয়ে এসেছিলাম। সে (আকাশ) দাবি করছে তার ফেসবুক হ্যাক হয়েছিল। তবে পুলিশ এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি, হ্যাক হয়েছিল, না-কি সে নিজে এটা করেছে। পুলিশের সাইবার বিভাগ বিষয়টি উদ্ঘাটনের চেষ্টা করছে।’
তিনি বলেন, ‘যারা হিন্দু পরিবারে হামলা চালিয়েছে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আজগর আলী বলেন, ‘ঘটনাস্থলে আমি সরাসরি গিয়েছিলাম এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছি।’
হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে সরকারের পক্ষ থেকে ২৬ হাজার টাকা করে দেয়া হচ্ছে। যেসব ঘরবাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে সেগুলো সরকারের পক্ষ থেকে মেরামত করে দেয়া হবে।
‘সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য।’
সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব রোধে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) আওতায় টিকা সংগ্রহ পদ্ধতিতে কোনো পরিবর্তনের কারণে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কি না, তা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এই সার্বিক প্রক্রিয়ায় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি এবং দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, হামের প্রাদুর্ভাবের মূল কারণ, এর বিস্তার এবং টিকাদান কার্যক্রমের ওপর বিভিন্ন নীতিগত ও পরিচালনাগত বিষয়ের প্রভাব নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করা হয়। টিকা সংগ্রহ পদ্ধতিতে কোনো ধরনের পরিবর্তনের ফলে টিকাদান কার্যক্রমে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কি না, তা প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত ও নিখুঁত কারিগরি মূল্যায়নের ভিত্তিতে নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখা হবে।
তিনি আরও বলেন, এই তদন্ত প্রক্রিয়ায় কারও বিন্দুমাত্র অবহেলা প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী কঠোর ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তারেক রহমান আরও জানান, ইপিআই কর্মসূচির আওতায় টিকা সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণ কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানদণ্ড এবং প্রচলিত সরকারি বিধি-বিধান কঠোরভাবে অনুসরণ করেই পরিচালিত হয়ে থাকে এবং বর্তমান সরকার হামের প্রাদুর্ভাব রোধকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সরকার ইতোমধ্যে বেশ কিছু বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, টিকা সরবরাহ ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা এবং মাঠ পর্যায়ে মজুত ব্যবস্থাপনা আরও জোরদার করা হচ্ছে।
এর পাশাপাশি সারা দেশে রোগ নজরদারি কার্যক্রম সম্প্রসারণ, দ্রুত প্রাদুর্ভাব শনাক্তকরণ ও প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, গণমাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হয়েছে।
দেশে হামের টিকাদানের আওতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে দ্রুত সুরক্ষার আওতায় আনতে বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম দেশব্যাপী জোরদারে অব্যাহত রয়েছে বলেও সংসদে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক নিরীহ বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যার বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং এটি মানবাধিকারের একটি সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
বুধবার (১৭ জুন) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া সংসদের বৈঠকে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অনুষ্ঠিত বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলনগুলোতে এই বিষয়টি সবসময় অত্যন্ত জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়েছে। সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি আর্থিক সহায়তার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রাতিষ্ঠানিক চুক্তি সম্পাদিত না হলেও, দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সব সময় সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের তীব্র বিরোধিতা করা হয়েছে এবং এর ক্ষতিপূরণ ও জবাবদিহির বিষয়টি নিয়ে পরোক্ষভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার কার্যকর ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
সংসদে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালিকের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এক তথ্য উল্লেখ করে বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত বিএসএফের পুশ ইন করা ২ হাজার ৩৬৯ জনের মধ্যে ২ হাজার ১৭৫ জনকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে, ১১ জনকে বিএসএফের কাছে ফেরত দেওয়া হয়েছে এবং ১৮৩ জনকে পুশব্যাক করা হয়েছে।
তিনি জানান, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের পর বিএসএফের ৩৬টি পুশ ইন চেষ্টাকে বিজিবি সফলভাবে প্রতিরোধ করেছে। এছাড়া সীমান্তে পুশ ইন ও চোরাকারবার ঠেকাতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে 'বর্ডার কমিউনিটি ওয়াচ গ্রুপ' গঠন করা হয়েছে।
পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, মিয়ানমার সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সব ধরনের আন্তসীমান্ত অপরাধ দমনে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং ভারত সীমান্তের স্পর্শকাতর স্থানগুলোতেও কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনা বিবেচনাধীন রয়েছে।
অন্যদিকে সংরক্ষিত আসনের নিপুন রায় চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, গত এক বছরে (জুন ২০২৫ থেকে মে ২০২৬) সীমান্ত এলাকায় বিজিবির ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৫১৯টি অভিযানে প্রায় ১ হাজার ৯৭৯ কোটি ৫৩ লাখ টাকা মূল্যের চোরাচালানি মালপত্রসহ বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, ফেনসিডিল, ক্রিস্টাল মেথ, কোকেন ও মাদক জব্দ করা হয়েছে এবং ২ হাজার ১৮৯ জন আসামিকে আটক করা হয়েছে।
দেশের অভ্যন্তরে মাদকের বিস্তার রোধে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইস বা ক্রিস্টাল মেথ আসক্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে শক্তিশালী করার কথা বলেন।
কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত মাদক নির্মূলে দেশব্যাপী ৩০ হাজার ৭৪৪টি অভিযানে ৯ হাজার ৬৮৫ জন মাদক চোরাকারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া বর্তমান সরকারের বিশেষ নির্দেশনায় ১ মে থেকে দেশব্যাপী চলমান মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ৮ জুন পর্যন্ত ১০ হাজার ৮৬৫ জনকে গ্রেপ্তার এবং ১২৫টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা ও কারাগারের পরিস্থিতি নিয়ে জামালপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এ ই সুলতান মাহমুদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় কিশোর গ্যাং-এর কার্যক্রম নিষ্ক্রিয় করতে ডিএমপির সাইবার ইউনিট তাদের ফেসবুক পেজ, গোপন গ্রুপ ও টিকটক আইডি সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছে। পাশাপাশি মোহাম্মদপুর এলাকায় ২৫২ জন ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের কারাগারগুলোর ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত বন্দি থাকার তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, দেশের ৭৫টি কারাগারে ৪৫ হাজার১৩৬ জন ধারণক্ষমতার বিপরীতে বর্তমানে ৭৭ হাজার ৪০ জন বন্দি আটক আছেন, যা ধারণক্ষমতার ১ দশমিক ৭ গুণ।
তবে সংরক্ষিত আসনের সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে তিনি একটি ইতিবাচক তথ্য দিয়ে জানান, কারাবন্দীদের উৎপাদিত বিভিন্ন সামগ্রীর বিক্রয়লব্ধ লাভের ৫০ শতাংশ এখন বন্দীদেরই প্রদান করা হয়।
সর্বশেষ সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আরিফা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে অনলাইন জুয়া প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অনলাইন জুয়া ও বেটিং সাইটের বিস্তার রোধে পুলিশ, বিটিআরসি এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
তিনি আরও জানান, যুবসমাজকে এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে সরকার 'বঙ্গীয় প্রকাশ্য জুয়া আইন, ১৮৬৭' রহিত করে অত্যন্ত কঠোর ও যুগোপযোগী 'জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬' নামে নতুন একটি আইন প্রণয়নের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
ছবি: সংগৃহীত
ব্যক্তিগত কারণ দর্শিয়ে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আশিক রুবাইয়াৎ। মঙ্গলবার (১৬ জুন) তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের মাধ্যমে আইন ও বিচার বিভাগের সচিবের কাছে এই পদত্যাগপত্র দাখিল করেন।
পদত্যাগ পত্রে তিনি তার সিদ্ধান্তের সপক্ষে উল্লেখ করেন, 'আমাকে এ পদে কাজ করার সুযোগ দেয়ার জন্য আমি অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। কিন্তু ব্যক্তিগত কারণে আমার পক্ষে এ পদে কাজ করা আর সম্ভব হচ্ছে না। এমতাবস্থায় আমি সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ হতে আজ পদত্যাগ করছি।'
এই পদত্যাগের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, 'তিনি নিয়মিত অফিস করেন না। এ বিষয়ে তার কাছে ব্যাখ্যা চাইলে তিনি তার সদুত্তর দিতে পারেননি। এমন প্রেক্ষাপটে তিনি তার পদত্যাগপত্র দিয়েছেন।' আইন ও বিচার বিভাগের কাছে পাঠানো এই আবেদনের মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্রপক্ষের আইনি কর্মকর্তার পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলেন। সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দায়িত্ব পালনে অনিয়মিত থাকা এবং কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হওয়ার পরই তিনি এই পদত্যাগপত্র জমা দেন।
ছবি: সংগৃহীত
উন্নত কর্মসংস্থান ও ভালো বেতনের প্রলোভনে পড়ে কম্বোডিয়ায় গিয়ে সাইবার প্রতারণা বা ‘স্ক্যাম’ চক্রের হাতে বন্দি হওয়া আরও ৭৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার (১৭ জুন) রাতে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এ নিয়ে গত চার দিনে কম্বোডিয়ার বিভিন্ন বন্দিশালা থেকে উদ্ধার হয়ে সর্বমোট ২২১ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন। ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ফেরত আসা এই ব্যক্তিদের জরুরি সহায়তা ও বাড়ি ফেরার যাতায়াত খরচ প্রদান করছে।
ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান জানান, আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের এটি এক ভয়াবহ নতুন রূপ। বিদেশে আকর্ষণীয় চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে মূলত আইটি বা কল সেন্টারের কাজের কথা বলে লোকজনকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের পাসপোর্ট কেড়ে নিয়ে ‘সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড’ নামক বিশেষ সুরক্ষিত এলাকায় বন্দি করা হয়। সেখানে তাদের মাধ্যমে জিম্মি করে বিভিন্ন অনলাইন প্রতারণা করানো হয় এবং টার্গেট পূরণে ব্যর্থ হলে চালানো হয় অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। সম্প্রতি কম্বোডিয়ার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানে এসব বাংলাদেশিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
ফেরত আসা ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, দালালরা তাদের কাছ থেকে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে ভিজিট ভিসায় কম্বোডিয়ায় পাঠাত। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের চীনা নাগরিকদের পরিচালিত স্ক্যাম সেন্টারে বিক্রি করে দেওয়া হতো। কাজ করতে অস্বীকার করলে টর্চার সেলে নিয়ে বৈদ্যুতিক শক দেওয়ার মতো নিষ্ঠুর নির্যাতন চালানো হতো। অনেক ভুক্তভোগী ইতিমধ্যে এই পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্যমতে, গত দেড় বছরে প্রায় ১৬ হাজার বাংলাদেশি কর্মী কম্বোডিয়ায় গেছেন। তবে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের সংখ্যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে, আরও বিপুল সংখ্যক মানুষ সেখানে বিপদে থাকতে পারেন। ব্র্যাকের পক্ষ থেকে থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, লাওস, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ায় অনলাইন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে লোভনীয় চাকরির প্রস্তাব পাওয়ার ক্ষেত্রে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। সরকারি সংস্থাগুলো এই পাচার চক্রের দেশি-বিদেশি হোতাদের আইনের আওতায় আনার জন্য কাজ করছে বলে জানা গেছে।
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার করতে প্রথমবারের মতো ‘মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল’ বা ‘ফ্রি ট্রেড জোন’ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার (১৭ জুন) সকালে সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় ও অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
ড. নাসিমুল গনি জানান, প্রস্তাবিত এই অঞ্চলে প্রচলিত কাস্টমসের কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে না এবং ব্যবসায়ীরা সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত সুবিধা ভোগ করবেন। মূলত মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর এবং চট্টগ্রাম বন্দরের নিকটবর্তী ৬০০ একর জমিতে এই বিশেষ বাণিজ্যিক অঞ্চলটি স্থাপন করা হবে। এছাড়া চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ‘চিনা অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চল’ (সিইআইজেড) প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে স্পেশাল পারপাস কোম্পানির সাথে ভূমি ইজারা ও উন্নয়ন চুক্তির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তজনা এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার কারণে এলএনজি ও জ্বালানি তেল আমদানিতে যে ব্যাঘাত ঘটছে, তা নিয়ে সভায় আলোচনা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রচলিত জ্বালানি আমদানি ব্যবস্থা পর্যালোচনার সময় এসেছে এবং বর্তমান সংকট মেটাতে সরকার স্পট মার্কেট থেকে তেল ও গ্যাস সংগ্রহ করছে। তবে জ্বালানি পরিস্থিতি বর্তমানে স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এছাড়া বৈঠকে রাশিয়ার কাছ থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। সরকারের এই বহুমুখী পদক্ষেপগুলো দেশের শিল্পায়ন ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ছবি: সংগৃহীত
শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ১৫৫টি পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের লক্ষে শ্রীমঙ্গলের ঐতিহাসিক ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৭ জুন) ঢাকা থেকে রওনা হয়ে সিলেট পৌঁছে সেখান থেকে সড়কপথে দুপুর ১টার দিকে তিনি শ্রীমঙ্গলে পৌঁছান। প্রধানমন্ত্রী মঞ্চে আসীন হওয়ার পর জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।
শ্রীমঙ্গলের কর্মসূচি শেষ করে প্রধানমন্ত্রী দুপুর আড়াইটায় মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আরেকটি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। সেখানে রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের ১৫২টি পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হবে। সরকারি এই দায়িত্ব পালন শেষে তিনি বিকেলে ‘দুসাই রিসোর্ট’-এ বিশ্রামের পাশাপাশি স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দের সাথে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক সভায় মিলিত হবেন। সভা শেষে সন্ধ্যায় তিনি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে পুনরায় ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে মৌলভীবাজারে এসেছিলেন তারেক রহমান। নির্বাচনে বিপুল বিজয় এবং সরকার গঠনের পর এটিই মৌলভীবাজার জেলায় তার প্রথম আনুষ্ঠানিক সফর। প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনকে কেন্দ্র করে গোটা মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গল এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে এবং বিএনপি নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।
মৌলভীবাজারে প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহর। ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাইলটিং কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ের শুভ উদ্বোধন করতে মৌলভীবাজারে পৌঁছেছেন। বুধবার বেলা ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে তিনি মৌলভীবাজার জেলা শহরে পৌঁছান। এর আগে তিনি ঢাকা থেকে বিমানযোগে সকাল সাড়ে ১০টায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন এবং সেখান থেকে সড়কপথে মৌলভীবাজারের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।
মৌলভীবাজার পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রী সরাসরি শ্রীমঙ্গলের পথে রওনা হয়েছেন। দুপুর ১টায় শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত হয়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেবেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গল শহরজুড়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পুরো জেলাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোড়ে পুলিশ ও সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে জেলা শহরকে নতুন সাজে সাজানো হয়েছে। সরকারি স্থাপনাগুলো পরিষ্কার ও রঙ করে চাকচিক্য বাড়ানো হয়েছে এবং রাস্তার ব্রিজ-কালভার্টগুলোও নতুন রঙে রাঙানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ এবং মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মঞ্চের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)। স্থানীয় জনগণের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
মন্তব্য