× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Crowds of Dhaka bound people at Sadarghat on holidays
hear-news
player
print-icon

ছুটির দিনে সদরঘাটে ঢাকামুখী মানুষের ভিড়

ছুটির-দিনে-সদরঘাটে-ঢাকামুখী-মানুষের-ভিড়
ঈদের পর সদরঘাটে ঢাকামুখী মানুষের ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা
শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সদরঘাটের লঞ্চ টার্মিনালগুলোতে মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এ দিন দুপুরের পর থেকেই ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের সবগুলো লঞ্চ ডেকে পরিপূর্ণ যাত্রী নিয়ে ঘাটে ভিড়ে। ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী নিয়েও কিছু লঞ্চ ঢাকার এসে পৌঁছায়।

ঈদের ছুটি কয়েকদিন আগে শেষ হলেও ঢাকামুখী মানুষের ভিড় তেমন ছিল বললেই চলে। তবে শুক্রবার সরকারি ছুটির দিনে ঢাকামুখী মানুষের ভিড় বেড়েছে। রাজধানী ঢাকার প্রধান নদীবন্দর সদরঘাটে যাত্রীর চাপ অন্যদিনের তুলনায় বেড়েছে।

একদিকে যেমন মানুষ রাজধানীতে ফিরছেন, অন্যদিকে ঢাকা ছেড়ে যাওয়াদের ভিড়ও দেখা গেছে।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সদরঘাটের লঞ্চ টার্মিনালগুলোতে মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। এ দিন দুপুরের পর থেকেই ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের সবগুলো লঞ্চ ডেকে পরিপূর্ণ যাত্রী নিয়ে ঘাটে ভিড়ে। ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী নিয়েও কিছু লঞ্চ ঢাকার এসে পৌঁছায়। দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ভিড় থাকলেও চাঁদপুর ও আশপাশের রুটগুলোর যাত্রী স্বাভাবিক ছিল।

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে সকাল থেকেই একে একে ভিড়তে থাকে বিভিন্ন রুটের লঞ্চ। দুপুরের পর থেকে গ্রিন লাইন-৩ ও সন্ধ্যার পর পারাবত- ৯, ১০, ১২ ও ১৮, মানামী, কুয়াকাটা-২, কীর্তনখোলা- ২ ও ১০, সুরভী- ৮ ও ৯, অ্যাডভেঞ্চার-১ ও ৯, সুন্দরবন-১২ লঞ্চসহ মোট ১৫টি লঞ্চ সদরঘাটে এসে পৌঁছায়।

ঢাকায় ফিরতে লঞ্চে মানুষের ঢল নেমেছে বলে জানিয়েছেন জাহাজ মালিক, স্টাফ ও কর্মকর্তারা।

মানামি লঞ্চের চালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এবার ঈদের আগে যেমন যাত্রী চাপ ছিল পরে তেমন ছিল না। আজ সরকারি ছুটির দিন তাই অনেকেই ঢাকা ফিরছে।’

রাজধানীর মিরপুরের বাসিন্দা মো. আনোয়ার পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালী থেকে ফিরেছেন ঢাকায়। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘এমভি এ আর খান লঞ্চের টিকিট পেয়েছি। তবে লঞ্চে অনেক মানুষের ভিড় ছিল। ঠিকভাবে ঢাকায় আসতে পেরেছি এটাই অনেক।’

ছুটির দিনে সদরঘাটে ঢাকামুখী মানুষের ভিড়

এদিকে পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর বরিশাল অঞ্চলগামী লঞ্চগুলোতে যাত্রী কমায় ঢাকার সদরঘাটের চেনা রূপ অনেকটাই হারিয়েছিল। তবে ঈদের ছুটির সঙ্গে ফিরেছে চেনা সেই ভিড়। তবে ঈদের পরে ঢাকার সদরঘাটে ভিড় বাড়লেও আগের মতো নেই।

বরিশাল, ভোলার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা লঞ্চগুলোর কর্মীরা যাত্রীদের ডাকাডাকি করছেন। মানুষ একে একে লঞ্চে উঠছেন। বেশ কয়েকটা লঞ্চের ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, ডেক ভর্তি করে বসে আছে মানুষ। কেউ আবার কেবিন নিয়ে দরদাম করছেন।

বিকেল সাড়ে ৫টায় হাতিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায় এমভি ফারহান-৩ নামের লঞ্চ। ছেড়ে যাওয়ার আগে লঞ্চের সামনে দাঁড়িয়ে যাত্রীদের ডাকাডাকি করছিলেন ওই লঞ্চের কর্মী আবুল হোসেন। তিনি জানান, গত কয়েকদিন থেকে আজ বেশি লোক বাড়ি যাচ্ছেন। যারা ঢাকায় ঈদ করেছেন তাদের অনেকেই এখন গ্রামে যাচ্ছেন।

ঢাকা থেকে মনপুরা, হাতিয়ার দিকে যাবে এমভি তাসরিফ। লঞ্চের কর্মী রাহাত মিনহাজ বলেন, ‘লঞ্চে এরই মধ্যে পাঁচ-ছয়শ মানুষ উঠেছে। আর এক ঘণ্টা পর লঞ্চ ছাড়বে। এর মধ্যে আরও মানুষ উঠবে।’

ভোলার চরফ্যাশন ও বেতুয়া যাবে এমভি টিপু-১৩। লঞ্চটিতে গিয়ে দেখা যায়, ডেকভর্তি মানুষ। ভোলাগামী যাত্রী মাসুদুর রহমান বলেন, ‘কাপড়ের দোকানে কাজ করি। ঈদের আগের দিনও খোলা ছিল। তাই ভাবলাম ঈদ ঢাকায় করে যাই। তাড়াহুড়ো করে গিয়ে রাস্তায় ঈদ করার চেয়ে পরে যাওয়া ভালো।’

লঞ্চটির ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, ডেকে বসে আছেন শত শত মানুষ। হাতিয়া যাবেন পঞ্চাশোর্ধ্ব রহিমা বেগম। ঢাকায় ঈদ করেছেন তিনি। তার ছেলে সুজন মিয়া বলেন, ‘আমাদের আত্মীয়-স্বজন সবাই ঢাকায়। এজন্য ভিড় ঠেলে বাড়ি না গিয়ে ঢাকায়ই ঈদ করেছি। এবার একটু স্বস্তিতে বাড়ি গিয়ে ঘুরে আসি।’

এদিকে নৌপথেই স্বস্তি খুঁজবেন যাত্রীরা এই আশা ছিল লঞ্চ মালিকদের। তবে ঈদের পর তা আবার কমে যাওয়ায় হতাশ তারাও। ডলার কোম্পানির ২৪টি লঞ্চের মালিক ও যাত্রী পরিবহন সংস্থার সিনিয়র সহসভাপতি আবুল কালাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের লঞ্চ আছে অনেক কিন্তু সেই অনুযায়ী যাত্রী নেই। তাই লঞ্চ কম ছাড়ছে। যেগুলো ছাড়ছে সেগুলোতে ভরে যাচ্ছে। ঈদের পর ও আমরা যাত্রী চাপ আশা রেখেছিলাম। কিন্তু পাইনি।’

লঞ্চ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঈদের আগে যাত্রী চাপ বাড়ায় আশা পেয়েছিলাম। এখন সে আশা আর দেখছি না। সামনের দিনগুলিতে কি হয় দেখা যাক।’

বিআইডব্লিউটিএ সদরঘাটের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম-পরিচালক মো. শহীদ উল্যাহ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঈদের পর যাত্রী চাপ স্বাভাবিক রয়েছে। আমাদের নিয়মিত লঞ্চগুলোই চলাচল করছে। অতিরিক্ত কোনো লঞ্চের প্রয়োজন পড়ছে না। ভাড়া বেশি নেয়ার অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
শাটডাউনের শেষ ঘণ্টা বাজলেই লঞ্চ ছাড়ার প্রস্তুতি
সদরঘাট নেমেই ভাড়ার নৈরাজ্যে যাত্রীরা
৯ দিন পর লঞ্চের ভেঁপু, ঢাকা ছাড়ার যাত্রী নেই
বাড়িমুখী মানুষের চাপ সদরঘাটে
সকালের সদরঘাট ‘স্বাভাবিক’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Bus robbery gang rape 2 more accused confess

বাসে ডাকাতি-সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: আরও ২ আসামির স্বীকারোক্তি

বাসে ডাকাতি-সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: আরও ২ আসামির স্বীকারোক্তি
এই মামলায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ৯ জন। অন্য ৪ জন রিমান্ডে আছেন।

টাঙ্গাইলের মধুপুরে ঈগল এক্সপ্রেসের বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

টাঙ্গাইলের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বুধবার বিকেলে বিচারক নওরিন করিম তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

এই আসামিরা হলেন মো. সাগর ও মো. বাবু।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো. হেলাল উদ্দিন এসব নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, এই মামলায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ৯ জন। অন্য ৪ জন রিমান্ডে আছেন।

পুলিশের বর্ণনায় যা ঘটেছিল

গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ঈগল এক্সপ্রেসের বাসটি সিরাজগঞ্জ রোডে জনতা নামের খাবার হোটেলে যাত্রা বিরতি করে। সেখানে ৩০ মিনিটের মতো বিরতি শেষে বাসটি ফের ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে।

পথে তিনটি স্থান থেকে অজ্ঞাতপরিচয় তিন-চারজন করে মোট ১২ জন ডাকাত যাত্রীবেশে বাসে ওঠেন এবং পেছনের দিকে খালি সিটে বসেন।

যমুনা সেতু (বঙ্গবন্ধু সেতু) পার হওয়ার আধা ঘণ্টা পর (রাত দেড়টার দিকে) টাঙ্গাইলের নাটিয়াপাড়া এলাকায় ডাকাতরা বাসটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। ছুরি, চাকুসহ দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে বাসের চালককে সিট থেকে উঠিয়ে হাত-পা বেঁধে পেছনে সিটের নিচে ফেলে রাখে।

টহল পুলিশের কাছে ধরা পড়া এড়াতে তারা বাসটিকে গোড়াই থেকে ইউটার্ন করে এলেঙ্গা হয়ে ময়মনসিংহ রোড ধরে যেতে থাকে। এই সময়ের মধ্যে ডাকাত দল বাসটির জানালার পর্দা ও যাত্রীদের পরনের বিভিন্ন কাপড় ছিঁড়ে চোখ এবং হাত বেঁধে ফেলে।

পরে ডাকাতরা বাসের ২৪ যাত্রীর কাছ থেকে টাকা, মোবাইল ফোন, স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। বাসের এক নারীকে পাঁচ-ছয়জন ধর্ষণ করে।

আরও পড়ুন:
বাস মালিকদের দাপটে অসহায় সরকারি সংস্থা
বাসে ডাকাতি-ধর্ষণ: চারজনের জবানবন্দি, রিমান্ডে ৬
বাসে ডাকাতি-ধর্ষণ: ১০ জনকে আদালতে তোলা হচ্ছে বিকেলে  

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BPC explained seven years of profit and fixed deposits

সাত বছরের মুনাফা ও স্থায়ী আমানতের ব্যাখ্যা দিল বিপিসি

সাত বছরের মুনাফা ও স্থায়ী আমানতের ব্যাখ্যা দিল বিপিসি অলঙ্করণ: মামুম হোসাইন/নিউজবাংলা
‘১৯৯৯-২০০০ অর্থবছর থেকে ২০১৩-১৪ অর্থবছর পর্যন্ত জ্বালানি খাতে ক্রমাগত লোকসান গুণতে হয়। যার পরিমাণ প্রায় ৫৩ হাজার ৫ কোটি টাকা। ফলে ভর্তুকি হিসেবে সরকার বিভিন্ন সময় বিপিসিকে ৪৪ হাজার ৮৭৭ কোটি টাকা দেয়। ফলে সাত বছরে মুনাফা করলেও ওই সময়ে আরও ৮ হাজার ১২৭ কোটি টাকার ঘাটতি ছিল। যা পরে বিপিসির মুনাফার সঙ্গে সমন্বয় করা হয়।’

বাংলাদেশ পেট্রলিয়াম করপোরেশন-বিপিসি ব্যাংকে রাখা স্থায়ী আমানত ভেঙে জ্বালানি আমদানি করছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ। বলেছেন, ডিজেলের দর লিটারে ৩৪ টাকা বাড়ানোর পরও তাদের লোকসান হচ্ছে।

২০১৪ সাল থেকে টানা সাত বছর বিপিসির যে পরিমাণ মুনাফা হয়েছে, তার আগের ১৪ বছরে এর চেয়ে বেশি লোকসান ছিল বলেও জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন, মুনাফার টাকায় আগের লোকসান সমন্বয় করা হয়েছে।

তেলের দাম রেকর্ড পরিমাণ বাড়ানোর পর বিপিসির ২০১৪ সালের পর থেকে মুনাফায় থাকা, বিভিন্ন ব্যাংকে তাদের বিপুল পরিমাণ স্থায়ী আমানতের বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর এ নিয়ে তুমুল আলোচনার মধ্যে বুধবার বিকালে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন বিপিসির চেয়ারম্যান।

গত ৫ আগস্ট মধ্যরাত থেকে সরকার ডিজেল ও কেরসিনের দর লিটারে ৩৪ টাকা বাড়িয়ে ১১৪ টাকা নির্ধারণ করে। অকেটন প্রতি লিটার ৮৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ ও পেট্রল ৮৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এই দাম বাড়ানোর ব্যাখ্যায় সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ার কারণে বিপিসির বিপুল পরিমাণ লোকসান হচ্ছিল। গত কয়েক মাসে লোকসান আট হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ায় দাম বাড়ানোর বিকল্প নেই।

এরপর একটি জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশ হয় ২০১৪ সাল থেকে গত বছর পর্যন্ত মুনাফা ও করসহ লাভ হয় ৪০ হাজার কোটি টাকার বেশি।

এই সংবাদ প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যকে হাজার হাজার মানুষ প্রশ্ন করতে থাকে, আগের মুনাফা থেকে বর্তমানের লোকসান সমন্বয় করা হলো না কেন।

অন্য একটি জাতীয় দৈনিক জানায়, সরকারি সংস্থার মধ্যে বিপিসির ব্যাংকে স্থায়ী আমানত সবচেয়ে বেশি। তাহলে তারা কেন লোকসানের কথা বলছে।

এই দুটি বিষয়েই ব্যাখ্যা দেন বিপিসির চেয়ারম্যান।

সাত বছরের মুনাফা ও স্থায়ী আমানতের ব্যাখ্যা দিল বিপিসি
বিপিসি চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ। ছবি:সংগৃহীত

তিনি জানান, ২০১৪ সাল থেকে সাত বছর মুনাফা করলেও এর আগের ১৪ বছর টানা লোকসান দিতে হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘১৯৯৯-২০০০ অর্থবছর থেকে ২০১৩-১৪ অর্থবছর পর্যন্ত জ্বালানি খাতে ক্রমাগত লোকসান গুণতে হয়। যার পরিমাণ প্রায় ৫৩ হাজার ৫ কোটি টাকা। ফলে ভর্তুকি হিসেবে সরকার বিভিন্ন সময় বিপিসিকে ৪৪ হাজার ৮৭৭ কোটি টাকা দেয়। ফলে সাত বছরে মুনাফা করলেও ওই সময়ে আরও ৮ হাজার ১২৭ কোটি টাকার ঘাটতি ছিল। যা পরে বিপিসির মুনাফার সঙ্গে সমন্বয় করা হয়।’

ব্যাংকে স্থায়ী আমানতের বিষয়ে এ বি এম আজাদ বলেন, ‘বর্তমানে প্রায় সব ফিক্সড ডিপোজিট ভেঙে বিপিসিকে আমদানি ব্যয় মেটাতে হচ্ছে।’

তেলের আমদানি ব্যয় কত

এ বিষয়েও একটি হিসাব দিয়ে বিপিসি চেয়ারম্যান জানান, বর্তমান দরে ডিজেল বিক্রি করে তাদের লিটারে লোকসান হচ্ছে ৬ টাকা। তবে অকটেনে মুনাফা হচ্ছে ২৫ টাকা।

তিনি জানান, আগস্টের প্রথম সপ্তাহে প্রতি লিটার ডিজেলে ১২০ টাকা খরচ হচ্ছে বিপিসির।

বিপিসি প্রধান বলেন, ‘২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে আমাদের প্রতি ব্যারেল ডিজেল কেনার খরচ পড়ত প্রতি ব্যারেলে ৯৬ দশমিক ৯৫ ডলার। প্রতি লিটারে আমরা যখন এটাকে কস্টিং করি, প্রতি লিটার পরে ৮৩ টাকা ৬ পয়সা। ওই সময়ে বিপিসি বিক্রয় করত ৮০ টাকা করে। সেখানে লিটারে ৩ টাকার মতো লোকসান ছিল।’

‘ফেব্রুয়ারিতে আন্তর্জাতিক বাজারে যখন প্রতি ব্যারেল ১০৮ ডলার ৫৫ সেন্ট, সেটাকে টাকায় প্রতি লিটারে কনভার্ট করলে হয় ৮৯ টাকা ৮৫ পয়সা। তখনও বিপিসি বিক্রি করেছে ৮০ টাকা লিটার। যে কারণে ওই মাসে ৯ টাকার মতো লোকসান গুনতে হয়েছে।

‘এ ফর্মুলায় গত জুলাই মাসে প্রতি ব্যারেল মূল্য ছিল ১৩৯ দশমিক ৪৩ ডলার, টাকায় প্রতি লিটারে কনভার্ট করলে খরচ পড়ত ১২২ টাকা ১৩ পয়সা। তখনও ওই তেল বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকায়। এভাবে তেলের দাম বাড়তে বাড়তে জুলাই মাসে প্রতি লিটারে লোকসান এসে দাঁড়িয়েছিল ৪২ টাকা ১৩ পয়সা।’

এফডিআর উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে

ব্যাংকে বিপুল পরিমাণ স্থায়ী আমানত উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের স্বার্থে করা হয়েছে বলে জানান বিপিসি চেয়ারম্যান। জানান, তারা জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৩৪ হাজার ২৬১ কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে ১১টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছেন।

এর মধ্যে আছে ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন ক্ষমতা বাড়ানো। এতে ব্যয় হবে ১৯ হাজার কোটি টাকার বেশি। এটি বিপিসির নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়ন করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করতে বিপিসির মুনাফার একটি অংশ এফডিআর করা হয়। বিপিসি তার অর্থ কোনো না কোনো ব্যাংকের হিসাবের বিপরীতে রাখতে হয়। প্রকল্পের যে অর্থগুলো, সেগুলো প্রকল্পের নামে এফডিআর খুলে রাখা হয়।’

জ্বালানির দর বৃদ্ধি এই উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বাড়ানো হয়নি বলেও জানান তিনি।

দেশে উৎপাদন হলেও পেট্রল ও অকটেনের নাম বাড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ক্রুডের কারণে পেট্রোল ও অকটেনের দাম বাড়ে। সুতরাং পেট্রল ও অকটেনের দাম কৌশলগত কারণে বাড়াতে হয়েছে।’

বর্তমানে দেশে ৩০ দিনের ডিজেল এবং ১৮ দিনের পেট্রল ও অকটেন মজুত আছে বলেও জানান বিপিসি চেয়ারম্যান।

আরও পড়ুন:
বিপিসির আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন সিপিডির
বিপুল বকেয়া, বিমানকে তেল দেবে না বিপিসি
‘জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি রাজনৈতিক, আমলাদের দায় নেই’
জেটি সংকট, তেলবাহী জাহাজ নিয়ে বিপাকে বিপিসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Beating Dr Sajjad Ultimatum for interns strike

ডা. সাজ্জাদকে মারধর: ইন্টার্নদের কর্মবিরতির আল্টিমেটাম

ডা. সাজ্জাদকে মারধর: ইন্টার্নদের কর্মবিরতির আল্টিমেটাম বুধবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মানববন্ধন করে ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ। ছবি: নিউজবাংলা
ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. মহিউদ্দিন জিলানী বলেন, ‘আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করেছি। তিনি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা চাই আজকের মধ্যেই দোষীদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হোক। অন্যথায় বৃহস্পতিবার থেকে আমরা কর্মবিরতি পালন করব।’

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক সাজ্জাদ হোসেনকে মারধরের ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ।

বুধবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জড়িতদের শনাক্ত করে বিচারের দাবি জানানো হয়। অন্যথায় ইন্টার্ন চিকিৎসকরা বৃহস্পতিবার থেকে কর্মবিরতিতে যাবেন বলে হুশিয়ারি দেয়া হয়।

মানববন্ধনে পরিষদের সদস্যরা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘মানুষের গায়ে হাত তোলার কে দিল অধিকার’, ‘জিরো টলারেন্স ফর ভায়োলেন্স’ ইত্যাদি লেখা সংবলিত প্লাকার্ড প্রদর্শন করা হয়।

এর আগে সকাল ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সঙ্গে আলোচনা করেন পরিষদের নেতারা। এ সময় উপাচার্য হামলাকারীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনার আশ্বাস দেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

মানববন্ধনে ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. মহিউদ্দিন জিলানী বলেন, ‘শুধু ডা. সাজ্জাদ নন, অনেকের সঙ্গেই এরকম ঘটনা ঘটে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করেছি। তিনি এই ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা চাই আজকের মধ্যেই দোষীদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হোক। অন্যথায় বৃহস্পতিবার থেকে আমরা কর্মবিরতি পালন করব।’

‘কিছু ছাত্রের জন্য পুরো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বদনাম হচ্ছে। আমরা এসব বিপথগামী শিক্ষার্থীর বিচার দাবিতে মানববন্ধন করছি।’

চিকিৎসক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. মারুফ উল আহসান বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই কাম্য নয়। শহীদ মিনারে অনেকেই পরিবার, বন্ধুবান্ধব নিয়ে আসেন, আড্ডা দেন। আজ সাজ্জাদ ডাক্তার হওয়ার কারণে হয়তো আমরা প্রতিবাদ করছি, কিন্তু অনেকেই তো সেটা করতে পারে না।’

পরিষদের সদস্য জাকিউল ইসলাম ফুয়াদ বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে মিটিং করেছি। আমাদের ডিরেক্টর, প্রিন্সিপালসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির সঙ্গে আলোচনা করেছি। আমরা বলেছি, আপনারা সিসিটিভি ফুটেজ দেখেন, দোষীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনেন। তা না হলে ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।’

থানায় জিডি

এদিকে মারধরের ঘটনার বিস্তারিত উল্লেখ করে শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন মারধরের শিকার সাজ্জাদ হোসেন। শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক রাজু মুন্সীকে এই ঘটনার বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জিডির বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মওদুত হাওলাদার বলেন, ‘ভুক্তভোগী জিডি করেছেন। ঘটনাস্থলে সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকায় আমরা আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো চেক করছি। এখন পর্যন্ত কাউকে শনাক্ত করা যায়নি। আজকের মধ্যেই সব ক্যামেরার ফুটেজ চেক করা শেষ হবে।’

আরও পড়ুন:
শহীদ মিনারে মারধর: ইন্টার্ন চিকিৎসকদের আলটিমেটাম
শহীদ মিনারে ঢাকা মেডিক্যালের ইন্টার্ন চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A case against the police on the charge of entrapment with weapons

অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা ফেনী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন। ফাইল ছবি
যুবদল নেতাকে অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে থানার ওসি, এসআই ও ছাত্রলীগ নেতাসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন স্ত্রী।

ফেনী মডেল থানার ওসি, তিন এসআই এবং স্থানীয় দুই ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে যুবদল নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগে আদালতে মামলা হয়েছে।

জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. আশিকুর রহমানের আদালতে বুধবার বিকেলে এই মামলার আবেদন করেন জেলা যুবদল সভাপতি জাকির হোসেনের স্ত্রী লুৎফুন নাহার।

বিচারক আবেদন আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক গোলাম মোহাম্মদ জিলানী এসব নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, যুবদল নেতা জাকিরকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগ করা হয়েছে এজাহারে।

আসামি করা হয়েছে ওসি মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, এসআই মো. ইমরান হোসেন, নারায়ণ চন্দ্র দাশ, হাবিবুর রহমান এবং ছাত্রলীগ নেতা সাব্বির হোসেন ও মো. সৈকতকে।

যুবদল নেতা জাকিরকে ফেনী মডেল থানা পুলিশ গত ২১ জুলাই রাজধানীর পল্টনের বিজয়নগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী ফেনী শহরের রামপুরে তার বাসায় শুক্রবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে একটি ৭.৬৫ এমএম পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, ৪ রাউন্ড গুলি এবং ২টি দেশীয় অস্ত্র জব্দ করে ফেনী মডেল থানা পুলিশ। থানা পুলিশ তার নামে এরপর অস্ত্র মামলা করে।

এই অভিযোগ শুরু থেকে অস্বীকার করে আসছিল জাকিরের পরিবার। তাকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানো হয়েছে দাবি করে সংবাদ সম্মেলনও করেছিলেন স্বজনরা।

আরও পড়ুন:
জাবিতে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা তদন্তে কমিটি
জাবিতে সাংবাদিক নির্যাতন: ৮ ছাত্রলীগ কর্মীকে অব্যাহতি
সন্ধ্যা নামলেই শহরজুড়ে ‘ছাত্রলীগ’ আতঙ্ক
পরচুলা ছিনতাইয়ে ছাত্রলীগ নেতার নাম
চবি ছাত্রলীগে পদবঞ্চিতদের অবরোধ প্রত্যাহার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two killed in a collision between two motorcycles

দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত দুই

দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত দুই সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা গেছে দুই বাইকের সংঘর্ষের ঘটনা। ছবি সিসিটিভির ফুটেজ থেকে নেয়া
বিকেল ৪টার দিকে নিউমার্কেট থেকে মোটরসাইকেলে করে বের হয়েছিলেন ইসমাইল ও আল আমিন। ঢাকা রোড ব্রিজের পাশে রোজা ফার্নিচারের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে তাদের বাইকের সংঘর্ষ হয়। 

যশোরে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দুই আরোহী নিহত হয়েছেন।

যশোর-ঢাকা রোডের রোজা ফার্নিচারের সামনে বুধবার বিকেল ৪টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

নিহতরা হলেন যশোর শহরের বারান্দী মোল্যাপাড়ার ইসমাইল হোসেন ও সিটি কলেজপাড়া বউ বাজার এলাকার আল আমিন হোসেন। তারা দুজন ছিলেন বন্ধু।

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (পরিদর্শক-তদন্ত) মো. মনিরুজ্জামান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বিকেল ৪টার দিকে নিউমার্কেট থেকে মোটরসাইকেলে করে বের হয়েছিলেন ইসমাইল ও আল আমিন। ঢাকা রোড ব্রিজের পাশে রোজা ফার্নিচারের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে তাদের বাইকের সংঘর্ষ হয়।

স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শুভাশিস রায় জানান, হাসপাতালে নেয়ার আগেই দুই বন্ধুর মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন:
বিজয় সরণিতে লরিচাপায় মোটরসাইকেল চালক নিহত
পেট ফেটে জন্মানো শিশুকে টাকা দেয়ার সময় বাড়াল হাইকোর্ট
রাস্তা পার হতে গিয়ে বাসচাপায় হাইওয়ে পুলিশ নিহত
বাস উল্টে আহত ১৫ শ্রমিক
পিকআপের চাপায় টমটমের দুই যাত্রী নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sitakunda fire Expert committee headed by BUET teacher directs

সীতাকুণ্ডে আগুন: বুয়েট শিক্ষকের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ কমিটির নির্দেশ

সীতাকুণ্ডে আগুন: বুয়েট শিক্ষকের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞ কমিটির নির্দেশ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে লাগা আগুন থেকে একটি মরদেহ নিয়ে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ফাইল ছবি
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কেন আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে না এবং এ ঘটনায় নিহতদের পরিবার ও আহতদেরকে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ আগুনের ঘটনা তদন্তের জন্য বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একজন অধ্যাপকের নেতৃত্বে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কেন আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে না এবং এ ঘটনায় নিহতদের পরিবার ও আহতদেরকে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত।

বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া এবং বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ আদেশ দেয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব, তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. ইমরুল কায়েস খান, শোয়েব মাহমুদ এবং সামসুর রহমান বাদল।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দু কুমার রায়।

আইনজীবী হুমায়ন কবির পল্লব জানান, কমিটি গঠনের আদেশের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসকে অত্যাধুনিক সরঞ্জাম কেন সরবরাহ করা হবে না তা জানতে চেয়েছে আদালত।

এ ছাড়া কেমিক্যাল রক্ষণাবেক্ষণে জন্য সুনির্দিষ্ট স্থান নির্ধাণন করার নির্দেশনা ও কেমিক্যাল ডিপোতে সংরক্ষিত কেমিক্যালের পরিমাণ, কী ধরনের কেমিক্যাল রাখা হবে তা প্রদর্শনের নির্দেশনা কেন দেয়া হবে না রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

গত ৪ জুন রাতে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বিএম কনটেইনার ডিপোতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অর্ধশত মানুষ নিহত এবং আহত হয় শতাধিক।

ওই ঘটনায় নিহত ও আহতদের জন্য পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ চেয়ে গত ২৯ জুন হাইকোর্টে রিট করে দুটি মানবাধিকার সংস্থা ‘ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট’ এবং সিসিবি ফাউন্ডেশনের পক্ষে আইনজীবী পল্লব।

রিটে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব, শিল্প সচিব, বাণিজ্য সচিব, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক, চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক, স্মার্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বিএম কন্টেইনার বিডি লিমিটেডের ব্যাবস্থাপনা পরিচালকসহ ২০ জনকে বিবাদী করা হয়। রিটের শুনানি নিয়ে বুধবার এ আদেশ দেয় হাইকোর্ট।

আরও পড়ুন:
সীতাকুণ্ডে আগুন: ১১ দফা দাবিতে পাঁচ জেলায় ধর্মঘট
সীতাকুণ্ডে আগুন: সব সংস্থার ছাড়পত্র ও লাইসেন্স থাকার দাবি
সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণ: ডিএনএ পরীক্ষায় ৮ মরদেহ শনাক্ত
বিএম ডিপোতে আরও দেহাবশেষ 
সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণ: এক মাস পর আরও দেহাবশেষ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Culture of boycotting elections is a threat to democracy Information Minister

নির্বাচন বর্জনের সংস্কৃতি গণতন্ত্রের জন্য হুমকি: তথ্যমন্ত্রী

নির্বাচন বর্জনের সংস্কৃতি গণতন্ত্রের জন্য হুমকি: তথ্যমন্ত্রী
‘সাংঘর্ষিক রাজনীতি এবং সবকিছুতে না বলার সংস্কৃতি আমাদের রাজনীতিতে তিক্ততা বাড়িয়েছে। এ থেকে বেরিয়ে আসতে পারলে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ সৌহার্দ্যপূর্ণ হবে। আমি আশা করব, আগামী নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দল অংশ নেবে এবং অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে আগামী সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।’

নির্বাচন বর্জনের সংস্কৃতি গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থার জন্য হুমকি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা কিংবা গণতন্ত্রকে সংহত করা কোনো একক রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব নয়।

রাজধানীর একটি হোটেলে বুধবার সকালে ইউএসএইড ও বেসরকারি আন্তর্জাতিক সংস্থা ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে গণতান্ত্রিক সরকার রাষ্ট্র চালাচ্ছে। সব রাজনৈতিক দলের সম্মিলিত দায়িত্ব হচ্ছে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখা।

‘সাংঘর্ষিক রাজনীতি এবং সবকিছুতে না বলার সংস্কৃতি আমাদের রাজনীতিতে তিক্ততা বাড়িয়েছে। এ থেকে বেরিয়ে আসতে পারলে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ সৌহার্দ্যপূর্ণ হবে। আমি আশা করব, আগামী নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দল অংশ নেবে এবং অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে আগামী সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের গত ৫০-৫১ বছরের ইতিহাসে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা তখনই হুমকির মুখে পড়েছে যখন অস্ত্র উঁচিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করা হয়েছে। আর সেই ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে রাজনৈতিক দল গঠিত হয়েছে।

‘দেশের কল্যাণে রাজনীতিসহ সব অঙ্গনে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। দেশ ও সমাজের উন্নয়নে দেশাত্মবোধ, মানবিকতা এবং মমত্ববোধ জাগ্রত করতে রাজনৈতিক কর্মীদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। রাজনৈতিক কর্মীরা অনেকেই জানেন না যে রাজনীতি একটা ব্রত।’

আরও পড়ুন:
জনবিচ্ছিন্নদের ৭ দলীয় জোট রাজনীতিতে গুরুত্বহীন: তথ্যমন্ত্রী
কোনো দেশের পক্ষে এভাবে ভর্তুকি দেয়া সম্ভব না: তথ্যমন্ত্রী
‘সেপ্টেম্বরে মাঠে নামছে আ.লীগ, পালানোর পথ পাবে না বিএনপি’
ভোলায় প্রাণহানির দায় বিএনপির: তথ্যমন্ত্রী
১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের প্রধান কুশীলব জিয়া: তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

p
উপরে