× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
People are returning to Dhaka by train without suffering
hear-news
player
print-icon

কমলাপুর রেলস্টেশনে নেই যাত্রীচাপ, বাড়বে শুক্রবার

কমলাপুর-রেলস্টেশনে-নেই-যাত্রীচাপ-বাড়বে-শুক্রবার
কমলপুর রেলস্টেশনে ঈদ ফিরতি যাত্রী। ছবি: নিউজবাংলা
‘যাওয়ার সময় ছুটি ছিল দুই দিন। দুই দিনের মধ্যে গার্মেন্টস থেকে শুরু করে সব একসঙ্গে যাত্রা করায় ট্রেনে চাপ বেড়েছিল। যার জন্য যাত্রীদের ভোগান্তিও হয়েছে। কিন্তু আসার সময় ১২ জুলাই থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত মোট পাঁচ দিন ঢাকায় ফেরার সময় পাচ্ছি আমরা। এ কারণে মনে হয় প্রত্যেকটা ট্রেনে একটু চাপ কম।’

ঈদ উদযাপন শেষে বাড়ি থেকে রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ। তবে কমলাপুর রেলস্টেশনে ঢাকামুখী মানুষের এখনও তেমন চাপ নেই। যাত্রীচাপ শুক্রবার বাড়বে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার সকালে কমলাপুর রেলস্টেশনে গিয়ে এমন চিত্রই দেখা গেছে।

ফিরতি যাত্রীরা জানান, ট্রেনগুলোতে এখনও যাত্রীদের গাদাগাদি নেই। ভোগান্তি ছাড়াই ট্রেনে করে রাজধানীতে ফিরেছেন তারা। মোটামুটি সঠিক সময়েই গন্তব্য থেকে ঢাকায় ফিরতে পেরেছেন তারা।

এদিকে ঈদের পরে ঢাকা ছাড়ছেন অনেকে। তারা জানান, ঈদের সময় যাত্রীচাপ থাকায় তখন পরিবারের কাছে ফিরতে পারেননি। তাই এখন গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন।

কমলাপুর রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার আফসার উদ্দিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সকাল পৌনে ১০টা পর্যন্ত মোট ১৩টি ট্রেন কমলাপুর রেলস্টেশনে এসেছে। এ ১৩টিই তাদের গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে।’

আজ মোট ৩৯ জোড়া ট্রেন ঢাকা ছাড়বে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘ঢাকায় ফিরতি মানুষের চাপ শুক্রবার বাড়বে।’

কিশোরগঞ্জ থেকে এগারো সিন্দুর ট্রেনে ঢাকায় ফিরেছেন মাহমুদ হাসান। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শনিবার থেকে আমার অফিস শুরু। তাই একটু আগেই ঢাকায় আসলাম।’

কমলাপুর রেলস্টেশনে নেই যাত্রীচাপ, বাড়বে শুক্রবার

গোলান মোস্তফা থাকেন ঢাকার শাহবাগে। তার দেশের বাড়ি দিনাজপুরের পার্বতীপুর। একতা এক্সপ্রেসে করে দিনাজপুর থেকে কমলাপুর রেলস্টেশনে ফেরেন তিনি৷ নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টায় ট্রেন ছেড়েছে। সকাল পৌনে ১০টায় কমলাপুরে নামলাম। কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি। ভালমত পৌঁছাতে পেরেছি।’

লাকি আক্তার চাকরি করেন ঢাকায়। একতা এক্সপ্রেসে দিনাজপুর থেকে কমলাপুরে ফিরলেন তিনি। ট্রেনে যাত্রী কেমন ছিল জানতে চাইলে তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যাত্রী স্বাভাবিক মতোই ছিল। যাত্রীদের গাদাগাদি ছিল না। ফেরার সময় ভোগান্তি হবে না।’

এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘যাওয়ার সময় ছুটি ছিল দুই দিন। দুই দিনের মধ্যে গার্মেন্টস থেকে শুরু করে সব একসঙ্গে যাত্রা করায় ট্রেনে চাপ বেড়েছিল। যার জন্য যাত্রীদের ভোগান্তিও হয়েছে। কিন্তু আসার সময় ১২ জুলাই থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত মোট পাঁচ দিন ঢাকায় ফেরার সময় পাচ্ছি আমরা। এ কারণে মনে হয় প্রত্যেকটা ট্রেনে একটু চাপ কম।’

অন্যদিকে যারা এখন ঈদের পরে দেশের বাড়িতে যাচ্ছেন তাদের একটি বড় অংশ জানাচ্ছেন, ঈদের আগে যাত্রী চাপ বেশি থাকায় তারা এখন যাচ্ছেন। অনেকে আবার দেশের বাড়ি ছাড়াও ঢাকার বাইরে বেড়াতে যাচ্ছেন।

মাহবুব ইসলাম যাবেন দিনাজপুরের পার্বতীপুর। তিনি ঢাকায় ব্যবসা করেন। পরিবারের তিন সদস্যকে নিয়ে এখন দেশের বাড়ি যাচ্ছেন। তিনি নিউজবাংলাকে জানান, ছোট বাচ্চা থাকায় ঈদের সময় চাপে বাড়ি যাননি তিনি। এখন চাপ কমায় গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছেন।

সাদিয়া ইসলাম থাকেন মোহম্মদপুরে। লেখাপড়া করেন। মায়ের সঙ্গে যাবেন গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধা। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা ঢাকায় ঈদ করি। ঈদের পর গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছি।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
1 killed 2 injured in two launches at Sadarghat

সদরঘাটে দুই লঞ্চের চাপায় নিহত ১, আহত ২

সদরঘাটে দুই লঞ্চের চাপায় নিহত ১, আহত ২
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে চাঁদপুর থেকে ছেড়ে আসা একটি লঞ্চ সদরঘাটের লালকুঠি ঘাটে ভিড়ে। একই সময় চাঁদপুরগামী আরেকটি লঞ্চ ঘাটে ভেড়ার চেষ্টা করছিল। এ সময় হঠাৎ ইঞ্জিনচালিত একটি ছোট ট্রলার দুই লঞ্চের মাঝখানে চলে এলে হতাহতের ঘটনা ঘটে।

রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে দুই লঞ্চের মাঝে চাপা পড়ে এক যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় ট্রলার চালক ও আরেক যাত্রী আহত হয়েছেন। রোববার বিকেলে সদরঘাটের চাঁদপুর লঞ্চ ঘাটে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

সদরঘাট নৌ-পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুর রহমান নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত রাশেদের বাড়ি কুমিল্লায়। তার বয়স আনুমানিক ১৯ বছর। আহত দু’জন হলেন ট্রলারের চালক ইমরান ও যাত্রী আলী আজগর।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে চাঁদপুর থেকে ছেড়ে আসা একটি লঞ্চ সদরঘাটের লালকুঠি ঘাটে ভিড়ে। একই সময় চাঁদপুরগামী আরেকটি লঞ্চ ঘাটে ভেড়ার চেষ্টা করছিল। এ সময় হঠাৎ ইঞ্জিনচালিত একটি ছোট ট্রলার দুই লঞ্চের মাঝখানে চলে আসে। এ সময় দুই লঞ্চের চাপায় পড়ে ট্রলারটি। এতে এক যাত্রী নিহত ও দুইজন আহত হন।

ওসি জানান, মরদেহ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে। ট্রলার চালক ইমরান পুলিশ হেফাজতে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

আরও পড়ুন:
মীরসরাই দুর্ঘটনা: চমেকে আরও একজনের মৃত্যু
বাস উল্টে আহত ১৫ শ্রমিক
পিকআপের চাপায় টমটমের দুই যাত্রী নিহত
পুলিশের তাড়া, মহাসড়কে বাসে পিষ্ট অটোচালক
ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের চালক নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The body of a German citizen was recovered in Uttara

উত্তরায় জার্মানির এক নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার

উত্তরায় জার্মানির এক নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার
পুলিশ কনস্টেবল সুজন কুমার সরকার বলেন, ‘জার্মানির ওই নাগরিক ট্যুরিস্ট ট্রান্সলেটর হিসেবে কাজ করতেন। আমরা খবর পেয়ে ওই বাসায় গিয়ে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসি। তিনি উত্তরা ৫ নম্বর সেক্টরে রোড নম্বর ২/বি ১০ নম্বর হোল্ডিংয়ের একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন।’

রাজধানীর উত্তরায় একটি ফ্ল্যাট থেকে চেয়ারে বসা অবস্থায় হোলগার কাউসম্যান নামে জার্মানির এক নাগরিকের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ রোববার রাতে ওই ফ্ল্যাটে চেয়ারে বসা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে।

পুলিশ রাত সোয়া ৯টায় হোলগার কাউসম্যানকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চিকিৎসক জানান যে তিনি ইতোমধ্যে মারা গেছেন।

হাসপাতালে ওই জার্মানকে নিয়ে আসা কনস্টেবল সুজন কুমার সরকার বলেন, ‘জার্মানির ওই নাগরিক ট্যুরিস্ট ট্রান্সলেটর হিসেবে কাজ করতেন। আমরা খবর পেয়ে ওই বাসায় গিয়ে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসি। তিনি উত্তরা ৫ নম্বর সেক্টরে রোড নম্বর ২/বি ১০ নম্বর হোল্ডিংয়ের একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন। তার বাবার নাম আরমিন কাউসম্যান।’

ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পুলিশ কর্মকর্তা
মিরপুর বেড়িবাঁধে দুর্ঘটনা: রবিউলের পর চলে গেলেন মিলনও
যাত্রাবাড়ীতে বাসের ধাক্কায় বাইক আরোহী নিহত
পুলিশের রেকার চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী কিশোর নিহত
পিকআপের ধাক্কায় নারীর মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The daughter died on the pillow of the mentally unstable mother

মানসিক ভারসাম্যহীন মায়ের বালিশ চাপায় মেয়ের মৃত্যু

মানসিক ভারসাম্যহীন মায়ের বালিশ চাপায় মেয়ের মৃত্যু
‘আমার বোন শম্পা আকতার প্রায় তিন বছর ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছে। তার স্বামী সাভারে একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করেন। আমার বোন বেশ কিছুদিন সাভারে ছিল তার মানসিক সমস্যা বেড়ে যাওয়ায়। পরে তাকে গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর ভেদরগঞ্জ পাঠানো হয়। কিছুদিন আগে চিকিৎসার জন্য রামপুরা আমার বাসায় নিয়ে আসি। আজ বাসায় কেউ না থাকায় দুপুরের দিকে আমার ভাগ্নিকে বালিশ চাপা দেয়।’

রাজধানীর রামপুরায় মানসিকভাবে অসুস্থ এক নারীর বিরুদ্ধে তার পাঁচ বছরের মেয়ে শিশুকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঝুমুর নামে শিশুটিকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করা হয়।

মানসিক রোগের চিকিৎসা করাতে ভাইয়ের বাসায় আনা এই নারী একা অবস্থায় থাকার সময় রোববার দুপুর দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটান বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

অচেতন অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসক সন্ধ্যায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শিশুটির মামা জামাল হোসেন বলেন, ‘আমার বোন শম্পা আকতার প্রায় তিন বছর ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছে। তার স্বামী সাভারে একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরি করেন। আমার বোন বেশ কিছুদিন সাভারে ছিল তার মানসিক সমস্যা বেড়ে যাওয়ায়। পরে তাকে গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর ভেদরগঞ্জ পাঠানো হয়।

‘কিছুদিন আগে চিকিৎসার জন্য রামপুরা আমার বাসায় নিয়ে আসি। আজ বাসায় কেউ না থাকায় দুপুরের দিকে আমার ভাগ্নিকে বালিশ চাপা দেয়।’

এই ঘটনায় শম্পাকে বাসায় তালা দিয়ে দরজা বন্ধ করে রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

জামাল জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুর জেলার ভেদেরগঞ্জ থানার চর কুরারতী গ্রামে। শিশুটির বাবার নাম জসিম উদ্দিন।

চিকিৎসার জন্য রামপুরা টিভি সেন্টারের পাশে কুঞ্জবন এলাকায় ভাই জামাল হোসেনের বাসায় উঠেছিলেন শম্পা। তার আরও একটি ছেলে সন্তান আছে।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
‘মেয়েকে পিটিয়ে মেরে বাবাকে ফোন’, স্বামী গ্রেপ্তার
হত্যা মামলার আসামিকেও গলা কেটে হত্যা
কক্সবাজারে হোটেলের স্টাফ কোয়ার্টারে কর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ
যুবককে পিটিয়ে হত্যা, লাশ নিয়ে বিক্ষোভ
বাড়ির পেছনে আমগাছে ঝুলছিল ব্যবসায়ীর মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Motorcyclist killed in lorry crash at Vijay Sarani

বিজয় সরণিতে লরিচাপায় মোটরসাইকেলচালক নিহত

বিজয় সরণিতে লরিচাপায় মোটরসাইকেলচালক নিহত প্রতীকী ছবি।
তিনি বলেন, ‘দুপুরে বিজয় সরণিতে কাফরুল থানার পাশে মোটরসাইকেলচালক মাসুদকে লরি চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি মাসুদের বাড়ি মানিকগঞ্জের শিবালয়ে।’

রাজধানীর বিজয় সরণিতে লরির চাপায় মাসুদ রানা নামে এক মোটরসাইকেলের চালক নিহত হয়েছেন।

রোববার দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির কাফরুল থানার উপপরিদর্শক মো. রবিউল।

তিনি বলেন, ‘দুপুরে বিজয় সরণিতে কাফরুল থানার পাশে মোটরসাইকেলচালক মাসুদকে লরি চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি মাসুদের বাড়ি মানিকগঞ্জের শিবালয়ে।’

ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নেয়া হয়েছে।

উপপরিদর্শক রবিউল বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর লরিসহ চালক পালিয়ে গেছেন। আমরা লরিচালককে আটকের চেষ্টা করছি।’

আরও পড়ুন:
ভোলায় সংঘর্ষ: নিহত ছাত্রদল নেতার দেহে গুলির চিহ্ন
দুই বাইকের ধাক্কায় নিহত ৩ আরোহী
দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে আরেক ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২
ট্রাকের ধাক্কায় রিকশার তিন যাত্রী নিহত
৭ তলা থেকে পড়ে গৃহকর্মী নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There are conspiracies all around Maya

চারদিকে ষড়যন্ত্র চলছে: মায়া

চারদিকে ষড়যন্ত্র চলছে: মায়া আলোচনা সভায় মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া। ছবি: নিউজবাংলা
মোফাজ্জল হোসেন মায়া বলেন, ‘বিএনপি আবার জামায়াত-শিবির নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তারা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্তের মধ্য দিয়ে উন্নয়নশীল সরকারকে উৎখাত করতে চায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তারা হত্যা করতে পারলে দেশকে আবার পাকিস্তান বানাতে পারবে।’

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেছেন, চারদিকে ষড়যন্ত্র চলছে, ডানে-বামে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে সেই ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে। নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী করতে হবে।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে রোববার বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পরিষদ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মোফাজ্জল হোসেন মায়া বলেন, ‘বিএনপি আবার জামায়াত-শিবির নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তারা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্তের মধ্য দিয়ে উন্নয়নশীল সরকারকে উৎখাত করতে চায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে তারা হত্যা করতে পারলে দেশকে আবার পাকিস্তান বানাতে পারবে।

‘শেখ হাসিনাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা হয়েছে, আল্লাহর অশেষ রহমতে তিনি প্রত্যেকবারই রক্ষা পেয়েছেন। ২০২৩ সালের নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী করতে হবে। এটি হবে আজকে আমাদের শপথ।’

আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন, ‘স্বাধীনতাবিরোধীরা ষড়যন্ত্র করে চলেছে। তাদের বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে বিদায় করতে হবে। সে জন্য আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে।

‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা মহামারি সুকৌশলে মোকাবিলা করেছেন। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বর্তমান বৈশ্বিক মন্দা পরিস্থিতিতে তিনি দেশের অর্থনীতি সামলাচ্ছেন নানা প্রচেষ্টায়। ঠিক সে সময়েই স্বাধীনতাবিরোধীরা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
DIG withheld evidence against Mizan

ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য পেছাল

ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য পেছাল পুলিশের বরখাস্ত হওয়া উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমান। ফাইল ছবি
রোববার মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির হননি। মামলাটিতে অভিযোগপত্রের ৩৩ সাক্ষীর মধ্যে ২৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। দুদকের মামলায় আসামিরা হলেন ডিআইজি মিজান, তার স্ত্রী সোহেলিয়া আনার, ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান ও ভাগনে মাহমুদুল হাসান।

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিং আইনের মামলায় পুলিশের বরখাস্ত হওয়া উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়েছে।

ঢাকার বিশেষ আদালত-৬-এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালতে রোববার মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু এদিন কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির হননি। এ জন্য আগামী ১৪ আগস্ট সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য পরবর্তী দিন ধার্য করে আদালত।

মামলাটিতে অভিযোগপত্রের ৩৩ সাক্ষীর মধ্যে ২৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

দুদকের মামলায় আসামিরা হলেন ডিআইজি মিজান, তার স্ত্রী সোহেলিয়া আনার, ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান ও ভাগনে মাহমুদুল হাসান। এর মধ্যে সোহেলিয়া ও মাহবুবুর পলাতক।

২০১৯ সালের ২৪ জুন ৩ কোটি ৭ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন ও ৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা অবৈধভাবে অর্জনের অভিযোগে মিজানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

২০২০ সালের ১ জুলাই মিজানকে গ্রেপ্তার করে শাহবাগ থানা পুলিশ। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করা হলে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠান বিচারক।

ওই মামলার বর্ণিত সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধানের সময় দুদক কর্মকর্তা এনামুল বাছিরকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ দেয়ার কথা নিজে গণমাধ্যমে প্রকাশ করেন ডিআইজি মিজান। ওই মামলাটি ৪ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে বিচারাধীন।

ঘুষ লেনদেনে দুদকের করা মামলায় গত ২৩ ফেব্রুয়ারি দুদকের বরখাস্ত হওয়া পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে আট বছর ও পুলিশের বরখাস্ত ডিআইজি মিজানকে তিন বছর কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম।

এর মধ্যে মিজানকে দণ্ডবিধির ১৬১ ধারায় ও বাছিরকে দণ্ডবিধির ১৬৫(এ) ধারায় তিন বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। অন্যদিকে মানিলন্ডারিং আইনের ৪ ধারায় বাছিরকে পাঁচ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়। পাশাপাশি ৮০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

৪০ লাখ টাকার ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগে ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্লাহ বাদী হয়ে মামলাটি করেন। ২০২০ সালের ১৯ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেন দুদকের এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
সাবেক ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্য ৭ আগস্ট
ডিআইজি মিজানের জামিন বহাল
ডিআইজি মিজানের জামিন স্থগিত চেয়ে দুদকের আবেদন
দণ্ড থেকে খালাস চেয়ে ডিআইজি মিজানের আপিল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Police baton in the rally to protest the increase in oil prices

তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ছাত্র সমাবেশে পুলিশের লাঠিপেটা

তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ছাত্র সমাবেশে পুলিশের লাঠিপেটা
‘বিকেল সাড়ে ৫টায় প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনসমূহের ব্যানারে আমরা বিক্ষোভ সমাবেশ নিয়ে শাহবাগ যাই। মোড়ের পাশে যে টিভিটা আছে সেটার নিচে দাঁড়িয়ে আমরা আমাদের সমাবেশ শুরু করি। এরপর পুলিশের পক্ষ থেকে তাড়াতাড়ি সমাবেশ শেষ করতে বলা হয়। আমরা তাদের বলি, আমাদের সভাপতির বক্তব্য বাকি। তার বক্তব্যের পর আমরা চলে যাব। ঠিক সে সময় একজন পুলিশ আমাদের এক কর্মীকে আক্রমণ করে বসে। এরপর সঙ্গে সঙ্গে চতুর্দিকে থাকা পুলিশ আমাদের ওপর অতর্কিত লাঠিপেটাসহ হামলা করে।’

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনসমূহের বিক্ষোভ সমাবেশে লাঠিপেটা করেছে পুলিশ।

রোববার সন্ধ্যা ৭টায় শাহবাগ মোড়ের পাশে এই হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নেতাকর্মীরা।

ছাত্র ইউনিয়নের সহসভাপতি অনিক রায়ের অভিযোগ, পুলিশের লাঠিপেটায় তাদের ২০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তারা সবাই এখন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে শাহবাগ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মওদূত হাওলাদারকে ফোন দিলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

ঘটনার বর্ণনা দিয়ে অনিক রায় বলেন, ‘বিকেল সাড়ে ৫টায় প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনসমূহের ব্যানারে আমরা বিক্ষোভ সমাবেশ নিয়ে শাহবাগ যাই। মোড়ের পাশে যে টিভিটা আছে সেটার নিচে দাঁড়িয়ে আমরা আমাদের সমাবেশ শুরু করি। এরপর পুলিশের পক্ষ থেকে তাড়াতাড়ি সমাবেশ শেষ করতে বলা হয়।

‘আমরা তাদের বলি, আমাদের সভাপতির বক্তব্য বাকি। তার বক্তব্যের পর আমরা চলে যাব। ঠিক সে সময় একজন পুলিশ আমাদের এক কর্মীকে আক্রমণ করে বসে। এরপর সঙ্গে সঙ্গে চতুর্দিকে থাকা পুলিশ আমাদের ওপর অতর্কিত লাঠিপেটাসহ হামলা করে। বিনা উসকানিতেই তারা আমাদের ওপর আক্রমণ করেছে।’

পুলিশের হামলার পর শাহবাগ থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে সংগঠনসমূহের নেতাকর্মীরা সমাবেশ করেন।

সমাবেশে অনিক রায় বলেন, ‘এই ফ্যাসিবাদী সরকার মধ্যরাতে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করেছে। এই বৃদ্ধির মাধ্যমে নানা উসকানি দেওয়া হচ্ছে। তারা বলছেন, আইএমএফের ঋণের শর্ত অনুযায়ী জ্বালানি তেলের ওপর দেওয়া ভর্তুকি কমানো হয়েছে। কৃষিজ পণ্যের ওপর থেকেও ভর্তুকি সরিয়ে দেয়া হয়েছে। ইউরিয়া সারের দাম বেড়েছে। বাংলাদেশকে নষ্ট করে দেয়ার ষড়যন্ত্র এটি।’

শুক্রবার মধ্যরাত থেকে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ৩৪ টাকা এবং পেট্রলের দাম ৪৪ ও অকটেনের দাম ৪৬ টাকা বাড়ায় সরকার।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বিশ্ববাজারে দাম বাড়ায় ডিজেলে লিটারে ৪২ টাকার বেশি লোকসান হতো। দাম বাড়ানোর পর এখনও ৮ টাকার বেশি লোকসান হবে।

জ্বালানি তেলের এত বেশি হারে দাম এর আগে কখনও বাড়েনি দেশে। ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে একেবারে সাধারণ মানুষ এর সমালোচনা করছে। এমনিতেই মূল্যস্ফীতির সমস্যায় থাকা দেশে নতুন করে পণ্যমূল্য বাড়বে বলে শঙ্কার কথা বলাবলি হচ্ছে। সেই সঙ্গে পরিবহনে বর্ধিত খরচের বিষয়টি আছে।

এরই মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রামে কিলোমিটারপ্রতি ৩৫ পয়সা এবং দূরপাল্লায় ৪০ পয়সা করে ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। তবে সরকার যতটা ভাড়া ঠিক করে দিয়েছে, তার চেয়ে বেশি আদায় হচ্ছে।

এই পরিস্থিতিতে শাহবাগ এলাকায় অবস্থান নেন বামপন্থি ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সেখানে হামলার বিষয়ে ছাত্র ইউনিয়নের সহসভাপতি অনিক রায় বলেন, ‘এই হামলার কারণে আমাদের আন্দোলন দমে যাবে না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের বিজয় নিশ্চিত হবে।

‘আগামীকাল দুপুর ১২টায় মধুর ক্যান্টিন থেকে বিক্ষোভ মিছিল হবে। সেই মিছিল-পরবর্তী সমাবেশ থেকে আমরা কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করব।’

আরও পড়ুন:
ভাড়া বাড়ানোর দাবিতে ধর্মঘটে ট্যাংকলরি মালিকরা
তেলের দামে যে সংস্কার চায় আইএমএফ
১৪ জেলায় জ্বালানি তেল পরিবহন বন্ধের ঘোষণা
কিলোমিটারে বাস ভাড়া বাড়ল ৪০ পয়সা
খুলনায় বিএনপির বিক্ষোভ

মন্তব্য

p
উপরে