× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Call and sell bus tickets
hear-news
player
print-icon

ডেকে ডেকে বাসের টিকিট বিক্রি

ডেকে-ডেকে-বাসের-টিকিট-বিক্রি
ঈদের দিন রাজধানী ছাড়তে গাবতলী বাস টার্মিনালের কাউন্টারে যাত্রীরা। ছবি: নিউজবাংলা
ফয়সাল হোসেন বলেন, ‘ঈদের নামাজ পড়ে মাত্র এসে কাউন্টার খুললাম। সারাদিন ওভাবে যাত্রী হবে না। বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত যাত্রী পাব বলে আশা করছি।’

‘এই বরিশাল, পটুয়াখালী, গোপালগঞ্জ, খুলনা। এই রাজবাড়ী, পাংশা…।’ রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনালে এভাবে যাত্রীদের ডাকছেন বিভিন্ন টিকিট কাউন্টারের লোকজন। অনেকে আবার কাউন্টারের সামনে দিয়ে হেঁটে যাওয়া যাত্রীদের টেনে ধরে জিজ্ঞাসা করছেন, ‘ভাই কোথায় যাবেন?’

মাত্র এক দিনের ব্যবধানে পাল্টে গেছে রাজধানীর বাস টার্মিনালগুলোর চিত্র। শনিবারও যেখানে টিকিকেট জন্য মানুষ হাহাকার করেছেন, সেখানে ঈদের দিনে এভাবেই ডেকে ডেকে যাত্রী জোগাড়ের চেষ্টা করছেন পরিবহন শ্রমিকরা।

গত কয়েক দিনে রাস্তায় নানা ভোগান্তি পার করে প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ করতে রাজধানী ছেড়েছেন লাখো মানুষ। আবার অনেকে নানা কারণে ঈদের আগে বাড়ি ফিরতে পারেননি। যারা আগে পারেননি তাদের অনেকেই রোববার বাড়ি ফিরছেন।

বরিশালগামী হানিফ পরিবহনের টিকিট বিক্রেতা ফয়সাল হোসেন বলেন, ‘ঈদের নামাজ পড়ে মাত্র এসে কাউন্টার খুললাম। সারাদিন ওভাবে যাত্রী হবে না। বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত যাত্রী পাব বলে আশা করছি।’

ঈগল পরিবহনের টিকিট বিক্রেতা জিয়াউর রহমান বলেন, ‘সকাল থেকে এখনো গাড়ি ছাড়ি নাই। কারণ, যাত্রী নাই। কয়েকজন পাইছি, আর কয়েকজন পেলে ট্রিপ ছাড়মু।’

রোববার সকাল থেকে গাবতলীর রাস্তা ফাঁকা। ভোর থেকে ট্রাক, বাস যে যেটা পেয়েছেন তাতে করেই বাড়ি ফিরেছেন।

সকাল থেকে কাউন্টার ফাঁকা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীরা কাউন্টারে আসা শুরু করছে। সকালে দুই-একটি কাউন্টার খোলা থাকলেও ঈদের নামাজের পর থেকে বেশ কিছু কাউন্টার খুলে।

সাকুরা পরিবহনের টিকিট বিক্রেতা সালাউদ্দিন বলেন, ‘রোজার ঈদে সকালে যাত্রীর চাপ থাকে। কিন্তু এই ঈদে বিকেলে যায় যাত্রীরা। অনেকে কোরবানির মাংস নিয়ে বাড়ি যায়। আবার অনেক সারা দিন কসাইয়ের কাজ করে রাতে গ্রামে যায়। এ কারণে বিকেল থেকে যাত্রী পাওয়ার যাবে।’

দক্ষিণাঞ্চলের বাস সুবর্ণ পরিবহনের টিকিট বিক্রেতা খোকন চক্রবর্তী বলেন, ‘সকাল ৯টায় রাজবাড়ীর একটা ট্রিপ ছাড়ছি। যাত্রী অর্ধেকেরও কম ছিল। আজকে সারাদিন এরকমই যাত্রী হবে, অল্প অল্প। প্রতি বছরের মতো বিকেলে বাড়তে পারে।’

হানিফ পরিবহনের বাসে বরিশাল যাবেন ফয়সাল হোসেন। তিনি বলেন, ‘সকালে নামাজ পড়ে বাড়ি যাচ্ছি। আমি একটু অসুস্থ ছিলাম, তাই ভিড়ের মধ্যে যাই নাই। আজকে নিরিবিলি যাচ্ছি।’

কাউন্টারে এসে মাগুরার বাস খুঁজছেন সিরাজ মিয়া। তিনি বলেন, ‘প্রথমে ভাবছিলাম এই ঈদে বাড়ি যাব না। পরে বাড়ির মানুষের অনুরোধে যাওয়া লাগতেছে। সকালে নামাজ পড়লাম এলাকার মসজিদে। পরে নাশতা খেয়ে বের হইছি। একটা বাস পেলেই উঠে পড়ব।’

আরও পড়ুন:
ঈদের সকালে বাড়ি ফিরছেন তারা
এবার ঈদযাত্রা অনেকটা স্বস্তিদায়ক: তথ্যমন্ত্রী
ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় জনস্রোতে: রেলওয়ে
বাড়তি ভাড়া আদায় সাড়ে ১১ হাজার, জরিমানা ৫০০
যাত্রা বাতিল নয়, চলবে পঞ্চগড় ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Intercontinental Travel Trade and Cultural Carnival 23 December

ইন্টারকন্টিনেন্টাল ট্রাভেল ট্রেড এন্ড কালচারাল কার্নিভাল ২৩ ডিসেম্বর

ইন্টারকন্টিনেন্টাল ট্রাভেল ট্রেড এন্ড কালচারাল কার্নিভাল ২৩ ডিসেম্বর ইন্টারকসমিক ট্রাভেল, ট্রেড অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে। ছবি: নিউজবাংলা
চিফ কার্নিভাল কো-অর্ডিনেটর আতিকুর রহমান বলেন, ‘ভ্রমণপিপাসুদের জন্য এই কার্নিভাল পছন্দসই প্যাকেজ বেছে নেয়ার জায়গা। উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশ গমনেচ্ছুদের জন্য সব সার্টিফাইড এজেন্সি খুঁজে পাওয়ারও প্লাটফর্ম এটি।’

রাজধানীর হোটেল পূর্বাণীতে ২৩ ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘ইন্টারকন্টিনেন্টাল ট্রাভেল, ট্রেড অ্যান্ড কালচারাল কার্নিভাল’। এই আয়োজনের এক্সিবিটর ও বায়ার হিসেবে অংশ নেবে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, মালদ্বীপ, ফিলিপাইন, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মালেয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর।

আয়োজক সংগঠন ইন্টারকসমিক ট্রাভেল, ট্রেড অ্যান্ড কালচারাল সোসাইটি রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কার্নিভালের সহযোগী আয়োজক প্রবাসী বাংলাদেশীদের একটি সংগঠন ‘এসোসিয়েশন অফ ওয়ার্ল্ড ফেয়ার অ্যান্ড ফেস্ট ইউএসএ’। ইভেন্ট পার্টনার ‘মিউট কনসোর্টিয়াম’, ট্রাভেল পার্টনার হ্যাভেন ট্যুরস অ্যান্ড রিসোর্ট লিমিটেড এবং ইয়ুথ পার্টনার রোটার‍্যাক্ট অ্যালামনাই অফ বাংলাদেশ।

কার্নিভালের কার্যক্রমের মধ্যে থাকছে আটটি সেশন। প্রতিটি সেশনে স্পিকার হিসেবে থাকবেন বিভিন্ন দেশ থেকে আগত সফল ব্যক্তিত্বরা।

চিফ কার্নিভাল কো-অর্ডিনেটর আতিকুর রহমান বলেন, ‘ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য ইন্টারকন্টিনেন্টাল ট্রাভেল, ট্রেড অ্যান্ড কালচারাল কার্নিভাল পছন্দসই প্যাকেজ বেছে নেয়ার জায়গা। উচ্চশিক্ষার জন্য যারা দেশের বাইরে যেতে চায় তাদের জন্য এক ছাদের নিচে সব সার্টিফাইড এজেন্সি খুঁজে পাওয়ারও প্লাটফর্ম এটি। এছাড়াও ব্যবসায়ী উদ্যোক্তা, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, চাকরিপ্রত্যাশী নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের এক মিলনমেলা হতে যাচ্ছে এই কার্নিভাল৷’

আতিকুর রহমান আরও বলেন, ‘সাতটি ভিন্ন ভিন্ন কনটেস্টে বিভিন্ন বয়স ও পেশার মানুষ অংশ নিয়ে জিতে নিতে পারবেন আকর্ষণীয় পুরস্কার ও সম্মাননা সার্টিফিকেট। এছাড়াও শুধু এই কার্নিভালের টিকিট সংগ্রহ করেই লটারিতে জিতে নিতে পারবেন আকর্ষণীয় পুরস্কার।

‘ইভেন্টের প্রতিদিনের নতুন নতুন চমক হিসেবে স্টেজ পারফরম্যান্সে মনোমুগ্ধকর নাচ, গানসহ বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি প্রতিদিন লটারিতে আকর্ষণীয় পুরস্কার জিতে নেয়ার সুযোগ থাকছে।’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Work is underway to recognize March 25 as International Genocide Day
সেমিনারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

২৫ মার্চের আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস স্বীকৃতি পেতে কাজ চলছে

২৫ মার্চের আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস স্বীকৃতি পেতে কাজ চলছে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ বাস্তবায়নে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালিদের গণহত্যা শুরু করে। ছবি: সংগৃহীত
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর সংঘটিত গণহত্যা মানব ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্যতম অপরাধগুলোর একটি। এত বেশিসংখ্যক হত্যা এবং বর্বরতার এমন উদাহরণ আমরা আর একটিও খুঁজে পাব না।’

২৫ মার্চকে ‘আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস’ হিসেবে বিশ্বের সব দেশ যাতে স্বীকৃতি দেয়, সে লক্ষ্যে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন।

কানাডার উইনিপেগের মানবাধিকার জাদুঘরে স্থানীয় সময় বুধবার ‘রিমেম্বার অ্যান্ড রিকগনাইজ: দ্য কেস অফ বাংলাদেশ জেনোসাইড অফ ১৯৭১’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সেমিনারে ভিডিওবার্তায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা জানান। খবর বাসসের।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ বাস্তবায়নে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালিদের গণহত্যা শুরু করে। দিনটির ‘আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস’ স্বীকৃতির জন্য কাজ করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর সংঘটিত গণহত্যা মানব ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্যতম অপরাধগুলোর একটি। এত বেশিসংখ্যক হত্যা এবং বর্বরতার এমন উদাহরণ আমরা আর একটিও খুঁজে পাব না।’

তিনি বলেন, ২৫ মার্চের ‘আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতির জন্য কাজ চলছে।

কানাডায় বাংলাদেশের হাইকমিশন এবং দেশটির বঙ্গবন্ধু সেন্টার ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ (বিসিবিএস), বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, জেনোসাইড স্টাডিজ সেন্টার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রিফিউজিস রেজিলিয়েন্স সেন্টার এবং রোটারি ক্লাব কানাডা যৌথভাবে বাংলাদেশে গণহত্যার ঘটনা স্মরণ ও স্বীকৃতিবিষয়ক দিনব্যাপী সেমিনারের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে নিউ ইয়র্ক থেকে বিশেষ অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন এবং কানাডায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার খলিলুর রহমান।

কানাডায় বিসিবিএসের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ড. কাওসার আহমেদ সূচনা বক্তব্য দেন।

সেমিনারে গণহত্যার শিকার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও বক্তব্য দেন।

অধ্যাপক ডা. নুজহাত চৌধুরী পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ও রাজাকারদের হাতে তার বাবা ডা. আলীম চৌধুরীর অপহরণ এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঠিক আগে তাকে নৃশংসভাবে হত্যার বর্ণনা দেন।

তিনি বাংলাদেশের গণহত্যার স্বীকৃতি পাওয়ার বিষয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বের পেছনে আন্তর্জাতিক রাজনীতিকে দায়ী করেন। এ ধরনের স্বার্থবাদী রাজনীতির অবসানের আহ্বানও জানান তিনি।

শহীদ সাংবাদিক সিরাজুদ্দীন হোসেনের ছেলে তৌহীদ রেজা নূর তার বাবাকে অপহরণ ও হত্যার বর্ণনা দেন।

কীভাবে বাঙালি বুদ্ধিজীবীরা পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর গণহত্যার শিকার হয়েছেন, সেটি উঠে আসে তার বক্তব্যে।

আরও পড়ুন:
জাতীয় গণহত্যা দিবস পালিত কলকাতাতেও
গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই: কাদের
শহীদদের স্মরণে এক মিনিটের অন্ধকার
ইয়াহিয়ার ঢাকা আগমন ও গণহত্যার পরিকল্পনা
জাতীয়ভাবে গণহত্যা দিবস পালন করা উচিত: শিল্পমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Minister wants policy for animal insurance

প্রাণিবিমার জন্য নীতিমালা চান মন্ত্রী

প্রাণিবিমার জন্য নীতিমালা চান মন্ত্রী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। ছবি: নিউজবাংলা
‘প্রাণিবিমার জন্য নীতিমালা কীভাবে করা যায়, এ ক্ষেত্রে কী কী প্রতিবন্ধকতা আছে, কী সুযোগ আছে তা আগে নির্ধারণ করতে হবে। প্রাণিসম্পদ খাতে বিমা প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সম্মিলিত উদ্যোগ দরকার।’

প্রাণিসম্পদ খাতকে বিমার আওতায় নিয়ে আসা দরকার বলে মনে করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। এ জন্য তিনি নীতিমালা তৈরির জন্য জোর তাগাদা দেন।

রাজধানীর একটি হোটেলে রোববার এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

‘প্রাণিসম্পদ খাতে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি ও প্রাণিবিমা সম্প্রসারণে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব প্রযুক্তির ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে আদর্শ প্রাণিসেবা লিমিটেড।

প্রাণিবিমার জন্য নীতিমালা চান মন্ত্রী
প্রাণিবিমা সম্প্রসারণে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব প্রযুক্তির ভূমিকা নিয়ে সেমিনার হয়েছে ঢাকায়। ছবি: নিউজবাংলা

সেমিনারে মন্ত্রী বলেন, ‘বিমা একটি প্রচলিত ব্যবস্থা। এ ব্যবস্থায় প্রাণীকে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব। প্রাণিসম্পদ খাতে বিমা সম্প্রসারণে একটি যৌথ কার্যকরী কমিটি গঠন করা দরকার।

‘প্রাণিবিমার জন্য নীতিমালা কীভাবে করা যায়, এ ক্ষেত্রে কী কী প্রতিবন্ধকতা আছে, কী সুযোগ আছে তা আগে নির্ধারণ করতে হবে। প্রাণিসম্পদ খাতে বিমা প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সম্মিলিত উদ্যোগ দরকার।’

তিনি বলেন, ‘প্রাণিবিমা সম্প্রসারণে একটি কমিটি গঠন করে নীতি নির্ধারণ করতে হবে। এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করবে। সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে এ পলিসি নির্ধারণে কাজ শুরু করা হবে, পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে।’

সেমিনারের পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম, বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জয়নুল বারী, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী কমিটির সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ টি এম মোস্তফা কামাল ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন আদর্শ প্রাণিসেবা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ফিদা হক। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাধারণ বিমা করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ শাহরিয়ার আহসান।

আরও পড়ুন:
পোলট্রিতে সব ধরনের সহায়তা দেবে সরকার: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী
বাথরুমে প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরিচালকের মরদেহ
কোরবানিতে পশু আমদানি করতে হবে না: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
DNCC will not pay for narrow roads

সরু রাস্তায় টাকা দেবে না ডিএনসিসি

সরু রাস্তায় টাকা দেবে না ডিএনসিসি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের কর্মসভা হয় গুলশান-২-এ নগর ভবনে। ছবি: নিউজবাংলা
মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘যেখানে রাস্তা ২০ ফিটের কম, তা তো অনুমোদনই পায় না। সেখানে উন্নয়ন বরাদ্দ দেয়ার সুযোগ নেই। আর যারা অবৈধভাবে রাস্তার অংশ দখল করে রেখেছে তা ছেড়ে দিতে হবে।’

যেসব রাস্তার প্রশস্ততা ২০ ফিটের কম, সেই ধরনের রাস্তার উন্নয়নে কোনো ধরনের আর্থিক বরাদ্দ দেবে না ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বুধবার এক সভায় এ কথা জানান।

রাজধানীর গুলশান-২-এ নগর ভবনের ষষ্ঠ তলায় বুধবার দ্বিতীয় পরিষদের ১৬তম কর্মসভা হয়।

মেয়র আতিকুল ইসলাম সভায় বলেন, ‘যেখানে রাস্তা ২০ ফিটের কম, তা তো অনুমোদনই পায় না। সেখানে উন্নয়ন বরাদ্দ দেয়ার সুযোগ নেই। আর যারা অবৈধভাবে রাস্তার অংশ দখল করে রেখেছে তা ছেড়ে দিতে হবে।

‘সম্পত্তি বিভাগের সমন্বয়ে রাস্তার প্রশস্ততা বাড়াতে হবে। রাজউকসহ সংশ্লিষ্টদের চিঠি দিয়ে জানাতে হবে। নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রে তা কেমন ছিল, সেটি ডিএনসিসিকে জানাতে হবে।’

মেয়র বলেন, ‘দখলদার কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। অবৈধ দখলের ফলে রাস্তা সরু হয়ে যায়। এতে করে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে যায়। মানুষের যাতায়াতে যতটুকু সম্ভব স্বাচ্ছন্দ্য ফিরিয়ে আনতে হবে। সে জন্য সবার সহযোগিতা নিয়ে কাজ করতে হবে।’

সভায় বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে অবৈধ ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বন্ধ, অনলাইন কাউন্সিলর সার্টিফিকেট সিস্টেম, ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু, জ্যাম কমাতে ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে সমন্বয়, দ্রুততম সময়ে বর্জ্য অপসারণ এবং কারওয়ান বাজারস্থ কাঁচাবাজার স্থানান্তর নিয়ে আলোচনা হয়।

ডিএনসিসির সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিকের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ সেলিম রেজা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহ. আমিরুল ইসলামসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
চার স্কুলে বাস চালু করছে ডিএনসিসি
স্কুলবাস চালু করতে চান মেয়র আতিকুল
তথ্য যাচাই করে সত্য প্রকাশের আহ্বান ডিএনসিসি মেয়রের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Cyber ​​Security Capability Increased Home Minister

সাইবার সিকিউরিটি সক্ষমতা বেড়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাইবার সিকিউরিটি সক্ষমতা বেড়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইন্টারপা সম্মেলনের বিশেষ অতিথি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। ছবি: নিউজবাংলা
‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ পুলিশের ডিজিটালাইজেশন এবং সাইবার সিকিউরিটি সক্ষমতা আগের চেয়ে বেড়েছে। এ ধরনের সম্মেলন এবং প্রশিক্ষণে পুলিশ সদস্যদের আরও দক্ষ হয়ে ওঠার সুযোগ সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন দেশের পুলিশিং ব্যবস্থা কেমন, সে ব্যাপারে ধারণা মিলবে এ সম্মেলনে।’

ঢাকায় শুরু হয়েছে দি ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অফ পুলিশ অ্যাকাডেমিসের (আইএনটিইআরপিএ) ১১তম বার্ষিক সম্মেলন। এ ধরনের সম্মেলন পুলিশের দক্ষতা বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

সোমবার সম্মেলনের প্রথম দিনের অধিবেশনে তিনি বলেন, ‘সাইবার অপরাধ দমনে সদস্য দেশের মধ্যে অভিজ্ঞতা ও উত্তম চর্চা বিনিময়ের সুযোগ ঘটাবে এ সম্মেলন। বাংলাদেশ পুলিশ তাদের পেশাদারিত্ব নিয়ে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করছে। তাদের দক্ষতা ও সক্ষমতা বাড়াতে এ ধরনের সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পুলিশের কাজ সম্পর্কে তারা ধারণা পাবে।

‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ পুলিশের ডিজিটালাইজেশন এবং সাইবার সিকিউরিটি সক্ষমতা আগের চেয়ে বেড়েছে। এ ধরনের সম্মেলন এবং প্রশিক্ষণে পুলিশ সদস্যদের আরও দক্ষ হয়ে ওঠার সুযোগ সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন দেশের পুলিশিং ব্যবস্থা কেমন, সে ব্যাপারে ধারণা মিলবে এ সম্মেলনে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি এ সম্মেলন উদ্বোধন করেন।

সাইবার সিকিউরিটি সক্ষমতা বেড়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ইন্টারপা সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ।ছবি: নিউজবাংলা

সম্মেলনে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ সভাপতিত্ব করেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা যদি সাইবার জগতের সম্ভাব্য হুমকি ও ঝুঁকি সঠিকভাবে মূল্যায়ন না করি, তাহলে পুলিশের সক্ষমতা ও উদ্যোগগুলো বিফলে যাবে। তাই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো এখন সাইবার জগতের দিকে মনোনিবেশ করছে।

‘জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নে প্রযুক্তিগত সেবা বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশ জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯, অনলাইন পুলিশ ক্লিয়ারেন্স, পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন, অনলাইন ইমিগ্রেশন, ক্রাইম ডেটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ও ই-ট্রাফিক সিকিউরিটি সিস্টেম ইত্যাদির মাধ্যমে জনগণকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। আগামী দিনে সাইবার হুমকি ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করার সময় এসেছে।’

বিভিন্ন দেশের পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং উত্তম চর্চা অনুশীলন এখন সময়ের দাবি বলে উল্লেখ করেন আইজিপি।

সম্মেলনে বাংলাদেশসহ ৪৪টি দেশের ১২৭ জন প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন।

‘ডিজিটালাইজেশন অফ পুলিশিং’ প্রতিপাদ্য নিয়ে শুরু এ সম্মেলনের প্রথম দিনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. আখতার হোসেন বিশেষ অতিথি ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পুলিশ স্টাফ কলেজের রেক্টর (অতিরিক্ত আইজি) খন্দকার গোলাম ফারুক। এ ছাড়া আলোচনায় অংশ নেন ইন্টারপা ও টার্কিশ ন্যাশনাল পুলিশ অ্যাকাডেমির প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ইলমাজ কোলাকসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা।

তিন দিনের ইন্টারপা সম্মেলন এবার কাজাকিস্তানে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে সেখানে করা সম্ভব হয়নি। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১১তম এ সম্মেলনের আয়োজক বাংলাদেশ। বিভিন্ন দেশের পুলিশ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলোতে থাকা পুলিশ সুপার পদমর্যাদা থেকে মেজর জেনারেল পদমর্যাদার কর্মকর্তারা এই সম্মেলনে উপস্থিত আছেন।

সম্মেলনে অংশ নেয়া বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা দ্বিতীয় দিনে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় ইন্টারপা সম্মেলন শুরু সোমবার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The Planning Minister has called for CRP to work in the Haor region as well

সিআরপিকে হাওরাঞ্চলেও কাজ করার আহ্বান পরিকল্পনামন্ত্রীর

সিআরপিকে হাওরাঞ্চলেও কাজ করার আহ্বান পরিকল্পনামন্ত্রীর
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের হাওরাঞ্চলগুলোতে দারিদ্র্য ও নিরক্ষরতার হার বেশি। সেখানে মানুষের সেবায় সিআরপিকে কাজ করার আহ্বান করছি। কারণ ওখানকার মানুষ অনেক কষ্টে আছে।’

উৎসবমুখর পরিবেশে সাভারের পক্ষাঘাতগ্রস্তদের পুনর্বাসন কেন্দ্রে (সিআরপি) বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস পালন করা হয়েছে।

আয়োজনের শুরুতে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে শোভাযাত্রা বের করেন সিআরপির নির্বাহী পরিচালক সোহরাব হোসেন, ফিজিওথেরাপিস্ট ও কর্মচারীরা।

শোভাযাত্রাটি সিআরপি থেকে শুরু হয়ে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের শিমুলতলা এলাকা ঘুরে সেখানে গিয়ে শেষ হয়। বেলুন উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিআরপির নির্বাহী পরিচালক।

এরপর রেডওয়ে হলে অতিথিদের নিয়ে আলোচনা সভা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

বিশেষ অতিথি ছিলেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী আশরাফ আলি খান খসরু, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান, ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান, বিএইচপিআইয়ের অধ্যক্ষ ওমর আলী সরকার ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ কমিটির সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘সিআরপি বছরে ৫ কোটি টাকা সরকারি অনুদান পায়। এটা আরও বেশি পাওয়া উচিত। আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে বলব, এর পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়ার জন্য। কারণ এটা উচ্চাভিলাষী ব্যয় নয়, প্রয়োজনীয় ব্যয়। সিআরপির চাহিদা ৫০ কোটি টাকা হলেও প্রধানমন্ত্রীর কাছে তা পাস করিয়ে নিতে পারব।

‘বাংলাদেশের হাওরাঞ্চলগুলোতে দারিদ্র্য ও নিরক্ষরতার হার বেশি। সেখানে মানুষের সেবায় সিআরপিকে কাজ করার আহ্বান করছি। কারণ ওখানকার মানুষ অনেক কষ্টে আছে।’

আরও পড়ুন:
কারিগরি শিক্ষার্থীরা দ্রুত চাকুরি পাচ্ছে: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
পক্ষাঘাতগ্রস্ত ৩০০ শিক্ষার্থীকে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ
রাজশাহী সিআরপির জন্য জমি দিলেন লিটন
‘প্রতিবন্ধীদের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangladesh is promoting blue and green bonds in climate finance

জলবায়ুর অর্থায়নে ব্লু এবং গ্রিন বন্ডকে উৎসাহিত করছে বাংলাদেশ

জলবায়ুর অর্থায়নে ব্লু এবং গ্রিন বন্ডকে উৎসাহিত করছে বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় এক সম্মেলনে বিএসইসি চেয়ারম্যান। ছবি: সংগৃহীত
‘সাউথ সাউথ এক্সচেঞ্জ: ইনটিগ্রেটিং জেন্ডার ইকুয়্যালিটি অ্যান্ড সোশ্যাল ইনক্লুসান ইন ক্লাইমেট বাজেটিং অ্যান্ড প্ল্যানিং প্রোসেস অ্যান্ড ইনোভেটিভ ক্লাইমেট ফাইন্যান্স ইন দ্যা এশিয়া-প্যাসিফিক রিজিওন’ নামের এই সম্মেলন চলবে আগামীকাল বুধবার পর্যন্ত।

জলবায়ু উন্নয়নে অর্থায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে ব্লু এবং গ্রিন বন্ডকে উৎসাহিত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম।

ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় ইউএনডিপি (ইউনাইটেড ন্যাশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম) আয়োজিত জলবায়ু উন্নয়নে অর্থায়ন নিয়ে দুই দিনব্যাপী এক সম্মেলনে অংশ নিয়ে মঙ্গলবার তিনি এ কথা বলেন।

প্রথম দিনে ‘ইমপ্যাক্ট অব ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্সিং: পারস্পেক্টিভ বাংলাদেশ’ বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএসইসি চেয়ারম্যান।

‘সাউথ সাউথ এক্সচেঞ্জ: ইনটিগ্রেটিং জেন্ডার ইকুয়্যালিটি অ্যান্ড সোশ্যাল ইনক্লুসান ইন ক্লাইমেট বাজেটিং অ্যান্ড প্ল্যানিং প্রোসেস অ্যান্ড ইনোভেটিভ ক্লাইমেট ফাইন্যান্স ইন দ্যা এশিয়া-প্যাসিফিক রিজিওন’ নামের এই সম্মেলন চলবে আগামীকাল বুধবার পর্যন্ত।

ইউএনডিপির ক্লাইমেট ফাইন্যান্স নেটওয়ার্ক এবং ইউএন উইমেন-এর উদ্যোগে সম্মেলনটি আয়োজনে সহযোগী হিসেবে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া সরকারের ‘মিনিস্ট্রি অব উইমেনস এমপাওয়ারমেন্ট অ্যান্ড চাইল্ড প্রটেকশন’ ও ‘মিনিস্ট্রি অব ফাইন্যান্স’।

ইউএনডিপির আমন্ত্রণে বিএসইসি চেয়ারম্যান এই সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন।

সম্মেলনে বাংলাদেশের বর্তমান জলবায়ু এবং বর্তমান বিশ্বমন্দা, জলবায়ু অর্থায়নের কার্যক্রম ইত্যাদি সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করেন শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি আফ্রিকা ও তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর সঙ্গে ইউরোপ-আমেরিকাতেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনা থেকেই বোঝা যায় প্রকৃতি কতটা শক্তিশালী। মানবসৃষ্ট নানা কর্মকাণ্ড, জীবাশ্ম জ্বালানির অত্যধিক ব্যবহার, বন ধ্বংস, পানিসম্পদ বিনষ্টসহ নানাভাবে প্রকৃতি বিনষ্ট হচ্ছে এবং প্রকৃতি এসব থেকে নিজেকে রক্ষার চেষ্টা করছে।’

জলবায়ুর পরিবর্তনে বাংলাদেশ ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানান অধ্যাপক শিবলী। বাংলাদেশকে জলবায়ু পরিবর্তনের জিরো গ্রাউন্ড বলে আখ্যায়িত করেন তিনি।

বিএসইসি চেয়ার‌ম্যান বলেন, ‘বাংলাদেশ সপ্তম মোস্ট ভালনারেবল দেশ এবং বাংলাদেশকে বলা যায় জলবায়ু পরিবর্তনের গ্রাউন্ড জিরো। বন্যাপ্রবণ বাংলাদেশের দুই তৃতীয়াংশই সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১৫ ফুট উচ্চতায় রয়েছে।

‘আমাদের দেশের প্রায় ৩ কোটি মানুষ গৃহহীন হয়েছেন অথবা হওয়ার শঙ্কায় আছেন। মাটির লবণাক্ততা এবং পানির অভাবসহ জলবায়ু পরিবর্তনের নানা প্রভাবে বাংলাদেশের কৃষি এবং অর্থনীতি ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।’

বাংলাদেশের জলবায়ু সংশ্লিষ্ট পলিসিসমূহ যেমন- ১৯৯৫ এর পরিবেশ রক্ষা আইন, ২০১০ এর জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট আইনসহ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের বিভিন্ন পদক্ষেপের অর্থায়ন ও বাস্তবায়নের তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেন বিএসইসি চেয়ারম্যান।

এ ছাড়া বৈদেশিক ও নিজস্ব অর্থ সহায়তায় সম্পাদিত কার্যক্রমগুলো এবং এর বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাগুলো ব্যাখ্যা করেন শিবলী।

জলবায়ু অর্থায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সরকারি এবং বেসরকারি অপশনগুলো আলোচনা করে শিবলী রুবাইয়াত বলেন, ‘আমরা ব্লু এবং গ্রিন বন্ডকে উৎসাহিত করছি।’

সামাজিক নানা অর্থনৈতিক বৈশ্বিক সূচকে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতির কথা তুলে ধরে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলাতে বাংলাদেশের সাফল্যের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

সম্মেলনে ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, ফিজি, কম্বোডিয়ার মতো অংশগ্রহণকারী দেশ নিজ প্রেক্ষিতে জলবায়ু ও লিঙ্গসমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বাজেটিং এবং জলবায়ু অর্থায়নের ক্ষেত্রে নিজস্ব সমন্বিত অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তুলে ধরে।

আরও পড়ুন:
জলবায়ু প্রতিশ্রুতির ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে না বাংলাদেশ
যৌন জীবনে প্রভাব ফেলছে জলবায়ু
জলবায়ু পরিবর্তন: দক্ষিণ এশিয়ায় তাপ বাড়ার শঙ্কা ৩০ গুণ
ফটোগ্রাফারের চোখে ভবিষ্যৎ পৃথিবী
জলবায়ু সহিষ্ণু শস্য উৎপাদনে প্রধানমন্ত্রীর তাগিদ

মন্তব্য

p
উপরে