× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
There is no traffic jam but there is misery on the way to Chittagong and Sylhet
hear-news
player
google_news print-icon

যানজট নেই, তবুও চট্টগ্রাম ও সিলেটের পথে দুর্ভোগ

যানজট-নেই-তবুও-চট্টগ্রাম-ও-সিলেটের-পথে-দুর্ভোগ
মহাসড়কে ভোগান্তিতে পড়েছেন ঈদে বাড়িমুখী যাত্রীরা। ছবিটি বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকা থেকে তোলা। ছবি: নিউজবাংলা
কাচঁপুর হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক কে এম মেহেদী হাসান বলেন, ‘ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপ পড়েছে সড়কে। রাস্তায় গরমে মানুষ অস্তির হয়ে পড়ছে। দুই মহাসড়কের কোথাও যানজট নেই। তবে সড়কে নানা রকম ভোগান্তি আছে। মোবাইল টিমের মাধ্যমে আমরা সেসব সমাধানের ব্যবস্থা নেব।’

প্রখর রোদে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ও সিলেট মহাসড়কে যানজট না থাকলেও ভোগান্তিতে পড়েছেন ঈদে বাড়িমুখী যাত্রীরা। যানবাহন সংকটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মহাসড়কে দাঁড়িয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলের দিকে দুটি মহাসড়কে ঢল নামে দক্ষিণপূর্ব অঞ্চলের বিভিন্ন জেলার মানুষের। তাদের ভোগান্তি কমাতে হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা কাজ করছেন। দুটি মহাসড়কে সকাল থেকে স্বাভাবিক গতিতে যান চলাচল করছে।

নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় দুপুরের দিকে স্ত্রী-ছেলেমেয়ে নিয়ে গাড়ির জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেন বেসরকারি চাকরিজীবী মশিউর রহমান।

তিনি বলেন, ‘রোদে মরিচের মতো শরীরটা জ্বলতাছে। তার ওপর গাড়ি পাই না। যাও পাইছি ভাড়া অনেক বেশি। রাস্তায় এত কষ্ট সহ্য হয়? প্রতি ঈদেই কষ্ট। কবে এই কষ্ট থেকে মাফ পামু জানি না।’

একই জায়গায় দাঁড়িয়ে গাড়ির অপেক্ষা করছিলেন মশিউর নামের নোয়াখালীর যাত্রী। বলেন, ‘দুপুরে অফিস থেকে বাসায় গিয়ে স্ত্রী ও ছেলেমেয়ে নিয়া বাড়ি যেতে রওনা হয়েছি। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়ে যাচ্ছে, গাড়ির দেখা নাই। গাড়ি আসছে না কেন, তাও বলছেন না কাউন্টারের লোকজন। রোদের মধ্যে বাচ্চাগুলোর অবস্থায় খারাপ হয়ে গেছে।’

একপর্যায়ে তিনি রিকশা নিয়ে ঢাকার ভাড়া বাসায় ফিরে যান।

বাড়ি যেতে সড়কে নেমে গরমে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অনেকে। সাইনবোর্ড এলাকায় ৭২ বছর বয়সী আলেয়া বেগমের মাথায় পানি ঢালছিলেন তার স্বজনরা।

আলেয়া বেগম বলেন, ‘মুন্সীগঞ্জ থেকে মিরপুরে মেয়ের বাড়িতে যাই ঈদ করতে। সিএনজি কইরা এই পযর্ন্ত আইছি। অহন গাড়ি পাই না, যা পাই ভাড়া বেশি। গরমে তো শেষ হইয়া গেলাম। পুরুষ মাইনষে তো গাড়িতে দৌড় দিয়ে উঠতে পারে, আমরা কি পারি?’

কিশোরগঞ্জের যাত্রী আব্দুল্লাহ আল মাহী বলেন, ‘বেলা ১২টায় শিমরাইল বাস কাউন্টারে আসলাম। এখন সাড়ে ৩টায়ও গাড়ি আসে নাই। রাস্তা তো ফাঁকা, তাইলে সমস্যা কি তাদের। ভাড়া নিল টিকিট প্রতি ১০০ টাকা বেশি। এভাবে হয়?’

বাস কাউন্টারের মোহাম্মদ মিঠু বলেন, ‘১ ঘণ্টা পরপর গাড়ি ছাড়া হচ্ছে। দুপুরের পর থেকে যাত্রীর চাপ অনেক বেড়ে গেছে, এ জন্য সমস্যা হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি যাত্রীদের গাড়িতে ওঠাতে।’

যানজট নেই, তবুও চট্টগ্রাম ও সিলেটের পথে দুর্ভোগ

সাইনবোর্ড এলাকার আরেক টিকিট কাউন্টারের শহিদ মিয়া বলেন, ‘কাউন্টারে আগের দামেই টিকিট বিক্রির কথা। অনেকে বাড়িয়ে বিক্রি করছি, কারণ যাত্রী বাড়লে ভাড়াও বেড়ে যায়। যাত্রী কমে গেলে আবার কম রাখা হয়।’

সকাল থেকে রাজধানী থেকে চট্টগ্রাম ও সিলেট মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশে কোথাও যানজট দেখা যায়নি। তবে কিছু কিছু মোড়ে ঢাকামুখী যানবাহনের বাড়তি চাপ রয়েছে।

কাচঁপুর হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক কে এম মেহেদী হাসান নিউজবাংলাকে জানান, ঈদে ঘরমুখো মানুষের বাড়ি ফেরার চাপ পড়েছে সড়কে। রাস্তায় গরমে মানুষ অস্থির হয়ে পড়ছে। শিল্পকারখানা ছুটি হলে এ চাপ আরও বাড়বে।

তিনি বলেন, ‘আমরাও রাস্তায় আছি। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের তারাব, বরাত, রূপসী, ভুলতা এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর, মদনপুর, লাঙ্গলবন্দ, মোগড়াসহ মেঘনা পর্যন্ত পুলিশের ১৬২ সদস্য কাজ করছেন। দুই মহাসড়কের কোথাও যানজট নেই। তবে সড়কে নানা রকম ভোগান্তি আছে। মোবাইল টিমের মাধ্যমে আমরা সেসব সমাধানের ব্যবস্থা নেব।’

আরও পড়ুন:
শেষ মুহূর্তে ফাঁকা মহাসড়কগুলো
সাভার ও গাজীপুর মহাসড়কে এবারও ‘বাড়তি ভাড়া’
মহাসড়কে পোশাক শ্রমিকের ঢল
মহাসড়কে গাড়ির চাপ, বেশি ভাড়া নেয়ার অভিযোগ
ঈদে মহাসড়কে পুলিশের বাড়তি নজরদারি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
History does not care about the dictators bloodshot who

ইতিহাস স্বৈরাচারীর রক্তচক্ষু পরোয়া করে না: কাদের

ইতিহাস স্বৈরাচারীর রক্তচক্ষু পরোয়া করে না: কাদের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দুকন্যা শেখ হাসিনা আর শেখ রেহানাকে এতিম করেছে যে বুলেট। সে বুলেট বেগম খালেদা জিয়াকেও বিধবা করেছে। বিশ্বাস ঘাতকদের ইতিহাস ক্ষমা করে না। ইতিহাস কোন স্বৈরাচারী প্রভুর রক্তচক্ষু পরোয়া করে না। ইতিহাসের আদালতের বিচারে কেউই রক্ষা পাবে না।’

বিশ্বাস ঘাতকদের ইতিহাস কখনও ক্ষমা করেনি। ইতিহাস কোন স্বৈরাচারী প্রভুর রক্ত চক্ষু পরোয়া করে না। ইতিহাসের আদালতের বিচারে কেউই রক্ষা পায় না, এমনটি জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার সকালে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মাঠে আয়োজিত নোয়াখালী পৌরসভা ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আজকে জাতির দুর্ভাগ্য ১৯৭৫ সালে চোখের পলকে ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। খন্দকার মোশতাক পলাশীর মীর জাফর। পলাশীর সেনাপতি লতিফ মতে বাংলাদেশের সেনাপতি জিয়াউর রহমান জড়িত না থাকলে আরেকটি খুনি চক্র তাকে হত্যা করার দুঃসাহস পেত বলে আমি মনে করি না। ইতিহাস বড়ই নির্মম। বাঁচতে পারেনি জেনারেল জিয়াউর রহমান।

‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দুকন্যা শেখ হাসিনা আর শেখ রেহানাকে এতিম করেছে যে বুলেট। সে বুলেট বেগম খালেদা জিয়াকেও বিধবা করেছে। বিশ্বাস ঘাতকদের ইতিহাস ক্ষমা করে না। ইতিহাস কোন স্বৈরাচারী প্রভুর রক্তচক্ষু পরোয়া করেনা। ইতিহাসের আদালতের বিচারে কেউই রক্ষা পাবে না,’ যোগ করেন তিনি।

এ সময় তিনি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘অনেকেরই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়ে গেছে। বিদেশে যারা পালিয়ে বেড়াচ্ছে একদিন তাদের যে দণ্ড সে দণ্ডও কার্যকর করা হবে ইনশাআল্লাহ।’

বিএনপির মসহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘ফখরুল সাহেবরা আজকে অপপ্রচার করছে। তারা ষড়যন্ত্র করবে আর আমরা কাজ করে যাব। আমরা গণমানুষের পাশে থাকব।’

সেতুমন্ত্রী আওয়ামী লীগের নেতাদের উদ্দশে করে বলেন, মুজিব কোট পরলেই মুজিব সৈনিক হওয়া যায় না। মুজিব কোট খুনি খন্দকার মোশতাকও পরেছে। ৭৫ এর সেই বিশ্বাস ঘাতকরা। মুজিব সৈনিক হতে হলে মুজিবের আদর্শ ধারণ করতে হবে। আমার বার্তা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা বঙ্গবন্ধুর কন্যার বার্তা। আওয়ামী লীগকে আরও ঐক্যবন্ধ আরও সংঘঠিত আরও সুশৃঙ্খল করতে হবে। নোয়াখালীর আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর দুর্গ ছিল। এখন এটাকে শেখ হাসিনার শক্তিশালী দুর্গে পরিণত করতে হবে।’

নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, ‘রাজনীতি একদিনের ব্যাপার নয়। এক বছর বা কয়েক বছরেরও ব্যাপার নয়। নোয়াখালীতে আমি আর বিভেদ দেখতে চাই না। ক্ষমা করার উদারতা আমার আছে। বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে এ দেশ এতো দিনেও স্বাধীন হতো কিনা সন্দেহ আছে। মহান আল্লাহপাক বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্যই বঙ্গবন্ধুকে জন্ম দিয়ে ছিলেন। আর মুক্তির জন্য জন্ম দিয়েছেন শেখ হাসিনাকে। একজন স্বাধীনতার জন্য আরেক জন মুক্তির জন্য। আমাদের মুক্তির সংগ্রামের অসীম সাহসী কাণ্ডারী শেখ হাসিনা।

নোয়াখালী পৌরসভা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ পিন্টুর সভাপতিত্বে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান বাবুলের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ এএইচএম খায়রুল আনম সেলিম, যুগ্ম-আহ্বায়ক শিহাব উদ্দিন শাহীন ও শহীদুল্লাহ খাঁন সোহেল।

আরও পড়ুন:
বিএনপি লাঠি আনলে আওয়ামী লীগ ললিপপ চুষবে না: কাদের
প্রধানমন্ত্রী ঘুমান মাত্র ৩ থেকে সাড়ে ৩ ঘণ্টা: কাদের
১০ ডিসেম্বর কী হতে যাচ্ছে ঢাকায়?
তত্ত্বাবধায়ক ছাড়াই ভোটে আসবে বিএনপি: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Saikat Bahadur died while eating

খাওয়ার সময় প্রাণ হারাল ‘সৈকত বাহাদুর’

খাওয়ার সময় প্রাণ হারাল ‘সৈকত বাহাদুর’ খাওয়ার সময় মারা গেছে হাতি সৈকত বাহাদুর। ছবি: সংগৃহীত
মাজাহারুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে চকরিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। হাতির ময়নাতদন্ত রিপোর্টও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেয়া হবে।’

কক্সবাজারের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে একটি পোষা বন্যহাতির মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার বিকেল ৪টার দিকে পার্কের ভেতরে খাওয়ার সময় মারা যায় সৈকত বাহাদুর নামের হাতিটি।

৩২ বছর বয়সী এই হাতির মৃত্যুর তথ্য মঙ্গলবার দুপুরে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মাজাহারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘পার্কের ভেতরে হাতির গোদা নামক স্থানে খাবার খাওয়ার সময় হঠাৎ সৈকত বাহাদুর অজ্ঞান হয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিক ভেটেরিনারি চিকিৎসক নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যায় সৈকত বাহাদুর বেঁচে নেই।’

মাজাহারুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে চকরিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। হাতির ময়নাতদন্ত রিপোর্টও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
মধ্যরাতে বন্য হাতির আক্রমণে কৃষকের মৃত্যু
জিআই তারে জড়িয়ে বন্য হাতির মৃত্যু
বাচ্চা হাতিটি এখন খোশ মেজাজে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chubby art students on the road again

ফের সড়কে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা

ফের সড়কে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা এক দফা দাবীতে রাস্তা অবরোধ করেছে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে চারুকলা ইনস্টিটিউটের সামনে বাদশাহ মিয়া রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। এ সময় তারা স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে অবস্থান অব্যাহত রাখেন।

মূল ক্যাম্পাসে ফেরার এক দফা দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা।

তাদের অভিযোগ, ২৮ দিন পেরিয়ে গেলেও কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে পারেনি প্রশাসন ও স্থানান্তর সংক্রান্ত গঠিত কমিটি। একই সঙ্গে প্রশাসনের নির্দেশ থাকলেও চারুকলার শিক্ষকরা এ বিষয়ে অ্যাকাডেমিক কমিটির আর কোনো বৈঠকে বসেননি। পাশাপাশি তারা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে চারুকলা ইনস্টিটিউটের সামনে বাদশাহ মিয়া রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। এ সময় স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে অবস্থান অব্যাহত রাখেন।

এর আগে গত ১৬ নভেম্বর থেকে তারা মূল ক্যাম্পাসে অবরোধ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। ২০ নভেম্বর একজন সহকারী প্রক্টর, চারুকলা পরিচালক এবং ১২ শিক্ষককে প্রায় ১০ ঘণ্টার মতো অবরুদ্ধ করে রাখেন তারা।

চারুকলা স্নাতক চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী খন্দকার মসরুল আল ফাহিম বলেন, ‘আমরা আজ থেকে ফটকের বাইরে অবস্থান কর্মসূচি ও সড়ক অবরোধ করছি। প্রশাসন একটা কমিটি করেছিল, কিন্তু দুই সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও কমিটি স্থানান্তর বিষয়ে সুস্পষ্ট বক্তব্য দিতে পারেনি। তাহলে এই কমিটির মানে কী?

আমরা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। সমাধান না আসা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।’

ফের সড়কে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা

এ বিষয়ে 'চারুকলাকে ক্যাম্পাসে স্থানান্তর' বিষয়ক কমিটির আহ্বায়ক চবির ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ মামুন বলেন, ‘আমরা তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলাম। ক্যাম্পাস স্থানান্তরের বিষয়ে সরকারি ও আইনি যে প্রক্রিয়া আছে, সেগুলো আমরা তাদের বলেছিলাম। গ্যাজেটের কপি তাদের দেখিয়েছিলাম। তারাও আমাদের সঙ্গে সম্মত হয়েছিল। আমরা সুপারিশ করেছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্ষদে সিদ্ধান্ত পাস হয়ে আসতে হবে। তারপর সরকারের সম্মতি নিয়ে চারুকলাকে স্থানান্তর করতে হবে। এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করব, বিশ্ববিদ্যালয়ও এই প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

প্রসঙ্গত, গত ২ নভেম্বর থেকে ২২ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান কর্মসূচি ও ক্লাস বর্জন শুরু করেন চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের ২২ দফা পরে এক দাবিতে রূপ নেয়। বর্তমানে তাদের একটাই দাবি, তারা মূল ক্যাম্পাসে ফিরে যেতে চান।

আরও পড়ুন:
হলে প্রবেশের সময়সীমাকে চবি ছাত্রীদের প্রত্যাখ্যান
চবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৬ আগস্ট
বাসের দাবিতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে ৫ ঘণ্টা
স্বাধীনতা দিবসে ৫০ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা দেবে চবি
যে বিপদ ওত পেতে আছে চবি রেলস্টেশনে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNPs former MP lost his post by insulting senior leaders

সিনিয়র নেতাদের নামে ‘কুৎসা রটানোয়’ পদ গেল বিএনপির সাবেক এমপির

সিনিয়র নেতাদের নামে ‘কুৎসা রটানোয়’ পদ গেল বিএনপির সাবেক এমপির লহ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আহমেদ। ফাইল ছবি
অব্যাহতি পাওয়া সাবেক এমপি নাজিম উদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, জেলা বিএনপির কয়েকজন নেতা একপেশে সিদ্ধান্ত নিয়ে তাদের অন্যায়ভাবে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। এ বিষয়ে তারা কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে আবেদন করবেন।

দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের নামে কুৎসা রটানোসহ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপির লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলা আহ্বায়ক ও লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আহমেদকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বিভিন্ন সময়ে সভা-সমাবেশে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, সিনিয়র নেতাদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনাসহ একাধিক অভিযোগে সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সাবেক এমপি নাজিম উদ্দিনসহ পাঁচ নেতাকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ১২ নভেম্বর এই নেতাদের ৭ দিনের সময় দিয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছিল বলে জানান হাসিবুর রহমান।

নাজিম উদ্দিন ছাড়া অব্যাহতি পাওয়া বাকি নেতারা হলেন রামগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সাহাবুদ্দিন তুর্কি, আবদুর রহিম ভিপি, পৌর বিএনপির সদস্যসচিব মিয়া মো. আলমগীর ও পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জাকির হোসেন মোল্লা।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ওই পাঁচ নেতার রিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জেলা বিএনপির দলীয় প্যাডে অব্যাহতিপত্র লিখে পাঠানো হয়। এতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, সদস্যসচিব সাহাবুদ্দিন সাবু ও যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান স্বাক্ষর করেছেন।

নেতা-কর্মীরা জানিয়েছেন, কয়েক মাস আগে উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মাহাবুবুল আলম বাহারকে অব্যাহতি দিয়ে কেন্দ্র থেকে চিঠি পাঠানো হয়। কিন্তু কেন্দ্রের নির্দেশনা উপেক্ষা করে জেলা কমিটি তাকে ওই পদেই বহাল রাখে। এতে নেতা-কর্মীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

তাদের দাবি, এসব কারণ ও তার পাশাপাশি নিজেদের পছন্দের লোকজনকে কমিটিতে আনতে পাঁচ নেতাকে দল থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

রামগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক পদ থেকে অব্যাহতি পাওয়া সাবেক এমপি নাজিম উদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, জেলা বিএনপির কয়েকজন নেতা একপেশে সিদ্ধান্ত নিয়ে তাদের অন্যায়ভাবে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। এ বিষয়ে তারা কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে আবেদন করবেন।

আরও পড়ুন:
ডিসেম্বরেই আওয়ামী লীগকে পরাজিত করতে হবে: দুদু
কুমিল্লায় বিএনপির সমাবেশে মোবাইল হারানোর ৭১ জিডি
কুমিল্লা সমাবেশ: বিএনপির ভেতরে ক্ষোভের আগুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1 killed in shooting attack on DBs car in Comilla

কুমিল্লায় ডিবির গাড়িতে হামলা, গুলিবিদ্ধ ১ ‘ডাকাত’

কুমিল্লায় ডিবির গাড়িতে হামলা, গুলিবিদ্ধ ১ ‘ডাকাত’
কুমিল্লা বুড়িচংয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) গাড়িতে হামলার ঘটনায় বন্দুকযুদ্ধে একজন আহত হয়েছেন। ফাইল ছবি
গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাজেশ বড়ুয়া বলেন, ‘ডিবির অফিসার ও ফোর্সরা দ্রুত গাড়ি থেকে নামলে সশস্ত্র ডাকাতদল ডিবির জ্যাকেট পরিহিত পুলিশ দেখে আক্রমণাত্মকভাবে তাদের লক্ষ্য করে গুলি করে।’

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কাকিয়ারচর এলাকায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) গাড়িতে হামলাচেষ্টার ঘটনায় ডাকাত দলের এক সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, এমন দাবি করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

বিষয়টি নিশ্চিত করে গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজেশ বড়ুয়া জানান গুলিবিদ্ধ ২৯ বছর বয়সী যুবক আবু ইউসুফ বুড়িচং উপজেলার হালগাঁও গ্রামের আবদুর রাজ্জাকের ছেলে।

রাজেশ বড়ুয়া বলেন, ‘সোমবার মধ্যরাতে ডিবির একটি টিম বুড়িচং থানার নিমসারসংলগ্ন আবিদপুর যাওয়ার রাস্তায় কাকিয়ারচর নামক এলাকায় পৌঁছালে গাড়ির চাকায় বিকট শব্দে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেলে (চালক) গাড়ি থামায়। গাড়ি থামার সঙ্গে সঙ্গে রাস্তার পাশের ধানক্ষেত থেকে ৭-৮ সদস্যের সশস্ত্র ডাকাতদল গাড়িটিকে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলে।

‘ডিবির অফিসার ও ফোর্সরা দ্রুত গাড়ি থেকে নামলে সশস্ত্র ডাকাতদল ডিবির জ্যাকেট পরিহিত পুলিশ দেখে আক্রমণাত্মকভাবে তাদের লক্ষ্য করে গুলি করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তখন ডিবি পুলিশ পাল্টা গুলি করলে ডাকাতদল দিগ্বিদিক পালাতে থাকে। গুলির ও পুলিশের বাঁশির আওয়াজ শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসে।’

‘পরবর্তী সময়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও ডিবি পুলিশ সড়কের পাশের ধানক্ষেত ও খালি জায়গায় তল্লাশি করে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক ডাকাতকে পেয়ে হেফাজতে নিয়ে দ্রুত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে তার চিকিৎসা চলছে,’ যোগ করেন তিনি।

ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপ গান, একটি ছেনি (লম্বা দা), একটি কিরিচ, একটি লোহার রড, একটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন:
ডাকাত আতঙ্কে মাদারীপুরের পাঁচ উপজেলার মানুষ
আ.লীগ নেতার খামারে ডাকাতি, নিয়ে গেছে বিদেশি ৬ গাভি
মাদক কারবারিদের গুলিতে নিহত হন শাহীন, দাবি র‍্যাবের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BIWTA destroyed farmers potato fields

বিআইডাব্লিউটিএ নষ্ট করল কৃষকের আলুর ক্ষেত

বিআইডাব্লিউটিএ নষ্ট করল কৃষকের আলুর ক্ষেত দিনাজপুরে নদী খননের নামে বিআইডাব্লিউটিএ কৃষকদের আবাদ করা আগাম জাতের আলুর ক্ষেত নষ্ট করছে। ছবি: নিউজবাংলা
দিনাজপুরে পুনর্ভবা নদী খনন শুরু করছে বিআইডাব্লিউটিএ। নদীর দুই পারে ৫০০ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছেন কৃষকরা। সেগুলো নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কৃষকরা বলছেন, তাদের এক মাসের সময় দেয়া হোক।

আগামী দিনে দেশে খাদ্য ঘাটতির আশঙ্কা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সব ধরনের জমিতে ফসল আবাদ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি পতিত জমিতেও ফসল চাষাবাদ করার নির্দেশনা দিলেও দিনাজপুরে নদী খননের নামে বিআইডাব্লিউটিএ কৃষকদের আবাদ করা আগাম জাতের আলুর ক্ষেত নষ্ট করছে। এমনকি ব্যক্তিগত আলুর ক্ষেতও এস্কাভেটর মেশিন দিয়ে খুঁড়ে দিয়েছে সরকারি এ প্রতিষ্ঠান।

এভাবে কয়েক একর জমির আলুর ক্ষেত নষ্ট করে দিয়েছে বিআইডাব্লিউটিএ। ফসল ওঠা পর্যন্ত কৃষকরা সময় চাইলেও তাদের কথা শোনা হচ্ছে না।
সম্প্রতি দিনাজপুর সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের মহব্বতপুর, উলিপুর ও খাড়িপাড়ার শতাধিক ভুক্তভোগী কৃষক দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক বরাবর একটি অভিযোগ দিয়েছেন।

চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি দিনাজপুর শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত পুনর্ভবা নদীর খনন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। নদীটির খনন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে বিআইডাব্লিউটিএ।

নদীর ৩৩ কিলোমিটার খনন করতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১১৩ কোটি ৯৫ লাখ ৬৯ হাজার ৫৬০ টাকা। পৃথক পাঁচটি প্যাকেজে পাঁচটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে নদীর পাশে জমিতে বিভিন্ন চাষাবাদ করে আসছি। সেই আলোকে আমরা আগাম জাতের আলু রোপণ করেছি। আর কয়েক দিন পরই আলু বাজারে ওঠানোর মতো অবস্থায় চলে আসবে। কিন্তু এরই মধ্যে জানতে পারলাম যে বিআইডাব্লিউটিএ কর্তৃক পুনর্ভবা নদী খনন শুরু হবে। ইতোমধ্যে তারা কয়েকজন কৃষকের আলুর ক্ষেত খুঁড়ে দিয়েছে। এভাবে খুঁড়তে থাকলে ৫০০ বিঘা জমির আলু নষ্ট হবে। তাই আমাদের এক মাসের সময় দেয়া হোক। নইলে আমাদের অপূরণীয় ক্ষতি হবে।’

উলিপুর গ্রামের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে পুনর্ভবা নদী। নদীটির পাশেই চরে মাথা উঁচু করে দাঁড়াচ্ছে সারি সারি নতুন আলুর গাছ। আর কয়েক দিন পরে এই ক্ষেতে আলু বাজারে উঠতে শুরু করবে। কিন্তু কৃষকের হাসি বিষাদে রূপ নিতে শুরু করেছে বিআইডাব্লিউটিএর কারণে। আগাম জাতের আলুর ক্ষেত নষ্ট করে নদী খনন কার্যক্রম পরিচালনা করছে তারা। অনেক কৃষকের আলুর ক্ষেত খুঁড়ে মাটি সরিয়ে দেয়া হচ্ছে। এতে করে কৃষকরা ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে। বারবার সময় চেয়েও পাচ্ছে না কৃষকরা। এমনকি ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিকে নদীর জমি হিসেবে চিহ্নিত করে খুঁড়ে দেয়া হচ্ছে।

বিআইডাব্লিউটিএ এমন কার্যক্রমের ফলে অসহায় হয়ে পড়েছে ওই গ্রামের বহু কৃষক। নদী খনন কার্যক্রম চলমান থাকলে প্রায় ১ কোটি টাকার আলুর ফলন নষ্ট হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন কৃষকরা।

কিষানি নুর বানু নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এই জমি আমাদের। আমরা একজনকে বর্গা দিছি। কিন্তু বিআইডাব্লিউটিএ সরকারের জমি বলে খুঁড়ে দিছে। এখন তো ওই লোকের অনেক ক্ষতি হলো। আলুর গাছ খুঁড়ে নষ্ট করে দেয়া হলো।’

কৃষক আব্দুল জলিল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যদি এই জমিগুলো সরকারের হয়, তাহলে তো আমাদের মাইকিং করে জানাতে পারত। কিন্তু এখন আলুর ক্ষেত নষ্ট করে দেয়া হচ্ছে। এখানে এক বিঘা জমিতে ৪০ মণ আলু পাওয়া যায়। আমরা ঋণ ও ধারদেনা করে এই আলুর চাষাবাদ করতেছি।

‘নদী খনন হলে ৫০০ থেকে ৭০০ একর জমি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ইতিমধ্যে আমার জমির পাশেই এক একর জমির ফসল নষ্ট করে দিয়েছে। আমরা তো এই জমি খেয়ে ফেলতেছি না। আমরা তো খাদ্য উৎপাদন করতেছি। তাই আমরা তাদের কাছে এক মাসের সময় চাচ্ছি।’

কৃষক আরিফ আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এই জমি আমার রেকর্ডভুক্ত সম্পত্তি। অথচ এখন নদী খনন করতে এসে তারা সরকারের জমি বলে দাবি করতেছে। এখানে জমি বর্গা দিয়েছি। বর্গা চাষিদের ফসল নষ্ট করে দিল। পাশাপাশি আমার জমি খুঁড়ে শেষ করে দিল। জমির সব ধরনের কাগজপত্র আমার কাছে আছে। কিন্তু তাদের কাছে কাগজপত্র দেখতে চাইলে তারা কাগজপত্র দেখাতে পারছে না।’

তরুণ উদ্যোক্তা মোসাদ্দেক হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এই জমিগুলোর আলু আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যেই উঠতে শুরু করবে। জমি খুঁড়ে ফেলার ফলে কৃষকদের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। খনন কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে এই এলাকার প্রায় ১ কোটি টাকার আলু নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই কৃষক ও জাতির স্বার্থে খনন কার্যক্রমটি ২০ দিন অথবা এক মাস বন্ধ রাখার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি অনুরোধ রাখছি।’

এ ব্যাপারে দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক খালেদ মোহাম্মদ জাকীকে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এমনকি খুদে বার্তা পাঠানো হলেও তার কোনো জবাব দেননি।

আরও পড়ুন:
বিচারক বদলি, পেছাল ঘোড়াঘাটের ইউএনও হত্যাচেষ্টা মামলার রায়
যুগ পর কাউন্সিলের তারিখে বিএনপি নেতাদের দৌড়ঝাঁপ
গৃহায়নের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগ, অবরুদ্ধ কার্যালয়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The miscreants hacked the tea shopkeeper to death

চা দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা

চা দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা প্রতীকী ছবি
টিটন বাড়ির পাশে নিজের চায়ের দোকানে ছিলেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে ৩টি মোটরসাইকেলে কয়েকজন ব্যক্তি এসে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। 

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় জীবন চৌধুরী টিটন নামের এক চা দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের ধান্যহাড়িয়া গ্রামে সোমবার রাত ১০ টার দিকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

নিহত টিটন একই গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে।

যাদবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন জানান, টিটন বাড়ির পাশে নিজের চায়ের দোকানে ছিলেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে ৩টি মোটরসাইকেলে কয়েকজন ব্যক্তি এসে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে।

আহত টিটনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মিয়া জানান, পুর্ব শত্রুতার জের ধরে এই হত্যাকান্ড হয়েছে বলে ধারনা করছি। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।

আরও পড়ুন:
মসজিদে যাওয়ার পথে ব্যবসায়ী খুন
সাভারের নীলা হত্যা মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য ২০ ফেব্রুয়ারি
দুই যুগ আগের হত্যা মামলায় ২ আসামির যাবজ্জীবন
কোথায় গেল আয়াতের টুকরা দেহ
শিশুর রক্তাক্ত মরদেহ বস্তায়

মন্তব্য

p
উপরে