× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Leaning of school building Ministrys instructions to take action
hear-news
player
print-icon

স্কুল ভবন হেলে পড়ায় ব্যবস্থার নির্দেশ

স্কুল-ভবন-হেলে-পড়ায়-ব্যবস্থার-নির্দেশ
ফাইল ছবি
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইইডির এক নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ভবনের কাজ শেষ না হতেই ভবনটি ৫-৬ ইঞ্চি হেলে পড়ে। বিষয়টি নজরে এলে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখা হয়। কিছুদিন পর হেলে পড়া ভবনটি সোজা করার জন্য ‘অভিনব পদ্ধতি’তে আবার কাজ শুরু করা হয়।

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার পল্লীশ্রী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন চারতলা অ্যাকাডেমিক ভবন একপাশে হেলে পড়ার ঘটনায় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবু বকর ছিদ্দীক এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইইডির এক নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ভবনের কাজ শেষ না হতেই ভবনটি ৫-৬ ইঞ্চি হেলে পড়ে। বিষয়টি নজরে এলে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখা হয়। কিছুদিন পর হেলে পড়া ভবনটি সোজা করার জন্য ‘অভিনব পদ্ধতি’তে আবার কাজ শুরু করা হয়।

তিনি আরও বলেন, ভবনটি সোজা করতে যে পাশে হেলে গেছে তার বিপরীত পাশে খনন করা হচ্ছে ১৪ ফুট গভীর খাল। অন্য পাশে বাঁশের পাইলিং দিয়ে ১২ ফুট চওড়া ও ১৪ ফুট উচ্চতায় নির্মাণ করা হচ্ছে বাঁধ, যা সম্পূর্ণ প্রকৌশল বিদ্যাবহিভূর্ত।

জানতে চাইলে ইইডির খুলনা জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘নির্দেশনা অনুযায়ী সমস্যা সমাধানের কাজ চলছে। এর বেশি কিছু আমার পক্ষে বলা সম্ভব নয়।’

গত ২৮ জুন স্কুলভবন হেলে পড়ার ঘটনায় ইইডির খুলনা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আ. ট. মারুফ আল ফারুকীর নেতৃত্বে তদন্তদল গঠন করা হয়। এ তদন্তদলে রয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী (প্রধান কার্যালয়) মীর মুয়াজ্জেম হুসেন, নির্বাহী প্রকৌশলী (খুলনা) মু. মোস্তাফিজুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) এস এম সাফিন হাসান ও সহকারী প্রকৌশলী রতিশ চন্দ্র সেন।

জানা যায়, বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী শাহ নাইমুল কাদের ইইডির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী থাকাকালে এ প্রকল্পের পরিচালক ছিলেন। এখনও তিনি এ প্রকল্পের দায়িত্বে আছেন।

এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার প্রধান প্রকৌশলী শাহ নাইমুল কাদেরকে ফোন ও এসএমএস করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

ইইডি থেকে জানা যায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ইইডি) বাস্তবায়নাধীন ‘নির্বাচিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহে উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় পল্লীশ্রী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চারতলা অ্যাকাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয় ২০১৮-১৯ অর্থবছর। এর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় দুই কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

আরও পড়ুন:
সেই অধ্যক্ষকে সন্দীপে বদলি
অধ্যক্ষের ভর্তি বাণিজ্যের সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি
অসীম ও অপু উকিলের ‘দুর্নীতির’ তদন্ত চাওয়া রিট খারিজ
যেখানেই যান, সেখানেই ‘ঘুষ-অনিয়মে’ সালাম

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Rifat murder in Mohakhali All accused acquitted of life sentence

মহাখালীতে রিফাত হত্যা: যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত সব আসামি খালাস

মহাখালীতে রিফাত হত্যা: যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত সব আসামি খালাস সুপ্রিম কোর্ট ভবনের একাংশ। ফাইল ছবি
১৯৯৭ সালের ১৭ জানুয়ারি ইফতার করানোর কথা বলে রিফাতকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরের দিন মহাখালীর রিফাত জাহাদ হোটেলের পেছনে রেললাইনে তার মরদেহ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ওই বছরের ১৮ জানুয়ারি রিফাতের ভাই মো. ইসমাইল হোসেন ক্যান্টনমেন্ট থানায় ৮ জনের নামে মামলা করেন।

চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ কে আজাদের ছোট ভাই নুরুল ইসলাম রিফাত হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সব আসামিকে খালাস দিয়েছে আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীসহ পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ বুধবার এ রায় দেয়।

আদালতে আসামিদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ও এসএম শাহজাহান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মুহাম্মদ মোর্শেদ।

খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন সাজাপ্রাপ্ত শামছু হাবিব বিদ্যুৎ, রুমান কার্জন, মানিক ও রাসেল কবীর।

এর আগে ২০১৪ সালে এ মামলায় একবার রায় দিয়েছিল আপিল বিভাগ। সে সময় আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে তিন বেঞ্চ এ রায় দিয়েছিল, তবে আসামিরা রিভিউ আবেদন করলে মামলাটি ফের আপিল শুনানির জন্য পাঠায় আপিল বিভাগ।

১৯৯৭ সালের ১৭ জানুয়ারি ইফতার করানোর কথা বলে রিফাতকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরের দিন মহাখালীর রিফাত জাহাদ হোটেলের পেছনে রেললাইনে তার মরদেহ পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় ওই বছরের ১৮ জানুয়ারি রিফাতের ভাই মো. ইসমাইল হোসেন ক্যান্টনমেন্ট থানায় ৮ জনের নামে মামলা করেন। পরের বছরের ৭ জানুয়ারি ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয়া হয়।

২০০৭ সালের ২১ জুন বিচারিক আদালত আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে রায় দেন।

এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের পর ২০১০ সালের ১০ নভেম্বর হাইকোর্ট পাঁচজনের সাজা বহাল রেখে তিনজনকে খালাস দেয়।

হাইকোর্টে সাজাপ্রাপ্তরা আপিল করলে বুধবার আপিল বিভাগ সবাইকে খালাস দিয়ে রায় ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন:
হাইকোর্টে ৩০৫২ নতুন আইনজীবী
সুইস ব্যাংকের কাছে কেন তথ্য চায়নি সরকার: হাইকোর্ট
রাজশাহীর ৯৫২ পুকুর ভরাট-দখলমুক্ত রাখতে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ
চট্টগ্রামে পাহাড়ে ঘর-বাড়ি, স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ
সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত সাতজনকে ক্ষতিপূরণ প্রশ্নে রুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Arrested for storing and selling porn videos 4

পর্ন ভিডিও সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৪

পর্ন ভিডিও সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৪
নাটোর র‍্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন জানান, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পর্নো ভিডিও সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়। এরপর রাতেই বড়াইগ্রাম থানায় মামলা করে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

নাটোরের বড়াইগ্রামে পৃথক অভিযানে পর্ন ভিডিও সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। এ সময় জব্দ করা হয় ৪টি কম্পিউটার ও ১০টি হার্ডডিস্ক।

উপজেলার বাগডোব এবং জোনাইল বাজারে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, একই উপজেলার পাড় বাগডোব গ্রামের সিডি ব্যবসায়ী আজাদ হোসেন ও বাগডোব গ্রামের আল আমিন ও শামছুল হক এবং চাঁদপুর গ্রামের জসিম উদ্দিন।

নাটোর র‍্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বুধবার সকাল ৯টার দিকে এসব জানান।

তিনি জানান, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পর্নো ভিডিও সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়। এরপর রাতেই বড়াইগ্রাম থানায় মামলা করে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, জব্দকৃত আলামত পর্নোগ্রাফি সংরক্ষণ এবং টাকার বিনিময়ে এলাকার যুবক ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছে অনেকদিন ধরে হস্তান্তর করে আসছে তারা।

তারা মূলত কম্পিউটারের দোকানে গান, সফটওয়ার লোড,মোবাইল মেকানিক্সের ব্যবসার আড়ালে পর্নোগ্রাফী সংরক্ষণ ও বিক্রি করত।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ তে বলা হয়েছে, পর্নোগ্রাফি বিক্রয়, ভাড়া, বিতরণ, সরবরাহ, প্রকাশ্যে প্রদর্শন বা যেকোনো প্রকারে প্রচার করিলে অথবা উক্ত সকল বা যেকোনো উদ্দেশ্যে প্রস্তত, উৎপাদন, পরিবহন বা সংরক্ষণ করিলে তা অপরাধ বলে গণ্য হবে। উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ২ (দুই) বৎসর সশ্রম কারাদন্ড এবং ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ডে দন্ডিত হইবেন।

আরও পড়ুন:
‘পর্নোগ্রাফি ভিডিও সরবরাহ’, ৬ যুবক গ্রেপ্তার
ইলন মাস্কের রকেটে পর্নোগ্রাফি হবে মহাকাশে
আপত্তিকর ছবি ভাইরাল করায় চকরিয়ায় যুবক গ্রেপ্তার
৪ পর্নোগ্রাফি ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার
পর্নো ভিডিও সংরক্ষণ ও বিক্রির দায়ে গ্রেপ্তার ৫

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The hearing of the ruling on the cancellation of Dr Yunuss case is going on

ড. ইউনূসের মামলা বাতিল প্রশ্নে রুলের শুনানি চলছে

ড. ইউনূসের মামলা বাতিল প্রশ্নে রুলের শুনানি চলছে শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ টেলিকমের লোগো। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে ড. ইউনূসসহ চারজনের নামে মামলা করেন। এ মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন ড. ইউনূস।

শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে শান্তিতে নোবেলজয়ী ও গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নামে করা মামলা বাতিলে জারি করা রুলের শুনানি চলছে।

বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান ও বিচারপতি ফাহমিদা কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চে বুধবার এ শুনানি শুরু হয়।

ইউনূসের পক্ষে শুনানি করছেন আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন।

গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে ড. ইউনূসসহ চারজনের নামে ওই মামলা করেন।

ড. ইউনূস ছাড়াও গ্রামীণ টেলিকমের এমডি আশরাফুল হাসান, পরিচালক নুরজাহান বেগম ও মো. শাহজাহানকে মামলায় বিবাদী করা হয়েছে।

মামলায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে নির্দিষ্ট লভ্যাংশ জমা না দেয়া, শ্রমিকদের চাকরি স্থায়ী না করা, গণছুটি নগদায়ন না করায় শ্রম আইনের ৪ এর ৭, ৮, ১১৭ ও ২৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

এ মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন ড. ইউনূস।

আরও পড়ুন:
আইনজীবীকে ইউনূসের প্রতিষ্ঠানের ‘১২ কোটি টাকা দেয়ার’ ঘটনা তদন্ত চেয়ে রিট
চাকরিচ্যুতদের আইনজীবীর সঙ্গে ইউনূসের প্রতিষ্ঠানের ‘সমঝোতা’, অ্যাকাউন্ট জব্দ
ইউনূস সেন্টারের বিবৃতি বিভ্রান্তিমূলক: সেলিম মাহমুদ
চাকরিচ্যুতদের ‘ঠকাতে’ ইউনূসের প্রতিষ্ঠানের অনিয়মে হাইকোর্টের বিস্ময়
পদ্মা সেতু নিয়ে ইউনূস সেন্টারের ব্যাখ্যা সত্যের অপলাপ: তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Reserve Theft Case Investigation Report October 2

রিজার্ভ চুরির মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন ২ অক্টোবর

রিজার্ভ চুরির মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন ২ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ফটক। ফাইল ছবি
রিজার্ভ চুরির মামলায় প্রতিবেদন জমার দিন ছিল বুধবার, তবে তদন্ত সংস্থা সিআইডি প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাতুল রাকিব নতুন দিন ঠিক করেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ আবারও পিছিয়েছে।

আগামী ২ অক্টোবর প্রতিবেদন জমার নতুন দিন ঠিক করেছে আদালত।

প্রতিবেদন জমার দিন ছিল বুধবার, তবে তদন্ত সংস্থা সিআইডি প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাতুল রাকিব নতুন এ দিন ঠিক করেন।

২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে জালিয়াতি করে সুইফট কোডের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার হাতিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। পরে ওই টাকা তারা ফিলিপাইনের রিজল ব্যাংকে পাঠিয়ে দেয়।

দেশীয় কোনো চক্রের সহায়তায় হ্যাকার গ্রুপ রিজার্ভের অর্থ পাচার করেছে বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ধারণা করেন। এর পেছনে উত্তর কোরীয় হ্যাকারদের সংশ্লিষ্টতার তথ্যও এসেছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে।

এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপপরিচালক জোবায়ের বিন হুদা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মতিঝিল থানায় মামলা করেন।

ওই মামলার তদন্তে নামে সিআইডি। প্রতিবেদন জমা দিতে ২০১৬ সালের ১৯ এপ্রিল প্রথমবারের মতো দিন ঠিক করে দেয় আদালত। এর পর থেকে দফায় দফায় পিছিয়েছে প্রতিবেদন জমার তারিখ।

রিজার্ভ চুরির ঘটনায় ফিলিপাইনের রিজল কমার্শিয়াল ব্যাংকের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে মামলা করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। গত বছরের মার্চে সে মামলা খারিজ হয়ে যাওয়ার খবর আসে সংবাদমাধ্যমে।

রিজল ব্যাংক থেকে অর্থ তুলে একটি ক্যাসিনোতে নিয়ে যাওয়ার খবর প্রকাশের পর সেই ক্যাসিনো মালিকের কাছ থেকে দেড় কোটি ডলার উদ্ধার করে বাংলাদেশ সরকারকে বুঝিয়ে দেয় ফিলিপাইন। বাকি অর্থ উদ্ধারে তেমন অগ্রগতি নেই।

আরও পড়ুন:
ঋণ পুনঃতফসিল ও পুনর্গঠনে সংশোধনী আনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
অনিবাসীদের বৈদেশিক মুদ্রা আমানতে সুদ বাড়ল
শিল্প ও সেবা খাতে ৩০ হাজার কোটি টাকার ঋণ
বাংলাদেশ ব্যাংকের পুঁজিবাজারবান্ধব আরেক সিদ্ধান্ত
ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণে মাঠে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chittagong naval base mosque bomb 5 militants sentenced to death

চট্টগ্রামে নৌ ঘাঁটির মসজিদে বোমা: ৫ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড

চট্টগ্রামে নৌ ঘাঁটির মসজিদে বোমা: ৫ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড চট্টগ্রাম আদালত। ছবি: নিউজবাংলা
মনোরঞ্জন বলেন, ‘মামলার এক বছর পর ২০১৭ সালের ১৫ অক্টোবর আদালতে পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় তদন্ত কর্মকর্তা। বিচার শুরুর পর চলতি বছরের ২৩ মার্চ সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে রায় ঘোষণা করেন আদালত।’

চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর ঈশা খাঁ ঘাঁটির মসজিদে বোমা বিস্ফোরণের মামলায় নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জেএমবির ৫ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

জেলার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবদুল হালিম বুধবার সকালে এ রায় ঘোষণা করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) মনোরঞ্জন দাশ নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

দণ্ডিতরা হলেন নৌবাহিনীর সাবেক সদস্য এম সাখাওয়াত হোসেন, বলকিপার আবদুল মান্নান, তার ভাই আবদুল গাফফার, বলকিপার রমজান আলী এবং বাবুল রহমান ওরফে রনি।

পিপি জানান, ২০১৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর ঈশা খাঁ ঘাঁটি এলাকায় অবস্থিত দুটি মসজিদে জুমার নামাজের পর বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ২০১৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর নেভাল প্রভোস্ট মার্শাল কমান্ডার এম আবু সাঈদ নগরীর ইপিজেড থানায় মামলা করেন।

সন্ত্রাসবিরোধী ও বিস্ফোরক আইনে করা এই মামলায় আসামি করা হয় ৪ জনকে। পরে পুলিশের তদন্তে আসামি আবদুল মান্নানের বড় ভাই জেএমবি সদস্য আবদুল গাফফারের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়।

মনোরঞ্জন বলেন, ‘মামলার এক বছর পর ২০১৭ সালের ১৫ অক্টোবর আদালতে পাঁচজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় তদন্ত কর্মকর্তা। বিচার শুরুর পর চলতি বছরের ২৩ মার্চ সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বুধবার রায় ঘোষণা করেন আদালত।’

আসামিদের মধ্যে এম সাখাওয়াত হোসেন পলাতক। বাকিরা রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন বলেও জানান পিপি।

আরও পড়ুন:
শিশু ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড
কন্যাকে পায়ে পিষে হত্যা, বাবার মৃত্যুদণ্ড
ব‍্যবসায়ী হত‍্যা মামলায় ২ জনের মৃত‍্যুদণ্ড
স্ত্রী হত্যা মামলায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড
ক্ষমা বিশ্বাস হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Girder accident Writ seeking compensation of Rs5 crore

গার্ডার দুর্ঘটনা: ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট

গার্ডার দুর্ঘটনা: ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট রাজধানীর উত্তরায় সোমবার বিআরটি প্রকল্পের বক্স গার্ডার প্রাইভেট কারে পড়ে পাঁচজন নিহত হয়। ছবি: সংগৃহীত
রিটকারী আইনজীবী জাকারিয়া খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উত্তরায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচজনের মৃত্যুর ঘটনায় প্রত্যেকের জন্য ১ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বেশ কিছু নির্দেশনা চেয়েছি আমরা।’

রাজধানীর উত্তরায় বক্স গার্ডার দুর্ঘটনায় নিহত প্রত্যেকের জন্য এক কোটি করে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জাকারিয়া খান বুধবার জনস্বার্থে রিটটি করেন।

রিটকারী আইনজীবী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উত্তরায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচজনের মৃত্যুর ঘটনায় প্রত্যেকের জন্য ১ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বেশ কিছু নির্দেশনা চেয়েছি আমরা।’

তিনি বলেন, ‘এ প্রকল্পের কাজের শুরু থেকে কতটা নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, তা জানাতে নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সারা দেশে যেখানে এ ধরনের নির্মাণকাজ হচ্ছে, তাতে নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে কি না, সেটি জানাতে নির্দেশনা চাওয়া হয়।’

রিটে সড়ক ও জনপথ সচিব, বিআরটিএর চেয়ারম্যানসহ ৫ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।

বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিটটি শুনানির জন্য উপস্থাপন করেন রিটকারীর পক্ষের আইনজীবী এ বি এম শাহজাহান আকন্দ মাসুম। আদালত শুনানির জন্য দুপুর ২টায় সময় ঠিক করে দেয়।

গত সোমবার বিকেলে উত্তরায় নির্মাণাধীন বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের ফ্লাইওভারের বক্স গার্ডার ছিটকে প্রাইভেট কারে পড়ে দুই শিশুসহ পাঁচ আরোহী নিহত হন।

গাড়িটি থেকে দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তারা হলেন ২৬ বছর বয়সী হৃদয় ও ২১ বছর বয়সী রিয়ামনি, যাদের বিয়ে হয়েছে গত শনিবার। সোমবার ছিল বউভাত।

হৃদয়ের বাড়ি রাজধানীর কাওলায়। বউভাত শেষে কনের বাড়ি আশুলিয়ায় যাচ্ছিলেন তারা। ছেলের বাবা রুবেল গাড়িটি চালাচ্ছিলেন।

রুবেল ছাড়াও মৃত্যু হয়েছে কনের মা ফাহিমা বেগম, তার বোন ঝরনা বেগম, ছয় বছর বয়সী শিশু জান্নাত ও দুই বছর বয়সী জাকারিয়ার।

জামালপুরে মঙ্গলবার রাতে নিহত চারজনের দাফন হয়েছে। আর বুধবার সকালে মেহেরপুর সদরের রাজনগর গ্রামে দাফন হয় রুবেলের।

ওই ঘটনায় গত সোমবার রাতে নিহত ফাহিমা আক্তার ও ঝরনা বেগমের ভাই মো. আফরান মণ্ডল বাবু বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করেন।

মামলায় ক্রেন পরিচালনাকারী চালক, প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ আনা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মৃত্যুর পর জানা গেল রুবেলের ৭ স্ত্রী
গাফিলতি যারই থাকুক, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: সড়ক সচিব
পাঁচ প্রাণ ঝরার পর নিরাপত্তায় জোর বিআরটি এমডির
বিআরটি প্রকল্প পরিচালককেও তদন্তের আওতায় চান প্রধানমন্ত্রী
মন্ত্রণালয়ের তদন্তে দায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Proxy Aktaruls remand in the admission test is denied

ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি, আকতারুলের রিমান্ড নাকচ

ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি, আকতারুলের রিমান্ড নাকচ ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দেয়ার অভিযোগে আটক আকতারুল। ছবি: নিউজবাংলা
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আসামি বড় চক্রের সদস্য। তাকে রিমান্ডে নিলে বাকি আসামিদের ধরা সহজ হতো। তবে আমাদের তদন্ত চলবে। প্রয়োজনে আবার রিমান্ড আবেদন করা হবে।’

গুচ্ছের ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রে প্রক্সি দিতে এসে আটক মো. আকতারুল ইসলামের রিমান্ড আবেদন নাকচ করেছে আদালত।

ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদ শুনানি শেষে এ বিষয়ে আদেশ দেন।

আসামির আইনজীবী ঢাকা বারের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজুর রহমান মন্টু আদালতকে বলেন, ‘এ ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত নেই, তাই আকতারকে রিমান্ড নেয়ার প্রয়োজন নেই।’

শুনানি শেষে বিচারক রিমান্ড আবেদন নাকচ করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাহিদুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘আসামি বড় চক্রের সদস্য। তাকে রিমান্ডে নিলে বাকি আসামিদের ধরা সহজ হতো। তবে আমাদের তদন্ত চলবে। প্রয়োজনে আবার রিমান্ড আবেদন করা হবে।’

মামলার রহস্য উদঘাটন ও তদন্তের জন আকতারকে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন জানিয়েছিলেন তদন্তকারী কর্মকর্তা উপপরিদর্শক নাহিদুল ইসলাম।

শনিবার ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি দেয়ার অভিযোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক রইছ উদদীন তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আসামিরা হলেন প্রক্সি দিতে আসা শিক্ষার্থী মো. আকতারুল ইসলাম, মূল পরীক্ষার্থী সিজান মাহফুজ ও মো. রাব্বি।

আরও পড়ুন:
জবিতে ৯ আগস্ট থেকে প্রতি মঙ্গলবার অনলাইনে ক্লাস
নুরে আলমের মৃত্যু: নয়াপল্টনে জবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ
জ্বালানি সাশ্রয়ে অনলাইন ক্লাসে ফিরছে জগন্নাথ
জবি ছাত্রী হলের সামনের অবৈধ লেগুনা-রিকশাস্ট্যান্ড উচ্ছেদের দাবি
জবিতে লাইব্রেরি খুলে দেয়ার দাবিতে অবস্থান

মন্তব্য

p
উপরে