× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The teacher shaved his head at the direction of the madrasa principal
hear-news
player
print-icon

মাদ্রাসা ‘অধ্যক্ষের নির্দেশে’ শিক্ষকের মাথা ন্যাড়া

মাদ্রাসা-অধ্যক্ষের-নির্দেশে-শিক্ষকের-মাথা-ন্যাড়া
শিক্ষকের মাথা ন্যাড়া করে দেন মাদ্রাসার পরিচালক। ছবি: নিউজবাংলা
খুবই বাজে কাজ। আমি লোক পাঠিয়েছি। ভুক্তভোগী মনিরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ভিডিও ফুটেজ দেখেছি। তার পরও মনিরুল সাহেবের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারলে আরও বিস্তারিত জানাতে পারব: পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার

নড়াইলে কলেজের অধ্যক্ষকে জুতার মালা পরিয়ে অপমান, ঢাকার সাভারে এক কলেজশিক্ষককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ক্ষোভের মধ্যে এবার পটুয়াখালীতে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে অপমান করার ঘটনা ঘটেছে।

সেখানে এই অভিযোগ উঠেছে সেই শিক্ষকের ‍দুই সাবেক সহকর্মীর বিরুদ্ধেই।

পটুয়াখালীর বাউফল পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের হাজি সড়ক এলাকায় বাউফল মদিনাতুল উলুম নুরানি হাফিজি ক্যাডেট মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। মাথা ন্যাড়ার সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই তা ভাইরাল হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পটুয়াখালীর বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুন।

ভুক্তভোগী শিক্ষক সম্প্রতি এই মাদ্রাসাটি ছেড়ে অন্য একটি মাদ্রাসায় যোগ দিয়েছেন। তার অভিযোগ, তার সাবেক কর্মস্থল মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা আনিচুর রহমানের নির্দেশে এ ঘটনা ঘটে।

যদিও মারধরের কথা অস্বীকার করে আনিচুর রহমান বলেন, ‘মাথা ন্যাড়া সুন্নতি কাম। তাই ওনাকে লজ্জা দিতে এই কাজ করিয়েছে অন্যরা।’

ঘটনার শিকার হাফেজ মনিরুল ইসলাম ভোলা সদর উপজেলার আলীনগর গ্রামের বাসিন্দা।

মনিরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরেই মদিনাতুল উলুম নুরানি হাফিজি ক্যাডেট মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে চাকরি করতেন। একজন ভালো শিক্ষক হিসেবে ছাত্র ও অভিভাবকদের মধ্যে তার সুনাম ছিল। অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের ওই শিক্ষকের কাছে পড়াতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন।

অভিযোগ ওঠে, এই বিষয়টি ওই মাদ্রাসার পরিচালক আনিচুর রহমানের ভালো লাগেনি। এ নিয়ে মতবিরোধ দেখা দিলে গত ঈদের আগে চাকরি ছেড়ে চাঁদপুর সদর উপজেলার লাউতলী জামিয়া মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন মনিরুল ইসলাম।

স্থানীয় বাসিন্দা আলী আহম্মেদ জানান, মনিরুল চলে যাওয়ার পর কয়েকজন ছাত্র ওই মাদ্রাসা ছেড়ে চাঁদপুরের সেই মাদ্রাসায় গিয়ে ভর্তি হয়। এতে ক্ষুব্ধ হন বাউফল মদিনাতুল উলুম নুরানি হাফিজি ক্যাডেট মাদ্রাসার পরিচালক মাওলানা আনিচুর রহমান। তার ধারণা, শিক্ষক মনিরুল ইসলাম ওই ছাত্রদের ফুঁসলিয়ে তার মাদ্রাসায় ভর্তি করেছেন।

এক শিক্ষক জানান, আনিচুর রহমান অভিভাবক পরিচয়ে অন্য একটি মোবাইল নম্বর দিয়ে মনিরুল ইসলামকে কয়েকজন ছাত্র দেয়ার নাম করে গত ৩ জুলাই বাউফলে ডেকে আনেন। কালিশুরী এলাকার একটি মাদ্রাসার কক্ষে মনিরুলকে আটকে রেখে মারধর করা হয়।

এরপর আনিচুরের নির্দেশে মাওলানা জসিম উদ্দিন নামে আরেক শিক্ষক মনিরুল ইসলামের মাথা ন্যাড়া করে দেন এবং তার কাছ থেকে একটি মোবাইল ও সাড়ে ৪ হাজার টাকা রেখে রাত ৮টার দিকে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

বুধবার দুপুরের পর মাথা ন্যাড়ার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তোলপাড় হয়। পরে বাউফল থানার ওসি আল মামুনের নির্দেশে এসআই নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে কয়েকজন পুলিশ মদিনাতুল উলুম নুরানি হাফিজি ক্যাডেট মাদ্রাসায় গিয়ে খোঁজখবর নেন। কিন্তু মাদ্রাসা বন্ধ থাকায় তারা কারও সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি।

মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করলেও মাথা ন্যাড়া করার কথা স্বীকার করে ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন মাওলানা আনিচুর রহমান। তিনি নিউজবাংলাকে জানান, ‘আসলে কাজটি ঠিক হয়নি। আমাদের উচিত ছিল ছেলেধরা বা ছেলে অপহরণের অভিযোগ এনে পুলিশের কাছে পাঠানো। কিন্তু ওই সময় স্থানীয় লোকজন এসে কে কীভাবে মাথা ন্যাড়া করল, আমি নিজেও হতবাক।’

তিনি বলেন, ‘যারা মাথা কামিয়েছে তারা বলছে যে মাথা কামিয়ে দিলে অনেকে মনে করবে সুন্নাতি কাম। আর এতে যদি মনিরুল লজ্জা পেয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যায়।’

আপনার নির্দেশে মাওলানা জসিম মাথা ন্যাড়া করেছেন এমন প্রশ্নের উত্তরে আনিচুর বলেন, ‘না, না আমি কাউকে কিছু বলি নাই। তাছাড়া এটার তো ফয়সালা হয়েই গেছে। মনিরুলকে ৫ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। সেও ভুল স্বীকার করেছে। আর আমরাও বুঝেছি যে আমাদেরও কাজটা ঠিক হয়নি।’

পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহেদ আহমেদ চৌধুরী নিউজবাংলাকে জানান, ‘খুবই বাজে কাজ। আমি লোক পাঠিয়েছি। মনিরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ভিডিও ফুটেজ দেখেছি। তার পরও মনিরুল সাহেবের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারলে আরও বিস্তারিত জানাতে পারব।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষকদের ওপর হামলা মানে শিক্ষার ওপর হামলা: ইউনিসেফ
শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা: সেই কলেজের অধ্যক্ষকে শোকজ
শিক্ষক হত্যা: জিতুর দায় স্বীকার
শিক্ষককে জুতার মালা: কলেজে বিভেদ পেয়েছে মাউশি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The youth who insulted the Prime Minister on Facebook Live was arrested

ফেসবুক লাইভে প্রধানমন্ত্রীকে গালি দেয়া যুবক গ্রেপ্তার

ফেসবুক লাইভে প্রধানমন্ত্রীকে গালি দেয়া যুবক গ্রেপ্তার গ্রেপ্তার আবু তালেবকে আজ আদালতে তোলা হবে। ছবি: সংগৃহীত
গাংনী থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘পুলিশ আবু তালেবের নামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা করেছে। বুধবার তাকে আদালতে তোলা হবে।’

মেহেরপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের লাইভে এসে প্রধানমন্ত্রীকে গালি দেয়ার অভিযোগে যুবককে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

উপজেলার সহোগলপুর গ্রাম থেকে বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

৪২ বছর বয়সী আবু তালেব গাংনী উপজেলার গাড়াবাড়িয়া গ্রামের বাজারপাড়ার বাসিন্দা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গাংনী থানায় তার নামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা করা হয়েছে।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি সাইফুল ইসলাম।

ওসি সাইফুল জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে দেশেও তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় গত ৬ আগস্ট আবু তালেব ফেসবুক লাইভে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গালিগালাজ করেন। পরে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর নজরে আসে।

এ ঘটনার পর থেকেই গা ঢাকা দেন আবু তালেব। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ অবস্থান জানতে পেরে তাকে গ্রেপ্তার করে।

গাংনী থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পুলিশ বাদী হয়ে আবু তালেবের নামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা করেছে। আজ (বুধবার) তাকে আদালতে তোলা হবে।’

আরও পড়ুন:
পুলিশের ওপর হামলার মামলা: কারাগারে বিএনপি নেতা
টিপু-প্রীতি হত্যা: গ্রেপ্তার আরও ২ জন রিমান্ডে
ডিবির ভুয়া পরিচয়ে ডাকাতি, গ্রেপ্তার ৬
টিপু-প্রীতি হত্যা: গ্রেপ্তার আরও ৪ জন রিমান্ডে
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The childs leg is cut by a knife for not getting dowry

‘যৌতুক না পেয়ে’ সন্তানের পায়ে খুন্তির ছ্যাঁকা

‘যৌতুক না পেয়ে’ সন্তানের পায়ে খুন্তির ছ্যাঁকা যৌতুক না পেয়ে সন্তানের পায়ে খুন্তির ছ্যাঁকা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে যুবকের বিরুদ্ধে। ছবি: নিউজবাংলা
সাভার মডেল থানার ওসি কাজী মাইনুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ঢাকার সাভারে যৌতুক চেয়ে না পেয়ে নির্যাতনের পর স্ত্রীকে তাড়িয়ে দুই সন্তানের পায়ে খুন্তির ছ্যাঁকা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে যুবকের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ওই নারী তার স্বামীকে মাদকাসক্ত দাবি করে সাভার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মাইনুল ইসলাম বুধবার রাতে অভিযোগের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

এর আগে বিকেলে পৌর এলাকার সবুজবাগ কোবা মসজিদের পাশের একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

আহত ৯ বছরের শিশু আরোবি ও তার ভাই ৫ বছর বয়সী আলিফ বর্তমানে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিযুক্ত নুর আলমের বাড়ি জয়পুরহাটের আক্কেলপুর থানার পূর্ব মাতাপুর গ্রামে।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, ১১ বছর আগে নুর আলম ও জয়মেনা খাতুনের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে এক মেয়ে ও ছেলের জন্ম হয়। মাদকাসক্ত নুর আলম কাজকর্ম না করে যৌতুকের জন্য দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিলেন।

গত ২৮ জুলাই যৌতুকের টাকার জন্য ছেলে ও মেয়েকে বাসায় আটকে রেখে জয়মেনা খাতুনকে বের করে দেন নুর আলম। জয়মেনা বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেন।

পরে খেলতে যাওয়ায় মেয়ে আরোবি ও ছেলে আলিফকে মারধর করেন নুর আলম। এ সময় গরম খুন্তি চেপে ধরে মেয়ের ডান পায়ের তালু ও ছেলের বাঁ পায়ের তালু ঝলসে দেন। খবর পেয়ে জয়মেনা বেগম সন্তানদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

ওসি কাজী মাইনুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
যুবলীগ নেতার রাইফেলটি থানায় জমা
যুবলীগ নেতার ওপর ‘হামলা’, অস্ত্র হাতে অভিযুক্তের ছবি ভাইরাল 
টোল কম দেয়ায় নসিমনচালককে ‘মারধর’
১১৬ শতাংশ জমি দখলের চেষ্টায় মহিলা লীগ নেত্রী
যৌতুকের মামলা: সাক্ষ্য দেয়ায় ছেলেকে পেটাল বাবা-চাচা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1 person forced into prostitution by kidnapping arrested

অপহরণ করে যৌনবৃত্তিতে বাধ্য করার অভিযোগে আটক

অপহরণ করে যৌনবৃত্তিতে বাধ্য করার অভিযোগে আটক আটক সালাম হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
‘অপহরণের পর প্রথমে নওগাঁ শহরের পার-নওগাঁ এলাকার একটি বাসায় সালামসহ তার অপর দুই সহযোগী চয়ন উদ্দীন ও আলমগীর হোসেন ওই কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। পরে নওগাঁ শহরের কাঁঠালতলী এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে আটকে রেখে তাকে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করেন তারা।’

নওগাঁর পত্নীতলায় কিশোরীকে অপহরণ করে ধর্ষণ এবং যৌনবৃত্তিতে বাধ্য করার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

শহরের কাঁঠালতলী এলাকায় বুধবার রাত ৯টার দিকে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে র‍্যাব-৫। এ সময় তার বাড়ি থেকে অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব-৫-এর জয়পুরহাট ক্যাম্পের অধিনায়ক সহকারী পুলিশ সুপার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আটক ৪০ বছরের সালাম হোসেনের বাড়ি সদর উপজেলার বর্ষাইল গ্রামে।

র‍্যাব কর্মকর্তা বলেন, ‘গত ১১ জুলাই পত্নীতলার কাদাইল বাজার এলাকা থেকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই কিশোরীকে একটি সিএনজিতে করে তুলে নিয়ে যান সালাম হোসেন ও তার সহযোগীরা। পরে অপহরণকারীরা ফোন করে মেয়েটির বাবার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায় করেন।

‘অপহরণের পর প্রথমে নওগাঁ শহরের পার-নওগাঁ এলাকার একটি বাসায় সালামসহ তার অপর দুই সহযোগী চয়ন উদ্দীন ও আলমগীর হোসেন ওই কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। পরে নওগাঁ শহরের কাঁঠালতলী এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে আটকে রেখে তাকে যৌনবৃত্তিতে বাধ্য করেন তারা।’

অপহরণের পর পত্নীতলা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন মেয়েটির বাবা। পাশাপাশি র‍্যাবের কাছে অভিযোগ করেন। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অপহৃত কিশোরীর অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় আটক করা হয় সালাম হোসেনকে।

সালামকে পত্নীতলা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে জানিয়ে র‍্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘সালামের সহযোগীদেরও আটকের চেষ্টা চলছে।’

পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল আলম শাহ্ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করবেন।’

আরও পড়ুন:
নেত্রকোণা থেকে অপহৃত ছাত্রী গাজীপুরে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১
বস্তাবন্দি জীবিত কিশোরী উদ্ধার: ধর্ষণ-অপহরণের মামলা
নদীর পাড়ে বস্তাবন্দি জীবিত কিশোরী উদ্ধার
চট্টগ্রামে অপহৃত শিশু মাধবদী থেকে উদ্ধার
অপহৃত মাদ্রাসাছাত্রী ১ মাস পর উদ্ধার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A female doctors throat was found in a hotel in the capital

রাজধানীর হোটেলে নারী চিকিৎসকের গলা কাটা দেহ

রাজধানীর হোটেলে নারী চিকিৎসকের গলা কাটা দেহ রাজধানীর পান্থপথের হোটেল থেকে উদ্ধার হওয়া নারী চিকিৎসকের মরদেহ রাখা হয়েছে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে। ছবি: নিউজবাংলা
ওই চিকিৎসকের নাম জান্নাতুল নাঈম সিদ্দীক। তিনি ঢাকা কমিউনিটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে এমবিবিএস করেছেন।

রাজধানীর পান্থপথের একটি আবাসিক হোটেল থেকে নারী চিকিৎসকের গলা কাটা দেহ উদ্ধার করেছে কলাবাগান থানা পুলিশ।

‘ফ্যামিলি সার্ভিস অ্যাপার্টমেন্ট’ নামের হোটেল থেকে বুধবার রাতে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

২৭ বছর বয়সী ওই চিকিৎসকের নাম জান্নাতুল নাঈম সিদ্দীক। তিনি ঢাকা কমিউনিটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে এমবিবিএস করেছেন।

জান্নাতুল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে একটি কোর্সে পড়ছিলেন।

কলাবাগান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ওই হোটেলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে রেজাউল নামের একজনের সঙ্গে উঠেছিলেন জান্নাতুল। হোটেলটির চতুর্থ তলার ৩০৫ নম্বর কক্ষের বিছানার ওপর থেকে জান্নাতুলের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, রেজাউলকে আটকের চেষ্টা চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
প্রেমিকের আত্মহত্যার খবরে বিষপান
স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার মৎস্য ঘেরে শিশুর মরদেহ
লেগুনা নিল ব্যবসায়ীর প্রাণ 
গ্যারেজে বিস্ফোরণে ৩ মৃত্যু
গাছে ঝুলছিল টি-শার্ট ও জিন্স প্যান্ট পরা যুবকের মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A case against the councilor and his wife for cutting mountains

পাহাড় কাটার অভিযোগে কাউন্সিলর ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা

পাহাড় কাটার অভিযোগে কাউন্সিলর ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা
নগরীর পাহাড়তলী মৌজার লেকসিটি এলাকায় পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণের একটি অভিযোগ পেয়ে সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কর্মকর্তারা। এ সময় পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণ ও গাছ কাটার প্রমাণ পাওয়া যায়।

চট্টগ্রামে পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগের সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ও তার স্ত্রীসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের পরিদর্শক সাখাওয়াত হোসাইন বুধবার বিকেলে আকবরশাহ থানায় মামলা করেন।

আসামিরা হলেন, ৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিম, তার স্ত্রী তাছলিমা বেগম ও ওই স্থাপনার তত্ত্ববধায়ক মো. হৃদয়।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (চট্টগ্রাম মহানগর) হিল্লোল বিশ্বাস।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘নগরীর পাহাড়তলী মৌজার লেকসিটি এলাকায় পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণের একটি অভিযোগ পেয়ে সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কর্মকর্তারা। এ সময় পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণ ও গাছ কাটার প্রমাণ পাওয়া যায়।

‘স্থাপনা বলতে টিনশেড সেমিপাকা একটি ঘর তৈরি করা হয়েছে। তাছাড়া অন্তত ৩ হাজার ঘণফুট পাহাড় ও তিনটি বড় গাছ কেটে নিয়েছে ওরা। বুধবার শুনানির জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়। শুনানিতে ওই স্থাপনার তত্ত্বাবধায়ক হৃদয় এসে জমির প্রকৃত মালিক কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিম ও তার স্ত্রী তাছলিমা বেগম বলে জানান।’

আরও পড়ুন:
আর নিরাপদ নয় বৃষ্টির পানি
গ্র্যাজুয়েট ফ্রেন্ডস অ্যাসোসিয়েশনের চারা বিতরণ
কাঁঠালের কনে পেয়ারা, আমড়ার বর আম
সরকারি গাছ কাটায় মামলা 
বাঁধাকপি কাটল কে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A lawsuit against the doctor who lost his eye due to wrong treatment

‘ভুল চিকিৎসায়’ চোখ নষ্ট, চিকিৎসকের নামে মামলা

‘ভুল চিকিৎসায়’ চোখ নষ্ট, চিকিৎসকের নামে মামলা মাহজাবীন হক মাশা। ছবি: সংগৃহীত
মাশাকে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা জানান, ভুল চিকিৎসার কারণে মাশার চোখের ৩৩ ভাগ রেটিনা চিরতরে নষ্ট হয়ে গেছে। পরে তাকে থাইল্যান্ডে নেয়া হলে সেখানেও চিকিৎসকরা একই কথা জানান।

ভুল চিকিৎসায় রোগীর চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে।

ময়মনসিংহ মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে বুধবার মামলাটি করা হয়।

ভুক্তভোগী মাহজাবীন হক মাশা ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. আমিনুল হক শামীমের বড় মেয়ে। মামলাটি করেছেন মাহজাবীনের ছোট ভাই এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক মো. সামিউল হক সাফা।

আসামি করা হয়েছে ঢাকার সোবহানবাগ এলাকার দীন মোহাম্মদ চক্ষু হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্স সেন্টারের চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. দীপক নাগকে।

আদালত পরিদর্শক প্রসূন কান্তি দাস নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এজাহারে বলা হয়েছে, মাহজাবীন হক চোখের সমস্যার কারণে গত ৫ জুন দীন মো. চক্ষু হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্স সেন্টারে চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. দীপক নাগের কাছে চিকিৎসা নিতে যান। সেখানে চিকিৎসক লেজার রশ্মির মাধ্যমে সার্জারি করেন। এরপর থেকে চোখে অন্ধকার দেখা শুরু করেন মাশা।

এমন পরিস্থিতিতে মাশাকে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা জানান, ভুল চিকিৎসার কারণে মাশার চোখের ৩৩ ভাগ রেটিনা চিরতরে নষ্ট হয়ে গেছে।

পরে মাশাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানান, ভুল চিকিৎসার কারণে মাশার চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আদালত পরিদর্শক বলেন, ‘এ ঘটনার বিচার চেয়ে মামলাটি করা হয়েছে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে কোতোয়ালি মডেল থানাকে এফআইআরভুক্ত করার আদেশ দিয়েছেন।’

মামলার বাদী সামিউল হক সাফা বলেন, ‘একজন চিকিৎসকের এত বড় ভুল হতে পারে না। আমার বোনের অনেক বড় ক্ষতি হয়েছে। এই ঘটনার উপযুক্ত বিচার দাবি করছি।’

আরও পড়ুন:
চাঁদপুরে ‘ভুল চিকিৎসায়’ প্রসূতির মৃত্যু
‘কবিরাজি চিকিৎসায়’ হাত হারাতে বসেছে ৭ বছরের আল আমিন
পল্লি চিকিৎসকের ‘ভুল চিকিৎসায়’ গর্ভের শিশুর মৃত্যু
পায়ের অপা‌রেশ‌নের পর রোগীর মৃত্যু
ভুল চিকিৎসায় শিক্ষার্থীর মৃত্যুর অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
City official fired for offensive message to female colleague

নারী সহকর্মীকে ‘আপত্তিকর’ মেসেজ, বহিষ্কার নগর কর্মকর্তা

নারী সহকর্মীকে ‘আপত্তিকর’ মেসেজ, বহিষ্কার নগর কর্মকর্তা রংপুর সিটি করপোরেশনের অভিযুক্ত কর্মকর্তা সাজ্জাদুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
অভিযুক্ত সাজ্জাদুর রহমান বলেন, ‘আমি মেসেজ দিয়েছি ঠিক আছে, কিন্তু অতটা আপত্তিকর নয়। বহিষ্কারের চিঠি এখনো পাইনি।’

রংপুর সিটি করপোরেশনের পানি শাখার এক নারী সহকর্মীকে মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপে ‘আপত্তিকর’ মেসেজ দেয়ায় নগর ভবনের যান্ত্রিক শাখার প্রধান সাজ্জাদুর রহমানকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি করা হয়েছে।

বুধবার বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যান্ত্রিক শাখার প্রধান সাজ্জাদুর রহমানের বিরুদ্ধে তার মোবাইল ফোন থেকে পানি শাখার কর্মকর্তা অঞ্জনা রানীকে ‘আপত্তিকর’ মেসেজ দেয়ার অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে হইচই পড়ে যায়। বিষয়টি আমার কাছে আসলে আমি অভিযুক্ত সাজ্জাদ এবং ওই নারী কর্মকর্তার পক্ষের লোকজনকে নিয়ে বৈঠকে বসি। বৈঠকে সাজ্জাদ নিজের দায় স্বীকার করেছেন।’

মেয়র মোস্তফা বলেন, ‘যেহেতু সাজ্জাদুর রহমান নিজের দায় স্বীকার করেছেন, তাই তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। তাকে চিঠি দেয়া হবে।’

ঘটনার তদন্তে সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান মৃধাকে প্রধান করে, নির্বাহী প্রকৌশলী আজম আলী ও সাধারণ শাখার প্রধান নাঈম হোসেনকে সদস্য করে একটি কমিটি করা হয়েছে।

তারা আগামী ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিলে সেটা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত সাজ্জাদুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি মেসেজ দিয়েছি ঠিক আছে, কিন্তু অতটা আপত্তিকর নয়। বহিষ্কারের চিঠি এখনো পাইনি।’

আরও পড়ুন:
‘ধূমপান করায়’ ৩ ছাত্র বহিষ্কার
পঞ্চগড় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদককে বহিষ্কার
আ.লীগের ২৪ নেতাকর্মী বহিষ্কার
দলীয় নেতাকে ‘হত্যাচেষ্টা’, বিএনপির সজল বহিষ্কার
এমপির সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডার জেরে আ. লীগ নেতাকে বহিষ্কারের অভিযোগ

মন্তব্য

p
উপরে