× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Secretary is 3 officers and 3 secretaries are transferred
hear-news
player
print-icon

সচিব হলেন ৩ কর্মকর্তা, ৩ সচিবের দায়িত্ব বদল

সচিব-হলেন-৩-কর্মকর্তা-৩-সচিবের-দায়িত্ব-বদল
সুরক্ষা সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরীকে পদন্নতি দিয়ে করা হয়েছে ওই বিভাগের সচিব। স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ানকে পদোন্নতি দিয়ে করা হয়েছে পরিকল্পনা বিভাগের সদস্য।

অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার তিন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়ে সচিব পদে উন্নীত করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগে পদায়ন করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া তিন সচিব পদমর্যাদার দায়িত্বেও আনা হয়েছে পরিবর্তন।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বুধবার পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য নিশ্চিত করে।

এতে সুরক্ষা সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরীকে পদোন্নতি দিয়ে করা হয়েছে ওই বিভাগের সচিব।

স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিকল্পনা, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন ও পরিদর্শন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ানকে পদোন্নতি দিয়ে করা হয়েছে পরিকল্পনা বিভাগের সদস্য।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে থাকা নাসরীন আফরোজকে পদোন্নতি দিয়ে করা হয়েছে কার্যালয়ের জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান।

অন্যদিকে বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান সত্যজিত কর্মকারকে বদলি করা হয় পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য হিসেবে।

সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো. মোকাব্বির হোসেনকে বদলি করা হয়েছে বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান হিসেবে।

পরিকল্পনা বিভাগের সদস্য মো. মামুন আল রশিদকে করা হয়েছে ওই বিভাগের সচিব।

আরও পড়ুন:
পদোন্নতি পেলেন র‌্যাব মহাপরিচালক-ডিএমপি কমিশনার
সহযোগী অধ্যাপক হলেন ১০৮৪ জন
প্রশাসনে পদোন্নতি: পুনর্বিবেচনার আবেদন বঞ্চিতদের
পদোন্নতি চান বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষকরা
সচিব হলেন ৪ কর্মকর্তা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Brethren have fallen into the development of tantra and speculation Badiul

ব্রাদার তন্ত্র ও মতলববাজির উন্নয়নে নিপতিত হয়েছি: বদিউল

ব্রাদার তন্ত্র ও মতলববাজির উন্নয়নে নিপতিত হয়েছি: বদিউল অনুষ্ঠানে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। ছবি: নিউজবাংলা
‘আমরা সংকটের মধ্যে আছি। আরো ভয়াবহ সংকটের দিকে যাব। আমরা খাদের কিনারায় এসে গিয়েছি, জানি না এর পরিণতি কী হবে। দেশে এখন চলছে ভাই ব্রাদার তন্ত্র। সেই সঙ্গে আছে মতলববাজির উন্নয়ন। যার মধ্যে আমরা নিপতিত হয়েছি।’

দেশ এখন খাদের কিনারে বলে মনে করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। তিনি এও অনুমান করেছেন যে, দেশ ভয়াবহ সংকটের দিকে যাচ্ছে।

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজনের এক গোলটেবিল আলোচনায় এমন মন্তব্য করেন তিনি। ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট: নাগরিক ভাবনা’ শীর্ষক ওই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

বদিউল বলেন, ‘আমরা সংকটের মধ্যে আছি। আরো ভয়াবহ সংকটের দিকে যাব। আমরা খাদের কিনারায় এসে গিয়েছি, জানি না এর পরিণতি কী হবে।’

তিনি বলেন, ‘দেশে এখন চলছে ভাই ব্রাদার তন্ত্র। সেই সঙ্গে আছে মতলববাজির উন্নয়ন। যার মধ্যে আমরা নিপতিত হয়েছি।’

তার সংগঠন আরও কয়েকটা গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে ২০১৮ সালের নির্বাচনে কী হয়েছিল, সেটি তুলে ধরবেন বলেও জানান বদিউল।

আলোচনায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক উনু মুহাম্মদ বলেন, ‘জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে কেন্দ্র করে অর্থনৈতিক যে সংকট তৈরি হয়েছে, এটা আকস্মিক বা হঠাৎ করেই হয়েছে এমন নয়। এটা তৈরি করার মতোই পরিকল্পনা নেয়া হয়েছিল।

‘এই পরিস্থিতিতে একটা গোষ্ঠী লাভবান হচ্ছে। সরকার বা প্রধানমন্ত্রী বলছেন বিদ্যুৎখাতে আমাদের প্রচুর ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। এখনও ভর্তুকি দিতে হচ্ছে, সামনেও ভর্তুকি দিতে হবে। সুতরাং আমাদের বিদ্যুতের দামও বাড়াতে হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ব বিভাগের অধ্যাপক বদরুল ইমাম বলেছেন, ‘উপর মহল কিংবা নীতি নির্ধারনী পর্যায় থেকে অনেকেই বলেন, দেশে গ্যাস নেই কিংবা যা আছে তা উত্তোলনের জন্য যথেষ্ট না। আমদানি করেই চলতে হবে। জনগণের সামনে এসব কথা বলার আগে আমাদের আরেকটু দায়িত্বশীল হতে হবে।

‘সরকারি নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের অনেকেই বলেন, মিয়ানমার গত ১০ বছরে গ্যাস পায়নি, যা পাওয়ার অনেক আগে পেয়েছে। কিন্তু একথা অসত্য। মিয়ানমার দুই তিন বছর আগেও গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে।’

গণ সংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘জ্বালানির যে সংকটে আমরা আছি, সেই সংকট আমাদের অনিবার্য ছিল না। এটা অনিবার্য করে তোলা হয়েছে।

‘সরকারের লুটপাট ও ক্ষমতাবানদের খুশি করার প্রেক্ষিতে আমরা জ্বালানি খাতে আমাদের সক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছি। অনুকূল পরিবেশে টিকে থেকে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে যে ব্যবস্থাপনা ধসে পরে সেটা তো কোনো পরিকল্পনার মধ্যে পরে না।’

আরও পড়ুন:
ইভিএম নিকৃষ্ট যন্ত্র: সুজন সম্পাদক
সার্চ কমিটিতে প্রস্তাবিত নামের বিস্তারিত জানতে রিট সুজনের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Farmers blocking roads without getting fertilizer

সার না পেয়ে সড়ক অবরোধ কৃষকদের

সার না পেয়ে সড়ক অবরোধ কৃষকদের গাছের গুঁড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করেন কৃষকরা। ছবি: নিউজবাংলা
কৃষক সামসুল আলম বলেন, ‘সারা সকাল দাঁড়িয়ে থাকার পর ডিলার জানান, মাত্র তিনটি ওয়ার্ডের কৃষকদের সার দেয়া হবে। তখন সব কৃষক ক্ষুব্ধ হয়। এখন ধান লাগানোর শেষ সময়। এ সময় কৃষককে ভোগান্তিতে ফেলা কী ঠিক?’

বগুড়ার ধুনটে চাহিদা অনুযায়ী সার না পেয়ে সড়ক অবরোধ করেছেন কৃষকেরা।

বুধবার বেলা সাড়ে ১০টা থেকে ঘণ্টাব্যাপী ধুনট-বগুড়া বাইপাস সড়ক অবরোধ করে রাখেন তারা। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, পুলিশ ও কৃষি কর্মকর্তা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

উপজেলার ধুনট-বগুড়া বাইপাস সড়কের খাদ্য গুদাম এলাকায় মেসার্স এশিয়া এন্টারপ্রাইজের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এটির মালিক শামিম সরকার ধুনট ইউনিয়নের বিসিআইসি সার ডিলার।

বিক্ষুব্ধ কৃষকরা জানান, গত দুই দিন ধরে সার নিতে এসে না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন অনেকে। মঙ্গলবারও তারা এখানে সার নিতে আসেন। পরে তাদের বলা হয়, চাহিদামতো সার দেয়া হবে না। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে গাছের গুঁড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করেন তারা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলছেন, উপজেলায় নতুন করে সার বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে।

ধুনট ইউনিয়নের কৃষক আমিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সকালে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর শুনি সার দিবে না। পরে আমরা সবাই মিলে রাস্তা অবরোধ করি।’

সার না পেয়ে ক্ষুব্ধ একই ইউনিয়নের সামসুল আলমও। বলেন, ‘সারা সকাল দাঁড়িয়ে থাকার পর ডিলার জানান, মাত্র তিনটি ওয়ার্ডের কৃষকদের সার দেয়া হবে। তখন সব কৃষক ক্ষুব্ধ হয়। এখন ধান লাগানোর শেষ সময়। এ সময় কৃষককে ভোগান্তিতে ফেলা কী ঠিক?’

জানতে চাইলে ডিলার শামিম সরকার কথা বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন, ‘যা কিছু বলার ইউএনও বলবেন।’

ধুনট উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, উপজেলায় আগস্ট মাসের জন্য সরকারিভাবে ৮৯০ টন ইউরিয়া সার বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় একজন করে বিসিআইসি সার ডিলার রয়েছেন। বরাদ্দের এই সার ডিলারদের মাঝে ভাগ করে দেয়া হয়েছে।

কৃষি অফিসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি দিন একটি ইউনিয়নের ৩টি ওয়ার্ডের কৃষকদের সার দেয়া হবে।

ধুনট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বুধবার সকাল থেকে ধুনট ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষকদের মাঝে জমির পরিমাণ অনুযায়ী দুইজন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ইউরিয়া সার বিক্রি করার কথা ছিল। কিন্তু সার বিক্রি শুরু করার আগেই কৃষকরা ক্ষুব্ধ হয়ে সড়ক অবরোধ করেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইউনিয়নের সব ওয়ার্ড থেকে কৃষকের আসার কারণে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে। আগামী ২১ আগস্ট পর্যন্ত কৃষকদের কাছে সার বিক্রি করা হবে।’

ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় কুমার মহন্ত নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঘটনাস্থলে গিয়ে কৃষকদের শান্ত করে সার বিক্রি হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব ওয়ার্ডের কৃষকদের সার দেয়া হবে। এছাড়াও উপজেলায় নতুন করে সার বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ক্রেতা ভেবে বললেন সার নেই, ধরা খেয়ে দিলেন জরিমানা
সার নিয়ে তেলেসমাতি, গুদাম রক্ষায় পুলিশ
মজুত সার জব্দ, গুদাম সিলগালা
সারের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়বে না উৎপাদনে: কৃষিমন্ত্রী
বেশি দামে সার বিক্রি, দুই ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The case against Dr Yunus will continue in the labor court

শ্রম আদালতে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা চলবে

শ্রম আদালতে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলা চলবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ফাইল ছবি
ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর ড. ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান। মামলায় গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে নির্দিষ্ট লভ্যাংশ জমা না দেয়া, শ্রমিকদের চাকরি স্থায়ী না করা, গণছুটি নগদায়ন না করার অভিযোগ আনা হয়। 

শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে করা মামলা চলবে। মামলাটি বাতিল প্রশ্নে দেয়া রুল খারিজ করে এ আদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান ও বিচারপতি ফাহমিদা কাদেরের বেঞ্চ বুধবার দীর্ঘ শুনানি শেষে এ আদেশ দেয়।

ড. ইউনূসের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন। অন্যদিকে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান।

আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আদালত রুল ডিসচার্জ করেছেন। তবে এ আদেশের বিরুদ্ধে আমরা আপিল বিভাগে যাব।’

এর আগে আদালতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের পক্ষে বিষয়টিতে পক্ষভুক্ত হওয়ার আবেদন করা হয়। পাশপাশি দুই মাসের মধ্যে রুল নিষ্পত্তি করা সংক্রান্ত আপিল বিভাগের আদেশও উপস্থাপন করা হয়।

ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর ড. ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান। মামলায় গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে নির্দিষ্ট লভ্যাংশ জমা না দেয়া, শ্রমিকদের চাকরি স্থায়ী না করা, গণছুটি নগদায়ন না করার অভিযোগ আনা হয়।

আরও আসছে...

আরও পড়ুন:
সংসদ ভবন এলাকায় স্পিকার-ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন বৈধ
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে মামলা
পিএইচডিতে জালিয়াতি রোধে নীতিমালা প্রণয়নে কমিটি
সুইস রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি: হাইকোর্ট
সুইস ব্যাংকে অর্থের বিষয়ে ‘তথ্য চেয়েছিল বিএফআইইউ’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The developed world should stand by Bangladesh to deal with climate risks

‘জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত বিশ্বকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে হবে’

‘জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত বিশ্বকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে হবে’
মিশেল ব্যাচলেট বলে, ‘জলবায়ু সংকটের ফলে সবচেয়ে বেশি যেটি ক্ষতির সম্মুখীন হয় তা হল মানবাধিকার। একটি জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকির দেশ হিসেবে উন্নত বিশ্বের উচিত বাংলাদেশের সাহায্যে এগিয়ে আসা।’

জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় বিশ্ব নেতৃত্বকে বাংলাদেশের পাশে চাইলেন জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচলেট।

বুধবার রাজধানীতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) আয়োজিত সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি।

মিশেল ব্যাচলেট বলে, ‘জলবায়ু সংকটের ফলে সবচেয়ে বেশি যেটি ক্ষতির সম্মুখীন হয় তা হল মানবাধিকার। একটি জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকির দেশ হিসেবে উন্নত বিশ্বের উচিত বাংলাদেশের সাহায্যে এগিয়ে আসা।’

এক প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘শরণার্থীদের জায়গা দেয়া অনেক বড় ব্যাপার। বাংলাদেশের এ বিষয়ে অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে। কোনো একটা এলাকায় হুট করে অনেক মানুষের আগমন ঘটলে পরিস্থিতি এলোমেলো হয়ে যায়। এতে পরিবেশের ওপর প্রভাব পড়ে।’

জাতিসংঘের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও আবাসনগত সুবিধা নিশ্চিত করা না গেলে তাদের ফেরালে মানবাধিকার লঙ্ঘনের মত পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ের ফলে শুধু পরিবেশ নয় অর্থনৈতিক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

‘রোহিঙ্গারা ফিরে যেতে চায়। কিন্তু সে পরিবেশ এখনও রাখাইনে প্রস্তুত হয়নি। মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিবেশ খুবই জটিল। এ অবস্থায় ফেরত পাঠালে এ মানুষগুলো আবারো ফিরে আসার শঙ্কা থেকে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তন সর্বত্র, প্রত্যেকের মানবাধিকারকে প্রভাবিত করছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কমপক্ষে ৩.৩ বিলিয়ন মানুষ এর প্রভাবের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।’

এক প্রশ্নে মিশেল ব্যাচলেট বলেন, ‘তরুণদের কাছে কোন বাধাই বাধা নয়। জলবায়ু জরুরি অবস্থায় এই অংশই বাঁচাতে পারে বিশ্বকে। তাদের কন্ঠস্বরকে আরো জোরালো করতে হবে, আগামীর ভবিষ্যতের জন্য।’

তিনি বলেন, ‘এসডিজির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অনেক অর্জন রয়েছে। সবার জন্য, ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে বাংলাদেশের অনেক কিছু করার রয়েছে। বৈষম্য করে চললে, সামাজিক নিরাপত্তা রক্ষিত হবে না। মানবাধিকার নষ্ট হবে। পরিবেশের ক্ষেত্রে পুরো বিশ্বেই ক্ষতির মুখোমুখি রয়েছে। এটা মানবতার জন্য বড় বাধা।

‘দূষণ আর জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বসে থাকবার সুযোগ নেই। বাংলাদেশের অর্জন কম নয়। কিন্তু, এটা একা এক দেশের পক্ষে মোকাবিলা করা সত্যি দুষ্কর। নতুন প্রজন্মের সুরক্ষা দিতে কিছু একটা করতেই হবে।’

তিনি বলেন, ‘মানুষের অধিকার রক্ষা করতে হলে, পরিবেশের সুরক্ষা দিতে হবে। অভিযোজন অনেক ব্যয়বহুল। তুরাগ নদী নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশনা একটি বড় মাইলফলক। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিৎ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশ গুলোর জন্য কথা বলা। স্বপ্ল মেয়াদি, মধ্যম মেয়াদি উদ্যোগ এখনই বাস্তবায়নে যাওয়ার সময়। রাজনৈতিক সদিচ্ছার বড় অভাব খুব বেশি দেখা যাচ্ছে। কোভিড পরবর্তী সময়ে গতানুগতিক নয়, নতুন কৌশলে এগুনোর দরকার। নিউ নরম্যালিটি এড়ানোর কোন সুযোগ নেই।’

কার্বন নিঃসরণ সম্পর্কে এক প্রশ্নে জাতিসংঘের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘কিছু দেশ দ্বায়িত্বশীল। আবার কারো মধ্যে কোন উদ্বেগ নেই। কীভাবে আমরা সংগঠিত করবো, তহবিল যোগাড় করবো, সেটা এখন গুরুত্বপূর্ণ। সকল চুক্তি, সমঝোতার যথাযথ বাস্তবায়ন দরকার।

‘কোনো কোনো দেশ বড় ধরনের কার্বন নিঃসরণের জন্য দায়ী। শুধু মানুষ এটা করছে, তা নয় বায়োলজিকাল কার্বন নিঃসরণ আছে। সবাইকে দ্বায়িত্বশীলতা দেখাতে হবে। কোনো চুক্তিই আলোর মুখ দেখেনি। এটা হলে,এ বিশ্বকে কতটা সুরক্ষা দেয়া যাবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘একটি দেশ নিজে দায়ী না হয়েও যখন তাকে ভার্নারেবল কান্ট্রি বলা হয়, তখন সত্যি তা বড় হতাশাজনক। সিলেট এবার বিশাল ফ্লাশ ফ্লাড হয়েছে। যা কোনদিনই হয়নি।

‘আবার তিন সপ্তাহে মধ্যে, অতি খরা, অতি বন্যা দেখার অভিজ্ঞতা এ দেশের মানুষের আছে। কুড়িগ্রামে এটা হয়েছে। ফরিদপুরে মানুষ বৃষ্টির অভাবে পাঠ পচাতে পারছে না। এটা এবারই প্রথম হলো।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্যারিস চুক্তিতে সব দেশ কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ক্লিন এনার্জির কমিটমেন্ট করেছিল। কিন্তু রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ মানুষকে কঠিন পরিস্থিতিতে ফেলেছে। জার্মানির মতো দেশ কয়লাবিদ্যুৎ এ ফিরে আসছে।’

বিআইআইএসএস মহাপরিচালক মাসুদুর রহমান বলেন, ‘মানবতার জন্য, জলবায়ুর পরিবর্তন এখন বড় একটি হুমকি। বৈশ্বিক সম্প্রদায় জলবায়ু তহবিল গঠনে উদাসিন্যতা দেখিয়ে আসছে। সবার মধ্যে মানসিকতার পরিবর্তন এনে একটি ঐক্য মতে পৌঁছাতে হবে নিজেদের অস্তিত্বের প্রয়োজনে। এনভায়রনমেন্টাল জাস্টিস আনতে জাতিসংঘের মত সংস্থাকে সক্রিয় ভূমিকা নিতেই হবে।’

আরও পড়ুন:
জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার কক্সবাজারে
ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Testimony of 3 people in Salim Pradhans case

সেলিম প্রধানের মামলায় ৩ জনের সাক্ষ্য

সেলিম প্রধানের মামলায় ৩ জনের সাক্ষ্য ক্যাসিনো ব্যবসায়ী সেলিম প্রধান। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালতে বুধবার সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ডিএমডি মুহাম্মদ ফোরকানুল্লাহ, সিটি ব্যাংকের সিনিয়র ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ খান ও রেবেকা সুলতানা সাক্ষ্য দেন।

ক্যাসিনো ব্যবসায়ী সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা অবৈধ সম্পদ ও মানিলন্ডারিং মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন তিন ব্যাংক কর্মকর্তা।

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালতে বুধবার সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ডিএমডি মুহাম্মদ ফোরকানুল্লাহ, সিটি ব্যাংকের সিনিয়র ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ খান ও রেবেকা সুলতানা সাক্ষ্য দেন।

তাদের সাক্ষ্য শেষে আগামী ৩১ আগস্ট নতুন তারিখ দিয়েছে আদালত।

এ নিয়ে মামলাটিতে ৩৯ জনের মধ্যে ১৮ জনের সাক্ষ্য নিল আদালত।

বুধবার আদালতে সেলিম প্রধানের সঙ্গে তার রুশ স্ত্রী আনা প্রধান দেখা করেন।

সেলিম প্রধানের পক্ষে তার আইনজীবী শাহিনুর ইসলাম জামিন আবেদন করলে ৩১ আগস্ট জামিন শুনানির তারিখ দেন বিচারক।

৫৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার বাদী হয়ে সেলিমকে আসামি করে মামলাটি করেন।

মামলায় তার বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে ১২ কোটি ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৭৫৪ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করা হয়েছিল।

২০২১ সালের ১৭ জানুয়ারি মামলাটির তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। এতে ৫৭ কোটি ৭৯ লাখ ২৮৮ টাকার জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ২১ কোটি ৯৯ লাখ ৫১ হাজার ১৪৫ হাজার টাকা থাইল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রে পাচারের অভিযোগ আনা হয়।

এর আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে সেলিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, দুর্নীতি ও ক্যাসিনোর মাধ্যমে সেলিম ৫৭ কোটি ৪১ লাখ ৪৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন। এর মধ্যে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ৩৫ কোটি ৪১ লাখ ৯৭ হাজার টাকার। অর্জিত ২১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা পাচার করেছেন থাইল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রে।

সেলিম জাপান-বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং পেপার্সের চেয়ারম্যান। এই কোম্পানিতে তার ৪০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। ৬৯ হাজার শেয়ারের বিপরীতে এখানে বিনিয়োগ দেখানো হয়েছে ৬৯ লাখ টাকা।

তবে সেলিমের নামে শেয়ার মানি ডিপোজিট পাওয়া গেছে ২৩ কোটি ৫৫ লাখ ৮৪ হাজার ৬৫০ টাকা। এ টাকা তিনি অবৈধভাবে অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ। প্রিন্টিং পেপার্স কোম্পানি ২০১০ সালে মুনাফা করে ২৯ লাখ ৩৩ হাজার ৮৫৩ টাকা।

প্রতিষ্ঠানটি ২০১১ সালে মুনাফা করে এক কোটি ৪৬ লাখ ২১ হাজার ৭২ টাকা। এখান থেকে ২০১১-১২ অর্থবছরে আট কোটি টাকা ঋণ নেন বলে সেলিম তার ব্যক্তিগত আয়কর নথিতে উল্লেখ করেছেন।

তবে এই কোম্পানি থেকে কীভাবে ঋণ গ্রহণ করেছেন, তিনি এ-সংক্রান্ত কোনো বৈধ কাগজ দেখাতে পারেননি।

আরও পড়ুন:
ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম খানকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ
সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ পেছাল
সম্রাটের জামিন বাতিল, থাকতে হচ্ছে কারাগারেই
৪০ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ, ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা
ফরিদপুর চেম্বার নেতা সিদ্দিককে দুদকে তলব

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If Khaleda is bailed the country will have good governance in three months Zafrullah

খালেদার জামিন হলে দেশে তিন মাসে সুশাসন: জাফরুল্লাহ

খালেদার জামিন হলে দেশে তিন মাসে সুশাসন: জাফরুল্লাহ ২০১৪ সালে এক অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী। এতে যোগ দিয়েছিলেন আরও কয়েকজন নেতা। ছবি: সংগৃহীত
আদালতে দুর্নীতি প্রমাণ হলেও জাফরুল্লাহ মনে করেন, বিএনপি নেত্রীর কোনো অপরাধ ছিল না। তিনি বলেন, ‘টাকা চুরি করে নাই, এক অ্যাকাউন্ট থেকে আরেক অ্যাকাউন্টে রাখার জন্য জেল খাটাতে হয়। এ জন্য তাকে আটকে রাখা হয়েছে।’

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন হলে দেশ তিন মাসেই পাল্টে যাবে বলে মনে করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘দেশে যদি শান্তি ফিরিয়ে আনতে হয়, সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হয়, মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে হয়, তাহলে খালেদা জিয়াকে আগে জামিন করতে হবে। খালেদা জিয়াকে ছাড়া দেশ চলবে না।’

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে জনতার অধিকার পার্টি (পিআরপি) আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় উচ্চ আদালতে ১০ বছর আর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় বিচারিক আদালতে সাত বছরের সাজা হওয়া খালেদা জিয়াকে বিনা বিচারে অন্যায়ভাবে আটকে রাখার অভিযোগও করেন জাফরুল্লাহ। তবে ২০২০ সালের মার্চে সাজা স্থগিত করিয়ে বিএনপি নেত্রীকে বাসায় ফেরার সুযোগ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আদালতে দুর্নীতি প্রমাণ হলেও জাফরুল্লাহ মনে করেন, বিএনপি নেত্রীর কোনো অপরাধ ছিল না। তিনি বলেন, ‘টাকা চুরি করে নাই, এক অ্যাকাউন্ট থেকে আরেক অ্যাকাউন্টে রাখার জন্য জেল খাটাতে হয়। এ জন্য তাকে আটকে রাখা হয়েছে।’

বিরোধী দলকে প্রধানমন্ত্রী চায়ের আমন্ত্রণ জানালেও ভোলায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাণহানি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জাফরুল্লাহ। বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বললেন চা খেয়ে যান। তার পরই ভোলায় পুলিশের গুলিতে দুইজন মারা গেলেন। তার মানে উনার (প্রধানমন্ত্রীর) হাতে ক্ষমতা নাই। ক্ষমতা অন্যদের হাতে।

‘চাবিকাঠি অন্য জায়গায়। পুলিশের যেখানে লাঠিচার্জ করার কথা সেখানে গুলি করছে। তার কারণ হলো কোনো নিয়মের তোয়াক্কা করছে না। একটা জায়গা গুলি করতে হলে ম্যাজিস্ট্রেটের লিখিত অনুমিত লাগত। এখন তা নেই। আজকে সেই ক্ষমতা এসপির হাতে দিয়ে দেয়া হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনে আসতে এত ভয় পাচ্ছেন কেন? দিয়ে দেখেন নাহ? চলে গেলে তো ভালোই। জিতে গেলে চরিত্রের পরিবর্তন করলেন। আর কত দিন, অনেক দিন করেছেন।’

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহামুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘আজকে নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে লাভ নেই, লড়াই করতে হবে। যতগুলো দল পারেন একত্রিত হয়ে এক মঞ্চে না হোক অন্তত যুগপৎ অভিন্ন আন্দোলন করতে হবে।’

সাতটি লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে জনতার অধিকার পার্টির আত্মপ্রকাশ হয়। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন দলটির চেয়ারম্যান তরিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘জনতার অধিকার পার্টি জাতির সঙ্গে বেইমানি করবে না। দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাবে।’

সংগঠনের মহাসচিব মোশাররফ হোসেনের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গণশক্তি আন্দোলনের চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ মো. তাহের, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রেস সচিব জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন।

আরও পড়ুন:
সংখ্যালঘু নামে দরিদ্র মানুষের ওপর অত্যাচার চলছে: জাফরুল্লাহ
পদ্মা সেতুতে সেলফি তুলে আইন ভেঙেছেন প্রধানমন্ত্রী: জাফরুল্লাহ
চলেন পূর্ণিমায় খালেদাকে নিয়ে পদ্মা সেতুতে যাই: প্রধানমন্ত্রীকে জাফরুল্লাহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Why not Rs 5 crore compensation in Girder accident High Court

গার্ডার দুর্ঘটনায় ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ কেন নয়: হাইকোর্ট

গার্ডার দুর্ঘটনায় ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ কেন নয়: হাইকোর্ট এই দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে পাঁচজনের। ফাইল ছবি
গত সোমবার বিকেলে উত্তরার জসিম উদ্দীন মোড়ে বিআরটি প্রকল্পের একটি বক্স গার্ডার ক্রেনে করে গাড়িতে তোলার সময় সেটি পিছলে পড়ে যায় চলন্ত একটি প্রাইভেট কারে। এই ঘটনায় পাঁচ জনের প্রাণহানি হয় ঘটনাস্থলেই। গাড়িতে থাকা নব দম্পতি বেঁচে যান কেবল। এই দুর্ঘটনায় নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের অবহেলার বিষয়টি প্রকাশ পায়। এত ভারী একটি বস্তু সমানোর সময় সেখানে নিরাপত্তমূলক যেসব পদক্ষেপ নিতে হতো, তার কিছুই করা হয়নি। সেখানে কোনো নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়নি, যেটি করলে এই প্রাণহানি এড়ানো যেত।

রাজধানীর উত্তরায় নির্মাণাধীন বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট বা বিআরটি প্রকল্পে ফ্লাইওভারের বক্স গার্ডার চাপায় নিহত পাঁচজনের পরিবারকে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট।

জনগণের নিরাপত্তায় বিগত ৫ বছর ধরে বিআরটি কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে তাও ৬০ দিনে মধ্যে আদালতকে জানাতে বলা হয়েছে।
বুধবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন এবিএম শাহজাহান আকন্দ মাসুম।

আদেশের পরে তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের রিটের শুনানি নিয়ে আদালত রুল ও ডাইরেকশন দিয়েছেন।
‘রুলে নিহতদের পরিবারকে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ কেন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে। পাশাপাশি বিআরটি প্রজেক্ট গত পাঁচ বছরে জনগণের নিরাপত্তার জন্য কী কী করেছে তা আগামী ৬০ দিনের মধ্যে জানাতে নির্দেশ দিয়েছে।’

সড়ক ও জনপথ সচিব, বিআরটি এর চেয়ারম্যানসহ ৫জন বিবাদীকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

গত সোমবার বিকেলে উত্তরার জসিম উদ্দীন মোড়ে বিআরটি প্রকল্পের একটি বক্স গার্ডার ক্রেনে করে গাড়িতে তোলার সময় সেটি পিছলে পড়ে যায় চলন্ত একটি প্রাইভেট কারে। এই ঘটনায় পাঁচ জনের প্রাণহানি হয় ঘটনাস্থলেই। গাড়িতে থাকা নব দম্পতি বেঁচে যান কেবল।

এই দুর্ঘটনায় নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের অবহেলার বিষয়টি প্রকাশ পায়। এত ভারী একটি বস্তু সমানোর সময় সেখানে নিরাপত্তমূলক যেসব পদক্ষেপ নিতে হতো, তার কিছুই করা হয়নি। সেখানে কোনো নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়নি, যেটি করলে এই প্রাণহানি এড়ানো যেত।

যে গাড়িতে বক্স গার্ডারটি তোলা হচ্ছিল, তার একেবারে পাশ ঘেঁষে স্বাভাবিকভাবেই চলছিল সড়কের অন্যান্য গাড়ি। তাদেরকে সাবধান করার কোনো উদ্যোগও নেয়া হয়নি।

এই ঘটনায় প্রাথমিক তদন্তে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায় খুঁজে পাওয়ার কথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন সচিব। পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত গোটা প্রকল্পের কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এই ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জাকারিয়া খান জনস্বার্থে বুধবার সকালে রিট করেন।

আরও পড়ুন:
গার্ডার দুর্ঘটনা: ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট
গার্ডার দুর্ঘটনা: মেহেরপুরে দাফন রুবেলের
গার্ডার দুর্ঘটনা: দাফন হলো ৪ জনের

মন্তব্য

p
উপরে