× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Connection of sewage of elite areas is not in drain Atiq
hear-news
player
print-icon

অভিজাত এলাকার পয়োবর্জ্যের সংযোগ ড্রেনে নয়: আতিক

অভিজাত-এলাকার-পয়োবর্জ্যের-সংযোগ-ড্রেনে-নয়-আতিক
রাজধানীর নূরেরচালায় উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত
মেয়র আতিক বলেন, ‘পয়োবর্জ্যের সংযোগ স্টর্ম সুয়ারেজে দেয়া যাবে না। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পয়োবর্জ্যের সংযোগ ড্রেনে পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে’

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অভিজাত এলাকা গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতনের পয়োবর্জ্য সরাসরি লাইনে ফেলা যাবে না বলে জানিয়েছেন মেয়র আতিকুল ইসলাম।

তিনি বলেছেন, এসব অভিজাত এলাকায় প্রতিটি ভবনেই কার্যকর সেপটিক ট্যাংক ও সোক ওয়েল স্থাপন করতে হবে।

বুধবার দুপুরে ৩৯ নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত নুরের চালায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নবগঠিত ১৮টি ওয়ার্ডের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘পয়োবর্জ্যের সংযোগ স্টর্ম সুয়ারেজে দেয়া যাবে না। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পয়োবর্জ্যের সংযোগ ড্রেনে পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

পর্যায়ক্রমে অন্য এলাকায়ও ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মেয়র বলেন, ‘ড্রেনেজ নেটওয়ার্ক ছাড়া শুধু রাস্তা করলে হবে না। স্থায়ী সমাধানের জন্য রাস্তা নির্মাণের পূর্বে ড্রেন নির্মাণ করতে হবে। নূরেরচালার সুতিভোলা খালের পাড় থেকে নূরেরচালা বাজার মসজিদ পর্যন্ত ১ হাজার ৪২২ মিটার ড্রেনেজের কাজ প্রায় ৮০ ভাগ শেষ হয়েছে। ড্রেনের কাজ শেষ হলেই রাস্তার কাজ করা হবে।’

সাংবাদিকের এক প্রশ্নে আতিকুল বলেন, ‘এই শহর শুধু মেয়রের নয়, এ শহর শুধু কাউন্সিলরের নয়, এই শহর সবার শহর। সিএস পর্চা অনুযায়ী খালের সীমানা নির্ধারণ করে আমরা খালগুলোকে উদ্ধার করব।

‘মহানগর জরিপ অনুযায়ী খাল উদ্ধার করলে ঢাকাকে বাঁচানো যাবে না, জলাবদ্ধতায় এই ঢাকা ডুবে যাবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর খালের সীমানা নির্ধারণের কাজ এগিয়ে চলেছে। খালগুলো উদ্ধারের পর পানি প্রবাহ নিশ্চিত করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য শহর গড়ে তুলব।’

সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি জনগণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে আতিকুল বলেন, ‘আমরা জলাবদ্ধতা এবং যানজটের সমস্যার সমাধানের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই রাস্তার কার্যক্রম করছি। শহরের রাস্তাগুলো ২০ ফিট প্রশস্ততার কম হলে সেখানে সিটি করপোরেশন কোনো ধরনের অর্থায়ন করবে না, কোনো ধরনের রাস্তা নির্মাণ করবে না।’

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে নবগঠিত ১৮টি ওয়ার্ডের রাস্তা, পানি নিষ্কাশন ও খাল খননের জন্য সরকার ৪ হাজার ২০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে।

এ প্রকল্পের আওতায় নূরেরচালা মসজিদ থেকে সুতিভোলা খাল পর্যন্ত ১ হাজার ৪২২ মিটার পানি নিষ্কাশন নালা নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে সেনাবাহিনীর ২৪ কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড।

কোরবানির বর্জ্য অপসারণ ১২ ঘণ্টায়

এবার ঈদে কোরবানির বর্জ্য ১২ ঘণ্টায় পরিষ্কার করার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম। এ জন্য সব প্রস্তুতি আছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মেয়র বলেন, ‘কোরবানির বর্জ্য ১২ ঘণ্টায় পরিষ্কারের জন্য আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। ১০ হাজার কর্মী বর্জ্য অপসারণে কাজ করবে।'

ঢাকা উত্তরের কয়েকটি অঞ্চলে কাউন্সিলরের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কোরবানির স্থান নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়েছে বলেও জানান আতিকুল ইসলাম।

আরও পড়ুন:
উত্তর ঢাকায় মশা নিধনে বিশেষ অভিযান, জরিমানা ৮ লাখ
শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলবাসের ব্যবস্থা করা হবে: আতিক
এডিসের লার্ভা পেলেই ব্যবস্থা: আতিক
ফিটনেসহীন বাস রোধে টার্মিনালে থাকবে মোবাইল কোর্ট
নববর্ষে মেয়র আতিকের উপহার পার্ক ও মাঠ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
92 Bar Pechal Sagar Rooney murder case investigation report

৯২ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন

৯২ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি। ফাইল ছবি
২০১১ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি হত্যাকাণ্ডের পর দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে হত্যার রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলার তদন্তভার র‍্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

৯২ বারের মতো পিছিয়েছে সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য আগামী ৩১ অক্টোবর দিন ঠিক করেছে আদালত।

সোমবার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার দিন ঠিক করা ছিল। তবে তদন্ত সংস্থা র‌্যাব প্রতিবেদন জমা দেয়নি। তাই ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারী প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য নতুন এ দিন ঠিক করেন।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরোয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি নিজ বাসায় খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় এ ঘটনায় হত্যা মামলা করেন। প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার একজন উপপরিদর্শক (এসআই)। চার দিন পর চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।

দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে হত্যার রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলার তদন্তভার র‍্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মামলায় রুনির বন্ধু তানভীর রহমানসহ মোট আসামি আট জন। অন্য আসামিরা হলেন বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু ওরফে মাসুম মিন্টু, কামরুল হাসান অরুন, পলাশ রুদ্র পাল ও আবু সাঈদ।

আরও পড়ুন:
৯১ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন
৮৮ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন
সাগর-রুনি হত্যা মামলা নিয়ে রুল শুনানির উদ্যোগ
৮৬ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যার প্রতিবেদন
সাগর-রুনী হত্যা রহস্য উদঘাটনে ‘যথেষ্ট দেরি হয়েছে’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Journalists have to take risks to establish democracy Kamal

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের ঝুঁকি নিতে হবে: কামাল

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের ঝুঁকি নিতে হবে: কামাল সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক আতাউস সামাদ স্মরণসভায় বক্তব্য দেন ড. কামাল হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
মানিক মিয়া ও আতাউস সামাদের পথ অনুসরণ করে সাংবাদিকরা আজও উজ্জীবিত মন্তব্য করে ড. কামাল বলেন, ‘আমরা সারাজীবন দেখেছি তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লিখেছেন। সেই ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখতে হবে নৈতিকতা দেখিয়ে। জনগণকে সচেতন রাখতে হবে। ঝুঁকি নেয়ার বিষয়টি তাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিতে হবে।’

দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের ঝুঁকি নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘সত্য প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকরা যুগে যুগে নানামুখী ঝুঁকি নিয়েছেন। আতাউস সামাদের মতো আজও সাংবাদিকরা ঝুঁকি নিচ্ছেন। দেশে বর্তমান অবস্থায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাদেরকে ঝুঁকি নিতে হবে। সাংবাদিকদের জনগণের মাঝে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বাঁচিয়ে রাখতে হবে।’

বরেণ্য সাংবাদিক আতাউস সামাদের দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আতাউস সামাদ স্মৃতি পরিষদ।

জনগণকে উদ্দেশ করে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘আন্দোলন-সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। কোনো সময় আমরা দেখিনি ঝুঁকি নেয়া ছাড়া গণতন্ত্র রক্ষা করা গেছে।’

মানিক মিয়া ও আতাউস সামাদের পথ অনুসরণ করে সাংবাদিকরা আজও উজ্জীবিত মন্তব্য করে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘আমরা সারাজীবন দেখেছি তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লিখেছেন। সেই ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখতে হবে নৈতিকতা দেখিয়ে। জনগণকে সচেতন রাখতে হবে।

‘ঝুঁকি নেয়ার বিষয়টি জনগণকে স্মরণ করিয়ে দিতে হবে। তারা যেন মনে না করে যে আমরা কিছু না করেও ঐক্য ও নিজেদের অধিকার ধরে রাখতে পারব। যারা স্বৈরাচার এবং যা ইচ্ছে তা করতে চায় তাদেরকে তা করতে দেব না আমরা।’

আজকের পত্রিকা সম্পাদক গোলাম রহমানের সভাপতিত্বে ও জাতীয় প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাসান হাফিজের সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় আরও বক্তব্য দেন প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক সোহরাব হাসান, বিএফইউজের সভাপতি এম আবদুল্লাহ, কাদের গনি চৌধুরী, শামীমা চৌধুরী, সৈয়দ দিদার বক্স প্রমুখ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Children and adolescents are becoming obese and are not getting enough nutrition

‘শিশু-কিশোররা মেদবহুল হচ্ছে, পুষ্টি পাচ্ছে না’

‘শিশু-কিশোররা মেদবহুল হচ্ছে, পুষ্টি পাচ্ছে না’ সুষম খাদ্য নিয়ে সচেতনতার অভাবকে পুষ্টিহীনতার প্রধান বাধা বলছেন কর্মকর্তারা। ছবি: সংগৃহীত
‘বাংলাদেশের মানুষ পুষ্টির মানদণ্ডে খায় না, তারা খায় তৃপ্তির মানদণ্ডে। পুষ্টির দিকে ফোকাস কম। ...অনেকে বাচ্চার ছয় মাস বয়সের আগেই বুকের দুধ বাদে অন্য খাবার দিয়ে দেয়। শুধু শারীরিক উন্নতি না, বাচ্চাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাপারেও খেয়াল করতে হবে।’

শিশু-কিশোরদের খাবার নিয়ে অভিভাবকদের সতর্ক করলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তিনি বলছেন, নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা ঘরের বাইরে অপ্রয়োজনীয় নানা খাবারে অভ্যস্থ হচ্ছে। এতে তাদের শরীর মাংসল হচ্ছে, কিন্তু তারা পুষ্টি পাচ্ছে না।

পুষ্টিগ্রহণের মাত্রা বাড়ানোর বিষয়ে সোমবার রাজধানীতে একটি কর্মশালায় এ কথা বলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে ইস্যুর শেষ নেই, বিশেষ করে স্বাস্থ্যবিষয়ক। পুষ্টি সম্পর্কিত কোনো বিষয় আমরা এড়াতে পারি না। আমাদের স্বাস্থ্যের স্ট্যাটাসে অনেক ঘাটতি রয়েছে। সেগুলো পূরণে আমাদের প্রচেষ্টাও রয়েছে। সব যে কার্যকর হচ্ছে তা নয়, আবার সব হচ্ছে না তাও নয়।’

সুষম খাদ্য নিয়ে সচেতনতার অভাবকে পুষ্টিহীনতার প্রধান বাধা হিসেবে দেখছেন সচিব। বলেন, ‘আমাদের দেশে দেখলে মনে হয় দুনিয়াটা যেন খাদ্যগ্রহণের জায়গা। বাবা-মা সন্তানকে বেশি বেশি খাইয়ে সুঠাম দেহের অধিকারী করে বড় করেন যেন তারা কাজ করতে পারে।

‘কিন্তু এখনকার ছেলেমেয়েরা রেস্টুরেন্টে বেশি খায়, কেউ কেউ ঘরে বসে অর্ডার করছে। খাবার টেবিলেও আসে না। আমরা যেন খাওয়ার জন্যই বেঁচে আছি। বেঁচে থাকার জন্য খাচ্ছি না।

‘এতে স্বাস্থ্যের কোনো উন্নতি হচ্ছে না। ফ্যাটি হচ্ছে কিন্তু পুষ্টি গ্রহণ হচ্ছে না। নানা ধরনের রোগ হচ্ছে। এর জন্য আমরা সবাই দায়ী।’

‘শিশু-কিশোররা মেদবহুল হচ্ছে, পুষ্টি পাচ্ছে না’
পুষ্টিগ্রহণের মাত্রা বাড়ানোর বিষয়ে কর্মশালায় বক্তব্য রাখছেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার

স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসক না থাকার বিষয়টিও উঠে আসে সচিবের বক্তব্যে। তিনি বলেন, ‘আমাদের আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সহায়তাকারী টিম রয়েছে। তারা কমিউনিটি পর্যন্ত কাজ করছে। কিন্তু সেখানে চিকিৎসা দেয়ার মতো কেউ নেই। আমাদের উদ্দেশ্য এসব সমস্যার সমাধান।’

পাবলিক হেলথ সার্ভিসের সহকারী সচিব সৈয়দ মুজিবুল হক বলেন, ‘২০৩০ সালের মধ্যে মাতৃত্বকালীন সমস্যা দূর করতে হবে। ব্রেস্টফিডিংটাও নিউট্রিশনের একটা অংশ। প্রধানমন্ত্রী যে ১২টি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সেগুলো পূরণ করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। আমরা উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে নিউট্রিশন প্রোগ্রাম চালু করব।’

ন্যাশনাল নিউট্রিশন সার্ভিসের লাইন ডিরেক্টর মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ পুষ্টির মানদণ্ডে খায় না, তারা খায় তৃপ্তির মানদণ্ডে। পুষ্টির দিকে ফোকাস কম। ...অনেকে বাচ্চার ছয় মাস বয়সের আগেই বুকের দুধ বাদে অন্য খাবার দিয়ে দেয়। শুধু শারীরিক উন্নতি না, বাচ্চাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাপারেও খেয়াল করতে হবে।’

অতিরিক্ত সচিব জেবুন্নেসা বেগম বলেন, ‘একজন মানুষকে দেখতে হালকা বা স্থূলকায় হলে তাকে দেখেই আমরা স্বাস্থ্যের মানদণ্ড নির্ধারণ করব না। কারণ পুষ্টির বিষয়টি সম্পূর্ণ আলাদা। ৬৪ জেলায় আমরা নিউট্রিশন অফিসার নিয়োগ দেব।’

আরও পড়ুন:
শ্রমিকের পুষ্টিকর নাস্তা নিশ্চিত করুন: শ্রম প্রতিমন্ত্রী
৪৩৮ কোটি টাকায় পাঁচ লাখ পুষ্টি বাগান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
5 lakh to send to Europe trap

৫ লাখে ইউরোপ পাঠানোর ফাঁদ

৫ লাখে ইউরোপ পাঠানোর ফাঁদ মানব পাচারের অভিযোগে র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার চারজন। ছবি: সংগৃহীত
গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ১৬টি পাসপোর্ট, তিনটি চেক বই, চারটি স্ট্যাম্প, পাঁচটি মোবাইল, চারটি বিএমইটি কার্ড, চারটি রেজিস্ট্রার উদ্ধার করা হয়।

উচ্চ বেতনের চাকরি, সঙ্গে নানা সুবিধা, তাও আবার ইউরোপের দেশেগুলোতে। আর সেখানে এসব পেতে খরচ করতে হবে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা। এমন প্রলোভন দেখিয়ে ইউরোপ পাঠানোর কথা বলে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া মানব পাচার চক্রের হোতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম এবং রাজধানীর গুলশান এলাকায় সোমবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

শুধু ইউরোপ নয়, কম খরচে মধ্যপ্রাচ্যসহ অন্য দেশগুলোতেও তারা পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে আসছিল।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন তোফায়েল আহমেদ, আক্তার হোসেন, আনিছুর রহমান ও মো. রাসেল।

গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ১৬টি পাসপোর্ট, তিনটি চেক বই, চারটি স্ট্যাম্প, পাঁচটি মোবাইল, চারটি বিএমইটি কার্ড, চারটি রেজিস্ট্রার উদ্ধার করা হয়।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-৩-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ এসব তথ্য জানান।

প্রাথমিক অনুসন্ধান ও আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে আরিফ মহিউদ্দিন বলেন, ‘আসামিরা সংঘবদ্ধ মানব পাচার চক্রের সদস্য। চক্রের হোতা দুবাই প্রবাসী তোফায়েল আহমেদ এবং বাংলাদেশে চক্রের হোতা আনিছুর রহমান ও আক্তার হোসেন। রাসেল তাদের অন্যতম সহযোগী।

‘তারা বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দালালের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে উচ্চ বেতনে বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকরি দেয়ার নাম করে প্রলুব্ধ করে। মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর খরচ বাবদ প্রাথমিকভাবে তারা ৪ থেকে ৫ লাখে ইউরোপ এবং এশিয়ার অন্যান্য দেশের জন্য তারা ৬ থেকে ৮ লাখ টাকা নিয়ে থাকে।’

তিনি জানান, ভিকটিম ও তাদের অভিভাবকরা রাজি হলে প্রথমে তারা পাসপোর্ট এবং প্রাথমিক খরচ বাবদ ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা নিয়ে থাকে। তারপর ভিকটিম এবং অভিভাবকদের বিদেশ থেকে বিভিন্ন দালালের মাধ্যমে ফোন দিয়ে আশ্বস্ত করে। আসামিদের মাধ্যমে বিদেশ গিয়ে তারা খুব ভালো আছে এবং অনেক অর্থ উপার্জন করে বলে জানানো হয়।

এমন প্রলোভনে অনেকেই আগ্রহী হয়ে ওঠে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পরিবহন খরচ, ভিসা খরচ, মেডিক্যাল খরচ, বিএমইটি ক্লিয়ারেন্স ইত্যাদি খরচের কথা বলে আসামিরা ধাপে ধাপে ভিকটিমদের কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎ করতে থাকে বলে জানান র‍্যাবের ওই কর্মকর্তা।

আরিফ মহিউদ্দিন জানান, ফ্লাইটের আগে ভুক্তভোগীদের কাছে পাসপোর্ট, ভিসা বা টিকিট হস্তান্তর করা হয় না। তাদের যখন বিমানবন্দরের ভেতর প্রবেশ করেন, ঠিক তখন তাদের হাতে এসব ধরিয়ে দেয়া হয়। পরে ভুক্তভোগীরা বুঝতে পারে কর্মী ভিসার বদলে তাদের ভ্রমণ ভিসায় পাঠানো হচ্ছে। পরে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও আসামিদের সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয় না।

র‍্যাব জানায়, অনেক সময় বিদেশ পৌঁছানোর পর দুবাই প্রবাসী জাহিদ ভিকটিমদের স্বাগত জানিয়ে একটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। তারপর ভিকটিমের কাছ থেকে তার পাসপোর্ট ও টাকা ছিনিয়ে নেয়। এরপর তাদের একটি সাজানো কোম্পানিতে চাকরি দেয়া হয়। চার-পাঁচ দিন পর কোম্পানি থেকে জানিয়ে দেয়া হয় কোম্পানি আইনি জটিলতার কারণে বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। তারপর জাহিদ পুনরায় ভিকটিমদের অজ্ঞাত স্থানে বন্দি করে রেখে ভিকটিমদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে অর্থ আদায় করে। ওই সময়ে ভিকটিমদের কোনো খাবার দেয়া হয় না। খাবার চাইলে জাহিদ বাংলাদেশ থেকে টাকা নিয়ে এসে খাবার কিনতে বলে।

র‍্যাব-৩-এর অধিনায়ক বলেন, তোফায়েলের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তোফায়েল ভিকটিমদের অপেক্ষা করতে বলে। জানায়, আইনি জটিলতা দূর হলেই আবার কোম্পানি চালু হবে। পরে পাসপোর্ট ফেরত নিতেও ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় আসামিরা, যা দেশে কোনো স্বজনের মাধ্যমে পরিশোধ করেন ভুক্তভোগীরা।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ট্রাভেল এজেন্সি বা রিক্রুটিং এজেন্সি পরিচালনার কোনো লাইসেন্স পাওয়া যায়নি। তারা শুধু সিটি করপোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে সিটি এক্সপ্রেস ট্রাভেল এজেন্সি নামে মানব পাচার ব্যবসা করে আসছে। চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানান র‍্যাবের ওই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
মালয়েশিয়ার কথা বলে সেন্টমার্টিনে ‘পাচার’, গ্রেপ্তার ৫
মানব পাচার মামলায় নদীর জামিন দেয়নি হাইকোর্ট
লিবিয়ায় জিম্মি মাদারীপুরের ৯ যুবক
অভিবাসনপ্রত্যাশী নির্যাতন: ইতালিতে ২ বাংলাদেশির জেল
‘ইতালি যাওয়ার পথে’ ৩ যুবক নিখোঁজ, বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If petrol bombs are thrown again people will resist Information Minister

ফের পেট্রলবোমা ছুড়লে জনগণকে নিয়ে প্রতিরোধ: তথ্যমন্ত্রী

ফের পেট্রলবোমা ছুড়লে জনগণকে নিয়ে প্রতিরোধ: তথ্যমন্ত্রী তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি যে পেট্রলবোমার রাজনীতি আগে করেছে, মানুষের ওপর পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে মানুষকে হত্যা করা, তারা তো সেই রাজনীতিই করেছে। তাদের সেই নেতা-কর্মীরা আছে। যে নেতারা তখন নির্দেশ দিয়েছিল, তারাই এখন নেতৃত্ব দিচ্ছে। জনগণ তো সব সময় সেই আতঙ্কে আছে।’

বিএনপি আবারও পেট্রলবোমার রাজনীতি করলে জনগণকে নিয়ে আওয়ামী লীগ তা প্রতিরোধ করবে বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

সচিবালয়ে সোমবার নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি যে পেট্রলবোমার রাজনীতি আগে করেছে, মানুষের ওপর পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে মানুষকে হত্যা করা, তারা তো সেই রাজনীতিই করেছে। তাদের সেই নেতা-কর্মীরা আছে। যে নেতারা তখন নির্দেশ দিয়েছিল, তারাই এখন নেতৃত্ব দিচ্ছে। জনগণ তো সব সময় সেই আতঙ্কে আছে।

‘...জনগণ তাদের আর সেই সুযোগ দেবে না। আর যদি তারা সেটি করার অপচেষ্টা চালায়, তাহলে সরকার যেমন কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, আওয়ামী লীগও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পেট্রলবোমার রাজনীতি যারা করেছে, যদি আবার সেটি করতে চায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।’

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের বিরোধিতা করে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের আন্দোলনের মধ্যে শত শত যানবাহন পোড়ানো হয়। পেট্রলবোমার আঘাতে দগ্ধ মানুষের আহাজারিতে হাসপাতালগুলোর বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।

পরের বছরও সেটি অব্যাহত থাকে এবং সে সময় বাস-ট্রেনসহ বিভিন্ন যানবাহনে পেট্রলবোমায় মৃত্যু হয় অনেকের।

আরও পড়ুন:
লাশ ফেলে আন্দোলন জমানোর অশুভ তৎপরতায় বিএনপি: কাদের
সংঘর্ষের মামলায় ৩ নম্বর আসামি শাওন
যুবদল কর্মী শাওনের দাফন
সরকারের পতন ঘটিয়ে শাওন হত্যার বদলা: ফখরুল
‘গুলিতে নিহত শাওনের চিকিৎসায় বাধা দেয় ছাত্রলীগ ও পুলিশ’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Concerned about setting up universities without preparation UGC is making policies

প্রস্তুতি ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন নিয়ে উদ্বিগ্ন ইউজিসি করছে নীতিমালা

প্রস্তুতি ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন নিয়ে উদ্বিগ্ন ইউজিসি করছে নীতিমালা নীতিমালা তৈরি করতে ইউজিসির কমিটির ভার্চুয়াল সভা হয় সোমবার। ছবি: সংগৃহীত
নীতিমালা প্রণয়ন কমিটির সভায় ইউজিসি সদস্য মে. আলমগীর বলেন, ‘অবকাঠামো ও কারিকুলাম চূড়ান্ত না করে নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। শিক্ষার্থীরাও উচ্চশিক্ষার পরিবেশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ বিষয়টি সমাধানের জন্য নীতিমালা করা অত্যন্ত জরুরি।’

অবকাঠামো ও শিক্ষাক্রম চূড়ান্ত না করেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কারণে উচ্চশিক্ষার মান নিয়ে যে প্রশ্ন উঠছে, তার সুরাহা চাইছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন-ইউজিসি। তারা একটি নীতিমালা করে দিতে চাইছে, যেখানে নতুন কোনো বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করতে হলে এর অবকাঠামোকে কী থাকতে হবে, শিক্ষাক্রমে কী কী অন্তর্ভুক্ত হবে, তা সুনির্দিষ্ট করে দেয়া হবে।

পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছাড়াই একের পর বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন নিয়ে ওঠা প্রশ্নের মধ্যে সম্প্রতি ইউজিসি সদস্য মুহাম্মদ আলমগীরকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদ্যস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। নীতিমালা তৈরি করতে এই কমিটির প্রথম সভা হয় সোমবার।

এক বিজ্ঞপ্তিতে নীতিমালা করার কারণ ব্যাখ্যা করে ইউজিসি বলছে, ‘অধিকাংশ নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হওয়ার পর কোনো ধরনের প্রস্তুতি ছাড়াই শিক্ষা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

‘এ ছাড়া ভাড়াকৃত ভবনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এতে শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা কার্যক্রমেও ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। শিক্ষার মান ঠিক রাখা যাচ্ছে না।’

এ জন্য নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হওয়ার পর অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম শুরু করার বিষয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা জরুরি বলে মনে করছে সংস্থাটি।

নীতিমালা প্রণয়ন কমিটির সভায় ইউজিসি সদস্য মো. আলমগীর বলেন, ‘অবকাঠামো ও কারিকুলাম চূড়ান্ত না করে নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। শিক্ষার্থীরাও উচ্চশিক্ষার পরিবেশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ বিষয়টি সমাধানের জন্য নীতিমালা করা অত্যন্ত জরুরি।’

তিনি আরও বলেন, ‘নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা কার্যক্রম কীভাবে শুরু করবে, সে বিষয়ে একটি নীতিমালা করা হলে দেশে গুণগত উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত হবে এবং মানসম্পন্ন গ্র্যাজুয়েট তৈরি হবে।’

সভায় কমিটির সদস্যরা জানান, নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের সংকট রয়েছে এবং জুনিয়র শিক্ষকদের দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক মাস্টারপ্ল্যান তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আরও পড়ুন:
পাঠ্যক্রমে নৈতিক শিক্ষার যোগ চায় ইউজিসি
উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সেবার তালিকা দৃশ্যমান করার নির্দেশ
এপিএতে সই শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউজিসির
প্রতিবন্ধীদের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিতে নীতিমালা করছে ইউজিসি
বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় সহায়তা করতে চায় এলসেভিয়ার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The death hunger strike of the expellees of Eden Chhatra League lasted only 1 hour

ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতদের ‘আমরণ অনশন’ টিকল ১ ঘণ্টা

ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতদের ‘আমরণ অনশন’ টিকল ১ ঘণ্টা ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আমরণ অনশনে বসেছিলেন ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতরা। ছবি: নিউজবাংলা
ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা অনশন করতে আসছিলাম। এখন চলে যাচ্ছি। অনশন করব না।’

বহিষ্কার আদেশের প্রতিবাদে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আমরণ অনশনে বসার এক ঘণ্টা পর চলে গেছেন ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগ নেতারা।

কলেজ ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলন শেষে সোমবার দুপুর ১২টার পর অনশনে বসেন বহিষ্কৃতরা, তবে ১ ঘণ্টা পরই তারা স্থান ত্যাগ করেন।

ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা অনশন করতে আসছিলাম। এখন চলে যাচ্ছি। অনশন করব না।’

বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতারা অনশন শুরু করলে আওয়ামী লীগের কার্যনিবাহী সংসদের সদস্য আবদুল আউয়াল শামীম তাদের সঙ্গে কথা বলেন। বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলোচনার আশ্বাস দিয়ে তাদের চলে যেতে বলেন। পরে তারা সেখান থেকে চলে যান।

আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয় থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের এড়িয়ে যান ওই ১২ জন। তাদের কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেননি।

বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতাদের মধ্যে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নিউজবাংলাকে জানান, ইডেনের ১২ জন যখন ভেতরে গিয়ে কার্যালয়ের একটি কক্ষে অবস্থান নেন, তখন সেখানে যান আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আবদুল আওয়াল শামীম এবং উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান। শামীম নেতাদের ভয় দেখিয়ে কার্যালয় থেকে বের হয়ে যেতে বলেন।

পরে ভীত নেতারা কার্যালয় থেকে বের হয়ে যান। এরপর তারা আর কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রবেশের সময়ও বাধা দেয়ার অভিযোগ করেন ইডেন ছাত্রলীগ নেতারা।

বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতারা হলেন ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি সোনালি আক্তার, সুস্মিতা বাড়ৈ, জেবুন্নাহার শিলা, কল্পনা বেগম, তানজিলা আক্তার, জান্নাতুল ফেরদৌস, আফরোজা রশ্মি, মারজানা ঊর্মি, সানজিদা পারভীন চৌধুরী, এস এম মিলি, সাদিয়া জাহান সাথী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা খানম বিন্তি ও সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখি এবং কর্মী রাফিয়া নীলা, নোশিন শার্মিলী, জান্নাতুল লিমা ও সূচনা আক্তার।

সার্বিক বিষয়ে জানতে আওয়ামী লীগের দুই নেতা সায়েম খান এবং আবদুল আউয়াল শামীমকে কল করে পাওয়া যায়নি।

বহিষ্কার আদেশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ধানমন্ডিতে যাওয়ার আগে বহিষ্কার আদেশের প্রতিবাদে ইডেন কলেজ ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলন করেন ছাত্রলীগ নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে বহিষ্কৃত সহসভাপতি সুস্মিতা বাড়ৈ বিভিন্ন অভিযোগ থাকার পরও ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানাকে কেন বহিষ্কার করা হচ্ছে না, সে প্রশ্ন তোলেন।

ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতদের ‘আমরণ অনশন’ টিকল ১ ঘণ্টা

দুই পক্ষের হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় রোববার রাতে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত করা হয়। একই সঙ্গে সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয় ১৬ জনকে।

পরের দিন সংবাদ সম্মেলনে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কৃত সুস্মিতা বাড়ৈ বলেন, “গতকাল (রোববার) রাতের আঁধারে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে, এটির প্রতিবাদেই আজকে আমাদের এই সংবাদ সম্মেলন। আমাদের সংবাদ সম্মেলনের শিরোনাম, ‘বিনা তদন্তে বহিষ্কার, নেপথ্যে কারা?’”

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে বহিষ্কারে আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়। আজকে আমাদের কোন অন্যায়ের কারণে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে?

‘আমাদের অপরাধ আমরা আমাদের নির্যাতিত সহযোদ্ধার পাশে দাঁড়িয়েছি। সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে এত বিস্তর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাদের কেন বহিষ্কার করা হলো না?’

ছাত্রলীগের করা দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি থেকে একজন সদস্য পদত্যাগ করার পরও কিসের ভিত্তিতে এ বহিষ্কার করা হলো, সে প্রশ্ন করেন সুস্মিতা।

কলেজ ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখি বলেন, ‘তদন্ত কমিটিতে থাকা বেনজির হোসেন নিশি তারই সহযোদ্ধা রোকেয়া হল ছাত্রলীগের সাবেক এজিএস ফাল্গুনী দাস তন্বীকে মারধরের ঘটনায় হওয়া মামলার আসামি। সেই মামলা এখনও চলমান। অথচ তাকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়নি। আর তাকেই পাঠানো হয়েছে আমাদের ঘটনার তদন্ত করতে!’

তিনি আরও বলেন, ‘আপনাদের ভাষ্য মতে, ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারি হয়েছে, কিন্তু কোন কারণে শুধু একটি গ্রুপকে গণহারে বহিষ্কার করা হয়েছে, সে ব্যাপারে সুষ্ঠু জবাব দিতে হবে।’

বহিষ্কারের ক্ষেত্রে নিয়ম মানা হয়নি অভিযোগ করে বৈশাখি বলেন, ‘বিভিন্ন ইউনিটে কোনো সমস্যা হলে সেই সমস্যা সমাধানের জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়। অথচ আমাদের ক্ষেত্রে সেটি করা হয়নি।

‘তাহলে কি তারা এই অন্যায়ের ক্ষেত্রে সহমত পোষণ করছে? কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কাছ থেকে আমরা এর জবাব চাই।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের এই বহিষ্কারাদেশ অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। আমাদের একমাত্র অভিভাবক দেশরত্ন শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

‘যদি এই ভিত্তিহীন বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার না করা হয়, তাহলে আমরা এর সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরণ অনশন করব।’

বৈশাখি বলেন, ‘আমাদের সংবাদ সম্মেলনে আমরা ২৫ জন ছিলাম। তাহলে কেন আমাদের শুধু ১২ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে? বাকিদের কেন করা হয়নি? এ থেকে বোঝা যায় আমরা প্রতিহিংসার শিকার।’

কলেজ ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত আরেক সহসভাপতি সোনালি আক্তার বলেন, ‘গতকাল যে ১৬ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে পদধারী ১২ জন বাদে যে চারজন কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে, এই নামে ইডেন কলেজে কোনো কর্মীই নেই। এটা কীভাবে আসল আমাদের বুঝে আসে না।’

সংবাদ সম্মেলনের পর আমরণ অনশনের জন্য ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের উদ্দেশে রওনা হন ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতরা।

ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতদের ‘আমরণ অনশন’ টিকল ১ ঘণ্টা

এর আগে আমরণ অনশনে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন কলেজ ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সহসভাপতি সোনালি আক্তার।

তিনি বলেছিলেন, সোমবার দুপুর থেকে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে অনশন শুরু হবে।

কমিটি স্থগিত

রোববার মধ্যরাতে ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ১৬ জনকে বহিষ্কারের কথা জানানো হয়।

স্থায়ী বহিষ্কার হওয়াদের মধ্যে ১০ জন বর্তমান কমিটির সহসভাপতি, একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক আর চারজন কর্মী।

তারা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যমে বিভিন্ন অভিযোগ করে কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যকলাপে জড়িত থাকার অপরাধে ১৬ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আর এটির প্রাথমিক প্রমাণও পাওয়া গেছে।

স্থায়ী বহিষ্কার হওয়া ছাত্রীরা হলেন ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি সোনালি আক্তার, সুস্মিতা বাড়ৈ, জেবুন্নাহার শিলা, কল্পনা বেগম, জান্নাতুল ফেরদৌস, আফরোজা রশ্মি, মারজানা ঊর্মি, সানজিদা পারভীন চৌধুরী, এস এম মিলি ও সাদিয়া জাহান সাথী। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা খানম বিন্তি, সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখি এবং কর্মী রাফিয়া নীলা, নোশিন শার্মিলী, জান্নাতুল লিমা ও সূচনা আক্তার।

মারধরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও সংঘর্ষ

শনিবার রাতে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের এক সহসভাপতিকে মারধর করেন কলেজ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা। এর প্রতিবাদে রাতেই বিক্ষোভ করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

রোববার সকালে সংবাদ সম্মেলন করে ওই ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার দাবি জানান ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের ৪৩ সদস্যের কমিটির ২৫ জন। সন্ধ্যায় পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ। অন্যরা এর প্রতিবাদ জানালে আবারও সংঘর্ষ হয় দুই পক্ষের।

আরও পড়ুন:
‘ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদক কেন বহিষ্কার হলেন না?’
আমৃত্যু খাবার মুখে না তোলার প্রতিজ্ঞা ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতদের
সংবাদ সম্মেলনে ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতরা
ইডেন ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত, বহিষ্কার ১৬
ইডেনের সংঘর্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে আ. লীগ

মন্তব্য

p
উপরে