× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Writ writ petition seeking investigation into Yunus payment of Tk 12 crore to lawyer
hear-news
player
print-icon

আইনজীবীকে ইউনূসের প্রতিষ্ঠানের ‘১২ কোটি টাকা দেয়ার’ ঘটনা তদন্ত চেয়ে রিট

আইনজীবীকে-ইউনূসের-প্রতিষ্ঠানের-১২-কোটি-টাকা-দেয়ার-ঘটনা-তদন্ত-চেয়ে-রিট
গ্রামীণ টেলিকমের চাকরিচ্যুতদের আইনজীবী ইউসুফ আলী। ছবি: নিউজবাংলা
বিবাদীদের আইনজীবীর সঙ্গে গ্রামীণ টেলিকমের ১২ কোটি টাকায় সমঝোতার বিষয়টি সামনে আসার পর বিস্ময় প্রকাশ করেছে হাইকোর্ট। আদালত বলেছে, ‘আমরা শুনেছি শ্রমিকদের আইনজীবীকে অর্থের বিনিময়ে হাত করে তাদের মামলায় আপস করতে বাধ্য করা হয়েছে। কোর্টকে ব্যবহার করে অনিয়ম যেন না হয়ে থাকে। যদি সবকিছু আইন অনুযায়ী না হয়, তবে বিষয়টি সিরিয়াসলি দেখা হবে।’

নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ টেলিকমের চাকরিচ্যুতদের আইনজীবীকে ১২ কোটি টাকা ঘুষ দিয়ে সমঝোতার তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে নতুন একটি রিট করা হয়েছে।

রিটে এই পরিমাণ টাকা ফি নেয়া হয়েছে কি না বা হয়ে থাকলে তার আইনি বৈধতা কী, তা তদন্তের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

বুধবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম আশরাফ এ রিটটি করেন। এতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও সচিব এবং আইনজীবী ইউসুফ আলীকে বিবাদী করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি খিজির হায়াত ও বিচারপতি আক্তারুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হবে বলেও জানান এ আইনজীবী।

তিনি বলেন, ‘একজন আইনজীবী তার ক্লায়েন্টের কাছ থেকে কী পরিমাণ ফি নেবেন, তার সঙ্গে কী আচরণ করবেন তা বার কাউন্সিল রুলসে বলা আছে। এ কারণে বিষয়টি তদন্ত চেয়ে রিটটি করেছি।’

বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর গ্রামীণ টেলিকমের চাকরিচ্যুতদের আইনজীবী ইউসুফ আলী জানান, তার সব ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে।

গ্রামীণ টেলিকমের সঙ্গে সমঝোতার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘গ্রামীণ টেলিকম থেকে ১২ কোটি টাকা নিয়ে শ্রমিক-কর্মচারীদের বঞ্চিত করে মামলা প্রত্যাহারসংক্রান্ত যে তথ্য প্রচার করা হয়েছে তা ভিত্তিহীন, বানোয়াট, অসত্য।’

তিনি বলেন, ‘আমরা তথাকথিত সামাজিক ব্যবসার ধ্বজাধারী সুদখোর ইউনূসকে চুবানি দিয়েই সুদে-আসলে গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক বন্ধুদের প্রাপ্য ন্যায্য পাওনা আদায় করে দিয়েছি।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি কত পেয়েছি সেটা বলতে চাই না। এটা ক্লায়েন্টের সঙ্গে আমার গোপনীয় চুক্তি। আমার মক্কেল যেটা দিয়েছেন সেটাই আমি পেয়েছি।

‘আমাকে নিয়ে ১২ কোটি টাকার যে গল্প বানানো হয়েছে তা সম্পূর্ণ আষাঢ়ে গল্প ছাড়া আর কিছু না।’

গ্রামীণ টেলিকমের চাকরিচ্যুতদের পক্ষের এই আইনজীবী বলেন, ‘লিখিত চুক্তির শর্ত মোতাবেক গ্রামীণ টেলিকম সেটেলমেন্ট অ্যাকাউন্টে ৪৩৭ কোটি টাকা প্রদান করার পর প্রত্যেক শ্রমিক-কর্মচারী বিজ্ঞ তৃতীয় শ্রম আদালত, ঢাকাতে উপস্থিত হয়ে বিজ্ঞ আদালতে জবানবন্দি প্রদান করে তাদের স্ব স্ব মামলা প্রত্যাহার করে নেন।

‘একইভাবে তাদের অনুরোধে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে বিচারাধীন সকল রিট মামলা, আদালত অবমাননার মামলা এবং গ্রামীণ টেলিকম অবসায়নের প্রার্থনায় আনীত আলোচিত কোম্পানি ম্যাটার নং ২৭১/২০২১ প্রত্যাহার করি।

‘মামলাগুলো প্রত্যাহার করার পর, গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীরা সন্তুষ্ট হয়ে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রেখে আমাদের ফি বাবদ ইউনিয়নের অ্যাকাউন্ট থেকে অ্যাকাউন্ট পেয়ি চেকের মাধ্যমে আমাদের ফি দিয়েছেন।’

এর আগে বিবাদীদের আইনজীবীর সঙ্গে গ্রামীণ টেলিকমের ১২ কোটি টাকায় সমঝোতার বিষয়টি সামনে আসার পর বিস্ময় প্রকাশ করে বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

আদালত বলেছে, ‘আমরা শুনেছি শ্রমিকদের আইনজীবীকে অর্থের বিনিময়ে হাত করে তাদেরকে মামলায় আপস করতে বাধ্য করা হয়েছে।’

হাইকোর্ট বলে, ‘কোর্টকে ব্যবহার করে অনিয়ম যেন না হয়ে থাকে। যদি সবকিছু আইন অনুযায়ী না হয়, তবে বিষয়টি সিরিয়াসলি দেখা হবে। আমি চাই না কোর্ট এবং আইনজীবীর সততা নিয়ে যেন কোনো প্রশ্ন না ওঠে।’

সেদিন আদালতে গ্রামীণ টেলিকমের পক্ষে শুনানি করেন মোস্তাফিজুর রহমান খান। শ্রমিকদের পক্ষে শুনানি করেন ইউসুফ আলী।

গত ৭ ফেব্রুয়ারি নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ টেলিকমের অবসায়ন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হয় গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের পক্ষে।

আবেদনে বলা হয়, গ্রামীণ টেলিকমের কাছে শ্রমিকদের পাওনা আড়াই শ কোটি টাকার বেশি।

দীর্ঘদিন ধরে গ্রামীণ টেলিকমে শ্রমিক ছাঁটাইকে কেন্দ্র করে শ্রমিক অসন্তোষ চলে আসছিল। শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন (বি-২১৯৪) সিবিএর সঙ্গে আলোচনা না করেই এক নোটিশে ৯৯ কর্মীকে ছাঁটাই করে গ্রামীণ টেলিকম কর্তৃপক্ষ।

প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশরাফুল হাসান স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এ ছাঁটাইয়ের পর নোটিশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেন ২৮ জন কর্মী। এই ছাঁটাইকে কেন্দ্র করে ড. ইউনূসকেও তলব করে হাইকোর্ট। পরে ২০২১ সালের ৪ এপ্রিল শ্রমিকদের পুনর্বহালের নির্দেশ দেয়া হয়।

গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করে ঢাকার কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তর। ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে মামলাটি চলছে।

আরও পড়ুন:
আমন্ত্রণপত্র পাননি খালেদা, গ্রহণ ইউনূসের
ইউনূসের অনুদানে বিস্মিত প্রধানমন্ত্রী
ইউনূসের তদবিরে আটকে যায় পদ্মা সেতুর অর্থায়ন: প্রধানমন্ত্রী
ড. ইউনূসের নামে শ্রম মামলা স্থগিত
কর্মীদের মামলা: ৪০০ কোটিতে রফা গ্রামীণ টেলিকমের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Testimony of 3 people in Salim Pradhans case

সেলিম প্রধানের মামলায় ৩ জনের সাক্ষ্য

সেলিম প্রধানের মামলায় ৩ জনের সাক্ষ্য ক্যাসিনো ব্যবসায়ী সেলিম প্রধান। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালতে বুধবার সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ডিএমডি মুহাম্মদ ফোরকানুল্লাহ, সিটি ব্যাংকের সিনিয়র ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ খান ও রেবেকা সুলতানা সাক্ষ্য দেন।

ক্যাসিনো ব্যবসায়ী সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা অবৈধ সম্পদ ও মানিলন্ডারিং মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন তিন ব্যাংক কর্মকর্তা।

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামানের আদালতে বুধবার সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের ডিএমডি মুহাম্মদ ফোরকানুল্লাহ, সিটি ব্যাংকের সিনিয়র ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ খান ও রেবেকা সুলতানা সাক্ষ্য দেন।

তাদের সাক্ষ্য শেষে আগামী ৩১ আগস্ট নতুন তারিখ দিয়েছে আদালত।

এ নিয়ে মামলাটিতে ৩৯ জনের মধ্যে ১৮ জনের সাক্ষ্য নিল আদালত।

বুধবার আদালতে সেলিম প্রধানের সঙ্গে তার রুশ স্ত্রী আনা প্রধান দেখা করেন।

সেলিম প্রধানের পক্ষে তার আইনজীবী শাহিনুর ইসলাম জামিন আবেদন করলে ৩১ আগস্ট জামিন শুনানির তারিখ দেন বিচারক।

৫৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর দুদকের উপপরিচালক গুলশান আনোয়ার বাদী হয়ে সেলিমকে আসামি করে মামলাটি করেন।

মামলায় তার বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে ১২ কোটি ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৭৫৪ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করা হয়েছিল।

২০২১ সালের ১৭ জানুয়ারি মামলাটির তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। এতে ৫৭ কোটি ৭৯ লাখ ২৮৮ টাকার জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ২১ কোটি ৯৯ লাখ ৫১ হাজার ১৪৫ হাজার টাকা থাইল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রে পাচারের অভিযোগ আনা হয়।

এর আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে সেলিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, দুর্নীতি ও ক্যাসিনোর মাধ্যমে সেলিম ৫৭ কোটি ৪১ লাখ ৪৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন। এর মধ্যে স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ৩৫ কোটি ৪১ লাখ ৯৭ হাজার টাকার। অর্জিত ২১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা পাচার করেছেন থাইল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রে।

সেলিম জাপান-বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং পেপার্সের চেয়ারম্যান। এই কোম্পানিতে তার ৪০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। ৬৯ হাজার শেয়ারের বিপরীতে এখানে বিনিয়োগ দেখানো হয়েছে ৬৯ লাখ টাকা।

তবে সেলিমের নামে শেয়ার মানি ডিপোজিট পাওয়া গেছে ২৩ কোটি ৫৫ লাখ ৮৪ হাজার ৬৫০ টাকা। এ টাকা তিনি অবৈধভাবে অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ। প্রিন্টিং পেপার্স কোম্পানি ২০১০ সালে মুনাফা করে ২৯ লাখ ৩৩ হাজার ৮৫৩ টাকা।

প্রতিষ্ঠানটি ২০১১ সালে মুনাফা করে এক কোটি ৪৬ লাখ ২১ হাজার ৭২ টাকা। এখান থেকে ২০১১-১২ অর্থবছরে আট কোটি টাকা ঋণ নেন বলে সেলিম তার ব্যক্তিগত আয়কর নথিতে উল্লেখ করেছেন।

তবে এই কোম্পানি থেকে কীভাবে ঋণ গ্রহণ করেছেন, তিনি এ-সংক্রান্ত কোনো বৈধ কাগজ দেখাতে পারেননি।

আরও পড়ুন:
ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম খানকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ
সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ পেছাল
সম্রাটের জামিন বাতিল, থাকতে হচ্ছে কারাগারেই
৪০ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ, ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা
ফরিদপুর চেম্বার নেতা সিদ্দিককে দুদকে তলব

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Why not Rs 5 crore compensation in Girder accident High Court

গার্ডার দুর্ঘটনায় ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ কেন নয়: হাইকোর্ট

গার্ডার দুর্ঘটনায় ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ কেন নয়: হাইকোর্ট এই দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে পাঁচজনের। ফাইল ছবি
গত সোমবার বিকেলে উত্তরার জসিম উদ্দীন মোড়ে বিআরটি প্রকল্পের একটি বক্স গার্ডার ক্রেনে করে গাড়িতে তোলার সময় সেটি পিছলে পড়ে যায় চলন্ত একটি প্রাইভেট কারে। এই ঘটনায় পাঁচ জনের প্রাণহানি হয় ঘটনাস্থলেই। গাড়িতে থাকা নব দম্পতি বেঁচে যান কেবল। এই দুর্ঘটনায় নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের অবহেলার বিষয়টি প্রকাশ পায়। এত ভারী একটি বস্তু সমানোর সময় সেখানে নিরাপত্তমূলক যেসব পদক্ষেপ নিতে হতো, তার কিছুই করা হয়নি। সেখানে কোনো নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়নি, যেটি করলে এই প্রাণহানি এড়ানো যেত।

রাজধানীর উত্তরায় নির্মাণাধীন বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট বা বিআরটি প্রকল্পে ফ্লাইওভারের বক্স গার্ডার চাপায় নিহত পাঁচজনের পরিবারকে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়েছে হাইকোর্ট।

জনগণের নিরাপত্তায় বিগত ৫ বছর ধরে বিআরটি কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে তাও ৬০ দিনে মধ্যে আদালতকে জানাতে বলা হয়েছে।
বুধবার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন এবিএম শাহজাহান আকন্দ মাসুম।

আদেশের পরে তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের রিটের শুনানি নিয়ে আদালত রুল ও ডাইরেকশন দিয়েছেন।
‘রুলে নিহতদের পরিবারকে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ কেন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে। পাশাপাশি বিআরটি প্রজেক্ট গত পাঁচ বছরে জনগণের নিরাপত্তার জন্য কী কী করেছে তা আগামী ৬০ দিনের মধ্যে জানাতে নির্দেশ দিয়েছে।’

সড়ক ও জনপথ সচিব, বিআরটি এর চেয়ারম্যানসহ ৫জন বিবাদীকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

গত সোমবার বিকেলে উত্তরার জসিম উদ্দীন মোড়ে বিআরটি প্রকল্পের একটি বক্স গার্ডার ক্রেনে করে গাড়িতে তোলার সময় সেটি পিছলে পড়ে যায় চলন্ত একটি প্রাইভেট কারে। এই ঘটনায় পাঁচ জনের প্রাণহানি হয় ঘটনাস্থলেই। গাড়িতে থাকা নব দম্পতি বেঁচে যান কেবল।

এই দুর্ঘটনায় নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের অবহেলার বিষয়টি প্রকাশ পায়। এত ভারী একটি বস্তু সমানোর সময় সেখানে নিরাপত্তমূলক যেসব পদক্ষেপ নিতে হতো, তার কিছুই করা হয়নি। সেখানে কোনো নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হয়নি, যেটি করলে এই প্রাণহানি এড়ানো যেত।

যে গাড়িতে বক্স গার্ডারটি তোলা হচ্ছিল, তার একেবারে পাশ ঘেঁষে স্বাভাবিকভাবেই চলছিল সড়কের অন্যান্য গাড়ি। তাদেরকে সাবধান করার কোনো উদ্যোগও নেয়া হয়নি।

এই ঘটনায় প্রাথমিক তদন্তে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায় খুঁজে পাওয়ার কথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন সচিব। পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত গোটা প্রকল্পের কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এই ঘটনায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জাকারিয়া খান জনস্বার্থে বুধবার সকালে রিট করেন।

আরও পড়ুন:
গার্ডার দুর্ঘটনা: ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট
গার্ডার দুর্ঘটনা: মেহেরপুরে দাফন রুবেলের
গার্ডার দুর্ঘটনা: দাফন হলো ৪ জনের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
High Court wants to know the salary of Wasar Taksim for 13 years

ওয়াসার তাকসিমের ১৩ বছরের বেতনের হিসাব চায় হাইকোর্ট

ওয়াসার তাকসিমের ১৩ বছরের বেতনের হিসাব চায় হাইকোর্ট ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান। ফাইল ছবি
বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ আদেশ দেয়।

ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে তাকসিম এ খান গত ১৩ বছর বেতনসহ কত টাকা নিয়েছেন তার হিসাব চেয়েছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ বুধবার এ আদেশ দেয়।

বিস্তারিত আসছে….

আরও পড়ুন:
পিএইচডিতে জালিয়াতি রোধে নীতিমালা প্রণয়নে কমিটি
সুইস রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি: হাইকোর্ট
সুইস ব্যাংকে অর্থের বিষয়ে ‘তথ্য চেয়েছিল বিএফআইইউ’
হাইকোর্টে ৩০৫২ নতুন আইনজীবী
সুইস ব্যাংকের কাছে কেন তথ্য চায়নি সরকার: হাইকোর্ট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The High Court sought specific information from the critics on the dress issue

পোশাক ইস্যুতে সমালোচনাকারীদের সুনির্দিষ্ট তথ্য চাইল হাইকোর্ট

পোশাক ইস্যুতে সমালোচনাকারীদের সুনির্দিষ্ট তথ্য চাইল হাইকোর্ট নরসিংদী রেলস্টেশনে ‘অশালীন পোশাক’ পরার অভিযোগ তুলে তরুণীকে হেনস্তা করেন কয়েকজন। ছবি: সংগৃহীত
ফেসবুকে সমালোচনার বিষয়টি হাইকোর্টের একই বেঞ্চের নজরে এনেছেন মার্জিয়ার আইনজীবী কামাল হোসেন। আদালতের কাছে কামাল হোসেনের আর্জি ছিল, ‘ফেসবুকে বাজে মন্তব্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার।’

স্লিভলেস টপ পরা এক তরুণীকে নরসিংদী রেলস্টেশনে হেনস্তার অভিযোগে গ্রেপ্তার মার্জিয়া আক্তার শিলাকে জামিন দেয়ার সময় হাইকোর্টের মন্তব্য নিয়ে আলোচনা চলছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

মার্জিয়ার আইনজীবী মো. কামাল হোসেনের বরাতে কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, শুনানির সময় আদালত দেশের কৃষ্টি, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে তরুণীর পোশাক সঙ্গতিপূর্ণ কিনা- সেই প্রশ্ন তুলেছে। ওই তরুণী যে পোশাক পরেছিলেন সেটি দেশের সবচেয়ে ‘ফাস্ট এরিয়া’ গুলশান-বনানীতেও কোনো মেয়ে পরে রাস্তায় বের হন না।

বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চে মঙ্গলবার এ শুনানির পর মার্জিয়া ছয় মাসের জামিন পান।

ঘটনার পরদিন বুধবার বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে সমালোচনার বিষয়টি হাইকোর্টের একই বেঞ্চের নজরে এনেছেন মার্জিয়ার আইনজীবী কামাল হোসেন। আদালতের কাছে কামাল হোসেনের আর্জি ছিল, ‘ফেসবুকে বাজে মন্তব্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার।’

আদালত ফেসবুকে মন্তব্যকারীদের বিষয়ে আরও সুনির্দিষ্ট তথ্য দিয়ে স্ক্রিনশট জমা দিতে বলেছে।

পাশাপাশি হাইকোর্ট বেঞ্চটির জ্যেষ্ঠ বিচারক বলেন, ‘আমরা তো আদেশে পোশাক নিয়ে কিছুই লিখেনি, আমরা ভিডিও দেখে আইনজীবীদের কাছে শুধু জানতে চেয়েছি।

‘ভিডিও দেখে রাষ্ট্রের কাছে জানতে চেয়েছি, এমন ড্রেস পরে এমন গ্রাম এলাকায় যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ কিনা।’

পোশাক ইস্যুতে সমালোচনাকারীদের সুনির্দিষ্ট তথ্য চাইল হাইকোর্ট
মার্জিয়া আক্তার শিলাকে ৩০ মে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. কামাল হোসেনের পাশাপাশি রাষ্ট্রপক্ষের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মাদ আবুল হাশেমও ফেসবুকের একটি স্ক্রিনশট উপস্থাপন করেন। তিনি মন্তব্যকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আবেদন করেন।

আইনজীবী কামাল হোসেন পরে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আদালত শুনানিকালে যেসব প্রশ্ন করেছেন, মন্তব্য করেছেন, সেটি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় আদালত সম্পর্কে বাজে মন্তব্য করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আদালত অবমাননা করা হয়েছে।

‘তাদের বিষয়ে তদন্ত করে পুলিশকে আইনি পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশনা চেয়ে আদালতের নজরে আনি। আদালত আরও সুনির্দিষ্ট করে বিষয়গুলো নিয়ে যেতে বলেছেন।’

আইনজীবী কামাল হোসেন দাবি করছেন, তার মঙ্গলবারের বক্তব্য সঠিক। তরুণী যে পোশাক পরেছিলেন সেটি কোনো সভ্য দেশের পোশাক হতে পারে কিনা- সেই প্রশ্ন আদালত তুলেছে। তবে কামাল হোসাইনের মতে বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকে সমালোচনা করার সুযোগ নেই।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গতকাল আমি আদালতের যে বক্তব্য গণমাধ্যমে বলেছি, তা তো বলেছি। কিন্তু এটি নিয়ে আদালতকে হেয় করে ফেসবুকে মন্তব্য করা ঠিক নয়। আদালতের আদেশ কারও বিরুদ্ধে গেলে তিনি উচ্চ আদালতে যেতে পারেন। তার মানে এই নয় যে, আদালতকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করবেন।’

আরও পড়ুন:
পিএইচডিতে জালিয়াতি রোধে নীতিমালা প্রণয়নে কমিটি
সুইস রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি: হাইকোর্ট
সুইস ব্যাংকে অর্থের বিষয়ে ‘তথ্য চেয়েছিল বিএফআইইউ’
হাইকোর্টে ৩০৫২ নতুন আইনজীবী
সুইস ব্যাংকের কাছে কেন তথ্য চায়নি সরকার: হাইকোর্ট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rifat murder in Mohakhali All accused acquitted of life sentence

মহাখালীতে রিফাত হত্যা: যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত সব আসামি খালাস

মহাখালীতে রিফাত হত্যা: যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত সব আসামি খালাস সুপ্রিম কোর্ট ভবনের একাংশ। ফাইল ছবি
১৯৯৭ সালের ১৭ জানুয়ারি ইফতার করানোর কথা বলে রিফাতকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরের দিন মহাখালীর রিফাত জাহাদ হোটেলের পেছনে রেললাইনে তার মরদেহ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ওই বছরের ১৮ জানুয়ারি রিফাতের ভাই মো. ইসমাইল হোসেন ক্যান্টনমেন্ট থানায় ৮ জনের নামে মামলা করেন।

চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ কে আজাদের ছোট ভাই নুরুল ইসলাম রিফাত হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সব আসামিকে খালাস দিয়েছে আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীসহ পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ বুধবার এ রায় দেয়।

আদালতে আসামিদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী ও এসএম শাহজাহান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মুহাম্মদ মোর্শেদ।

খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন সাজাপ্রাপ্ত শামছু হাবিব বিদ্যুৎ, রুমান কার্জন, মানিক ও রাসেল কবীর।

এর আগে ২০১৪ সালে এ মামলায় একবার রায় দিয়েছিল আপিল বিভাগ। সে সময় আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে তিন বেঞ্চ এ রায় দিয়েছিল, তবে আসামিরা রিভিউ আবেদন করলে মামলাটি ফের আপিল শুনানির জন্য পাঠায় আপিল বিভাগ।

১৯৯৭ সালের ১৭ জানুয়ারি ইফতার করানোর কথা বলে রিফাতকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরের দিন মহাখালীর রিফাত জাহাদ হোটেলের পেছনে রেললাইনে তার মরদেহ পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় ওই বছরের ১৮ জানুয়ারি রিফাতের ভাই মো. ইসমাইল হোসেন ক্যান্টনমেন্ট থানায় ৮ জনের নামে মামলা করেন। পরের বছরের ৭ জানুয়ারি ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয়া হয়।

২০০৭ সালের ২১ জুন বিচারিক আদালত আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে রায় দেন।

এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের পর ২০১০ সালের ১০ নভেম্বর হাইকোর্ট পাঁচজনের সাজা বহাল রেখে তিনজনকে খালাস দেয়।

হাইকোর্টে সাজাপ্রাপ্তরা আপিল করলে বুধবার আপিল বিভাগ সবাইকে খালাস দিয়ে রায় ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন:
হাইকোর্টে ৩০৫২ নতুন আইনজীবী
সুইস ব্যাংকের কাছে কেন তথ্য চায়নি সরকার: হাইকোর্ট
রাজশাহীর ৯৫২ পুকুর ভরাট-দখলমুক্ত রাখতে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ
চট্টগ্রামে পাহাড়ে ঘর-বাড়ি, স্থাপনা অপসারণের নির্দেশ
সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত সাতজনকে ক্ষতিপূরণ প্রশ্নে রুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Arrested for storing and selling porn videos 4

পর্ন ভিডিও সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৪

পর্ন ভিডিও সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৪
নাটোর র‍্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন জানান, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পর্নো ভিডিও সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়। এরপর রাতেই বড়াইগ্রাম থানায় মামলা করে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

নাটোরের বড়াইগ্রামে পৃথক অভিযানে পর্ন ভিডিও সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। এ সময় জব্দ করা হয় ৪টি কম্পিউটার ও ১০টি হার্ডডিস্ক।

উপজেলার বাগডোব এবং জোনাইল বাজারে মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন, একই উপজেলার পাড় বাগডোব গ্রামের সিডি ব্যবসায়ী আজাদ হোসেন ও বাগডোব গ্রামের আল আমিন ও শামছুল হক এবং চাঁদপুর গ্রামের জসিম উদ্দিন।

নাটোর র‍্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বুধবার সকাল ৯টার দিকে এসব জানান।

তিনি জানান, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পর্নো ভিডিও সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়। এরপর রাতেই বড়াইগ্রাম থানায় মামলা করে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, জব্দকৃত আলামত পর্নোগ্রাফি সংরক্ষণ এবং টাকার বিনিময়ে এলাকার যুবক ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছে অনেকদিন ধরে হস্তান্তর করে আসছে তারা।

তারা মূলত কম্পিউটারের দোকানে গান, সফটওয়ার লোড,মোবাইল মেকানিক্সের ব্যবসার আড়ালে পর্নোগ্রাফী সংরক্ষণ ও বিক্রি করত।

পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ তে বলা হয়েছে, পর্নোগ্রাফি বিক্রয়, ভাড়া, বিতরণ, সরবরাহ, প্রকাশ্যে প্রদর্শন বা যেকোনো প্রকারে প্রচার করিলে অথবা উক্ত সকল বা যেকোনো উদ্দেশ্যে প্রস্তত, উৎপাদন, পরিবহন বা সংরক্ষণ করিলে তা অপরাধ বলে গণ্য হবে। উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ২ (দুই) বৎসর সশ্রম কারাদন্ড এবং ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ডে দন্ডিত হইবেন।

আরও পড়ুন:
‘পর্নোগ্রাফি ভিডিও সরবরাহ’, ৬ যুবক গ্রেপ্তার
ইলন মাস্কের রকেটে পর্নোগ্রাফি হবে মহাকাশে
আপত্তিকর ছবি ভাইরাল করায় চকরিয়ায় যুবক গ্রেপ্তার
৪ পর্নোগ্রাফি ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার
পর্নো ভিডিও সংরক্ষণ ও বিক্রির দায়ে গ্রেপ্তার ৫

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The hearing of the ruling on the cancellation of Dr Yunuss case is going on

ড. ইউনূসের মামলা বাতিল প্রশ্নে রুলের শুনানি চলছে

ড. ইউনূসের মামলা বাতিল প্রশ্নে রুলের শুনানি চলছে শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ টেলিকমের লোগো। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে ড. ইউনূসসহ চারজনের নামে মামলা করেন। এ মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন ড. ইউনূস।

শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে শান্তিতে নোবেলজয়ী ও গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নামে করা মামলা বাতিলে জারি করা রুলের শুনানি চলছে।

বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামান ও বিচারপতি ফাহমিদা কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চে বুধবার এ শুনানি শুরু হয়।

ইউনূসের পক্ষে শুনানি করছেন আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন।

গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক আরিফুজ্জামান বাদী হয়ে ড. ইউনূসসহ চারজনের নামে ওই মামলা করেন।

ড. ইউনূস ছাড়াও গ্রামীণ টেলিকমের এমডি আশরাফুল হাসান, পরিচালক নুরজাহান বেগম ও মো. শাহজাহানকে মামলায় বিবাদী করা হয়েছে।

মামলায় শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনে নির্দিষ্ট লভ্যাংশ জমা না দেয়া, শ্রমিকদের চাকরি স্থায়ী না করা, গণছুটি নগদায়ন না করায় শ্রম আইনের ৪ এর ৭, ৮, ১১৭ ও ২৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

এ মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন ড. ইউনূস।

আরও পড়ুন:
আইনজীবীকে ইউনূসের প্রতিষ্ঠানের ‘১২ কোটি টাকা দেয়ার’ ঘটনা তদন্ত চেয়ে রিট
চাকরিচ্যুতদের আইনজীবীর সঙ্গে ইউনূসের প্রতিষ্ঠানের ‘সমঝোতা’, অ্যাকাউন্ট জব্দ
ইউনূস সেন্টারের বিবৃতি বিভ্রান্তিমূলক: সেলিম মাহমুদ
চাকরিচ্যুতদের ‘ঠকাতে’ ইউনূসের প্রতিষ্ঠানের অনিয়মে হাইকোর্টের বিস্ময়
পদ্মা সেতু নিয়ে ইউনূস সেন্টারের ব্যাখ্যা সত্যের অপলাপ: তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

p
উপরে