× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Extreme load shedding is horrible Fakhrul
hear-news
player
print-icon

প্রচণ্ড লোডশেডিং হচ্ছে, এটা ভয়াবহ: ফখরুল

প্রচণ্ড-লোডশেডিং-হচ্ছে-এটা-ভয়াবহ-ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত
২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি শাসনামলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি ছিল নাজুক। ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি ও তার জোটের বড় পরাজয়ের পেছনে যেসব কারণ কাজ করেছে, তার মধ্যে অন্যতম ছিল বিদ্যুৎ খাত নিয়ে ব্যর্থতা। এই পাঁচ বছরে বিএনপি সরকার একটিও নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র করতে পারেনি, উল্টো এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন কার্যাদেশ বাতিল করেছে। বিদ্যুতের দাবিতে এখানে সেখানে বিক্ষোভ সামাল দিতে গিয়ে হিমশিম খেয়েছে সেই সরকার। এমনকি বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলিও হয়েছে।

বিদ্যুৎ পরিস্থিতির হঠাৎ করে অবনতিকে ভয়াবহ বলে ‍উল্লেখ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বলেছেন, বিদ্যুতের উন্নয়নের কথা যে বাকসর্বস্ব, সেটি প্রমাণ হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে গুলশান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ফখরুল এই মন্তব্য করেন।

গত ২৫ জুন করোনায় আক্রান্ত হয়ে টানা আট দিন উত্তরার বাসায় আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নেন তিনি। করোনামুক্ত হওয়ার পর এই প্রথম তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে আসেন। আগের দিন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্তসমূহ তুলে ধরেন তিনি।

ফখরুল বলেন, ‘প্রচণ্ড লোডশেডিং হচ্ছে- এটা ভয়াবহ। সরকারের শতভাগ বিদ্যুতের যে কথা, আজকের এই অবস্থা (লোডশেডিং) প্রমাণ করে যে আমরা যে কথাগুলো বলে আসছি- সেগুলো বাকসর্বস্ব কথা। এগুলো (কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট) করার আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে দুর্নীতি করা, এসব করে নিজেদের পকেট ভারী করা, বিদেশে গিয়ে বাড়িঘর তৈরি করা।’

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি শাসনামলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি ছিল নাজুক। ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি ও তার জোটের বড় পরাজয়ের পেছনে যেসব কারণ কাজ করেছে, তার মধ্যে অন্যতম ছিল বিদ্যুৎ খাত নিয়ে ব্যর্থতা।

এই পাঁচ বছরে বিএনপি সরকার একটিও নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র করতে পারেনি, উল্টো এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন কার্যাদেশ বাতিল করেছে। বিদ্যুতের দাবিতে এখানে সেখানে বিক্ষোভ সামাল দিতে গিয়ে হিমশিম খেয়েছে সেই সরকার। এমনকি বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলিও হয়েছে।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে স্বল্পমেয়াদি, দীর্ঘমেয়াদি নানা পদক্ষেপ নেয়। বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা এই সময়ে কয়েক গুণ বেড়েছে এবং এটাকে সরকার সাফল্য হিসেবে প্রচার করে আসছে।

তবে হঠাৎ করেই বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতির কারণে লোডশেডিং বেড়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ গত কয়েক বছরে লোডশেডিং শব্দটা ব্যবহার করত না। তারাই এখন লোডশেডিংয়ের জন্য দুঃখ প্রকাশ করছে। দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি আর না কেনার কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। এ জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হবে জানিয়ে তিনি দুঃখও প্রকাশ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদ্যুৎ পরিস্থিতির এই কারণ ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ আমরা সবার ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলাম এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সবাই পাচ্ছিল। কিন্তু এখন আন্তর্জাতিক বাজারে বিদ্যুৎ উৎপাদনের যে উপকরণগুলো সেগুলোর দাম অত্যধিক বৃদ্ধি পেয়ে গেছে। যেমন ডিজেলের দাম বেড়েছে, তেলের দাম বেড়েছে, এলএনজির দামসহ সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে। কয়লা এখন প্রায় পাওয়াই যায় না।’

ফখরুল অবশ্য মনে করেন বিদ্যুৎ খাতে উন্নয়ন হয়নি। পুরো খাতটিই ভঙ্গুর। তিনি বলেন, ‘এখন এটা প্রমাণিত হচ্ছে যে আমরা যেটা বলে আসছিলাম আল্টিমেটলি দেখা যাবে যে সবই একেবারে ভঙ্গুর অবস্থা। সেই ভঙ্গুর অবস্থার দিকেই আমরা চলে যাচ্ছি।

পদ্মা সেতুতে কাজ হবে না

বর্তমানে দেশে গণতন্ত্র ‘অবরুদ্ধ’ দাবি করে বিএনপি নেতা বলেন, এই পরিস্থিতি রেখে হাজারটা পদ্মা সেতু করলেও বর্তমান সরকার জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারবে না।

‘দেশের জনগণ আমাদের পাশে থেকে বারবার ভোট দিচ্ছে। আমাদের ওপর জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস আছে- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন বক্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচন দিয়ে দেখুক না উনাদের প্রতি কতটুকু আস্থা আছে?

‘হাজারটা পদ্মা সেতু করেও কোনো লাভ হয় না। আইয়ুব খান যে উন্নয়ন করেছিল পাকিস্তান আমলে… কিন্তু জনগণের রাজনৈতিক মুক্তি যদি না হয়, জনগণ যদি গণতন্ত্রকে না পায়, গণতন্ত্র যদি না থাকে, তার অধিকার যদি না থাকে, তার ভোটাধিকার না থাকে সেখানে কিন্তু কোনো লাভ হয় না।’

মানুষ ভোট দিচ্ছে কোথায়- এমন প্রশ্ন রেখে বিএনপি নেতা বলেন, ‘জনগণের আস্থাটা গ্রহণ করছেন তিনি কীভাবে? তিনি তো কাগজে-কলমে সিল মেরে আগের রাত্রে ভোট দিচ্ছেন, ইউনিয়ন পরিষদের ভোটের মতো আরকি।’

রিজার্ভের ৭ বিলিয়ন ডলার সরকারসংশ্লিষ্টদের পকেটে

বাংলাদেশের বিজার্ভ থেকে সরকারঘনিষ্ঠদের ঋণ দেয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন ফখরুল। তিনি বলেন, ‘বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে সরকারের শীর্ষ মহলের ঘনিষ্ঠ প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সাড়ে ৭ মিলিয়ন ডলারের ঋণ প্রদানের ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন ৩৪ দশমিক শূন্য ২ বিলিয়ন ডলার।

‘ওই ধরনের প্রায় সবটাই (ফোর্সড লোন অধিকাংশই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের) পর্যবসিত হয়েছে। আইএমএফ এই ধরনের ঋণের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ অন্তর্ভুক্ত না করতে বলেছে। এই সাড়ে ৭ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রার অবয়বে আর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই বলললেই চলে।’

তিনি বলেন, ‘সরকার অর্থনীতির সকল নিয়মকানুন ভঙ্গ করে, রিজার্ভের সকল বিধি ভঙ্গ করে শুধুমাত্র নিজেদের ঘনিষ্ঠ এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের লাভবান করার জন্য রাষ্ট্রের এই ভয়াবহ ক্ষতি করে চলেছে। ইডিএফ্ ঋণের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা পাচার করে বিদেশের বিভিন্ন স্থানে বাড়ি, ব্যবসা, স্থাপনা তৈরি করে দেশের অর্থনীতির ভয়াবহ ক্ষতিসাধন করছে। এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব সামাজিক, অর্থনীতি ও সমগ্র অর্থনীতিকে দেউলিয়া করে ফেলবে বলে অর্থনীতিবিদরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির গতকালের সভায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।'

নতুন করে জনশুমারির দাবি

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশজুড়ে জনশুমারি ও গৃহগণনার কাজ সঠিকভাবে হয়নি বলে পরিকল্পনামন্ত্রীর স্বীকারোক্তি থেকে বোঝা যায় কী অবস্থা। প্রকৃতপক্ষে জনশুমারি সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। এই সরকারের আমলে সব ধরনের সমীক্ষা জরিপ এবং তথ্য সংগ্রহের কাজ সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী হওয়ার প্রকৃত তথ্য কখনই পাওয়া সম্ভব হয়নি।

‘জনগণকে এবং বিশ্বজনমতকে বিভ্রান্ত করার জন্য, দেশের উন্নয়ন সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা সৃষ্টি করার জন্যই সরকার এই ধরনের নীতিবিবর্জিত কার্য্কলাপ করে চলেছে। ফলে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বাংলাদেশের সকল তথ্যের ওপর আস্থা রাখতে পারছে না। বিএনপি সঠিক পদ্ধতিতে প্রকৃত জনশুমারি ও গৃহগণনার ব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছে।’

নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া ভোটে যাবে না বিএনপি

এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচনের বিষয়ে আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, এটা নির্ভর করবে নির্বাচনকালীন সরকার নিরপেক্ষ হবে কি না তার ওপর। যদি নির্বাচনকালীন সরকার নিরপেক্ষ হয় তাহলে আমাদের অংশগ্রহণ অবশ্যই দৃশ্যমান হবে। আর যদি না হয় হবে না।

‘আমরা খুব স্পষ্ট করে বলেছি বাংলাদেশে যদি একটা সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন করতে হয় এখানে অবশ্যই একটা নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকার থাকতে হবে। তা না হলে এখানে কোনোমতেই আপনার যদি একেবারে স্বর্গ থেকে নির্বাচন কমিশনার নিয়ে আসেন তাহলেও সেটাকে সুষ্ঠু করতে পারবেন না- ইমপসিবল।'

দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সরকার ব্যর্থ

সিলেট অঞ্চলে বন্যার্তদের পাশে সরকার দাঁড়ায়নি বলেও অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা। তিনি বলেন, ‘বন্যাকবলিত এলাকায় দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়াতে ব্যর্থ হয়েছে। বানভাসি মানুষের মাঝে পর্যাপ্ত ত্রাণ পৌঁছাতে পারেনি। বিশেষ করে বন্যাপরবর্তী পুনর্বাসনে সরকারের কর্মকাণ্ড দৃশ্যমান নয়।

‘অবিলম্বে দুর্গত মানুষের মাঝে খাদ্য, বস্ত্র, গৃহনির্মাণ ও চিকিৎসার ব্যবস্থার জোর দাবি জানানো হয় স্থায়ী কমিটির সভায়।'

সম্প্রতি সাভারে স্কুলশিক্ষক হত্যা, নড়াইলে অধ্যক্ষকে অপমানসহ সারা দেশে সামাজিক নৈরাজ্যের চিত্রে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন ফখরুল। জানান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সভায় এই বিষয়টি আলোচনা হয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটি মনে করে, ‘এই অনির্বাচিত সরকারের কোনো দায়বদ্ধতা না থাকায় সমাজের সকল পর্যায়ে নীতিনৈতিকতার চরম অবক্ষয় দেখা দিয়েছে।’

ফখরুল বলেন, ‘নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত পার্লামেন্ট এবং সরকার গঠনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সমাজ সৃষ্টি করলেই সমাজে সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরে আসতে পারে বলে আমরা বিশ্বাস করি।'

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বন্যার্তরা সরকারি ত্রাণ পাচ্ছে না: বিএনপি
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু
‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ চেইন পুনঃপরীক্ষা করা উচিত’
ঈদের পর আন্দোলন শুনে কষ্ট হয় তথ্যমন্ত্রীর
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কলেজছাত্রের মৃত্যু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Trinamool Kesht arrested in cow smuggling case

গরু পাচার মামলায় আটক তৃণমূলের কেষ্ট

গরু পাচার মামলায় আটক তৃণমূলের কেষ্ট তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট মন্ডল। ছবি: সংগৃহীত
বৃহস্পতিবার সকালে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট মন্ডলকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুর্গাপুরের সিবিআই ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়।

গরু পাচার মামলায় তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট মন্ডলকে আটক করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই)।

বৃহস্পতিবার সকালে অনুব্রত মণ্ডলের বাড়ি থেকে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুর্গাপুরের সিবিআই ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়।

সকাল ১০টা নাগাদ সিবিআই ১০-১২টি গাড়ির বহর নিয়ে গিয়ে আধা সেনাবাহিনী দিয়ে কেষ্ট মন্ডলের বীরভূমের নিচু পট্টির বাড়ি চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে। একদল তদন্তকারী বাড়ির ভেতরে ঢুকে সবার মোবাইল ফোন জব্দ করে। নিরাপত্তা রক্ষীদেরও বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়। কয়েকজন সিবিআই তদন্তকারী অনুব্রত মণ্ডলকে গরু পাচার মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। আরেক দল বাড়িতে তল্লাশি চালায়।

অনুব্রত মণ্ডলকে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। সূত্রের খবর, আজই অনুব্রত মন্ডলকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে ।

গরু পাচার মামলায় অনুব্রতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ বার নোটিশ পাঠিয়ে তলব করেছে সিবিআই। এর মধ্যে একবারই তদন্তকারীদের মুখোমুখি হয়েছেন এই তৃণমূল নেতা ।

সোমবার কলকাতার সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সের সিবিআই অফিসে হাজিরা দেয়ার জন্য নোটিশ পাঠায়। কেষ্ট মন্ডল প্রতিবারের মতো শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আইনজীবী মারফত চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেন, তিনি উপস্থিত থাকতে পারছেন না ।

এদিন সিবিআইয়ের দপ্তরে তদন্তকারীদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি না হয়ে কেষ্ট মন্ডল সোজা এসএসকেএম হাসপাতালে চলে যান। সেখানে দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বড় কোন সমস্যা নেই বলে ছেড়ে দেয় বিশেষ মেডিকেল বোর্ড।

রাতে কলকাতা থেকে বীরভূমের বাড়িতে ফেরেন কেষ্ট মন্ডল। মঙ্গলবার সকালে আবার সিবিআইয়ের নোটিশ পৌঁছে যায় কেষ্ট মন্ডলে বাড়িতে।

বুধবার কলকাতার নিজাম প্যালেসে হাজিরা দেয়ার নোটিশ পাঠায় সিবিআই। মণ্ডল সেই হাজিরাও এড়িয়ে যেতে স্থানীয় বোলপুর মহাকুমা হাসপাতালে চিকিৎসক চন্দ্রনাথ অধিকারীকে দিয়ে বেড রেস্ট লিখিয়ে সিবিআইয়ের কাছে ১৪ দিনের সময় চেয়ে আইনজীবীর চিঠি পাঠিয়ে দেন। বুধবারের হাজিরাও তিনি এড়িয়ে যান ।

আরও পড়ুন:
আমাদের দুর্নীতিগ্রস্ত বলে দাগ লাগানোর চেষ্টা চলছে: তৃণমূল
জেল হেফাজতে পার্থ-অর্পিতা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Montu Ambia Dialogue Consensus on Anti Government Movement

মন্টু-আম্বিয়া সংলাপ, সরকারবিরোধী আন্দোলনে ঐকমত্য

মন্টু-আম্বিয়া সংলাপ, সরকারবিরোধী আন্দোলনে ঐকমত্য
সংলাপ শেষে দুই দলের নেতারা বলেন, ‘সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার ফিরিয়ে এনে অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে লড়াই অব্যাহত রাখবে গণফোরাম ও বাংলাদেশ জাসদ। অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে এই কর্তৃত্ববাদী সরকারকে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করা হবে।’

তিন মাস আগেও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের শরিক নেতা ছিলেন বাংলাদেশ জাসদ সভাপতি শরিফ নুরুল আম্বিয়া। তবে জোট ছেড়ে দিয়ে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য দাবি তুলেছেন তিনি।

সরকারবিরোধী এই অবস্থান নিয়ে বৃহস্পতিবার ড. কামাল হোসেন প্রতিষ্ঠিত দল গণফোরামের সঙ্গে (মন্টু) সংলাপ করেছে বাংলাদেশ জাসদ।

গণফোরাম সভাপতি মোস্তফা মোহসীন মন্টু ও বাংলাদেশ জাসদ সভাপতি শরিফ নুরুল আম্বিয়ার নেতৃত্বে এই সংলাপ শেষে সরকারকে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবেলার কথা জানিয়েছেন দুই দলের নেতারা।

বৃহস্পতিবার বিকালে আরামবাগে গণফোরাম কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ওই সংলাপে চলমান রাজনৈতিক সংকটে করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।

সংলাপে দুই দলের নেতারা বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকার সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার ফিরিয়ে এনে অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বিনির্মাণে লড়াই অব্যাহত রাখবে গণফোরাম ও বাংলাদেশ জাসদ। দেশের চলমান সংকট উত্তরণে আগামী নির্বাচনে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে এই কর্তৃত্ববাদী সরকারকে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করা হবে।’

মোস্তফা মোহসীন মন্টু বলেন, ‘২০১৮ সালের নির্বাচন ও পূর্ববর্তী দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন প্রমাণ করে যে বাংলাদেশে দলীয় সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না। সুতরাং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন চাই।

‘অবিলম্বে সব রাজনৈতিক দল বসে সংকট সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। এ ব্যাপারে আমরা ঐকমত্যে পৌঁছতে না পারলে দেশে মহা সংকট অনিবার্য। তাহলে জনগণ আমাদের ক্ষমা করবে না এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আমরা দায়ী থাকব। তাই দেশের এই ক্রান্তিকালে সবাইকে একমত হয়ে জনগণের ভোটাধিকার আদায় করে জনতার সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।’

শরিফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, ‘দুঃশাসনের এই সরকার সঠিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারছে না। তারা অপকর্মের দায় এড়াতে জনগণের ওপর দুঃখ-দুর্দশা চাপিয়ে দিচ্ছে।

‘এই সরকার কোনোকিছুই নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে সবকিছুর দাম বাড়ছে। সরকারের উচিত এই মুহূর্তে পদত্যাগ করা। আমাদের লক্ষ্য সব সংকট কাটিয়ে উঠতে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনপ্রতিধিত্বমূলক সরকার প্রতিষ্ঠা করা।’

সংলাপে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করিম সিকদার ও মনজুর আহমেদ মনজু এবং গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরীসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতা।

আরও পড়ুন:
‘সরকার উন্নয়নের কল্পকাহিনি শোনাচ্ছে’
গণফোরামের ইফতারে ফখরুলের সঙ্গে ১৪ দলের শরিক
গণফোরামের একাংশের কাউন্সিলে হামলা, আহত ২০
নতুন জোটের চেষ্টায় বিএনপির তিন ‘বন্ধু’, আছে ১৪ দলের শরিকও
অগ্নিঝরা মার্চে বাজারে আগুন: গণফোরাম

মন্তব্য

বাংলাদেশ
This time the face of the BNP leader will be played

এবার বিএনপি নেতার মুখে ‘খেলা হবে’

এবার বিএনপি নেতার মুখে ‘খেলা হবে’
নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের বক্তব্যের ‘খেলা হবে’ স্লোগানটি সে সময় বেশ জনপ্রিয়তা পায়। দেশের সীমানা পেরিয়ে স্লোগানটি উঠে যায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। এবার তা উচ্চারণ করলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম।

রাজনীতিতে ইতোমধ্যে জনপ্রিয় হওয়া স্লোগান ‘খেলা হবে’ এবার শোনা গেল বিএনপি নেতার মুখে। নয়াপল্টনে বৃহস্পতিবারের সমাবেশে এই স্লোগান দিয়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে হুশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম।

নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের বক্তব্যের ‘খেলা হবে’ স্লোগানটি সে সময় বেশ জনপ্রিয়তা পায়। দেশের সীমানা পেরিয়ে স্লোগানটি উঠে যায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে। গত বিধানসভা নির্বাচনে মমতার মুখে ‘খেলা হবে’ স্লোগানটি বার বার শোনা গেছে।

জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি, বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিং ও পণ্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি ওই সমাবেশের আয়োজন করে। বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন আব্দুস সালাম।

সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানান বিএনপি চেয়ারপারসনের এই উপদেষ্টা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে জরুরি সভায় ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা রাজপথ থেকে ক্ষমতায় এসেছি। বিএনপি যেভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে আমরা মাঠে নেই। অচিরেই রাজপথে দেখতে পাবেন। খেলা হবে, রাজপথে মোকাবেলা হবে।’

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের ওই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম বলেন, ‘এবার খেলা হবে। মুজিব কোট পরে আর কেউ রাস্তায় নামতে পারবে না।’

তিনি বলেন, ‘যুদ্ধে রাজি আছি আমরা। আমরা ভেসে আসিনি। যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। সামনে-পেছনে র‌্যাব-পুলিশ বাদ দিন। হাসিনা গণভবন থেকে বের হয়ে সুধা সদনে যান। আমাদের মতো পাবলিক হয়ে যান। তারপর হবে যুদ্ধ।

‘আওয়ামী লীগের এক নেতা আছেন না? বলেছেন, তিনি পুরনো খেলোয়াড়। আমরাও কিন্তু কম পাকা খেলোয়াড় না। খেলার দেখছেন কী? কড়ায়-গণ্ডায় হিসাব দিয়ে যেতে হবে। আমরা কিছুই ভুলিনি। ধৈর্য্য ধরে আছি।’

আরও পড়ুন:
বিএনপির সমাবেশে মারামারি, নিপুণের ওপর চড়াও
ছাত্রদল নেতা হত্যায় ৪৬ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা
হরতাল-অবরোধ না দেয়ার ইঙ্গিত বিএনপি নেতার
পুলিশ বন্ধু, ভোলার প্রাণহানি দুর্ঘটনা: বিএনপি নেতা
আগাম জামিন পেলেন বিএনপির ৬০ নেতাকর্মী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A Leagues counter program to counter BNP

‘বিএনপি মোকাবিলায়’ পাল্টা কর্মসূচি আ.লীগের

‘বিএনপি মোকাবিলায়’ পাল্টা কর্মসূচি আ.লীগের
ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আমরা রাজপথ থেকে ক্ষমতায় এসেছি। তারা যেভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে তাতে মনে হয় আমরা রাজপথ ভুলে গেছি। আমরাও আছি, অচিরেই রাজপথে দেখতে পাবেন।’

রাজপথে বিএনপির ধারাবাহিক কর্মসূচির মধ্যে এবার পাল্টা কর্মসূচি ঘোষণা করল আওয়ামী লীগ। ১৭ আগস্ট দেশ জুড়ে বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়ে ক্ষমতাসীন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘খেলা হবে, মোকাবিলা হবে।’

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সারা দেশে বোমা হামলার দিনটিতে রাজপথে নামতে যাচ্ছে দলটি।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের এক জরুরি সভায় এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

আওয়ামী লীগের এই কর্মসূচি দৃশ্যত রাজপথে সংগঠনকে সক্রিয় করার পদক্ষেপ। লোডশেডিং, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিসহ নানা ইস্যুতে বিএনপি ও সমমনারা যখন একের পর এক বিক্ষোভ-সমাবেশ করছে, সে সময় নিজেদের সর্বশক্তি দিয়ে রাজপথে নামার তাগিদ দিলেন ওবায়দুল কাদের।

সরকার পতন ও আন্দালনের বিষয়ে সরকারবিরোধী জোটগুলোর হুমকিরও জবাব দেন আওয়মাী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

তিনি বলেন, ‘এভাবে চলতে পারে না। আমরা রাজপথ থেকে ক্ষমতায় এসেছি। তারা যেভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে আমরা রাজপথ ভুলে গেছি। আমরাও আছি, অচিরেই রাজপথে দেখতে পাবেন।

‘শোকের মাসে সেভাবে রাজপথে নামতে পারছি না। তবু আমরা চিন্তা করেছি যে এসব অপপ্রচার, মিথ্যাচার, সাম্প্রদায়িকতা, চক্রান্ত- এসবের মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। আমাদেরও প্রতিবাদ করতে হবে। জনগণকে সচেতন করতে হবে।’

কাদের জানান, ১৭ আগস্ট বিকেল ৪টায় সবাই মিলে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন চত্বরে জমায়েত হবেন তারা। সেখানে সমাবেশের পর তারা মিছিল নিয়ে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যাবেন।

বিকেল ৩টা থেকে মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে যোগ দিতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান এই আওয়ামী লীগ নেতা। বলেন, এ কর্মসূচি সারা দেশের সব জেলা, মহানগর, থানা, উপজেলা, ইউনিয়নেও হবে।

‘আ. লীগ মাঠে নামলে বিএনপির ক্ষমতার স্বপ্ন কর্পূরের মতো উড়ে যাবে’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ করে কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগ পালাবার দল নয়। বার বার শুধু পালানোর কথা বলছেন, স্বপ্ন দেখছেন ময়ূর সিংহাসনের, যা সোনার হরিণ। আওয়ামী লীগ যখন মাঠে নামবে, তখন স্বপ্ন আবারও রঙিন খোয়াবের মতো, কর্পূরের মতো উড়ে যাবে।’

আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, এসএম কামাল হোসেন, আফজাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ দক্ষিণের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফী, উত্তরের সভাপতি শেখ বজলুর রহমানসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
‘ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে গৃহবধূকে আ. লীগ নেতার মারধর’
বিয়ানীবাজারে আ. লীগের প্রার্থী শুকুর, গোলাপগঞ্জে মঞ্জুর
ফরিদপুর জেলা আ.লীগের সভাপতি শামীম, সম্পাদক আরিফ
ফরিদপুর আ.লীগের সম্মেলন মঞ্চ ঘিরে কৌতূহল
আগামী নির্বাচনে আ.লীগের নিরঙ্কুশ জয়: হানিফ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP rallies on fighting skills

বিএনপির সমাবেশে মারামারি, নিপুণের ওপর চড়াও

বিএনপির সমাবেশে মারামারি, নিপুণের ওপর চড়াও
বিএনপির সমাবেশে দুই পক্ষের মারামারির সময় কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি নিপুণ রায় তাদের থামাতে যান। তখন নয়নসহ তার সঙ্গে থাকা নেতা-কর্মীরা তার ওপর চড়াও হন এবং কেরানীগঞ্জের নেতা-কর্মীদের মারধর করেন।

জ্বালানি তেলের দর ও পণ্যমূল্য বৃদ্ধি এবং ভোলায় সংঘর্ষে দুই নেতা-কর্মীর প্রাণহানির প্রতিবাদে রাজধানীতে বিক্ষোভে মারামারি করেছেন বিএনপির দুই পক্ষ। তাদেরকে নিবৃত্ত করতে গেলে মারামারিতে জড়িত দুই পক্ষ চড়াও হয় তার ওপরও।

বৃহস্পতিবার নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ বিএনপি যৌথভাবে আয়োজিত সমাবেশে নেতাকর্মীদের মধ্যে মারামারির এই ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাবেক ছাত্রদলের নেতা মোহাম্মদ নয়নের নেতৃত্বে কয়েকজনের একটি পক্ষ অপর একটি পক্ষের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়ায়। সেখানে উপস্থিত বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী তাদের থামাতে যান। নেতা-কর্মীরা তখন তার ওপরও চড়াও হন।

এ সময় ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব পাভেল মোল্লা, ঢাকা জেলা তাঁতী দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হীরা হোসেন, যুবদল নেতা বাদল হোসেন ও বিএনপির নেতা আল আমিন আহত হন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের নেতা-কর্মীদের পাশে নির্ধারিত স্থানে বিশাল একটি মিছিল নিয়ে অবস্থান নেন ঢাকা মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক গোলাম মাওলা শাহীন ও সদস্য সচিব এনামুল হক এনাম।

কিছুক্ষণ পর ১৫-২০ জন নেতা-কর্মী নিয়ে সেখানে হাজির হন রবিউল ইসলাম নয়ন। তারা কেরানীগঞ্জ দক্ষিণের নেতা-কর্মীদের তুলে দিয়ে বসতে চান। এক পর্যায়ে কেরানীগঞ্জের এক কর্মীর মোবাইল ফোন ভেঙে ফেলেন নয়ন।

তখন কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি নিপুণ রায় তাদেরকে থামাতে যান। তখন নয়নসহ তার সঙ্গে থাকা নেতা-কর্মীরা তার ওপরও চড়াও হন এবং কেরানীগঞ্জের নেতা-কর্মীদের মারধর করেন।

একপর্যায়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের নেতা-কর্মীরা নয়নকে ধরে উত্তম মধ্যম দেয়। পরিস্থিতি খারাপ দেখলে যুবদলের কেন্দ্রীয় এক নেতার হস্তক্ষেপে স্থান ত্যাগ করেন নয়ন।

আরও পড়ুন:
ক্ষমতার মালিক আল্লাহ, উৎস জনগণ: বিএনপিকে কাদের
আমাদের রাস্তায় নামার বিকল্প নেই: এমপি হারুন
বিএনপির দুলুর দুর্নীতির মামলা চলবে কি না, আদেশ রোববার
আ.লীগ, বিএনপির বিকল্প হওয়ার চেষ্টা করছি: মান্না
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরকারের সাফল্য বৈপ্লবিক: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Partners have the right to program oil prices Who

তেলের দর নিয়ে কর্মসূচির অধিকার শরিকদের আছে: কাদের

তেলের দর নিয়ে কর্মসূচির অধিকার শরিকদের আছে: কাদের জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ। ছবি: সংগৃহীত
‘জোটের শরিকদের দলগতভাবে কর্মসূচি দেয়ার অধিকার আছে। তারা করতে চাইলে করবে। এটা তো কোনো কথা না।’

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের সমালোচনা নিয়ে পাত্তা দিচ্ছেন না আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বলেছেন, সমালোচনার অধিকার শরিক দলগুলোর আছে। এই সিদ্ধান্ত অনেক কিছু বিবেচনা করেই নেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার রাজধানীতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের এক জরুরি সভায় জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে শরিকদের কর্মসূচি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

গত ৫ আগস্ট মধ্যরাত থেকে ডিজেল ও কেরসিনের নাম লিটারে ৩৪ টাকা এবং পেট্রোল ও অকটেনের নাম যথাক্রমে ৪৪ ও ৪৬ টাকা বাড়ানোর পর তীব্র সমালোচনা হচ্ছে।

এমনিতেই মূল্যস্ফীতিজনিত সমস্যায় জর্জর দেশবাসীর কষ্ট তুলে ধরে আওয়ামী লীগের শরিক দলের নেতারাও বলছেন, সরকারের এই সিদ্ধান্ত অমানবিক। কেউ কেউ এর প্রতিবাদে কর্মসূচিও দিয়েছে।

৬ আগস্ট বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, গণতন্ত্রী পার্টি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সমালোচনার পাশাপাশি দাম কমানোর আহ্বান জানিয়েছে।

১০ আগস্ট দেশব্যাপী বিক্ষোভ করেছে জাসদ। দলের সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেছেন, জ্বালানি তেলের দর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী।

শরিকদের প্রতিবাদের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘জোটের শরিকদের দলগতভাবে কর্মসূচি দেয়ার অধিকার আছে। তারা করতে চাইলে করবে। এটা তো কোনো কথা না।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের জোট তো আমাদের ইলেকশন অ্যালায়েন্স, সেটা তো কৌশলগত জোট। সেখানে আদর্শের কোনো বিষয় নেই। তাহলে জাতীয় পার্টির সঙ্গে আমরা কেন জোট করেছি? এসব ব্যাপার তো ভাবতে হবে।’

তেলের মুল্যবৃদ্ধির আগে দলীয় পরিমণ্ডলে এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছিলো কি না-জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করাটা সরকারের ব্যাপার। এটা দলীয় মিটিংয়ে আলোচনা করে হয় না। সরকারিভাবে সিদ্ধান্ত হয় এবং এখানে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের হেড কিন্তু প্রধানমন্ত্রী।’

প্রগতিশীল আদর্শের ভিত্ত্বিতে গড়ে ওঠা ১৪ দলীয় জোটে আদার্শের কোনো বিষয় নেই বলে মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ১৪ দলের নেতৃত্বে থাকা আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ‘এই জোট তাদের নির্বাচনী অ্যালায়েন্স, কৌশলগত জোট। এখানে আদর্শের কোনো বিষয় নেই।’

তেলের দর বৃদ্ধির কোনো বিকল্প ছিল না বলেও জানান কাদের। বলেন, ‘সারা দুনিয়ার পরিস্থিতি, বাংলাদেশের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া সবকিছু জেনেশুনে এটা করা হয়েছে। আমরা আগেই বলেছি এটা আমরা বাধ্য হয়ে, নিরুপায় হয়ে করেছি। মানুষকে আমরা কষ্ট দিতে চাইনি। কিন্তু আমাদের সামনে অন্য কোনো বা বিকল্প কোনো পথ ছিল না।’

সভায় দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্যাহ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, আফজাল হোসেন, এস এম কামাল হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সংকট সারা বিশ্বে, অন্য দেশে সরকারকে দায়ী করা হচ্ছে না: কাদের
বিএনপিরই রাজনীতি থেকে বিদায় নেয়ার সময় এসেছে: কাদের
তারা রাজপথে নতুন এসেছে, আমরা পুরোনো লোক: কাদের
হামলা হলে পুলিশ কি আঙুল চুষবে: কাদের
দেশ ছেড়ে পালানোর ইতিহাস বিএনপির: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Drone Fakhrul said in the program of BNP I am afraid

বিএনপির কর্মসূচিতে ড্রোন, ফখরুল বললেন, ‘ভয় পাই’

বিএনপির কর্মসূচিতে ড্রোন, ফখরুল বললেন, ‘ভয় পাই’
‘ড্রোনের নাম শুনলে আমরা খুব ভয় পাই। কেন ভয় পাই? আমরা দেখি ড্রোন দিয়ে কীভাবে অন্য দেশে গিয়ে বিভিন্ন নেতাদের হত্যা করা হচ্ছে। আমরা দেখি গণতন্ত্রের জন্য যারা লড়াই করছে তাদের হত্যা করা হচ্ছে।’

রাজধানীতে বিএনপির কর্মসূচির সময় আকাশে ড্রোন দেখে ক্ষোভ ঝাড়লেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার অভিযোগ, গণতন্ত্রের জন্য যারা লড়াই করছে তাদের মনিটর করতে সরকার ইরান থেকে ড্রোন আমদানি করেছে।

ড্রোন দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মানুষকে হত্যার কথা তুলে ফখরুল বলেন, এ কারণে যন্ত্রটি নিয়ে ভয় পান তারা।

বৃহস্পতিবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির যৌথ উদ্যোগে এ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুতের লোডশেডিং, গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধি, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং ভোলায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে দলের দুইজন নিহত হওয়ার প্রতিবাদে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সমাবেশের আশপাশে পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি ও জলকামান, রায়ট কার দেখা গেছে। আকাশে ড্রোনও দেখা যায়।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘যখন ড্রোনের দিকে আপনারা তাকাচ্ছিলেন, তখন আমি ড্রোনের সঙ্গে জড়িতদের বললাম যে এটা তো বেআইনি। তারা আমাকে জানাল, ৫ পাউন্ডের নিচে ড্রোন চালাতে অনুমতি লাগে না।’

তিনি বলেন, ‘সরকার ইরান থেকে ২১টা ড্রোন আমদানি করেছে এবং তারা বলেছে ড্রোন ভাসানচরে পরীক্ষা করেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সেখানে গিয়েছিলেন, ড্রোন চালানো দেখেছেন এবং বলেছেন সেটা তারা ভাসানচরের রোহিঙ্গাদের মনিটরিং করবে। আসলে ড্রোন নিয়ে এসেছে মানুষকে মনিটর করার জন্য। যারা গণতন্ত্র চায় তাদের মনিটর করার জন্য।’

বিএনপি নেতা বলেন, ‘ড্রোনের নাম শুনলে আমরা খুব ভয় পাই। কেন ভয় পাই? আমরা দেখি ড্রোন দিয়ে কীভাবে অন্য দেশে গিয়ে বিভিন্ন নেতাদের হত্যা করা হচ্ছে। আমরা দেখি গণতন্ত্রের জন্য যারা লড়াই করছে তাদের হত্যা করা হচ্ছে।’

আওয়ামী লীগ সুপরিকল্পিতভাবে দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছে বলেও অভিযোগ করেন ফখরুল। বলেন, ‘আমি তাদের সঙ্গে একমত যারা আওয়ামী লীগকে ফোর টোয়েন্টি পার্টি বলেন। আমি শুধু তাদের সঙ্গে এতটুকু যোগ করতে চাই যে, আওয়ামী লীগ প্রতারকের দল, এই সরকার প্রতারক।

‘শেখ হাসিনা বলেছেন ১০ টাকা কেজি চাল দেব, বিনা মূল্যে সার দেব, ঘরে ঘরে চাকরি দেব। এখন সব মিথ্যা ‘

আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিয়েছে অভিযোগ করে বিএনপি নেতা বলেন, ‘বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে, আজ সাংবাদিকরা লেখতে পারছেন না, দেখাতে পারছেন না। বিচার বিভাগকে দলীয়করণ করেছে, সংবিধানকে ধ্বংস করে দিয়েছে, সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে বাতিল করে দিয়েছে, পুলিশ আজ আওয়ামী লীগের দলীয় বাহিনী হিসেবে কাজ করছে।’

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ফলে গরিব মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তাদের ব্যয় বেড়ে গেছে। আওয়ামী লীগ সমুদ্র থেকে গ্যাস উত্তোলন না করে কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ উৎপাদন করে নিজের লোক দিয়ে টাকা লুটপাট করেছে।’

আগামী ২২ আগস্ট থেকে মহানগর, উপজেলা ও গ্রাম পর্যায়ে সমাবেশেরও ঘোষণা দেন বিএনপি নেতা।

সমাবেশে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘পৃথিবীর কোথাও এক লাফে জ্বালানির মূল্য এত বৃদ্ধির নজির নেই। ৮ বছরে বিপিসি আয় করেছে ৫০ হাজার কোটি টাকা। আর এবার লোকসান করেছে মাত্র ৮ হাজার কোটি টাকা। কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ উৎপাদনের নামে ভর্তুকি দিয়ে দেশের রিজার্ভ খেয়ে ফেলছে। দেশের অবস্থা আরও বেহাল হতে বাধ্য।’

তিনি বলেন, ‘পাচারের টাকা সরকার দেশে আনতে চায় না। সুইজারল্যান্ডের সুইস ব্যাংকের কাছে টাকা পাচারের তথ্য চায় না। কারণ, এ সরকার জানে পাচারকারীরা সব আওয়ামী লীগের লোক।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, ‘দেশের টাকা পাচার করে দেশটাকে আওয়ামী লীগ দেউলিয়া করে দিয়েছে।’

ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালামের সভাপতিত্বে এবং দক্ষিণের সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু এবং উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হকের সঞ্চালনায় সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, বেগম সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, শামসুজ্জামান দুদু, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, নিতাই রায় চৌধুরী, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আফরোজা রিতা, আমান উল্লাহ আমান, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন:
এখন বিদ্যুৎ, পরে তেল, এরপর দেখবেন রিজার্ভ শেষ: ফখরুল
হিন্দু কমেছে সম্পদ দখল করে দেশ ছাড়া করায়: ফখরুল
নির্বাচনি সহিংসতায় শিশুও রেহাই পায় না: ফখরুল
এবারের আন্দোলন নিয়ে আরও আত্মবিশ্বাসী: ফখরুল
ঐক্য গড়তে দুটি দলের সঙ্গে বৈঠক বিএনপির

মন্তব্য

p
উপরে