× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Report of Tipu Preeti murder case on 31st August
hear-news
player
print-icon

টিপু-প্রীতি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ৩১ আগস্ট

টিপু-প্রীতি-হত্যা-মামলার-প্রতিবেদন-৩১-আগস্ট
জাহিদুল ইসলাম টিপু ও সুমাইয়া আফরিন প্রীতি। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
মঙ্গলবার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য দিন ঠিক ছিল। কিন্তু প্রতিবেদন জমা করতে পারেননি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। এ জন্য প্রতিবেদন জমা দেয়ার তারিখ পিছিয়ে নতুন এ দিন ঠিক করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাতুল রাকিব।

রাজধানীর শাহজাহানপুরে আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপু ও কলেজছাত্রী সুমাইয়া আফরিন প্রীতিকে গুলি করে হত্যায় করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নতুন দিন ৩১ আগস্ট ঠিক করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার জন্য দিন ঠিক ছিল। কিন্তু প্রতিবেদন জমা করতে পারেননি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। এ জন্য প্রতিবেদন জমা দেয়ার তারিখ পিছিয়ে নতুন এ দিন ঠিক করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাতুল রাকিব।

গত ২৪ মার্চ রাত পৌনে ১০টার দিকে মতিঝিল এজিবি কলোনির কাঁচা বাজারসংলগ্ন রেস্টুরেন্ট থেকে বাসায় ফেরার পথে শাহজাহানপুর আমতলা ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের সামনে দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হন মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক টিপু। এ সময় তার মাইক্রোবাসের পাশে রিকশায় থাকা কলেজছাত্রী প্রীতিও গুলিতে নিহত হন। আহত হন টিপুর গাড়িচালক মুন্না।

এ ঘটনায় টিপুর স্ত্রী ফারজানা ইসলাম ডলি মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।

মামলার পর ২৬ মার্চ রাতে বগুড়া থেকে শ্যুটার মাসুম মোহাম্মদ ওরফে আকাশকে গ্রেপ্তার করে ডিবি।

এরপর আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। তারা হলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটির ১০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক, আবু সালেহ শিকদার ওরফে শ্যুটার সালেহ, নাছির উদ্দিন ওরফে কিলার নাছির, মোরশেদুল আলম ওরফে কাইল্লা পলাশ ও আরফান উল্লাহ দামাল।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ১০টা ২২ মিনিটে টিপু একটি সাদা রঙের নোয়াহ মাইক্রোবাসে করে শাহজাহানপুর আমতলা মসজিদের সামনে থেকে খিলগাঁও ফ্লাইওভারের দিকে যাচ্ছিলেন। গাড়িটি সাউথইস্ট ব্যাংকের সামনে জ্যামে আটকা পড়ে।

ওদিকে বিপরীত দিকের রাস্তায় দুই যুবক মোটরসাইকেল নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। টিপুর গাড়িটি জ্যামে আটকা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে হেলমেটধারী দুই যুবকের একজন এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে টিপুর গাড়ির দিকে ছুটে আসেন। এরপর গাড়ি লক্ষ করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়েন। এতে গাড়ির ভেতরেই গুলিবিদ্ধ হন টিপু। এ সময় চালকের হাতে গুলি লাগলে তিনি গাড়ির গতি বাড়িয়ে ঘটনাস্থল থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

ওদিকে শুরুর দিকে ছোড়া এলোপাতাড়ি গুলিতে আহত হন গাড়ির পাশে রিকশায় থাকা কলেজছাত্রী প্রীতি। ঘটনার পরপরই আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে চিকিৎসকরা তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধদের উদ্ধার করে ঢামেকে নিয়ে গেলে চিকিৎসক রাত ১১টার দিকে টিপু ও প্রীতিকে মৃত ঘোষণা করেন।

২০১৩ সালের ২৯ জুলাই রাজধানীর গুলশানে শপার্স ওয়ার্ল্ড নামে একটি বিপণিবিতানের সামনে খুন হন যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল হক খান মিল্কী। আলোচিত এ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন তৎকালীন মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু।

আরও পড়ুন:
শিক্ষক লাঞ্ছনা-হত্যায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি
টিপু-প্রীতি হত্যা: মুসার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
CID chief is Muhammad Ali

সিআইডি প্রধান হলেন মোহাম্মদ আলী

সিআইডি প্রধান হলেন মোহাম্মদ আলী সিআইডি প্রধান হয়েছেন মোহাম্মদ আলী মিয়া।
মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপ সচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস সাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান হয়েছেন মোহাম্মদ আলী মিয়া। ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমানের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপ সচিব ধনঞ্জয় কুমার দাস সাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মোহাম্মদ আলী মিয়া ট্যুরিস্ট পুলিশের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

আরও পড়ুন:
জামিন হয়নি সিআইডির ৩ সদস্যের
ডাকাতি মামলায় সিআইডির এসআই রিমান্ডে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chhatra League clash Three member committee to probe

ছাত্রলীগ কর্মীদের বেধড়ক পিটুনির তদন্তে পুলিশের কমিটি

ছাত্রলীগ কর্মীদের বেধড়ক পিটুনির তদন্তে পুলিশের কমিটি
বরিশাল রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি কে এম এহসান উল্লাহ বলেন, ‘ছাত্রলীগের সংঘর্ষে পুলিশের লাঠিপেটার ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে কমিটির কারও নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না।’

বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের মধ্যে পুলিশের লাঠিপেটার ঘটনায় তিন সদস্যের কমিটি করা হয়েছে।

সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে উপস্থিত পুলিশের ভূমিকার বিষয়টি তদন্তে জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ তিন কর্মকর্তাকে নিয়ে সোমবার রাতে কমিটি গঠন করা হয়।

নিউজবাংলাকে মঙ্গলবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরিশাল রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি কে এম এহসান উল্লাহ। তবে কমিটির সদস্যদের নাম প্রকাশ করেননি তিনি।

বরগুনা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনের সামনে সোমবার দুপুরে জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের পর সরকার সমর্থক ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীদেরকে বেধড়ক পেটায় পুলিশ।

এ সময় সেখানে বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু উপস্থিত ছিলেন। বিক্ষুব্ধ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা কয়েকটি মোটরসাইকেল ও পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করেন।

এ ঘটনায় এমপি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু বলেন, ‘পুলিশ বলেছিল গাড়ি ভাঙচুরকারীকে তারা চিনতে পেরেছে। আমি বলেছি, যে ভাঙচুর করেছে, তাকে দেখিয়ে দিন। আমি তাকে আপনাদের হাতে সোপর্দ করব। আসলে তাদের (পুলিশের) উদ্দেশ্যই ছিল ছাত্রলীগের ছেলেদের মারবে। আমি তাদের মার ফেরানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু সেখানে এত পুলিশ আসছে, যে কমান্ড শোনার মতো কেউ ছিল না।’

তিনি আরও বলেন, ‘সোমবার দুপুরে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের ওপর নির্বিচারে লাঠিপেটা করেছে পুলিশ। পুলিশ কর্মকর্তা মহররম ছিলেন সেখানে। তিনি অনেক ভুল করেছেন।

‘যেখানে আমি উপস্থিত, সেখানে তিনি এমন কাজ করতে পারেন না। আমি তাকে মারপিট করতে নিষেধ করেছিলাম। তারা (পুলিশরা) আমার কথা শোনেননি।’

এমপি শম্ভুর করা অভিযোগ প্রসঙ্গে অতিরিক্ত ডিআইজি বলেন, ‘ঘটনার পর ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। সেখানে কী ঘটেছে ডিআইজি স্যারের নেতৃত্বে আমরা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছি। এমপি সাহেব মুরুব্বি মানুষ। তার সঙ্গে পুলিশের কেউ অশোভন আচরণ করে থাকলে আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

এ বিষয়ে জানতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মহররম আলী ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এস এম তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলতে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তারা কল রিসিভ করেননি। পরে সরকারি নম্বরের ওয়াটসঅ্যাপে খুদেবার্তা পাঠালেও সাড়া মেলেনি।

যা ঘটেছিল

বঙ্গবন্ধুর ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি কমপ্লেক্সে তার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে ফেরার সময় শিল্পকলা একাডেমির সামনে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের ওপর পদবঞ্চিত কয়েকজন হামলা চালায়। এ সময় দুই গ্রুপের নেতা-কর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। পরে পুলিশ লাঠিপেটা করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

এ ঘটনায় জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল কবির রেজা জানান, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শিল্পকলায় প্রবেশের সময় হামলাকারীরা ছাদ থেকে তাদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এ কারণে পুলিশের গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশ লাঠিপেটা শুরু করে।

আট বছর পর গত ১৭ জুলাই বরগুনা শহরের সিরাজ উদ্দীন টাউন হল মিলনায়তনে বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন হয়। এরপর ২৪ জুলাই রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির অনুমোদন দেন।

এতে জেলা কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ ৩৩ সদস্যের নাম প্রকাশ করা হয়। এর পর থেকে নতুন কমিটি প্রত্যাখ্যান করে বরগুনা শহরে পদবঞ্চিতরা বিভিন্ন সময় বিক্ষোভ মিছিল ও ভাঙচুর চালায়।

আরও পড়ুন:
আন্দোলনকারীরা শিবির, বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি চাই: জয়
ব্যানারে ‘ছাত্রলীগ’ লেখার কথা বলেনি সাবেক নেতারা: বুয়েট ভিসি
বুয়েটে সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের আয়োজন ঘিরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
ছাত্রলীগ ও যুবদলের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
বাসায় বিচার দেয়ায় চবিতে ৪ ছাত্রলীগ নেত্রীর মারামারি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There are excesses in Barguna IGP will take action Home Minister

বরগুনায় বাড়াবাড়ি হয়েছে, ব্যবস্থা নেবেন আইজিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বরগুনায় বাড়াবাড়ি হয়েছে, ব্যবস্থা নেবেন আইজিপি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরগুনায় পুলিশের ‍পিটুনির শিকার হন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। ফাইল ছবি
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বরগুনার ঘটনায় বাড়াবাড়ি করেছে। এটা কেন হলো আইজিপিকে বলা হয়েছে, ব্যবস্থা নিতে। তদন্ত হয়ে আসুক। আমার কাছে মনে হয়েছে, এতটা বাড়াবাড়ি ঠিক হয়নি। এটা ঘটানো উচিত হয়নি।’

বরগুনায় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের গণহারে পিটুনির ঘটনায় পুলিশের বাড়াবাড়ি ছিল বলে মনে করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। এই ঘটনায় পুলিশের মহাপরিদর্শক বা আইজিপি বেনজীর আহমেদকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

জাতীয় শোক দিবসের আয়োজনে সোমবার বরগুনায় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের পুলিশের ‍পিটুনির পর দিন সচিবালয়ে সংবাদমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সচিবালয়ে মঙ্গলবার ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হ্যাসের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বরগুনার ঘটনা আমরা যেটা দেখেছি, এটা বাড়াবাড়ি করেছেন। অহেতুক কেন এমন হলো এটা আইজি সাহেবকে বলা হয়েছে। তিনি এটার ব্যবস্থা নিচ্ছেন।

‘দেখুন এটি আমি ফেসবুকে দেখেছি, আপনারা যেমন দেখেছেন। এটা একটা তদন্ত কমিটি হয়েছে, এটা শেষ হয়ে আসুক। আমার কাছে মনে হয়েছে, এটা এতটা বাড়াবাড়ি হওয়া উচিত হয়নি। কার বাড়াবাড়ি সেটা ইনভেস্টিগেশনে বের হবে। আমি বলছি, যেটা হয়েছে এটা হওয়া উচিত হয়নি। এটা না হলেও পারত। এটা এভাবে হওয়া উচিত হয়নি।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বরগুনায় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি কমপ্লেক্সে তার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে ফেরার সময় শিল্পকলা একাডেমির সামনে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের ওপর পদবঞ্চিত কয়েকজন হামলা চালান। এ সময় দুই পক্ষের নেতা-কর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

পরে পুলিশ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বেধড়ক লাঠিপেটা করে। এর ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর সঙ্গে এক পুলিশ কর্মকর্তার তর্কাতর্কির ভিডিওটিও ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে।

ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এর বিচার চাইছেন। যদিও এর মধ্যেই বরগুনা ছাত্রলীগের সভাপতি বিবৃতি দিয়ে পুলিশের পক্ষ নিয়েছেন। তবে জেলা আওয়ামী লীগ এর নিন্দা জানিয়েছে।

এদিকে জেলা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের মধ্যে পুলিশের লাঠিপেটার এ ঘটনায় তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে উপস্থিত পুলিশের ভূমিকার বিষয়টি তদন্তে জেলা পুলিশের উচ্চপদস্থ তিন কর্মকর্তার সমন্বয়ে সোমবার রাতে এ কমিটি হয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘সবার স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও খাদ্যের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে’
‘বিএনপি বিশৃঙ্খলা করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বসে থাকবে না’
বিএনপির শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বাধা নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Husband arrested for killing housewife by stone

গৃহবধূকে ‘শিলের আঘাতে হত্যা’, স্বামী আটক

গৃহবধূকে ‘শিলের আঘাতে হত্যা’, স্বামী আটক গৃহবধূ ফারজানা আক্তার। ছবি: সংগৃহীত
ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক মোস্তফা কামাল খান বলেন, ‘ঘটনার পরপরই এলাকাবাসী রুবেল মিয়াকে আটক রাখে। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

পারিবারিক কলহের জেরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গৃহবধূকে শিলের আঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত রুবেল মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ।

সদর উপজেলার পশ্চিম রসুলপুর এলাকায় মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ১৯ বছরের ফারজানা আক্তার পশ্চিম রসুলপুর এলাকার নুর নবীর মেয়ে।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল হক।

নিহতের স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে তিনি জানান, একই এলাকার রুবেলের সঙ্গে ছয় মাস আগে বিয়ে হয় ফারজানার। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে কলহ চলছিল।

এর জেরে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে বিচার-সালিশও হয়েছে তাদের। গত সোমবারও সালিশ হয় তাদের নিয়ে। কিন্তু আজ ভোরে আবারও তাদের মধ্যে ঝগড়া হলে শিল দিয়ে ফারজানার মুখে ও মাথায় আঘাত করে গুরুতর আহত করেন রুবেল।

এ সময় ফারজানার চিৎকারে আশপাশের লোকজন গিয়ে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে ফারজানার মৃত্যু হয়।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘সকালে গৃহবধূর স্বজনরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।’

ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক মোস্তফা কামাল খান বলেন, ‘ঘটনার পরপরই এলাকাবাসী রুবেল মিয়াকে আটক রাখে। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

আরও পড়ুন:
নৈশপ্রহরীকে হত্যার পর ডাকাতি 
প্রাথমিকের শ্রেণিকক্ষে ঝুলছিল কলেজছাত্র
স্ত্রী হত্যা মামলায় যুবক গ্রেপ্তার
স্ত্রীকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড
হোমিও চিকিৎসক ও ব্যবসায়ী হত্যায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Fire in Chowkbazar Barisal hotel owner arrested

চকবাজারে আগুন: প্লাস্টিক পাইপে গ্যাস নেয়া হোটেল মালিক গ্রেপ্তার

চকবাজারে আগুন: প্লাস্টিক পাইপে গ্যাস নেয়া হোটেল মালিক গ্রেপ্তার
ওসি আবদুল কাইয়ুম বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে হোটেল মালিকের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তার হোটেলের ৬ জন কর্মচারী আগুনে পুড়ে মারা গেল, সে গা ঢাকা দিয়ে থাকবে তা তো হতে পারে না। ঘটনার পর থেকেই তাকে ধরতে আমরা অভিযান শুরু করি।’

চকবাজারে চারতলা ভবনে আগুনের ঘটনায় বরিশাল হোটেল মালিক ফখরুদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ভোরে তাকে চকবাজার এলাকা থেকেই গ্রেপ্তার করা হয়।

চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাইয়ুম নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে হোটেল মালিকের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। তার হোটেলের ৬ জন কর্মচারী আগুনে পুড়ে মারা গেল, সে গা ঢাকা দিয়ে থাকবে তা তো হতে পারে না। ঘটনার পর থেকেই তাকে ধরতে আমরা অভিযান শুরু করি। ভোরে চকবাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

তিনি জানান, বরিশাল হোটেলের কর্মচারী রুবেলের বড় ভাই মোহম্মদ আলী চকবাজার থানায় হোটেলমালিক ফখরুদ্দিনকে আসামি করে অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে মামলা করেছেন। সে মামলাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ফখরুদ্দিনকে আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড চাওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চকবাজার থানার উপপরিদর্শক রাজীব সরকার।

সোমবার দুপুরে লাগা আগুনে বরিশাল হোটেলের ছয় কর্মচারীর মৃত্যু হয়। তারা সবাই হোটেলটিতে নাইট শিফটে কাজ করে সকালে ঘুমিয়েছিলেন। তাদের থাকার ব্যবস্থা ছিল ভবনের দ্বিতীয় তলায়। নিচতলায় ছিল বরিশাল হোটেল।

আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রায় আড়াই ঘণ্টা কাজ করে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট।

মিটফোর্ড হাসতাপালে নিহত ছয়জনের ময়নাতদন্ত হচ্ছে।

যেভাবে আগুন লাগে

নিচতলার হোটেল থেকেই আগুনের সূত্রপাত বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

প্রত্যক্ষদর্শীরাও বলেন, একটা বোমা ফাটার মতো আওয়াজ হয়েছে হোটেলের ভেতর। এরপরই আগুন ছড়িয়ে পড়েছে ভবনে।

আগুনের সূত্র খুঁজতে গিয়ে সেখানে দেখা যায়, বরিশাল হোটেলের প্রবেশমুখেই ডান পাশে রান্নার চুল্লি। পাইপ লাইনের গ্যাসের মাধ্যমে এই হোটেলের রান্নার কাজ চলত তা বোঝা গেল। চুলার চেম্বারের পাশেই হোটেলের দেয়াল ঘেঁষে গ্যাসের রাইজার ও গ্যাসলাইন। ওই গ্যাসলাইনের একটি আবার চলে গেছে হোটেলের চুল্লির চেম্বারে। সেখান থেকে আবার খুবই ঝুঁকিপূর্ণ উপায়ে প্লাস্টিক পাইপের মাধ্যমে হোটেলের আরেকটি চুলায় গ্যাসের সংযোগ দেয়া হয়েছে। দুর্ঘটনার পর ওই চুলার বার্নারটি খুলে রাস্তায় পড়ে ছিল আর এই বার্নারের গোড়াতেই প্লাস্টিক পাইপ ঝুলতে দেখা যায়।

হোটেলটির ঠিক ওপরেই কাঠের পাটাতন দিয়ে কর্মীদের থাকার ব্যবস্থা ছিল। হোটেলের পেছনে আলাদা সিঁড়ি ব্যবহার করে কর্মীরা ওই সিলিং ঘরে যাতায়াত করতেন। আর দুই শিফটে কাজ করে পালাক্রমে কর্মীরা সেখানে ঘুমাতেন।

আরও পড়ুন:
চকবাজারে আগুন: নিহতদের পরিবারকে ২ লাখ করে সহায়তা
চকবাজারের আগুন ‘হোটেল থেকে’
ঘুমিয়ে ছিলেন ৬ হোটেল কর্মচারী
চকবাজারে পুড়ে যাওয়া ভবনে ৬ মরদেহ
চকবাজারে প্লাস্টিক কারখানার আগুন নিয়ন্ত্রণে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Vice Chairmans husband arrested on charges of extorting beggars

ভিক্ষুকের কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে আটক ভাইস চেয়ারম্যানের স্বামী

ভিক্ষুকের কাছ থেকে চাঁদা নিয়ে আটক ভাইস চেয়ারম্যানের স্বামী আটক হায়দার মোল্যা। ছবি: সংগৃহীত
ওসি বলেন, ‘সোমবার সন্ধ্যায় ভিক্ষুক আব্দুর রহমান সালথা থানায় চাঁদাবাজি ও হুমকির অভিযোগ এনে একটি এজাহার দায়ের করেন। এতে উপজেলা নারী ভাইস চেয়ারম্যান রুপা বেগমের স্বামী হায়দার মোল্যা ও ভাই মোকাদ্দেস মাতুব্বরকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

ফরিদপুরের সালথায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর দেয়ার কথা বলে চাঁদাবাজির অভিযোগে এক নারী ভাইস চেয়ারম্যানের স্বামীকে আটক করা হয়েছে।

সালথা থানা এলাকা থেকে সোমবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাকে আটক করে পুলিশ।

উপজেলার কুমারপট্টি এলাকার আব্দুর রহমানের সালথা থানায় লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে আটক করে পুলিশ। অভিযোগকারী রহমান ভিক্ষা করে জীবিকা নির্বাহ করেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে এতে।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শেখ সাদিক নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তার ৫৫ বছরের হায়দার মোল্যা সালথা উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান রুপা বেগমের স্বামী।

অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পাইয়ে দেয়ার কথা বলে আব্দুর রহমানের কাছ থেকে সাড়ে ২৫ হাজার টাকা নেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের স্বামী হায়দার মোল্যা। টাকা দিলেও পরে ঘর পাননি তিনি।

পরে সেই টাকা ফেরত চাইতে গেলে তাকে হুমকিধামকি দেন হায়দার ও মোকাদ্দেস। এ ছাড়া রুপা বেগমও বিভিন্ন লোকজন দিয়ে তাকে হুমকিধামকি দেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো কথা বলতে রাজি হননি রুপা বেগম।

ওসি বলেন, ‘সোমবার সন্ধ্যায় ভিক্ষুক আব্দুর রহমান সালথা থানায় চাঁদাবাজি ও হুমকির অভিযোগ এনে একটি এজাহার দায়ের করেন। এতে উপজেলা নারী ভাইস চেয়ারম্যান রুপা বেগমের স্বামী হায়দার মোল্যা ও ভাই মোকাদ্দেস মাতুব্বরকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

‘এজাহারের প্রেক্ষিতে হায়দার মোল্যাকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশ কাজ করছে।’

আরও পড়ুন:
মদ উদ্ধার: আজিজুল ও তার ছেলেকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ
স্বামীর যৌনাঙ্গ কাটার অভিযোগে আটক গৃহবধূ
অস্ত্রসহ যুবক আটক
অবৈধ বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের সময় আটক ৩
বাবাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে আটক ১

মন্তব্য

বাংলাদেশ
MC College rape why not speedy trial High Court

এমসি কলেজে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ দ্রুত বিচারে কেন নয়: হাইকোর্ট

এমসি কলেজে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ দ্রুত বিচারে কেন নয়: হাইকোর্ট
আব্দুল কাইয়ুম লিটন বলেন, ‘গত বছরের জানুয়ারিতে ধর্ষণ মামলায় এবং চাঁদাবাজির মামলায় চলতি বছরের মে মাসে অভিযোগ গঠন করা হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়নি। এ কারণে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলাটি স্থানান্তর চেয়ে মামলার বাদী ওই তরুণীর স্বামী এ রিট করেন। শুনানি শেষে আজ হাইকোর্ট রুল জারি করেন।’

সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় দুই অভিযোগের বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বদলির কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী সাবরিনা জেরিন ও এম আব্দুল কাইয়ূম লিটন। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস।

পরে আইনজীবী এম আব্দুল কাইয়ুম লিটন বলেন, ‘গত বছরের জানুয়ারিতে ধর্ষণ মামলায় এবং চাঁদাবাজির মামলায় চলতি বছরের মে মাসে অভিযোগ গঠন করা হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়নি। এ কারণে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলাটি স্থানান্তর চেয়ে মামলার বাদী ওই তরুণীর স্বামী এ রিট করেন। শুনানি শেষে আজ হাইকোর্ট রুল জারি করেন। আগামী ১০ দিনের মধ্যে বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।’

২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে ছাত্রলীগের কিছু নেতা-কর্মী। এ ঘটনায় ভিকটিমের স্বামী বাদী হয়ে শাহপরান থানায় মামলা করেন।

এ মামলায় আটজনকে অভিযুক্ত করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একই বছরের ৩ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।

গত বছরের ১৭ জনুয়ারি এ মামলায় অভিযোগ গঠনের আদেশ দেয় সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোহিতুল হক চৌধুরী।

মামলার আসামিরা হলেন সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল ও মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজন, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান ওরফে মাসুম।

এ ছাড়া এ ঘটনায় চাঁদাবাজির অভিযোগে দায়রা আদালতে পৃথক চার্জশিট দেয়া হয়। পরে বাদীপক্ষ হাইকোর্টে এলে দুটি মামলা এক আদালতে চলবে বলে আদেশ দেয় হাইকোর্ট।

এরপর চলতি বছরের ১১ মে ছিনতাই ও চাঁদাবাজির অভিযোগ করা মামলারও অভিযোগ গঠন করে আদালত।

আরও পড়ুন:
জমির বিরোধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ৩ আসামির যাবজ্জীবন
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দা‌য়ে ২ জ‌নের যাবজ্জীবন
তেলেঙ্গানায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ৬ জনই প্রভাবশালীর ছেলে
বাড়িতে ঢুকে দুই বোনকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’

মন্তব্য

p
উপরে