× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Obaidul Quader accused Mirza Fakhrul of violating the constitution
hear-news
player
print-icon

ফখরুলের বিরুদ্ধে সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ কাদেরের

ফখরুলের-বিরুদ্ধে-সংবিধান-লঙ্ঘনের-অভিযোগ-কাদেরের
ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবিধানিকভাবে বৈধ ও জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারকে অবৈধ মন্তব্য করে সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন। তার গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দাবি দেশের জনগণকে আতঙ্কিত করে। কারণ তারা গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আন্দোলনের নামে জনগণের ওপর যে ভয়াবহ অগ্নিসন্ত্রাস চালিয়েছিল, তার দগদগে ক্ষত এখনও দেশবাসীর মানসপটে অমলিন।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবিধানিকভাবে বৈধ ও জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারকে অবৈধ মন্তব্য করে সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ অভিযোগ করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবিধানিকভাবে বৈধ ও জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারকে অবৈধ মন্তব্য করে সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন। তার গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দাবি দেশের জনগণকে আতঙ্কিত করে। কারণ তারা গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার আন্দোলনের নামে জনগণের ওপর যে ভয়াবহ অগ্নিসন্ত্রাস চালিয়েছিল, তার দগদগে ক্ষত এখনও দেশবাসীর মানসপটে অমলিন।’

তিনি বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভাসিত আওয়ামী লীগ এ দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সুদৃঢ় করতে বদ্ধপরিকর। দেশের গণতন্ত্র হারিয়ে যায় নাই যে তা ফিরিয়ে আনতে হবে। বরং প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিএনপ’র কর্মকাণ্ড আবর্তিত হয়েছে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থি ধারায়।

‘গণতন্ত্র ধ্বংসই শুধু নয়, বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করে। স্বৈরতন্ত্রের প্রতিভূ বিএনপিই এদেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সংস্কৃতি ও আদর্শ প্রতিষ্ঠার প্রধান অন্তরায়। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ এদেশের মানুষের স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা এবং ভোট তথা ভাতের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম করে আসছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সর্বদাই জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পথ চলে। আওয়ামী লীগ জনগণের প্রভু নয়, সেবক হয়ে থাকতে চায়। বর্তমান সরকারের আমলে দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনী কারো বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা দেয়নি। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গায়েবি মামলার কথা বলে রাজনীতিতে গায়েবি আওয়াজ তোলার অপচেষ্টা করছেন।

‘যেহেতু জনগণের সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই সেহেতু তারা গায়েবি ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতিতেই আস্থা রাখে। রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকাকালে দুর্নীতির সাম্রাজ্য বিস্তার ও ক্ষমতার দম্ভ দেখিয়ে গণবিরোধী অবস্থানের কারণে বিএনপি জনবিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক অপশক্তি হিসেবে চিহ্নিত।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের গণতন্ত্র সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকারের সব কার্যক্রম পরিচালিত হয় গণআকাঙ্খাকে ধারণ করে- যার মধ্য দিয়ে জনগণের শাসন তথা গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা এগিয়ে চলেছে। কোনো অপশক্তির ষড়যন্ত্র বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।’

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতু নিয়ে দায়িত্বশীল হওয়ার অনুরোধ
বিএনপির নির্যাতন-নিপীড়নের অভিযোগ কল্পিত: কাদের
সাংবাদিক ঐক্যের প্রধান উপদেষ্টা জি এম কাদের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
BNPs support for the strike of the left

বাম জোটের হরতালে বিএনপির সমর্থন

বাম জোটের হরতালে বিএনপির সমর্থন মঙ্গলবার দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: নিউজবাংল
লিখিত বক্তব্যের পর তার কাছে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল, বামদের হরতালে বিএনপি সমর্থন দেবে কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা তো আগেই বলেছি যে কোনো দলের ন্যায়সঙ্গত দাবির আন্দোলন আমরা সবসময় সমর্থন করি।’

জ্বালানি তেল, সারের বর্ধিত দাম ও বাস ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে গণতান্ত্রিক বাম জোটের ডাকা হরতালে সমর্থন দিয়েছে বিএনপি। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যে কোনো দলের ন্যায়সঙ্গত দাবির পক্ষে আছেন তারা।

মঙ্গলবার দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

আগামী ২৫ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আধাবেলা হরতালের ডাক দিয়েছে বাম জোট। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে এই ঘোষণা দেয়া হয়।

জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধিসহ দেশে নিত্যপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে বিএনপির বক্তব্য তুলে ধরতে গণমাধ্যমের সামনে আসেন ফখরুল।

লিখিত বক্তব্যের পর তার কাছে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল, বামদের হরতালে বিএনপি সমর্থন দেবে কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা তো আগেই বলেছি যে কোনো দলের ন্যায়সঙ্গত দাবির আন্দোলন আমরা সবসময় সমর্থন করি।’

এর আগে লিখিত বক্তব্যে বিএনপি নেতা বলেন, মাসাধিককাল থেকে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের নেতিবাচক প্রভাবে এমনিতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় চাল, ডাল ও ভোগ্যপণ্যসহ সকল পণ্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে। এ অবস্থায় ভোক্তারা যখন দিশেহারা তখন হঠাৎ করে বিনা নোটিশে রাতের অন্ধকারে জ্বালানি তেলের দাম নজিরবিহীন বৃদ্ধি ‘মরার ওপর খাড়ার ঘাঁ’ হয়ে এসেছে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর।

তিনি বলেন, ডিজেল, পেট্রল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম একবারে ৪৫ থেকে ৫১ শতাংশ বাড়ানোর মধ্য দিয়ে দেশের মুখ থুবড়ে পড়া অর্থনীতির কফিনে শেষ পেরেকটুকু ঠুকে দেয়া হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে সর্বক্ষেত্রে।

বিএনপি নেতা বলেন, ‘গরিব ও সীমিত আয়ের মানুষেরা দুর্বিষহ অবস্থার মধ্যে পড়েছেন। মধ্যবিত্ত মানুষের পক্ষেও টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ছে। এতে জনগণের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

‘গণপরিবহন থেকে কাঁচাবাজার- সর্বক্ষেত্রে কয়েকগুণ মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে সবাই। প্রতিবাদে মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছে, তারা মিছিল করছে।’

দাম যদি বাড়াতেই হতো, তাহলে সহনীয়ভাবে ধাপে ধাপে বাড়াতে পারত বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি নেতা। বলেন, ‘হঠাৎ করে রাতের আঁধারে একবারে এত বেশি দাম বৃদ্ধিতে জ্বালানি ব্যবহার সংশ্লিষ্ট সকলেই হতচকিত হয়ে পড়েছে। যাত্রী, ক্রেতা-বিক্রেতা সকলেই হতবাক।’

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের বর্ধিত দাম কমে আসার মধ্যে বাংলাদেশে দাম এক লাফে এত বেশি বাড়ানোর পেছনে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে আসাই কারণ বলেও মনে করেন ফখরুল। বলেন, ‘সরকারের বেপরোয়া দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও অপরিণামদর্শিতার দায় পুরোপুরি সাধারণ মানুষের কাঁধে চাপিয়ে দেয়া হলো।’

তেলে প্রতি লিটারে সরকার ৩৪ টাকা করে কর আদায় করছে উল্লেখ করে বিএনপি নেতা বলেন, সরকার ইচ্ছা করলে সেই কর প্রত্যাহার করতে পারত। তাতে জনগণ স্বস্তি পেত।

বিএনপি নেতার অভিযোগ, সরকার কয়েকজন ব্যবসায়ীকে আর্থিকভাবে লাভবান করার লক্ষ্যে দেশে নতুন গ্যাসক্ষত্র আবিষ্কারের চেষ্টা না করে বিদেশ থেকে গ্যাস আমদানির সুযোগ করে দিয়েছে।

গ্যাস, বিদ্যুতের দাম আবার বাড়ানোর প্রস্তুতি নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেন বিএনপি নেতা। বলেন, গত ১২ বছরে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৯০ শতাংশ বেড়েছে। এখন আবার ৫৮ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। মাসখানেক আগেও গ্যাসের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এবার আবার বাড়লে শিল্প উৎপাদনও কঠিন পরিস্থিতিতে পড়বে। জীবনযাপনে আরও বেশি বিপর্যয় নেমে আসবে।

বিএনপি শাসনামলে দেশের মানুষের প্রকৃত আয় অনেক বেশি ছিল দাবি করে ফখরুল সে সময়ে গ্যাস-বিদ্যুত ও পণ্যমূল্যের দামের একটি তথ্যও সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খানও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে মানবাধিকার পরিস্থিতির তদন্ত চান ফখরুল
খালেদার ৭৭তম জন্মবার্ষিকীতে ১৬ আগস্ট দোয়া মাহফিল
ক্ষমতায় গেলে রেন্টাল চুক্তি বাতিল: বিএনপি
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য জনগণের সঙ্গে তামাশা: ফখরুল
আ.লীগের চেয়ে বড় আন্দোলনকারী আর নেই: শাজাহান খান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Awami League is coming to show its strength on the streets

রাজপথে শক্তি দেখাতে নামছে আওয়ামী লীগও

রাজপথে শক্তি দেখাতে নামছে আওয়ামী লীগও ছয় দফা দিবসে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায় আওয়ামী লীগ। ফাইল ছবি
জোট সরকারের আমলে সারা দেশে একযোগে বোমা হামলার স্মরণে বুধবার বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এই কর্মসূচি দৃশ্যত রাজপথে সংগঠনকে সক্রিয় করার পদক্ষেপ। লোডশেডিং, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিসহ নানা ইস্যুতে বিএনপি ও সমমনারা যখন একের পর এক বিক্ষোভ-সমাবেশ করছে, সে সময় নিজেদের সর্বশক্তি দিয়ে রাজপথে নামার তাগিদ দিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুতের লোডশেডিংসহ নানা ইস্যুতে সরকারবিরোধীদের রাজপথে একের পর এক কর্মসূচির মধ্যে এবার মাঠে নামছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

আগস্টে শোকের কর্মসূচি ছাড়া রাজনৈতিক কর্মসূচি সচরাচর পালন না করলেও একই দিনে দেশের সব মহানগর, জেলা, উপজেলা এমনকি ইউনিয়নে জমায়েত করতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দল। ‍উপলক্ষ বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সারা দেশে একযোগে বোমা হামলার প্রতিবাদ।

বুধবার সারা দেশে এই বিক্ষোভে নেতা-কর্মীদের সক্রিয় থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

রাজপথে শক্তি দেখাতে নামছে আওয়ামী লীগও

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়। ফাইল ছবি

কেন্দ্রীয়ভাবে বিকেল ৪টায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসংলগ্ন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণ থেকে মিছিল বের করবে দলটি। মৎস্য ভবন-কদম ফোয়ারা-প্রেস ক্লাব ও জিরোপয়েন্ট হয়ে ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হবে সেটি।

এতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এবং সব সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা-কর্মীরা অংশ নেবেন।

আওয়ামী লীগের এই কর্মসূচি দৃশ্যত রাজপথে সংগঠনকে সক্রিয় করার পদক্ষেপ।

লোডশেডিং, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিসহ নানা ইস্যুতে বিএনপি ও সমমনারা যখন একের পর এক বিক্ষোভ-সমাবেশ করছে, সে সময় নিজেদের সর্বশক্তি দিয়ে রাজপথে নামার তাগিদ দিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

গত ১১ আগস্ট এক অনলাইন ব্রিফিংয়ে ওবায়দুল কাদের এই কর্মসূচি নিয়ে বলেন, ‘এভাবে চলতে পারে না। আমরা রাজপথ থেকে ক্ষমতায় এসেছি। তারা যেভাবে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে আমরা রাজপথ ভুলে গেছি। আমরাও আছি, অচিরেই রাজপথে দেখতে পাবেন।’

বিকেল ৩টা থেকে মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে যোগ দিতে নেতা-কর্মীদের প্রতি নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিক্ষোভ কর্মসূচিতে থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা-কর্মীদেরও অংশ নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ কর্মসূচি যথাযথভাবে পালনের নির্দেশ দিয়েছেন।’

দলের একজন শীর্ষ নেতা বলেছেন, এই বিক্ষোভ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ কার্যত মাঠে শক্তি প্রদর্শনের জন্য নামছে। তিনি বলেন, ‘বিএনপি নেতারা গরম বক্তব্য দিচ্ছেন, হুমকি-ধমকিও দিচ্ছেন। একাধিক কর্মসূচি নিয়ে রাজপথেও নেমেছে। পাশপাশি অন্যান্য বিরোধী দলগুলোও রাজপথে সরকারবিরোধী কর্মসূচি পালন করছে। আওয়ামী লীগ এসবের জবাব দিতে চায়।’

কর্মসূচির বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ নিউজ বাংলাকে বলেন, ‘প্রতি বছর আওয়ামী লীগ এ কর্মসূচি পালন করে থাকে। তবে এবার এ কর্মসূচি যথাযথভাবে পালন করার জন্য সাংগঠনিক ইউনিটগুলোকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

রাজপথে শক্তি দেখাতে নামছে আওয়ামী লীগও

কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুরের প্রতিবাদে ২০২০ সালের ৫ ডিসেম্বর রাজধানীতে আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের মশাল মিছিল। ফাইল ছবি

‘দল থেকে দেশব্যাপী জেলা, মহানগর, উপজেলা পর্যায়ে সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শোকের মাসে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করে না। কিন্তু অনেকের হুমকি-ধমকি অসহনীয় পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। তাই আমরা আগস্ট শেষে রাজপথে নামব। আর আজকের বিক্ষোভ কর্মসূচি গুরুত্ব দিয়ে পালনের জন্য নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
শোক মিছিলে মহিলা আওয়ামী লীগের মারামারি 
আ.লীগের চেয়ে বড় আন্দোলনকারী আর নেই: শাজাহান খান
আ.লীগ, বিএনপির বিকল্প হওয়ার চেষ্টা করছি: মান্না
বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনাকে কটূক্তি করলে জিভ কেটে নেব: নাছিম

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Ganoforum AB party is not in alliance

জোট হচ্ছে না গণফোরাম-এবি পার্টির

জোট হচ্ছে না গণফোরাম-এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের বৈঠকে গণফোরাম-এবি পার্টি। ছবি: নিউজবাংলা
মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াত ইসলামী থেকে বেরিয়ে এবি পার্টির হয়েছে। তা ছাড়া দুই ধরনের দুটি রাজনেতিক দলের বৈঠক নিয়ে আবু সাইয়িদ বলেন, ‘আমরা এবি পার্টির গঠনতন্ত্র দেখলাম। দলটির নেতাদের সঙ্গে পরিচিত হলাম। জামায়াতের বিষয়ে তাদের বক্তব্য হলো- আমরা জামায়াত থেকে বেরিয়ে এসে এবি পার্টি করেছি। জামায়াত জাতির কাছে ক্ষমা চায় নি বলেই আমরা নতুন দল করেছি। আমাদের মনে হয়েছে, এদেশকে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদেরও আছে।’

চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অন্ত:বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচনে না যাওয়ার বিষয়ে ঐক্যমতে পৌছেছেন ড. কামাল হোসেনের দল গণফোরাম ও নতুন রাজনৈতিক দল এবি পার্টি।

কোন জোট হচ্ছে না বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুটি দল। তবে যুগপৎ আন্দোলন করবে দুটি দল। মঙ্গলবার বিকালে গণফোরাম কেন্দ্রীয় কার্যালয় এক বৈঠক করে দুটি দল।

গণফোরাম দলটিতে এখনো নেতৃত্বে রয়েছেন মুক্তিযুদ্ধের সময় রণাঙ্গনে যুদ্ধ করা মুক্তিযোদ্ধারা। আর জামায়াত থেকে বের হয়ে মুক্তিযুদ্ধকে স্বীকার করার কথা বলেছেন এবি পার্টির নেতারা।

তবে এবি পার্টির সঙ্গে কোন জোট হচ্ছে না বলে নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ। তিনি বলেন, ‘আমরা উনাদের বলেছি, আমরা কারও সঙ্গেই জোট করতে চাচ্ছি না। আপনাদের সঙ্গে জোট করবো না। তবে আমরা যুগপৎ আন্দোলন করতে পারি। উনারা আমাদের বলেছেন, আমরা মিটিং করে আপনাদের জানাবো। যার একটি লিয়াজো কমিটি থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা তো বিএনপিকেও বলেছি, আমরা এই মূহুর্তে কোন জোটে যাব না।’

মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াত ইসলামী থেকে বেরিয়ে এবি পার্টির হয়েছে। তা ছাড়া দুই ধরনের দুটি রাজনেতিক দলের বৈঠক নিয়ে আবু সাইয়িদ বলেন, ‘আমরা এবি পার্টির গঠনতন্ত্র দেখলাম। দলটির নেতাদের সঙ্গে পরিচিত হলাম। জামায়াতের বিষয়ে তাদের বক্তব্য হলো- আমরা জামায়াত থেকে বেরিয়ে এসে এবি পার্টি করেছি। জামায়াত জাতির কাছে ক্ষমা চায় নি বলেই আমরা নতুন দল করেছি। আমাদের মনে হয়েছে, এদেশকে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদেরও আছে।’

বৈঠকে গণফোরামের ওই অংশের সভাপতি মোস্তফা মোহসীন মন্টু বলেন- ‘দুর্নীতিবাজ লুটেরা সরকার জনতার নিরাপত্তায় একেবারেই উদাসীন। দীর্ঘদিন ধরে পুরান ঢাকার মানুষের জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে কেমিক্যাল, প্লাস্টিক ও দাহ্য পদার্থের গোডাউন সরানোর কোন উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ নেয়নি। যখন কোন দুর্ঘটনা ঘটে জনগণের চোখে ধুলো দিয়ে তৎপরতা দেখায় কিন্তু আসলে এটা ধোঁকা। আশ্চর্য হয়ে যাচ্ছি মানুষের নুন্যতম নিরাপত্তার কথা চিন্তা না করে কিভাবে উন্নয়নের নামে রাজধানীতে মরনফাঁদ করে রেখেছে। এই মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের তত্ত্বাবধায়নে। নুন্যতম দায়িত্ববোধ থাকলে পদত্যাগ করতেন। জনগণের প্রতি তাদের যে দায়িত্ববোধের কথা বলেন তা আসলে কুমীরের মায়ের কান্না।’

এবি পার্টির আহবায়ক এএফএম সোলায়মান চৌধুরী বলেন- ‘আমরা চাই মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে নির্দলীয়, নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন যাতে হয় সেই লক্ষ্যে আমরা ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছি এবং গণফোরামের সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করলে সেটা গতিশীল ও কার্যকর হবে। অধিকার বঞ্চিত মানুষের জন্য আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।’

বৈঠকে গণফোরামের নেতাদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক সিনিয়র এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু সাইয়িদ, মহসিন রশিদ, মহিউদ্দিন আবদুল কাদেরসহ, সভাপতি পরিষদ সদস্য- আব্দুল হাসিব চৌধুরী, খান সিদ্দিকুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব খান ফারুক, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ রওশন ইয়াজদানী তথ্য ও গণমাধ্যম সম্পাদক মুহাম্মদ উল্লাহ মধু।

এবি পার্টির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন দলের সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু, যুগ্ম-সদস্য সচিব ব্যারিষ্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, ব্যারিষ্টার জুবায়ের আহমদ ভূঁইয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহবায়ক বিএম নাজমুল হক প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
কেউ জামায়াতের, কেউ সরকারের ‘বি টিম’ বলছে
বিকশিত হতে পারছে না এবি পার্টি
এবি পার্টিতে ব্যারিস্টার রাজ্জাকও

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In the 50 years of independence the Sada Dal of DU has not seen such a bad time

স্বাধীনতার ৫০ বছরে এমন বাজে সময় দেখেনি ঢাবির সাদা দল

স্বাধীনতার ৫০ বছরে এমন বাজে সময় দেখেনি ঢাবির সাদা দল জ্বালানি ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে সাদা দলের নেতারা। ছবি: নিউজবাংলা
‘বিশ্বে যখন জ্বালানি তেলের দাম কমছে, তখন আত্মঘাতী একটি সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দেশে দাম বাড়ানো হয়েছে। বিদ্যুৎ খাতেও বিপর্যয় ঘটেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়ে জনগণের ‌অবস্থা নাভিশ্বাস। ডিমের দামও বেড়ে গেছে। সরকার জনগণকে নিয়ে খেলতামাশা লাগিয়ে রেখেছে, ছিনিমিনি খেলছে। কারণ তারা জানে জনগণের ভোট তাদের লাগে না।’

বর্তমান সময়কে ক্রান্তিকাল হিসেবে দেখছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনপি ও জামায়াতপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল। তাদের দাবি, স্বাধীনতার ৫০ বছরের মধ্যে দেশে বর্তমানের মতো এত কঠিন সময় আর আসেনি।

বিদ্যুৎ খাতে বিপর্যয় এবং জ্বালানি ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে মানববন্ধনে এসব কথা বলেন সাদা দলের নেতারা।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক লুৎফর রহমান বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশের যে পরিস্থিতি সেটি জাতির একটি ক্রান্তিলগ্ন। স্বাধীনতার পর এ রকম ক্রান্তিলগ্ন এ দেশের মানুষ দেখেনি। আমরা জনগণের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবেকবান শিক্ষকরা এখানে দাঁড়িয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ খাতের এই বিপর্যয় একদিনে ঘটেনি। দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ খাতের অব্যবস্থাপনা, চুরি-ডাকাতি এবং রেন্টাল ও কুইক রেন্টালের নামে টাকা-পয়সা যে পাচার করা হয়েছে কিংবা দিয়ে দেয়া হয়েছে, তারই সমন্বিত প্রভাব আজকের এই বিদ্যুৎ খাতের বিপর্যয়। জনগণের পিঠ আজ দেয়ালে ঠেকে গেছে। সরকারের উচিত দায়িত্বশীল আচরণ করে এই দুর্ভোগ কমানো।’

সাদা দলের সাবেক আহ্বায়ক ও পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘বিশ্বে যখন জ্বালানি তেলের দাম কমছে, তখন আত্মঘাতী একটি সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দেশে দাম বাড়ানো হয়েছে। বিদ্যুৎ খাতেও বিপর্যয় ঘটেছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়ে জনগণের ‌অবস্থা নাভিশ্বাস। ডিমের দামও বেড়ে গেছে। সরকার জনগণকে নিয়ে খেলতামাশা লাগিয়ে রেখেছে, ছিনিমিনি খেলছে। কারণ তারা জানে জনগণের ভোট তাদের লাগে না।’

বিরোধীদের আন্দোলনে বাধা না দেয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের কথা তুলে ধরে ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘এসব কথা মুখে মধু রেখে অন্তরে বিষ রাখার মতো।

‘ভোলায় মিছিল হয়েছে, ছাত্রদলের সভাপতি মারা গেছে, তাদের মধু খাওয়াইছে নাকি বিষ খাওয়াইছে সেটা হচ্ছে দেখার বিষয়। সুতরাং আন্দোলন করলে কিছু করা হবে না, এ সমস্ত ভণ্ড কথা বাদ দেয়া উচিত।’

ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ সাদা দলের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি ও অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আল আমিনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে ফিন্যান্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সাদা দলের সাবেক আহ্বায়ক ও রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক এমরান কাইয়ুম, আব্দুস সালামও মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন:
ঢাবির ‘চ’ ইউনিটের অঙ্কনে পাস ১৬.০৫ শতাংশ 
ঢাবিতে কষ্ট পেলেও থামছেন না বেলাল
ঢাবির ‘গ’ ইউনিটে ফেল প্রায় ৮৬ শতাংশ
ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের ফল আজ
১০২ পাউন্ডের কেক কেটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Fakhrul wants to investigate the human rights situation under the supervision of the United Nations

জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে মানবাধিকার পরিস্থিতির তদন্ত চান ফখরুল

জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে মানবাধিকার পরিস্থিতির তদন্ত চান ফখরুল
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘জোর করে ক্ষমতায় থাকা এই অবৈধ সরকারের সঙ্গে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর তুলনা করতে হবে। নির্যাতন, হত্যা, গুম করে অনির্বাচিত এই সরকার দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা ধ্বংস করেছে। সবাই মিলে তাদেরকে হটিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে কমিটি গঠন করে বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতির সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে এক দোয়া মাহফিলে অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান। খালেদা জিয়ার ৭৮তম জন্মদিন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ঢাকা মহানগর বিএনপি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে দেশে ভয়াবহ ফ্যাসিবাদী শাসন চলছে। রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে অত্যাচার-নির্যাতন করে ক্ষমতায় বসে আছে সরকার। এ কথাগুলো আমরা বার বার বলে আসছি।

‘দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার ইতিহাস হলো গণতন্ত্রের ইতিহাস। তিনি সারাটা জীবন গণতন্ত্র রক্ষা, পুনরুদ্ধার ও চর্চায় ব্যয় করেছেন। খালেদা জিয়া একটি প্রতিষ্ঠান। দেশের মানুষকে মুক্ত করতে তিনি লড়াই করে চলেছেন। গণতন্ত্রের জন্যই ভয়াবহ ফ্যাসিস্ট সরকার মিথ্যা মামলায় তাকে কারান্তরীণ করে রেখেছে।

‘আমাদের নেতা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে নির্বাসিত করে রাখা হয়েছে। ৩৫ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে। প্রতিদিন গ্রেপ্তার ও মিথ্যা মামলা দিচ্ছে।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘জোর করে ক্ষমতায় থাকা এই অবৈধ সরকারের সঙ্গে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর তুলনা করতে হবে। নির্যাতন, হত্যা, গুম করে অনির্বাচিত এই সরকার দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা ধ্বংস করেছে।

‘সরকারের পায়ের তলায় মাটি নেই, জনগণ তাদের সঙ্গে নেই। তারপরও এই সরকার সহজে যাবে না। সবাই মিলে তাদেরকে হটিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

বিএনপি চেয়ারপারসনের মুক্তি প্রথম দাবি উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই সরকারকে পদত্যাগ করে, সংসদ বিলুপ্ত করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে।’

মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে অংশ নেন ঢাকা মহানগর বিএনপি দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম, উত্তরের আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, বিএনপি নেতা আবদুস সালাম, মীর সরাফত আলী সপু প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
বিএনপির কর্মসূচিতে ড্রোন, ফখরুল বললেন, ‘ভয় পাই’
সরকারের দিন ফুরিয়ে এসেছে: ফখরুল
জ্বালানি তেল নিয়ে মন্ত্রী নাকি সচিব ঠিক, প্রশ্ন ফখরুলের
আর কান্না নয়, এবার জাগতে হবে: ফখরুল
যুগপৎ আন্দোলন হবেই, নিশ্চিত ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangladesh will be the world champion in mismanagement GM Quader

অব্যবস্থাপনায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবে বাংলাদেশ : জি এম কাদের

অব্যবস্থাপনায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবে বাংলাদেশ : জি এম কাদের জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। ফাইল ছবি
জি এম কাদের বলেন, ‘এমন মৃত্যু মেনে নেয়া যায় না। ভারী ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা সংরক্ষিত থাকার কথা। কার অবহেলায় ঝুঁকিপূর্ণ স্থানটি সংরক্ষণ করা হয়নি, তা খতিয়ে দেখে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।’

অব্যবস্থাপনায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবে বাংলাদেশ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদের। সোমবার বিআরটি প্রকল্পের গার্ডার চাপায় পাঁচ ও চকবাজারের অগ্নিকাণ্ডে ছয়জনের মৃত্যুতে মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোকবার্তায় তিনি এমন মন্তব্য করেন।

শোকবার্তায় নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান।

জি এম কাদের বলেন, ‘এমন মৃত্যু মেনে নেয়া যায় না। ভারী ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা সংরক্ষিত থাকার কথা। কার অবহেলায় ঝুঁকিপূর্ণ স্থানটি সংরক্ষণ করা হয়নি, তা খতিয়ে দেখে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।

‘জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ যেন অব্যবস্থাপনার স্বর্গরাজ্য। মনে হচ্ছে, জরিপে অব্যবস্থাপনায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবে বাংলাদেশ। প্রতিদিনই অবহেলা আর অব্যবস্থাপনায় অসংখ্য মায়ের কোল খালি হবে- এটাই যেন স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দুর্ঘটনা এখন দৈনন্দিন ঘটনায় পরিণত হয়েছে। তা সড়কপথে হোক, নৌপথে হোক কিংবা শিল্প-কারখানায় হোক বা যেকোনো জনসমাগমস্থলেই হোক। এভাবে চলতে দেয়া যায় না। দুটি দুর্ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হবে।’

কোনো দায়মুক্তি নয়, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

রাজধানীর চকবাজারের কামালবাগ এলাকার একটি চারতলা ভবনে আগুনের ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ছয়জন। আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রায় আড়াই ঘণ্টা কাজ করে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট। ভবনটির নিচতলার হোটেল থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা এমনটা জানালেও ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো বক্তব্য মেলেনি৷ পাঁচ সদস্যের কমিটি তদন্ত করে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে নিশ্চিত হবে।

তবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও প্রাথমিক তদন্তে বরিশাল হোটেল থেকেই যে আগুনের সূত্রপাত- এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন একাধিক সংস্থার কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে রাজধানীর উত্তরায় নির্মাণাধীন বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট বা বিআরটি প্রকল্পের ফ্লাইওভারের গার্ডার পড়ে পাঁচজন নিহত হন। ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangabandhu assassination commission outline ready Law Minister

বঙ্গবন্ধু হত্যার তদন্তে কমিশনের রূপরেখা প্রস্তুত: আইনমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু হত্যার তদন্তে কমিশনের রূপরেখা প্রস্তুত: আইনমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘আমরা কমিশনের রূপরেখা তৈরি করেছি। ২০১৯ সালে যখন প্ল্যান করলাম, তখন করোনার আক্রমণ শুরু হলো। এটার সঙ্গে বঙ্গবন্ধুকন্যা ওতপ্রোতভাবে জড়িত৷ এ ক্ষেত্রে তার আদেশ শিরোধার্য। তিনি হয়তো পরিমার্জন করবেন, সে জন্য এর আগে আমি এটি জনসমক্ষে আনতে চাই না।’

দুই বছর আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডে তদন্ত কমিশন গঠনের কথা জানিয়েছিল ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। দুই বছর পরে এসে সে হত্যাকাণ্ডের তদন্তে ‘অচিরেই’ কমিশন গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। সে লক্ষ্যে একটি রূপরেখাও প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে মঙ্গলবার ‘সম্প্রীতির পথে সাফল্যের অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা জানান আইনমন্ত্রী। সভা আয়োজন করে সম্প্রীতি বাংলাদেশ নামের একটি সংগঠন।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ‘আমরা কমিশনের রূপরেখা তৈরি করেছি। ২০১৯ সালে যখন প্ল্যান করলাম, তখন করোনার আক্রমণ শুরু হলো। এটার সঙ্গে বঙ্গবন্ধুকন্যা ওতপ্রোতভাবে জড়িত৷ এ ক্ষেত্রে তার আদেশ শিরোধার্য। তিনি হয়তো পরিমার্জন করবেন, সে জন্য এর আগে আমি এটি জনসমক্ষে আনতে চাই না।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে, তাকে হত্যা করা হবে, এটা কেউ ভাবতেও পারেনি। যারা ঘরের পাহারায় ছিল, তারাই বেইমানি করেছে। সে কারণেই তারা ঘরে ঢুকতে পেরেছে। বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে যদি কোনো আন্দোলন হতো, অপজিশন পার্টি থেকে, তাহলেও মানা যেত। ফলে এটাকে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বলা যাবে না। এটা ষড়যন্ত্রমূলক হত্যাকাণ্ড।’

বঙ্গবন্ধু হত্যা পরিকল্পিত ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবি করে আনিসুল হক বলেন, ‘বাংলাদেশ এবং বঙ্গবন্ধু এটা অবিচ্ছেদ্য। যারা তাকে হত্যা করেছে, তারা বুঝতে পেরেছিল, যে ব্যর্থ রাষ্ট্র তারা করতে চেয়েছে, তার পরিবারের এক ফোঁটা রক্ত থাকলে সেটা তারা করতে পারবে না। এ থেকেই বোঝা যায়, এটি পূর্বপরিকল্পিত, ষড়যন্ত্রমূলক হত্যা।’

বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান জড়িত ছিলেন বলে অনেক আগে থেকেই দাবি করে আসছেন আওয়ামী লীগের নেতারা।

এমনকি দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন সময় বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে জিয়াউর রহমানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে বক্তব্য দিয়েছেন। আইনমন্ত্রী আনিসুল হকও সে বিষয়টি সামনে এনেছেন।

জিয়াউর রহমানের সমালোচনা করে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘জিয়াউর রহমান তো শুরুই করেছিলেন শাহ আইজুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রী বানিয়ে। তিনি ছিলেন রাজাকার নাম্বার ওয়ান। এ ছাড়া তার মন্ত্রিসভার অনেকেই আইয়ুব খানের মন্ত্রী ছিলেন। এই গোষ্ঠীর ধারাটা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যেই জিয়াউর রহমান দেশ শাসন শুরু করেছিলেন।’

আলোচনা সভায় বাংলাদেশে সফররত জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক চেয়রাম্যানের কাছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থার লোকজনের অভিযোগ করা নিয়েও বক্তব্য দেন। বলেন, দেশে এখনও বাকস্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক চেয়ারম্যানের কাছে কিছু মানবাধিকারকর্মী বলেছে বাংলাদেশ নাকি পুলিশ স্টেট। অথচ এরা টক শোতে যায়, তারা অসভ্য ল্যাংগুয়েজ পর্যন্ত ব্যবহার করে। আমরা বাধা দিই না। এটাই বাকস্বাধীনতা। এটাই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা।’

আলোচনায় বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যের ঘটনায় তদন্ত কমিটি দাবি করেন সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক।

তিনি বলেন, ‘আমরা আত্মতৃপ্তির জন্য বলে থাকি বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা কী তাই? বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যের ঘটনায় অত্যন্ত শক্তিশালী তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে। অনেক শক্তিশালী লোকের নাম চলে আসবে তদন্তে। খেয়াল রাখতে হবে এমন কমিটি গঠন করতে হবে, যারা চোখ রাঙানোকে উপেক্ষা করতে পারবে।’

বিগত বিএনপি, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় বঙ্গবন্ধু হত্যার অনেক তথ্য গায়েব করে দিয়েছে বলে দাবি করেন এই বিচারপতি। বলেন, ‘এগুলো তো খুঁজে বের করা চাট্টিখানি কথা নয়। সেদিন শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল তা নয়, তার আদর্শকেও হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল।’

সভায় রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আলী শিকদার বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যা একটি গণহত্যার শামিল। এই হত্যাকাণ্ড তো হঠাৎ করে ঘটেনি। এর একটি বিশাল প্রেক্ষাপট ছিল। সেই গোষ্ঠী এখনও এ দেশে রাজনীতি করছে, এখনও সজাগ রয়েছে। পাকিস্তানিরা বলেছিল, একাত্তরের পরাজয়ের প্রতিশোধ তারা নেবেন। সে রূপরেখা ধরেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে।’

সাবেক রাষ্ট্রদূত ও সচিব এ কে এম আতিকুর রহমান সভার সভাপতিত্ব করেন, সঞ্চালনা করেন বরেণ্য নাট্য অভিনেতা ও সম্প্রীতি বাংলাদেশের আহ্বায়ক পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন:
ফুর্তি করতে আসিনি, পদ ছাড়তেও রাজি: বিএনপিকে সিইসি
অংশগ্রহণমূলক-স্বচ্ছ ভোটের প্রত্যাশা পশ্চিমাদের
ইসিতে পশ্চিমা কূটনীতিকরা
যাচ্ছেন দোরাইস্বামী, আসছেন দালেলা
এবার ঝিনাইদহ পৌর নির্বাচন স্থগিত

মন্তব্য

p
উপরে