× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The government is determined to suppress communal evil
hear-news
player
print-icon

‘সাম্প্রদায়িক অপশক্তি দমনে সরকার বদ্ধপরিকর’

সাম্প্রদায়িক-অপশক্তি-দমনে-সরকার-বদ্ধপরিকর
শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামে শ্রীকৃষ্ণ মন্দির থেকে রথযাত্রার উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে মাঝেমধ্যে সাম্প্রদায়িক শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করে। এই অপশক্তি সাপের মতো ছোবল মারতে চায়। বিভিন্ন সময় সেই অপচেষ্টা হয়েছে। আমাদের সরকার সেগুলোকে কঠোর হস্তে দমন করেছে। আমরা যেকোনো সাম্প্রদায়িক অপশক্তি কঠোর হস্তে দমনে বদ্ধপরিকর।’

বর্তমান সরকার যেকোনো সাম্প্রদায়িক অপশক্তি কঠোর হস্তে দমনে বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামে শ্রীকৃষ্ণ মন্দির আয়োজিত রথযাত্রার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ কথা জানান।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে মাঝেমধ্যে সাম্প্রদায়িক শক্তি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করে। এই অপশক্তি সাপের মতো ছোবল মারতে চায়। বিভিন্ন সময় সেই অপচেষ্টা হয়েছে। আমাদের সরকার সেগুলোকে কঠোর হস্তে দমন করেছে। আমরা যেকোনো সাম্প্রদায়িক অপশক্তি কঠোর হস্তে দমনে বদ্ধপরিকর।’

তিনি বলেন, ‘যারা সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে লালন-পালন করে, সাম্প্রদায়িকতাকে নিয়ে রাজনীতি করে, সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে যারা দেশে গণ্ডগোল পাকায়, যারা এই দেশকে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়, তাদেরকে আপনারা চেনেন, তাদেরকে বর্জন করুন।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ‘কেউ স্বীকার করুক আর না করুক, ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগ হয়েছিল সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে। হিন্দুদের জন্য একটি রাষ্ট্র আর মুসলিমদের জন্য আরেকটি। বিভাজনের পর আমরা বাঙালিরা অনুধাবন করেছি, এই সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রব্যবস্থা আমাদের জন্য নয়।

‘আমাদের প্রথম পরিচয় হচ্ছে, আমি বাঙালি, আমি বাংলায় কথা বলি, বাংলায় গান গাই। দ্বিতীয় পরিচয় হচ্ছে হিন্দু না মুসলিম, না বৌদ্ধ নাকি খ্রিষ্টান। সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় পাকিস্তানে সেই সংস্কৃতি এবং পরিচয় যখন হুমকির মুখে পড়ল, তখন জাতির পিতার নেতৃত্বে বাংলাদেশ রচিত হয়।’

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আপনারা ভালো করে জানেন এবং বোঝেন, কারা এই দেশকে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। আর দুর্যোগ-দুর্বিপাকে প্রয়োজনের সময় কারা আপনাদের পাশে থাকে, সেই কথাটি সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।’

ইসকন প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরের অধ্যক্ষ লীলারাজ দাশ ব্রহ্মচারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. মমিনুর রহমান, চট্টগ্রামস্থ ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন ও ইসকন চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক চিন্ময় কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারী।

আরও পড়ুন:
শিক্ষক নিপীড়ন: পুলিশের নির্লিপ্ততা নিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশ্ন
শিক্ষককে জুতার মালা: প্রধান অভিযুক্ত রনি গ্রেপ্তার
অধ্যক্ষের গলায় জুতার মালা ওসির সামনেই
শিক্ষককে জুতার মালা: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত কমিটি
‘শিক্ষকের নয়, পুরো জাতির গলায় জুতার মালা পরানো হয়েছে’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The crowd of homebound people on the train is still low

ট্রেনে ঘরমুখো মানুষের ভিড় এখনও, ফিরছে কম

ট্রেনে ঘরমুখো মানুষের ভিড় এখনও, ফিরছে কম এখনও ঢাকা ছাড়ছেন অনেকেই, তাই কমলাপুরেও ছিল অনেক রুটের টিকিট সংকট। ছবি: নিউজবাংলা
ঈদের পরও বাড়ি যেতে পরিবার নিয়ে মানুষ স্টেশনে আসছেন। যারা ঢাকা ছাড়ছেন, তাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

ঈদুল আজহার ছুটি শেষে যখন এক এক করে মানুষ রাজধানীমুখী হতে শুরু করছে, তখনও অনেকটাই ভিন্ন চিত্র চোখে পড়ে ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনে।

মঙ্গলবার ঈদের তৃতীয় দিনেও ঘরমুখো মানুষের ভিড় দেখা গেছে কমলাপুর রেলস্টেশনে। ঘরমুখো এসব মানুষের অনেকেই আবার টিকিট সংকটে পড়েছেন বলে জানান।

ঈদের পরও বাড়ি যেতে পরিবার নিয়ে মানুষ স্টেশনে আসছেন। যারা ঢাকা ছাড়ছেন, তাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।

মমতা বেগম। যাবেন পাবনা। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘ঈদের পরে বাড়ি যাচ্ছি। কিন্তু এই সময়ও টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না।’

বগুড়ার সান্তাহার যাবেন লীনা হোসেন। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি ও আমার পরিবার ঈদ ঢাকায় করি। কিন্তু ঈদের পরে বাবার বাড়ি যাচ্ছি।’

বাবা-মায়ের সঙ্গে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছে ৭ বছরের আপন। তার মা জানান, ছেলে, মেয়ে, স্বামীসহ পরিবারের চারজন গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ যাচ্ছেন ঈদের পরে বেড়াতে।

আইনজীবী আমির হামজা পরিবার নিয়ে থাকেন নারায়ণগঞ্জে। যাবেন জামালপুর। কমলাপুর রেলস্টেশনে সকালে এসেছেন, কিন্তু পাচ্ছেন না সেই রুটের টিকিট।

তিনি বলেন, ‘ঝামেলার কারণে ঈদে বাড়িতে যেতে পারিনি। এখন যেতে চাচ্ছি, কিন্তু টিকিট পাচ্ছি না।’

এদিকে ঢাকামুখী মানুষের ভিড় মঙ্গলবার তেমন দেখা যায়নি কমলাপুরে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ট্রেনগুলোতে মানুষজন খুব ফিরছেন।

কমলাপুর রেলস্টেশনে দায়িত্বরত এক আনসার সদস্য নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এখনো মানুষ ঢাকায় ফিরতেছে না। মানুষ শুধু ঢাকা ছেড়েই যাচ্ছে। ঢাকায় আরও দুই-তিন দিন পরে ফিরবে মানুষ। তখন হবে অনেক ভিড়।’

তবে এখন ট্রেনের কোনো শিডিউল বিপর্যয় নেই বলে জানালেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন:
ট্রেনের ইঞ্জিনে যাত্রী তোলা নিয়ে দেড় ঘণ্টার দুর্ভোগ
ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় জনস্রোতে: রেলওয়ে
বাড়তি ভাড়া আদায় সাড়ে ১১ হাজার, জরিমানা ৫০০
যাত্রা বাতিল নয়, চলবে পঞ্চগড় ও দ্রুতযান এক্সপ্রেস
গাবতলীতে যানজট নেই

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Kuakata waiting for travelers

ভ্রমণপিপাসুদের অপেক্ষায় কুয়াকাটা

ভ্রমণপিপাসুদের অপেক্ষায় কুয়াকাটা ভ্রমণপিপাসু পর্যটকদের অপেক্ষায় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এ সমুদ্র সৈকত। ছবি: নিউজবাংলা
কুয়াকাটার প্রায় শতভাগ হোটেল-মোটেল বুক হয়ে গেছে। কিন্তু কুয়াকাটায় রোববার শেষ বিকেল থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন। বলতে গেলে এক ধরনের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া। এ ছাড়া ঈদুল আজহার প্রথম দুদিন পা‌রিবা‌রিকভা‌বে সবাই কমবে‌শি ব্যস্ত থাকেন। তাই পর্যটকের ঢল বলতে যা বোঝায়, তা শুরু হবে মঙ্গলবার থেকে।

প্রতি বছর ঈদ উপলক্ষে সাগরকন্যা কুয়াকাটা মুখরিত থাকে পর্যটকের আনাগোনায়। কিন্তু মহামারি করোনার কারণে গত দুই বছর তেমন লাভের মুখ দেখেননি এখানকার পর্যটক ব্যবসায়ীরা। সড়কপথে ঢাকার সবচেয়ে কাছের সমুদ্রসৈকত এখন কুয়াকাটা। একসময় ঢাকা থেকে কুয়াকাটায় সড়কপথে যেতে একাধিক ফেরি পার হতে হতো। সেসব নদীতে এখন সেতু হয়ে গেছে।

এবার পদ্মায় সেতু চালু হওয়ায় কুয়াকাটা পর্যন্ত সড়কে আর কোনো ফেরি পারের ঝক্কিঝামেলা নেই। কোনো দুর্ভোগ ছাড়াই স্বল্প সময়ে কুয়াকাটা যেতে পারবেন পর্যটকরা।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের সর্বদক্ষিণের জেলা পটুয়াখালীর শেষ প্রান্তে অবস্থিত দ্বিতীয় বৃহত্তম এ সমুদ্রসৈকতের পাড়ে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্তের মতো নৈসর্গিক দৃশ্য উপভোগ করতে ভ্রমণপিপাসু পর্যটকদের আনাগোনা শুরু হয়েছে সোমবার থেকে। তবে তা ব্যবসায়ীদের কাছে আশানুরূপ নয়।

এখানকার ব্যবসায়ীরা বলছেন, কুয়াকাটার প্রায় শতভাগ হোটেল-মোটেল বুক হয়ে গেছে। কিন্তু কুয়াকাটায় রোববার শেষ বিকেল থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন। বলতে গেলে এক ধরনের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া। এ ছাড়া ঈদুল আজহার প্রথম দুদিন পা‌রিবা‌রিকভা‌বে সবাই কমবে‌শি ব্যস্ত থাকেন। তাই পর্যটকের ঢল বলতে যা বোঝায়, তা শুরু হবে মঙ্গলবার থেকে।

কুয়াকাটা হো‌টেল-মো‌টেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আ. মোতা‌লেব শরীফ নিউজবাংলাকে জানান, কুয়াকাটায় অ্যাসোসিয়েশনভুক্ত আবাসিক হোটেল রয়েছে ৭৪টি। এর বাইরে আরও ৫৬টি হোটেল আছে। এ ছাড়া প্রথম শ্রেণির হোটেল আছে ১৫টি। সব মিলিয়ে এসব হোটেলে থাকতে পারবেন ১৫ হাজার মানুষ।

ভ্রমণপিপাসুদের অপেক্ষায় কুয়াকাটা

তিনি বলেন, ‘সপ্তাহখা‌নেক আ‌গেই এখানকার প্রায় শতভাগ হো‌টেল-মো‌টেল বুকিং দেয়া হয়ে গেছে। ঈদুল আজহার প্রথম দুই দিন পা‌রিবা‌রিকভা‌বে সবাই কমবে‌শি ব্যস্ত থাকায় পর্যটকের উপস্থিতি কম। যা আছে, তা স্থানীয় ও আশপাশ এলাকার পর্যটক।

‘বর্ষা মৌসুমে সাধারণত পর্যটকের আনাগোনা কম থাকে, কিন্তু এ বছর পদ্মা সেতু চালু আর পবিত্র ঈদুল আজহা মিলে আমাদের ধারণা ছিল রোববার এবং আজকে (সোমবার) আমরা কাঙ্ক্ষিত পর্যটক পাব। কিন্তু আসলে সেটি হয়নি। আশা করি, কয়েক দিনের মধ্যে ১০ থেকে ১৫ হাজার পর্যটকের উপস্থিতি আমরা দেখতে পাব।’

সমুদ্রবাড়ী রি‌সোর্টের ব্যবস্থাপনা প‌রিচালক জ‌হিরুল ইসলাম মিরন বলেন, ‘আমা‌দের হো‌টেল কাল থে‌কে এক সপ্তাহ পর্যন্ত অ‌গ্রিম বু‌কিং হ‌য়ে‌ছে। গতকাল ও আজ যে পরিমাণ পর্যট‌কের উপ‌স্থি‌তি, তা প্রায় সবই স্থানীয়। মুষ্টিমেয় পর্যটক আ‌ছেন, যারা বি‌ভিন্ন এলাকা থে‌কে এ‌সে‌ছেন। এর মধ্যে গত প্রায় পাঁচ/সাত দিন ধরে কিছু বিদেশি পর্যটকও এখানে অবস্থান করছেন।’

ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) সদস্য আবুল হোসেন রাজু বলেন, ‘কুয়াকাটায় রোববার শেষ বিকেল থেকে বৃষ্টি হয়েছে। সোমবার সকাল থেকেও বৃষ্টি হচ্ছে থেমে থেমে। আবহাওয়া ভালো থাকলে মঙ্গলবার থেকেই পর্যটকে মুখরিত হবে কুয়াকাটা।’

আরও পড়ুন:
এক মাসেই ভেসে এলো ৮ ডলফিন
পর্যটকদের হাতছানি দিচ্ছে ‘সাগরকন্যা’
করোনা: কুয়াকাটা ১৫ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা
স্বতন্ত্র ঠেকাতে আ. লীগ-বিএনপি ভাই ভাই
সাগরকন্যায় সাত মাসে ৬ পর্যটকের লাশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dhaka is empty

ঢাকা ফাঁকা

ঢাকা ফাঁকা এমন ফাঁকা রাস্তা রাজধানীবাসী সচারচর দেখে না। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা
সকালের দিকে ব্যক্তিগত কিছু যানবাহন ছাড়া রাজধানীতে চলেছে একেবারে কমসংখ্যক গণপরিবহন। সড়কে মাঝেমধ্যে দুই-একটি বাস দেখা যাচ্ছে। যে বাস চলছে, তাতে যাত্রী নেই বললেই চলে।

যানজট, কোলাহল, মোড়ে মোড়ে গাড়ি, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, রিকশার জট; সাধারণত এমনই চিত্র রাজধানী ঢাকার নিত্যসঙ্গী। রোববার ঈদের দিনে সে চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। রাস্তায় নেই কোনো যানজট, মোড়ে মোড়ে নেই গাড়ি, রিকশার জটলা, নেই ট্রাফিক সিগন্যালের বিধিনিষেধ। একদম ফাঁকা। বলা যায়, এ এক অচেনা ঢাকা।

রোববার ঈদুল আজহার দিনে রাজধানীর মগবাজার, বাংলামটর, কারওয়ান বাজার, শাহবাগ, ফার্মগেট, বেইলি রোড, কাকরাইল, সেগুনবাগিচা, বাড্ডা, গুলশানসহ বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে এমনই চিত্র দেখা গেছে।

রাজধানী মূলত ফাঁকা হতে শুরু করে গত শুক্রবার থেকে। অফিস বন্ধ হওয়ায় এ দিন অনেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে ছুটতে থাকেন নাড়ির টানে। গতকাল শনিবার ঢাকার বেশকিছু এলাকায় যানজট তৈরি হয় গরুর হাটের কারণে। তবে ঈদের দিনে এ চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।

সকালের দিকে ব্যক্তিগত কিছু যানবাহন ছাড়া রাজধানীতে চলেছে একেবারে কমসংখ্যক গণপরিবহন। সড়কে মাঝেমধ্যে দুই-একটি বাস দেখা যাচ্ছে। যে বাস চলছে, তাতে যাত্রী নেই বললেই চলে।

রাস্তায় রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, প্রাইভেট কারের সংখ্যাও খুব কম।

ঢাকা ফাঁকা
রাজধানীর মৎস ভবন এলাকায় ফাঁকা রাস্তা। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা

মগবাজার থেকে সায়দাবাদগামী একটি বাসের চালক সেলিম রেজা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যাত্রী কম হইলেও ফাঁকা রাস্তায় গাড়ি চালাইয়া আরাম পাইতাছি।’

একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানালেন মোটরবাইকে রাইড শেয়ার করা সোলায়মান হোসেন। তিনি বলেন, ‘সাধারণত কল্যাণপুর থেকে মগবাজার আসতে কমপক্ষে দেড় ঘণ্টার মতো লেগে যায়। আজ এ পথ এসেছি মাত্র ২০ মিনিটে।’

তিনি আরও বলেন, ‘গতকাল থেকেই মূলত ঢাকা ফাঁকা হতে শুরু করে। আজ আরও বেশি ফাঁকা লাগছে। সব রাস্তাই একদম খালি। রাস্তায় মানুষের আনাগোনাও একদমই নাই বললে চলে।’

শুধু গাড়ির চালক নয়, ঈদের দিনে অলস সময় পার করছেন ট্রাফিক পুলিশও। রাস্তা ফাঁকা থাকায় বেশির ভাগ সিগন্যালের ট্রাফিক পুলিশের কাজ নেই। তাই তারাও নিতে পারছেন অনেকটাই বিশ্রাম। অবশ্য তারপরও তাদের থাকতে হচ্ছে নির্দিষ্ট পয়েন্টের পুলিশ বক্সে।

ঢাকা ফাঁকা
চির ব্যস্ত রাজধানীর মতিঝিলের ব্যাংকপাড়াও ফাঁকা। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা

মগবাজার মোড় সিগন্যালের পুলিশ বক্সে কথা হয় ট্রাফিক পুলিশ ইসমাইলের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘সকাল থেকেই গাড়ির তেমন চাপ নেই। তাই বলা যায় এক ধরনের অলস সময় পার করছি।’

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ঈদের নামাজ আদায় শেষে পশু কোরবানিতে ব্যস্ত রয়েছেন মুসল্লিরা। গুটিকয়েক কিশোরকে মূল সড়কের পাশে চায়ের দোকানে আড্ডা দিতে দেখা গেছে। অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ থাকলেও কিছু কিছু মিষ্টি ও খাবারের দোকান এখনও খোলা।

বাংলামটর মোড়ে কথা হয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত খায়ের শেখের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘বোনের বাসায় দুপুরে দাওয়াত রয়েছে। তাই বের হয়েছি। কিন্তু এখন কোনো গণপরিবহন পাচ্ছি না। বাধ্য হয়ে রিকশায় করে রওনা দিচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ রকম পরিবেশ ঢাকায় খুব কমই দেখা যায়। কোথাও কোনো কোলাহল নেই। ঢাকা একদমই ফাঁকা। এ যেন অন্যরকম অনুভূতি।’

আরও পড়ুন:
বন্যার্তদের পাশে থাকার আহ্বান কাদেরের
জাতির মঙ্গল কামনায় বিশেষ দোয়া
গোর-এ শহীদে ৩ লাখ মুসল্লির প্রার্থনা
মন্দা কাটিয়ে নতুন সম্ভাবনায় এগোবে দেশ: রাষ্ট্রপতি
অলিগলিতে চলছে চামড়া সংগ্রহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Wishing peace and prosperity to the Muslim Ummah in Sholakia

শোলাকিয়ায় মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা

শোলাকিয়ায় মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে ১৯৫তম ঈদের নামাজ শুরু হয় রোববার সকাল ৯টায়। এতে ইমামতি করেন শহরের মারকাজ মসজিদের ইমাম মাওলানা হিফজুর রহমান খান।

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ মাঠে ঈদুল আজহার নামাজ হয়েছে।

এই ঈদগাহে ১৯৫তম ঈদের নামাজ শুরু হয় রোববার সকাল ৯টায়। এতে ইমামতি করেন শহরের মারকাজ মসজিদের ইমাম মাওলানা হিফজুর রহমান খান।

এতে অংশ নেন জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।

নামাজ শেষে মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

দীর্ঘদিন ধরে এই ঈদগাহে দেশের সবচেয়ে বড় জামাত হয় বলে দাবি করেন আয়োজকরা। জেলার বাইরে থেকেও মুসল্লিরা এখানে আসেন ঈদের নামাজ পড়তে।

ঈদের জামাতকে ঘিরে নেয়া হয় চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। র‍্যাব, পুলিশের পাশাপাশি ছিল দুই প্লাটুন বিজিবি।

জেলা পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ নিউজবাংলাকে জানান, ঈদুল আজহার জামাতকে ঘিরে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। সাদা পোশাকেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করেছে। মাঠে আর্চওয়ে, একাধিক ওয়াচ টাওয়ার, ড্রোন ক্যামেরা, ভিডিও ক্যামেরা, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়।

শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলম বলেন, ‘করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ঈদগাহ ময়দানে ঢোকার সময় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ব্যাপারে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

‘নিরাপত্তার স্বার্থে মোবাইল নিয়ে প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা ছিল। দূরদূরান্ত থেকে আসা মুসল্লিদের জন্য সকালে কিশোরগঞ্জ-ভৈরব ও কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ রুটে দুটি বিশেষ ট্রেন চালু ছিল।’

আরও পড়ুন:
গোর-এ শহীদে ৩ লাখ মুসল্লির প্রার্থনা
মন্দা কাটিয়ে নতুন সম্ভাবনায় এগোবে দেশ: রাষ্ট্রপতি
অলিগলিতে চলছে চামড়া সংগ্রহ
ঈদবার্তায় আফগানিস্তানে শরিয়াহ কায়েমের প্রতিশ্রুতি তালেবান নেতার
বরিশালে তিন শতাধিক মসজিদে ঈদের জামাত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Eid Jamaat for the happiness and prosperity of the country

দেশের সুখ-সমৃদ্ধি কামনায় ঈদের জামাত

দেশের সুখ-সমৃদ্ধি কামনায় ঈদের জামাত
রংপুর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে রোববার সকাল ৮টার দিকে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া রংপুর মহানগরীর ৭৫০টি স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে রংপুরে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নামাজ শেষে মোনাজাতে মুসল্লিরা দেশের সুখ-সমৃদ্ধি ও করোনা মহামারি থেকে দেশের মুক্তি কামনা করে দোয়া করেন।

রংপুর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে রোববার সকাল ৮টার দিকে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া রংপুর মহানগরীর ৭৫০টি স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল ওহাব, জেলা প্রশাসক আসিব আহসান, রংপুর সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র মাহমুদার রহমান টিটু, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মেহেদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার ফেরদৌস আলী চৌধুরীসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাসহ নামাজে হাজার হাজার মুসল্লি অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
অলিগলিতে চলছে চামড়া সংগ্রহ
ঈদবার্তায় আফগানিস্তানে শরিয়াহ কায়েমের প্রতিশ্রুতি তালেবান নেতার
বরিশালে তিন শতাধিক মসজিদে ঈদের জামাত
ডেকে ডেকে বাসের টিকিট বিক্রি
চট্টগ্রামে ঈদের প্রধান জামাতে করোনামুক্তির প্রার্থনা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Prayers of 3 lakh devotees for martyrdom in Gore

গোর-এ শহীদে ৩ লাখ মুসল্লির প্রার্থনা

গোর-এ শহীদে ৩ লাখ মুসল্লির প্রার্থনা
এই জামাতে অংশ নেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারক এম ইনায়েতুর রহিম ও জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম। শুধু স্থানীয়রাই নন, এই জামাতে অংশ নিতে জেলার ১৩টি উপজেলা থেকেই যানবাহন ভাড়া করে আসেন মুসল্লিরা।

দিনাজপুরে ঈদের প্রধান জামাত হয়েছে গোর-এ শহীদ বড় ময়দানে। আয়োজকদের দাবি, এখানে একসঙ্গে ৩ লাখ মুসল্লি নামাজ পড়েছেন এবং এটিই দেশের সবচেয়ে বড় জামাত।

নামাজ শুরু হয় রোববার সকাল সাড়ে ৮টায়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা শামসুল হক কাসেমী।

এই জামাতে অংশ নেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারক এম ইনায়েতুর রহিম ও জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম।

শুধু স্থানীয় মুসল্লিরাই নন, এই জামাতে অংশ নিতে জেলার ১৩টি উপজেলা থেকেই যানবাহন ভাড়া করে আসেন মুসল্লিরা।

জেলা পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন জানান, ঈদের নামাজে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে চার স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয়া হয়। ১ হাজার পুলিশ সদস্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কাজ করেছেন।

এ ছাড়া আছেন পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, ডিবি, ডিএসবি, এনএসআই ও ডিজিএফআইয়ের সদস্যরা। লাগানো হয়েছে ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশন (সিসিটিভি) ক্যামেরা।

নামাজ শেষে হুইপ ইকবালুর রহিম বলেন, ‘ঈদুল ফিতরে এই মাঠে একসঙ্গে ৬ লাখের বেশি মুসল্লি নামাজ পড়েছিল। আমরা আশা করেছিলাম, এবার ৫ লাখের বেশি হবে, কিন্তু মুসল্লি হয়েছে ৩ লাখের বেশি।’

২০১৫ সালে এই ঈদগাহের মিনার নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০১৭ সাল থেকে শুরু হয় ঈদের জামাত।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রামে ঈদের প্রধান জামাতে করোনামুক্তির প্রার্থনা
খুলনা সার্কিট হাউস মাঠে ঈদের প্রধান জামাত
ঈদ শুভেচ্ছায় যা বললেন বিশ্বনেতারা
দুর্যোগ থেকে রক্ষা, দেশ ও দশের সমৃদ্ধি চাইলেন মুসল্লিরা
ঈদের সকালে বাড়ি ফিরছেন তারা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Eid Jamaat in more than three hundred mosques in Barisal

বরিশালে তিন শতাধিক মসজিদে ঈদের জামাত

বরিশালে তিন শতাধিক মসজিদে ঈদের জামাত
জাতীয় ইমাম সমিতি বরিশাল মহানগর শাখার সভাপতি মাওলানা কাজী আব্দুল মান্নান জানান, বরিশাল মহানগরীর সাড়ে চার শ মসজিদের মধ্যে তিন শতাধিক মসজিদে ঈদের জামাত সকাল ৭টা থেকে সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে শেষ হয়েছে।

দেশ ও জাতির অগ্রগতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনায় দোয়া-মোনাজাতের মধ্য দিয়ে বরিশালের সাড়ে চার শ মসজিদের মধ্যে তিন শতাধিক মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বরিশাল নগরীর বান্দ রোডের হেমায়েত উদ্দিন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে রোববার সকাল ৭টার দিকে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সকাল ৭টা থেকে সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত জেলার বেশির ভাগ মসজিদে জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। কয়েকটি মসজিদে সর্বোচ্চ দুটি করে জামাত হয়েছে।

প্রতি বছরের মতো বরিশালের বিভিন্ন আসনের বর্তমান ও সাবেক সংসদ সদস্য, সিটি মেয়র, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিকসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া ব‌রিশাল নগরীর জামে এবাদুল্লাহ মসজিদে প্রথম জামাত সকাল ৮টায়, দ্বিতীয় জামাত সকাল সাড়ে ৯টায়, জামে কসাই মসজিদে সকাল ৮টা ও সকাল সাড়ে ৯টায় ঈদুল আজহা নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই দরবার শরিফে সকাল সাড়ে ৮টায়, উ‌জিরপু‌রের গুঠিয়া বায়তুল আমান জামে মসজিদ ও নেছারাবাদ দরবার শরিফে সকাল ৮টায় ঈদের বৃহত্তম জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাতীয় ইমাম সমিতি বরিশাল মহানগর শাখার সভাপতি মাওলানা কাজী আব্দুল মান্নান জানান, বরিশাল মহানগরীর সাড়ে চার শ মসজিদের মধ্যে তিন শতাধিক মসজিদে ঈদের জামাত সকাল ৭টা থেকে সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে শেষ হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ঈদের সকালে বাড়ি ফিরছেন তারা
বায়তুল মোকাররমে ঈদ জামাতে দেশ-জাতির মঙ্গল কামনা
যানজটে তৃষ্ণার্তদের দিনভর পানি দিল একদল যুবক
এবার ঈদযাত্রা অনেকটা স্বস্তিদায়ক: তথ্যমন্ত্রী
সৌদিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঈদ

মন্তব্য

p
উপরে