× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Attack on Sheikh Hasinas fleet This time the lawyer is threatened with death
hear-news
player
print-icon

শেখ হাসিনার বহরে হামলা: এবার আইনজীবীকে হত্যার হুমকি

শেখ-হাসিনার-বহরে-হামলা-এবার-আইনজীবীকে-হত্যার-হুমকি
সাধারণ ডায়েরিতে বলা হয়, বিচারক মামলার পরবর্তী তারিখ ঠিক করে এজলাস কক্ষ ত্যাগ করার সময় হাবিব ও কয়েকজন আসামি অতিরিক্ত অ্যাটর্নি এ এম মুনীরকে সরাসরি জীবননাশের হুমকি দেন। বিভিন্ন জিনিসপত্র তার দিকে ছুড়তেও থাকেন তারা।

বিরোধীদলীয় নেতা থাকার সময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলায় সাজা পাওয়া আসামি বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলসহ আইনজীবীদের হত্যার হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা সদর থানায় হাবিবের বিরুদ্ধে এই ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আব্দুল লতিফ।

২০০২ সালের ৩০ আগস্ট শেখ হাসিনার গাড়িবহরে গুলি ও বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। আদালতে প্রমাণ হয়েছে, এই হামলায় হাবিবের সম্পৃত্ততা ছিল। তাকে ১০ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

একই ঘটনায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক আইনে করা মামলার বিচার এখনও শেষ হয়নি। বুধবার সাক্ষ্যগ্রহণের সময় হাবিবকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়।

সাতক্ষীরা বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৩-এ সাক্ষ্যগ্রহণের সময় অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম এম মুনির, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল শাহীন মীরা, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

সাধারণ ডায়েরিতে বলা হয়, বিচারক মামলার পরবর্তী তারিখ ঠিক করে এজলাস কক্ষ ত্যাগ করার সময় হাবিব ও কয়েকজন আসামি অতিরিক্ত অ্যাটর্নি এ এম মুনীরকে সরাসরি জীবননাশের হুমকি দেন। বিভিন্ন জিনিসপত্র তার দিকে ছুড়তেও থাকেন তারা।

ডায়েরিতে মামলার পরবর্তী তারিখে নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়।

আইনজীবী আব্দুল লতিফ নিউজবাংলাকে বলেন, এজলাস কক্ষ ত্যাগ করার সময় আসামি হাবিবসহ কয়েকজন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এম মুনীরকে সরাসরি জীবননাশের হুমকি দেন এবং উচ্চস্বরে বিভিন্ন রকম হুমকি ও ভয়ভীতি দেখান। এ ঘটনায় আমি সাতক্ষীরা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছি।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স ম কাইয়ূম নিউজবাংলাকে বলেন, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ
‘খুন’ করে কলকাতা পুলিশ কনস্টেবলের আত্মহত্যা
জার্মানির সুপার মার্কেটে বন্দুক হামলা, নিহত ২
স্কুল চলাকালীন ‘হামলা’, ২ নারী আটক
৬৬% প্রতিষ্ঠান র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণের শিকার: সোফোস

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Life sentence for youth in rape case

ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন

ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন
২০২০ সালের ১২মে সদর উপজেলার রঘুনাথপুর শোলারচর গ্রামের নাওভাঙ্গা ব্রিজ থেকে এক কিশোরীকে অপহরণ করেন পাশের এলাকার টুটুল মিয়া। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা টুটুল মিয়াসহ ৪ জনকে আসামি করে সদর থানায় মামলা করেন।

শেরপুরে কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় টুটুল মিয়া নামের এক যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। অপহরণের আলাদা মামলায় তাকে ১৪ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান আসামির অনুপস্থিতিতে এই রায় দেন।

রায়ে আসামিকে ধর্ষণের দায়ে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। অপহরণ মামলায় তাকে ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। উভয় সাজা একই সঙ্গে চলবে।

সাজাপ্র‍াপ্ত ২৮ বছরের টুটুল মিয়ার বাড়ি সদর উপজেলার রৌহা ইউনিয়নের নাওভাঙ্গা গ্রামে।

ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি গোলাম কিবরিয়া বুলু নিউজবাংলাক এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, ২০২০ সালের ১২মে শেরপুর সদর উপজেলার রঘুনাথপুর শোলারচর গ্রামের নাওভাঙ্গা ব্রিজ থেকে এক কিশোরীকে সিএনজি অটোরিকশায় তুলে অপহরণ করেন পাশের এলাকার টুটুল মিয়া। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে ১৪ মে টুটুল মিয়া এবং তার এক ভাই ও মা-বাবাকে আসামি করে সদর থানায় মামলা করেন।

ওই মামলায় পরদিন অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধার করে টুটুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

একই বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর শুধু টুটুল মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে জামিনে বেরিয়ে পালিয়ে যান টুটুল।

আরও পড়ুন:
ধর্ষণ মামলায় ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার
বাসে ডাকাতি-সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: আরও ২ আসামির স্বীকারোক্তি
ধর্ষণের পর শিশু হত্যার অভিযোগ, আসামি গ্রেপ্তার
বাসে ডাকাতি-ধর্ষণ: ১০ জনকে আদালতে তোলা হচ্ছে বিকেলে  
চলন্ত বাসে ডাকাতির সময় ধর্ষণ ‘রতনের নির্দেশে’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Jannatul went to the hotel with Rezaul

‘রেজাউলের সঙ্গেই হোটেলে যান জান্নাতুল’

‘রেজাউলের সঙ্গেই হোটেলে যান জান্নাতুল’ রেজাউল করিম ও জান্নাতুল নাঈম সিদ্দীক। ছবি: সংগৃহীত
রাজধানীর পান্থপথের ‘ফ্যামিলি সার্ভিস অ্যাপার্টমেন্ট’ নামের হোটেল থেকে বুধবার রাতে মরদেহটি উদ্ধার করে কলাবাগান থানা পুলিশ। ২৭ বছর বয়সী ওই চিকিৎসকের নাম জান্নাতুল নাঈম সিদ্দীক। তিনি ঢাকা কমিউনিটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে এমবিবিএস করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে একটি কোর্সে পড়ছিলেন।

রাজধানীর পান্থপথের ফ্যামিলি সার্ভিস অ্যাপার্টমেন্ট নামের আবাসিক হোটেলে বুধবার সকাল ৮টায় আসেন ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা রেজাউল করিম। সঙ্গে ছিলেন সদ্য এমবিবিএস পাশ করা জান্নাতুল নাঈম সিদ্দীক। হোটেলের কক্ষটি বাইরে থেকে তালা দিয়ে সাড়ে ১০টার দিকে বেরিয়ে যান রেজাউল। এরপর তিনি ফিরে আসেননি।

হোটেলটি থেকে বুধবার রাতে জান্নাতুলের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে কলাবাগান থানা পুলিশ। এরপর খোঁজ শুরু হয় রেজাউলের। অনুসন্ধানের এক পর্যায়ে র‍্যাব চট্টগ্রাম মহানগরী থেকে রেজাউলকে গ্রেপ্তার করে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। তবে জান্নাতুলকে হত্যার কারণসহ রহস্যজট কাটেনি প্রাথমিক তদন্তে।

হোটেল স্টাফদের দেয়া তথ্য ও ফুটেজ বিশ্লেষনে জানা যায়, রেজাউল ও জান্নাতুল হোটেলের চতুর্থ তলার ৩০৫ নম্বর কক্ষে ছিলেন। রেজাউল বের হয়ে যাওয়ার পর কক্ষটি দীর্ঘ সময় বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ছিল। দীর্ঘসময় কক্ষ তালাবদ্ধ দেখে রাত ৯টার দিকে কলাবাগান থানা পুলিশকে খবর দেয় হোটেল কর্তৃপক্ষ। পরে পুলিশ ওই কক্ষের বিছানা থেকে গলাকাটা অবস্থায় জান্নাতুলের মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা শফিকুল আলম কলাবাগান থানায় মামলা করেছেন। আসামি করা হয়েছে রেজাউল ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের। জান্নাতুলকে কেন হত্যা করা হয়েছে, সে ব্যাপারে ধারণা দিতে পারেননি স্বজনরা।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রেজাউল করিম রেজাকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

শুক্রবার সংবাদ সম্মেলন করে র‍্যাব জান্নাতুল হত্যার বিস্তারিত তথ্য জানাবে।

পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ উদ্ধারের পর ফ্যামিলি সার্ভিস অ্যাপার্টমেন্টের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষন করা হয়। ওই হোটেলের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের কয়েক দফা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, ভিকটিম ও আসামি ঘটনার আগেরদিনও স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে হোটেলে যান। তারা বেলা ১টা থেকে বিকেল ৫ পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করেন। বুধবার সকাল আটটায় তারা আবার যান সেখানে। কিন্তু দুই ঘণ্টা পর একা বেরিয়ে যান রেজাউল।

কলাবাগান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, বুধবার সকাল ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে নারী চিকিৎসককে হত্যা করা হয় বলে ধারণা মিলেছে। তবে কেন তাকে হত্যা করা হয়েছে, তা জানা যায়নি। রেজাউলের সঙ্গে জান্নাতুল দুই দফা হোটেলটিতে যান, সে বিষয়ে প্রমাণ মিলেছে।

‘রেজাউলকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হত্যার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে। এ দুজনের রুমে ঢোকার পর অন্য কাউকে সেখানে যেতে দেখা যায়নি। রেজাউল কক্ষটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ করে বেরিয়ে যান।’

নিহত জান্নাতুলের গ্রামের বাড়ি নরসিংদী, রেজাউল করিমের বাড়ি কক্সবাজার। তাদের দুজনের সম্পর্ক পরিবার মেনে নেয়নি বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে জান্নাতুলের মরদেহ তার গ্রামের বাড়িতে নেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
নারী চিকিৎসক হত্যায় যুবক আটক
রাজধানীর হোটেলে নারী চিকিৎসকের গলা কাটা দেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Demand exemplary punishment for those involved in beating journalists

সাংবাদিক মারধরে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি

সাংবাদিক মারধরে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার কারওয়ান বাজারে সার্ক ফোয়ারায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেন সংবাদকর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
রাজধানীর কারওয়ান বাজারে সার্ক ফোয়ারায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে গণমাধ্যমকর্মীরা বলেন, ‘দুর্নীতিবাজরা বার বার সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়ে ও মামলা করে তাদের দমিয়ে রাখতে চায়। সরকার গণমাধ্যম-বান্ধব হলেও নির্যাতনকারীদের বিচারের ব্যাপারে আন্তরিক নয়।’

সংবাদ সংগ্রহ করার সময় রাজধানীর কামরাঙ্গীর চরে ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের দুই সাংবাদিকের ওপর হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন গণমাধ্যমকর্মীরা। বৃহস্পতিবার বিকেলে কারওয়ান বাজার সার্ক ফোয়ারায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে এ দাবি জানানো হয়েছে।

বিক্ষোভ সমাবেশে গণমাধ্যমকর্মীরা বলেন, কামরাঙ্গীরচরে ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালে সংবাদ সংগ্রহের জন্য যাওয়া সাংবাদিক হাসান মিসবাহ ও সাজু মিয়াকে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়েছে। তাদের টুঁটি চেপে ধরা মানে সাংবাদিকতার টুঁটি চেপে ধরা। জড়িতদের শাস্তি না হলে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতেই থাকবে।

বক্তারা বলেন, দুর্নীতিবাজরা বার বার সাংবাদিকদের ওপর হামলা-মামলা করে তাদের দমিয়ে রাখতে চায়। সরকার গণমাধ্যম-বান্ধব হলেও নির্যাতনকারীদের বিচারের বিষয়ে আন্তরিক নয়।

হাসান মিসবাহ ও সাজু মিয়ার ওপর হামলাকারী পুলিশ সদস্য এসআই মিলনকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করার পাশাপাশি গ্রেপ্তারেরও দাবি জানানো হয় মানববন্ধনে।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার দুপুরে কামরাঙ্গীরচরে এসপিএ রিভারসাইড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালে ভুয়া ডাক্তারের বিষয়ে সংবাদ সংগ্রহের সময় হামলার শিকার হন ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের সিনিয়র সাংবাদিক হাসান মিসবাহ ও ক্যামেরাপারসন সাজু মিয়া। এ ঘটনায় পরদিন হত্যাচেষ্টা মামলা করা হয়। ওই মামলায় এসপিএ হাসপাতালের মালিক উসমানি ও জাহিদসহ গ্রেপ্তার চারজনকে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
দুই সাংবাদিককে ক্লিনিক মালিক ও পুলিশের মারধর
ফরিদপুরে সাংবাদিককে মারধর: গ্রেপ্তার মেয়রের ভাই
ডিবিসির সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৮
ডিবিসির সাংবাদিকের ওপর হামলা
ফরিদপুরে সাংবাদিক পেটানোর ঘটনায় মামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Young man arrested for murdering female doctor

নারী চিকিৎসক হত্যায় যুবক আটক

নারী চিকিৎসক হত্যায় যুবক আটক হোটেল থেকে উদ্ধার হওয়া নারী চিকিৎসকের মরদেহ রাখা হয়েছে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের মর্গে। ছবি: নিউজবাংলা
রাজধানীর পান্থপথের ‘ফ্যামিলি সার্ভিস অ্যাপার্টমেন্ট’ নামের হোটেল থেকে বুধবার রাতে মরদেহটি উদ্ধার করে কলাবাগান থানা পুলিশ। ২৭ বছর বয়সী ওই চিকিৎসকের নাম জান্নাতুল নাঈম সিদ্দীক। তিনি ঢাকা কমিউনিটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে এমবিবিএস করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে একটি কোর্সে পড়ছিলেন।

রাজধানীর পান্থপথের একটি আবাসিক হোটেল থেকে নারী চিকিৎসকের গলা কাটা দেহ উদ্ধারের ঘটনায় এক যুবককে আটক করেছে র‍্যাব।

রেজাউল করিম নামের যুবককে চট্টগ্রাম মহানগরী থেকে গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

রাজধানীর পান্থপথের ‘ফ্যামিলি সার্ভিস অ্যাপার্টমেন্ট’ নামের হোটেল থেকে বুধবার রাতে মরদেহটি উদ্ধার করে কলাবাগান থানা পুলিশ।

পরে পুলিশ জানায়, ২৭ বছর বয়সী ওই চিকিৎসকের নাম জান্নাতুল নাঈম সিদ্দীক। তিনি ঢাকা কমিউনিটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে এমবিবিএস করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে একটি কোর্সে পড়ছিলেন।

কলাবাগান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ওই হোটেলে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে রেজাউল নামের একজনের সঙ্গে উঠেছিলেন জান্নাতুল। হোটেলটির চতুর্থ তলার ৩০৫ নম্বর কক্ষের বিছানার ওপর থেকে জান্নাতুলের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় র‍্যাব জানায়, সন্দেহভাজন যুবক রেজাউলকে আটক করা হয়েছে। তাকে জান্নাতুল হত্যার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

আরও পড়ুন:
রাজধানীর হোটেলে নারী চিকিৎসকের গলা কাটা দেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Death penalty for killing wife

স্ত্রীকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড

স্ত্রীকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড
মমতাজের বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের বিষয়টি জানার পর থেকে তার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হতে থাকে স্ত্রী সুমাইয়া আখতার শারমিনের। এর জেরে ২০১৯ সালের ৪ জুন বদরগঞ্জের যমুনেশ্বরী নদীর তীরে আখের ক্ষেতে নিয়ে সুমাইয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মমতাজ।

রংপুরের বদরগঞ্জে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক তারিক হোসেন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এই রায় দিয়েছেন।

ফাঁসির দণ্ড পাওয়া আসামি হলেন মমতাজ সুলতান।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালত পরিদর্শক আনিছুর রহমান।

মমতাজের বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের বিষয়টি জানার পর থেকে তার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হতে থাকে স্ত্রী সুমাইয়া আখতার শারমিনের। এর জেরে ২০১৯ সালের ৪ জুন বদরগঞ্জের যমুনেশ্বরী নদীর তীরে আখের ক্ষেতে নিয়ে সুমাইয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মমতাজ। মরদেহ গলায় ওড়না প্যাঁচিয়ে ডুমুর গাছে ঝুলিয়ে রাখে।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা মোসলেম উদ্দিন বদরগঞ্জ থানায় মমতাজের নামে হত্যা মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
হোমিও চিকিৎসক ও ব্যবসায়ী হত্যায় ৬ জনের যাবজ্জীবন
স্ত্রীকে ‘পিটিয়ে’ হত্যা
আধিপত্য বিস্তারে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
বঙ্গবন্ধুকে অবমাননার মামলায় শিক্ষককে এক বছরের দণ্ড
জমি নিয়ে হামলায় ছোট ভাই নিহত, আটক ৫

মন্তব্য

বাংলাদেশ
UP member arrested in rape case

ধর্ষণ মামলায় ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার

ধর্ষণ মামলায় ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার
সাটুরিয়া থানার ওসি আশরাফুল আলম বলেন, ‘মামলার পরপরই দেলোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় গৃহবধূকে ধর্ষণের মামলায় দেলোয়ার হোসেন নামের এক ইউপি সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নের সাভার এলাকা থেকে বুধবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

৩৫ বছর বয়সী দেলোয়ার হোসেনের বাড়ি একই এলাকায়। তিনি বরাই ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল আলম।

এজাহারে বলা হয়, গত মঙ্গলবার রাতে ওই গৃহবধূকে ভিজিএফ (ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং) কার্ড দেয়ার কথা বলে ফোন করে তার বাড়িতে ডাকেন দেলোয়ার হোসেন। কিন্তু ওই নারী পরদিন সকালে যাওয়ার কথা বলে ফোনের লাইন কেটে দেন।

ওই রাতেই তিনি কার্ডের অজুহাতে গৃহবধূর বাড়ি এসে কেউ না থাকার সুযোগে তাকে ধর্ষণ করেন। এ সময় নারীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে দেলোয়ার হোসেনকে আটক করেন। পরে মীমাংসার কথা বলে স্থানীয় মাতব্বর তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন।

এ ঘটনায় ওই নারী বুধবার রাতে সাটুরিয়া থানায় ইউপি সদস্যের নামে ধর্ষণ এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

ওসি আশরাফুল আলম বলেন, ‘মামলার পরপরই দেলোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
চা বাগানে ঘুরতে যাওয়া স্কুলছাত্রীকে ‘ধর্ষণ’, গ্রেপ্তার ২
মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তার ২
চলন্ত বাসে ধর্ষণ: পাঁচ আসামির স্বীকারোক্তি
স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে কারাগারে বৃদ্ধ
ডাকাতদের হাতে বাসযাত্রী ‘ধর্ষণ’, আলামত যাচ্ছে ঢাকায়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Show Cause Notice to Jabi Student

জাবি ছাত্রীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ 

জাবি ছাত্রীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ 
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে হল প্রশাসনকে না জানিয়ে রুম পরিবর্তন ও প্রভোস্টকে না জানিয়ে সাংবাদিকদের কাছে তথ্য দেয়ার অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে এক ছাত্রীকে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) সাংবাদিককে তথ্য দেয়ার অভিযোগে এক ছাত্রীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে হলকর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বুধবার ওই ছাত্রীকে নোটিশ দেন।

নোটিশে বলা হয়, হল প্রশাসনকে না জানিয়ে রুম পরিবর্তন ও প্রভোস্টকে না জানিয়ে ওই ছাত্রী সাংবাদিকদের কাছে তথ্য দিয়েছেন। এর কারণ লিখিতভাবে জানিয়ে আগামী ১৪ আগস্টের মধ্যে হল অফিসে জমা দিতে বলা হয়েছে। না হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে ওই ছাত্রী বলেন, ‘হলে রুম পরিবর্তন করা নিয়ে রাতভর র‍্যাগিংয়ের শিকার হয়েছি। সেই অভিযোগ প্রভোস্টের কাছে দিয়েছি। সাংবাদিকরা হয়ত অন্য কোনো সোর্স থেকে এ তথ্য পেয়েছে। পরে তারা আমার কাছে জানতে চাইলে আমি ঘটনা নিশ্চিত করেছি। এখানে দোষের কিছু দেখছি না।’

এ বিষয়ে জানতে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রভোস্ট মুজিবুর রহমানকে একাধিক বার ফোন করলেও তিনি ধরেননি। পরে এসএমএস করলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।

ঘটনার প্রেক্ষাপট

বুধবার বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের কয়েকজন শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ এনে প্রভোস্টের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন ওই ছাত্রী।

সেখানে তিনি বলেন, ‘শ্বাস কষ্ট জনিত সমস্যার কারণে গত মঙ্গলবার হলের ৬৩১ নম্বর রুম পরিবর্তন করে ২১৬ নম্বরে উঠি। জিনিসপত্র নিয়ে সেখানে যাওয়ার পর রুমের আপু প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ৪৭ তম ব্যাচের উম্মে হাবিবা (ফুর্তি) আমাকে রুম থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। না হলে বের করে দেয়ার হুমকি দেন তিনি।

‘হল সুপারকে এ কথা জানাতে গেলে সেই সুযোগে তিনি আমার জিনিসপত্র রুম থেকে বের করে দেন। পরে রুম থেকে বের না হলে হাবিবা আপু এবং একই ব্লকে থাকা তার সহপাঠী ওলিজা ও বিথী আমাকে গালিগালাজ ও অপদস্ত করেন।’

মন্তব্য

p
উপরে