× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Rafiqul expelled from South Korea A League
hear-news
player
print-icon

দক্ষিণ কোরিয়া আ.লীগের রফিকুল বহিষ্কার

দক্ষিণ-কোরিয়া-আলীগের-রফিকুল-বহিষ্কার
দক্ষিণ কোরিয়া আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম ভুট্টোকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়া আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বর্তমান কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে না জানিয়ে নিয়ম বহির্ভূতভাবে দুই জন সদস্য নিয়ে নতুন কমিটি গঠন করেন। সেই অবৈধ কমিটির নামে ব্যানার টানিয়ে দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ও পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে সভা করেন।

দক্ষিণ কোরিয়া শাখা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম ভুট্টোকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে।

দেশটির রাজধানী সিউলে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত দক্ষিণ কোরিয়া আওয়ামী লীগের জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়।

দক্ষিণ কোরিয়া শাখা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মতিন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম হাছান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়া আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বর্তমান কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে না জানিয়ে নিয়ম বহির্ভূতভাবে দুই জন সদস্য নিয়ে নতুন কমিটি গঠন করেন। সেই অবৈধ কমিটির নামে ব্যানার টানিয়ে দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ও পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে সভা করেন। সেই আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে চিহ্নিত স্বাধীনতাবিরোধীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়।

এসব কারণে রফিকুলকে আওয়ামী লীগের দক্ষিণ কোরিয়া শাখা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে বিজ্ঞতিতে জানানো হয়।

আরও পড়ুন:
ব্যবসা সহজীকরণে দক্ষিণ কোরিয়ার সহায়তা চায় বাংলাদেশ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
In what way is the Pakistan era better Fakhrulke Mozammel

পাকিস্তান আমল কোন দিক দিয়ে ভালো: ফখরুলকে মোজাম্মেল

পাকিস্তান আমল কোন দিক দিয়ে ভালো: ফখরুলকে মোজাম্মেল শরীয়তপুরে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স উদ্বোধন করেন মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। ছবি: নিউজবাংলা
গত ১৫ সেপ্টেম্বর বিএনপি মহাসচিব ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, ‘পাকিস্তান সরকার থেকে বর্তমান সরকার আরও নিকৃষ্ট। আমরা পাকিস্তান আমলে আর্থিক ও জীবনযাত্রার দিক থেকে এর থেকে ভালো ছিলাম। তার পরও পাকিস্তান সরকার যেহেতু আমার অধিকার ও সম্পদ হরণ করত, সে কারণে আমরা যুদ্ধ করেছি। কিন্তু এখন তার থেকেও খারাপ অবস্থায় আমরা আছি।’

পাকিস্তান আমলে কোন দিক দিয়ে এখনকার চেয়ে ভালো ছিলেন- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে জানতে চেয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

তিনি বলেছেন, মুক্তিযেদ্ধারা বঙ্গবন্ধুর কাছে অস্ত্র জমা দিয়েছেন, কিন্তু প্রশিক্ষণ ও চেতনা জমা দেননি। প্রয়োজনে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আবার যুদ্ধের নেতৃত্ব দেবে তারা।

সোমবার শরীয়তপুর সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের উদ্বোধন শেষে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর বিএনপি মহাসচিব ঠাকুরগাঁওয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, ‘পাকিস্তান সরকার থেকে বর্তমান সরকার আরও নিকৃষ্ট। আমরা পাকিস্তান আমলে আর্থিক ও জীবনযাত্রার দিক থেকে এর থেকে ভালো ছিলাম। তার পরও পাকিস্তান সরকার যেহেতু আমার অধিকার ও সম্পদ হরণ করত, সে কারণে আমরা যুদ্ধ করেছি। কিন্তু এখন তার থেকেও খারাপ অবস্থায় আমরা আছি।’

এর জবাবে মির্জা ফখরুলকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘কোন মানদণ্ডে পাকিস্তান ভালো ছিল তা আপনি সুস্পষ্ট করুন।’

তিনি বলেন, ‘স্বাধীন বাংলাদেশে থেকে যারা বলে পাকিস্তান ভালো ছিল তাদের দাঁতভাঙা জবাব দিতে হবে, বিষদাঁত উপড়ে ফেলতে হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ সালে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ছিল ২৭৮ ডলার, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ১৯৭৬ সালে তা নেমে আসে ১২৩ ডলারে।’

৭৫-এর হাতিয়ার আবার গর্জে ওঠার বিষয়ে বিএনপির সমাবেশ থেকে যে বক্তব্য দেয়া হয়েছে, সেটি নিয়েও প্রশ্ন রাখেন মন্ত্রী। বলেন, ‘এ কথা দিয়ে কী বোঝাতে চাইছেন? বঙ্গবন্ধুর রক্তের ছিটেফোঁটা যা আছে, আজকের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কি তারা হত্যা করতে চান? যারা বলেন তাদের উদ্দেশ্য কী? তা জাতির সামনে পরিষ্কার করতে হবে।’

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে সরকার কাজ করছে বলেও জানান মোজাম্মেল হক। জানান, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে নির্মিত প্রত্যেকটি মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে ক্যাপসুল লিফট বসানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নির্মাণাধীন বন্ধ থাকা ঘরগুলো দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণ করা হবে।

বীর মুক্তিযোদ্ধাদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ‘রাজাকারদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। শিগগির তা প্রকাশ করা হবে।

বেলা ১১টার দিকে জেলা শহরের পালং স্কুল সড়কে সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।

শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক পারভেজ হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু, শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক, পুলিশ সুপার সাইফুল হক।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এরপর মন্ত্রী যান জাজিরা উপজেলায়। সেখানে নির্মিত উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনও উদ্বোধন করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
ফখরুল পাকিস্তানের চর: আমু
পাকিস্তান নিয়ে বক্তব্য: ফখরুলকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান হানিফের
ফখরুলের পাকিস্তান আমলের প্রশংসা নির্লজ্জ দালালি: কাদের
পাকিস্তান আমলে আরও ভালো ছিলাম: ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Journalists have to take risks to establish democracy Kamal

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের ঝুঁকি নিতে হবে: কামাল

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের ঝুঁকি নিতে হবে: কামাল সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক আতাউস সামাদ স্মরণসভায় বক্তব্য দেন ড. কামাল হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
মানিক মিয়া ও আতাউস সামাদের পথ অনুসরণ করে সাংবাদিকরা আজও উজ্জীবিত মন্তব্য করে ড. কামাল বলেন, ‘আমরা সারাজীবন দেখেছি তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লিখেছেন। সেই ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখতে হবে নৈতিকতা দেখিয়ে। জনগণকে সচেতন রাখতে হবে। ঝুঁকি নেয়ার বিষয়টি তাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিতে হবে।’

দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকদের ঝুঁকি নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘সত্য প্রতিষ্ঠায় সাংবাদিকরা যুগে যুগে নানামুখী ঝুঁকি নিয়েছেন। আতাউস সামাদের মতো আজও সাংবাদিকরা ঝুঁকি নিচ্ছেন। দেশে বর্তমান অবস্থায় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাদেরকে ঝুঁকি নিতে হবে। সাংবাদিকদের জনগণের মাঝে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বাঁচিয়ে রাখতে হবে।’

বরেণ্য সাংবাদিক আতাউস সামাদের দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আতাউস সামাদ স্মৃতি পরিষদ।

জনগণকে উদ্দেশ করে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘আন্দোলন-সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। কোনো সময় আমরা দেখিনি ঝুঁকি নেয়া ছাড়া গণতন্ত্র রক্ষা করা গেছে।’

মানিক মিয়া ও আতাউস সামাদের পথ অনুসরণ করে সাংবাদিকরা আজও উজ্জীবিত মন্তব্য করে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘আমরা সারাজীবন দেখেছি তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লিখেছেন। সেই ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখতে হবে নৈতিকতা দেখিয়ে। জনগণকে সচেতন রাখতে হবে।

‘ঝুঁকি নেয়ার বিষয়টি জনগণকে স্মরণ করিয়ে দিতে হবে। তারা যেন মনে না করে যে আমরা কিছু না করেও ঐক্য ও নিজেদের অধিকার ধরে রাখতে পারব। যারা স্বৈরাচার এবং যা ইচ্ছে তা করতে চায় তাদেরকে তা করতে দেব না আমরা।’

আজকের পত্রিকা সম্পাদক গোলাম রহমানের সভাপতিত্বে ও জাতীয় প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাসান হাফিজের সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় আরও বক্তব্য দেন প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক সোহরাব হাসান, বিএফইউজের সভাপতি এম আবদুল্লাহ, কাদের গনি চৌধুরী, শামীমা চৌধুরী, সৈয়দ দিদার বক্স প্রমুখ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If petrol bombs are thrown again people will resist Information Minister

ফের পেট্রলবোমা ছুড়লে জনগণকে নিয়ে প্রতিরোধ: তথ্যমন্ত্রী

ফের পেট্রলবোমা ছুড়লে জনগণকে নিয়ে প্রতিরোধ: তথ্যমন্ত্রী তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি যে পেট্রলবোমার রাজনীতি আগে করেছে, মানুষের ওপর পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে মানুষকে হত্যা করা, তারা তো সেই রাজনীতিই করেছে। তাদের সেই নেতা-কর্মীরা আছে। যে নেতারা তখন নির্দেশ দিয়েছিল, তারাই এখন নেতৃত্ব দিচ্ছে। জনগণ তো সব সময় সেই আতঙ্কে আছে।’

বিএনপি আবারও পেট্রলবোমার রাজনীতি করলে জনগণকে নিয়ে আওয়ামী লীগ তা প্রতিরোধ করবে বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

সচিবালয়ে সোমবার নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি যে পেট্রলবোমার রাজনীতি আগে করেছে, মানুষের ওপর পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করে মানুষকে হত্যা করা, তারা তো সেই রাজনীতিই করেছে। তাদের সেই নেতা-কর্মীরা আছে। যে নেতারা তখন নির্দেশ দিয়েছিল, তারাই এখন নেতৃত্ব দিচ্ছে। জনগণ তো সব সময় সেই আতঙ্কে আছে।

‘...জনগণ তাদের আর সেই সুযোগ দেবে না। আর যদি তারা সেটি করার অপচেষ্টা চালায়, তাহলে সরকার যেমন কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, আওয়ামী লীগও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পেট্রলবোমার রাজনীতি যারা করেছে, যদি আবার সেটি করতে চায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।’

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের বিরোধিতা করে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের আন্দোলনের মধ্যে শত শত যানবাহন পোড়ানো হয়। পেট্রলবোমার আঘাতে দগ্ধ মানুষের আহাজারিতে হাসপাতালগুলোর বাতাস ভারী হয়ে ওঠে।

পরের বছরও সেটি অব্যাহত থাকে এবং সে সময় বাস-ট্রেনসহ বিভিন্ন যানবাহনে পেট্রলবোমায় মৃত্যু হয় অনেকের।

আরও পড়ুন:
লাশ ফেলে আন্দোলন জমানোর অশুভ তৎপরতায় বিএনপি: কাদের
সংঘর্ষের মামলায় ৩ নম্বর আসামি শাওন
যুবদল কর্মী শাওনের দাফন
সরকারের পতন ঘটিয়ে শাওন হত্যার বদলা: ফখরুল
‘গুলিতে নিহত শাওনের চিকিৎসায় বাধা দেয় ছাত্রলীগ ও পুলিশ’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Followers of military dictatorship want to teach democracy today Amu

সামরিক স্বৈরশাসনের অনুসারীরা আজ গণতন্ত্র শেখাতে চায়: আমু

সামরিক স্বৈরশাসনের অনুসারীরা আজ গণতন্ত্র শেখাতে চায়: আমু সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমুসহ নেতারা। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে আমু বলেন, ‘যাদের বিরুদ্ধে আমরা গণতন্ত্রের সংগ্রাম করেছি, যারা সামরিকতন্ত্রের মাধ্যমে স্বৈরশাসন চালু করেছে, তারা আজকে গণতন্ত্র শেখাতে চায়।’

সেনাশাসক জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত বিএনপির কাছ থেকে গণতন্ত্রের শিক্ষা নেয়ার কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু।

তিনি বলেছেন, কোনো ষড়যন্ত্র আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না। শেখ হাসিনা ও তার মনোনীত প্রার্থীদেরই দেশের মানুষ ভোট দেবে। আর এই ভোটের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের যাত্রা অব্যাহত থাকবে।

সোমবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘গণতন্ত্র ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনে শান্তি এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা’ বিষয়ে এক আলোচনা ও স্মরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে আমু বলেন, ‘যাদের বিরুদ্ধে আমরা গণতন্ত্রের সংগ্রাম করেছি, যারা সামরিকতন্ত্রের মাধ্যমে স্বৈরশাসন চালু করেছে, তারা আজকে গণতন্ত্র শেখাতে চায়।’

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান রাজনীতিতে সন্ত্রাস ‘আমদানি করেন’ বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘ময়েজউদ্দিন (গাজীপুরের প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা ছিলেন) সাহেবের হত্যাকাণ্ডের পর জিয়াউর রহমান শফিউল আলম প্রধানকে রাজনীতিতে এনেছিলেন৷ বিএনপি এবং জাতীয় পার্টি সন্ত্রাসকে রাজনীতিতে আনার ক্ষেত্রে মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ৷ এটা আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি।’

তিনি বলেন, ‘আজকে যারা নির্বাচনে আসতে চায় না, তাদের রাজনৈতিকভাবে প্রতিহত করতে হবে। এরা আন্তর্জাতিকভাবেই চিহ্নিত সন্ত্রাসী দল। এরা নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। নির্বাচনকে বানচাল করতে চায়। এই অপশক্তিকে রাজনীতি থেকে বিতাড়িত করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।’

ময়েজউদ্দিনের স্মৃতিচারণা করে ক্ষমতাসীন দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু বলেন, ‘উনি কিছু পরোয়া করতেন না, অত্যন্ত সাহসী ছিলেন। পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর মুশতাক যখন নেতাদের ডেকে সংগঠিত করেছিলেন, তখন বর্তমান আইনমন্ত্রীর বাবা সিরাজুল হক এবং ময়েজউদ্দিন সরাসরি তাকে বলেছেন, তুমি খুনি। তিনি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আপসহীন ছিলেন।’

ময়েজউদ্দিনের মেয়ে মেহের আফরোজ চুমকির সভাপতিত্বে আলোচনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ডেইলি অবজারভার সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী। শহীদ ময়েজউদ্দিন স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন।

আরও পড়ুন:
সংবিধান মেনেই নির্বাচন হবে: আমু 
কিছু অসাধু ব্যবসায়ী হঠাৎ পণ্যের দাম বাড়িয়েছেন: আমু
১৫ আগস্টের সুবিধাভোগীরাই বঙ্গবন্ধুর খুনি: আমু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
GD of Rangpur Mahanagar A League leader seeking security

নিরাপত্তা চেয়ে রংপুর মহানগর আ. লীগ নেতার জিডি

নিরাপত্তা চেয়ে রংপুর মহানগর আ. লীগ নেতার জিডি তুষার কান্তি মণ্ডল। ছবি: সংগৃহীত
‘জনসংযোগ করে এবং দলীয় কাজ শেষে বাসায় ফিরতে দেরি হয়ে যায়। কোনও কোনও সময় রাত ১টারও বেশি হয়ে যায়। আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আমার ওপর হামলা চালিয়ে জানমালের ক্ষতি করতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।’

জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়েরি করেছেন রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মণ্ডল।

কোতয়ালী থানায় রোববার রাত ৯টার দিকে জিডি করেন তিনি।

রংপুর মেট্রোপলিটন কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজার রহমান নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জিডিতে তুষার কান্তি উল্লেখ করেছেন, ‘এর আগে জামায়াত-শিবির কর্মীরা আমার ওপর হামলা করেছে। চলতি বছরের শেষে রংপুর সিটি করপোরেশনে আমি আওয়ামী লীগ থেকে মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী।

‘সেই আলোকে সিটি করপোরেশন এলাকার ১৯৬টি মৌজা, ৯৫২টি পাড়া ও ১৫০টি হাট বাজারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরেছি। বর্তমানে সিটি করপোরেশন এলাকায় নৌকার গণজোয়ার তৈরির পাশাপাশি আমার ব্যক্তিগত সুনাম তৈরি হয়েছে। এই গণজোয়ারে আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার জানমালের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে।’

জিডিতে তিনি আরও বলেন, ‘জনসংযোগ করে এবং দলীয় কাজ শেষে বাসায় ফিরতে দেরি হয়ে যায়। কোনও কোনও সময় রাত ১টারও বেশি হয়ে যায়। আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ আমার ওপর হামলা চালিয়ে জানমালের ক্ষতি করতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।’

তুষার কান্তি মণ্ডল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি রোববার রাতে নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি করেছি।’

ওসি মাহফুজার রহমান বলেন, ‘উনি নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের ঋণ পরিস্থিতি নিরাপদ মনে করে আইএমএফ
বিশ্বে প্রবৃদ্ধি কমবে, বাংলাদেশে নয়: বিশ্বব্যাংক
চলতি অর্থবছরের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৭.২৫%: বিবিএস
আ.লীগ নেতাকে ‘রাজাকারপুত্র’ বলায় সা. সম্পাদকের নামে জিডি
ভারতে জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমার পূর্বাভাস

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The death hunger strike of the expellees of Eden Chhatra League lasted only 1 hour

ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতদের ‘আমরণ অনশন’ টিকল ১ ঘণ্টা

ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতদের ‘আমরণ অনশন’ টিকল ১ ঘণ্টা ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আমরণ অনশনে বসেছিলেন ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতরা। ছবি: নিউজবাংলা
ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা অনশন করতে আসছিলাম। এখন চলে যাচ্ছি। অনশন করব না।’

বহিষ্কার আদেশের প্রতিবাদে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আমরণ অনশনে বসার এক ঘণ্টা পর চলে গেছেন ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগ নেতারা।

কলেজ ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলন শেষে সোমবার দুপুর ১২টার পর অনশনে বসেন বহিষ্কৃতরা, তবে ১ ঘণ্টা পরই তারা স্থান ত্যাগ করেন।

ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা অনশন করতে আসছিলাম। এখন চলে যাচ্ছি। অনশন করব না।’

বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতারা অনশন শুরু করলে আওয়ামী লীগের কার্যনিবাহী সংসদের সদস্য আবদুল আউয়াল শামীম তাদের সঙ্গে কথা বলেন। বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলোচনার আশ্বাস দিয়ে তাদের চলে যেতে বলেন। পরে তারা সেখান থেকে চলে যান।

আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয় থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের এড়িয়ে যান ওই ১২ জন। তাদের কেউই আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেননি।

বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতাদের মধ্যে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নিউজবাংলাকে জানান, ইডেনের ১২ জন যখন ভেতরে গিয়ে কার্যালয়ের একটি কক্ষে অবস্থান নেন, তখন সেখানে যান আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা আবদুল আওয়াল শামীম এবং উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান। শামীম নেতাদের ভয় দেখিয়ে কার্যালয় থেকে বের হয়ে যেতে বলেন।

পরে ভীত নেতারা কার্যালয় থেকে বের হয়ে যান। এরপর তারা আর কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রবেশের সময়ও বাধা দেয়ার অভিযোগ করেন ইডেন ছাত্রলীগ নেতারা।

বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতারা হলেন ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি সোনালি আক্তার, সুস্মিতা বাড়ৈ, জেবুন্নাহার শিলা, কল্পনা বেগম, তানজিলা আক্তার, জান্নাতুল ফেরদৌস, আফরোজা রশ্মি, মারজানা ঊর্মি, সানজিদা পারভীন চৌধুরী, এস এম মিলি, সাদিয়া জাহান সাথী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা খানম বিন্তি ও সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখি এবং কর্মী রাফিয়া নীলা, নোশিন শার্মিলী, জান্নাতুল লিমা ও সূচনা আক্তার।

সার্বিক বিষয়ে জানতে আওয়ামী লীগের দুই নেতা সায়েম খান এবং আবদুল আউয়াল শামীমকে কল করে পাওয়া যায়নি।

বহিষ্কার আদেশের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

ধানমন্ডিতে যাওয়ার আগে বহিষ্কার আদেশের প্রতিবাদে ইডেন কলেজ ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলন করেন ছাত্রলীগ নেতারা।

সংবাদ সম্মেলনে বহিষ্কৃত সহসভাপতি সুস্মিতা বাড়ৈ বিভিন্ন অভিযোগ থাকার পরও ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানাকে কেন বহিষ্কার করা হচ্ছে না, সে প্রশ্ন তোলেন।

ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতদের ‘আমরণ অনশন’ টিকল ১ ঘণ্টা

দুই পক্ষের হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনায় রোববার রাতে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত করা হয়। একই সঙ্গে সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয় ১৬ জনকে।

পরের দিন সংবাদ সম্মেলনে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কৃত সুস্মিতা বাড়ৈ বলেন, “গতকাল (রোববার) রাতের আঁধারে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে, এটির প্রতিবাদেই আজকে আমাদের এই সংবাদ সম্মেলন। আমাদের সংবাদ সম্মেলনের শিরোনাম, ‘বিনা তদন্তে বহিষ্কার, নেপথ্যে কারা?’”

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে বহিষ্কারে আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়। আজকে আমাদের কোন অন্যায়ের কারণে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে?

‘আমাদের অপরাধ আমরা আমাদের নির্যাতিত সহযোদ্ধার পাশে দাঁড়িয়েছি। সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে এত বিস্তর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাদের কেন বহিষ্কার করা হলো না?’

ছাত্রলীগের করা দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি থেকে একজন সদস্য পদত্যাগ করার পরও কিসের ভিত্তিতে এ বহিষ্কার করা হলো, সে প্রশ্ন করেন সুস্মিতা।

কলেজ ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখি বলেন, ‘তদন্ত কমিটিতে থাকা বেনজির হোসেন নিশি তারই সহযোদ্ধা রোকেয়া হল ছাত্রলীগের সাবেক এজিএস ফাল্গুনী দাস তন্বীকে মারধরের ঘটনায় হওয়া মামলার আসামি। সেই মামলা এখনও চলমান। অথচ তাকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়নি। আর তাকেই পাঠানো হয়েছে আমাদের ঘটনার তদন্ত করতে!’

তিনি আরও বলেন, ‘আপনাদের ভাষ্য মতে, ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারি হয়েছে, কিন্তু কোন কারণে শুধু একটি গ্রুপকে গণহারে বহিষ্কার করা হয়েছে, সে ব্যাপারে সুষ্ঠু জবাব দিতে হবে।’

বহিষ্কারের ক্ষেত্রে নিয়ম মানা হয়নি অভিযোগ করে বৈশাখি বলেন, ‘বিভিন্ন ইউনিটে কোনো সমস্যা হলে সেই সমস্যা সমাধানের জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়। অথচ আমাদের ক্ষেত্রে সেটি করা হয়নি।

‘তাহলে কি তারা এই অন্যায়ের ক্ষেত্রে সহমত পোষণ করছে? কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কাছ থেকে আমরা এর জবাব চাই।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের এই বহিষ্কারাদেশ অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। আমাদের একমাত্র অভিভাবক দেশরত্ন শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

‘যদি এই ভিত্তিহীন বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার না করা হয়, তাহলে আমরা এর সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরণ অনশন করব।’

বৈশাখি বলেন, ‘আমাদের সংবাদ সম্মেলনে আমরা ২৫ জন ছিলাম। তাহলে কেন আমাদের শুধু ১২ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে? বাকিদের কেন করা হয়নি? এ থেকে বোঝা যায় আমরা প্রতিহিংসার শিকার।’

কলেজ ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত আরেক সহসভাপতি সোনালি আক্তার বলেন, ‘গতকাল যে ১৬ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে পদধারী ১২ জন বাদে যে চারজন কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে, এই নামে ইডেন কলেজে কোনো কর্মীই নেই। এটা কীভাবে আসল আমাদের বুঝে আসে না।’

সংবাদ সম্মেলনের পর আমরণ অনশনের জন্য ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের উদ্দেশে রওনা হন ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতরা।

ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতদের ‘আমরণ অনশন’ টিকল ১ ঘণ্টা

এর আগে আমরণ অনশনে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন কলেজ ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সহসভাপতি সোনালি আক্তার।

তিনি বলেছিলেন, সোমবার দুপুর থেকে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে অনশন শুরু হবে।

কমিটি স্থগিত

রোববার মধ্যরাতে ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ১৬ জনকে বহিষ্কারের কথা জানানো হয়।

স্থায়ী বহিষ্কার হওয়াদের মধ্যে ১০ জন বর্তমান কমিটির সহসভাপতি, একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক আর চারজন কর্মী।

তারা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যমে বিভিন্ন অভিযোগ করে কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যকলাপে জড়িত থাকার অপরাধে ১৬ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আর এটির প্রাথমিক প্রমাণও পাওয়া গেছে।

স্থায়ী বহিষ্কার হওয়া ছাত্রীরা হলেন ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি সোনালি আক্তার, সুস্মিতা বাড়ৈ, জেবুন্নাহার শিলা, কল্পনা বেগম, জান্নাতুল ফেরদৌস, আফরোজা রশ্মি, মারজানা ঊর্মি, সানজিদা পারভীন চৌধুরী, এস এম মিলি ও সাদিয়া জাহান সাথী। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা খানম বিন্তি, সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখি এবং কর্মী রাফিয়া নীলা, নোশিন শার্মিলী, জান্নাতুল লিমা ও সূচনা আক্তার।

মারধরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও সংঘর্ষ

শনিবার রাতে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের এক সহসভাপতিকে মারধর করেন কলেজ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা। এর প্রতিবাদে রাতেই বিক্ষোভ করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

রোববার সকালে সংবাদ সম্মেলন করে ওই ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার দাবি জানান ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের ৪৩ সদস্যের কমিটির ২৫ জন। সন্ধ্যায় পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ। অন্যরা এর প্রতিবাদ জানালে আবারও সংঘর্ষ হয় দুই পক্ষের।

আরও পড়ুন:
‘ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদক কেন বহিষ্কার হলেন না?’
আমৃত্যু খাবার মুখে না তোলার প্রতিজ্ঞা ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতদের
সংবাদ সম্মেলনে ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতরা
ইডেন ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত, বহিষ্কার ১৬
ইডেনের সংঘর্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে আ. লীগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Why Eden Chhatra League President Editor was not expelled?

‘ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদক কেন বহিষ্কার হলেন না?’

‘ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদক কেন বহিষ্কার হলেন না?’ ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা
সংবাদ সম্মেলনে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সহসভাপতি সুস্মিতা বাড়ৈ বলেন, ‘আমাদের অপরাধ আমরা আমাদের নির্যাতিত সহযোদ্ধার পাশে দাঁড়িয়েছি। সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে এত বিস্তর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাদের কেন বহিষ্কার করা হলো না?’

বিভিন্ন অভিযোগ থাকার পরও ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানাকে কেন বহিষ্কার করা হলো না, সে প্রশ্ন তুলেছেন সংগঠনটি থেকে বহিষ্কৃত সুস্মিতা বাড়ৈ।

ইডেন কলেজ ক্যাম্পাসে সোমবার সংবাদ সম্মেলনে এ প্রশ্ন তোলেন শাখা ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত এ নেতা।

‘ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদক কেন বহিষ্কার হলেন না?’

দুই পক্ষের হামলা-পাল্টাহামলার ঘটনায় রোববার রাতে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে ১৬ জনকে।

পরের দিন সংবাদ সম্মেলনে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সহসভাপতি সুস্মিতা বাড়ৈ বলেন, “গতকাল (রোববার) রাতের আঁধারে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ যে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে, এটির প্রতিবাদেই আজকে আমাদের এই সংবাদ সম্মেলন। আমাদের সংবাদ সম্মেলনের শিরোনাম, ‘বিনা তদন্তে বহিষ্কার, নেপথ্যে কারা'?”

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে বহিষ্কারে আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়। আজকে আমাদের কোন অন্যায়ের কারণে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে?

‘আমাদের অপরাধ আমরা আমাদের নির্যাতিত সহযোদ্ধার পাশে দাঁড়িয়েছি। সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে এত বিস্তর অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাদের কেন বহিষ্কার করা হলো না?’

ছাত্রলীগের করা দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি থেকে একজন সদস্য পদত্যাগ করার পরও কিসের ভিত্তিতে এ বহিষ্কার করা হলো, সে প্রশ্ন করেন সুস্মিতা।

কলেজ ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখি বলেন, ‘তদন্ত কমিটিতে থাকা বেনজির হোসেন নিশি তারই সহযোদ্ধা রোকেয়া হল ছাত্রলীগের সাবেক এজিএস ফাল্গুনী দাস তন্বীকে মারধরের ঘটনায় হওয়া মামলার আসামি। সেই মামলা এখনও চলমান। অথচ তাকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়নি। আর তাকেই পাঠানো হয়েছে আমাদের ঘটনার তদন্ত করতে!’

তিনি আরও বলেন, ‘আপনাদের ভাষ্য মতে, ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারি হয়েছে, কিন্তু কোন কারণে শুধু একটি গ্রুপকে গণহারে বহিষ্কার করা হয়েছে, সে ব্যাপারে সুষ্ঠু জবাব দিতে হবে।’

বহিষ্কারের ক্ষেত্রে নিয়ম মানা হয়নি অভিযোগ করে বৈশাখি বলেন, ‘বিভিন্ন ইউনিটে কোনো সমস্যা হলে সেই সমস্যা সমাধানের জন্য কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়। অথচ আমাদের ক্ষেত্রে সেটি করা হয়নি।

‘তাহলে কি তারা এই অন্যায়ের ক্ষেত্রে সহমত পোষণ করছে? কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কাছ থেকে আমরা এর জবাব চাই।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের এই বহিষ্কারাদেশ অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। আমাদের একমাত্র অভিভাবক দেশরত্ন শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

‘যদি এই ভিত্তিহীন বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার না করা হয়, তাহলে আমরা এর সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরণ অনশন করব।’

বৈশাখি বলেন, ‘আমাদের সংবাদ সম্মেলনে আমরা ২৫ জন ছিলাম। তাহলে কেন আমাদের শুধু ১২ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে? বাকিদের কেন করা হয়নি? এ থেকে বোঝা যায় আমরা প্রতিহিংসার শিকার।’

কলেজ ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত আরেক সহসভাপতি সোনালি আক্তার বলেন, ‘গতকাল যে ১৬ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে পদধারী ১২ জন বাদে যে চারজন কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে, এই নামে ইডেন কলেজে কোনো কর্মীই নেই। এটা কীভাবে আসল আমাদের বুঝে আসে না।’

সংবাদ সম্মেলনের পর আমরণ অনশনের জন্য ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের উদ্দেশে রওনা হন ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতরা।

‘ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদক কেন বহিষ্কার হলেন না?’

এর আগে আমরণ অনশনে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন কলেজ ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সহসভাপতি সোনালি আক্তার।

তিনি বলেছিলেন, সোমবার দুপুর থেকে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে অনশন শুরু হবে।

কমিটি স্থগিত

রোববার মধ্যরাতে ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ১৬ জনকে বহিষ্কারের কথা জানানো হয়।

স্থায়ী বহিষ্কার হওয়াদের মধ্যে ১০ জন বর্তমান কমিটির সহসভাপতি, একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক আর চারজন কর্মী।

তারা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যমে বিভিন্ন অভিযোগ করে কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যকলাপে জড়িত থাকার অপরাধে ১৬ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আর এটির প্রাথমিক প্রমাণও পাওয়া গেছে।

স্থায়ী বহিষ্কার হওয়া ছাত্রীরা হলেন ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি সোনালি আক্তার, সুস্মিতা বাড়ৈ, জেবুন্নাহার শিলা, কল্পনা বেগম, জান্নাতুল ফেরদৌস, আফরোজা রশ্মি, মারজানা ঊর্মি, সানজিদা পারভীন চৌধুরী, এস এম মিলি ও সাদিয়া জাহান সাথী। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা খানম বিন্তি, সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখি এবং কর্মী রাফিয়া নীলা, নোশিন শার্মিলী, জান্নাতুল লিমা ও সূচনা আক্তার।

মারধরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও সংঘর্ষ

শনিবার রাতে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের এক সহসভাপতিকে মারধর করেন কলেজ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা। এর প্রতিবাদে রাতেই বিক্ষোভ করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

রোববার সকালে সংবাদ সম্মেলন করে ওই ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার দাবি জানান ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের ৪৩ সদস্যের কমিটির ২৫ জন। সন্ধ্যায় পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ। অন্যরা এর প্রতিবাদ জানালে আবারও সংঘর্ষ হয় দুই পক্ষের।

আরও পড়ুন:
ছাত্র পেটানো তিলোত্তমার নেতৃত্বে কমিটি মানেন না ইডেনের কর্মীরা
সেই তিলোত্তমা তদন্ত করবেন ইডেন ছাত্রলীগকাণ্ড
বাইডেন দেশের শত্রু: ট্রাম্প
ট্রাম্প সমর্থকরা গণতন্ত্রের জন্য হুমকি: বাইডেন
রিভার তোপে হলছাড়া সেই দুই ছাত্রী

মন্তব্য

p
উপরে