× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Where relief has not yet arrived
hear-news
player
print-icon

যেখানে ত্রাণ পৌঁছেনি এখনও

যেখানে-ত্রাণ-পৌঁছেনি-এখনও
ঢলের পানিতে ভেসে গেছে পূর্ণ দাসের মাটির ঘর। ছবি: নিউজবাংলা
টিলাভূমি ও অপেক্ষাকৃত উঁচু হওয়ায় এ এলাকাটিতে বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির কথা কেউ ভাবেননি। কিন্তু দলদলি নামে ওই চা বাগানে বসবাসকারী শ্রমিকরা পাহাড়ি ঢলই শুধু নয়, মোকাবিলা করেছেন টিলাধসের মতো কঠিন পরিস্থিতিও।

‘এইখানে আমার ঘর ছিল’- একটি পাকা ভিটের ওপর দাঁড়িয়ে বললেন বৃদ্ধ পূর্ণ দাস। যদিও এখানে এখন ঘরের কোনো অস্তিত্ব নেই। ভিটেটিই আছে কেবল। আশপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা পুরোনো টিন আর বাঁশ এখানে একদা ঘর থাকার কথা জানান দিচ্ছে।

গত ১৮ জুন ঢলে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে পূর্ণ দাসের মাটির ঘর। পেশায় চা শ্রমিক তিনি। সিলেট নগর লাগোয়া বালুচর এলাকার দলদলি চা বাগানেই কাজ করেন।

বাগান থেকে ঢলের পানি নেমে গেছে ১৮ জুনই। তবু এখন পর্যন্ত ঘর মেরামত করতে পারেননি পূর্ণ।

তিনি বলেন, ‘হামরা গরিব মানুষ বাবু। ভাতই খাইতে পারি না। ঘর বানাইমু কী দিয়া!’

১৫ জুন থেকে সিলেটে বন্যা দেখা দেয়, যা পরে স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যায় রূপ নেয়। ১৮ জুন ব্যাপক বৃষ্টি হয় এই অঞ্চলে। ওই দিনই তলিয়ে যায় প্রায় পুরো সিলেট নগর।

চা বাগানগুলো টিলাশ্রেণির ভূমি। অপেক্ষাকৃত উঁচু এলাকা। তবে ১৮ জুনের বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় দলদলি চা বাগানও। ঢল আর টিলাধসে ভেঙে যায় এই বাগানের শ্রমিকদের অন্তত ২২টি ঘর। ক্ষতিগ্রস্ত হয় আরও অন্তত ২০টি বসতি।

সেই দিনের ভয়ংকর স্মৃতি বর্ণনা করে প্রবীণ চা শ্রমিক জয়ন্ত দাস বলেন, ‘সকালে টিলা থেকে ঢল নামতে শুরু করে। চোখের সামনে খড়কুটোর মতো আমার ঘর ভাসিয়ে নিয়ে যায়। অনেক ঘরের চালও সেদিন পানির নিচে চলে গিয়েছিল। বাগানের ভেতরে পানির বড় বড় ঢেউ ছিল। আর ধসে পড়ছিল বাগানের ভেতরের টিলাগুলোও।’

তিনি বলেন, ‘জীবনে এমন পানি কখনও দেখিনি। বাগানে কখনও পানি ওঠেনি।’

যেখানে ত্রাণ পৌঁছেনি এখনও

সিলেটে বন্যাকবলিতদের সহায়তায় সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ চলছে। প্রশাসনের লোকজন বলছেন, পর্যাপ্ত ত্রাণের মজুত রয়েছে। আর সরকারের চেয়েও বেসরকারি উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে কয়েক গুণ বেশি। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শতাধিক ট্রাক ত্রাণ নিয়ে আসছে সিলেটে।

তবু দলদলি বাগানে এখনও কোনো ত্রাণ পৌঁছেনি বলে জানিয়েছেন এই বাগানের শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মিন্টু দাস। না সরকারি উদ্যোগে, না বেসরকারি উদ্যোগে। ঘরবাড়ি হারানো এখানকার দরিদ্র শ্রমিকরা এখন থাকছেন আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আশ্রিত হয়ে।

বাগানের সবজি বাড়ি এলাকার রাজকুমার দাসের ঘর একেবারে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে ঝড়ে। ভিটের ওপর মুখ থুবড়ে পড়ে আছে টিন, বাঁশ, কাঠসহ ঘরের সরঞ্জামাদি।

ঘর ভাঙার ১১ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনও সংস্কারকাজ শুরু করতে পারেননি রাজকুমার। তিনি বলেন, ‘আমরা ১২০ টাকা মজুরিতে কাম করি। ভাত খুইমু না ঘর বানাইমু?’

ভাত খাবেন না ঘর বানাবেন- এমন দোটানায় বাগানটির ক্ষতিগ্রস্ত সব শ্রমিকই। তবে এ বিষয়টির সমাধান দিতে বাগানে এখনও আসেননি দায়িত্বশীলদের কেউ। এমনকি বাগান কর্তৃপক্ষও না।

ঘর হারানো আরেক শ্রমিক মনি দাস বলেন, ‘বাগান কর্তৃপক্ষ বলছে, ঘর ঠিক করে দেবে। কিন্তু ১০ দিনেও দেয়নি। এখন আমরা থাকব কোথায়? ঘর ছাড়া তো এক দিনও থাকা যায় না।’

শিপলা দাস নামে ঘর হারানো আরেক নারী বলেন, ‘আমরা গরিব চা শ্রমিক। আমাদের খোঁজ কেউ করে না। কেবল মেম্বার (ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য) একদিন এসে দেখে গিয়েছিল। আর কেউ দেখতেও আসেনি। কেউ আমাদের ত্রাণও দেয়নি।’

১৮ জুনের টানা বৃষ্টিতে টিলা ধসে পড়ে সুক্রু দাসের ঘরে। এতে ঘর গুঁড়িয়ে যাওয়ার পাশাপাশি হাত ভেঙেছে তার। ঘর হারানো শুক্রু এখন মাকে নিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন পার্শ্ববর্তী মামার বাড়িতে।

প্লাস্টার করা হাত গলায় ঝুলিয়ে শুক্র দাস বলেন, ‘আমাদের এখন পর্যন্ত কেউ কোনো সহায়তা দেয়নি। কেউ দেখতেও আসেনি। সব হারিয়ে এখন অন্যের বাড়িতে আশ্রিত।’

মঙ্গলবার বিকেলে দলদলি চা বাগানে গিয়ে দেখা যায়, বাগানের শ্রমিক বস্তি এলাকাটি প্রায় লন্ডভন্ড। অনেক ঘরের পুরোটাই ভেঙে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেশির ভাগ বাড়ি। টিলাধসে অনেক সড়ক যোগাযোগও বন্ধ হয়ে গেছে।

ঢলে ঘর তলিয়ে যাওয়া ও টিলাধসের কারণে ১৮ জুন বাগানের প্রায় সব শ্রমিক রাত কাটিয়েছেন পাতিঘর হিসেবে পরিচিত পাতা সংরক্ষণের ঘরে। বৃষ্টিতে তলিয়ে থাকায় এই বাগানে সাত দিন পাতা উত্তোলনও বন্ধ ছিল বলে জানালেন শ্রমিকরা।

সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ঘর হারানো চা শ্রমিক বিপ্লব দাস বলেন, ‘বালা করি ছবি তুলিয়া নেইন, আমরারে ঘরবাড়ি বানানির একটা ব্যবস্থা করিয়া দেইন।’

১৮ জুনের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘ইলা মেগ (এমন বৃষ্টি) জীবনেও দেখছি না।’

যেখানে ত্রাণ পৌঁছেনি এখনও
সিলেটে চা শ্রমিকদের অনেকের বাড়ি বানের জলে ভেসে গেলেও তারা ত্রাণ পাননি। ছবি: নিউজবাংলা

এই বাগানের বাসিন্দা ড্যানি নায়েক গাড়ি চালানোর কাজ করেন। বাগানে এখনও ত্রাণ না পৌঁছানোর কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাগান তো টিলা এলাকা। তাই সবাই হয়তো মনে করছে, এখানে পানি উঠবে না। তাই এদিকে কেউ আসছে না। আমাদের দুর্দশার কথা পৌঁছানোর মতোও কেউ নেই।’

দলদলি চা বাগানের অবস্থান সিলেট সদর উপজেলার টুকেরবাজার ইউনিয়নে। এই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদ আহমদ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার ইউনিয়নে প্রায় ১০ হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত। অথচ এখন পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসন থেকে ১৩ টন ও সিটি করপোরেশন থেকে পাঁচ টন চাল বরাদ্দ পেয়েছি। এই সামান্য ত্রাণ দিয়ে বিপুলসংখ্যক মানুষের চাহিদা মেটানো অসম্ভব।’

দলদলি চা বাগানে এখনও ত্রাণ না পৌঁছানোর কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘এই বাগানের শ্রমিকদের জন্য এক টন চাল রেখেছি। কাল-পরশুর মধ্যে তা পৌঁছানো হবে।’

তবে দলদলি চা বাগানে এখনও ত্রাণ না পৌঁছানোর তথ্য জানেন না বলে জানিয়েছেন সিলেট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুসরাত আজমেরী হক।

তথ্যটি জানানোর জন্য এ প্রতিবেদককে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে পর্যাপ্ত ত্রাণ আছে। বেসরকারি পর্যায়েও অনেক ত্রাণ আসছে। দলদলি চা বাগানে কেন এখনও ত্রাণ পৌঁছেনি তা আমি খোঁজ নিয়ে দেখব।’

ইউএনও নিউজবাংলাকে আরও বলেন, ‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘরের তালিকা করা হচ্ছে। সরকার থেকে এই বাড়িঘর সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হবে।’

রাষ্ট্রায়ত্ত ন্যাশনাল চা কোম্পানির মালিকানাধীন লাক্কাতুরা চা বাগানের একটি ফাঁড়ি বাগান দলদলি। এই বাগানের দায়িত্বে থাকা লাক্কাতুরা চা বাগানের সহকারী ব্যবস্থাপক জিলকর হোসেনের কাছে শ্রমিকদের ঘরবাড়ি সংস্কারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বাগান ব্যবস্থাপক এ কে এম এমদাদুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।

তবে ব্যবস্থাপক এমদাদুল হকের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
সিলেটে বৃষ্টি, আবারও বন্যার শঙ্কা
বন্যার কবলে পৌনে ৬ লাখ শিক্ষার্থী
আসামের বন্যাদুর্গতদের জন্য ২৫ লাখ রুপি দিলেন আমির খান
পানি নামার আগেই আবার বাড়ছে সুনামগঞ্জে
বন্যাদুর্গত এলাকায় কাটা রাস্তায় সেতু বা কালভার্ট নির্মাণের নির্দেশ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Body of missing Tiktkar found in Dhaleswari

ধলেশ্বরীতে নিখোঁজ ‘টিকটকারের’ মরদেহ উদ্ধার

ধলেশ্বরীতে নিখোঁজ ‘টিকটকারের’ মরদেহ উদ্ধার
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আব্দুল হাকিম স্থানীয়দের বরাতে জানান, তিন কিশোর শনিবার দুপুরে টিকটক ভিডিও করার জন্য মুক্তারপুর সেতুতে যায়। এর মধ্যে দুজন ভিডিওর জন্য নদীতে ঝাঁপ দেয়। তাদের একজন হামিম সাঁতরে তীরে উঠলেও রাসেলকে পাওয়া যায়নি।

মুন্সীগঞ্জের ধলেশ্বরী নদীতে নিখোঁজ কিশোরের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

জেলার মুক্তারপুর সেতুর পশ্চিম প্রান্তে মালিপাথর এলাকায় নদীর অংশ থেকে সোমবার রাত ১১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

মৃত মো. রাসেলের বাড়ি বরিশালের হিজলা উপজেলায়। পরিবারসহ তিনি মুন্সীগঞ্জ সদরের দশকানি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

মুক্তারপর নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ লুৎফর রহমান এসব নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পাই ওই কিশোরের মরদেহ নদীতে ভেসে উঠেছে। মুক্তারপুর সেতুর পশ্চিম পাশে ১০০ মিটার দূর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়ার জন্য মরদেহ নৌপুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে।’

মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আব্দুল হাকিম স্থানীয়দের বরাতে জানান, তিন কিশোর শনিবার দুপুরে টিকটক ভিডিও করার জন্য মুক্তারপুর সেতুতে যায়। এর মধ্যে দুজন ভিডিওর জন্য নদীতে ঝাঁপ দেয়। তাদের একজন হামিম সাঁতরে তীরে উঠলেও রাসেলকে পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও জানান, শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত খুঁজেও রাসেলকে পাওয়া যায়নি। রোববার রাতে মরদেহ ভেসে উঠলে উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন:
বন্ধুর ডাকে বেরিয়ে নিখোঁজ, গুমাই নদীতে মরদেহ
শিক্ষক খাইরুনের মৃত্যুতে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
রাজধানীতে দেবরের বাসায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ
‘ভাইরাল হওয়ার পর মানসিক চাপে পড়েন শিক্ষক খাইরুন’
বাঁশঝাড়ে স্কুলছাত্রের মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The body of the student was found after flogging in the madrasa

মাদ্রাসায় বেত্রাঘাতের পর মিলল ছাত্রের মরদেহ

মাদ্রাসায় বেত্রাঘাতের পর মিলল ছাত্রের মরদেহ
অভিযুক্ত শিক্ষক হোসাইন বলেন, ‘পড়া দিতে না পারায় তার হাতে ও ঊরুতে দুইবার বেত্রাঘাত করি। পরে দুপুরে নামাজ শেষে সে বাথরুমে যায়। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ বাথরুম থেকে বের না হলে দেয়ালের ফাঁক দিয়ে অন্য এক ছাত্র উঁকি দিয়ে দেখে সে গলায় ফাঁস দিয়ে পড়ে আছে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে মাদ্রাসাশিক্ষকের পিটুনিতে ১২ বছর বয়সী ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।

জেলা শহরের কাউতলীর ইব্রাহিমীয়া হাফিজিয়া কোরআন মাদ্রাসা থেকে রোববার দুপুরে মোহাম্মদ আলী নামে ওই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আলীর বাড়ি কাউতলীতেই। তার বাবা কাউসার মিয়া জানান, আড়াই বছর আগে এই মাদ্রাসায় তাকে ভর্তি করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ওসি ঘটনার সততা নিশ্চিত করেন।

তিনি স্থানীয়দের বরাত দিয়ে বলেন, রোববার সকালে আলীকে মাদ্রাসায় দিয়ে যান তার বাবা। দুপুরে ছেলের জন্য খাবার নিয়ে এলে তার মরদেহ দেখতে পান মেঝেতে। বাবার চিৎকারে এলাকার লোকজন জড়ো হয়ে পুলিশে খবর দেন।

মোহাম্মদ আলীর চাচা মোস্তাক অভিযোগ করেন, শিক্ষক হোসাইন আহমেদের পিটুনির কারণে তার ভাতিজার মৃত্যু হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আলী হেফজখানায় পড়ছিল। কোরআন শরিফের অর্ধেক সে মুখস্থ করে ফেলেছিল। প্রতিদিনকার মতো আজও আলীর বাবা তাকে সকালে মাদ্রাসায় দিয়ে যায়। পড়া না পারায় তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। একপর্যায়ে তাকে হত্যা করে বাথরুমে আটকে রাখে।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষক হোসাইন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আলী কোরআন শরিফের ২৬ পাড়া মুখস্থ করে ফেলেছিল...। কিছুদিন ধরে সে আধা পৃষ্ঠা পড়াও ঠিকভাবে দিতে পারছিল না। আজ সকালেও ঠিক এমনই হয়েছে।

‘পড়া দিতে না পারায় তার হাতে ও পায়ের ঊরুতে দুইবার বেত্রাঘাত করি। পরে দুপুরে নামাজ শেষে সে বাথরুমে যায়। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ বাথরুম থেকে বের না হলে দেয়ালের ফাঁক দিয়ে অন্য এক ছাত্র উঁকি দিয়ে দেখে সে গলায় ফাঁস দিয়ে পড়ে আছে। তাকে বাথরুম থেকে বের করি। এরই মধ্যে তার বাবা মাদ্রাসায় এসে ছেলের লাশ দেখতে পায়।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা মোহাম্মদ শাহিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক হোসাইন আহমেদ বেত্রাঘাতের কথা স্বীকার করেন। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে। প্রাথমিক অবস্থায় এটি আত্মহত্যা মনে হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের পর আসল কারণ জানা যাবে।’

আরও পড়ুন:
বলাৎকারের মামলায় সহকারী শিক্ষক গ্রেপ্তার
সহকারীর জ্বালায় প্রধান শিক্ষক আসে আর যায়
শ্লীলতাহানির মামলায় প্রধান শিক্ষক কারাগারে
অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ কর্মচারীর
‘শিক্ষকের বেত্রাঘাতে’ মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Missing Gumai found dead in the river after being called by a friend

বন্ধুর ডাকে বেরিয়ে নিখোঁজ, গুমাই নদীতে মরদেহ

বন্ধুর ডাকে বেরিয়ে নিখোঁজ, গুমাই নদীতে মরদেহ
সাগরের বাবা শাহর আলী জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এক বন্ধুর মোবাইল কল পেয়ে সাগর বাড়ি থেকে বের হয়। রাতে না ফেরায় তারা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। এ সময়ে সাগরের মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল।

নেত্রকোণার কলমাকান্দায় নিখোঁজ হওয়ার দুদিন পর গুমাই নদী থেকে সাগর মিয়া নামের কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার রাজনগর গ্রামে নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

সাগর মিয়া কলমাকান্দার পোগলা ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের শাহর আলীর ছেলে। সে হাজীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে পড়ত।

কলমাকান্দা থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুল আহাদ খান এসব তথ্য জানান।

সাগরের বাবা শাহর আলী জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এক বন্ধুর মোবাইল কল পেয়ে সাগর বাড়ি থেকে বের হয়। রাতে না ফেরায় তারা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। এ সময়ে সাগরের মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল।

দুপুর ২টার দিকে রাজনগর গ্রামে গুমাই নদীতে সাগরের মরদেহ ভাসতে দেখে এলাকাবাসী থানায় জানান। পুলিশ গিয়ে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে নেয়।

ওসি জানান, সাগরের মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুন:
শিক্ষক খাইরুনের মৃত্যুতে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
রাজধানীতে দেবরের বাসায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ
‘ভাইরাল হওয়ার পর মানসিক চাপে পড়েন শিক্ষক খাইরুন’
বাঁশঝাড়ে স্কুলছাত্রের মরদেহ
শিক্ষক খাইরুনের মৃত্যু: স্বামী মামুন পুলিশ হেফাজতে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Video of patient assault goes viral

রোগীকে লাঞ্ছনার ভিডিও ভাইরাল

রোগীকে লাঞ্ছনার ভিডিও ভাইরাল ভাইরাল ভিডিও থেকে নেয়া ছবি।
২ মিনিট ৯ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা গেছে, হাসপাতালে নিজ চেম্বারে বসে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন চিকিৎসক আকরাম। এর মধ্যে একজন তার পায়ে ধরে ক্ষমা চাইতে বসেন। আকরাম তার পিঠে কিল দেন ও লাথি মারেন। 

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসকের কাছে রোগীর লাঞ্ছিত হওয়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে ফেসবুকে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঘটনাটি গত শনিবারের। ভিডিওতে লাঞ্ছিত করার দৃশ্য দেখা গেলেও ওই চিকিৎসক এটিকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

চিকিৎসক আকরাম এলাহী সদর হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জন।

২ মিনিট ৯ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা গেছে, হাসপাতালে নিজ চেম্বারে বসে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন আকরাম। এর মধ্যে একজন তার পায়ে ধরে ক্ষমা চাইতে বসেন। আকরাম তার পিঠে কিল দেন ও লাথি মারেন।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে মুঠোফোনে চিকিৎসক আকরাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি কোনো রোগীর গায়ে হাত তুলিনি। ঘটনার দিন রোগীর অনেক চাপ ছিল। ওই সময় ওই রোগী জোর করে আমার চেম্বারে ঢোকার চেষ্টা করলে আমার সহকারী তাকে বাধা দেয়। বাধা দিলে সে ওই সহকারীর গায়ে হাত তোলে।

‘আমার সহকারী এমনিতেই অসুস্থ, হার্টের রোগী। পরে সে আমার চেম্বারে ঢুকে আমাকে কামড় দিতে গেলে আমি দূরে সরে আসি।’

রোগীকে লাঞ্ছনার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি কোনো রোগীকে থাপ্পর বা লাথি মারিনি। আমি আমি নিজেকে বাঁচাতে সরে এসেছি। আর যেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছে এগুলো মিথ্যে। আমি কোনো রোগীকে মেরেছি এমন কোনো ঘটনা সেখানে ঘটেনি।’

শরীয়তপুরের সিভিল সার্জন আবদুল্লাহ আল মুরাদ এ ধরনের ঘটনা সম্পর্কে অবগত নন জানিয়ে বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনও কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। এমন ঘটনা ঘটে থাকলে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ভিডিওর ওই রোগীর পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেননি চিকিৎসক আকরাম বা হাসপাতালের কেউ। এ কারণে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন:
নারী চিকিৎসক হত্যায় রেজার স্বীকারোক্তি
‘ফেসবুকে পরিচয়ে বিয়ে, হত্যার নেপথ্যে রেজাউলের একাধিক সম্পর্ক’
‘রেজাউলের সঙ্গেই হোটেলে যান জান্নাতুল’
নারী চিকিৎসক হত্যায় যুবক আটক
শহীদ মিনারে মারধর: কর্মবিরতিতে ঢাকা মেডিক্যালের ইন্টার্নরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mason arrested while robbing

ছিনতাই করতে গিয়ে আটক ‘রাজমিস্ত্রি’

ছিনতাই করতে গিয়ে আটক ‘রাজমিস্ত্রি’ সাধারণ মানুষ ধাওয়া করে ছিনতাইকারীকে আটক করে। ছবি: নিউজবাংলা
ছিনতাইয়ের শিকার আব্দুল বাসির জানান, তিনি একটি কাপড়ের ব্যাগে কিছু টাকা নিয়ে বাতেন খাঁ মোড়ে ডাব কিনে খান। এ সময়ই তার হাতে থাকা ব্যাগটি নিয়ে দৌড় দেয় ছিনতাইকারী।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে দিনদুপুরে ব্যস্ততম সড়কে ছিনতাই করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের হাতে আটক হয়েছেন এক ব্যক্তি। পরে ছিনতাইয়ের কারণ হিসেবে নিজের বেকারত্বের কথা জানান তিনি।

রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহরের বাতেন খাঁ মোড় এলাকায় এক ব্যক্তির টাকা ছিনতাই করে পালানোর সময় আশপাশের মানুষ ধাওয়া করে ধরে ফেলে তাকে। পরে মারধর করে ৯৯৯ নম্বরে কল করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়।

এর আগে ওই ছিনতাইকারী জানান, তার নাম মাসুদ রানা। বয়স ৩২ বছর। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার বিদিরপুর মহল্লায় বসবাস করেন তিনি। রাজমিস্ত্রির কাজ করে সংসার চালান। কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে কোনো কাজ না থাকায় ছিনতাইয়ের পথ বেছে নিয়েছেন।

ছিনতাইয়ের শিকার আব্দুল বাসির জানান, তিনি একটি কাপড়ের ব্যাগে কিছু টাকা নিয়ে বাতেন খাঁ মোড়ে ডাব কিনে খান। এ সময়ই তার হাতে থাকা ব্যাগটি নিয়ে দৌড় দেয় ছিনতাইকারী। পরে তার চিকৎকার শুনে আশপাশের মানুষ ধাওয়া করে ছিনতাইকারীকে ধরে টাকা উদ্ধার করে দেয়।

এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানার ওসি মোজাফফর হোসেন জানান, ৯৯৯-তে কলের মাধ্যমে ছিনতাইয়ের ঘটনা জানতে পেরে বাতেন খাঁ মোড় থেকে আটক ছিনতাইকারীকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়। ছিনতাইয়ের ঘটনায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
ইউ‌পি সদস্যের নেতৃত্বে ৬৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ
ছিনতাইকারীকে ধরা জবি শিক্ষার্থী ফোন ফিরে পাননি
রিমান্ড শেষে কারাগারে স্বর্ণ ছিনতাইয়ে অভিযুক্ত এএসআই
ওষুধ ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে মোটরসাইকেল ছিনতাই
ছিনতাই মামলায় এএসআই কারাগারে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After 12 days on the Mymensingh Sylhet route the wheels of the bus turned

ময়মনসিংহ-সিলেট রুটে ১২ দিন পর ঘুরল বাসের চাকা

ময়মনসিংহ-সিলেট রুটে ১২ দিন পর ঘুরল বাসের চাকা
ময়মনসিংহ জেলা মোটর মালিক সমিতির মহাসচিব মো. মাহবুবর রহমান বলেন, ‘সিলেট মালিক সমিতি চেয়েছিল তাদের নতুন দুটি বাস সিলেট-নেত্রকোণার কলমাকান্দা রুটে চলুক। আজকেও নেত্রকোণা মালিক সমিতি এটি মেনে নেয়নি। তবে তারা সিলেট-নেত্রকোণার বিরিশিরি রুটে বাস চলাচল করতে দিতে রাজি হয়েছে।’

ঘোষণা ছাড়াই বন্ধ হওয়ার ১২ দিন পর ময়মনসিংহ-সিলেট রুটে শুরু হয়েছে বাস চলাচল।

পরিবহন মালিক শ্রমিক নেতাদের বৈঠক শেষে বাস ফের চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

নিউজবাংলাকে রোববার রাত সাড়ে ৯টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহ জেলা মোটর মালিক সমিতির মহাসচিব মো. মাহবুবর রহমান।

তিনি বলেন, ‘বিকেলে হবিগঞ্জের একটি হোটেলে সিলেট, নেত্রকোণা ও ময়মনসিংহ মোটর মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা আলোচনায় বসেন। দীর্ঘ আলোচনা শেষে তারা বিকেল ৫টা থেকেই ময়মনসিংহ-সিলেট রুটে বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নেন। সন্ধ্যার পর ময়মনসিংহ-সিলেট রুটে কয়েকটি বাস চলাচল শুরু হয়েছে। সোমবার থেকে এ রুটে পুরোদমে বাস চলবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সিলেট মালিক সমিতি চেয়েছিল তাদের নতুন দুটি বাস সিলেট-নেত্রকোণার কলমাকান্দা রুটে চলুক। আজকেও নেত্রকোণা মালিক সমিতি এটি মেনে নেয়নি। তবে তারা সিলেট-নেত্রকোণার বিরিশিরি রুটে বাস চলাচল করতে দিতে রাজি হয়েছে।

‘কিন্তু সিলেট মালিক সমিতির নেতারা আগামী তিন দিনের মধ্যে নেত্রকোণার বিরিশিরি রুটে বাস চালাবে কি না আমাদের জানাবেন। যদি তারা চায়, নেত্রকোণার বিরিশিরি রুটেই বাস চলবে। নয়তো আমাদের নেতারা নেত্রকোণা মালিক সমিতির সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সিলেট-নেত্রকোণার কলমাকান্দা রুটেই বাস চলাচলের ব্যবস্থা করবে।’

আরও পড়ুন:
তেলের দাম সমান হলেও কলকাতায় বাস ভাড়া ঢাকার চেয়ে কম
স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজিসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য শুরু
যাত্রী ঠকছে বিআরটিসির বাসেও
সর্বনিম্ন ভাড়া ১০, তবে প্রজাপতি ও পরিস্থানে ২৫
ওয়েবিল থাকবে না ঘোষণা দিয়ে কয়েক মাস সময় দাবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rohingya detained with foreign pistol

বিদেশি পিস্তলসহ রোহিঙ্গা আটক

বিদেশি পিস্তলসহ রোহিঙ্গা আটক ২৮ বছর বয়সী আটক রোহিঙ্গা যুবকের নাম মোহাম্মদ হারুন। ছবি: নিউজবাংলা
আটক হারুনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান ১৬ এপিবিএন কর্মকর্তা হাসান বারী নূর।

কক্সবাজারের টেকনাফে নয়াপাড়া নিবন্ধিত শরণার্থী ক্যাম্প থেকে বিদেশি পিস্তলসহ এক রোহিঙ্গাকে আটক করেছে ১৬ আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা।

রোববার রাত ৮টার দিকে নয়াপাড়া ক্যাম্পের সি-ব্লক থেকে ওই রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন ১৬ আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) হাসান বারী নূর।

তিনি জানান, ২৮ বছর বয়সী আটক রোহিঙ্গা যুবকের নাম মোহাম্মদ হারুন। নয়াপাড়া ক্যাম্পের সি-ব্লকের ৮০২ নং শেডের ফজল আহমদের ছেলে তিনি।

হাসান বারী নুর বলেন, ‘রাত ৮টার দিকে সি-ব্লকের একটি এলাকায় অবস্থানকালে হারুনের দেহ তল্লাশি করে বিদেশি পিস্তল ও একটি ম্যাগজিন পাওয়া যায়। পরে তাকে আটক করা হয়।’

আটক হারুনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান ১৬ এপিবিএন কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
দুর্বৃত্তের গুলিতে রোহিঙ্গা নেতাসহ নিহত ২
ভাসানচর থেকে পালিয়ে আসা ৭ রোহিঙ্গা আটক
‘আধিপত্য বিস্তারের জেরে’ রোহিঙ্গা যুবক খুন
রোহিঙ্গাদের কারণে বাংলাদেশ ভিকটিম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
‘রোহিঙ্গা ইস্যু ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় দরকার আঞ্চলিক পরিকল্পনা’

মন্তব্য

p
উপরে