× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
4 lakh 33 thousand sacrificial animals prepared in Naogaon
hear-news
player
print-icon

নওগাঁয় প্রস্তুত ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোরবানির পশু

নওগাঁয়-প্রস্তুত-৪-লাখ-৩৩-হাজার-কোরবানির-পশু
নওগাঁয় খামারি ও ব্যক্তি পর্যায়ে ৪ লাখ ৩৩ হাজার গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা মহির উদ্দীন বলেন, ‘ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে নওগাঁ জেলায় খামারি ও ব্যক্তি পর্যায়ে ৪ লাখ ৩৩ হাজার গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে। এর মধ্যে শুধু গরুই ৬৭ হাজার। জেলায় প্রায় ২৫ হাজারের মতো খামার রয়েছে। গত বছর ২ লাখ ২৫ হাজার কোরবানি হয়েছিল। এবারে জেলায় প্রায় ৩ লাখের বেশি কোরবানি হবে বলে ধারণা করছি।’

ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে নওগাঁয় খামারি ও ব্যক্তি পর্যায়ে ৪ লাখ ৩৩ হাজার গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে। এসব পশুর মধ্যে রয়েছ— ষাঁড়, বলদ, গাভি (বাচ্চা উৎপাদনে অক্ষম) মহিষ ও ছাগল।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, নওগাঁ সদরে ৪২হাজার ৪২০টি, রাণীনগরে ৪১ হাজার ৭৪১টি, আত্রাইয়ে ২৪ হাজার ৭৮৩টি, ধামইরহাটে ৪৪ হাজার ৮২৫টি, বদলগাছীতে ৩২ হাজার ৩৭৯টি, নিয়ামতপুরে ৩২ হাজার ৯৬টি, পোরশায় ৩৩ হাজার ৪৩৬টি, সাপাহারে ২৮ হাজার ৭৬৬টি, মহাদেবপুরে ৪২ হাজার ৫৮৯টি, পত্মীতলায় ৪৬ হাজার ৮১০টি এবং মান্দায় ৬৩ হাজার ২২৮টি গবাদি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

জেলার বেশ কয়েকটি খামার ঘুরে দেখা যায়, ঈদ উপলক্ষে ভালো দামের আশায় খামারিরা পশু লালন-পালন করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। খরচ বেশি হলেও ভালো দাম পাবেন বলে আশা খামারিদের।

অন্যদিকে ভারতীয় গরু যেন দেশে প্রবেশ যেন না করতে পারে তারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

নওগাঁয় প্রস্তুত ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোরবানির পশু

কী বলছেন খামারিরা

নওগাঁ সদর উপজেলার মৃধাপাড়া এলাকার সজিব অ্যাগ্রোর মালিক সজিব হোসেন বলেন, ‘আমার খামারে ৯০টি গরু রয়েছে। গরুগুলোকে লালন-পালন ও পরিচর্যা করে ক্রেতার মনের মতো করে তুলছি। আগামী সপ্তাহ থেকে গরু বাজারে বিক্রি শুরু করব।’

সজিব আরও বলেন, ‘১০মাস আগে গরুগুলো কিনেছি মোটাতাজা করে বিক্রির জন্য। প্রতিটি গরু ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকায় কিনেছি। প্রতিদিন প্রতি গুরুর জন্য খাবার বাবদ খরচ হয় ৩০০ টাকার মতো।

‘প্রতিটি গরু ২ লাখ থেকে ২ লাখ ১০ বা ১৫ হাজার টাকার মতো দামে বিক্রি হবে বলে আশা করছি। যদি এই দামে বিক্রি করতে পারি তবে সব খরচ বাদ দিয়ে গরু প্রতি ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকার মতো লাভ হবে।’

রাণীনগর উপজেলার কাশিমপুর গ্রামের খামারি রফিকুল আলম বলেন, ‘আমার খামারে ১০টি গরু ও ৫টি ছাগল আছে। ১ বছর আগে এসব গরু ও ছাগল কিনেছিলাম। গরুগুলো ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকায় কিনেছিলাম। আর ছাগলগুলো ৭ থেকে ৮ হাজার টাকায় কিনেছিলাম।

‘ভালো দাম পাবার আশায় পরিচর্চা করে যাচ্ছি। গো খাদ্যের দাম কিছুটা বেশি। প্রতিদিন গরু ও ছাগলের জন্য তিলের খইল, ভুসি, চালের গুড়া, ছোলা, লবন ও ঘাস খাওয়াতে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকার মতো খরচ হয়ে যায়। ভালো দাম পেলে প্রতিটি গরু ৮০হাজার থেকে ১ লাখ টাকায় বিক্রি করতে পারব। তাহলে গরু প্রতি ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা লাভ হবে। আর ছাগল ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায় বিক্রি হলে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকার মতো লাভ হবে প্রতিটি ছাগল বিক্রি করে।

রফিকুলে আশা ভারতীয় পশু না ঢুকলে ভালো দাম পাওয়া যাবে। এজন্য প্রশাসনের কঠোর নজরদারি দাবি করেন তিনি।

মান্দা উপজেলার মৈনম গ্রামের খামারি সিদ্দিক হোসেন বলেন, ‘ঈদুল আযহা উপলক্ষে ৫টি গরু প্রস্তুত আছে। গরু গুলোকে লালন-পালন করছি ১০ মাস ধরে। নওগাঁর সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে প্রতি বছরই ঈদের আগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী গরু আনার চেষ্টা করে। আবার অনেকে নিয়েও আসে।

‘ভারতীয় পশু যেন দেশে না ঢুকতে পারে সেদিকে প্রশাসন যেন নজর দেয়। তাহলে আমরা ভালো দাম পাবো বলে মনে করছি। নইলে লোকশান হয়ে যাবে। কারণ ভারতের পশু দেশে এলে দাম কমে যাবে গরুগুলোর। তখন আমাদের লোকশান হতে পারে।’

নওগাঁয় প্রস্তুত ৪ লাখ ৩৩ হাজার কোরবানির পশু

জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা মহির উদ্দীন নিউবাংলাকে বলেন, ‘ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে নওগাঁ জেলায় খামারি ও ব্যক্তি পর্যায়ে ৪ লাখ ৩৩ হাজার গবাদিপশু প্রস্তুত রয়েছে। এর মধ্যে শুধু গরুই ৬৭ হাজার। জেলায় প্রায় ২৫ হাজারের মতো খামার রয়েছে। গত বছর ২ লাখ ২৫ হাজার কোরবানি হয়েছিল। এবারে জেলায় প্রায় ৩ লাখের বেশি কোরবানি হবে বলে ধারণা করছি।

‘জেলায় কোরবানির জন্য পশুর সংকট হবে না। চাহিদার তুলনায় জেলার খামারগুলোতে পশু বেশি থাকায় এবার অন্য কোথাও থেকে পশু আনার প্রয়োজন নেই।’

জেলা প্রাণীসম্পদের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘পশুগুলোকে মোটাতাজা করার জন্য কোনো ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ বা ওষুধ খাওয়ানো হচ্ছে না। সেদিকে আমাদের নজর রয়েছে। মাঠের সবুজ ঘাস, ভুসি, খইল, চালের গুড়া, ছোলা খাওয়াচ্ছেন। আর পশুকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সুস্থ রাখতে আমরা খামারিদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।’

আরও পড়ুন:
গোখাদ্যের দাম বৃদ্ধিতে লোকসানের শঙ্কায় খামারিরা
গরুবাহী ট্রাকের চালককে হত্যা, গ্রেপ্তার ২
সুলতানকে কেউ কেনেনি
দেশে ৯১ লাখ পশু কোরবানি, বেড়েছে অনলাইনে বিক্রি
ঢাকা উত্তরে নির্ধারিত স্থানে চার হাজার কোরবানি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Thousands of families are waterlogged due to fear of crop loss due to heavy rains

ভারী বৃষ্টি, জোয়ারে ফসলহানির শঙ্কা, পানিবন্দি হাজারও পরিবার

ভারী বৃষ্টি, জোয়ারে ফসলহানির শঙ্কা, পানিবন্দি হাজারও পরিবার সাগরে লঘুচাপের ফলে ভারী বৃষ্টি ও জোয়ারে প্লাবিত পিরোজপুরের নিম্নাঞ্চল। ছবি: নিউজবাংলা
সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা শিপন চন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘পানি স্থায়ী না হলে কৃষি ফসলের ক্ষতির তেমন আশঙ্কা নেই। তবে আমান বীজতলা লাগাতে কৃষকদের কিছুটা ভোগান্তি হবে।’

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে টানা কয়েক দিনের বৃষ্টি ও অস্বাভাবিক জোয়ারে তলিয়ে গেছে গেছে উপকূলীয় জেলা পিরোজপুরের নিম্নাঞ্চল। এতে ফসলহানির পাশাপাশি পানিবন্দি হয়ে পড়েছে নদী পাড়ের কয়েক হাজার পরিবার।

এতে মাথায় হাত পড়েছে কৃষকের। তারা বলছেন, আউশের ক্ষেত ও আমনের বীজতলার পাশাপাশি শ শ মাছের ঘেরও ভেসে গেছে। এতে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের।

পিরোজপুর সাগর উপকূলবর্তী হওয়ায় নিম্ন বা লঘুচাপের প্রভাব পড়ে ব্যাপক।

এবার সাগরে লঘুচাপের কারণে টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে এরইমধ্যে দুই থেকে আড়াই ফুট পানিতে তলিয়ে গেছে জেলার নিম্নাঞ্চল।

পিরোজপুরের শারিকতলা, ডুমুরিতলা, ইন্দুরকানী, ভাণ্ডারিয়া এবং মঠবাড়িয়া উপজেলার বেশ কিছু এলাকার নিম্নাঞ্চলে অতি জোয়ারে ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন এসব এলাকার মানুষেরা।

নদীর পাড়ের এলাকা শংকরপাশা ইউনিয়নের ঝনঝনিয়া গ্রামের মো. কাসেম হোসেন বলেন, ‘গতকাল এবং আজ সকাল থেকে যেমন ব্যাপক বৃষ্টি হচ্ছে। এতে ঘরের উঠানে নদীর পানি উঠেছে। বাচ্চাদের নিয়ে চিন্তায় আছি। ওরা তো আর পানি বুঝে না, খেলতে নেমে যায়। তাই চোখে চোখে রাখতে হচ্ছে।’

পাড়েরহাট এলাকার গাজিপুর গ্রামের মনিকা বেগম বলেন, ‘কচা নদীর গাজীপুরের বাঁধ ভেঙে আমাদের এলাকার অনেক বাড়িতে পানি ঢুকে গেছে। তবে জোয়ারে পানি আসলেও ৬-৭ ঘণ্টা পর পানি নেমে যায় ভাটায়।’

ঝনঝনিয়া গ্রামের কৃষক মন্টু মিয়া বলেন, ‘এখন চলছে আউশ ধানের মৌসুম। ইতিমধ্যে ধান কাটাও শুরু করেছি। কিন্তু হঠাৎ বৃষ্টি ও নদীর পানিতে তলিয়ে গেছে মাঠ। এতে ধানের ক্ষতি হবে।’

সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা শিপন চন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘পানি স্থায়ী না হলে কৃষি ফসলের ক্ষতির তেমন আশঙ্কা নেই। তবে আমান বীজতলা লাগাতে কৃষকদের কিছুটা ভোগান্তি হবে।’

তিনি আরও বলেন, এ বছর জেলায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে আউশ ও ৬১ হাজার হেক্টর জমিতে আমান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
জোয়ারে তলিয়েছে বাগেরহাটের ২৫ গ্রাম
রোদ হেসেছে সিলেটে, কমছে পানি
ধোবাউড়ায় অর্ধশতাধিক গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি ২০ হাজার মানুষ
সিলেটে বন্যার অবনতি, ২৯০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ
আবার ডুবছে সিলেট নগর, বাড়ছে দুর্ভোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A case against the councilor and his wife for cutting mountains

পাহাড় কাটার অভিযোগে কাউন্সিলর ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা

পাহাড় কাটার অভিযোগে কাউন্সিলর ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা
নগরীর পাহাড়তলী মৌজার লেকসিটি এলাকায় পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণের একটি অভিযোগ পেয়ে সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কর্মকর্তারা। এ সময় পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণ ও গাছ কাটার প্রমাণ পাওয়া যায়।

চট্টগ্রামে পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগের সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ও তার স্ত্রীসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের পরিদর্শক সাখাওয়াত হোসাইন বুধবার বিকেলে আকবরশাহ থানায় মামলা করেন।

আসামিরা হলেন, ৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিম, তার স্ত্রী তাছলিমা বেগম ও ওই স্থাপনার তত্ত্ববধায়ক মো. হৃদয়।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (চট্টগ্রাম মহানগর) হিল্লোল বিশ্বাস।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘নগরীর পাহাড়তলী মৌজার লেকসিটি এলাকায় পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণের একটি অভিযোগ পেয়ে সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কর্মকর্তারা। এ সময় পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণ ও গাছ কাটার প্রমাণ পাওয়া যায়।

‘স্থাপনা বলতে টিনশেড সেমিপাকা একটি ঘর তৈরি করা হয়েছে। তাছাড়া অন্তত ৩ হাজার ঘণফুট পাহাড় ও তিনটি বড় গাছ কেটে নিয়েছে ওরা। বুধবার শুনানির জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়। শুনানিতে ওই স্থাপনার তত্ত্বাবধায়ক হৃদয় এসে জমির প্রকৃত মালিক কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিম ও তার স্ত্রী তাছলিমা বেগম বলে জানান।’

আরও পড়ুন:
আর নিরাপদ নয় বৃষ্টির পানি
গ্র্যাজুয়েট ফ্রেন্ডস অ্যাসোসিয়েশনের চারা বিতরণ
কাঁঠালের কনে পেয়ারা, আমড়ার বর আম
সরকারি গাছ কাটায় মামলা 
বাঁধাকপি কাটল কে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bus wheels are not turning on Mymensingh Sylhet route for 9 days

ময়মনসিংহ-সিলেট রুটে বাসের চাকা ঘুরছে না ৯ দিন

ময়মনসিংহ-সিলেট রুটে বাসের চাকা ঘুরছে না ৯ দিন
ময়মনসিংহ শহরে সিলেটের শাহজালাল পরিবহনের ম্যানেজার মো. মমিনুল ইসলাম মানিক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ময়মনসিংহ থেকে বাসগুলো নেত্রকোণা ও কিশোরগঞ্জ পর্যন্ত যেতে পারলেও গত ৯ দিন ধরে সিলেটে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না সিলেট মালিক সমিতি।’

ঘোষণা ছাড়াই ময়মনসিংহ-সিলেট রুটে ৯ দিন ধরে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে সিলেটের পরিবহন মালিক সমিতি। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে যাত্রীরা।

তাদের অভিযোগ, নিজেদের স্বার্থে পরিবহন মালিকরা বাস বন্ধ করে দিয়েছেন।

ময়মনসিংহ শহরে সিলেটের শাহজালাল কাউন্টারের সামনে বুধবার সন্ধ্যায় কথা হয় সাইদুল ইসলাম নামে সিলেটগামী এক যাত্রীর সঙ্গে।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘ঘোষণা ছাড়াই এভাবে বাস বন্ধ করে দেয়ার কোনো মানে হয় না। আগে থেকে বাস বন্ধের নির্দেশনা আসলে আমরা জানতে পারতাম। কাউন্টারে গিয়ে টিকিট না পেয়ে ফিরে আসতে হতো না।’

নুরজাহান খাতুন নামে আরে যাত্রী বলেন, ‘আমাদের কথা পরিবহন মালিকরা চিন্তা করেন না। যখন ইচ্ছে বাস বন্ধ করে দেয়, আবার যখন ইচ্ছে বাস চলাচল স্বাভাবিক করে।’

ময়মনসিংহ শহরে সিলেটের শাহজালাল পরিবহনের ম্যানেজার মো. মমিনুল ইসলাম মানিক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ময়মনসিংহ থেকে বাসগুলো নেত্রকোণা ও কিশোরগঞ্জ পর্যন্ত যেতে পারলেও গত ৯ দিন ধরে সিলেটে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না সিলেট মালিক সমিতি।

‘এতে যে শুধুমাত্র যাত্রীরাই ভোগান্তিতে পড়েছে তা নয়। সিলেটগামী বাসের চালক, শ্রমিক ও কাউন্টারের ম্যানেজাররা বেকার হয়ে পড়েছেন। ফলে তারা তাদের সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘মালিকপক্ষ সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তারা বিভিন্ন সড়কে একাধিক গাড়ি চালিয়ে ক্ষতি পুষিয়ে নিচ্ছেন। কিন্তু আমরা আমাদের মতো শ্রমিকরা ধারদেনা করে পরিবারের ভরণপোষণ করছে। অন্তত যাত্রীসহ আমাদের কথা চিন্তা করে ময়মনসিংহ-সিলেটে বাস চলাচল স্বাভাবিক করা প্রয়োজন।’

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা মোটর মালিক সমিতির মহাসচিব মো. মাহবুবুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দফায় দফায় সিলেট ও নেত্রকোণা মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে কথা বলছি। কিন্তু এতোদিন আশানুরূপ ফল পাওয়া যায়নি।

‘বুধবার রাতে এ সমস্যা সমাধানে সিলেট মালিক সমিতির নেতারা নিজেরাই আলোচনায় বসেছে। আশা করছি রাতেই মধ্যেই ময়মনসিংহ-সিলেটে বাস চলাচলের সিদ্ধান্ত আসবে।’

বাস বন্ধের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নেত্রকোণা জেলায় চলাচলের জন্য গত ২ আগস্ট সিলেট মালিক সমিতির দুটি বাস নামিয়েছে। কিন্তু নেত্রকোণা মালিক সমিতি এ বাস দুটি চলাচল করতে দিবে না বলে জানায়।

‘কিশোরগঞ্জ মালিক সমিতিও নেত্রকোণা মালিক সমিতির সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সিলেট মালিক সমিতি ময়মনসিংহ-সিলেট সড়কে তাদের সব বাস চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়।’

আরও পড়ুন:
বাসে ডাকাতি-সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: আরও ২ আসামির স্বীকারোক্তি
বাস মালিকদের দাপটে অসহায় সরকারি সংস্থা
বসুমতির সুমতি ফেরাবে কে?
৭ ঘণ্টা পর চালু সাতক্ষীরার বাস
রেমিট্যান্সে ফের উল্লম্ফন, ৭ দিনে ৫ হাজার কোটি টাকা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
City official fired for offensive message to female colleague

নারী সহকর্মীকে ‘আপত্তিকর’ মেসেজ, বহিষ্কার নগর কর্মকর্তা

নারী সহকর্মীকে ‘আপত্তিকর’ মেসেজ, বহিষ্কার নগর কর্মকর্তা রংপুর সিটি করপোরেশনের অভিযুক্ত কর্মকর্তা সাজ্জাদুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
অভিযুক্ত সাজ্জাদুর রহমান বলেন, ‘আমি মেসেজ দিয়েছি ঠিক আছে, কিন্তু অতটা আপত্তিকর নয়। বহিষ্কারের চিঠি এখনো পাইনি।’

রংপুর সিটি করপোরেশনের পানি শাখার এক নারী সহকর্মীকে মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপে ‘আপত্তিকর’ মেসেজ দেয়ায় নগর ভবনের যান্ত্রিক শাখার প্রধান সাজ্জাদুর রহমানকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি করা হয়েছে।

বুধবার বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যান্ত্রিক শাখার প্রধান সাজ্জাদুর রহমানের বিরুদ্ধে তার মোবাইল ফোন থেকে পানি শাখার কর্মকর্তা অঞ্জনা রানীকে ‘আপত্তিকর’ মেসেজ দেয়ার অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে হইচই পড়ে যায়। বিষয়টি আমার কাছে আসলে আমি অভিযুক্ত সাজ্জাদ এবং ওই নারী কর্মকর্তার পক্ষের লোকজনকে নিয়ে বৈঠকে বসি। বৈঠকে সাজ্জাদ নিজের দায় স্বীকার করেছেন।’

মেয়র মোস্তফা বলেন, ‘যেহেতু সাজ্জাদুর রহমান নিজের দায় স্বীকার করেছেন, তাই তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। তাকে চিঠি দেয়া হবে।’

ঘটনার তদন্তে সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান মৃধাকে প্রধান করে, নির্বাহী প্রকৌশলী আজম আলী ও সাধারণ শাখার প্রধান নাঈম হোসেনকে সদস্য করে একটি কমিটি করা হয়েছে।

তারা আগামী ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিলে সেটা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত সাজ্জাদুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি মেসেজ দিয়েছি ঠিক আছে, কিন্তু অতটা আপত্তিকর নয়। বহিষ্কারের চিঠি এখনো পাইনি।’

আরও পড়ুন:
‘ধূমপান করায়’ ৩ ছাত্র বহিষ্কার
পঞ্চগড় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদককে বহিষ্কার
আ.লীগের ২৪ নেতাকর্মী বহিষ্কার
দলীয় নেতাকে ‘হত্যাচেষ্টা’, বিএনপির সজল বহিষ্কার
এমপির সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডার জেরে আ. লীগ নেতাকে বহিষ্কারের অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The buyer thought that there was no fertilizer and was caught and fined

ক্রেতা ভেবে বললেন সার নেই, ধরা খেয়ে দিলেন জরিমানা

ক্রেতা ভেবে বললেন সার নেই, ধরা খেয়ে দিলেন জরিমানা নওগাঁয় অভিযান চালিয়ে অবৈধ মজুত করা ও বেশি দামে সার বিক্রির দায়ে এক ডিলারকে জরিমানা করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
শামীম হোসেন বলেন, ‘এক ব্যক্তি ধামইরহাটে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি হচ্ছে, বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে জানালে আমরা ক্রেতা সেজে ওই দোকানে সার কিনতে গেলে সার নেই বলে জানানো হয়। পরে গোডাউনে গিয়ে প্রায় ৩০ বস্তা পটাশ মজুত পাওয়া যায়। পটাশের  দাম ৭৫০ টাকা বস্তা হলেও তের থেকে পনের শ টাকা করে বিক্রির সত্যতা পাওয়া যায়।’

নওগাঁর ধামইরহাটে অবৈধভাবে পটাশ সার মজুত ও বেশি দামে বিক্রির দায়ে এক ডিলারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

উপজেলার আমাইতারা মোড়ে বুধবার দুপুরে অভিযান চালিয়ে মেসার্স বিতরণী ট্রেডার্সের মালিক ও সার ডিলার আবু হেনা নুর মোহাম্মদকে এই জরিমানা করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর নওগাঁ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শামীম হোসেন।

শামীম হোসেন বলেন, ‘এক ব্যক্তি ধামইরহাটে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি হচ্ছে, বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে জানালে আমরা ক্রেতা সেজে ওই দোকানে সার কিনতে গেলে সার নেই বলে জানানো হয়।

‘পরে গোডাউনে গিয়ে প্রায় ৩০ বস্তা পটাশ মজুত পাওয়া যায়। পটাশের দাম ৭৫০ টাকা বস্তা হলেও তের থেকে পনের শ টাকা করে বিক্রির সত্যতা পাওয়া যায়।’

তিনি জানান, এই বিএডিসি ডিলার গত ১৭ জুলাই স্টক রেজিস্ট্রারে পটাশ সারের মজুত দেখান ৪৬ বস্তা, কিন্তু ১৭ তারিখের পর থেকে আজকে পর্যন্ত বিক্রির ভাউচারে ৩১৮ বস্তা পটাশ সার বিক্রির তথ্য পাওয়া যায়। যা তার হিসাবের সঙ্গে অসঙ্গতি।

তাই ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ অনুযায়ী তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া সেসব সার ৭৫০ টাকা দামে উপস্থিতি ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হয়।

অভিযানে ধামইরহাট উপজেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক আনিসুর রহমান ও থানা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সার নিয়ে তেলেসমাতি, গুদাম রক্ষায় পুলিশ
মজুত সার জব্দ, গুদাম সিলগালা
সারের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়বে না উৎপাদনে: কৃষিমন্ত্রী
বেশি দামে সার বিক্রি, দুই ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা
সারের দাম কমানোর দাবিতে সমাবেশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
All the rivers inundated the low lying areas of the south above the danger level

দ‌ক্ষিণের নিম্নাঞ্চল প্লা‌বিত, সব নদী বিপৎস‌ীমার উপরে

দ‌ক্ষিণের নিম্নাঞ্চল প্লা‌বিত, সব নদী বিপৎস‌ীমার উপরে সাগরে লঘুচাপের প্রভাবে বৃষ্টিপাত ও জোয়ারে প্লাবিত হয়েছে বরিশাল নগরীর অনেক এলাকা। ছবি: নিউজবাংলা
বরিশালের পার্শ্ববর্তী জেলা ঝালকাঠীর বিষখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার, ভোলার খেয়াঘাট সংলগ্ন তেঁতুলিয়া নদীর পানি বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার, ভোলার দৌলতখানের সুরমা ও মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার, তজুমদ্দিনের সুরমা ও মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৮৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের প্রভাবে দ‌ক্ষিণাঞ্চলের সকল নদ নদীর পা‌নি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে ওই এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লা‌বিত হওয়ার পা‌শাপা‌শি জলাবদ্ধতা সৃ‌ষ্টি হয়েছে ব‌রিশাল নগরীতে।

বুধবার বিকেল ৪টায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানির স্তরের তথ্য বার জোন থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, বিভাগের মধ্যে বরিশাল নগরী সংলগ্ন কীর্তনখোলা নদীর পানি বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এ ছাড়া বরিশালের পার্শ্ববর্তী জেলা ঝালকাঠীর বিষখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার, ভোলার খেয়াঘাট সংলগ্ন তেঁতুলিয়া নদীর পানি বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার, ভোলার দৌলতখানের সুরমা ও মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার, তজুমদ্দিনের সুরমা ও মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৮৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

অন‌্যদিকে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের বুড়িশ্বর ও পায়রা নদীর পানি বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে, বরগুনার বিষখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ৩৬ সেন্টমিটার, পাথরঘাটার বিষখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ৬৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

এ ছাড়া পিরোজপুরের বলেশ্বর নদীর পানি বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার ও উমেদপুরের কচা নদীর পানি বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

বিষয়‌টি নি‌শ্চিত করেছেন পা‌নি উন্নয়ন বো‌র্ড ব‌রিশালের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মাসুম।

তিনি বলেন, ‘দ‌ক্ষিণাঞ্চলের ২৩‌টি নদীর পা‌নির উচ্চতা প্রতি‌নিয়ত পর্যবেক্ষণ করা হয়। এই সব অঞ্চ‌লের নদ-নদীর পা‌নিই বর্তমানে বিপৎসীমার উপরে রয়েছে।’

এ‌দিকে টানা বৃ‌ষ্টিপাত ও নদীর পা‌নি বিপৎসীমা অ‌তিক্রম করায় দ‌ক্ষিণাঞ্চলের বি‌ভিন্ন এলাকা প্লা‌বিত হয়েছে। ঘর বা‌ড়িতে পা‌নি ঢুকে পা‌নিব‌ন্দি হয়ে পড়েছে কয়েক হাজার মানুষ। ব‌রিশাল নগরীর বি‌ভিন্ন সড়কে পা‌নি উঠেছে, নগরীর নিম্নাঞ্চল পা‌নির নিচে রয়েছে।

ব‌রিশাল আবহাওয়া অ‌ধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘বুধবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ২৪ দশ‌মিক ৬ মি‌লি‌মিটার বৃ‌ষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।’

এ ছাড়া বা‌তাসের গ‌তিবেগ ছিল ৮ থেকে ১২ ন‌টিক‌্যাল মাইল। নদী বন্দরে ২ ও সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

তি‌নি বলেন, ‘বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের কারণে এমন অবস্থার সৃ‌ষ্টি হয়েছে। আরও দুই এক দিন এই অবস্থা অব্যাহত থেকে বৃষ্টিপাত হতে পারে।’

আরও পড়ুন:
স্বস্তির বৃষ্টি কমাল দিল্লির উত্তাপ
রংপুরে গরমে হাসপাতালে রোগীর ভিড়
৩৭ ডিগ্রি পোড়াচ্ছে ৪২ ডিগ্রির সমান
৫ জেলায় তাপপ্রবাহ, বৃষ্টির আভাস কয়েক জেলায়
কেমন থাকবে ঈদের দিনের আবহাওয়া

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bus robbery gang rape 2 more accused confess

বাসে ডাকাতি-সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: আরও ২ আসামির স্বীকারোক্তি

বাসে ডাকাতি-সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: আরও ২ আসামির স্বীকারোক্তি
এই মামলায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ৯ জন। অন্য ৪ জন রিমান্ডে আছেন।

টাঙ্গাইলের মধুপুরে ঈগল এক্সপ্রেসের বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

টাঙ্গাইলের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বুধবার বিকেলে বিচারক নওরিন করিম তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

এই আসামিরা হলেন মো. সাগর ও মো. বাবু।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো. হেলাল উদ্দিন এসব নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, এই মামলায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ৯ জন। অন্য ৪ জন রিমান্ডে আছেন।

পুলিশের বর্ণনায় যা ঘটেছিল

গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ঈগল এক্সপ্রেসের বাসটি সিরাজগঞ্জ রোডে জনতা নামের খাবার হোটেলে যাত্রা বিরতি করে। সেখানে ৩০ মিনিটের মতো বিরতি শেষে বাসটি ফের ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে।

পথে তিনটি স্থান থেকে অজ্ঞাতপরিচয় তিন-চারজন করে মোট ১২ জন ডাকাত যাত্রীবেশে বাসে ওঠেন এবং পেছনের দিকে খালি সিটে বসেন।

যমুনা সেতু (বঙ্গবন্ধু সেতু) পার হওয়ার আধা ঘণ্টা পর (রাত দেড়টার দিকে) টাঙ্গাইলের নাটিয়াপাড়া এলাকায় ডাকাতরা বাসটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। ছুরি, চাকুসহ দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে বাসের চালককে সিট থেকে উঠিয়ে হাত-পা বেঁধে পেছনে সিটের নিচে ফেলে রাখে।

টহল পুলিশের কাছে ধরা পড়া এড়াতে তারা বাসটিকে গোড়াই থেকে ইউটার্ন করে এলেঙ্গা হয়ে ময়মনসিংহ রোড ধরে যেতে থাকে। এই সময়ের মধ্যে ডাকাত দল বাসটির জানালার পর্দা ও যাত্রীদের পরনের বিভিন্ন কাপড় ছিঁড়ে চোখ এবং হাত বেঁধে ফেলে।

পরে ডাকাতরা বাসের ২৪ যাত্রীর কাছ থেকে টাকা, মোবাইল ফোন, স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। বাসের এক নারীকে পাঁচ-ছয়জন ধর্ষণ করে।

আরও পড়ুন:
বাস মালিকদের দাপটে অসহায় সরকারি সংস্থা
বাসে ডাকাতি-ধর্ষণ: চারজনের জবানবন্দি, রিমান্ডে ৬
বাসে ডাকাতি-ধর্ষণ: ১০ জনকে আদালতে তোলা হচ্ছে বিকেলে  

মন্তব্য

p
উপরে