× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Teacher beaten to death Protest in CU
hear-news
player
print-icon

শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা: চবিতে প্রতিবাদ

শিক্ষককে-পিটিয়ে-হত্যা-চবিতে-প্রতিবাদ
শিক্ষক উৎপল কুমারকে পিটিয়ে হত্যার প্রতিবাদ করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী-শিক্ষকবৃন্দ। ছবি: নিউজবাংলা
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘সরকারের কাছে অনুরোধ করব উৎপল কুমার হত্যাকাণ্ডের যেন দ্রুত বিচার হয়। আর কেউ যেন এ পেশাকে কলুষিত না করে। অভিভাবকদের বলব, তারা তাদের সন্তানদের যেন নৈতিক শিক্ষা দেন।’

ঢাকার সাভারে কলেজশিক্ষক উৎপল কুমার সরকারকে স্ট্যাম্প দিয়ে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন হয়েছে।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত এ মানববন্ধন হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪১তম ব্যাচের আয়োজনে মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক-বর্তমান শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

উৎপল কুমার সরকার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতিবিজ্ঞান বিভাগ ও ৪১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।

মানববন্ধনে বক্তারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। পাশাপাশি সমাজ পরিবর্তনে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

৪১তম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী ও রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফণী ভূষণ বিশ্বাস বলেন, ‘উৎপল আমার খুব কাছের বন্ধু। ও যে রুমে থাকত সেখানে আমিও দুই রাত ছিলাম। পরশু দিন অভিযুক্ত ছেলেটা একাই এসে তাকে ব্যাট ও স্ট্যাম্প দিয়ে আঘাত করে।

শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা: চবিতে প্রতিবাদ
নিহত শিক্ষক উৎপল কুমার সরকার। ছবি: সংগৃহীত

‘যতদূর জানি আঘাতটা উৎপলের মাথায় লাগে। কিন্তু হাসপাতাল থেকে জানায়, উৎপলের পেট থেঁতলানো ছিল। তার অর্গানগুলোও বের হয়ে ছিল। এতে বোঝা যায়, এটা পরিকল্পিত হত্যা। যে ছাত্র এই ঘটনায় অভিযুক্ত, তিনি কলেজ মালিকের ফুপাতো ভাইয়ের ছেলে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। শুধু হত্যাকারী নয়, কলেজের ম্যানেজিং কমিটি ও মালিকপক্ষকে বিচারের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’

৪১তম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘আমরা সব সময় শিক্ষকদের মাথার তাজ মনে করি। শিক্ষকশ্রেণি লাঞ্ছিত হলে আমরা তা মেনে নিতে পারি না। উৎপল ৪১তম ব্যাচের আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। দীর্ঘ সাত বছর আমরা একসঙ্গে কাটিয়েছি। আমাদের বন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। যে ছাত্র এই কাজ করেছে আমরা তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. এনায়েত উল্যা পাটওয়ারী বলেন, ‘আমদের শিক্ষকসমাজ বারবার নিগৃহীত হচ্ছে। শিক্ষকসমাজ লাঞ্ছিত হওয়া মানে দেশ, সমাজ লাঞ্ছিত হওয়া। আজকে যারা প্রশাসনে আছেন তাদেরও শিক্ষক এই শিক্ষকসমাজ।

‘আমরা কতটা নিচে নেমেছি সেখানে আমাদের শিক্ষকরা লাঞ্ছিত হচ্ছেন, নিগৃহীত হচ্ছেন, হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছেন। উৎপলকে যারা বর্বরোচিতভাবে হত্যা করেছে আমরা তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’

নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. রাহমান নাছির উদ্দিন বলেন, ‘আজকে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদ হচ্ছে। এ প্রতিবাদ শুধু শিক্ষক বা শিক্ষার্থীর না। এ প্রতিবাদ দেশের সংবেদশীল মানুষের, বিবেকবান মানুষের, এ দেশকে যারা ভালোবাসে তাদের। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

‘শুধু অপরাধীকে, একজন খুনিকে ধরে আইনের আওতায় শাস্তি দিলেই যে অপরাধের দায় থেকে মুক্তি পেয়ে যাব আমরা তা নয়। আমাদের সমাজেও সংস্কার জরুরি।’

অপরাধবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘সরকারের কাছে অনুরোধ করব উৎপল কুমার হত্যাকাণ্ডের যেন বিচার হয়। আর কেউ যেন এ পেশাকে কলুষিত না করে। শিক্ষককে যেন বাবার আসনে স্থান দেয়া হয়। অভিভাবকদের বলব, তারা তাদের সন্তানদের যেন নৈতিক শিক্ষা দেন।’

এর আগে গত শনিবার দুপুরে সাভারের হাজি ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজে হামলার ঘটনাটি ঘটে।

কলেজের অধ্যক্ষ সাইফুল হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রতি বছরের মতো এবারও আমরা ছেলেদের ফুটবল ও মেয়েদের ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছি। শনিবার স্কুলে মেয়েদের ক্রিকেট খেলা চলছিল। এ সময় প্রতিষ্ঠানের দ্বিতীয় তলা ভবনের বারান্দায় দাঁড়িয়ে খেলা দেখছিল ছেলে শিক্ষার্থীরা।

‘অভিযুক্ত ছাত্রও দ্বিতীয় তলায় ছিল। হঠাৎ সে নেমে মাঠের এক পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষক উৎপলকে স্ট্যাম্প দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে পালিয়ে যায়। আহত অবস্থায় উৎপলকে উদ্ধার করে এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই আজ (সোমবার) সকালে উৎপলের মৃত্যু হয়।’

অধ্যক্ষ জানান, উৎপলের বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানার এঙ্গেলদানি গ্রামে। তিনি প্রায় ১০ বছর ধরে হাজি ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ছিলেন। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করছিলেন।

আরও পড়ুন:
শিক্ষককে হত্যা: দুই দিনেও ধরা পড়েনি অভিযুক্ত ছাত্র

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Bus robbery gang rape 2 more accused confess

বাসে ডাকাতি-সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: আরও ২ আসামির স্বীকারোক্তি

বাসে ডাকাতি-সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: আরও ২ আসামির স্বীকারোক্তি
এই মামলায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ৯ জন। অন্য ৪ জন রিমান্ডে আছেন।

টাঙ্গাইলের মধুপুরে ঈগল এক্সপ্রেসের বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার আরও দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

টাঙ্গাইলের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বুধবার বিকেলে বিচারক নওরিন করিম তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

এই আসামিরা হলেন মো. সাগর ও মো. বাবু।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মো. হেলাল উদ্দিন এসব নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, এই মামলায় এখন পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন ৯ জন। অন্য ৪ জন রিমান্ডে আছেন।

পুলিশের বর্ণনায় যা ঘটেছিল

গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ঈগল এক্সপ্রেসের বাসটি সিরাজগঞ্জ রোডে জনতা নামের খাবার হোটেলে যাত্রা বিরতি করে। সেখানে ৩০ মিনিটের মতো বিরতি শেষে বাসটি ফের ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে।

পথে তিনটি স্থান থেকে অজ্ঞাতপরিচয় তিন-চারজন করে মোট ১২ জন ডাকাত যাত্রীবেশে বাসে ওঠেন এবং পেছনের দিকে খালি সিটে বসেন।

যমুনা সেতু (বঙ্গবন্ধু সেতু) পার হওয়ার আধা ঘণ্টা পর (রাত দেড়টার দিকে) টাঙ্গাইলের নাটিয়াপাড়া এলাকায় ডাকাতরা বাসটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। ছুরি, চাকুসহ দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে বাসের চালককে সিট থেকে উঠিয়ে হাত-পা বেঁধে পেছনে সিটের নিচে ফেলে রাখে।

টহল পুলিশের কাছে ধরা পড়া এড়াতে তারা বাসটিকে গোড়াই থেকে ইউটার্ন করে এলেঙ্গা হয়ে ময়মনসিংহ রোড ধরে যেতে থাকে। এই সময়ের মধ্যে ডাকাত দল বাসটির জানালার পর্দা ও যাত্রীদের পরনের বিভিন্ন কাপড় ছিঁড়ে চোখ এবং হাত বেঁধে ফেলে।

পরে ডাকাতরা বাসের ২৪ যাত্রীর কাছ থেকে টাকা, মোবাইল ফোন, স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। বাসের এক নারীকে পাঁচ-ছয়জন ধর্ষণ করে।

আরও পড়ুন:
বাস মালিকদের দাপটে অসহায় সরকারি সংস্থা
বাসে ডাকাতি-ধর্ষণ: চারজনের জবানবন্দি, রিমান্ডে ৬
বাসে ডাকাতি-ধর্ষণ: ১০ জনকে আদালতে তোলা হচ্ছে বিকেলে  

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bus robbery rape 6 remanded

বাসে ডাকাতি-ধর্ষণ: চারজনের জবানবন্দি, রিমান্ডে ৬

বাসে ডাকাতি-ধর্ষণ: চারজনের জবানবন্দি, রিমান্ডে ৬ ১০ আসামির মধ্যে চারজনকে রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দিয়েছে আদালত।
আদালত পরিদর্শক বলেন, ‘আদালতে ছয়জনের ৭ দিন করে রিমান্ড আবেদন করা হয়। বিচারক তাদের ৩ দিন করে রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দেন। বাকি ৪ আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।’

টাঙ্গাইলের মধুপুরে ঈগল এক্সপ্রেসের চলন্ত বাসে অস্ত্রের মুখে ডাকাতি ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় ছয় আসামিকে ৩ দিন করে রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ। এ ছাড়া গ্রেপ্তার ১০ জনের মধ্যে বাকি চারজন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক ফারজানা হাসানাত মঙ্গলবার বিকেলে আসামিদের রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দেন।

আদালত পরিদর্শক তানবীর আহম্মদ নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেয়া আসামিরা হলেন রতন, মান্নান, জীবন, দ্বীপ, বাবু ও সোহাগ।

আদালত পরিদর্শক বলেন, ‘আদালতে ছয়জনের ৭ দিন করে রিমান্ড আবেদন করা হয়। বিচারক তাদের ৩ দিন করে রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দেন। বাকি ৪ আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।’

আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়া আসামিরা হলেন, আসলাম , রাসেল, আলাউদ্দিন ও নাইম।

সোমবার রাতে গ্রেপ্তার ১০ জনকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করে র‍্যাব।

গত মঙ্গলবার রাতে টাঙ্গাইলের মধুপুরে ঈগল এক্সপ্রেস পরিবহনের একটি বাসে ডাকাতি ও গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মধুপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন বাসের এক যাত্রী।

শুক্রবার ভোরে কালিয়াকৈরের টান সূত্রাপুর এলাকা থেকে আসামি আউয়ালকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সকালে গ্রেপ্তার করা হয় নুর নবীকে।

এর আগে বৃহস্পতিবার ভোরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল টাঙ্গাইল শহরের দেওলা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে ডাকাত দলের সদস্য রাজা মিয়াকে গ্রেপ্তার করে।

তারা শনিবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন এ তিন আসামি।

রোববার রাতে ঢাকা, গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জ এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আরও ১০ আসামিকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব।

পুলিশের বর্ণনায় যা ঘটেছিল

গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ঈগল এক্সপ্রেসের বাসটি সিরাজগঞ্জ রোডে জনতা নামের খাবার হোটেলে যাত্রা বিরতি করে। সেখানে ৩০ মিনিটের মতো বিরতি শেষে বাসটি ফের ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে।

পথে তিনটি স্থান থেকে অজ্ঞাতপরিচয় তিন-চারজন করে মোট ১২ জন ডাকাত যাত্রীবেশে বাসে ওঠেন এবং পেছনের দিকে খালি সিটে বসেন।

যমুনা সেতু (বঙ্গবন্ধু সেতু) পার হওয়ার আধা ঘণ্টা পর (রাত দেড়টার দিকে) টাঙ্গাইলের নাটিয়াপাড়া এলাকায় ডাকাতরা বাসটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। ছুরি, চাকুসহ দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে বাসের চালককে সিট থেকে উঠিয়ে হাত-পা বেঁধে পেছনে সিটের নিচে ফেলে রাখে।

টহল পুলিশের কাছে ধরা পড়া এড়াতে তারা বাসটিকে গোড়াই থেকে ইউটার্ন করে এলেঙ্গা হয়ে ময়মনসিংহ রোড ধরে যেতে থাকে। এই সময়ের মধ্যে ডাকাত দল বাসটির জানালার পর্দা ও যাত্রীদের পরনের বিভিন্ন কাপড় ছিঁড়ে চোখ এবং হাত বেঁধে ফেলে।

পরে ডাকাতরা বাসের ২৪ যাত্রীর কাছ থেকে টাকা, মোবাইল ফোন, স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। বাসের এক নারীকে পাঁচ-ছয়জন ধর্ষণ করে।

আরও পড়ুন:
চলন্ত বাসে ডাকাতি-সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ৩ আসামি আদালতে
বাসে ডাকাতি-ধর্ষণ: গ্রেপ্তার দুজনকে রিমান্ডে চায় পুলিশ
বাসে ডাকাতি-ধর্ষণ: গ্রেপ্তার আরও ২
ডাকাতি-ধর্ষণ রোধে বাসে ‘প্যানিক বাটন’ চায় পুলিশ
বাসে ডাকাতি ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: আসামি রিমান্ডে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bus robbery rape 10 people will be taken to court in the afternoon

বাসে ডাকাতি-ধর্ষণ: ১০ জনকে আদালতে তোলা হচ্ছে বিকেলে  

বাসে ডাকাতি-ধর্ষণ: ১০ জনকে আদালতে তোলা হচ্ছে বিকেলে   টাঙ্গাইলে বাসে ডাকাতি-ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার দশজনকে আদালতে তোলা হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১০ জনকে আজ বিকেলে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম রুমী খাতুনের আদালতে তোলা হবে।’  

টাঙ্গাইলের মধুপুরে আলোচিত ঈগল এক্সপ্রেসের চলন্ত বাসে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ডাকাতি ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১০ জনকে আদালতে তোলা হচ্ছে।

জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে তাদের তোলার কথা রয়েছে।

নিউজবাংলাকে তথ্য নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি হেলাল উদ্দিন।

তিনি বলেন, ‘গ্রেপ্তার ১০ জনকে আজ বিকেলে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম রুমী খাতুনের আদালতে তোলা হবে।’

সোমবার রাতে র‌্যাব গ্রেপ্তারকৃত ১০ জনকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেন।

এর আগে গত রোববার রাতে ঢাকা, গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। সোমবার দুপুরে কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মূল পরিকল্পনাকারী রতন হোসেন, মো. আলাউদ্দিন, সোহাগ মণ্ডল, খন্দকার মো. হাসমত আলী ওরফে দীপু, বাবু হোসেন ওরফে জুলহাস, মো. জীবন, আব্দুল মান্নান, নাঈম সরকার, রাসেল তালুকদার ও আসলাম তালুকদার ওরফে রায়হান। তাদের বয়স ১৮ বছর থেকে ৩২-এর মধ্যে।

বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় টাঙ্গাইল ডিবি পুলিশ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করে। গত শনিবার রাতে তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

গত ২ আগস্ট রাত সাড়ে ১১টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী ঈগল এক্সপ্রেসের বাসটি সিরাজগঞ্জ রোডে জনতা নামক খাবার হোটেলে যাত্রাবিরতি করে। সেখানে ৩০ মিনিটের মতো বিরতি শেষে বাসটি ফের ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে।

পথে তিনটি স্থান থেকে অজ্ঞাতপরিচয় তিন-চারজন করে মোট ১২ জন ডাকাত যাত্রীবেশে বাসে ওঠেন এবং পেছনের দিকে খালি সিটে বসেন।

যমুনা সেতু (বঙ্গবন্ধু সেতু) পার হওয়ার আধাঘণ্টা পর (রাত দেড়টার দিকে) টাঙ্গাইলের নাটিয়াপাড়া এলাকায় ডাকাতরা বাসটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। ছুরি, চাকুসহ দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে বাসের চালককে সিট থেকে উঠিয়ে হাত-পা বেঁধে পেছনে সিটের নিচে ফেলে রাখে।

টহল পুলিশের কাছে ধরা পড়া এড়াতে তারা বাসটিকে গোড়াই থেকে ইউটার্ন করে এলেঙ্গা হয়ে ময়মনসিংহ রোড ধরে যেতে থাকে। এই সময়ের মধ্যে ডাকাতদল বাসটির জানালার পর্দা ও যাত্রীদের পরনের বিভিন্ন কাপড় ছিঁড়ে চোখ এবং হাত বেঁধে ফেলে।

পরে ডাকাতরা বাসের ২৪ যাত্রীর কাছ থেকে টাকা, মোবাইল ফোন, স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। বাসের এক নারীকে পাঁচ-ছয়জন ধর্ষণ করে।

এ ঘটনায় বাসের যাত্রী হেকমত আলী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
ডাকাতের হাতে জিম্মি বাসযাত্রীদের বিভীষিকাময় ৩ ঘণ্টা
চলন্ত বাসে ডাকাতি-ধর্ষণ: আসামি গ্রেপ্তার
৩ ঘণ্টা বাস চালিয়ে ‘ডাকাতি ও ধর্ষণ’
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তার আসামি কারাগারে
জমির বিরোধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Coal mining has started again in Barapukuria

বড়পুকুরিয়ায় ফের কয়লা উত্তোলন শুরু

বড়পুকুরিয়ায় ফের কয়লা উত্তোলন শুরু প্রতীকী ছবি
ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ‘প্রথম ২৪ ঘণ্টায় ৭৫০ টন এবং পরের ২৪ ঘণ্টায় ৯৫০ টন কয়লা উত্তোলন করা গেছে। আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই পুরোপুরি উত্তোলন শুরু হবে।’

দিনাজপুর পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়ায় ফের কয়লা উত্তোলন শুরু হয়েছে। শ্রমিকদের করোনা শনাক্ত হওয়ায় গত ৩০ জুলাই পরীক্ষামূলক কয়লা উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছিল কর্তৃপক্ষ।

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুল ইসলাম সরকার নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘গত শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে কয়লা উৎপাদন শুরু করা হয়েছে। প্রথম ২৪ ঘণ্টায় ৭৫০ টন এবং পরের ২৪ ঘণ্টায় ৯৫০ টন কয়লা উত্তোলন করা গেছে।’

আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই পুরোপুরি উত্তোলন শুরু হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সে ক্ষেত্রে প্রতিদিন ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টন কয়লা উৎপাদন করা যাবে।’

গত ৩০ এপ্রিল ১৩১০ নম্বর কূপে খনির মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় কয়লা উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়। পরে কূপটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর পরিত্যক্ত কূপের ব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি স্থানান্তর ও নতুন প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি বসিয়ে ১৩০৬ নম্বর কূপ থেকে কয়লা উত্তোলন করার প্রক্রিয়া শুরু করে কর্তৃপক্ষ।

এ সময় বলা হয়েছিল, নতুন কূপ রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন করে কয়লা উত্তোলনে সময় লাগবে প্রায় আড়াই মাস। পরে আগস্টের মাঝামাঝিতে কয়লা উত্তোলনের সময়ও নির্ধারণ করে কর্তৃপক্ষ।

পরে সারা দেশে বিদ্যুৎ সংকট শুরু হলে বিপর্যয় ঠেকাতে দ্রুত কূপের উন্নয়ন কাজ শেষ করে নির্ধারিত সময়ের প্রায় ২০ দিন আগেই ২৭ জুলাই থেকে খনির নতুন কূপে পরীক্ষামূলক কয়লা উৎপাদন শুরু হয়।

এরই মধ্যে খনিতে কর্মরত ৫২ জন চীনা ও বাংলাদেশি শ্রমিকের করোনা শনাক্ত হলে ৩০ জুলাই কয়লা উত্তোলন কার্যক্রম ফের বন্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন:
১০ কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের কথা জানালেন প্রতিমন্ত্রী
১০ কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিল
বড়পুকুরিয়া খনির ২২ জনকে কারাগারে পাঠানোর পর দিনই জামিন
কয়লা চুরি মামলায় ২২ জনের জামিন কেন বাতিল নয়: হাইকোর্ট
কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের রাশ টানতে চায় সরকার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Intern molestation attempt A League leaders nephew surrenders

ইন্টার্নকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা: আ. লীগ নেতার ভাতিজার আত্মসমর্পণ

ইন্টার্নকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা: আ. লীগ নেতার ভাতিজার আত্মসমর্পণ এ এইচ আব্দুল্লাহ। ছবি: সংগৃহীত
আত্মসমর্পণ করা আব্দুল্লাহ সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুল খালিকের ভাতিজা। তিনি ইন্টার্ন চিকিৎসকের শ্লীলতাহানি চেষ্টার মামলার প্রধান এবং ওই মেডিক্যাল কলেজের দুই শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় করা মামলার অন্যতম আসামি।

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নারী ইন্টার্ন চিকিৎসককে শ্লীলতাহানির চেষ্টার মামলার আসামি এ এইচ আব্দুল্লাহ আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।

সিলেট মহানগর হাকিম আদালতে সোমবার সকালে তিনি আত্মসমর্পণ করেন বলে নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার আজবাহার আলী।

আব্দুল্লাহ সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সিলেট সিটি করেপারেশনের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল খালিকের ভাতিজা। তিনি ইন্টার্ন চিকিৎসকের শ্লীলতাহানি চেষ্টার মামলার প্রধান এবং ওই মেডিক্যাল কলেজের দুই শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় করা মামলার অন্যতম আসামি।

এই দুই মামলায় আরও তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলার আরও চার আসামি এখনো গ্রেপ্তার হননি।

ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওই নারী ইন্টার্ন চিকিৎসকের সঙ্গে ৩১ জুলাই অর্থাৎ রোববার দুপুরে এক রোগীর দুই স্বজনের বাগবিতণ্ডা হয়। এ সময় ইন্টার্ন চিকিৎসককে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ ওঠে। ইন্টার্ন চিকিৎসকরা এ সময় ওই দুজনকে পুলিশে সোপর্দ করেন। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিষয়টির মীমাংসা হয়।

ওই ঘটনার জেরে পরদিন সোমবার রাতে ইমন আহমদ ও রুদ্র নাথ নামের দুই শিক্ষার্থীর ওপর কলেজের পেছনে হামলা চালানো হয়। আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন সহপাঠীরা।

এর প্রতিবাদে সোমবার রাত থেকেই হাসপাতালের সামনের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরে ধর্মঘটের ডাক দিয়ে তাদের সঙ্গে যোগ দেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। তারা হাসপাতালের সব বিভাগে চিকিৎসাসেবা বন্ধ করে দেন।

খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) দায়িত্বশীল কর্মকর্তাসহ সিলেট আওয়ামী লীগ নেতারা। মধ্যরাতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে তাদের বৈঠক হয়। বৈঠকে শিক্ষার্থীরা মেডিক্যাল কলেজে স্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা, তাদের বিরুদ্ধে মেডিক্যাল প্রশাসনের মামলা করাসহ পাঁচ দাবি জানান।

তাদের এসব দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে রাত ৩টার দিকে পরদিন বেলা ২টা পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করেন তারা। পরদিন দুপুরে প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে সমঝোতা না হওয়ায় ধর্মঘট চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। মঙ্গলবার বিকেলে ঘোষণার পর ক্যাম্পাসে বিক্ষোভও শুরু করেন তারা।

দুই শিক্ষার্থীর ওপর হামলা ও নারী ইন্টার্ন চিকিৎসককে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে আটজনকে আসামি করে মঙ্গলবার দুপুরে কোতোয়ালি থানায় দুটি মামলা করা হয়। হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ হানিফ এবং মেডিক্যাল কলেজের পিএ-টু প্রিন্সিপাল ও সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মাহমুদুল রশিদ বাদী হয়ে আলাদা দুটি মামলা করেন।

দুই মামলার আসামিরা হলেন দিব্য, আব্দুল্লাহ, এহসান, মামুন, সাজন, সুজন, সামি ও সাঈদ হাসান রাব্বি। আসামিদের সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে জানা গেছে।

তাদের গ্রেপ্তারের দাবিতে ৩ আগস্ট সকাল থেকে মেডিক্যাল কলেজের প্রশাসনিক ভবনে তালা মেরে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করেন শিক্ষার্থীরা, আর কর্মবিরতি চালিয়ে যান ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। পরে তারা বিক্ষোভ করে হাসপাতালের সামনের সড়ক অবরোধ করেন। হাসপাতালের মূল ফটকও বন্ধ করে দেন তারা।

ওই রাতেই দুই শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় করা মামলার ১ নম্বর আসামি দিব্য সরকারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এরপর ৪ আগস্ট কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দেন তারা।

আরও পড়ুন:
সেবা বন্ধের হুমকি দিয়ে কর্মসূচি প্রত্যাহার ইন্টার্ন চিকিৎসকদের
ইন্টার্নকে মারধর: আসামি আ.লীগ নেতার ভাতিজা
ধর্মঘট চালিয়ে যাবেন ওসমানীর ইন্টার্ন চিকিৎসকরা
ওসমানী মেডিক্যালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ধর্মঘট স্থগিত
ওসমানী মেডিক্যালে হামলা, ইন্টার্নদের ধর্মঘট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Robbery gang rape in moving bus 10 more arrested

চলন্ত বাসে ডাকাতি-সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: গ্রেপ্তার আরও ১০

চলন্ত বাসে ডাকাতি-সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: গ্রেপ্তার আরও ১০ ডাকাতি ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর বাসটিকে এভাবেই ফেলে রেখে যায় অভিযুক্তরা। ফাইল ছবি
মঙ্গলবার রাতে কুষ্টিয়া থেকে ঈগল এক্সপ্রেসের একটি বাসে ডাকাতি ও এক নারী যাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পরে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার রক্তিপাড়া জামে মসজিদের পাশে বালুর ঢিবির কাছে বাসের গতি থামিয়ে ডাকাতরা পালিয়ে যায়।

টাঙ্গাইলে নৈশ কোচে ডাকাতি ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় আরও ১০ জনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। তাদের মধ্যে ডাকাতির মূল পরিকল্পনাকারী রতন হোসেনও আছেন।

রোববার রাতে র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।

টাঙ্গাইলের মহাসড়কে চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনায় পরিকল্পনাকারী রতন হোসেনসহ ডাকাত চক্রের ১০ জনকে ঢাকা, গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে র‍্যাব জানায়।

এর আগে আলোচিত এ মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। তারা হলেন, রাজা মিয়া, মো. আব্দুল আউয়াল ও মো. নুরনবী। গ্রেপ্তার হওয়া তিন আসামি দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।

ধর্ষণের শিকার ওই নারী আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দেন। ওইদিন তার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। ওই নারীর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায় বলে চিকিৎসকরা জানান।

এ ঘটনায় বাসের যাত্রী কুষ্টিয়ার হেকমত আলী বাদী হয়ে মধুপুর থানায় মামলা করেন।

মঙ্গলবার রাতে কুষ্টিয়া থেকে ঈগল এক্সপ্রেসের একটি বাসে ডাকাতি ও এক নারী যাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পরে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার রক্তিপাড়া জামে মসজিদের পাশে বালুর ঢিবির কাছে বাসের গতি থামিয়ে ডাকাতরা পালিয়ে যায়।

আরও পড়ুন:
এবার চলন্ত বাস থেকে স্বামীকে ফেলে দিয়ে ‘ধর্ষণ’
চলন্ত বাসে তরুণীকে ‘ধর্ষণচেষ্টা’, গ্রেপ্তার ২

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Rape in moving bus Confession of five accused

চলন্ত বাসে ধর্ষণ: পাঁচ আসামির স্বীকারোক্তি

চলন্ত বাসে ধর্ষণ: পাঁচ আসামির স্বীকারোক্তি চলন্ত বাসে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার আসামিরা। ছবি: নিউজবাংলা
শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রোববার দুপুরে অভিযোগ করা নারীর শারীরিক পরীক্ষা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের আলামত মিলেছে বলে জানিয়েছেন ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক সানজিদা হক।

গাজীপুরে স্বামীকে মারধরের পর চলন্ত বাস থেকে ফেলে নারীকে ধর্ষণের দায় স্বীকার করেছেন পাঁচ আসামি।

জেলা মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে রোববার বিকেলে আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।

একই সময় বিচারিক হাকিম আদালত-৫-এর বিচারক রিফাত আরা সুলতানা ২২ ধারায় অভিযোগকারী নারীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সানোয়ার হোসেন এসব নিশ্চিত করেছেন।

জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) এস এম শফিউল্লাহ রোববার বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে জানান, শনিবার ভোরে ওই নারীকে রাজেন্দ্রপুর চৌরাস্তা এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে মহানগর পুলিশের একটি টহল দল। কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, স্বামীকে বাস থেকে ফেলে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে।

এসপি আরও জানান, ঘটনা জানার পর মহাসড়কে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার দিনভর অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার এবং বাসটি জব্দ করা হয়। ওই নারী আসামিদের শনাক্ত করেন।

আসামিরা হলেন নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার দরিপাড়া গ্রামের ২৩ বছর বয়সী রাকিব মোল্লা, নেত্রকোণা জেলা সদর উপজেলার গুপিরঝুপা গ্রামের ২০ বছর বয়সী সুমন খান, ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার কাঁঠালকাচারি গ্রামের ২৩ বছর বয়সী মো. সজিব, একই জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার বিলডোলা গ্রামের ১৯ বছর বয়সী মো. শাহীন মিয়া এবং খুলনার রূপসা উপজেলার খান মোহাম্মদপুর এলাকার ২২ বছর বয়সী মো. সুমন হাসান।

শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রোববার দুপুরে অভিযোগ করা নারীর শারীরিক পরীক্ষা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধর্ষণের আলামত মিলেছে বলে জানিয়েছেন ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক সানজিদা হক।

তিনি জানান, ধর্ষণের বিষয়টি পুরোপুরি নিশ্চিত হতে ডিএনএ পরীক্ষা জন্য নমুনা ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।


যা ঘটেছিল

বাসে ধর্ষণের অভিযোগে ওই নারীর স্বামী শ্রীপুর থানায় শনিবার রাতে মামলা করেন।

পুলিশ কর্মকর্তা সানোয়ার হোসেন এজাহারের বরাতে জানান, নওগাঁ থেকে শুক্রবার রাত ৩টার দিকে গাজীপুর মহানগরের ভোগড়া বাইপাসে স্বামীর সঙ্গে নামেন ওই নারী। ময়মনসিংহের স্কয়ার মাস্টারবাড়ি এলাকায় ভাড়া বাড়িতে যেতে অন্য একটি গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছিলেন তারা। রাত ৩টা ১০ মিনিটে তাকওয়া পরিবহনের বাসে ওঠেন। সে সময় বাসে ছয়-সাতজন যাত্রী ছিলেন।

বাদীর অভিযোগ, রওনা দেয়ার কিছু সময় পর বাসটি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের হোতাপাড়ায় পৌঁছালে দুজন যাত্রী নেমে যান। রাত ৩টা ৪০ মিনিটে মহাসড়কের মাওনা চৌরাস্তা ফ্লাইওভার পার হয়ে কিছুদূর সামনে গেলে বাসে থাকা দুই-তিনজন এসে হঠাৎ তাকে মারধর শুরু করে। তার স্ত্রী ঠেকাতে গেলে মুখ চেপে ধরা হয়। এরপর বাদীর টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নিয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের এমসি বাজার এলাকায় তাকে ফেলে দেয়া হয়। তার স্ত্রীকে নামতে দেয়া হয়নি।

এজাহারে আরও বলা হয়, চলন্ত বাসেই ওই নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। এরপর জৈনাবাজারে ইউটার্ন নিয়ে তাকে গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর এলাকায় ফেলে রেখে যাওয়া হয়।

আরও পড়ুন:
ভাড়া নির্ধারণ করে কার্যকরে কেন ব্যর্থ বিআরটিএ
এবার চলন্ত বাস থেকে স্বামীকে ফেলে দিয়ে ‘ধর্ষণ’
‘স্বপ্নধরা আবাসন’ মেলা শুরু
চলন্ত বাসে ডাকাতি-সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ৩ জনের স্বীকারোক্তি
চলন্ত বাসে ডাকাতি-সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ৩ আসামি আদালতে

মন্তব্য

p
উপরে