× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Accused of raping housewife led by Juba League leader
hear-news
player
google_news print-icon

বিচারপ্রার্থী গৃহবধূকে যুবলীগ নেতার নেতৃত্বে ধর্ষণের অভিযোগ

বিচারপ্রার্থী-গৃহবধূকে-যুবলীগ-নেতার-নেতৃত্বে-ধর্ষণের-অভিযোগ
মহেশখালী থানা। ছবি: সংগৃহীত
মহেশখালী থানার ওসি আবদুল হাই জানিয়েছেন, মামলাটির তদন্ত শুরু হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় স্বামী-স্ত্রীর পারিবারিক কলহের বিচার চাইতে গিয়ে যুবলীগ নেতা ও তার এক সহযোগীর দ্বারা সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন এক গৃহবধূ।

গত ২৪ জুন কালারমারছড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্বাস উদ্দিন ও তার সহযোগী হাবিবুল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী ওই নারী। ৩২ বছর বয়সী অভিযুক্ত আব্বাস ওই ইউনিয়নের ফকিরজুমপাড়ার মো. আমিনের ছেলে এবং তার সহযোগী ২০ বছরের হাবিবুল্লাহ নোনাছড়ি এলাকার মোজাহের ওরফে মুজু বলির পুত্র।

মামলা গ্রহণের বিষয়টি সোমবার সন্ধ্যায় নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন মহেশখালী থানার ওসি মো. আবদুল হাই।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ভুক্তভোগী ওই নারীর স্বামী কালারমারছড়া ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। মনোমালিন্যের জেরে মাতারবাড়ীস্থ বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন ভুক্তভোগী। পরে বিষয়টির মীমাংসা ও বিচার সালিশের জন্য ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্বাস উদ্দিনের কাছে গিয়েছিলেন তিনি।

কিন্তু ২২ জুন বিকেলে সিএনজিতে চড়ে ফকিরজুমপাড়ার ফরেস্ট অফিসের সামনে পৌঁছালে ওই গৃহবধূকে আব্বাস ও হাবিবুল্লাহ তার স্বামী পাশের একটি বাড়িতে অবস্থান করছেন বলে জানান এবং সেখানে নিয়ে যান। কিন্তু সেখানে গিয়ে গৃহবধূ দেখেন তার স্বামী নেই। এ সময় তার ওপর হামলে পড়েন আব্বাস ও হাবিবুল্লাহ। বাধা দিতে গেলে তাকে বেঁধে ধর্ষণ করেন দুজন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনার পর পরই বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানান ওই গৃহবধূ। পরে ঘটনার জের ধরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে চিকিৎসাও নেন।

স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, কিছুদিন আগে র‍্যাবের হাতে অস্ত্রসহ আটক হয়ে কারাভোগ করেছেন যুবলীগ নেতা আব্বাস। এ অবস্থায় তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলাও রয়েছে।

এ ছাড়া আব্বাসের সহযোগী হাবিবুল্লাহ নানা সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ আছে। তার বিরুদ্ধেও মারামারিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এই দুজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

মহেশখালী থানার ওসি আবদুল হাই জানিয়েছেন, মামলাটির তদন্ত শুরু হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

আরও পড়ুন:
প্রতিবন্ধী কিশোরী ও গৃহবধূ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২
ধর্ষণের মামলায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে
ধর্ষণ মামলায় আনসার ও নির্বাচন কর্মকর্তা কারাগারে
সাবেক স্ত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার
শিশু ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Accused of beating younger brother to death

ছোট ভাইকে টেঁটা মেরে হত্যার অভিযোগ

ছোট ভাইকে টেঁটা মেরে হত্যার অভিযোগ রায়পুরায় শহিদ মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে টেঁটা মেরে হত্যা করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
পুলিশ জানায়, দুপুরে শহিদ মিয়ার সঙ্গে তার স্ত্রীর ঝগড়া শুরু হয়। কলহ মেটাতে সেখানে যান শহিদের বড় ভাই ইদ্রিস মিয়া। এক পর্যায়ে ইদ্রিস উত্তেজিত হয়ে শহিদ মিয়াকে টেঁটা মেরে আঘাত করেন। তাকে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নরসিংদীর রায়পুরায় শহিদ মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে টেঁটা মেরে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার বড় ভাই ইদ্রিস মিয়ার বিরুদ্ধে।

শুক্রবার দুপুরে উপজেলার উত্তর বাখরনগর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

৪২ বছর বয়সী শহিদ মিয়া ওই এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।

রায়পুরা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গোবিন্দ চন্দ্র সরকার নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পরিবারের সদস্যদের বরাতে পুলিশ জানায়, দুপুরে শহিদ মিয়ার সঙ্গে তার স্ত্রীর ঝগড়া শুরু হয়। কলহ মেটাতে সেখানে যান শহিদের বড় ভাই ইদ্রিস মিয়া। এক পর্যায়ে ইদ্রিস উত্তেজিত হয়ে শহিদ মিয়াকে টেঁটা মেরে আঘাত করেন।

আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাকে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ কর্মকর্তা গোবিন্দ জানান, পারিবারিক কলহের জেরে টেঁটার আঘাতে শহিদ মিয়া নিহতের ঘটনায় অভিযুক্ত ইদ্রিস মিয়াকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
শিশুদের দ্বন্দ্বের জেরে যুবক নিহত
টেঁটাযুদ্ধে নারী-শিশুসহ আহত ৫০

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The younger brother cut off the hand of the unmarried elder brother

বিয়ে না করানো বড় ভাইয়ের হাত বিচ্ছিন্ন করল ছোট ভাই

বিয়ে না করানো বড় ভাইয়ের হাত বিচ্ছিন্ন করল ছোট ভাই বড় ভাইয়ের হাত বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগে আটক শাকিল
ওসি বলেন, ‘আমরা এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ছোট ভাই শাকিলকে আটক করেছি। তার বাবাকে থানায় ডাকা হয়েছে।’

খুলনার কয়রায় আপন দুই ভাইয়ের বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে বড় ভাই শাহাদাত হোসেনের হাত কেটে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছেন ছোট ভাই শাকিল হোসেন।

শুক্রবার দুপুরে উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের মেঘারাইট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তারা ওই গ্রামের সোহরাব মিস্ত্রির ছেলে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কয়রা থানার ওসি এবিএম দোহা।

তিনি জানান, ছোট ভাই শাকিলকে কেন বিয়ে করানো হচ্ছে না তা নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। এই দ্বন্দ্বের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটে শুক্রবার। এ দিন মাছ বিক্রি নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে আবারও ঝগড়া বাধে।

এক পর্যায়ে শাহাদাতের হাতে ধারালো দা দিয়ে কোপ মারেন শাকিল। এতে শাহাদাতের হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে হয়ে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা শাহাদাতকে উদ্ধার করে কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করে।

ওসি বলেন, ‘আমরা এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ছোট ভাই শাকিলকে আটক করেছি। তার বাবাকে থানায় ডাকা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

আরও পড়ুন:
শাশুড়িকে বিয়ে দিতে উদ্যোগী পুত্রবধূ
অভিনব কৌশলে ৪০টি বাল্যবিয়ে করালেন কাজি
হেলিকপ্টারে এলেন বর, ভিড় সামলাতে পুলিশ
বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কে জন্ম নেয়া শিশুকে হত্যার অভিযোগ
‘বাল্য বিয়ে’ করে পুলিশ সদস্য বিপাকে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Housewifes body in the pond husband missing

পুকুরে গৃহবধূর মরদেহ, স্বামী উধাও

পুকুরে গৃহবধূর মরদেহ, স্বামী উধাও নরসিংদী সদরে শুক্রবার দুপুরে পুকুর থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
দিনার স্বজনরা জানান, পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী আরমান গাজীর হাতে খুন হয়েছেন ৩২ বছর বয়সী দিনা আক্তার। বৃহস্পতিবার রাতে কোনো একসময় দিনাকে হত্যা করে বিছানার তোশক মুড়িয়ে মরদেহ বাড়ির পাশে পুকুরে ফেলে দেয়া হয়। এ ঘটনার পর পালিয়েছেন আরমান।

নরসিংদী সদরে পুকুর থেকে দিনা আক্তার নামে গৃহবধূর তোশকে মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সদর উপজেলার নজরপুর ইউনিয়নের বুদিয়ামারা গ্রামের কালাইগোবিন্দপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে সদর হাসপাতাল মর্গে নিয়েছে পুলিশ।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কাশেম ভূঁইয়া।

দিনার স্বজনরা জানান, পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী আরমান গাজীর হাতে খুন হয়েছেন ৩২ বছর বয়সী দিনা আক্তার। বৃহস্পতিবার রাতে কোনো একসময় দিনাকে হত্যা করে বিছানার তোশক মুড়িয়ে মরদেহ বাড়ির পাশে পুকুরে ফেলে দেয়া হয়। এই ঘটনার পর পালিয়েছেন আরমান।

দিনার মা রিনা বেগম জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি নরসিংদীর আলোকবালী ইউনিয়নে। ১৫ বছর আগে নজরপুর ইউনিয়নের বুদিয়ামারা গ্রামের কালাইগোবিন্দপুর এলাকার বাসিন্দা আরমান গাজীর সঙ্গে দিনার বিয়ে হয়। তাদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। সম্প্রতি আরমান গাজী ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। এ নিয়ে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার রাতে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। আরমান রাতে দিনাকে হত্যা করে পালিয়েছেন।

ওসি আবুল কাশেম ভূঁইয়া জানান, দুপুর ১২টার দিকে তিনি ঘটনাস্থলে যান। এ সময় পুকুর থেকে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

আরও পড়ুন:
বাইরে তালা, ঘরে দম্পতির হাত-মুখ বাঁধা মরদেহ
কিশোরীকে ‘খুন’ করে নিখোঁজ মামলা, পরে ধরা  
বস্তাবন্দি মরদেহ মরিয়ম মান্নানের মায়ের কি না সংশয়
কলেজশিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার, আটক শিক্ষার্থী
শহীদ মিনারের ফুটপাতে নবজাতকের মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Schoolboy Laban was killed by friends

ডান্ডি খেয়ে স্কুলছাত্র লাবনকে হত্যা করে বন্ধুরাই

ডান্ডি খেয়ে স্কুলছাত্র লাবনকে হত্যা করে বন্ধুরাই স্কুলছাত্র হত্যায় আটক চারজনের দুজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ইতেমাধ্যেই আদালতে তোলা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হান্নান মিয়া জানান, আটক চারজনের মধ্যে দুজনকে ইতোমধ্যেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে শেরপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপর দুজনকেও শিগগিরিই আদালতে তোলার প্রস্তুতি চলছে।

ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শেরপুরের চাঞ্চল্যকর নাঈম ইসলাম লাবন হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর থানায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তথ্য নিশ্চিত করেন শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. হান্নান মিয়া।

জানা যায়, ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে খুন হয় রিকশা-ভ্যানচালক মাসুদ মিয়ার ছেলে স্থানীয় মডেল অ্যাকাডেমির ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র লাবন। পরদিন দুপুরে বাড়ির পাশে লেবু বাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে সদর থানা পুলিশ। পরে এই ঘটনার রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা শুরু করে তারা।

এ অবস্থায় পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নামে খুনিদের খোঁজে। পরে ২৯ সেপ্টেম্বর ভোরে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে লাবনের চার বন্ধু নয়ন, হৃদয়, মনির ও আসলামকে আটক করা হয়।

আটকদের জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।

আসামিদের স্বীকাররোক্তির বরাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, আটক চারজনসহ নিহত লাবন ঘটনার দিন রাতে লাবনদের বাড়ির পাশে জাফর মিয়ার লেবুর বাগানে বসে আঠাজাতীয় ডান্ডি সেবন করে।

ডান্ডি সেবনের এক পর্যায়ে অতিরিক্ত নেশা হয়ে গেলে তারা লাবনের ওপর হামলা করে এবং নির্মমভাবে হত্যা করে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও জানান, আটক চারজনের মধ্যে দুজনকে ইতোমধ্যেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে শেরপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপর দুজনকেও শিগগিরই আদালতে তোলার প্রস্তুতি চলছে।

এর আগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি মামলা করেছিলেন।

আরও পড়ুন:
‘চাচার প্রতি ক্ষোভে’ চাচাতো ভাইকে হত্যা, যুবক গ্রেপ্তার
ধর্ষণের পর হত্যায় ১১ বছর পর ৯ জনের যাবজ্জীবন
রাতে শিশুটিকে ডোবায় ফেলে এসে ঘুমিয়ে পড়েন বাবা
জমি নিয়ে বিরোধে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
প্রতিবেশীর আমবাগানে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদকের ঝুলন্ত মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There is no scope for rigging EVMs for sure Election Commissioner

কারচুপির সুযোগ নেই নিশ্চিত হয়েই ইভিএম: নির্বাচন কমিশনার

কারচুপির সুযোগ নেই নিশ্চিত হয়েই ইভিএম: নির্বাচন কমিশনার বগুড়া জেলা পরিষদ সাধারণ নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত এক সভায় নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা। ছবি: সংগৃহীত
বিগত দিনে ইলেকশন করে দেখিছি মেশনিটা (ইভিএম) আসলেই ভালো। ইভিএমে ভোট আসলে নিরাপদ, নিশ্চিত; এখানে জাল ভোট দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। কেউ যদি দেখাতে পারেন ইভিএম এক জায়গার ভোট আরেক জায়গায় যায়, তাহলে আমরা সেই খারাপ জায়গা থেকে চলে আসব।’

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) কারচুপি বা জাল ভোট দেয়ার সুযোগ নেই- এ বিষয়টি নিশ্চিত হয়েই আগামী জাতীয় নির্বাচনে যন্ত্রটি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা। বলেছেন, তারা ৩০০ আসনেই এই মেশিন ব্যবহারের পক্ষে ছিলেন, তবে সরবরাহ-স্বল্পতায় অর্ধেক আসনে এই মেশিন ব্যবহার করতে হচ্ছে।

শুক্রবার বগুড়ার সার্কিট হাউসে জেলা পরিষদ সাধারণ নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

সমালোচকদের বক্তব্য উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমরা শুনছি ইভিএমে নাকি ভোট কারচুপি হয়, ফলাফল পাল্টে দেয়া হয়। কিন্তু আমরা সব দিক পর্যালোচনা করে দেখেছি, নিশ্চিত হয়েছি বলেই ইভিএমে নির্বাচন করতে চাচ্ছি।

‘বিগত দিনে ইলেকশন করে দেখিছি মেশনিটা (ইভিএম) আসলেই ভালো। ইভিএমে ভোট আসলে নিরাপদ, নিশ্চিত; এখানে জাল ভোট দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। কেউ যদি দেখাতে পারেন ইভিএম এক জায়গার ভোট আরেক জায়গায় যায়, তাহলে আমরা সেই খারাপ জায়গা থেকে চলে আসব।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের ইচ্ছে ছিল জাতীয় নির্বাচনে শতভাগ আসনে ইভিএমে ভোট করার। কিন্তু ইভিএম সরবরাহ স্বল্পতার কারণে সেটা সম্ভব হয়নি। এই কারণে ১৫০ আসনে ইভিএমে নির্বাচন করা হচ্ছে।’

রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘আমরা বরাবরই চাচ্ছি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে অবাধ, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু। যাতে ভোটের সব পরিবেশ সুন্দর থাকে। ভোটার তাদের ভোট নিরাপদে তাদের পছন্দের প্রতীকে দিতে পারেন।’

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি ছাড়া বিএনপি ভোটে আসবে না বলে যে ঘোষণা দিয়েছে, সেটি নিয়ে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা বিএনপি সংলাপে ডেকেছি। তারা যদি মনে করে তত্ত্বাবধায় সরকার ছাড়া নির্বাচন করবেন না, এটি তারা করতেই পারে। এখানে আমাদের বলার কিছু নেই। তবে নির্বাচন কমিশন সংবিধান মেনে, আইন মেনে ভোট করবে।’

এর আগে বগুড়ার জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের সঙ্গে একই স্থানে সভা করেন নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা। এ সময় জেলার পুলিশ সুপার সুদীপ চক্রবর্ত্তীসহ সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
রাশিয়ার ইসির কনফারেন্সে যোগ দিতে সিইসিকে আমন্ত্রণ
আইএফআইসি ব্যাংকে সিডনিসানের ১০ হাজার সিসিটিভি
ইভিএম নিয়ে ইসি মসজিদ-মন্দিরেও প্রচার চালাবে
ইতালিতে প্রধানমন্ত্রী পদে এগিয়ে উগ্র ডানপন্থি মেলোনি
ভোট থেকে না সরলে ‘অসুবিধা হবে’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Five businessmen of cannabis factory arrested in Tongi

টঙ্গীতে গাঁজার কারখানা, পাঁচ কারবারি গ্রেপ্তার

টঙ্গীতে গাঁজার কারখানা, পাঁচ কারবারি গ্রেপ্তার টঙ্গীতে গাঁজার প্রক্রিয়াকরণ কারখানায় অভিযানে গ্রেপ্তার পাঁচ কারবারি। ছবি: সংগৃহীত
মাহবুব উজ জামান আরও বলেন, ‘গ্রেপ্তার ফোরকান হোসেন শান্তর নামে দুটি মাদক মামলাসহ মোট তিনটি এবং ইসমত আরা ওরফে সাবিনার নামে একটি মাদক মামলা আছে।’

গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি গাঁজা প্রক্রিয়াকরণ কারখানায় অভিযান চালিয়ে ২৫ কেজি গাঁজাসহ পাঁচ কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারের সময় ২৫ কেজি গাঁজা, একটি বাস, একটি নোয়া মাইক্রোবাস, দুইটি পিকআপ ও তিনটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

শুক্রবার টঙ্গী পূর্ব থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (অপরাধ-দক্ষিণ) মাহবুব উজ জামান।

এ সময় অতিরিক্ত উপ-কমিশনার হাসিবুল আলম, টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন ৩৫ বছর বয়সী ফোরকান হোসেন শান্ত, ১৫ বছরের কামরুল ইসলাম ইয়াছিন, ৩০ বছরের হনুফা, ২৫ বছরের ইসমত আরা ওরফে সাবিনা এবং ২৮ বছর বয়সী শহিদুল ইসলাম।

মাহবুব উজ জামান বলেন, ‘টঙ্গীতে অভিযান চালিয়ে একটি গাঁজা প্রক্রিয়াকরণ কারখানার সন্ধান পায় পুলিশ। এ সময় ২৫ কেজি গাঁজা ও ২৮ হাজার ৩৩০ টাকা, একটি বাস, একটি নোয়া মাইক্রোবাস, দুইটি পিকআপ, দুটি মোবাইল, দুটি স্বর্ণের চেইন, মাদক কেনাবেচার নয়টি হিসাব রেজিস্ট্রার ও একটি গাড়ির ভুয়া নেমপ্লেট উদ্ধার করা হয়।’

পরে টঙ্গী ও ডিএমপির মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

মাহবুব উজ জামান আরও বলেন, ‘গ্রেপ্তার ফোরকান হোসেন শান্তর নামে দুটি মাদক মামলাসহ মোট তিনটি এবং ইসমত আরা ওরফে সাবিনার নামে একটি মাদক মামলা আছে।’

তিনি জানান, ফোরকান হোসেন শান্ত দীর্ঘ দিন ধরে তার সহযোগীদের সঙ্গে নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মাদক সংগ্রহ করে টঙ্গীসহ বিভিন্ন জায়গায় কেনাবেচা করে আসছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি নিয়মিত মামলার পর শুক্রবার দুপুরে গাজীপুর আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
নিখোঁজের দুই বছর পর মিলল যুবকের বস্তাবন্দি দেহ
গাজীপুরে ৯ ডাকাত গ্রেপ্তার, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার
মাদক মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন
মানিকগঞ্জে মাদকসহ গ্রেপ্তার ৫
স্ত্রীর সঙ্গে পুড়ে ‘মৃত’ ব্যক্তিকে ৫০ দিন পর গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Death of paralyzed teenager arrested under Kabiraji treatment 3

‘কবিরাজি চিকিৎসায়’ প্যারালাইজড কিশোরের মৃত্যু, গ্রেপ্তার ৩

‘কবিরাজি চিকিৎসায়’ প্যারালাইজড কিশোরের মৃত্যু, গ্রেপ্তার ৩ কিশোরগঞ্জ মডেল থানা। ছবি: সংগৃহীত
কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজিব কুমার রায় বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় মামলা করেন রানার বাবা। তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করে তিন কবিরাজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসা করা হয়েছে। এতে ছেলেটি মারা যায়।’

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে কথিত কবিরাজি চিকিৎসায় এক কিশোরের মৃত্যুর অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

১৬ বছরের ওই কিশোরের নাম সোহেল রানা।

মাগুড়া ইউনিয়নের শাহপাড়া এলাকার কবিরাজ একাব্বর আলীর বাড়িতে শুক্রবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।

স্বজনরা জানান, রানা কয়েক বছর ধরে প্যারালাইজড রোগে আক্রান্ত। তার হাত-পা অকেজো অবস্থায় রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা করিয়েও সুস্থ হয়ে উঠতে পারেনি সে।

তিন দিন আগে রানাকে কবিরাজের বাড়িতে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন রানার বাবা কেরামত আলী। একাব্বর হোসেনের নেতৃত্বে একই এলাকার আফতাব উদ্দিন ও মহির উদ্দিনের ছেলে শফিকুল ইসলাম চিকিৎসা চালান শিশুটির।

নিহতের বাবা একরামুল জানান, হাত-পা দড়ি দিয়ে বেঁধে ওদিন থেকে তেল মালিশ ও ঝারফুক করা হয় রানাকে। এক পর্যায়ে বৃহস্পতিবার রাতে পায়ের ওপর বালুর বস্তা দিয়ে রাখা হলে সে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তার পায়ের রগ ছিঁড়ে যায়। পরে মারা যায় সে।

কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজিব কুমার রায় বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় মামলা করেন রানার বাবা। তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করে তিন কবিরাজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসা করা হয়েছে। এতে ছেলেটি মারা যায়।’

মরদেহ উদ্ধার করে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
করতোয়ায় নৌকাডুবি: মৃত বেড়ে ৬১
হাজারীবাগে কেমিক্যাল বিস্ফোরণে একজনের মৃত্যু
কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হাজতির ঢামেকে মৃত্যু
পুকুরপাড়ে সাপের ছোবলে স্কুলশিক্ষকের মৃত্যু
অস্ত্রোপচারের পর রোগীর মৃত্যু, হাসপাতাল বন্ধ কর্তৃপক্ষের

মন্তব্য

p
উপরে