× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Raushan Ershad returned to the country
hear-news
player
print-icon

দেশে ফিরলেন রওশন এরশাদ

দেশে-ফিরলেন-রওশন-এরশাদ
দেশে ফিরলেন রওশন এরশাদ। ছবি: নিউজবাংলা
গত বছরের ৫ নভেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ব্যাংকক নিয়ে যাওয়া হয় রওশন এরশাদকে। তিনি থাইল্যান্ডের ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ফুসফুসের সমস্যাসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি।

প্রায় আট মাস থাইল্যান্ডে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ।

সোমবার দুপুর ১২টার দিকে তাকে বহনকারী বিমান ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবরতণ করে।

রওশন এরশাদের সহকারী একান্ত সচিব মামুন হাসান নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত বছরের ৫ নভেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ব্যাংকক নিয়ে যাওয়া হয় রওশন এরশাদকে। তিনি থাইল্যান্ডের ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ফুসফুসের সমস্যাসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি।

মামুন হাসান জানান, দুপুর ১২টায় রওশন এরশাদ বিমানবন্দরে নেমে সরাসরি রাজধানীর গুলশানে হোটেল ওয়েস্টিনে চলে যান। ঢাকায় অবস্থানকালে তিনি সেখানেই থাকবেন। আগামী ৩০ জুন বাজেট অধিবেশনের সমাপনী দিনে উপস্থিত থাকবেন বিরোধীদলীয় নেতা। পরে আগামী ৪ জুলাই চিকিৎসার জন্য আবারও থাইল্যান্ড চলে যাবেন।

তিনি জানান, বিরোধীদলীয় নেতার দীর্ঘ চিকিৎসাকালে তার সঙ্গে অবস্থানকারী ছেলে রাহগীর আল মাহি (সাদ) এরশাদ ও পুত্রবধূ মাহিমা এরশাদও দেশে ফিরেছেন।

রওশন এরশাদকে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের, দলের কো-চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য আবু হোসেন বাবলা, মসিউর রহমান রাঙ্গাসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।

বিমানবন্দরের বাইরে দলের বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্যসহ নেতা-কর্মীরা তাকে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত হয়েছিলেন।

আরও পড়ুন:
রওশন এরশাদকে দেখে দেশে ফিরলেন জি এম কাদের
রওশনকে দেখতে থাইল্যান্ড জি এম কাদের
রওশন এরশাদ দেশে ফিরছেন ২৭ জুন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Brethren have fallen into the development of tantra and speculation Badiul

ব্রাদার তন্ত্র ও মতলববাজির উন্নয়নে নিপতিত হয়েছি: বদিউল

ব্রাদার তন্ত্র ও মতলববাজির উন্নয়নে নিপতিত হয়েছি: বদিউল অনুষ্ঠানে সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। ছবি: নিউজবাংলা
‘আমরা সংকটের মধ্যে আছি। আরো ভয়াবহ সংকটের দিকে যাব। আমরা খাদের কিনারায় এসে গিয়েছি, জানি না এর পরিণতি কী হবে। দেশে এখন চলছে ভাই ব্রাদার তন্ত্র। সেই সঙ্গে আছে মতলববাজির উন্নয়ন। যার মধ্যে আমরা নিপতিত হয়েছি।’

দেশ এখন খাদের কিনারে বলে মনে করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। তিনি এও অনুমান করেছেন যে, দেশ ভয়াবহ সংকটের দিকে যাচ্ছে।

বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজনের এক গোলটেবিল আলোচনায় এমন মন্তব্য করেন তিনি। ‘বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট: নাগরিক ভাবনা’ শীর্ষক ওই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

বদিউল বলেন, ‘আমরা সংকটের মধ্যে আছি। আরো ভয়াবহ সংকটের দিকে যাব। আমরা খাদের কিনারায় এসে গিয়েছি, জানি না এর পরিণতি কী হবে।’

তিনি বলেন, ‘দেশে এখন চলছে ভাই ব্রাদার তন্ত্র। সেই সঙ্গে আছে মতলববাজির উন্নয়ন। যার মধ্যে আমরা নিপতিত হয়েছি।’

তার সংগঠন আরও কয়েকটা গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে ২০১৮ সালের নির্বাচনে কী হয়েছিল, সেটি তুলে ধরবেন বলেও জানান বদিউল।

আলোচনায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক উনু মুহাম্মদ বলেন, ‘জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে কেন্দ্র করে অর্থনৈতিক যে সংকট তৈরি হয়েছে, এটা আকস্মিক বা হঠাৎ করেই হয়েছে এমন নয়। এটা তৈরি করার মতোই পরিকল্পনা নেয়া হয়েছিল।

‘এই পরিস্থিতিতে একটা গোষ্ঠী লাভবান হচ্ছে। সরকার বা প্রধানমন্ত্রী বলছেন বিদ্যুৎখাতে আমাদের প্রচুর ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। এখনও ভর্তুকি দিতে হচ্ছে, সামনেও ভর্তুকি দিতে হবে। সুতরাং আমাদের বিদ্যুতের দামও বাড়াতে হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ব বিভাগের অধ্যাপক বদরুল ইমাম বলেছেন, ‘উপর মহল কিংবা নীতি নির্ধারনী পর্যায় থেকে অনেকেই বলেন, দেশে গ্যাস নেই কিংবা যা আছে তা উত্তোলনের জন্য যথেষ্ট না। আমদানি করেই চলতে হবে। জনগণের সামনে এসব কথা বলার আগে আমাদের আরেকটু দায়িত্বশীল হতে হবে।

‘সরকারি নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের অনেকেই বলেন, মিয়ানমার গত ১০ বছরে গ্যাস পায়নি, যা পাওয়ার অনেক আগে পেয়েছে। কিন্তু একথা অসত্য। মিয়ানমার দুই তিন বছর আগেও গ্যাসের সন্ধান পেয়েছে।’

গণ সংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘জ্বালানির যে সংকটে আমরা আছি, সেই সংকট আমাদের অনিবার্য ছিল না। এটা অনিবার্য করে তোলা হয়েছে।

‘সরকারের লুটপাট ও ক্ষমতাবানদের খুশি করার প্রেক্ষিতে আমরা জ্বালানি খাতে আমাদের সক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছি। অনুকূল পরিবেশে টিকে থেকে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে যে ব্যবস্থাপনা ধসে পরে সেটা তো কোনো পরিকল্পনার মধ্যে পরে না।’

আরও পড়ুন:
ইভিএম নিকৃষ্ট যন্ত্র: সুজন সম্পাদক
সার্চ কমিটিতে প্রস্তাবিত নামের বিস্তারিত জানতে রিট সুজনের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If Khaleda is bailed the country will have good governance in three months Zafrullah

খালেদার জামিন হলে দেশে তিন মাসে সুশাসন: জাফরুল্লাহ

খালেদার জামিন হলে দেশে তিন মাসে সুশাসন: জাফরুল্লাহ ২০১৪ সালে এক অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী। এতে যোগ দিয়েছিলেন আরও কয়েকজন নেতা। ছবি: সংগৃহীত
আদালতে দুর্নীতি প্রমাণ হলেও জাফরুল্লাহ মনে করেন, বিএনপি নেত্রীর কোনো অপরাধ ছিল না। তিনি বলেন, ‘টাকা চুরি করে নাই, এক অ্যাকাউন্ট থেকে আরেক অ্যাকাউন্টে রাখার জন্য জেল খাটাতে হয়। এ জন্য তাকে আটকে রাখা হয়েছে।’

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন হলে দেশ তিন মাসেই পাল্টে যাবে বলে মনে করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘দেশে যদি শান্তি ফিরিয়ে আনতে হয়, সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হয়, মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে হয়, তাহলে খালেদা জিয়াকে আগে জামিন করতে হবে। খালেদা জিয়াকে ছাড়া দেশ চলবে না।’

বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে জনতার অধিকার পার্টি (পিআরপি) আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় উচ্চ আদালতে ১০ বছর আর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় বিচারিক আদালতে সাত বছরের সাজা হওয়া খালেদা জিয়াকে বিনা বিচারে অন্যায়ভাবে আটকে রাখার অভিযোগও করেন জাফরুল্লাহ। তবে ২০২০ সালের মার্চে সাজা স্থগিত করিয়ে বিএনপি নেত্রীকে বাসায় ফেরার সুযোগ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আদালতে দুর্নীতি প্রমাণ হলেও জাফরুল্লাহ মনে করেন, বিএনপি নেত্রীর কোনো অপরাধ ছিল না। তিনি বলেন, ‘টাকা চুরি করে নাই, এক অ্যাকাউন্ট থেকে আরেক অ্যাকাউন্টে রাখার জন্য জেল খাটাতে হয়। এ জন্য তাকে আটকে রাখা হয়েছে।’

বিরোধী দলকে প্রধানমন্ত্রী চায়ের আমন্ত্রণ জানালেও ভোলায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাণহানি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জাফরুল্লাহ। বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বললেন চা খেয়ে যান। তার পরই ভোলায় পুলিশের গুলিতে দুইজন মারা গেলেন। তার মানে উনার (প্রধানমন্ত্রীর) হাতে ক্ষমতা নাই। ক্ষমতা অন্যদের হাতে।

‘চাবিকাঠি অন্য জায়গায়। পুলিশের যেখানে লাঠিচার্জ করার কথা সেখানে গুলি করছে। তার কারণ হলো কোনো নিয়মের তোয়াক্কা করছে না। একটা জায়গা গুলি করতে হলে ম্যাজিস্ট্রেটের লিখিত অনুমিত লাগত। এখন তা নেই। আজকে সেই ক্ষমতা এসপির হাতে দিয়ে দেয়া হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনে আসতে এত ভয় পাচ্ছেন কেন? দিয়ে দেখেন নাহ? চলে গেলে তো ভালোই। জিতে গেলে চরিত্রের পরিবর্তন করলেন। আর কত দিন, অনেক দিন করেছেন।’

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহামুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘আজকে নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে লাভ নেই, লড়াই করতে হবে। যতগুলো দল পারেন একত্রিত হয়ে এক মঞ্চে না হোক অন্তত যুগপৎ অভিন্ন আন্দোলন করতে হবে।’

সাতটি লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে জনতার অধিকার পার্টির আত্মপ্রকাশ হয়। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন দলটির চেয়ারম্যান তরিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘জনতার অধিকার পার্টি জাতির সঙ্গে বেইমানি করবে না। দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যাবে।’

সংগঠনের মহাসচিব মোশাররফ হোসেনের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গণশক্তি আন্দোলনের চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ মো. তাহের, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রেস সচিব জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন।

আরও পড়ুন:
সংখ্যালঘু নামে দরিদ্র মানুষের ওপর অত্যাচার চলছে: জাফরুল্লাহ
পদ্মা সেতুতে সেলফি তুলে আইন ভেঙেছেন প্রধানমন্ত্রী: জাফরুল্লাহ
চলেন পূর্ণিমায় খালেদাকে নিয়ে পদ্মা সেতুতে যাই: প্রধানমন্ত্রীকে জাফরুল্লাহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNPs continuous program from August 22

২২ আগস্ট থেকে টানা কর্মসূচি বিএনপির

২২ আগস্ট থেকে টানা কর্মসূচি বিএনপির জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গত ৩০ জুলাই বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের একাংশ। ছবি: নিউজবাংলা
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, জ্বালানি তেল, পরিবহন ভাড়াসহ দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আবদুর রহিম ও ছাত্রদল নেতা নূরে আলম হত্যার প্রতিবাদে এসব কর্মসূচি পালন করা হবে।

আগামী ২২ আগস্ট থেকে দেশব্যাপী লাগাতার কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি।

দলটির কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে উপজেলা, থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে সভা, সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করতে নেতা-কর্মীদের নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, জ্বালানি তেল, পরিবহন ভাড়াসহ দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আবদুর রহিম ও ছাত্রদল নেতা নূরে আলম হত্যার প্রতিবাদে এসব কর্মসূচি পালন করা হবে।

এ বিষয়ে বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন বলেন, ‘আগামী ২২ তারিখ থেকে আমাদের এলাকার কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আমরা এক দফা সরকার পতনের আন্দোলনের জন্য কর্মসূচি পালন করব।’

তৃণমূল নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে রিজভী স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, ‘প্রতিটি উপজেলা, থানা, পৌর কর্মসূচির তারিখ নির্ধারণ করবেন জেলার নেতারা। ২২ আগস্ট থেকে প্রতিদিন প্রতিটি জেলা, মহানগরের কমপক্ষে একটি উপজেলা, থানায় কর্মসূচি পালিত হবে।

‘সেসব কর্মসূচিতে জেলার নেতারা এবং ওইসব জেলার অধিবাসী কেন্দ্রীয় নেতারা ও সাবেক সংসদ সদস্য উপস্থিত থাকবেন।’

চিঠিতে আরেকটি নির্দেশনায় বলা হয়, ‘প্রতিটি ইউনিয়ন, ওয়ার্ড পর্যায়ের কর্মসূচির তারিখ নির্ধারণ করবেন উপজেলা, থানা, পৌর নেতারা। ২২ আগস্ট থেকে প্রতিদিন কমপক্ষে একটি ইউনিয়ন, ওয়ার্ডে কর্মসূচি পালিত হবে। সেসব কর্মসূচিতে উপজেলা, থানা, পৌর নেতারা উপস্থিত থাকবেন।’

দলের অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে নির্দেশনায় বলা হয়, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের স্ব স্ব ইউনিটের নেতারা কর্মসূচি সফল করতে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করবেন। এ বিষয়ে স্ব স্ব সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সার্বিক সমন্বয় করবেন এবং ইউনিটগুলোকে নির্দেশ দেবেন।

দলের বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকদের উদ্দেশে বলা হয়, ‘বিভাগীয় সাংগঠনিক ও সহসাংগঠনিক সম্পাদকরা ঘোষিত কর্মসূচি সফল করতে সার্বিকভাবে সমন্বয় করবেন।’

চিঠিতে প্রতিটি ইউনিটের কর্মসূচি পালনের তারিখ নির্ধারণ করে কেন্দ্রীয় দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
আ.লীগের চেয়ে বড় আন্দোলনকারী আর নেই: শাজাহান খান
মুসলিম লীগের মতো হাওয়ায় মিলিয়ে যাবে বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী
বিক্ষোভ মিছিলে বিএনপি-ছাত্রলীগ সংঘর্ষ
লক্ষ্মীপুরে বিএনপির সমাবেশে ‘ছাত্রলীগের’ হামলা
সমাবেশে বাধা না দেয়াও আ.লীগের প্রতারণা: ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP in a meeting with the UN human rights delegation

জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি

জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিএনপি নেতারা। ছবি: সংগৃহীত
বিএনপির প্রতিনিধি দলে রয়েছেন সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল এবং দলটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নিখোঁজ এম ইলিয়াস আলীর ছেলে আবরার ইলিয়াস।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে বিএনপির ৪ সদস্যের প্রতিনিধি দল।

রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বুধবার দুপুর দুইটার দিকে এই বৈঠক শুরু হয় বলে জানিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

বিএনপির প্রতিনিধি দলে রয়েছেন সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল এবং দলটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নিখোঁজ এম ইলিয়াস আলীর ছেলে আবরার ইলিয়াস।

পাঁচ দিনের সফরে গত ১৪ আগস্ট ঢাকায় পৌঁছান জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচলেট।

দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি দেখতে বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে এই সফর বলে এক বার্তায় জানিয়েছে জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক দপ্তর।

আরও পড়ুন:
বাম জোটের হরতালে বিএনপির সমর্থন
খালেদার ৭৭তম জন্মবার্ষিকীতে ১৬ আগস্ট দোয়া মাহফিল
ক্ষমতায় গেলে রেন্টাল চুক্তি বাতিল: বিএনপি
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য জনগণের সঙ্গে তামাশা: ফখরুল
আ.লীগের চেয়ে বড় আন্দোলনকারী আর নেই: শাজাহান খান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Respect the left brothers Information Minister

বাম ভাইদের সম্মান করি: তথ্যমন্ত্রী

বাম ভাইদের সম্মান করি: তথ্যমন্ত্রী বাম জোটের কর্মসূচির ক্ষেত্রে সতর্কতা বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী। ফাইল ছবি
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাম ভাইদের আমি বিনীত অনুরোধ করব, তাদের কর্মকাণ্ডে যেন স্বাধীনতাবিরোধী, জঙ্গিগোষ্ঠী ও দেশবিরোধী অপশক্তি বিএনপিসহ অন্যরা লাভবান না হয়। তাদের হাতে যেন দেশটা চলে না যায়, সেভাবেই তারা (বামপন্থিরা) তাদের কর্মকাণ্ড করবেন- এটাই আমার অনুরোধ।’

গণতান্ত্রিক বাম জোটের হরতাল কর্মসূচির লাভ যেন বিএনপি নিজের ঘরে না তুলতে পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে বাম নেতাদের অনুরোধ করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহ্‌মুদ। সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বুধবার তিনি এ অনুরোধ করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাম ভাইয়েরা মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি, এ জন্য আমি তাদের সম্মান করি। বাম ভাইরা হরতাল ডেকেছেন, যে কেউ প্রতিবাদ করতে পারেন। গণতান্ত্রিক নিয়ম মেনে যে কেউ প্রতিবাদ করতে পারেন।

‘কিন্তু বাম ভাইদের আমি বিনীত অনুরোধ করব, তাদের কর্মকাণ্ডে যেন স্বাধীনতাবিরোধী, জঙ্গিগোষ্ঠী ও দেশবিরোধী অপশক্তি বিএনপিসহ অন্যরা লাভবান না হয়। তাদের হাতে যেন দেশটা চলে না যায়, সেভাবেই তারা (বামপন্থিরা) তাদের কর্মকাণ্ড করবেন- এটাই আমার অনুরোধ।’

জ্বালানি তেলের দাম কমানোসহ কয়েকটি দাবিতে আগামী ২৫ আগস্ট দেশজুড়ে অর্ধদিবস হরতাল ডেকেছে গণতান্ত্রিক বাম জোট। শাহবাগে গত মঙ্গলবার এক সমাবেশ থেকে এ কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়।

তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহ্‌মুদ বলেন, ‘বিএনপি যেসব গুমের কথা বলে, কিছুদিন পরে দেখা যায় তাদের খুঁজে পাওয়া যায়। বিএনপি যে গুমের তথ্য প্রকাশ করে, তা যে সঠিক নয় এতে সেটিই প্রমাণিত হয়।’

তিনি বলেন, ‘ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য যারা অগ্নিসন্ত্রাস করেছে, অগ্নিবোমা মানুষের ওপর নিক্ষেপ করেছে, তাদের মদদ দিয়েছে, সেই বিএনপি নেতাদের দ্রুত বিচার হওয়া প্রয়োজন। দ্রুত বিচার না হলে ন্যায় প্রতিষ্ঠা হবে না, এটাই আজকের দাবি হওয়া উচিত।’

১৫ আগস্ট বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্মদিন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘জন্মদিন থেকে তো সরে আসেনি বিএনপি। ১৫ আগস্ট জন্মদিন ঠিক রেখেছে। এটা ঠিক রেখে পরের দিন মিলাদ বা অন্য কর্মসূচি তারা পালন করছে।’

দ্রব্যমূল্যের কারসাজি বন্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহ্‌মুদ। তিনি বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি হয়েছে, শুধু যে বাংলাদেশে হয়েছে তা নয়। তেলের দাম সমন্বয়ের সুযোগ নিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নিজেদের মুনাফা বাড়াতে পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে।

‘এবং পরিবহন খরচও তারা বাড়িয়ে দিয়েছে, এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমাদের সরকার মনিটর করছে। আমি আশা করব, ব্যবসায়ী নেতারাও এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবেন।’

আরও পড়ুন:
কোনো দেশের পক্ষে এভাবে ভর্তুকি দেয়া সম্ভব না: তথ্যমন্ত্রী
‘সেপ্টেম্বরে মাঠে নামছে আ.লীগ, পালানোর পথ পাবে না বিএনপি’
ক্ষমতার মালিক আল্লাহ, উৎস জনগণ: বিএনপিকে কাদের
দেশে রাজনীতির পরিবেশ নেই: জি এম কাদের
ভোলায় প্রাণহানির দায় বিএনপির: তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Real income of people was higher during BNP era Fakhrul

বিএনপি আমলে মানুষের প্রকৃত আয় বেশি ছিল: ফখরুল

বিএনপি আমলে মানুষের প্রকৃত আয় বেশি ছিল: ফখরুল ফাইল ছবি
‘আপনাদের নিশ্চই মনে থাকবে, বিএনপি সরকারের আমলে মানুষের প্রকৃত আয় ছিল অনেক বেশি। যার ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতাও ছিল বেশি। অন্য দিকে বর্তমানে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা অনেক কমেছে। কেননা সে তুলনায় মানুষের প্রকৃত আয় অনেক হ্রাস পেয়েছে।’

বর্তমান শাসনামলের তুলনায় ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি শাসনামলে দেশের মানুষের প্রকৃত আয় অনেক বেশি ছিল বলে দাবি করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বলেছেন, সে সময় পণ্যমূল্য ছিল কম, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দামও বর্তমান সময়ের অর্ধেকেরও কম ছিল।

বুধবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় ১৬ বছর আগে ক্ষমতা ছাড়ার সময় পণ্যমূল্য ও জ্বালানির মূল্যের একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরেন তিনি।

ফখরুল বলেন, ‘আমাদের সবারই বলতে গেলে নির্দিষ্ট টাকায় সংসার চালাতে হয়। তাই আমরা যতটা তিক্তভাবে বাজারের মূল্যবৃদ্ধি অনুভব করতে পারি, তা জনগণের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে যারা সম্পদের পাহাড় জমিয়েছে, যাদের দুর্নীতির টাকা এখন সুইস ব্যাংক, মালয়েশিয়ার সেকেন্ড হোম, কানাডার বেগমপাড়া, ইউরোপ, আমেরিকা কিংবা লাতিন আমেরিকান দ্বীপরাষ্ট্রে পাচার হচ্ছে, তারা কখনই অনুভব করতে পারবেন না।

‘পণ্যের দাম বাড়ার পেছনে সরকারের মদতপুষ্ট সিন্ডিকেটকারীদের ভূমিকার কথা নতুন করে বলার কিছু নেই। মূল্যবৃদ্ধির এই দুর্নীতিবাজ চক্রের শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে সরকারের চালিকাশক্তিরাই।’

এক ধরনের স্বার্থান্বেষী ‘অর্থপিপাসু বণিক সমাজ’ দেশ চালাচ্ছে অভিযোগ করে বিএনপি নেতা বলেন, ‘সরিষায় ভূত থাকলে ভূত তাড়াবে কে? রক্ষক যদি ভক্ষক হয় তখন যা হবার তাই হচ্ছে বর্তমান বাংলাদেশে।’

এই সরকারকে গভর্নমেন্ট বাই দ্য বিজনেসম্যান, ফর দ্য বিজনেসম্যান অব দ্য বিজনেসম্যান বলে আখ্যা দেন বিএনপি নেতা। বলেছেন, এবারের বাজেটের দিকে তাকালেই এই বিষয়টি বোঝা যায়। যার ফলে স্বার্থের সংঘাত দেখা দিলে ব্যবসায়ীদের স্বার্থই বরাবর প্রাধান্য পাচ্ছে।’

বিএনপির শাসনামলে মানুষ এখনকার চেয়ে অনেক স্বস্তিতে ছিল দাবি করে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘আপনাদের নিশ্চই মনে থাকবে, বিএনপি সরকারের আমলে মানুষের প্রকৃত আয় ছিল অনেক বেশি। যার ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতাও ছিল বেশি। অন্য দিকে বর্তমানে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা অনেক কমেছে। কেননা সে তুলনায় মানুষের প্রকৃত আয় অনেক হ্রাস পেয়েছে।’

২০০৬ সালে বিএনপি যখন ক্ষমতা ছাড়ে, তখন দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ছির ৫৪৩ ডলার। এখন তা হয়েছে ২ হাজার ৮১৪ ডলার।

দুই শাসনামলে পণ্যমূল্যের তুলনা

ফখরুল বলেন, ২০০৬ সালে এক কেজি মোটা চালের দাম ছিল গড়ে ১৫ টাকা। বর্তমানে মোটা চালের দাম গড়ে ৫৪ টাকা। মূল্যবৃদ্ধি তিন গুণেরও বেশি

‘২০০৬ সালে ১০০ টাকায় প্রায় ৭ কেজি মোটা চাল কেনা যেত। বর্তমানে ১০০ টাকায় মোটা চাল কেনা যায় ২ কেজি। প্রায় ৫ কেজি কম চাল পাওয়া যায়।

‘মন্তব্য: আয় সক্ষমতা যদি দুই গুণ বৃদ্ধি পায়, এরপরেও ২০০৬ সালের সম পরিমাণ ক্রয় সক্ষমতা অর্জন অসম্ভব।’

ফখরুল সংবাদ সম্মেলনে ২০০৬ সালের ৯ সেপ্টেম্ব ও গত ১৬ আগস্ট সরকারি সংস্থা টিসিবির বাজারদর তুলে ধরেন।

তিনি জানান, ১৬ বছর আগে সরু চালের দর ছিল ২৪ টাকা কেজি, এখন তা ৬৪ থেকে ৮৫ টাকা। তখন পেঁয়াজ ছিল ৮ থেকে ২০ টাকা কেজি, এখন ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। সে সময় সয়াবিন তেলের দর ছিল ৪৪ টাকা লিটার, এখন ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা। গরুর মাংস ছিল ১৫০ টাকা কেজি, এখন ৬৫০ থেকে ৬৮০ টাকা। খাসির মাংস ছিল ২৩০ টাকা কেজি, এখন ৮৫০ থেকে ৯৫০ টাকা।

ইলিশের কেজি ছিল ২৮০ টাকা, এখন ৬০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা। গুঁড়া দুধ ছিল ২৮৫ টাকা কেজি, এখন ৭৬০ থেকে ৮২০ টাকা। দেশি মশুর ডাল ছিল ৪৫ টাকা কেজি, এখন ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা। নেপালি মশুর ডাল ছিল ৪৫ টাকা কেজি, এখন ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি ছিল ৫৫ টাকা কেজি, এখন ১৯০ থেকে ২০০ টাকা। দেশি মুরগি ছিল ১৮০ টাকা কেজি। এখন ৫০০ থেকে ৫৬০ টাকা।

তখন আটা ছিল ২০ টাকা কেজি, এখন ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। তখন ময়দা ছিল ২৬ টাকা কেজি, এখন ৬৫ থেকে ৭০ টাকা।
ফার্মের ডিম ছিল ১১ টাকা হলি, এখন ৫০ থেকে ৫৫ টাকা। আলুর দর ছিল ৬ টাকা কেজি, এখন ২৬ থেকে ৩০ টাকা। লবণ ছিল ১৮ টাকা কেজি, এখন ৩০ থেকে ৩৬ টাকা। চিনি ছিল ৩৭ টাকা কেজি, এখন ৮৮ থেকে ৯০ টাকা।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যের পার্থক্য

ফখরুল বলেন, তাদের শাসনামলে বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের দাম ছিল ১ টাকা ৬০ পয়সা। এখন গড় দাম ৭ টাকা ১৩ পয়সা।

সে সময় এক চুলার গ্যাসের মূল্য ছিল ২০০ টাকা, দুই চুলার ছিল ২৫০ টাকা। এখন তা বেড়ে হয়েছে যথাক্রমে ৯৯০ টাকা ও ১০৮০ টাকা।

ফখরুল বলেন, ‘এই মূল্যবৃদ্ধি সেসব সীমিত আয়ের মানুষের ওপর সরাসরি আঘাত, যারা ইতোমধ্যে মূল্যস্ফীতিতে নাকাল। এবার বর্ধিত ট্রাকভাড়া জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি করেছে। জ্বালানি তেলের দাম রেকর্ড পরিমাণ বাড়ানোর প্রভাব কাঁচাবাজারে পড়েছে। আগামী দিনগুলোয় শিল্পপণ্যের দামেও প্রভাব পড়বে।’

তিনি বলেন, ‘নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সীমিত আয়ের মানুষ নানাভাবে ব্যয় কমিয়ে টিকে থাকার চেষ্টা করছেন। নিজের আয় দিয়ে আর চলতে না পারায় স্ত্রীকে গ্রামের বাড়ি পাঠিয়ে দিয়ে অনেকেই ফ্যামিলি বাসা ছেড়ে উঠেছেন মেসে। মানুষ অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন।’

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি অর্থনীতির কফিনে শেষ পেরেক

ফখরুল বলেন, ডিজেল, পেট্রল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম একবারে ৪৫ থেকে ৫১ শতাংশ বাড়ানোর মধ্য দিয়ে দেশের মুখ থুবড়ে পড়া অর্থনীতির কফিনে শেষ পেরেকটুকু ঠুকে দেয়া হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে সর্বক্ষেত্রে।

বিএনপি নেতা বলেন, ‘গরিব ও সীমিত আয়ের মানুষেরা দুর্বিষহ অবস্থার মধ্যে পড়েছেন। মধ্যবিত্ত মানুষের পক্ষেও টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ছে। এতে জনগণের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

‘গণপরিবহন থেকে কাঁচাবাজার- সর্ব ক্ষেত্রে কয়েক গুণ মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে সবাই। প্রতিবাদে মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছেন, তারা মিছিল করছেন।’

দাম যদি বাড়াতেই হতো, তাহলে সহনীয়ভাবে ধাপে ধাপে বাড়াতে পারত বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি নেতা। বলেন, ‘হঠাৎ করে রাতের আঁধারে একবারে এত বেশি দাম বৃদ্ধিতে জ্বালানি ব্যবহার সংশ্লিষ্ট সকলেই হতচকিত হয়ে পড়েছে। যাত্রী, ক্রেতা-বিক্রেতা সকলেই হতবাক।’

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের বর্ধিত দাম কমে আসার মধ্যে বাংলাদেশে দাম এক লাফে এত বেশি বাড়ানোর পেছনে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে আসাই কারণ বলে মনে করেন ফখরুল। বলেন, ‘সরকারের বেপরোয়া দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও অপরিণামদর্শিতার দায় পুরোপুরি সাধারণ মানুষের কাঁধে চাপিয়ে দেয়া হলো।’

তেলে প্রতি লিটারে সরকার ৩৪ টাকা করে কর আদায় করছে উল্লেখ করে বিএনপি নেতা বলেন, সরকার ইচ্ছা করলে সেই কর প্রত্যাহার করতে পারত। তাতে জনগণ স্বস্তি পেত।

বিএনপি নেতার অভিযোগ, সরকার কয়েকজন ব্যবসায়ীকে আর্থিকভাবে লাভবান করার লক্ষ্যে দেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের চেষ্টা না করে বিদেশ থেকে গ্যাস আমদানির সুযোগ করে দিয়েছে।

গ্যাস, বিদ্যুতের দাম আবার বাড়ানোর প্রস্তুতি নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেন বিএনপি নেতা। বলেন, গত ১২ বছরে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৯০ শতাংশ বেড়েছে। এখন আবার ৫৮ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। মাসখানেক আগেও গ্যাসের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এবার আবার বাড়লে শিল্প উৎপাদনও কঠিন পরিস্থিতিতে পড়বে। জীবনযাপনে আরও বেশি বিপর্যয় নেমে আসবে।

গত ১৪ বছরে ঢাকা ওয়াসা পানির দাম ১৫ শতাংশ বাড়ানোর পরও আবার ২৫ শতাংশ বাড়াতে চায় উল্লেখ করে এরও সমালোচনা করেন বিএনপি নেতা। বলেন, ‘আমরা এর তীব্র বিরোধিতা করছি।’

‘দেশের মানুষ মুক্তি চায়’

বর্তমান সময়কে ‘দুঃশাসন’ আখ্যা দিয়ে ফখরুল বলেন, জনগণ এ থেকে মুক্তি চায়।

তিনি বলেন, ‘লুটপাট, দুর্নীতি, অর্থ পাচার আর অপশাসন দেশেটাকে সত্যিকার অর্থেই অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। রাষ্ট্রীয় সব প্রতিষ্ঠানকেই বাকশালীরা ধ্বংসের শেষ প্রান্তে পৌঁছে দিয়েছে।

‘বাগাড়ম্বর আর কাল্পনিক উন্নয়নের গল্প দেশের জনগণ আর শুনতে চায় না। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর যত অন্যায় অপকর্ম করেছে, তার প্রায়শ্চিত্ত তাদেরকে করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে মানবাধিকার পরিস্থিতির তদন্ত চান ফখরুল
বিএনপির কর্মসূচিতে ড্রোন, ফখরুল বললেন, ‘ভয় পাই’
সরকারের দিন ফুরিয়ে এসেছে: ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNPs support for the strike of the left

বাম জোটের হরতালে বিএনপির সমর্থন

বাম জোটের হরতালে বিএনপির সমর্থন মঙ্গলবার দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: নিউজবাংল
লিখিত বক্তব্যের পর তার কাছে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল, বামদের হরতালে বিএনপি সমর্থন দেবে কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা তো আগেই বলেছি যে কোনো দলের ন্যায়সঙ্গত দাবির আন্দোলন আমরা সবসময় সমর্থন করি।’

জ্বালানি তেল, সারের বর্ধিত দাম ও বাস ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে গণতান্ত্রিক বাম জোটের ডাকা হরতালে সমর্থন দিয়েছে বিএনপি। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যে কোনো দলের ন্যায়সঙ্গত দাবির পক্ষে আছেন তারা।

মঙ্গলবার দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

আগামী ২৫ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আধাবেলা হরতালের ডাক দিয়েছে বাম জোট। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে এই ঘোষণা দেয়া হয়।

জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধিসহ দেশে নিত্যপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে বিএনপির বক্তব্য তুলে ধরতে গণমাধ্যমের সামনে আসেন ফখরুল।

লিখিত বক্তব্যের পর তার কাছে সাংবাদিকদের প্রশ্ন ছিল, বামদের হরতালে বিএনপি সমর্থন দেবে কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা তো আগেই বলেছি যে কোনো দলের ন্যায়সঙ্গত দাবির আন্দোলন আমরা সবসময় সমর্থন করি।’

এর আগে লিখিত বক্তব্যে বিএনপি নেতা বলেন, মাসাধিককাল থেকে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের নেতিবাচক প্রভাবে এমনিতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় চাল, ডাল ও ভোগ্যপণ্যসহ সকল পণ্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গেছে। এ অবস্থায় ভোক্তারা যখন দিশেহারা তখন হঠাৎ করে বিনা নোটিশে রাতের অন্ধকারে জ্বালানি তেলের দাম নজিরবিহীন বৃদ্ধি ‘মরার ওপর খাড়ার ঘাঁ’ হয়ে এসেছে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর।

তিনি বলেন, ডিজেল, পেট্রল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম একবারে ৪৫ থেকে ৫১ শতাংশ বাড়ানোর মধ্য দিয়ে দেশের মুখ থুবড়ে পড়া অর্থনীতির কফিনে শেষ পেরেকটুকু ঠুকে দেয়া হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে সর্বক্ষেত্রে।

বিএনপি নেতা বলেন, ‘গরিব ও সীমিত আয়ের মানুষেরা দুর্বিষহ অবস্থার মধ্যে পড়েছেন। মধ্যবিত্ত মানুষের পক্ষেও টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ছে। এতে জনগণের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

‘গণপরিবহন থেকে কাঁচাবাজার- সর্বক্ষেত্রে কয়েকগুণ মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে সবাই। প্রতিবাদে মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছে, তারা মিছিল করছে।’

দাম যদি বাড়াতেই হতো, তাহলে সহনীয়ভাবে ধাপে ধাপে বাড়াতে পারত বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি নেতা। বলেন, ‘হঠাৎ করে রাতের আঁধারে একবারে এত বেশি দাম বৃদ্ধিতে জ্বালানি ব্যবহার সংশ্লিষ্ট সকলেই হতচকিত হয়ে পড়েছে। যাত্রী, ক্রেতা-বিক্রেতা সকলেই হতবাক।’

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের বর্ধিত দাম কমে আসার মধ্যে বাংলাদেশে দাম এক লাফে এত বেশি বাড়ানোর পেছনে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে আসাই কারণ বলেও মনে করেন ফখরুল। বলেন, ‘সরকারের বেপরোয়া দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও অপরিণামদর্শিতার দায় পুরোপুরি সাধারণ মানুষের কাঁধে চাপিয়ে দেয়া হলো।’

তেলে প্রতি লিটারে সরকার ৩৪ টাকা করে কর আদায় করছে উল্লেখ করে বিএনপি নেতা বলেন, সরকার ইচ্ছা করলে সেই কর প্রত্যাহার করতে পারত। তাতে জনগণ স্বস্তি পেত।

বিএনপি নেতার অভিযোগ, সরকার কয়েকজন ব্যবসায়ীকে আর্থিকভাবে লাভবান করার লক্ষ্যে দেশে নতুন গ্যাসক্ষত্র আবিষ্কারের চেষ্টা না করে বিদেশ থেকে গ্যাস আমদানির সুযোগ করে দিয়েছে।

গ্যাস, বিদ্যুতের দাম আবার বাড়ানোর প্রস্তুতি নিয়েও শঙ্কা প্রকাশ করেন বিএনপি নেতা। বলেন, গত ১২ বছরে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৯০ শতাংশ বেড়েছে। এখন আবার ৫৮ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। মাসখানেক আগেও গ্যাসের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এবার আবার বাড়লে শিল্প উৎপাদনও কঠিন পরিস্থিতিতে পড়বে। জীবনযাপনে আরও বেশি বিপর্যয় নেমে আসবে।

বিএনপি শাসনামলে দেশের মানুষের প্রকৃত আয় অনেক বেশি ছিল দাবি করে ফখরুল সে সময়ে গ্যাস-বিদ্যুত ও পণ্যমূল্যের দামের একটি তথ্যও সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খানও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে মানবাধিকার পরিস্থিতির তদন্ত চান ফখরুল
খালেদার ৭৭তম জন্মবার্ষিকীতে ১৬ আগস্ট দোয়া মাহফিল
ক্ষমতায় গেলে রেন্টাল চুক্তি বাতিল: বিএনপি
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য জনগণের সঙ্গে তামাশা: ফখরুল
আ.লীগের চেয়ে বড় আন্দোলনকারী আর নেই: শাজাহান খান

মন্তব্য

p
উপরে