× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
People of 4 villages are terrified of unknown animals
hear-news
player
google_news print-icon

‘অজ্ঞাত প্রাণীর’ আতঙ্কে ৪ গ্রামের মানুষ

অজ্ঞাত-প্রাণীর-আতঙ্কে-৪-গ্রামের-মানুষ
‘অজ্ঞাত প্রাণী’র হামলায় আহত মাহমুদপুর গ্রামের আসিয়া বেওয়া। ছবি: নিউজবাংলা
এলাকাবাসীর অভিযোগ, অজ্ঞাত প্রাণীর আক্রমণে সাধারণ মানুষ আহত হওয়ার ঘটনায় বন বিভাগে জানানো হলেও কার্যকরী ভূমিকা নেয়নি। বাধ্য হয়ে দিনের বেলা লাঠি, ধারালো অস্ত্র নিয়ে চলাফেরা করছেন এলাকাবাসী। ইতোমধ্যে একটি শিয়ালকে হত্যা করেছেন স্থানীয়রা।

অজ্ঞাত প্রাণীর আতঙ্কে রয়েছেন দিনাজপুর সদর উপজেলার চার গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ। ইতোমধ্যে ওই প্রাণীর কামড়ে চার দিনে সাতজন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে একজনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হামলার শিকার গ্রামগুলো হলো দিনাজপুর সদর উপজেলার উলিপুর, মাহমুদপুর, খামার ঝাড়বাড়ী ও হাজীপাড়া।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অজ্ঞাত প্রাণীর আক্রমণে সাধারণ মানুষ আহত হওয়ার ঘটনায় বন বিভাগে জানানো হলেও কার্যকরী ভূমিকা নেয়নি। বাধ্য হয়ে দিনের বেলা লাঠি, ধারালো অস্ত্র নিয়ে চলাফেরা করছেন এলাকাবাসী।

ইতোমধ্যে একটি শিয়ালকে হত্যা করেছেন স্থানীয়রা।

‘অজ্ঞাত প্রাণীর’ আতঙ্কে ৪ গ্রামের মানুষ
অজ্ঞাত প্রাণীর হামলায় আহত আরেকজন। ছবি: নিউজবাংলা

ভুক্তভোগীদের বর্ণনায় ঘটনা

উলিপুর গ্রামে দিনাজপুর শহররক্ষা বাঁধের ওপর হাঁটার সময় সোমবার সন্ধ্যায় প্রথম হামলার শিকার হন খামার ঝাড়বাড়ী গ্রামের ৫০ বছর বয়সী মোস্তাকিম ইসলাম। অজ্ঞাত ওই প্রাণী মোস্তাকিম ইসলামের ডান পায়ে কামড় দেয়। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে প্রাণীটি পালিয়ে যায়।

কিছুক্ষণ পর ওই স্থান থেকে ৫০০ গজ দূরে ওই প্রাণীর হামলার শিকার হন মাহমুদপুর গ্রামের ৫০ বছর বয়সী শরিফুল আলম। তিনি ওই বাঁধের ধারে বসে থাকা অবস্থায় তার বুকে কামড় দেয় প্রাণীটি।

পরদিন মঙ্গলবার সকালে একই বাঁধের কাছে হামলার শিকার হন মাহমুদপুর গ্রামের ৫৫ বছর বয়সী আসিয়া বেওয়া। হামলার সময় ওই প্রাণী তার বাঁ হাতে ও বাঁ পায়ে কামড় দেয়। এতে তার পায়ে বেশি জখম হয়।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মুদি দোকান থেকে জিনিসপত্র কিনে বাড়ি ফেরার পথে হামলার শিকার হন উলিপুর গ্রামের ২৪ বছর বয়সী সুরাইয়া বেগম। প্রাণীটি তার বাঁ পায়ে কামড়িয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়।

বুধবার বিকেলে ক্ষেতে কাজ করে বাড়ি ফেরার সময় অজ্ঞাত প্রাণীর হামলার শিকার হন হাজীপাড়ার ৩৫ বছরের নাজমুল ইসলাম। প্রাণীটি তার বাঁ পায়ে কামড় দিয়ে পালিয়ে যায়।

একই দিন সন্ধ্যায় আমবাগান থেকে বাড়ি ফেরার সময় অজানা প্রাণীর হামলার শিকার হন মাহমুদপুর গ্রামের ২১ বছর বয়সী নুর নবী। তার বাঁ পায়ের ঊরুতে কামড় দেয় সেই প্রাণী। পরে প্রাণীটি তার আবারও কামড় দেয়ার জন্য এলে তিনি লাথি মেরে দূরে সরিয়ে দেন।

পরদিন বৃহস্পতিবার রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার সময় শহররক্ষা বাঁধের ওপর হামলার শিকার হন উলিপুর গ্রামের ৫৬ বছরের সাইদুর রহমান। প্রাণীটি তার পিঠের দিকে কামড়িয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। স্থানীয়রা লাঠি নিয়ে এগিয়ে এলে প্রাণীটি পালিয়ে যায়।

হামলার শিকার সবাই দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে ভ্যাকসিন নিয়েছেন। তবে হামলায় গুরুতর আহত আসিয়া বেওয়াকে দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একটি শিয়াল উলিপুর গ্রামে গেলে স্থানীয়রা ঘেরাও করে ধারালো অস্ত্র নিয়ে আঘাত করে মেরে ফেলে।

হামলার শিকার স্থানীয়রা কেউ কেউ বলছেন হামলা করা প্রাণী শিয়াল, কেউ বলছেন নেকড়ে, আবার কারও মতে সেটি হায়েনা।

হামলার শিকার মোস্তাকিম বলেন, ‘আমার ওপর হামলা করা প্রাণীটি কখনই শিয়াল হতে পারে না। কারণ আমি ছোটবেলা থেকে জানি শিয়াল মানুষকে দেখলে পালিয়ে যায়, যেটা হামলা করেছে শিয়ালের থেকেও অনেকটা বড় ছিল। সম্ভবত হায়েনার মতো ছিল।’

হামলার শিকার নুর নবী বলেন, ‘আমি বুধবার রাতে বাগানে আম কুড়াতে আসছিলাম। পরে বাসায় ফেরার সময় শহররক্ষা বাঁধে ওঠার আগে কয়েকটা নেকড়ে দেখতে পাই। এর কিছুক্ষণ পর একটা নেকড়ে আমার কাছে এসে বাম পায়ের ঊরুতে কামড় দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। পরে তাকে লাথি মেরে দূরে ফেলে দিলে সেটি পালিয়ে যায়।’

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হামলার শিকার আসিয়া বেওয়া বলেন, ‘পাথারত গেছিন, গরু বান্দিতে, গরুখান বান্দিনু। তখন শিয়াল খান মোর ওপর ঝাঁপিয়া আসিয়া কামড় দেয়। মুই তখন একখান বাতা দিয়া শিয়ালত বাড়ি দিছু। বাতা খান কাড়ি নিয়া পানিত ফেলায় দিয়া মোর হাতত কামড় দেয়। তখন চিল্লাবার ধরিলে গ্রামের মানুষজন আসিলে শেয়ালক পিটায় দেয়।

‘পরদিন ওই শিয়ালখান আবার গ্রামত আসিয়া একজনক কামড় দিবার তানে আসে, তখন গ্রামের মানুষজন শিয়ালক ধরিয়া বান্দি মারিয়া ফেলছে।’

মাহমুদপুর গ্রামের বাসিন্দা মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘আমাদের গ্রামে শিয়ালের কামড়ে অনেকজন আহত হয়েছেন। তাই আমরা কয়েকজন মিলে বন বিভাগের অফিসে গিয়ে অভিযোগ করেছি। তারা কোনো ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। আমরা এখন আতঙ্কের মধ্যে আছি।’

‘অজ্ঞাত প্রাণীর’ আতঙ্কে ৪ গ্রামের মানুষ
এলাকাবাসীর হাতে মারা যাওয়া শিয়াল। ছবি: নিউজবাংলা

কী বলছেন সংশ্লিষ্টরা

বাসস্থান ও খাদ্যসংকটের ফলে শিয়ালের কামড়ে সাধারণ মানুষ আহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশবিদ মোসাদ্দেক হোসেন। বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ায় শিয়ালের আবাসস্থল বেশি। এরা ঝাড়-জঙ্গলে বেশি বসবাস করে। তারা যুগ যুগ ধরে এই প্রকৃতির জঙ্গলগুলোতে বসবাস করছে। আর এই জঙ্গল থেকে বিভিন্ন ধরনের পশুপাখি শিকার করে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে তারা।

‘সাম্প্রতিক নগরায়ণের ফলে জঙ্গলের সংখ্যা কমে গেছে। এতে তাদের আবাসস্থল অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পাশাপাশি তারা খাদ্যসংকটে পড়ে গেছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে লোকালয়ে প্রবেশ করে মানুষের ওপর হামলা করছে।’

বন বিভাগের দিনাজপুর সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা কামরুল হাসান বলেন, ‘উলিপুরসহ কয়েকটি গ্রামের কয়েকজন মানুষ আমাদের অফিসে এসে একটা মৌখিক অভিযোগ করেছিল। পরে আমাদের একটি টিম ওই এলাকায় গিয়েছিল। আমাদের টিম ওই এলাকার স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছে। দুই থেকে তিন দিন শিয়ালের কামড়ের কথা শোনা গেলেও বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।

“পুনরায় যদি কেউ শিয়ালের কামড়ে আক্রান্ত হয় তাহলে আমাদের জানানোর জন্য বলেছি। তবে কোনো শিয়াল ‘রেবিস’ নামক রোগে আক্রান্ত হয়, তাহলে সাধারণ মানুষকে কামড় দিতে পারে।”

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Only police permission left for BNPs Rajshahi rally

বিএনপির রাজশাহী সমাবেশে বাকি শুধু পুলিশের অনুমতি

বিএনপির রাজশাহী সমাবেশে বাকি শুধু পুলিশের অনুমতি সমাবেশ সামনে রেখে আগেই চলে আসা নেতাকর্মীদের জন্য একটি প্যান্ডেল নির্মাণে বাধা দেয় পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা
মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার রফিকুল আলম বলেন, ‘বিএনপির পক্ষ থেকে সমাবেশের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। এখনও অনুমতি দেয়া হয়নি। তাদের আবেদনটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ ঘিরে স্থানীয় নেতা-কর্মীরা উজ্জিবিত। চলছে প্রস্তুতিও। সমাবেশের মাইকিং চলছে শহরজুড়ে। নেতা-কর্মীদের সমাগম নিশ্চিত করতে বিভিন্ন স্থানে হচ্ছে ছোট বড় মিটিং-মিছিল। চলছে লিফলেট বিতরণ।

কিন্তু সমাবেশস্থল নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা কাটেনি বিএনপির। ৩ ডিসেম্বর সমাবেশ, অথচ মঙ্গলবার পর্যন্ত তারা পুলিশের অনুমতি পায়নি।

তবে জেলা প্রশাসক রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠ ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন বিএনপিকে। ১ ডিসেম্বর থেকেই বিএনপি নেতাকর্মীরা এই মাঠে প্রস্তুতি শুরু করবেন। নেতারা আশাবাদি, শীঘ্রই তারা পুলিশেরও অনুমতি পাবেন।

এদিকে এখনও পুলিশের অনুমতি না পাওয়ায় মাঠের প্রস্তুতি নেয়ার সুযোগ নেই তাদের। মঞ্চ বানাতে গিয়ে মঙ্গলবার বাধার মুখে পড়েন স্থানীয় নেতারা। একটি প্যান্ডেল তৈরির সময় পুলিশি বাধার মুখে তা ভেঙে নিতে বাধ্য হন মঞ্চ প্রস্তুতকারীরা।

ইতোমধ্যেই সমাবেশকে সামনে রেখে ১ ডিসেম্বর থেকে রাজশাহী বিভাগে পরিবহন ধর্মঘট ঘোষণা করা হয়েছে। এ কারণে নেতা-কর্মীদের আগে ভাগেই রাজশাহী আনার কথা ভাবছে বিএনপি নেতারা।

নেতা-কর্মীদের থাকার জন্যই মাদ্রাসা ময়দানের সামনে একটি ফাঁকা জায়গায় সোমবার সকাল থেকে প্যান্ডেল তৈরির কাজ শুরু হয়। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে পুলিশ সেই প্যান্ডেল ভেঙে নিতে বাধ্য করে।

তবে পুলিশের এমন ভূমিকায় নমনীয় বিএনপি। তারা আশাবাদি, এই মাঠেই তারা সমাবেশ করবেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু বলেন, ‘পুলিশ প্যান্ডেল ভাঙেনি। পুলিশের সঙ্গে আমাদের খুব ভালোভাবেই কথা হচ্ছে। কোনো অসুবিধা নেই। পুলিশ আমাদের মাদ্রাসা ময়দানেই সমাবেশ করার অনুমতি দেবে।’

মিনু আরও বলেন, ‘নানাভাবে সরকার এই সমাবেশ বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু সব বাধা উপেক্ষা করে এখানে সফল একটি সমাবেশ হবে। জনতার ঢল নামবে মাদ্রাসা মাঠে।’

রাজশাহী নগর পুলিশের বিশেষ শাখার উপ-কমিশনার মো. আবদুর রকিব বলেন, ‘যে স্কুলের মাঠে বিএনপি সমাবেশ করবে বলছে, সেই স্কুলে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা চলছে। বুধবার পরীক্ষা হবে, বৃহস্পতিবার সকালেও একটা পরীক্ষা আছে। তাই এখনও সমাবেশের অনুমতি দেয়া হয়নি। তবে বৃহস্পতিবার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে যাবে।’

মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার রফিকুল আলম বলেন, ‘বিএনপির পক্ষ থেকে সমাবেশের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। এখনও অনুমতি দেয়া হয়নি। তাদের আবেদনটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

এদিকে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠের নিয়ন্ত্রক জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক আবদুল জলিল বলেন, ‘মাদ্রাসা মাঠ ঐতিহাসিক মাঠ। তারা সেই মাঠই চান। তাদের অনুরোধের কারণে বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছে। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত পরীক্ষা রয়েছে। পরের দিন ১ ডিসেম্বর থেকে তারা মাঠ ব্যবহার করতে পারবেন।’

আরও পড়ুন:
সোহরাওয়ার্দীতে বিএনপির সমাবেশে উসকানিমূলক বক্তব্য নিষেধ
দুই বিবেচনায় জামায়াত-বিচ্ছেদ গোপন বিএনপির
সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশের অনুমতি, পল্টনে অনড় বিএনপি
সিনিয়র নেতাদের নামে ‘কুৎসা রটানোয়’ পদ গেল বিএনপির সাবেক এমপির
ডিসেম্বরেই আওয়ামী লীগকে পরাজিত করতে হবে: দুদু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Abbas the former mayor of Katakhali is free on bail

জামিনে মুক্ত কাটাখালীর সাবেক মেয়র আব্বাস

জামিনে মুক্ত কাটাখালীর সাবেক মেয়র আব্বাস
বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল প্রতিষ্ঠা নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েন আব্বাস আলী। ঘরোয়া একটি বৈঠকের অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে পড়ে গত বছরের নভেম্বরে। অডিওতে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করলে ‘পাপ হবে’ এমন মন্তব্য করতে শোনা যায় আব্বাসকে।

রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার বরখাস্ত হওয়া মেয়র আব্বাস আলী এক বছর পর জামিনে মুক্ত হয়েছেন।

রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জিয়াউর রহমান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দুই মামলায় মঙ্গলবার সকালে আব্বাস আলীকে জামিন দিয়েছেন। রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তিনি সন্ধ্যায় মুক্তি পান। কারাফটক থেকে তাকে মোটরসাইকেল শোডাউন করে নিয়ে যান সমর্থকরা।

রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনালের আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আব্বাস আলী পর পর দুবার নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করে মেয়র হন। তিনি ছিলেন পৌর আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও দলটির জেলা কমিটির সদস্য।

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল প্রতিষ্ঠা নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েন আব্বাস আলী। ঘরোয়া একটি বৈঠকের অডিও রেকর্ড ছড়িয়ে পড়ে গত বছরের নভেম্বরে। অডিওতে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করলে ‘পাপ হবে’ এমন মন্তব্য করতে শোনা যায় আব্বাসকে।

এ রেকর্ড ছড়িয়ে পড়লে রাজশাহীতে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। তাকে আওয়ামী লীগের দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে নগরীর বোয়ারিয়া থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আব্দুল মমিন। এরপর কাটাখালী পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক জনি ইসলাম আরেকটি মামলা করেন কাটাখালী থানায়।

সে বছরের ১ ডিসেম্বর ভোরে র‌্যাব ঢাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। পরদিন তাকে রাজশাহী কারাগারে পাঠানো হয়। গত ১০ ডিসেম্বর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় আব্বাসকে বরখাস্ত করে। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগে আরও একটি মামলা হয়েছিল। এসব ঘটনার পর।

আইনজীবী ইসমত আরা জানান, তিনটি মামলাতেই জামিন পেয়েছেন সাবেক পৌর মেয়র।

আরও পড়ুন:
মেয়র আব্বাসের রিমান্ড চেয়ে পুলিশের আবেদন
দেশ ছেড়ে পালাতে চেয়েছিলেন মেয়র আব্বাস: র‍্যাব
মেয়র আব্বাস আটক
মেয়র আব্বাস কোথায়
মেয়র আব্বাসের উত্থান যেভাবে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Cultural centers are in all upazilas

সংস্কৃতিকেন্দ্র হচ্ছে সব উপজেলায়

সংস্কৃতিকেন্দ্র হচ্ছে সব উপজেলায় সাঁথিয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মোমবাতি জ্বেলে লোকনাট্য উৎসব উদ্বোধন করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণের আগে আগামী অর্থবছর থেকেই শিল্পকলা একাডেমির মাধ্যমে সংস্কৃতিকেন্দ্রের কার্যক্রম শুরু করা হবে।’

দেশের সব উপজেলায় সংস্কৃতিকেন্দ্র গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণের আগে আগামী অর্থবছর থেকেই শিল্পকলা একাডেমির মাধ্যমে সংস্কৃতিকেন্দ্রের কার্যক্রম শুরু করা হবে।’

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাঁথিয়া থিয়েটারের লোকনাট্য উৎসবে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মৌলবাদের উত্থান ও আর্থ সামাজিক বাস্তবতায় আবহমান বাঙালি সংস্কৃতি চর্চায় ছেদ পড়েছে বলে মন্তব্য করেন কে এম খালিদ।

তিনি বলেন, ‘বাউল গান, পথ ও মঞ্চ নাটক, যাত্রাপালা বাঙালি সংস্কৃতির অনুষঙ্গ। এক সময় প্রতিটি গ্রামে ও পাড়ায় পাড়ায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসবের চর্চা হতো, উৎসব আয়োজন হতো। মৌলবাদী তৎপরতায় এখন তা অনেক কমে গেছে। সরকার পৃষ্ঠপোষকতা করে সে উৎসবগুলোকে আবারও ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে।’

নাট্যচর্চার প্রসারে গ্রাম থিয়েটারের প্রশংসা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘গ্রাম থিয়েটার নাটকের মাধ্যমে সামাজিক বাস্তবতা তুলে ধরে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় গ্রাম পর্যায়ে নাট্যচর্চার পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে।’

তিন দিনের লোকনাট্য উৎসব উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটারের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু।

সাঁথিয়া থিয়েটারের সভাপতি আব্দুদ দাইন সরকার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘বাঙালি সংস্কৃতির চেতনা থেকেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের নেতৃত্বে এদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে। পাকিস্তানি ভাবধারার অনুসারী বিএনপি জামায়াত সব সময় বাঙালি সংস্কৃতি চর্চায় বাধা দিয়েছে। সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমেই তাদের অশুভ তৎপরতার জবাব দিতে হবে।’

নাসির উদ্দিন ইউসুফ বলেন, ‘বাংলাদেশের নাটকের একটি স্বকীয় ও স্বতন্ত্র ধারা রয়েছে। উপনিবেশিক সংস্কৃতির প্রভাব আমাদের নাটকে আছে এটি সঠিক নয়। আমাদের উচিৎ নিজস্ব ঐতিহ্য ও শেকড়ের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে সংস্কৃতিকে আধুনিক করে তোলা। গ্রাম থিয়েটার সে লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাঁথিয়া থিয়েটার ৪০ বছর ধরে গ্রাম পর্যায়ে নাট্য চর্চায় কাজ করছে। মৌলবাদীদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তারা সাহসিকতা নিয়ে সংগঠন ধরে রেখেছে।’

আরও পড়ুন:
কমলগঞ্জে শুরু হচ্ছে মণিপুরি মহারাসলীলা
মণিপুরি নাচ যেভাবে ছড়িয়ে গেল সবখানে
সারদা হল উন্মুক্ত হচ্ছে নভেম্বরের মধ্যে
খালেদা স্বামীর কবর ভেবে কাকে শ্রদ্ধা জানান: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী
সংস্কৃতি বিনিময়ের বিশ্বমঞ্চে প্রতিমন্ত্রী খালিদ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
86 gold bars were recovered from underground

মাটির নিচ থেকে ৮৬টি স্বর্ণের বার উদ্ধার

মাটির নিচ থেকে ৮৬টি স্বর্ণের বার উদ্ধার উদ্ধার করা বারগুলোর সম্মিলিত ওজন প্রায় ১১ কেজি ৩৯০ গ্রাম। ছবি: নিউজবাংলা
৫৮ বিজিবি মহেশপুর ব্যাটালিয়নের সিও লে. কর্নেল শাহীন আজাদ জানান, স্বর্ণ উদ্ধার করা হলেও এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার যাদবপুর সীমান্ত থেকে মাটিতে পুঁতে রাখা অবস্থায় ৮৬টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে বিজিবি। বারগুলোর সম্মিলিত ওজন ১১ কেজি ৩৯০ গ্রাম।

মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার যাদবপুর গ্রামের একটি কলাবাগান থেকে এসব বার উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলাবার রাতে ৫৮ বিজিবি মহেশপুর ব্যাটালিয়নের সিও লে. কর্নেল শাহীন আজাদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন যাদবপুর গ্রামের ওই কলাবাগানে স্বর্ণের বারগুলো মাটিতে পুঁতে রাখা আছে। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে কসটেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় মাটির নিচ থেকে ৮৬টি বার বের করে আনা হয়।

তিনি আরও জানান, উদ্ধার করা স্বর্ণের আনুমানিক মুল্যে প্রায় ৮ কোটি ৫৫ লাখ ৫৮ হাজার টাকা। এগুলো অবৈধভাবে ভারতে পাচারের জন্য পুঁতে রাখা হয়েছিল।

স্বর্ণ উদ্ধার করা হলেও এ ঘটনায় কাউকে আটক করা যায়নি।

আরও পড়ুন:
স্বর্ণ চোরাচালান: তিন ভারতীয়সহ আটক ১২
শাহজাদপুর সীমান্তে ৮০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার
স্বর্ণের দাম আরও বাড়ল, ভরি ৮৪২১৪ টাকা
স্বর্ণের দাম বাড়ল ভরিতে ২৩৩৩ টাকা
বিমানের সিটে ৬ কেজি স্বর্ণ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Killing on border BSF returns melted body after 17 days

সীমান্তে হত্যা: ১৭ দিন পর গলিত মরদেহ ফেরত বিএসএফের

সীমান্তে হত্যা: ১৭ দিন পর গলিত মরদেহ ফেরত বিএসএফের ভারত সীমান্তে পড়ে থাকা বাংলাদেশী কৃষকের মরদেহ নিতে আসেন স্ত্রী-সন্তানরা। ছবি: নিউজবাংলা
স্ত্রী মরিয়ম গলিত মরদেহ দেখে বলেন, ‘লাশ দেখে চেনা যাচ্ছে না এটা কে? তারা লাশের সঙ্গেও অমানবিক আচরণ করেছে। লাশটা ঠিকমতো সংরক্ষণ করেনি। আমার স্বামীকে অন্যায়ভাবে বাংলাদেশ থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে।’

ফেনীর পরশুরামে সীমান্তের ওপারে পড়ে থাকা বাংলাদেশী কৃষকের মরদেহ ১৭ দিন পর গলিত অবস্থায় ফেরত দিয়েছে সেদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী- বিএসএফ।

বিলোনিয়া ইমিগ্রেশনে চেকপোস্ট দিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে বিজিবি ও পুলিশের কাছে কৃষক মেজবাহার উদ্দিনের লাশ হস্তান্তর করে ভারতীয় বাহিনীটি।

ফেনীর পরশুরাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাইফুল ইসলাম এসব নিশ্চিত করেছেন।

মেজবাহর বাঁশপদুয়া উত্তরপাড়ার মফিজুর রহমানের ছেলে। গত ১৩ নভেম্বর বাঁশপদুয়া এলাকা থেকে বিএসএফ তাকে ধরে নিয়ে হত্যা করে বলে অভিযোগ তার স্ত্রী মরিয়ম আক্তারের।

তিনি এর আগে জানিয়েছিলেন, সেদিন বিকেলে সীমান্ত এলাকায় যান মেজবাহার। সেখানে বিএসএফের সদস্যরা তাকে আটক ও মারধর করে বলে স্থানীয় লোকজন দেখতে পান। কিছুক্ষণ পর গুলির আওয়াজ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে মরিয়ম ও তার পরিচিতরা সেখানে গিয়ে খোঁজাখুঁজি করে মেজবাহরকে পাননি। এর তিন দিন পর সকালে গিয়ে কাঁটাতারের ওপারে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

মরদেহ বুঝে নিতে মঙ্গলবার সীমান্তে আসেন মেজবাহারের স্ত্রী, তিন মেয়েসহ অন্য স্বজনরা।

স্ত্রী মরিয়ম গলিত মরদেহ দেখে বলেন, ‘লাশ দেখে চেনা যাচ্ছে না এটা কে? তারা লাশের সঙ্গেও অমানবিক আচরণ করেছে। লাশটা ঠিকমতো সংরক্ষণ করেনি। আমার স্বামীকে অন্যায়ভাবে বাংলাদেশ থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে।’

সীমান্তে হত্যা: ১৭ দিন পর গলিত মরদেহ ফেরত বিএসএফের

লাশ হস্তান্তর করতে আসেন সেদেশের ত্রিপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পরিতোষ দাস। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন দেননি তিনি।

পরিতোষ জানান, লাশের মাথায় আঘাতে চিহ্ন রয়েছে। হত্যাকাণ্ডে বিএসএফের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে ভারতীয় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পরশুরাম থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা লাশ গ্রহণ করেছি। ভারত লাশ উদ্ধারের সময় সেটি নষ্ট হয়ে যায়। যদি মেজবাহারের পরিবার ডিএনএ করার আবেদন করে, তাহলে রাষ্ট্র সেটি করবে।’

পরশুরাম পৌরসভার মেয়র নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সাজেল বলেন, ‘নিহত মেজবাহারের পরিবার অত্যন্ত গরীব। সরকারের পক্ষ থেকে তাকে সহযোগিতা করা উচিত। এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার হওয়া উচিত।’

আরও পড়ুন:
সীমান্তে বিজিবি-বিজিপির যৌথ টহল শিগগিরই
বাংলাদেশিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ বিএসএফের বিরুদ্ধে
নাফ নদীতে বাংলাদেশি জেলে গুলিবিদ্ধ
মৃত মায়ের মুখ মেয়েকে দেখতে দিল বিজিবি-বিএসএফ
শূন্যরেখায় বাংলাদেশি যুুবকের গলিত মরদেহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangladesh will also go to World Cup football

‘বিশ্বকাপ ফুটবলে বাংলাদেশও যাবে’

‘বিশ্বকাপ ফুটবলে বাংলাদেশও যাবে’ ডিমলায় মঙ্গলবার শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের নির্মান কাজ উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ হাসান রাসেল। ছবি: নিউজবাংলা
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ হাসান রাসেল বলেন, ‘এরই মধ্যে দেশের অধিকাংশ উপজেলায় শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম তৈরি করা হয়েছে। বাকিগুলোতে প্রক্রিয়াধীন। প্রাইমারি ও উচ্চ বিদ্যালয় পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা চলছে ফুটবলের উন্নয়নে। আশাকরি, আমাদের দেশও বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রতিনিধিত্ব করবে।’

বাংলাদেশ ফুটবল দলও আগামীতে বিশ্বকাপ খেলতে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ হাসান রাসেল।

নীলফামারীর ডিমলায় মঙ্গলবার বিকেলে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামের নির্মান কাজ উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা জানান।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ ফুটবল ভালোবাসে। বিশ্বকাপ এলেই বিভিন্ন দেশের সমর্থক বনে যায়। আমাদের দেশের ক্রিকেট খেলোয়াররা ভালো করলেও মানুষ বেশি ভালোবাসে ফুটবল খেলা।’

তিনি বলেন, ‘এরই মধ্যে দেশের অধিকাংশ উপজেলায় শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম তৈরি করা হয়েছে। বাকিগুলোতে প্রক্রিয়াধীন। প্রাইমারি ও উচ্চ বিদ্যালয় পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা চলছে ফুটবলের উন্নয়নে। আশাকরি, আমাদের দেশও বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রতিনিধিত্ব করবে।’

নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আফতাব উদ্দিন সরকার, যুব ও ক্রীড়া সচিব মেজবাহ উদ্দিন, ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন, ডিমলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আনারুল হক মিন্টু সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

ডিমলা উপজেলার খগাখড়িবাড়ি হ্যালিপ্যাড মাঠে ৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকায় নির্মিত হচ্ছে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম।

আরও পড়ুন:
কথা না শুনলে ইরানি ফুটবলারদের পরিবার পড়বে বিপদে
ইরান-আমেরিকা ‘মহারণ’ কাতারে
ইরান ম্যাচের আগে ক্ষমা চাইলেন আমেরিকার কোচ
পোল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশে আসছে একাধিক বদল
মেসির সমর্থনে আগুয়েরো-ফাব্রেগাস

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Awami League is not a runaway party Sheikh Selim

আওয়ামী লীগ পা‌লি‌য়ে যাওয়া দল না: শেখ সে‌লিম

আওয়ামী লীগ পা‌লি‌য়ে যাওয়া দল না: শেখ সে‌লিম কা‌শিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বা‌র্ষিক সম্মেলনে প্রধান অ‌তি‌থি হিসেবে বক্তব্য দেন শেখ সেলিম। ছবি: নিউজবাংলা
আগামী ১০ ডিসেম্বরের কথা উল্লেখ করে শেখ সেলিম বলেন, ‘১০ তা‌রিখে নাকি ওরা উল্টায়-পাল্টায় দেবে। ঢাকায় ২৫ লাখ লোকের সমাগম ঘটাবে। তারা ২৫০০ লোকের সমাগম করতে পারে না।’

আওয়ামী লী‌গের প্রেসি‌ডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল ক‌রিম সে‌লিম এম‌পি বলেছেন, বিএন‌পি কোনো দল না। ওরা হলো ক্ষণিকের দল। বিএন‌পি হলো ষড়যন্ত্রকারী। ওরা খু‌নির দল। ওরা পাকিস্তানের দালাল। আর আওয়ামী লীগের শ‌ক্তি হলো এ দেশের মানুষ আর বঙ্গবন্ধুর আদর্শ।

মঙ্গলবার দুপুরে গোপালগ‌ঞ্জের কা‌শিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বা‌র্ষিক সম্মেলনে প্রধান অ‌তি‌থির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শেখ সেলিম।

তিনি বলেন, ‘জিয়া আর মোস্তাক ছি‌ল পাকিস্তানের এজেন্ট। ৭১-এ পা‌কিস্তান বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার সাহস পায়‌নি। জিয়া-‌মোস্তাক বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে ওরা আমাদের স্বাধীনতা, মু‌ক্তি‌যুদ্ধ ও গণতন্ত্রকে ‌হত্যা করেছে। জিয়া মরে গিয়ে বেঁচে গেছে। সে বেঁচে থাকলে তারও বিচার হতো। তাকেও ফাঁসির দড়িতে ঝুলতে হতো। মৃত ব্যক্তির বিচার হয় না, তাই তি‌নি মরে গিয়ে বেঁচে গেছেন।’

অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও গণতন্ত্র আছে উল্লেখ করে শেখ সে‌লিম বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য দেশে যেমন নির্বাচন হয়, বাংলাদেশেও সেই রকম নির্বাচন হবে। কোনো অনির্বাচিত লোকের কাছে ক্ষমতা দেয়া হবে না। আর আওয়ামী লীগ পালিয়ে যাওয়া দল না।’

আগামী ১০ ডিসেম্বরের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘১০ তা‌রিখে নাকি ওরা উল্টায়-পাল্টায় দেবে। ঢাকায় ২৫ লাখ লোকের সমাগম ঘটাবে। তারা ২৫০০ লোকের সমাগম করতে পারে না।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের অপর প্রেসি‌ডিয়াম সদস্য মুহাম্মদ ফারুক খান এম‌পি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে ২০৪১ সালে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ হবে। আমরা য‌দি সবাই মিলে কাজ ক‌রি ২০৩০ এর মধ্যে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ হবে। কিন্তু যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না তারা ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।’

তি‌নি আরও বলেন, ‘নির্বাচন আসলে বিএনপি নির্বাচন নি‌য়ে ষড়যন্ত্র করে। তাই ভোটকেন্দ্র পর্যায়ে আমাদের সংগ‌ঠিত থাকতে হবে। যাতে ওরা ভোট নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র করতে না পারে।’

কা‌শিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপ‌তি মো. মোক্তার হোসেনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠ‌নিক সম্পাদক মির্জা আজম এম‌পি, এসএম কামাল হোসেন, সংর‌ক্ষিত নারী আসনের এম‌পি না‌র্গিস রহমান, গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চৌধুরী এমদাদুল হক, সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খানও বক্তব্য রা‌খেন। সঞ্চালণায় ছিলেন, উপ‌জেলা আওয়ামী লী‌গের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর আলম।

সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বে মো. মোক্তার হোসেনকে সভাপ‌তি ও কাজী জাহাঙ্গীর আলমকে সাধারণ সম্পাদক করে নতুন ক‌মি‌টি ঘোষণা করেন শেখ ফজলুল ক‌রিম সে‌লিম।

এর আগে সকাল থে‌কে কা‌শিয়ানী উপ‌জেলা প‌রিষদ মাঠের সম্মেলনস্থলে বি‌ভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থে‌কে নেতা-কর্মীরা মি‌ছিল নিয়ে আসেন। সম্মেলন শুরুর আগেই মাঠ কানায়-কানায় ভরে যায়। নেতা-কর্মীরা আশপা‌শের সড়কেও অবস্থান নেন।

আরও পড়ুন:
আ.লীগের সম্মেলনে টোকাই কোত্থেকে আনছেন, স্বপনের প্রশ্ন
‘বিএনপিকে সুযোগ দিতে এগোনো হয়েছে ছাত্রলীগের সম্মেলন’
তত্ত্বাবধায়ক ছাড়াই ভোটে আসবে বিএনপি: কাদের
পিরোজপুরে ৭ বছর পর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন
তাজউদ্দীনকন্যা রিমি আ.লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য

মন্তব্য

p
উপরে