× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
If I hadnt climbed the bridge I would have gone to Kailja Faita Moirai
hear-news
player
print-icon

‘বিরিজে না উঠলে কইলজা ফাইট্যা মইরাই যাইতাম’

বিরিজে-না-উঠলে-কইলজা-ফাইট্যা-মইরাই-যাইতাম
পদ্মা সেতুতে উঠছেন উৎসুক জনতা। ছবি: নিউজবাংলা
‘আমরা যহন দেখলাম একটা দুইডা গাড়ি যাইতাছে, তখনই ঠিক করলাম যেমনেই হোক বিরিজে উঠমু। আমরা তারের বেড়ার উপর দিয়া বিরিজে উঠলাম। বহুত মজা করছি, ভাবছিলাম ওই পাড় যামুগা। কিন্তু অর্ধেক বিরিজে যাওয়ার পর র‌্যাব পুলিশ আইসা লাঠি দিয়া মাইর শুরু করল। এমন মাইর দিছে শরীর ফুলাইয়া ফেলছে। মাইর খাইলে খাইছি কোনো সমস্যা নাই, বিরিজে তো উঠছি। আইজকা বিরিজে না উঠলে কইলজা ফাইট্যা মইরাই যাইতাম।’

নিয়ম ভেঙে উৎসাহী জনতা পদ্মা সেতুতে উঠে অবশেষে নামল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পিটুনি খেয়ে। তবে পিটুনি খেয়েও আক্ষেপ নেই বলে জানান একজন। বলেছেন, তিনি সেতুতে উঠতে না পারলে দম ফেটে মরে যেতেন।

অনুমতি না থাকলেও প্রধানমন্ত্রী সেতু উদ্বোধন করার পর বেলা ১টার দিকে মাওয়া প্রান্তে অসংখ্য মানুষ ঢুকে পড়ে সেতুতে। পরে প্রায় এক ঘণ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। উৎসুক সাধারণদের সেতু থেকে নামানোর জন্য লাঠিপেটাও করেন তারা।

প্রধানমন্ত্রী সেতু পার হওয়ার পর আওয়ামী লীগ নেতাদের বহনকারী কিছু বাসও পার হয়। বেলা ১টার দিকে সেতুর উল্টো পথের মুখ থেকে পুলিশ পাহারা কিছুক্ষণের জন্য শিথিল হয়ে পড়ে। এই সুযোগে বেশ কিছু মোটরসাইকেল ও কয়েকটি মাইক্রোবাস সেতুতে উঠে পড়ে।

এর সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা বেষ্টনী টপকে, কোথাও ভেঙে, আবার কোথাও বেষ্টনীর নিচের মাটি সরিয়ে উৎসুক সাধারণ মানুষ সেতুতে ঢুকে পড়েন। মাওয়া প্রান্ত থেকে জাজিরা প্রান্তের দিকে ছুটতে থাকেন তারা। একই সময়ে সেতুতে উঠে সেলফি তোলা, ভিডিও ধারণ থেকে শুরু করে মাওয়া প্রান্তের ইলিশ ফোয়ারায় নেমে হাত-মুখ ধোয়া শুরু করেন তারা।

তাৎক্ষণিকভাবে অনেকে ভেবেছিলেন, সেতু বুঝি খুলে দিয়েছে সরকার। এমন বিভ্রান্তিতে পড়ে খাবার ও খেলনা বিক্রি করতেও সেতুতে উঠে পড়েন হকাররা।

তবে কিছুক্ষণের মধ্যে পরিস্থিতি সামাল দিতে একযোগে কাজ শুরু করে র‌্যাব, পুলিশ, ও সেনাবাহিনী। তারা সেতু থেকে বাহন ও মানুষ নামাতে লাঠিচার্জও করে। বাহিনীর সদস্যদের প্রতিরোধের মুখে ফিরে আসে উৎসুক জনতা ও বাহনগুলো।

‘বিরিজে না উঠলে কইলজা ফাইট্যা মইরাই যাইতাম’

অতি উৎসাহী হয়ে পদ্মা সেতুতে চড়ে মার খেয়ে ফিরেছেন মিন্টু ও তার বন্ধুরা।

নিউজবাংলাকে মিন্টু বলেন, ‘আমরা যহন দেখলাম একটা দুইডা গাড়ি যাইতাছে, তখনই ঠিক করলাম যেমনেই হোক বিরিজে উঠমু। আমরা তারের বেড়ার উপর দিয়া বিরিজে উঠলাম। বহুত মজা করছি, ভাবছিলাম ওই পাড় যামুগা। কিন্তু অর্ধেক বিরিজে যাওয়ার পর র‌্যাব পুলিশ আইসা লাঠি দিয়া মাইর শুরু করল। এমন মাইর দিছে শরীর ফুলাইয়া ফেলছে।

‘মাইর খাইলে খাইছি কোনো সমস্যা নাই, বিরিজে তো উঠছি। আইজকা বিরিজে না উঠলে কইলজা ফাইট্যা মইরাই যাইতাম।’

উজ্জ্বল নামের আরেক মধ্যবয়সীকে দেখা গেল গায়ের জামা ফেলে দিয়ে বেষ্টনির নিচ দিয়ে সেতু এলাকা থেকে বরিয়ে আসছেন। আক্ষেপ নিয়ে তিনি বলেন, ‘খালি শেখের বেটি বিরিজে উঠব আমরা উঠব না? সবার দেখাদেখি শখ কইরা গেলাম বিরিজে, পুলিশ পিটাইয়া লাল কইরা দিল। কামডা ঠিক করল না।’

জামাল নামের এক যুবক ঘটনার শুরুর দিকেই সেতুর বেষ্টনী টপকে ওপরে উঠে পড়েন। তিনি বলেন, “আমি ব্রিজে উঠে দেখি মাওয়ার দিক উল্টা রাস্তায় থেকে একটা মোটরসাইকেল আসতেছে। ওই লোক একা ছিল। আমি তারে সিগন্যাল দিয়ে থামায়া বললাম, ‘ভাই ব্রিজ পার হইতেছেন, আমারেও নিয়া যান’।

‘আমাদের আগে প্রথম একটা মোটরসাইকেল গেছে, পরেরটাতেই আমি ছিলাম। আমরা দুইজন কথা বলতে বলতে ব্রিজ থেকে নামব, তার আগেই আমাগো র‌্যাব-পুলিশ আটকায়া জিগাইল, কই যাই। ড্রাইভার ভাই কইল, ঘুরতে আইছি।’

‘অমনি লাঠি দিয়ে বাড়ি দিল আর আমরা মোটরসাইকেল ঘুরায়া আবার আইসা পরলাম। আমি মোটরসাইকেলওয়ালা ভাইরে জিগাইছিলাম ব্রিজ খুইলা দিছে নাকি। উনি কয় জানি না, ফাঁকা পাইয়া আইসা পরছি।’

‘বিরিজে না উঠলে কইলজা ফাইট্যা মইরাই যাইতাম’

পদ্মা সেতুর উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হঠাৎ করে সেতুর সীমানা প্রাচীর টপকে মানুষ ঢুকে পড়ে। আমরা অল্প সময়ের মধ্যেই সেই ক্রাউড কন্ট্রোল করি।’

সেতুতে উল্টোপথে মোটর সাইকেল ও গাড়ি কীভাবে উঠল- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সেতুতে গাড়ি বা মোটরসাইকেল উঠেছে কি না এ বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।’

র‌্যাব ১১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভীর মোহম্মদ পাশা এ বিষয়ে বলেন, ‘সেতুতে গাড়ি ও মোটরসাইকেল কীভাবে উঠল, সে বিষয়ে আমার কাছে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য নেই। আমাদের সেতুর মব কন্ট্রোল করতে বলা হয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে দুই প্রান্ত থেকে আমরা অ্যাপ্রোচ নিয়ে মব কন্ট্রোল করি। গাড়ি মোটরসাইকেল বা মানুষ কোনোটিকেই আমরা সেতু অতিক্রম করতে দেইনি।’

আরও পড়ুন:
ঝিনাইদহে পদ্মা সেতুর আদলে প্রতীকী পদ্মা সেতু
‘পদ্মা সেতু আমার লাগবে আপনার লাগবে’
পদ্মা সেতু হয়েছে কি না দেখে যান: খালেদাকে প্রধানমন্ত্রী
কেক কেটে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উদযাপন টাইগারদের
পদ্মা সেতুর উদ্বোধনে চবিতে উচ্ছ্বাস, শোভাযাত্রা-মিষ্টি বিতরণ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Today is cat day

তুলতুলে বিড়ালকে বাড়তি ভালোবাসার দিন আজ

তুলতুলে বিড়ালকে বাড়তি ভালোবাসার দিন আজ
আন্তর্জাতিক বিড়াল দিবসে বিড়াল বাড়তি আদরযত্ন চাইতেই পারে। তবে বছরের বাকি দিনও যে ওদের নয়, সেটা ভাবার কোনো কারণ নেই। আপনি না চাইলেও পোষা বিড়াল ঠিকই জানে কোন কৌশলে আপনার মনোযোগ কেড়ে নিতে হয়। 

ঘরে পোষ মানানো কিংবা অনাহূত যে ধরনের বিড়ালই হোক, আজ তাদের একটু আলাদা রকমের যত্নআত্তি নিন। একটু বিশেষ খেয়াল রাখুন ওদের সুবিধা-অসুবিধার দিকে। কারণ আজ ৮ আগস্ট, আন্তর্জাতিক বিড়াল দিবস।

গ্রহের যেসব প্রাণী দীর্ঘকাল ধরে মানুষের নিবিড় সান্নিধ্য পেয়ে আসছে, তাদের একেবারেই সামনের সারিতে আছে বিড়াল। তুলতুলে, অনুসন্ধিৎসু, আদুরে আর মুডি এই প্রাণীকে ভালোবাসেন না এমন মানুষ আছে খুবই কম।

আজকের দিনে বিড়ালকে বাড়তি খুশি করতে চাইলে এখনই ছুটতে পারেন পেট শপে। বিদ্যুৎ সংকটে রাত ৮টায় দোকান বন্ধ হওয়ার আগেই কিনে আনতে পারেন তুলতুলে বিছানা বা দারুণ কোনো খেলনা। সঙ্গে বিড়ালের পছন্দের খাবার।

ধারণা করা হয়, বিশ্বে নানা প্রজাতির প্রায় ৫০ লাখ বিড়াল আছে। মাংসাশী এই তুলতুলে প্রাণীকে ভালোবেসে ঘরে জায়গা দিয়েছে সারা দুনিয়ার মানুষ, যদিও এগুলোর আদি বাস আফ্রিকায়।

বিড়াল সম্পর্কে প্রথম ঐতিহাসিক রেকর্ড প্রাচীন মিসরীয় সভ্যতার সংস্কৃতিতে পাওয়া যায়। মিসরীয়রা বিড়ালকে দেবতা মানত, পূজা করত।

মাফডেট নামে এক বিড়াল দেবতাকে সে সময়কার মিসরীয়রা সাপ, বিচ্ছু এবং খারাপ কিছুর বিরুদ্ধে রক্ষক হিসেবে মনে করত।

তুলতুলে বিড়ালকে বাড়তি ভালোবাসার দিন আজ
মাফডেট নামে এই বিড়াল দেবতাকে মিশরীয়রা এক সময় পূজা করত। ছবি: সংগৃহীত

মিসরীয় রাজবংশের পতন হলেও বিড়াল ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে বিশ্বব্যাপী। গ্রিক এবং রোমানরা কীটপতঙ্গ থেকে রক্ষা পেতে পুষত বিড়াল। প্রাচ্যে মূলত ধনী ব্যক্তিরা বাড়িতে বিড়াল রাখতেন।

মধ্যযুগে বিড়াল নিয়ে নানা কুসংস্কার ছড়িয়ে পড়ে ইউরোপে। ১৩৪৮ সালে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া ব্ল্যাক ডেথের বাহক হিসেবে বিবেচনা করা হতো বিড়ালকে। এ কারণেই সেই যুগে বিড়াল হত্যা অনেক বেড়ে যায়। তবে ১৬০০ দশকের পর বদলাতে থাকে দৃষ্টিভঙ্গি।

আমেরিকায় পোকামাকড় এবং রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য ঔপনিবেশিক জাহাজে বিড়ালের দেখা মিলত। আধুনিক সমাজে এখন বিড়াল পোষা রীতিমতো শখে পরিণত হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর এনিমেল ওয়েলফেয়ার নামে একটি সংগঠন ২০০২ সাল থেকে আগস্টের প্রথম সোমবার অর্থাৎ আজকের দিনটিতে বিড়ালদের ছুটিও ঘোষণা করেছে।

আন্তর্জাতিক বিড়াল দিবসে তাই বিড়াল বাড়তি আদরযত্ন চাইতেই পারে। তবে বছরের বাকি দিনও যে ওদের নয়, সেটা ভাবার কোনো কারণ নেই। আপনি না চাইলেও পোষা বিড়াল ঠিকই জানে কোন কৌশলে আপনার মনোযোগ কেড়ে নিতে হয়।

আরও পড়ুন:
সানসেটে আটকা পড়া বিড়াল উদ্ধার যেভাবে
বিড়াল বাঁচাতে এলো ফায়ার সার্ভিস
মুরগি চুরির অপরাধে আটক, পরে মুক্তি
লাউয়াছড়ায় মা হারা তিন বনবিড়াল শাবকের মৃত্যু
তিন যুবক বাঁচালেন বিরল বনবিড়ালের ৫ ছানা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Fifty years later the monument got a mass grave

পঞ্চাশ বছর পর স্মৃতিস্তম্ভ পেল গণকবর

পঞ্চাশ বছর পর স্মৃতিস্তম্ভ পেল গণকবর
এসপি ফরিদ উদ্দিন বলেন, ‘দেশের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গণকবর সংরক্ষণ এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে এ স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন করা হয়েছে।’

সিলেট নগরের রিকাবীবাজার এলাকার পুলিশ লাইনসের ভেতরে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া অনেককে কবর দেয়া হয়েছিল। এতদিন অরক্ষিত অবস্থায় পড়েছিল গণকবরটি। স্বাধীনতার ৫০ বছর পর সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে স্মৃতিস্তম্ভ।

‘স্মৃতি ৭১’ নামের এ স্মৃতিস্তম্ভটি রোববার উদ্বোধন করেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি (উপমহাপরিদর্শক) মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ ও জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন। জেলা পুলিশের উদ্যোগে এটি স্থাপন করা হয়।

এর নকশা করেছেন স্থপতি রাজন দাশ। তিনি বলেন, ‘আবহমানকাল ধরে এ বাংলার মৃত্যুপরবর্তী যে লৌকিকতা চর্চিত হয়ে আসছে, অর্থাৎ মাটির মানুষ মাটিতেই ফিরে যাবে, মাটিতেই রচিত হবে তার কবর, গোর বা সমাধি; সেই সমাধি বা কবরের একটি লোকস্থাপত্যধারা লক্ষ করা যায়। এই গণকবরের ওপর নির্মিত স্থাপত্যধারাটি সেই ধারাতেই অনুপ্রাণিত।’

এসপি ফরিদ উদ্দিন বলেন, ‘দেশের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গণকবর সংরক্ষণ এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে এ স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন করা হয়েছে।’

বীর মুক্তিযােদ্ধা ও স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, মুক্তিযুদ্ধে সিলেটে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে শহীদ বীর মুক্তিযােদ্ধাসহ অসংখ্য মানুষকে গণকবর দেয়া হয় এখানে।

রিকাবীবাজারের পাশের মুন্সিপাড়াসহ শহরের বিভিন্ন এলাকার বীর মুক্তিযােদ্ধা ও সাধারণ মানুষকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী হত্যা করে ফেলে রাখে। তাদের মরদেহ এনে স্বজন ও পরিচিতজনরা পুলিশ লাইনসের ভেতর একটি ডোবায় গণকবর দেন। মুক্তিযুদ্ধের পর পরই গণকবরটি চিহ্নিত করা হয়। কতজনকে এখানে কবর দেয়া হয়েছে, তার সঠিক পরিসংখ্যান কোথাও সংরক্ষিত নেই।

তবে কবর দেয়া আট শহীদের নাম-তথ্য জানিয়েছেন এলাকার মুক্তিযোদ্ধারা। তারা হলেন সহকারী উপপরিদর্শক আবদুল লতিফ, হাবিলদার আবদুর রাজ্জাক, কনস্টেবল মােক্তার আলী, শহর আলী, আবদুস ছালাম, মাে. হানিফ ব্যাপারী, মনিরুজ্জামান ও পরিতােষ কুমার। তারা কোন থানায় ছিলেন তা জানা যায়নি।

এসব পুলিশ সদস্য ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল জিন্দাবাজার এলাকার তৎকালীন ন্যাশনাল ব্যাংকে (বর্তমানে সােনালী ব্যাংক) দায়িত্ব পালন করছিলেন। সেদিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ব্যাংকের টাকা লুটের উদ্দেশ্যে পুলিশ সদস্যদের হত্যা করে। দুদিন পর তাদের পুলিশ লাইনসে কবর দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
বধ্যভূমি থেকে উদ্ধার দেহাবশেষ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন
দীপু মনির জবাবের ‘যোগ্য’ নয় বিএনপি
‘ধর্মের নামে রাজনীতি নিষিদ্ধ না হলে মুক্তি মিলবে না’
ঢাবিতে ‘১৯৭১: অজানা গণহত্যা’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন
‘দেশকে চেনা যায়, এমন আইকনিক স্থাপনা তৈরি হবে’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Approval of 10 percent dividend on Sonali Investments

সোনালী ইনভেস্টমেন্টের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন

সোনালী ইনভেস্টমেন্টের ১০ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন সোনালী ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ১২তম বার্ষিক সাধারণ সভা। ছবি: সংগৃহীত
২০২১ সালের ডিসেম্বরে সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য যে লভ্যাংশের প্রস্তাব করা হয়েছিল, তার মধ্যে ১ শতাংশ নগদ এবং ৯ শতাংশ বোনাস। অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি ১০ পয়সা নগদ দেয়া হবে এবং প্রতি ১০০ শেয়ারে ৯টি দেয়া হবে বোনাস শেয়ার। এই কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নয়।

সোনালী ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সোনালী ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ১২তম বার্ষিক সাধারণ সভায় ২০২১ সালের বার্ষিক হিসাব বিবরণী ও লভ্যাংশের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

সম্প্রতি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় শেয়ারধারীদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন করা হয়। এর মধ্যে ১ শতাংশ নগদ ও ৯ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি ১০ পয়সা নগদ দেয়া হবে এবং প্রতি ১০০ শেয়ারে ৯টি দেয়া হবে বোনাস শেয়ার।

এই কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সোনালী ইনভেস্টমেন্ট এবং সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী।

ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সোনালী ব্যাংকের সিইও অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর আতাউর রহমান প্রধান, সোনালী ইনভেস্টমেন্টের পরিচালক ও সোনালী ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুরশেদুল কবীর, জেনারেল ম্যানেজার সুভাষ চন্দ্র দাস, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব শিহাব উদ্দিন আহমদ এবং সোনালী ইনভেস্টমেন্টের সিইও শওকত জাহান খান।

এ ছাড়া ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিরঞ্জন চন্দ্র দেবনাথ, মো. মজিবর রহমান, সঞ্চিয়া বিনতে আলী ও মো. কামরুজ্জামান খান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Tapas wants to increase Dhaka Singapore partnership

ঢাকা-সিঙ্গাপুর অংশীদারত্ব বাড়াতে চান তাপস

ঢাকা-সিঙ্গাপুর অংশীদারত্ব বাড়াতে চান তাপস সিঙ্গাপুরের মেরিনা স্যান্ডস্ বে হোটেলে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন ডিএসসিসির মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস ও সিঙ্গাপুরের জাতীয় উন্নয়ন মন্ত্রী ডেসমণ্ড লি। ছবি: সংগৃহীত
সিঙ্গাপুরের মেরিনা স্যান্ডস্ বে হোটেলে ৩১ জুলাই শুরু হয়েছে চার দিনব্যাপী ওয়ার্ল্ড সিটিজ সামিট-২০২২। সামিটে বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, দক্ষিণ আফ্রিকাসহ ৬০ দেশের মেয়ররা অংশ নিচ্ছেন।

পর্যটনশিল্পের বিকাশ ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে ঢাকা ও সিঙ্গাপুরের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করতে চান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

সিঙ্গাপুরের মেরিনা স্যান্ডস্ বে হোটেলে চার দিনব্যাপী ‘ওয়ার্ল্ড সিটিজ সামিট’-এ অংশ নিচ্ছেন তিনি।

মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরের জাতীয় উন্নয়নমন্ত্রী ও সামাজিক সেবা সমন্বয়করণ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী ডেসমন্ড লির সঙ্গে বৈঠক করেন মেয়র তাপস। সেখানেই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রস্তাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিঘাত মোকাবিলা ও শহর ব্যবস্থাপনায় টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি মহাপরিকল্পনা প্রণয়নে ঢাকার উদ্যোগকে অত্যন্ত প্রশংসনীয় উল্লেখ করে সিঙ্গাপুরের মন্ত্রী ডেসমন্ড লি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব কাটিয়ে ওঠার পাশাপাশি জলবায়ু অভিঘাত সহনশীল ও আধুনিক নগরী হিসেবে ঢাকা গড়ে উঠবে বলে আশাবাদী।’

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও সামষ্টিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন তিনি।

বৈঠকে পর্যটনশিল্পের বিকাশ ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে ঢাকা ও সিঙ্গাপুরের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে অভিমত দেন দুই নেতা। ঢাকা-সিঙ্গাপুর বাণিজ্য বাড়াতেও তারা আলোচনা করেন।

মেয়র তাপস পরে জাপানের ফুকুওকা শহরের মেয়র সোইচিরো তাকাসিমার সঙ্গে পৃথক বৈঠকে মিলিত হন।

বৈঠকে দুই মেয়র নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলাপ করেন। ফুকুওকার মেয়র বর্জ্য হতে বিদ্যুৎ ও সার উৎপাদনের পাশাপাশি উপজাতসমূহের ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম তুলে ধরেন। পারস্পরিক সম্পর্ক বাড়াতে ফুকুওকার মেয়রকে ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ জানান মেয়র তাপস।

দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ, সিঙ্গাপুরে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. তৌহিদুল ইসলাম ও মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ মারুফুর রশিদ খান উপস্থিত ছিলেন।

গত ৩১ জুলাই সিঙ্গাপুরের মেরিনা স্যান্ডস্ বে হোটেলে চার দিনব্যাপী ওয়ার্ল্ড সিটিজ সামিট-২০২২ শুরু হয়েছে। সামিটে বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, দক্ষিণ আফ্রিকাসহ ৬০ দেশের মেয়ররা অংশ নিচ্ছেন।

আরও পড়ুন:
ডিএসসিসির ৬৭৪১ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন
এডিস নির্মূলে চিরুনি অভিযান
পুরান ঢাকায় হচ্ছে ৫০ ফুট রাস্তা
ঢাকা বিশ্রাম পাচ্ছে, বাতাসের মান ভালো হচ্ছে: মেয়র তাপস

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Daily Bangla and Newsbangla offices inaugurated

দৈনিক বাংলা ও নিউজবাংলার কার্যালয় উদ্বোধন

দৈনিক বাংলা ও নিউজবাংলার কার্যালয় উদ্বোধন রাজধানীর তেজগাঁও লিংক রোডে সোমবার মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে উদ্বোধন করা হয় দৈনিক বাংলা ও নিউজবাংলার কার্যালয়। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা
মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে সোমবার দুপুরে ভবনটি উদ্বোধন করা হয়। শোকাবহ আগস্টের প্রথম দিনে আয়োজিত মিলাদ মাহফিলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের নিহত সদস্যদের জন্য দোয়া করা হয়।

রাজধানীর তেজগাঁও লিংক রোডে প্রকাশিতব্য দৈনিক বাংলা পত্রিকা এবং অনলাইন সংবাদমাধ্যম নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের যৌথ কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়েছে। মিলাদ মাহফিলের মাধ্যমে সোমবার দুপুরে ভবনটি উদ্বোধন করা হয়।

শোকাবহ আগস্টের প্রথম দিনে আয়োজিত মিলাদ মাহফিলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের নিহত সদস্যদের জন্য দোয়া করা হয়।

দৈনিক বাংলা ও নিউজবাংলার কার্যালয় উদ্বোধন
দৈনিক বাংলা ও নিউজবাংলার কার্যালয় ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি চৌধুরী নাফিজ সরাফাত। ছবি: নিউজবাংলা

ভবন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের উপদেষ্টা সম্পাদক এবং দৈনিক বাংলা লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার, সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি চৌধুরী নাফিজ সরাফাত, প্রকাশক শাহনুল হাসান খান, দৈনিক বাংলার নির্বাহী সম্পাদক শরিফুজ্জামান পিন্টু এবং নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের নির্বাহী সম্পাদক হাসান ইমাম রুবেল বক্তব্য রাখেন।

দুই প্রতিষ্ঠানের সাংবাদিকদের উদ্দেশে মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, অনলাইন নিউজপোর্টাল হিসেবে নিউজবাংলা ইতোমধ্যে পাঠকের কাছে গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। দৈনিক বাংলা পত্রিকাও দেশের সাংবাদিকতাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেবে। তিনি দায়িত্বশীল ও সাহসী সাংবাদিকতার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন এবং এটির বিকাশে বিনিয়োগকারী হিসেবে সব রকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

তিনি বলেন, ‘নিউজবাংলা আজকে একটা ভালো জায়গায় গিয়েছে। দৈনিক বাংলার কুঁড়ি এসেছে মাত্র, ফুল এখনও ফোটেনি। আমরা দীর্ঘদিন ধরে এটার পেছনে লেগে আছি। ইনশাআল্লাহ আমরা বড় আকারে এগিয়ে যাব।’

সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘আগস্ট মাস শোকের মাস। এ জন্য আমরা এই ভবন উদ্বোধনের জন্য মিলাদের আয়োজন করেছি।’

দৈনিক বাংলা ও নিউজবাংলার কার্যালয় উদ্বোধন
দৈনিক বাংলা ও নিউজবাংলার কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দৈনিক বাংলার নির্বাহী সম্পাদক শরিফুজ্জামান পিন্টু ছবি: নিউজবাংলা

তিনি বলেন, ‘দুই বছর ধরে আমরা নিউজবাংলা ও দৈনিক বাংলা নিয়ে কাজ করছি। নিউজবাংলা ইতোমধ্যে একটা ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। অনেকে নিউজবাংলাকে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করছে।

‘আমাদের টিম প্রতিষ্ঠার পেছনে অনেক শ্রম ব্যয় হয়েছে। অনেকে অনেক কিছুতে বায়াসড হয়ে যায়। আমরা কোনো কিছুতেই ইন্টারফেয়ার করি না। যেটা সঠিক নিউজ মনে হবে, সেটা আপনারা করবেন। আমরা এভাবেই কাজ করতে উৎসাহ দিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘পত্রিকাটা আপনাদের, আপনাদেরই চালাতে হবে। সুনামটা ধরে রাখতে হবে। দৈনিক বাংলার একটা নস্টালজিক ব্যাপার আছে, সেটা মানুষের কাছে যাতে নিয়ে যেতে পারি, এটা আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে।’

দৈনিক বাংলা ও নিউজবাংলার কার্যালয় উদ্বোধন
দৈনিক বাংলা ও নিউজবাংলার কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে নিউজবাংলা টোয়েন্টিফোর ডটকমের নির্বাহী সম্পাদক হাসান ইমাম রুবেল । ছবি: নিউজবাংলা

প্রকাশক শাহনুল হাসান খান বলেন, ‘শোককে শক্তিতে রূপান্তরের প্রত্যয় নিয়ে আমরা শুরু করছি। এখানে দুটো প্রতিষ্ঠান নয়, প্রতিষ্ঠান একটাই। প্রিন্ট মিডিয়ার ক্ষেত্রে দৈনিক বাংলা, অনলাইন মিডিয়ার ক্ষেত্রে নিউজবাংলা, যেটা অলরেডি প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ড। নিউজবাংলা তার কর্মকাণ্ডে মার্কেটে সুনাম প্রতিষ্ঠা করেছে। যেটার জন্য আমরা গর্বিত। আশা করি সামনে আরও ভালো হবে।’

নিউজবাংলার নির্বাহী সম্পাদক হাসান ইমাম রুবেল বলেন, ‘বাংলাদেশের জন্মের সঙ্গে, বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে দৈনিক বাংলা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সেই রকম একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে থাকতে পারার যে গৌরব, তা আমরা প্রত্যেকে অনুভব করি। আমরা যতক্ষণ পর্যন্ত এই গৌরব নিবিড়ভাবে অনুভব করতে পারব, ততক্ষণ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি সারা বাংলাদেশে যে মর্যাদা নিয়ে ছিল, সেই মর্যাদার জায়গায় আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারব।’

দৈনিক বাংলা ও নিউজবাংলার কার্যালয় উদ্বোধন
দৈনিক বাংলা ও নিউজবাংলার কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দুই প্রতিষ্ঠানের সংবাদকর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা

তিনি বলেন, ‘পৌনে দুই বছর ধরে নিউজবাংলা সংবাদ পরিবেশন করছে। এক দিনের জন্যও আমাদের উদ্যোক্তারা সম্পাদকীয় নীতিমালায় কোনো হস্তক্ষেপ করেননি। তারা চেয়েছেন স্বাধীন একটি সম্পাদকীয় নীতিমালা এবং পেশাজীবী সাংবাদিকদের দ্বারা পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান।’

দৈনিক বাংলার নির্বাহী সম্পাদক শরিফুজ্জামান পিন্টু বলেন, ‘দুই প্রতিষ্ঠানের একই মালিক, একই সম্পাদক- আমরা একসঙ্গে কাজ করব। সেই কাজের শপথ, প্রত্যাশা আজ থেকে শুরু হলো।’

মিলাদ মাহফিলে স্ট্র্যাটেজিক হোল্ডিংসের সিইও-১ এহসানুল কবির, সিইও-২ শরিফুল ইসলাম, চিফ মার্কেটিং অফিসার রিয়াদুজ্জামান হৃদয়, নিউজবাংলার বার্তা বিভাগের প্রধান সঞ্জয় দে, প্রধান বার্তা সম্পাদক ওয়াসেক বিল্লাহসহ নিউজবাংলা ও দৈনিক বাংলার সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
নিউজবাংলার কার্যালয়ে আইসিপিসির প্রধান
নিউজবাংলাকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান ড. নাফিজ সরাফাতের
পড়ার পাশাপাশি শোনাও যাবে নিউজবাংলার খবর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Lankan Alliance Workshop

লঙ্কান অ্যালায়েন্সের কর্মশালা

লঙ্কান অ্যালায়েন্সের কর্মশালা এলএএফএল কর্মীরা গুলশানের প্রধান কার্যালয়ে কর্মশালায় অংশ নেন। ছবি: সংগৃহীত
লঙ্কান অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের কর্মীদের জন্য ‘টেকসই আর্থিক এবং পরিবেশগত এবং সামাজিক কারণে পরিশ্রম’ বিষয়ে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

লঙ্কান অ্যালায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেড (এলএএফএল) সম্প্রতি টেকসই অর্থনীতি নিয়ে কর্মশালা করেছে।

রাজধানীর গুলশানে প্রধান কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের জন্য ‘টেকসই আর্থিক এবং পরিবেশগত এবং সামাজিক কারণে পরিশ্রম’ বিষয়ে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

কর্মশালায় প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স বিভাগের পরিচালক খোন্দকার মোর্শেদ মিল্লাত।

মঙ্গলবার এলএএফএলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

কর্মশালায় এলএএফএলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কান্তি কুমার সাহা, হেড অব বিজনেস শাহানুর রশীদ, সিএফও উইশবা উইকারামারাচ্চি এবং অন্যান্য সিনিয়র ও জুনিয়র এক্সিকিউটিভরা অংশ নেন।

আরও পড়ুন:
বিএফআইইউ প্রধানের সঙ্গে এলএএফএল সিইওর সাক্ষাৎ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Cyber ​​Digital Transformation Summit held

সাইবার ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন সামিট অনুষ্ঠিত

সাইবার ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন সামিট অনুষ্ঠিত সাইবার সামিটে উপস্থিত সাইবার সিকিউরিটি প্রফেশনালসরা। ছবি: সংগৃহীত
সামিটে সাইবার ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন সম্পর্কিত আটটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন দেশ এবং বিদেশের সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞরা।

‘ইমাজিং স্ট্রংগার টু রিডিউস সাইবার রিস্ক ইন দ্যা এজ অফ ফোর্থ আইআর’ এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ‘সাইবার ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন সামিট ২০২২’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সম্প্রতি বনানীর একটি হোটেলে এ সামিট অনুষ্ঠিত হয়।

সামিটে সাইবার ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন সম্পর্কিত আটটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন দেশ এবং বিদেশের সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞরা।

ইনফরমেশন সিস্টেম সিকিউরিটি অ্যাসোসিয়েশন (আইএসএসএ) দিনব্যাপী এই সামিটের আয়োজন করে।

প্রায় ১০০ প্রফেশনাল সামিটে অংশ নিয়ে সাইবার সিকিউরিটির বেশ কিছু দিক তুলে ধরেন।

সামিটে অংশ নেয়ার মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এসব প্রফেশনালদের সাইবার সিকিউরিটি বিষয়ক অ্যাওয়ারন্যাস এবং সাইবার রেসিলেন্স সংক্রান্ত জ্ঞানের পরিধি বাড়বে বলে জানায় আয়োজক আইএসএসএ।

উদ্বোধনে সামিটের আয়োজক আইএসএসএ বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট মারুফ আহমেদ বাংলাদেশে সাইবার ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের বাস্তবতায় সাইবার সিকিউরিটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। তবে বিশ্বব্যাপী সাইবার সিকিউরিটি অ্যাওয়ারনেস এবং সাইবার রেসিলেন্স সংক্রান্ত জ্ঞান প্রতিমুহূর্তে আপডেট হচ্ছে। এই আপডেট জ্ঞান ও তথ্য আমাদের দেশের সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে যারা কাজ করছে তাদের কাছে পৌঁছে দিতে আইএসএসএ এই সামিট আয়োজন করেছে।’

বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কমিশনার মো. আবদুল হালিম, অ্যাসোসিয়েশন অফ ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি)-এর চেয়ারম্যান সেলিম আর এফ হুসাইনসহ অনেক।

আরও পড়ুন:
‘সাইবার ঝুঁকি মোকাবিলায় নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে’
সাইবার সিকিউরিটিতে ব্যাচেলর ডিগ্রি চান পলক
সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ হতে চান?

মন্তব্য

p
উপরে