× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
A huge German hammer is used in piling in Padma
hear-news
player
print-icon

পদ্মায় পাইলিংয়ে লেগেছে বিপুল শক্তির জার্মান হ্যামার

পদ্মায়-পাইলিংয়ে-লেগেছে-বিপুল-শক্তির-জার্মান-হ্যামার
পদ্মায় পাইলিংয়ে বিপুল শক্তির জার্মান হ্যামার ব্যবহার করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
জার্মানির মিউনিখে তৈরি করা হয় সেই হ্যামার। ২০১৭ সালের ২৭ এপ্রিল নেদারল্যান্ডসে পোর্ট অফ রটারড্যাম থেকে রওনা হয়ে হ্যামারটি মাওয়া প্রান্তে পৌঁছায় ৫ জুন।

দুর্নীতিচেষ্টার ভিত্তিহীন অভিযোগে বিশ্বব্যাংকের সরে দাঁড়ানো, রাজনৈতিক বাদানুবাদ পেরিয়ে পদ্মা সেতু নির্মাণের শুরুতেই সামনে আসে প্রমত্তা পদ্মাকে নিয়ন্ত্রণে আনার চ্যালেঞ্জ।

২০১৫ সালের শেষ দিকে সেতুর ৬ ও ৭ নম্বর পিলারের পাইলিংয়ের কাজ শুরু হয়। তিনটি করে ছয়টি পাইলের নিচের দিকে কাজ করতে গিয়ে হিমশিম খেয়েছেন প্রকৌশলীরা। এর প্রধান কারণ নদীর তলদেশে নরম মাটির স্তর।

তখন ওই দুটি পিলারের ছয়টি পাইলের ওপরের কাজ বন্ধ রাখা হয়। পরে আরও ২১টি পিলারের পাইলিংয়ের সময় তলদেশে কাদামাটি পাওয়া যায়। নদীর তলদেশে পাথর না থাকায় পাইলিংয়ের কাজ ছিল বিশাল চ্যালেঞ্জ।

ফলে নকশা বদলে পাইলিংয়ের উপরিভাগে করতে হয়েছে স্ক্রিন গ্রাউটিং। স্ক্রিন গ্রাউটিং বা অতিমিহি সিমেন্টের স্তরের মাধ্যমে পাইলের উপরিভাগে ওজন বহনের ক্ষমতা বাড়ানো হয়।

পিলার নির্মাণ করতে গিয়ে ৯৮ থেকে ১২২ মিটার গভীর পর্যন্ত পাইলিং করতে হয়েছে। পৃথিবীতে আর কোনো সেতু নির্মাণে এতটা গভীর পাইলিং করতে হয়নি। ফলে এটি একটি বিশ্বরেকর্ড।

পদ্মা সেতুর পাইলগুলোও তিন মিটার ব্যাসার্ধের। অন্য কোনো সেতুর পাইলের ব্যাসার্ধ এত নয়। পদ্মা সেতুর প্রতিটি পাইল ৫০ মিলিমিটার পুরু স্টিলের পাইপে মোড়া।

আর এ কাজটি করার জন্যই হাইড্রোলিক হ্যামারের প্রয়োজন দেখা দেয় সেতু নির্মাণে। জার্মানির মিউনিখে তৈরি করা হয় সেই হ্যামার। ২০১৭ সালের ২৭ এপ্রিল নেদারল্যান্ডসে পোর্ট অফ রটারড্যাম থেকে রওনা হয়ে হ্যামারটি মাওয়া প্রান্তে পৌঁছায় ৫ জুন।

৩৮০ টন ওজনের হ্যামারটি সর্বোচ্চ শক্তি তিন হাজার কিলোজুল। এর সাহায্যে পিটিয়ে পাইলের স্টিলের পাইপগুলো নদীতে পোঁতা হয়।

ওই সময় পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মো. আবদুল কাদের সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, এটি বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী হাইড্রো হ্যামার।

মিউনিখ থেকে আনার আগে পদ্মা সেতুতে আরও দুটি হ্যামার ব্যবহার করা হচ্ছিল। সেগুলোর শক্তি ২০০০ এবং ২৪০০ কিলোজুল।

পদ্মায় জার্মান হ্যামারটি আসার ঠিক সাত দিন পর, ২০১৭ সালের ১৩ জুন জাজিরা প্রান্তের ৪১ নম্বর পিলারের বাকি থাকা দুটি পাইলিংয়ের কাজে ব্যবহার করা হয়। এরপর ৩৪, ৩৩, ৩২, ৩১ এভাবে পর্যায়ক্রমে মাওয়ার দিকে এগোতে থাকে বিশ্বের শক্তিশালী হ্যামারটি।

পদ্মা সেতুর প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পদ্মা সেতুতে ব্যবহৃত হ্যামারটিও ছিল বিশেষ ধরনের। যমুনাতেও একই কোম্পানির হ্যামার ব্যবহার হয়েছিল, তবে সেটা এত বড় ছিল না। পদ্মায় যেহেতু ডেপথ বেশি, তাই হ্যামারের ক্যাপাসিটিও বেশি লেগেছে।’

আরও পড়ুন:
দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নিয়ে সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় কুষ্টিয়া অঞ্চল
সেতু উদ্বোধন ও সমাবেশ নিয়ে সতর্ক নিরাপত্তা বাহিনী
‘শেষ ফেরি’তে শেষ নিঃশ্বাস
পদ্মায় প্রধানমন্ত্রীর জন্য প্রস্তুত ‘পরিদর্শন’
‘অর্থায়ন নিয়ে বিচলিত ছিলেন না জামিলুর রেজা চৌধুরী’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Bus wheels are not turning on Mymensingh Sylhet route for 9 days

ময়মনসিংহ-সিলেট রুটে বাসের চাকা ঘুরছে না ৯ দিন

ময়মনসিংহ-সিলেট রুটে বাসের চাকা ঘুরছে না ৯ দিন
ময়মনসিংহ শহরে সিলেটের শাহজালাল পরিবহনের ম্যানেজার মো. মমিনুল ইসলাম মানিক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ময়মনসিংহ থেকে বাসগুলো নেত্রকোণা ও কিশোরগঞ্জ পর্যন্ত যেতে পারলেও গত ৯ দিন ধরে সিলেটে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না সিলেট মালিক সমিতি।’

ঘোষণা ছাড়াই ময়মনসিংহ-সিলেট রুটে ৯ দিন ধরে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে সিলেটের পরিবহন মালিক সমিতি। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে যাত্রীরা।

তাদের অভিযোগ, নিজেদের স্বার্থে পরিবহন মালিকরা বাস বন্ধ করে দিয়েছেন।

ময়মনসিংহ শহরে সিলেটের শাহজালাল কাউন্টারের সামনে বুধবার সন্ধ্যায় কথা হয় সাইদুল ইসলাম নামে সিলেটগামী এক যাত্রীর সঙ্গে।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘ঘোষণা ছাড়াই এভাবে বাস বন্ধ করে দেয়ার কোনো মানে হয় না। আগে থেকে বাস বন্ধের নির্দেশনা আসলে আমরা জানতে পারতাম। কাউন্টারে গিয়ে টিকিট না পেয়ে ফিরে আসতে হতো না।’

নুরজাহান খাতুন নামে আরে যাত্রী বলেন, ‘আমাদের কথা পরিবহন মালিকরা চিন্তা করেন না। যখন ইচ্ছে বাস বন্ধ করে দেয়, আবার যখন ইচ্ছে বাস চলাচল স্বাভাবিক করে।’

ময়মনসিংহ শহরে সিলেটের শাহজালাল পরিবহনের ম্যানেজার মো. মমিনুল ইসলাম মানিক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ময়মনসিংহ থেকে বাসগুলো নেত্রকোণা ও কিশোরগঞ্জ পর্যন্ত যেতে পারলেও গত ৯ দিন ধরে সিলেটে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না সিলেট মালিক সমিতি।

‘এতে যে শুধুমাত্র যাত্রীরাই ভোগান্তিতে পড়েছে তা নয়। সিলেটগামী বাসের চালক, শ্রমিক ও কাউন্টারের ম্যানেজাররা বেকার হয়ে পড়েছেন। ফলে তারা তাদের সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘মালিকপক্ষ সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তারা বিভিন্ন সড়কে একাধিক গাড়ি চালিয়ে ক্ষতি পুষিয়ে নিচ্ছেন। কিন্তু আমরা আমাদের মতো শ্রমিকরা ধারদেনা করে পরিবারের ভরণপোষণ করছে। অন্তত যাত্রীসহ আমাদের কথা চিন্তা করে ময়মনসিংহ-সিলেটে বাস চলাচল স্বাভাবিক করা প্রয়োজন।’

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা মোটর মালিক সমিতির মহাসচিব মো. মাহবুবুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দফায় দফায় সিলেট ও নেত্রকোণা মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে কথা বলছি। কিন্তু এতোদিন আশানুরূপ ফল পাওয়া যায়নি।

‘বুধবার রাতে এ সমস্যা সমাধানে সিলেট মালিক সমিতির নেতারা নিজেরাই আলোচনায় বসেছে। আশা করছি রাতেই মধ্যেই ময়মনসিংহ-সিলেটে বাস চলাচলের সিদ্ধান্ত আসবে।’

বাস বন্ধের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নেত্রকোণা জেলায় চলাচলের জন্য গত ২ আগস্ট সিলেট মালিক সমিতির দুটি বাস নামিয়েছে। কিন্তু নেত্রকোণা মালিক সমিতি এ বাস দুটি চলাচল করতে দিবে না বলে জানায়।

‘কিশোরগঞ্জ মালিক সমিতিও নেত্রকোণা মালিক সমিতির সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সিলেট মালিক সমিতি ময়মনসিংহ-সিলেট সড়কে তাদের সব বাস চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়।’

আরও পড়ুন:
বাসে ডাকাতি-সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: আরও ২ আসামির স্বীকারোক্তি
বাস মালিকদের দাপটে অসহায় সরকারি সংস্থা
বসুমতির সুমতি ফেরাবে কে?
৭ ঘণ্টা পর চালু সাতক্ষীরার বাস
রেমিট্যান্সে ফের উল্লম্ফন, ৭ দিনে ৫ হাজার কোটি টাকা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Attacks on reporting on corruption are an attempt to stifle media TIB

সাংবাদিকদের ওপর হামলা কণ্ঠরোধের অপপ্রয়াস: টিআইবি

সাংবাদিকদের ওপর হামলা কণ্ঠরোধের অপপ্রয়াস: টিআইবি
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘দুর্নীতির তথ্য উদঘাটন ও প্রকাশের জন্য সাংবাদিকদের ওপর ধারাবাহিক হামলা কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এতে স্পষ্ট যে দুর্নীতিবাজরা কতটা বেপরোয়া, ক্ষমতাধর এবং সংঘবদ্ধ। তারা কোনো না কোনো প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় তারা সুরক্ষা ও দায়মুক্তি পেয়ে থাকে।’

দেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকরা ধারাবাহিকভাবে হামলার শিকার হওয়ার উল্লেখ করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে টিআইবি বলেছে, ক্ষমতার অপব্যবহার, হামলা ও বিচারহীনতার মাধ্যমে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের চলমান প্রক্রিয়া শঙ্কাজনক অপপ্রয়াসের অব্যাহত প্রবণতা। এসব ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কিছু পদক্ষেপ নেয়া হলেও বাস্তবিক অর্থে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিচার শেষ হয় না। এটা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকের সুরক্ষা নিশ্চিতে সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রীয় অঙ্গীকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

সংগঠনটি অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রতিটি ঘটনায় অপরাধীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাংবাদিকদের সুরক্ষায় বিশেষ আইনের দাবি জানিয়েছে।

বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘অর্থ পাচারসহ নানামুখী দুর্নীতির কারণে দেশের মানুষ বহুমুখী সংকট মোকাবিলা করছে। সেই সময়টাতে দুর্নীতির তথ্য উদঘাটন ও প্রকাশের জন্য সাংবাদিকদের ওপর ধারাবাহিক হামলা কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।’

‘সম্প্রতি চিকিৎসা খাতসহ বিভিন্ন জনসেবা প্রদানকারী ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি-অনিয়মের তথ্য সংগ্রহকালে বেশ কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেল ও পত্রিকার সাংবাদিকদের ওপর নৃশংস হামলা হয়েছে। এতে স্পষ্ট যে দুর্নীতিবাজরা কতটা বেপরোয়া, ক্ষমতাধর এবং সংঘবদ্ধ। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তো বটেই, রাষ্ট্রীয় কোনো কর্তৃপক্ষকেই তারা পরোয়া করে না। তারা কোনো না কোনো প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় তারা সুরক্ষা ও দায়মুক্তি পেয়ে থাকে।’

আইন ও শালিস কেন্দ্রের তথ্যসূত্রের উল্লেখ করে ড. জামান বলেন, ‘এ বছরের শুরু থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত অন্তত ১১৯ জন সাংবাদিক নানামুখী হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩৮ জনের ওপর পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে হামলা হয়েছে। আর ১৯ জন প্রকাশিত সংবাদের দায়ে মামলার শিকার হয়েছেন।

‘বিশেষ করে, সম্প্রতি স্বাস্থ্য খাতে দীর্ঘদিন ধরে বিরাজমান অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহকালে ঢাকা ও বরিশালে অন্তত তিনজন টেলিভিশন সাংবাদিকের ওপর সংঘবদ্ধ ভয়াবহ হামলা হয়েছে। আমরা মনে করি, এসব ঘটনা মুক্ত সাংবাদিকতার সাংবিধানিক অঙ্গীকারকে পদদলিত করছে।’

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘বিশ্ব দায়মুক্তি সূচক-২০২১ অনুযায়ী সাংবাদিকদের নিরাপত্তাহীনতায় বাংলাদেশের দশম অবস্থান দেশে সাংবাদিকতার প্রকট ঝুঁকির দৃষ্টান্ত। বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচক-২০২২ অনুযায়ী ১০ ধাপ পিছিয়ে ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের ১৬২তম অবস্থানও প্রমাণ করে যে সাংবাদিকতা এদেশে ধারাবাহিকভাবেই কঠিন হয়ে উঠছে।’

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘সাংবাদিকদের সুরক্ষায় অবিলম্বে বিশেষ আইন প্রণয়ন এবং তা কার্যকর প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ২০১৮ সালে জাতিসংঘের ইউনিভার্সাল পিরিওডিক রিভিউর (ইউপিআর) অধীনে বাংলাদেশের তৃতীয় পর্যালোচনার সময় সরকার সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সম্পর্কিত যে আটটি সুপারিশ সমর্থন করেছিল, সেগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন করতে হবে।

‘অন্যথায় একথা বলা মোটেও অযৌক্তিক হবে না যে, দেশে স্বাধীন সাংবাদিকতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং মুক্ত গণমাধ্যমের প্রচার থাকলেও বাস্তবে প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক উভয় পদ্ধতিতেই গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের সর্বাত্মক অপচেষ্টা চলছে।’

আরও পড়ুন:
টিআইবির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থার পক্ষে তথ্যমন্ত্রী
টিকা সাফল্য, কেনায় স্বচ্ছতার ঘাটতি: টিআইবি
গণমাধ্যম কর্মী বিল নিয়ে টিআইবির বিবৃতিতে ক্ষেপেছেন হাছান
মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে স্বচ্ছতা চায় টিআইবি-টিআইএম
টিআইবি রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহৃত হয়: তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Thousands of families are waterlogged due to fear of crop loss due to heavy rains

ভারী বৃষ্টি, জোয়ারে ফসলহানির শঙ্কা, পানিবন্দি হাজারও পরিবার

ভারী বৃষ্টি, জোয়ারে ফসলহানির শঙ্কা, পানিবন্দি হাজারও পরিবার সাগরে লঘুচাপের ফলে ভারী বৃষ্টি ও জোয়ারে প্লাবিত পিরোজপুরের নিম্নাঞ্চল। ছবি: নিউজবাংলা
সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা শিপন চন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘পানি স্থায়ী না হলে কৃষি ফসলের ক্ষতির তেমন আশঙ্কা নেই। তবে আমান বীজতলা লাগাতে কৃষকদের কিছুটা ভোগান্তি হবে।’

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে টানা কয়েক দিনের বৃষ্টি ও অস্বাভাবিক জোয়ারে তলিয়ে গেছে গেছে উপকূলীয় জেলা পিরোজপুরের নিম্নাঞ্চল। এতে ফসলহানির পাশাপাশি পানিবন্দি হয়ে পড়েছে নদী পাড়ের কয়েক হাজার পরিবার।

এতে মাথায় হাত পড়েছে কৃষকের। তারা বলছেন, আউশের ক্ষেত ও আমনের বীজতলার পাশাপাশি শ শ মাছের ঘেরও ভেসে গেছে। এতে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের।

পিরোজপুর সাগর উপকূলবর্তী হওয়ায় নিম্ন বা লঘুচাপের প্রভাব পড়ে ব্যাপক।

এবার সাগরে লঘুচাপের কারণে টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে এরইমধ্যে দুই থেকে আড়াই ফুট পানিতে তলিয়ে গেছে জেলার নিম্নাঞ্চল।

পিরোজপুরের শারিকতলা, ডুমুরিতলা, ইন্দুরকানী, ভাণ্ডারিয়া এবং মঠবাড়িয়া উপজেলার বেশ কিছু এলাকার নিম্নাঞ্চলে অতি জোয়ারে ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন এসব এলাকার মানুষেরা।

নদীর পাড়ের এলাকা শংকরপাশা ইউনিয়নের ঝনঝনিয়া গ্রামের মো. কাসেম হোসেন বলেন, ‘গতকাল এবং আজ সকাল থেকে যেমন ব্যাপক বৃষ্টি হচ্ছে। এতে ঘরের উঠানে নদীর পানি উঠেছে। বাচ্চাদের নিয়ে চিন্তায় আছি। ওরা তো আর পানি বুঝে না, খেলতে নেমে যায়। তাই চোখে চোখে রাখতে হচ্ছে।’

পাড়েরহাট এলাকার গাজিপুর গ্রামের মনিকা বেগম বলেন, ‘কচা নদীর গাজীপুরের বাঁধ ভেঙে আমাদের এলাকার অনেক বাড়িতে পানি ঢুকে গেছে। তবে জোয়ারে পানি আসলেও ৬-৭ ঘণ্টা পর পানি নেমে যায় ভাটায়।’

ঝনঝনিয়া গ্রামের কৃষক মন্টু মিয়া বলেন, ‘এখন চলছে আউশ ধানের মৌসুম। ইতিমধ্যে ধান কাটাও শুরু করেছি। কিন্তু হঠাৎ বৃষ্টি ও নদীর পানিতে তলিয়ে গেছে মাঠ। এতে ধানের ক্ষতি হবে।’

সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা শিপন চন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘পানি স্থায়ী না হলে কৃষি ফসলের ক্ষতির তেমন আশঙ্কা নেই। তবে আমান বীজতলা লাগাতে কৃষকদের কিছুটা ভোগান্তি হবে।’

তিনি আরও বলেন, এ বছর জেলায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে আউশ ও ৬১ হাজার হেক্টর জমিতে আমান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
জোয়ারে তলিয়েছে বাগেরহাটের ২৫ গ্রাম
রোদ হেসেছে সিলেটে, কমছে পানি
ধোবাউড়ায় অর্ধশতাধিক গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দি ২০ হাজার মানুষ
সিলেটে বন্যার অবনতি, ২৯০ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ
আবার ডুবছে সিলেট নগর, বাড়ছে দুর্ভোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A case against the councilor and his wife for cutting mountains

পাহাড় কাটার অভিযোগে কাউন্সিলর ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা

পাহাড় কাটার অভিযোগে কাউন্সিলর ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা
নগরীর পাহাড়তলী মৌজার লেকসিটি এলাকায় পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণের একটি অভিযোগ পেয়ে সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কর্মকর্তারা। এ সময় পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণ ও গাছ কাটার প্রমাণ পাওয়া যায়।

চট্টগ্রামে পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগের সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ও তার স্ত্রীসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের পরিদর্শক সাখাওয়াত হোসাইন বুধবার বিকেলে আকবরশাহ থানায় মামলা করেন।

আসামিরা হলেন, ৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিম, তার স্ত্রী তাছলিমা বেগম ও ওই স্থাপনার তত্ত্ববধায়ক মো. হৃদয়।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (চট্টগ্রাম মহানগর) হিল্লোল বিশ্বাস।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘নগরীর পাহাড়তলী মৌজার লেকসিটি এলাকায় পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণের একটি অভিযোগ পেয়ে সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কর্মকর্তারা। এ সময় পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণ ও গাছ কাটার প্রমাণ পাওয়া যায়।

‘স্থাপনা বলতে টিনশেড সেমিপাকা একটি ঘর তৈরি করা হয়েছে। তাছাড়া অন্তত ৩ হাজার ঘণফুট পাহাড় ও তিনটি বড় গাছ কেটে নিয়েছে ওরা। বুধবার শুনানির জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়। শুনানিতে ওই স্থাপনার তত্ত্বাবধায়ক হৃদয় এসে জমির প্রকৃত মালিক কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিম ও তার স্ত্রী তাছলিমা বেগম বলে জানান।’

আরও পড়ুন:
আর নিরাপদ নয় বৃষ্টির পানি
গ্র্যাজুয়েট ফ্রেন্ডস অ্যাসোসিয়েশনের চারা বিতরণ
কাঁঠালের কনে পেয়ারা, আমড়ার বর আম
সরকারি গাছ কাটায় মামলা 
বাঁধাকপি কাটল কে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
City official fired for offensive message to female colleague

নারী সহকর্মীকে ‘আপত্তিকর’ মেসেজ, বহিষ্কার নগর কর্মকর্তা

নারী সহকর্মীকে ‘আপত্তিকর’ মেসেজ, বহিষ্কার নগর কর্মকর্তা রংপুর সিটি করপোরেশনের অভিযুক্ত কর্মকর্তা সাজ্জাদুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
অভিযুক্ত সাজ্জাদুর রহমান বলেন, ‘আমি মেসেজ দিয়েছি ঠিক আছে, কিন্তু অতটা আপত্তিকর নয়। বহিষ্কারের চিঠি এখনো পাইনি।’

রংপুর সিটি করপোরেশনের পানি শাখার এক নারী সহকর্মীকে মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপে ‘আপত্তিকর’ মেসেজ দেয়ায় নগর ভবনের যান্ত্রিক শাখার প্রধান সাজ্জাদুর রহমানকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি করা হয়েছে।

বুধবার বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যান্ত্রিক শাখার প্রধান সাজ্জাদুর রহমানের বিরুদ্ধে তার মোবাইল ফোন থেকে পানি শাখার কর্মকর্তা অঞ্জনা রানীকে ‘আপত্তিকর’ মেসেজ দেয়ার অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে হইচই পড়ে যায়। বিষয়টি আমার কাছে আসলে আমি অভিযুক্ত সাজ্জাদ এবং ওই নারী কর্মকর্তার পক্ষের লোকজনকে নিয়ে বৈঠকে বসি। বৈঠকে সাজ্জাদ নিজের দায় স্বীকার করেছেন।’

মেয়র মোস্তফা বলেন, ‘যেহেতু সাজ্জাদুর রহমান নিজের দায় স্বীকার করেছেন, তাই তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। তাকে চিঠি দেয়া হবে।’

ঘটনার তদন্তে সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান মৃধাকে প্রধান করে, নির্বাহী প্রকৌশলী আজম আলী ও সাধারণ শাখার প্রধান নাঈম হোসেনকে সদস্য করে একটি কমিটি করা হয়েছে।

তারা আগামী ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিলে সেটা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত সাজ্জাদুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি মেসেজ দিয়েছি ঠিক আছে, কিন্তু অতটা আপত্তিকর নয়। বহিষ্কারের চিঠি এখনো পাইনি।’

আরও পড়ুন:
‘ধূমপান করায়’ ৩ ছাত্র বহিষ্কার
পঞ্চগড় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদককে বহিষ্কার
আ.লীগের ২৪ নেতাকর্মী বহিষ্কার
দলীয় নেতাকে ‘হত্যাচেষ্টা’, বিএনপির সজল বহিষ্কার
এমপির সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডার জেরে আ. লীগ নেতাকে বহিষ্কারের অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two people in the clutches of the ignorant party

অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে দুইজন

অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে দুইজন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। ফাইল ছবি
ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘মিরপুর থেকে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়া দুইজন কে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাদেরকে স্টমাক ওয়াস দিয়ে মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি দেন। তাদের অভিযোগ তাদের কাছ থেকে প্রতারক চক্র এক লক্ষ টাকা নিয়ে যায়।’

রাজধানীর মিরপুরে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে রুবেল হোসেন ও মুক্ত নামে দুইজনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। রুবেলের বয়স ২২ বছর এবং মুক্তের বয়স ২২ বছর। তারা দুজন চিকিৎসাধীন।

তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন সহকর্মী রাকিব হোসেন। নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মোহাম্মদ বাচ্চু মিয়া।

তিনি বলেন, ‘রুবেল ও মুক্ত দক্ষিণ খান মোল্লারটেক (ইউ এল ফ্যাশন) পোশাক কারখানায় কাজ করেন। সেখান থেকে এক লক্ষ টাকা নিয়ে গার্মেন্টস এক্সোসরিজ কিনতে উত্তরা থেকে প্রজাপতি বাসে মিরপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

‘ঐ বাসেই তারা অজ্ঞান পার্টি খপ্পরে পড়েন। পরে মিরপুর ২ বাস স্ট্যান্ড যাওয়ার পর অচেতন অবস্থায় বাসের ভিতরে পড়ে থাকতে দেখে বাসের কন্টাক্টর রুবেল কে সেখানে নামিয়ে দেন। মিরপুর ১০ নম্বর বাস স্ট্যান্ড যাওয়ার পর মুক্ত কে সেখানে তাকে নামিয়ে দেওয়া হয়।’

পরে তাদের পকেটে থাকা ফোন দিয়ে খবর দিলে রাকিব তাদেরকে উদ্ধার করে প্রথম কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে পরে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসলে দুজনকে পাকস্থলী পরিস্কাষ্কার করে চিকিৎসক ভর্তি দেন বলে জানান রাকিব। তিনি ওই পোশাক কারখানার সুপারভাইজার।

তিনি আরও বলেন, ‘ভুক্তভোগী দুজনই (ইউ এল ফ‍্যাসন) পোশাক কারখানার পারচেজ ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তা। তাদের সাথে এক লক্ষ টাকা ছিল। সেটি আমরা পাইনি। শুধু দুজনের পকেটে থেকে দুটি মোবাইল আর কিছু দরকারি কাগজপত্র পেয়েছি।’

ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘মিরপুর থেকে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়া দুইজন কে অচেতন অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাদেরকে স্টমাক ওয়াস দিয়ে মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি দেন। তাদের অভিযোগ তাদের কাছ থেকে প্রতারক চক্র এক লক্ষ টাকা নিয়ে যায়।’

আরও পড়ুন:
যুবককে অজ্ঞান করে ‘সাড়ে তিন লাখ টাকা নিয়ে চম্পট’
ইনজেকশন পাচারের সময় ফার্মাসিস্ট আটক
ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে মৃত নবজাতক উদ্ধার
ঢাকা মেডিক্যালে সিগারেটের আগুন নিয়ন্ত্রণে
ঢাকা মেডিক্যালে র‍্যাবের অভিযানে ২৪ দালাল আটক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The buyer thought that there was no fertilizer and was caught and fined

ক্রেতা ভেবে বললেন সার নেই, ধরা খেয়ে দিলেন জরিমানা

ক্রেতা ভেবে বললেন সার নেই, ধরা খেয়ে দিলেন জরিমানা নওগাঁয় অভিযান চালিয়ে অবৈধ মজুত করা ও বেশি দামে সার বিক্রির দায়ে এক ডিলারকে জরিমানা করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
শামীম হোসেন বলেন, ‘এক ব্যক্তি ধামইরহাটে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি হচ্ছে, বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে জানালে আমরা ক্রেতা সেজে ওই দোকানে সার কিনতে গেলে সার নেই বলে জানানো হয়। পরে গোডাউনে গিয়ে প্রায় ৩০ বস্তা পটাশ মজুত পাওয়া যায়। পটাশের  দাম ৭৫০ টাকা বস্তা হলেও তের থেকে পনের শ টাকা করে বিক্রির সত্যতা পাওয়া যায়।’

নওগাঁর ধামইরহাটে অবৈধভাবে পটাশ সার মজুত ও বেশি দামে বিক্রির দায়ে এক ডিলারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

উপজেলার আমাইতারা মোড়ে বুধবার দুপুরে অভিযান চালিয়ে মেসার্স বিতরণী ট্রেডার্সের মালিক ও সার ডিলার আবু হেনা নুর মোহাম্মদকে এই জরিমানা করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর নওগাঁ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শামীম হোসেন।

শামীম হোসেন বলেন, ‘এক ব্যক্তি ধামইরহাটে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি হচ্ছে, বিষয়টি জেলা প্রশাসনকে জানালে আমরা ক্রেতা সেজে ওই দোকানে সার কিনতে গেলে সার নেই বলে জানানো হয়।

‘পরে গোডাউনে গিয়ে প্রায় ৩০ বস্তা পটাশ মজুত পাওয়া যায়। পটাশের দাম ৭৫০ টাকা বস্তা হলেও তের থেকে পনের শ টাকা করে বিক্রির সত্যতা পাওয়া যায়।’

তিনি জানান, এই বিএডিসি ডিলার গত ১৭ জুলাই স্টক রেজিস্ট্রারে পটাশ সারের মজুত দেখান ৪৬ বস্তা, কিন্তু ১৭ তারিখের পর থেকে আজকে পর্যন্ত বিক্রির ভাউচারে ৩১৮ বস্তা পটাশ সার বিক্রির তথ্য পাওয়া যায়। যা তার হিসাবের সঙ্গে অসঙ্গতি।

তাই ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ অনুযায়ী তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া সেসব সার ৭৫০ টাকা দামে উপস্থিতি ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হয়।

অভিযানে ধামইরহাট উপজেলা নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক আনিসুর রহমান ও থানা পুলিশের একটি টিম উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সার নিয়ে তেলেসমাতি, গুদাম রক্ষায় পুলিশ
মজুত সার জব্দ, গুদাম সিলগালা
সারের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়বে না উৎপাদনে: কৃষিমন্ত্রী
বেশি দামে সার বিক্রি, দুই ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা
সারের দাম কমানোর দাবিতে সমাবেশ

মন্তব্য

p
উপরে