× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
The owner of the van is accused of murder for theft
hear-news
player
print-icon

ভ্যানের মালিককেই চুরির দায়ে হত্যার অভিযোগ

ভ্যানের-মালিককেই-চুরির-দায়ে-হত্যার-অভিযোগ
ছবি: সংগৃহীত
গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরা ইনিয়নের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম চৌধূরী টুটুল বলেন, ‘আমি ননীকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি। সে খুবই সরল মানুষ ছিল। ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাত।’

গোপালগঞ্জে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের বেলেডাঙ্গা গ্রামে চোর সন্দেহে ননী বিশ্বাস নামে এক ভ্যানচালককে গাছে বেঁধে নির্যাতন ও হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

৪২ বছর বয়সী ননী গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরা ইউনিয়নের ঘোনাপাড়া গ্রামের মহারাজ বিশ্বাসের ছেলে।

স্বামীকে হত্যার অভিযোগে টুঙ্গিপাড়া থানায় একটি মামলা করেছেন জানিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে নিহতের স্ত্রী রেভা বিশ্বাস বলেন, ‘আমার স্বামী ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাতেন। আমার বড় মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি। ২ ছেলে ছোট। তাদের নিয়ে আমি এখন অথৈ সাগরে পড়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার স্বামী অত্যন্ত সহজ-সরল প্রকৃতির। এলাকার সবাই তাকে ভাল মানুষ হিসেবেই জানতো।’

রেভা জানান, গত ১১ জুন ননী বিশ্বাস তার ভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে কোটালীপাড়া উপজেলার হিরণ গ্রামের আত্মীয় দুলাল বাড়ৈর বাড়িতে বেড়াতে যান। পরের দিন ১২ জুন গ্রামের বাড়িতে তার জরুরি কাজ ছিল। এ জন্য ভোর ৪টার দিকে হিরণ গ্রাম থেকে রওনা বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন তিনি।

পথে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বেলেডাঙ্গা পৌঁছালে স্থানীয় রবিন বালা, সান্তনু বালা, বিপিন বালা, দিকজয় মজুমদারসহ ২০/২৫ জন ননীর গতি রোধ করে। তারা তাকে ভ্যান চোর আখ্যা দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে ফেলে এবং কিল-ঘুষি সহ লাঠি ও রড দিয়ে পেটায়। পরে মৃত ভেবে তাকে সেখানেই ফেলে রেখে যায়।

পরে স্থানীয় পলাশ মজুমদার ননীর পকেট থেকে মোবাইল নম্বর নিয়ে তার বাড়িতে ফোন দেন।

রেভা বলেন, ‘আমরা তাকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করি। পরে তিনি হাসপাতাল থেকে বাড়ি চলে আসেন। ১৪ জুন ভোর ৪টার দিকে তিনি মারা যান।’

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরা ইনিয়নের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম চৌধূরী টুটুল বলেন, ‘আমি ননীকে ব্যক্তিগতভাবে চিনি। সে খুবই সরল মানুষ ছিল। ভ্যান চালিয়ে সংসার চালাত। তার স্ত্রী রেভা ৪০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচীতে খন্ডকালীণ শ্রমিকের কাজ করে। ননী চোর নয়। আমি তাকে ভাল মানুষ হিসেবেই জানি।’

টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লাল বাহাদুর বিশ্বাস বলেন, ‘শুনেছি বেলেডাঙ্গা গ্রামে চোর সন্দেহে এক ভ্যানচালককে মারপিট করেছে। ওই ভ্যান চালকের নাকি মাথায় সমস্যা ছিল। তাই তাকে স্থানীয়রা চোর হিসেবে সন্দেহ করে। মারপিটের কয়েকদিনের মধ্যেই সে নাকি মারা গেছে।’

টুঙ্গিপাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তন্ময় মন্ডল বলেন, ‘শুধু সন্দেহের করণে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় ১৪ জুন নিহতের স্ত্রী রেভা বিশ্বাস বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলায় ২০ জনের নাম উল্লেখসহ ৫/৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। আমরা তদন্ত শুরু করেছি। আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
সাবেক স্ত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার
পাবনায় আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
‘সাইড না দেয়ায়’ প্রাণের কাভার্ড ভ্যানচালককে হত্যা
স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
ব্যবসায়ী হত্যায় দুজনের যাবজ্জীবন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
A youth was shot dead by miscreants in Khulna

খুলনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক নিহত

খুলনায় দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবক নিহত দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত জুলফিকার নাইম মুন্না।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. অমিত।

খুলনা মহানগরীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

বুধবার রাত ৮টার দিকে নগরীর মুজগুন্নী এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন ওই যুবক।

৩২ বয়সী নিহত ব্যক্তির নাম জুলফিকার নাইম মুন্না। তিনি খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার সুগন্ধী গ্রামের সোহরাব মোল্লার ছেলে।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. অমিত।

আরও পড়ুন:
আওয়ামী লীগ নেতাকে দুর্বৃত্তের গুলি
‘পূর্ব শত্রুতায়’ রায়পুরায় গুলিবিদ্ধ ১২
আগের চেয়ে ভালো মায়ের কোলে গুলিবিদ্ধ শিশু
এপিবিএনের সঙ্গে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি
যুক্তরাষ্ট্রে সপ্তাহান্তে গুলিতে নিহত ৫, আহত ২৭

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Nesco is in trouble for collecting arrears in Rangpur

রংপুরে বকেয়া আদায়ে বিপাকে নেসকো

রংপুরে বকেয়া আদায়ে বিপাকে নেসকো
রংপুর নেসকো লিমিটেডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (অফিস পরিচালন ও সংরক্ষণ সার্কেল-১) মো. আশরাফুল ইসলাম মণ্ডল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা বকেয়া আদায়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। সরকারি অনেক অফিস তাদের বকেয়া পরিশোধ করেছে। যাদের বকেয়া আছে তারা বরাদ্দ পেলেই পরিশোধ করবে বলে সংশ্লিষ্ট অফিস থেকে আমাদের জানানো হয়েছে।’

রংপুরে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসহ গ্রাহক পর্যায়ে ৪৭ কোটি টাকার বেশি বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে বলে জানিয়েছে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো)। এর মধ্যে সরকারি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কাছেই পাবে ৩২ কোটি ২৯ লাখ ৭৫ হাজার ৩১১ টাকা।

গত ১ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (একনেক) বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রাহকরা বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করলে সংযোগ কেটে দেয়ার নির্দেশনা দেন। সে নির্দেশনার পর বকেয়া বিল আদায়ে তৎপর হয়েছে রংপুর নেসকো।

বিল পরিশোধ করার জন্য বেশ কয়েক দিন মাইকে প্রচার চালিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। দিয়েছে চিঠিও। তবে বিল পরিশোধে গ্রাহকের তেমন আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না।

সূত্র জানিয়েছে, নেসকো ডিভিশন-১-এর বকেয়া পড়েছে ৯ কোটি ২ লাখ ১০ হাজার ৩১১ টাকা। এর মধ্যে সিটি করপোরেশনের বকেয়া ৮ কোটি ৭৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১১ টাকা, রংপুর পুলিশ ক্লাবের (মেট্রোপলিন কোতোয়ালি থানার সামনে) ১২ লাখ ২৮ হাজার টাকা।

এ ছাড়া রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ৬০ লাখ ৯ হাজার ৭০০ টাকা, রংপুর শিল্পকলা একাডেমির ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং নবাবগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়ির ২ লাখ ৮৫ হাজার টাকা বকেয়া জমেছে।

৮ কোটি ৮৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা বকেয়া পড়েছে ডিভিশন-২-এর। এর মধ্যে সিটি করপোরেশনের বকেয়া ৮ কোটি টাকা, রংপুর জেলা পুলিশের ৭২ লাখ, রংপুর গণপূর্ত বিভাগের ৪৫ লাখ ও স্টেডিয়ামের বকেয়া রয়েছে ১২ লাখ ১০ হাজার টাকা।

ডিভিশন-৩-এর পাওনা জমেছে ১৪ কোটি ৪৪ লাখ ১০ হাজার টাকা। যার মধ্যে সিটি করপোরেশনের ৮ কোটি ৫৪ লাখ ৯০ হাজার, বিহারি ক্যাম্পের ৫ কোটি ৮৬ লাখ ২০ হাজার, মাহিগঞ্জ রেঞ্জ রিজার্ভ পুলিশের ২ লাখ টাকা।

রংপুর নেসকো ডিভিশন-১-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুল মতিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রংপুর সিটি করপোরেশনের বকেয়া বিল পরিশোধ করার জন্য প্রতি মাসে একটি করে চিঠি দেয়া হয়। কিন্তু তার কোনো উত্তর আমরা পাই না।

‘ইতোমধ্যে অনেক সরকারি অফিস তাদের বিদ্যুৎ বিলের অংশিক পরিশোধ করেছে, অনেকে অর্ধেক করেছেন। সবাইকে নিয়মিত চিঠি দেয়া হচ্ছে।’

ডিভিশন-৩-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘রংপুর সিটি করপোরেশনের কাছে সব থেকে বেশি পাওনা আমাদের। আমরা সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর সেই নির্দেশনা উল্লেখ করে চিঠি দিয়েছি। জুন মাস শেষ হচ্ছে, এখনও কোনো বিল পাইনি।

তিনি আরও বলেন, ‘রংপুরে অবস্থিত দুটি বিহারি ক্যাম্পে বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রয়েছে ৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। একসময় ত্রাণ মন্ত্রণালয় এদের বিল দিত। এখন দেয় না।

‘২০১৬ সালে উচ্চ আদালত বিহারিদের নাগরিকত্ব নিয়ে একটি আদেশ দেয়। সেই আদেশে বলা হয় বিদ্যুৎ বিল বিহারিরাই দেবে। কিন্তু তারা দিচ্ছে না। যতটুুকু শুনেছি, তারা উচ্চ আদালতে আপিল করেছে। আমরা বকেয়া বিলের জন্য প্রতি মাসে ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিই, কিন্তু বিল পাই না।’

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বেসরকারি পর্যায়ে বিদ্যুৎ বিল বকেয়া জমেছে ১৫ কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে প্রায় ১০ কোটি টাকার বিলের গ্রাহককে পাওয়াই যাচ্ছে না।

কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, রংপুরে বিভিন্ন বর্ধিত সড়কের কাজের ফলে সড়কের দুই পাশের বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর দোকান ভাঙা পড়েছে। এসব দোকানের নেয়া বিদ্যুৎ বিল বাকি। আর এ দোকানিরা এখন কোথায় আছে কেউ জানে না।

এদিকে কর্মকর্তারা নিউজবাংলাকে জানান, বেসরকারি পর্যায়ে বকেয়া আদায়ে প্রতিদিনই কমপক্ষে অর্ধশত সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে। যারা বিল পরিশোধ করছে, তাদের পুরনরায় সংযোগ দেয়া হচ্ছে। যারা দিচ্ছে না, তাদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকছে। এ ছাড়া প্রতিনিয়তই মামলা করা হচ্ছে।

রংপুর নেসকো লিমিটেডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (অফিস পরিচালন ও সংরক্ষণ সার্কেল-১) মো. আশরাফুল ইসলাম মণ্ডল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা বকেয়া আদায়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। সম্প্রতি রংপুর সিটি করপোরেশন ডিভিশন-২-এ ১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে।

‘সরকারি অনেক অফিস তাদের বকেয়া পরিশোধ করেছে। যাদের বকেয়া আছে তারা বরাদ্দ পেলেই পরিশোধ করবে বলে সংশ্লিষ্ট অফিস থেকে আমাদের জানানো হয়েছে।’

রংপুর সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র মাহমুদুর রহমান টিটু নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মেয়র মহোদয় হজে গেছেন। প্রশাসনিক বিষয়টি তিনি দেখেন। আমার এ বিষয়টি জানা নেই।’

আরও পড়ুন:
নেসকোতে আগুন: দুর্ভোগে ১৭ ঘণ্টা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Couple jailed for burning mother to death in love with son

ছেলের প্রেমে মাকে পুড়িয়ে হত্যা, দম্পতি কারাগারে

ছেলের প্রেমে মাকে পুড়িয়ে হত্যা, দম্পতি কারাগারে
ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন জানান, মামলার অন্য আসামিরা বিভিন্ন জায়গায় পালিয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ময়মনসিংহ সদরে লাইলী আক্তার নামে এক নারীকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দম্পতিকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

বুধবার বিকেল ৫টার দিকে ময়মনসিংহ মুখ্য ১ নম্বর আমলি আদালতের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম আব্দুল হাই তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালত পরিদর্শক প্রসূন কান্তি দাস। তিনি জানান, আগুনে পুড়ে লাইলী আক্তারকে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার মো. জাহাঙ্গীর ও তার স্ত্রী আছমা নামে দুই আসামিকে আদালতে তোলে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। এ সময় বিচারকের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে নিহতের স্বামী আব্দুর রশিদ ৮ জনকে আসামি করে মামলা করেন। ওই দিন রাতেই সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে মো. জাহাঙ্গীর ও তার স্ত্রী আছমাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা সদর উপজেলার চরঈশ্বরদিয়া গ্রামের পূর্বপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন খোকন মিয়া ওরফে কাজল, তার স্ত্রী নাসিমা আক্তার কনা, গোলাম মোস্তফার ছেলে কামাল মিয়া, বাবুল, কামাল মিয়ার স্ত্রী নাসিমা আক্তার বৃষ্টি, বাবুলের স্ত্রী রোমান।

মামলার বরাতে কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন জানান, সদর উপজেলার চরঈশ্বরদিয়া গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে প্রতিবেশী খুকি আক্তারের দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু দুই পরিবার সেই সম্পর্ক মেনে নিচ্ছিল না।

গত ২৬ জুন তারা পালিয়ে যান। এতে ক্ষিপ্ত হয় মেয়ের পরিবারের লোকজন। মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে মঙ্গলবার ছেলের বাড়িতে এসে ছেলের মা লাইলীকে একা পেয়ে প্রথমে গালিগালাজ করে। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে হাত-পা তার দিয়ে বেঁধে শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।

পুলিশ কর্মকর্তা জানান, আগুন জ্বলতে থাকলে স্থানীয়রা লাইলীকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে লাইলীর মৃত্যু হয়।

ফারুক হোসেন আরও জানান, বাকি আসামিরা বিভিন্ন জায়গায় পালিয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

আরও পড়ুন:
ছেলের ‘প্রেমের জেরে’ মাকে পুড়িয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২
ছেলের প্রেমের জেরে মাকে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
College student arrested in abusive case

কটূক্তির মামলায় কলেজছাত্র গ্রেপ্তার

কটূক্তির মামলায় কলেজছাত্র গ্রেপ্তার গৌরনদী মডেল থানা। ছবি: সংগৃহীত
অভিযুক্ত সৌভিক সাহার বাবা বেল্টু সাহা বলেন, ‘আমার ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কটূক্তি করে তার পরিবারের অকল্যাণ কামনা করে ফেসবুকে পোস্ট দেয়ার অভিযোগে সৌভিক সাহা নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে বরিশালের গৌরনদী থানা পুলিশ।

কটূক্তির অভিযোগে মামলা হলে বুধবার দুপুরে গ্রেপ্তারের পর সৌভিককে আদালতের নির্দেশে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

সদ‌্য এইচএসসি পাশ করা সৌভিক সাহা জেলার গৌরনদী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ‘বার্থী তাঁরা মায়ের মন্দির’ পরিচালনা কমিটির সদস্য বেল্টু সাহার পুত্র। ওই মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি শান্তনু ঘোষ কটূক্তির দায়ে মামলাটি করেন।

মামলার বাদি শান্তুনু ঘোষ বলেন, ‘মন্দির কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বেল্টু সাহার ছেলে সৌভিক। সে প্রধানমন্ত্রীকে কটুক্তি করে এবং তার পরিবারের অকল্যাণ চেয়ে মন্দিরে প্রার্থণা চলছে উল্লেখ করে এতে যোগ দিতে সবাইকে আহ্বান করে সোমবার রাতে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেয়।’

শান্তনু জানান, বিষয়টি গৌরনদী মডেল থানার ওসি আফজাল হোসেনকে জানালে পুলিশ সৌভিককে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে পোস্ট দেয়ার কথা স্বীকার করেছে।

সৌভিক সাহার বাবা বেল্টু সাহা বলেন, ‘আমার ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন।’

গৌরনদী থানার ও‌সি আফজাল হোসেন বলেন, ‘ফেসবুকে এক‌টি পোস্টকে কেন্দ্র করে মামলা হয়েছে। সেই মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
মহানবীকে নিয়ে ‘কটূক্তি’, বাড়ি ঘেরাও
মহানবীকে কটূক্তি: সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবীর সদস্যপদ স্থগিত
মহানবীকে নিয়ে কটূক্তি: সিলেটে বন্ধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান
মহানবীকে কটূক্তি: সিলেটে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ডাক
নূপুর শর্মাকে সমর্থন করে পোস্ট, শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If he is expelled from the university

বহিষ্কার হয়েও থাকেন তিনি হলে

বহিষ্কার হয়েও থাকেন তিনি হলে মিখা পিরেগু। ছবি সংগৃহীত
বহিষ্কার হওয়ার পর কেউ হলে অবস্থান করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন ডেপুটি রেজিস্ট্রার আবু হাসান (শিক্ষা)। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘কেউ সাময়িক বহিষ্কার হলেও তার হলে থাকার অধিকার নেই। সেক্ষেত্রে আজীবন বহিষ্কার হলে কোনোভাবেই হলে থাকার সুযোগ নেই।’

জালিয়াতির দায়ে গেল বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মিখা পিরেগুকে। তিনি ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সাবেক সভাপতি। বহিষ্কারের পরও বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে থাকছেন তিনি।

বিষয়টি স্বীকার করে মার্কেটিং বিভাগের ৪৪ ব্যাচের বহিষ্কৃত এই শিক্ষার্থী বলেন, ‘বহিষ্কারের বিষয়টি পুনঃবিবেচনার জন্য আবেদন করেছি। এ বিষয়ে এখনও জবাব পাইনি, তাই হলে থাকছি।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ৪০১, ৪১২ ও ৪১৩ নম্বর কক্ষ তিনটি ছাত্র ইউনিয়রের ‘কক্ষ’ হিসেবে পরিচিত। মিখা পিরেগু নিয়মিত থাকেন ৪১২ নম্বর কক্ষে। চার সিটের এই কক্ষে আরও থাকেন ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের বর্তমান কমিটির সহ সভাপতি রিফাত খান অনিক, সাংগঠনিক সম্পাদক অমর্ত্য রায় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়কসম্পাদক মো. সৈকত।

আজীবনের জন্য বহিষ্কৃত একজন ছাত্র কীভাবে হলে থাকেন জানতে চাইলে অমর্ত্য রায় নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সে (পিরেগু) নিয়মিত ঢাকায় থাকত। মাঝে মাঝে হলে আসত। তার পারিবারিক সমস্যার কারণে গত দেড় মাস ধরে হলে নিয়মিত থাকছে।’

সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েও আপনি কেন ব্যবস্থা নেননি? প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

সহ সভাপতি রিফাত খান অনিক বলেন, ‘পিরেগু আজীবন বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের পুনঃবিবেচনার বিষয়ে প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছেন। সেই সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত তিনি হলে থাকতে পারবেন। তাই এই বিষয়ে আমরা কোনো ব্যবস্থা নেইনি।’

একই কক্ষে থাকলেও পিরেগুর বহিষ্কারের বিষয়টি জানতেন না দাবি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. সৈকতের। বলেন, ‘আমি ভাইয়ের বহিষ্কারের বিষয়টি জানতাম না।’

গত বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ স্বাক্ষরিত বহিষ্কারাদেশে বলা হয়, ‘বিশেষ পরীক্ষার অনুমতির আবেদনপত্রে বিভাগীয় সভাপতির স্বাক্ষর ও সিলমোহর জালিয়াতি করায় এ সংক্রান্ত গঠিত কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে মিখা পিরেগুকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হলো।’

বহিষ্কার হওয়ার পর কেউ হলে অবস্থান করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন ডেপুটি রেজিস্ট্রার আবু হাসান (শিক্ষা)। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘কেউ সাময়িক বহিষ্কার হলেও তার হলে থাকার অধিকার নেই। সেক্ষেত্রে আজীবন বহিষ্কার হলে কোনোভাবেই হলে থাকার সুযোগ নেই।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি আখতারুজ্জামান সোহেল বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থী হোক বা কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা-কর্মী হোক, আজীবন বহিষ্কার হয়ে কেউ কোনোভাবেই হলে অবস্থান করতে পারেন না। এটি একটি নৈতিকতাবিরোধী কাজ।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ইস্রাফিল আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জানলাম। আমি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেব।’

আরও পড়ুন:
জাবির ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ১৮ মে
নীরবে বাসভবন ছাড়লেন বিদায়ী উপাচার্য ফারজানা ইসলাম
নতুন ভিসি পেল জাহাঙ্গীরনগর
বিজ্ঞানশিক্ষক হৃদয় মণ্ডলের মুক্তি চেয়ে জাবিতে মানববন্ধন
সেহরিতে জাবি হলে ‘পচা ভাত’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Death of a housewife victim of organized rape Detention 4

‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার’ গৃহবধূর মৃত্যু: আটক ৪

‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার’ গৃহবধূর মৃত্যু: আটক ৪
ওসি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হবে। ভোরে জারুইতলা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযুক্ত স্বামীসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার’ গৃহবধূ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনায় তার স্বামীসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মনসুর আলী আরিফ বুধবার দুপুরে নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হবে। ভোরে জারুইতলা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযুক্ত স্বামীসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

হাসপাতালে গৃহবধূর সঙ্গে ছিলেন তারা মামা মো. জাহাঙ্গীর। তিনি নিউজবাংলাকে জানান, মারা যাওয়ার আগে ঘটনার বর্ণনা দেয়ার পাশাপাশি জড়িত কয়েকজনের নাম তাকে জানিয়ে গেছেন তার ভাগনি।

কী ঘটেছিল এই প্রশ্নের উত্তরে গৃহবধূর বরাতে তিনি বলেন, বাবার বাড়ি উত্তর রসুলপুর গ্রাম থেকে সোমবার রাত ৮টার দিকে শাহপুর গ্রামের শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশে রওনা হয় তার ভাগনি। শ্বশুরবাড়ির কাছাকাছি শাহপুর মোড় থেকে তাকে তুলে নিয়ে একটি পতিত জমিতে ছয়-সাতজন তাকে ধর্ষণ করে।

পরদিন সকালে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে সেখান থেকে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। রাত ২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সজীব ঘোষ নিউজবাংলাকে জানান, গুরুতর অবস্থায় ওই গৃহবধূকে হাসপাতালে আনা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে মনে হয়েছে, তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।

রোগীর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে জানতে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) মাকসুদুর রহমানের সঙ্গে প্রথমে যোগাযোগ করেন নিউজবাংলার প্রতিবেদক। এ সময় তিনি তথ্য দিতে অপারাগত প্রকাশ করেন। জানান, তিনি কাউকে সরাসরি না চিনলে ফোনে তথ্য দেন না। তিনি অফিস টাইম শেষ করে বের হয়ে গেছেন।

এরপর অফিস টাইমে কেন এলেন না এই প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘এখন কোনো প্রয়োজন হলে আপনার আইডি কার্ডসহ আগামীকাল দেখা করতে হবে।’

তবে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক হেলাল উদ্দীন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ভিকটিম সেক্সচুয়াল অ্যাসল্ট হয়েছে। ময়নাতদন্ত এবং ভিসেরা রিপোর্টের পর বিস্তারিত বলা যাবে।’

আরও পড়ুন:
আ. লীগ নেতার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা
ব্যবসায়ী হত্যায় দুজনের যাবজ্জীবন
কাঠমিস্ত্রি হত্যা মামলায় সাতজনের যাবজ্জীবন
ফেনসিডিল নিয়ে আহত দুই যুবকের নামে মামলা
কলেজছাত্র হত্যা মামলায় দুজনের যাবজ্জীবন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Teachers hanging body recovered

শিক্ষকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

শিক্ষকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। ছবি: নিউজবাংলা
পরিবারের সদস্যরা জয় চ্যাটার্জির ‘আত্মহত্যা’র বিষয়ে কোনো কারণ জানাতে পারেনি।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে গলায় ফাঁস দিয়ে এক শিক্ষক আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বুধবার বিকেলে উপজেলার ফয়েজনগর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহত ৫০ বছর বয়সী ওই স্কুলশিক্ষকের নাম জয় চ্যাটার্জি। তিনি পটিয়ার গুয়াতলী এলাকার শান্তিপ্রিয় চ্যাটার্জির ছেলে। চরলক্ষ্যা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন জয়।

পাঁচলাইশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাদেকুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, বুধবার বিকেলে কর্ণফুলীর ফয়েজনগরে ভাড়া বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান জয় চ্যাটার্জি। বিষয়টি টের পেয়ে প্রতিবেশী ও আত্মীয় স্বজন তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে। পরে হাসপাতালের চিকিৎসক জয়কে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে, পরিবারের সদস্যরা জয় চ্যাটার্জির ‘আত্মহত্যা’র বিষয়ে কোনো কারণ জানাতে পারেনি।

আরও পড়ুন:
শিক্ষক হত্যাকারীকে গ্রেপ্তারের দাবিতে ঢাবিতে আমরণ অনশন
শিক্ষক হত্যায় জিতুর বাবা রিমান্ডে
শিক্ষক হত্যা: আলামত জব্দে দেরি, আসামির বয়সও ভুল
শিক্ষক উৎপল হত্যা: তৃতীয় দিনেও সড়কে শিক্ষার্থীরা
‘শিক্ষকের গলায় জুতার মালায় দুঃখিত, দায়িত্বে অবহেলায় ব্যবস্থা’

মন্তব্য

p
উপরে