× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
The Information Minister wanted a bigger victory in Comilla
hear-news
player
print-icon

কুমিল্লায় আরও বড় জয় চেয়েছিলেন তথ্যমন্ত্রী

কুমিল্লায়-আরও-বড়-জয়-চেয়েছিলেন-তথ্যমন্ত্রী-
কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দুইবারের মেয়র মনিরুল হক সাক্কুকে হারিয়ে দিলেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত। ছবি: নিউজবাংলা
তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম আরও বেশি ভোটে জিতব। আমাদের ধারণা ছিল ৬ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধান থাকবে।’

কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত জয়লাভ করলেও ভোটের ব্যবধান আরও বেশি আশা করেছিলেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

সচিবালয়ে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) প্রকাশনা বিএসআরএফ বার্তার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান শেষে তিনি এ কথা বলেন।

কুমিল্লা সিটি নির্বাচন নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর আওয়ামী লীগের মেয়র সেখানে জয়লাভ করেছে। সুন্দর নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ জানাই।

‘আমরা আশা করেছিলাম আরও বেশি ভোটে জিতব। আমাদের ধারণা ছিল ৬ হাজারের বেশি ভোটের ব্যবধান থাকবে।’

‘সব প্রার্থী বলেছে স্বচ্ছ নির্বাচন হয়েছে। পুরোটা সময় নির্বাচন কমিশন আমাদের প্রার্থীর ওপর নজরদারি বেশি করেছে। বাহারকে এলাকা ছেড়ে যেতে বলা সমীচীন হয়নি। অন্য এলাকার এমপি হলে আমাদের কোনো বক্তব্য ছিল না।’

তিনি বলেন, ‘পরাজিত প্রার্থীকেও অভিনন্দন। তিনি অনেক অল্প ভোটে হেরেছেন। এত অল্প ভোটে হারলে আদালতে যাওয়ার কথা তিনি বলতেই পারেন।’

তৃতীয়বারের চেষ্টায় কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অল্প ব্যবধানে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ। তবে তাদের ভোট কমেছে সাত হাজারের বেশি।

আরও পড়ুন:
আগেই বলেছিলাম নৌকা জিতবে: রিফাত
জিতলেও ভোট কমল নৌকার, ‘বিএনপির ভোট’ দুই ভাগ
‘কোনো অভিযোগ না থাকা’ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান সাক্কুর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Voting of 3 UPs postponed in Rangpur

রংপুরের ৩ ইউপির ভোট স্থগিত

রংপুরের ৩ ইউপির ভোট স্থগিত রংপুর জেলার তিনটি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন স্থগিত হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৭ জুলাই দোহার, পাঁচবিবি ও ক্ষেতলাল পৌরসভা নির্বাচনের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে ২৩ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট গ্রহণের কথা রয়েছে। এদিন ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচন হবে।

হাইকোর্টের নির্দেশনা মানতে আগামী ২৭ জুলাই অনুষ্ঠেয় রংপুরের তিনটি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচন স্থগিত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এদিন দেশের তিনটি পৌরসভা ও ২৩টি ইউনিয়নে ভোট হওয়ার কথা রয়েছে। একই দিনে শৈলকূপা উপজেলার চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচন হবে।

তিন ইউপির নির্বাচন স্থগিতের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছে ইসি।

মঙ্গলবার ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপসচিব মো. আতিয়ার রহমানের সই করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, হাইকোর্টের ২৯ মে দেয়া একটি রিট পিটিশনের রায়ের নির্দেশনা প্রতিপালন এবং পরবর্তী আইনগত জটিলতা পরিহার করতে রংপুর জেলার তিন ইউপির নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ২৭ জুলাই অনুষ্ঠেয় রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলাধীন রায়পুর, রামনাথপুর ও পীরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন স্থগিত করার জন্য গণবিজ্ঞপ্তি জারিসহ পদ্ধতিগতভাবে কার্যক্রম গ্রহণের জন্য নির্দেশ দিয়েছে ইসি।

আগামী ২৭ জুলাই দোহার, পাঁচবিবি ও ক্ষেতলাল পৌরসভা নির্বাচনের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানে ২৩ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট গ্রহণের কথা রয়েছে। এদিন ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার চেয়ারম্যান পদে উপ নির্বাচন হবে।

তফসিল অনুযায়ী এসব নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমার দেয়ার শেষ সময় ছিল মঙ্গলবার ২৮ জুন, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ৩০ জুন এবং মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিন ৭ জুলাই।

আরও পড়ুন:
এমপির ইউনিয়নে নৌকা ডুবিয়ে হাতপাখার জয়
অফিস সহকারী এজেন্ট, জ‌রিমানা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
26 candidates selected for the boat in Upazila Municipality UP

উপজেলা, পৌরসভা, ইউপিতে নৌকার ২৮ প্রার্থী বাছাই

উপজেলা, পৌরসভা, ইউপিতে নৌকার ২৮ প্রার্থী বাছাই
আগামী ২৭ জুলাই স্থানীয় সরকারের বেশ কিছু এলাকায় ভোট হবে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আছে ২৫টি ইউনিয়ন। আছে একটি উপজেলা ও কয়েকটি পৌরসভা।

আগামী ২৭ জুলাইয়ের ভোটকে ঘিরে একটি উপজেলা, দুটি পৌরসভা ও ২৫ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

রোববার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভায় প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

পরে দলটির দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রার্থী তালিকা গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।

কোথায় কারা প্রার্থী

ঝিনাইদহ শৈলকূপায় চেয়ারম্যান পদে নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন এম আব্দুল হাকিম আহমেদ।

দুটিটি পৌরসভার মধ্যে জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে মেয়র পদে হাবিবুর রহমান, ক্ষেতলালে সিরাজুল ইসলাম বুলুকে মেয়র পদে প্রার্থী করা হয়েছে।

ইউনিয়নের ভোটে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার হোসেনগাঁওয়ে মতিউর রহমান, বাচোরে জীতেন্দ্র নাথ বর্মন, নন্দুয়ারে আব্দুল বারীর হাতে নৌকা তুলে দেয়া হয়েছে।

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নে রেজাউল করিম নান্নু, রামনাথপুরে শাহ্ মো. মোফাজ্জল হোসেন, পীরগঞ্জে নূরুল ইসলামকে প্রার্থী করেছে আওয়ামী লীগ।

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার করমজা ইউনিয়নে হোসেন আলী বাগছীর হাতে তুলে দেয়া হয়েছে নৌকা।

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নাজিরপুর তাঁতেরকাঠী ইউনিয়নে ইব্রাহিম ফারুক, টাঙ্গাইল সদরের কাতুলী ইউনিয়নে ইকবাল হোসেন, মাহমুদনগরে সাহাদৎ হোসেন, কাকুয়ায় বদিউজ্জামান ফারুকের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে নৌকা।

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার ডুমাইন ইউনিয়নে খুরশীদ আলম (মাসুম), মেঘচামীতে হাসান আলী খাঁন, আড়পাড়ায় আরমান হোসেন (বাবু) কে প্রার্থী করেছে আওয়ামী লীগ।

মুন্সীগঞ্জ সদরের বজ্রযোগিনী ইউনিয়নে সিরাজুল ইসলাম, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বাটিকামারী ইউনিয়নে শাহ নাজিম উদ্দিন পেয়েছেন নৌকা।

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া মন্ডলিয়াপাড়ায় হাফিজুল ইসলাম জুয়েল, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কাইতলা (উত্তর) ইউনিয়নে আবুল খায়ের, কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মহিচাইলে আবু মুছা মজুমদার, চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার খাদেরগাঁওয়ে সৈয়দ মনজুর হোসেন, লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার বড়খেরীতে হাসান মাকসুদ, চরআবদুল্যাহে কামাল উদ্দিন, লক্ষ্মীপুর সদরের দিঘলী ইউনিয়নে সালাউদ্দিন চৌধুরী পেয়েছেন নৌকা।

রাঙ্গামাটি লংগদু উপজেলার সদর ইউনিয়নে রকি চাকমাকে মার্কা তুলে দিয়েছে ক্ষমতাসীন দল।

আরও পড়ুন:
তুমুল বৃষ্টিতে গোর্খাল্যান্ডের ভোট
সুন্দর পরিবেশে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন চায় অস্ট্রেলিয়া
আগামী নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার
ফোনে ফল পাল্টানো অসম্ভব: সিইসি
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট বামপন্থি সাবেক গেরিলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Impossible to change results on phone CEC

ফোনে ফল পাল্টানো অসম্ভব: সিইসি

ফোনে ফল পাল্টানো অসম্ভব: সিইসি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল। ছবি: নিউজবাংলা
প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘একটা ফোনে ফল পাল্টে গেল, এটা একজন বলার পর হাজার মানুষ বলল। এটা আমাদের দেশের কালচার, এটা গুজব। মেশিনের ফল অথবা হাতের রেজাল্ট আমরা ওয়েবসাইটে তুলে দিয়েছি।’

ফোন পেয়ে কুমিল্লা সিটি নির্বাচনের ফল পরিবর্তনের দাবির বিষয়টিকে গুজব উল্লেখ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘একটি ফোনে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ফল পাল্টানোর বক্তব্যটি গুজব। কেননা এটি অসম্ভব।’

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘আমরা রাত ৮টা পর্যন্ত নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করেছি। কোনো বিপর্যয় দেখিনি। সিসি টিভির মাধ্যমে আমরা কিন্তু সার্বিক পরিস্থিতি দেখছিলাম। কিন্তু একটা টেলিফোনে ফলাফল পাল্টে গেল, এমন একটি কথা শোনা যাচ্ছে। শেষ মুহূর্তে একটা ফোনে ফল পাল্টে যায়, এটা একেবারে অসম্ভব। একটা বা দুইটা টেলিফোন আমি নিজেও করেছিলাম। আমাদের রিটার্নিং অফিসার আমাকে খুব বিপর্যস্ত অবস্থায় ফোন করে বললেন, আমি বিপদে পড়েছি। সে সময় আমি সেখানে প্রচণ্ড শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। আমি ভাবলাম তাকে মারধর করা হচ্ছে।’

সিইসি বলেন, ‘আমি এরপর ডিসি-এসপিকে ফোন করেছিলাম। তারা তখন জানালেন, তাৎক্ষণিক বিষয়টি দেখছেন। এরপর রিটার্নিং অফিসারকে বললাম, সমস্যা হবে না। পরে তিনি জানালেন পুলিশ এসেছে। মানুষ সরিয়ে দেয়া হয়েছে। উচ্ছৃঙ্খল ঘটনাটা মাত্র ১৫ মিনিট ছিল। কোনোভাবেই ২০ মিনিটের বেশি দীর্ঘ হয়নি। এরপর তিনি স্বাচ্ছন্দ্যে ফলাফল ঘোষণা করলেন সেটি আমরা দেখেছি।’

তিনি বলেন, ‘একটা ফোনে ফল পাল্টে গেল, এটা একজন বলার পর হাজার মানুষ বলল। এটা আমাদের দেশের কালচার, এটা গুজব। মেশিনের ফল অথবা হাতের রেজাল্ট আমরা ওয়েবসাইটে তুলে দিয়েছি।’

সিইসি আরও বলেন, ‘ফলাফল ঘোষণার সময় মিছিলের বিষয়টি হয়েছে মানুষের আবেগ-উচ্ছ্বাসের কারণে। এটা আমাদের কাছে অনাকাঙ্ক্ষিত, কিন্তু তাদের কাছে কাঙ্ক্ষিত। তারা উচ্ছ্বাসের কারণেই এটা করেছেন। আর রিটার্নিং কর্মকর্তা ফলাফল ঘোষণার সময় টয়লেটে গেছেন বলে যেটি বলা হচ্ছে, তিনি ন্যাচারাল কলিং হলে যেতেই পারেন। এটাকে বড় করে দেখার কিছু নেই। আমি শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়ে বলছি, আপনারাও খোঁজ নিয়ে দেখতে পারবেন পাঁচ মিনিটে ফল পাল্টানো সম্ভব নয়।’

স্থানীয় এমপিকে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিলেও তিনি এলাকা না ছাড়ার কারণেও সমালোচনার মুখে পড়তে হয় ইসিকে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সিইসি বলেন, ‘অনেকে বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের মেরুদণ্ড ভেঙে গেছে। আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারবে না।’

বাহাউদ্দিনকে নির্দেশ নয়, অনুরোধ করেছিলাম

কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারকে এলাকা ছাড়ার কোনো নির্দেশ দেয়া হয়নি বলে জানান কাজী হাবিবুল আউয়াল।

স্থানীয় এমপিকে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রায়ই শুনছি, তাকে নির্বাচন কমিশন থেকে আদেশ করা হয়েছে এলাকা ত্যাগ করার। আমরা তন্ন তন্ন করে খুঁজেছি নির্বাচন কমিশন থেকে কখনই একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্যকে এলাকা ত্যাগ করার আদেশ করা হয়নি। আমরা তাকে প্রকাশ্যে প্রচারণায় অংশ নিতে দেখিনি। কিন্তু কেউ কেউ বলছেন, উনি কৌশলে অংশ নিয়েছেন। আমাদের একটা প্রত্যাশা ছিলে ওনাকে যদি রিকোয়েস্ট করি তাহলে আর কথা উঠবে না।’

আচরণবিধি অনুযায়ী উনি (বাহাউদ্দিন) অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি উল্লেখ করে সিইসি বলেন, ‘তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু নির্বাচন কমিশন সংসদ সদস্য কেন কোনো সাধারণ মানুষকেও তার এলাকা ত্যাগ করার আদেশ দিতে পারে না। আমরাও বাহাউদ্দিনকে এলাকা ত্যাগ করার কোনো আদেশ দেইনি। তাকে বিনিতভাবে অনুরোধ করেছিলাম, সেই চিঠি আছে। কিন্তু চারদিকে ছড়িয়ে গেল আদেশ করার পরও তিনি প্রতিপালন করতে পারলেন না। এ কথাটি পুরোপুরি সত্য নয়।’

এ সময় নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আহসান হাবীব খান, বেগম রাশেদা সুলতানা, মো. আলমগীর ও ইসি সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার উপস্থিত ছিলেন।

গত ১৫ জুন অনুষ্ঠিত কুসিক নির্বাচনে মাত্র ৩৪৩ ভোটে পরাজিত হতে হয় দুইবারের মেয়র মনিরুল হক সাক্কুকে। ১০৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০১টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণার পর হঠাৎ কোনো কারণ ছাড়াই ফল ঘোষণা স্থগিত রাখা হয় এবং শেষ মুহূর্তে একটি ফোনে ফল পরিবর্তনের অভিযোগ তোলা হয় সাক্কু ও তার সমর্থকদের মধ্য থেকে। এ ছাড়া তিনি ফল প্রত্যাখ্যান করার ঘোষণাও দেন।

আরও পড়ুন:
বিতর্ক এড়াতে কুমিল্লা ভোটের কেন্দ্রভিত্তিক ফল প্রকাশ
কুমিল্লায় জামানত হারান ৫২ প্রার্থী
কুমিল্লায় ২০ কাউন্সিলর আ.লীগের, বিএনপির ৪
কেন্দ্রে এজেন্টের সই করা ফলই ঘোষণা হয়েছে: রিটার্নিং কর্মকর্তা
রিটার্নিং কর্মকর্তার ফল পাল্টানোর সুযোগ নেই: ইসি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Instructions for immediate transfer of OC just before the vote

ভোটের আগ মুহূর্তে দ্রুত ওসি বদলির নির্দেশ

ভোটের আগ মুহূর্তে দ্রুত ওসি বদলির নির্দেশ মেহেরপুর সদর থানার ওসি শাহ দারা খানকে বদ‌লির আদেশ দিয়েছে ইসি। ছবি: সংগৃহীত
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এরই মধ্যে বদলির আদেশপ্রাপ্ত মেহেরপুর সদর থানার ওসি শাহ দারা খানকে নির্বাচনের আগেই বদলির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

মেহেরপুর পৌরসভা নির্বাচনের আগ মুহূর্তে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ দারা খানের বদ‌লির আদেশ কার্যক‌রের নি‌র্দেশ দি‌য়ে‌ছে নির্বাচন ক‌মিশন।

রাত পোহালে মেহেরপুর পৌরসভাসহ চার ইউনিয়ন পরিষদে ভোট।

মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন থেকে পুলিশ মহাপরিদর্শককে মেহেরপুর সদরের ওসির বদলির আদেশ কার্যকরের জন্য পত্র দেয়া হয়েছে।

চিঠির বিষয়টি সন্ধ্যায় নিশ্চিত করেছেন মেহেরপুর জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ আবু আনছার।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এরই মধ্যে বদলির আদেশপ্রাপ্ত মেহেরপুর সদর থানার ওসি শাহ দারা খানকে নির্বাচনের আগেই বদলির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

মো. মিজানুর রহমানের (উপসচিব চলতি দায়িত্ব) সই করা পত্রে আরও বলা হয়, নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ করার জন্য বুধবারের নির্বাচনের আগে এই আদেশ কার্যকর করতে হবে।

আরও পড়ুন:
জামিন মেলেনি ওসি শাকিলের, ৪ মাসে তদন্ত শেষের নির্দেশ
দুর্নীতির মামলা স্থগিত চেয়ে ওসি প্রদীপের আবেদন
ওসি প্রদীপের দুর্নীতি মামলার শুনানি পেছাল
শ্রীনগরের ওসি প্রত্যাহার
দুদকের মামলায় জামিন পাননি ওসি প্রদীপ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mayoral candidates from 11 to 2 at the last moment

মেয়র প্রার্থী ১১ থেকে শেষ মুহূর্তে ২

মেয়র প্রার্থী ১১ থেকে শেষ মুহূর্তে ২ পোস্টারে ছেয়ে গেছে গোপালগঞ্জ পৌর এলাকা। ছবি: নিউজবাংলা
গোপালগঞ্জ পৌরসভার উন্মুক্ত এই নির্বাচনে প্রতীক বরা‌দ্দের পর দলীয় কার্যাল‌য়ে সংবাদ স‌ম্মেল‌ন করেন জেলা আওয়ামী লী‌গের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আ‌লি খান। সেখানে তিনি জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থে‌কে প্রধানমন্ত্রীর চাচা শেখ র‌কিব হো‌সেন‌কে সমর্থন দেন।

গোপালগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া ১১ প্রার্থীর মধ্যে শেষ পর্যন্ত মাঠে আছেন দুজন।

এখন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আছেন গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক শেখ রকিব হোসেন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. দিদারুল ইসলাম।

আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে জড়িত প্রার্থীরা একে একে বসে পড়েছেন। তারা প্রধানমন্ত্রীর চাচা শেখ রকিব হোসেনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

তারা শেখ রকিবকে সমর্থন দিয়ে কর্মী-সমর্থকদেরও তার পক্ষে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন।

মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এম বদরুল আলম বদর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন। ৫ জুন রাতে একই কায়দায় জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি রায় চৌধুরী সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।

১০ জুন একইভাবে জেলা যুবলীগের সভাপতি জি এম শাহাবুদ্দিন আজম, জেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক রেজাউল হক সিকদার রাজু মেয়র পদে নির্বাচনি মাঠ ছেড়ে দিয়ে শেখ রকিবকে সমর্থন দেন।

শনিবার আওয়ামী লীগ সমর্থক দিলীপ কুমার সাহা দিপু ও এস এম নজরুল ইসলাম নূতন একই কায়দায় নিজেকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে নেন।

ভোটের দুদিন আগে রোববার বিকেলে মেয়র প্রার্থী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র কাজী লিয়াকত আলী লেকু নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।

তার বাসায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ও সমর্থকদের শেখ রকিবের পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানান। শেখ রকিবের নারিকেল গাছ মার্কায় ভোট দেয়ার আহ্বান জানান।

সব শেষে সন্ধ্যায় শেখ রকিব হোসেনের পক্ষে সমর্থন জানিয়ে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মুশফিকুর রহমান লিটনও নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাকে সম্মান জানিয়ে শেষ মুহূর্তে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

১৫ জুন নৌকা প্রতীক ছাড়াই হচ্ছে গোপালগঞ্জ পৌরসভার ভোট।

গোপালগঞ্জ সদর পৌরসভা নির্বাচ‌নে আওয়ামী লীগ কাউকে মনোনয়ন দেয়নি। উন্মুক্ত এই নির্বাচনে প্রতীক বরা‌দ্দের পর দলীয় কার্যাল‌য়ে সংবাদ স‌ম্মেল‌ন করেন জেলা আওয়ামী লী‌গের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আ‌লি খান। তিনি জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থে‌কে প্রধানমন্ত্রীর চাচা শেখ র‌কিব হো‌সেন‌কে সমর্থন দেন। দলীয় নেতাকর্মী‌দের তার পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
আ.লীগ নেতার প্রার্থিতা ফিরিয়ে দিল হাইকোর্ট
আচরণবিধি লঙ্ঘন: আ.লীগের প্রার্থী বাতিল
স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীর প্রচারে হামলা, প্রার্থীসহ আহত ৫
গোপালগঞ্জে পৌর নির্বাচনের মতবিনিময় সভায় হট্টগোল
স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থীর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা-ভাঙচুর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Comilla City Vote EC wants to calculate expenditure within 30 days of results

কুমিল্লা সিটি ভোট: ফলের ৩০ দিনের মধ্যে ব্যয়ের হিসাব চায় ইসি

কুমিল্লা সিটি ভোট: ফলের ৩০ দিনের মধ্যে ব্যয়ের হিসাব চায় ইসি কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রচারে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত ও স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা মনিরুল হক সাক্কু। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ব্যয়ের হিসাব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেয়ার পাশাপাশি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পাঠানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছে সাংবিধানিক এ প্রতিষ্ঠানটি।

আসন্ন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) ভোটের ফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের ব্যয়ের হিসাব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ব্যয়ের হিসাব রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেয়ার পাশাপাশি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পাঠানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছে সাংবিধানিক এ প্রতিষ্ঠানটি।

গত বুধবার ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপসচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত নির্দেশনাটি কুমিল্লা সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তাকে দেয়া হয়েছে।

আগামী ১৫ জুন কুসিক নির্বাচনের ভোট গ্রহণ করা হবে। নির্বাচনে মেয়র পদে ছয়জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।

তারা হলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত আরফানুল হক রিফাত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. রাশেদুল ইসলাম, স্বতন্ত্র হিসেবে বিএনপি নেতা ও দুইবারের মেয়র মো. মনিরুল হক সাক্কু, কামরুল আহসান বাবুল, মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন ও মাসুদ পারভেজ খান।

এদের মধ্যে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মাসুদ পারভেজ খান মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। অর্থাৎ মেয়র পদে ভোটের লড়াইয়ে থাকছেন পাঁচজন প্রার্থী।

এ ছাড়া সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর মিলে ১৪০ জনের মতো প্রার্থী থাকছেন ভোটের মাঠে। সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদের ক্ষেত্রে ৫ নম্বর ও ১০ নম্বর ওয়ার্ডে দুজন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এ ক্ষেত্রে নির্বাচনে অংশ নেয়া সব প্রার্থীকেই ব্যয়ের হিসাব দিতে হবে।

মেয়র প্রার্থীর নির্বাচনি ব্যয়ের সীমা

নির্বাচন বিধিমালায় বলা হয়েছে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অনধিক পাঁচ লাখ ভোটারসংবলিত সিটি করপোরেশনের ক্ষেত্রে ব্যয়ের সীমা ব্যক্তিগত খরচ বাবদ সর্বোচ্চ ৭৫ হাজার টাকা এবং নির্বাচনে ব্যয় বাবদ সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টাকা।

কুমিল্লা ভোটে ২৭টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার রয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৯২০ জন। অর্থাৎ মেয়র পদের প্রার্থীরা ব্যক্তিগত খাতে ৭৫ হাজার টাকা এবং নির্বাচন খাতে ১৫ লাখ টাকা, মোট ১৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা ব্যয় করতে পারবেন।

বিধিমালায় কাউন্সিলর পদপ্রার্থীর ব্যয়

কাউন্সিলর প্রার্থী ব্যক্তিগত খরচ বাবদ অনধিক ১৫ হাজার ভোটারসংবলিত ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা। এ ছাড়া নির্বাচনি ব্যয় বাবদ অনধিক ১৫ হাজার ভোটারসংবলিত ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা। ১৫ হাজার এক হতে ৩০ হাজার ভোটারসংবলিত ওয়ার্ডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা। কুসিকের ২৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোটার রয়েছে ৩ নম্বর ওয়ার্ডে, ১৬ হাজার ৪৭৪ জন। আর সবচেয়ে কম ভোটার রয়েছে ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে, ৩ হাজার ৮৯৪ জন।

অর্থাৎ কাউন্সিলর প্রার্থীরা ওয়ার্ডভেদে ব্যক্তিগত খাতে সর্বনিম্ন ১৫ হাজার ও সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা এবং নির্বাচন খাতে সর্বনিম্ন এক লাখ টাকা ও সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা ব্যয় করতে পারবেন।

ভোটের প্রচারপত্র বা প্রকাশনার মাধ্যমে অথবা অন্য কোনোভাবে ভোটারদের কাছে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অভিমত, লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য উপস্থাপনের জন্য ব্যয়িত অর্থসহ তার নির্বাচন পরিচালনার জন্য দান, ঋণ, অগ্রিম জমা বা অন্য কোনোভাবে পরিশোধিত অর্থ ‘নির্বাচনি ব্যয়’ বলে বিবেচিত হবে।

আত্মীয়-স্বজনের (স্বামী বা স্ত্রী, মাতা, পিতা, পুত্র, কন্যা, ভ্রাতা বা ভগ্নি) কাছ থেকে ধার, কোনো প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার স্বেচ্ছা প্রদত্ত দান গ্রহণ করাকে ব্যয়ের উৎস দেখানো যাবে। এ ক্ষেত্রে কোনো উৎস থেকে কোনো অর্থ প্রাপ্ত হলে অর্থপ্রাপ্তির পর তাৎক্ষণিকভাবে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হবে।

এদিকে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তার নির্বাচনি এজেন্ট ছাড়া অন্য কারো মাধ্যমে নির্বাচন বাবদ কোনো অর্থ ব্যয় করতে পারবেন না। এ ক্ষেত্রে পুরো ব্যয় পরিচালনা করতে হবে তফসিলি ব্যাংকের নির্দিষ্ট একটি অ্যাকাউন্ট থেকে।

আরও পড়ুন:
কুমিল্লা সিটিতে ৮৫ শতাংশ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ
বেগম পাড়ায় বাড়ি ইস্যুতে কুমিল্লায় উত্তাপ
বৈধ টাকা থাকলে চান্দের দেশে বাড়ি বানানো যায়: সাক্কু
এমপি বাহারের বিরুদ্ধে অভিযোগ সাক্কুর
গোপালগঞ্জ পৌর নির্বাচনে অপপ্রচার বন্ধের দাবি মেয়র প্রার্থীর

মন্তব্য

p
উপরে