× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
A very enthusiastic officer should not ruin the environment Bahar
hear-news
player
print-icon

আইনত নির্বাচন কমিশন এই চিঠি দিতেই পারে না: বাহার

আইনত-নির্বাচন-কমিশন-এই-চিঠি-দিতেই-পারে-না-বাহার
নগরীর ১১ নম্বর ওয়ার্ডের ভিক্টোরিয়া কলেজিয়েট স্কুলকেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার। ছবি: নিউজবাংলা
‘আপনারা কেউ নির্বাচন কমিশনকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, আপনাদের কোনো অথরিটি আছে? যে আইনটা বলি আপনাদের, সেই আইনটা হচ্ছে সরকারের সুবিধাভোগী কোনো ব্যক্তি নির্বাচনের প্রচারে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। আই অ্যাম নট দ্য পার্ট অফ দ্য গভর্নমেন্ট, আমার ঠিকানা হচ্ছে আমি জাতীয় সংসদের পার্ট, আমি জাতীয় সংসদের সদস্য। আই অ্যাম দ্য মেম্বার অফ দ্য পার্লামেন্ট।’

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রচার চলাকালে এলাকা ছাড়তে নির্বাচন কমিশন যে চিঠি দিয়েছিল, তা নিয়ে ভোটের দিন মুখ খুললেন কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার।

তার দাবি, নির্বাচন কমিশনের সেই চিঠিটি এখতিয়ারবহির্ভূত।

সংসদ সদস্য হিসেবে ভোটের প্রচারে নামতে আইনে বাধা আছে। তবে বাহার পরোক্ষভাবে নৌকার প্রার্থী আরফানুল হক রিফাতের পক্ষে কাজ করছেন- এমন অভিযোগ এনে ৬ জুন রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে চিঠি দেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু। দুই দিন পর নির্বাচন কমিশন এক চিঠিতে বাহারকে নির্বাচনি এলাকা থেকে বাইরে যেতে বলে।

তবে বাহার এই নির্দেশ না মেনে যান আদালতে। আর উচ্চ আদালত কমিশনের সিদ্ধান্ত ১৫ জুন অর্থাৎ ভোটের দিন পর্যন্ত স্থগিত করে। ফলে ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্যের এলাকায় অবস্থানের কোনো বাধা ছিল না। আর বাহার সশরীরে ভোটের প্রচারে নেমেছেন- এমন কোনো উদাহরণও ছিল না।

তবে এই বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসবেন বলেও বাহার গণমাধ্যমের সামনে আসেননি।

আওয়ামী লীগ নেতা দাবি করেন, নির্বাচন কমিশন এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে তাকে চিঠি দিয়েছে। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন আমাকে যে চিঠিটা দিয়েছে, ইতোমধ্যে যারা ইয়েলো জার্নালিজম করেন, তারা বিভিন্নভাবে আমাকে হ্যারাসমেন্ট করেছেন।’

‘আসলে আপনারা কেউ নির্বাচন কমিশনকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, আপনাদের কোনো অথোরিটি আছে? যে আইনটা বলি আপনাদের, সেই আইনটা হচ্ছে সরকারের সুবিধাভোগী কোনো ব্যক্তি নির্বাচনের প্রচারে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। আই অ্যাম নট দ্য পার্ট অফ দ্য গভর্নমেন্ট, আমার ঠিকানা হচ্ছে আমি জাতীয় সংসদের পার্ট, আমি জাতীয় সংসদের সদস্য। আই অ্যাম দ্য মেম্বার অফ দ্য পার্লামেন্ট।

‘আমাকে এই আইনের আওতায় আটকে ঘরে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমি চেয়েছিলাম, আমার প্রিয় নেত্রী যেমন চায় একটি সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন, আমিও কুমিল্লায় একটি সুষ্ঠু, সুন্দর নির্বাচন চাই।’

আইনত নির্বাচন কমিশন এই চিঠি দিতেই পারে না: বাহার
কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে একটি কেন্দ্রে ভোটারদের লাইন

নির্বাচন কমিশন তাহলে নিজেরাই আইন লঙ্ঘন করেছে- এমন প্রশ্নে বাহার বলেন, ‘আমার মনে হয়। আইন তো সবার জন্য সমান। আইনটা নির্বাচন কমিশনের আগে মানতে হবে। আমি খুব দুঃখ পেয়েছি, একজন নির্বাচন কমিশনার আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে বলেছেন, ‘আই অ্যাম আ ল মেকার, আমি আইন ভঙ্গ করেছি। আপনাদের সবার কাছে আমার প্রশ্ন, আপনারা কি কোথাও দেখেছেন আমাকে? আমি কীভাবে আইন ভাঙলাম?

‘তিনি যে চিঠি দিয়েছেন, এটি ওনি এখতিয়ারবহির্ভূত দিয়েছেন। ভাষাগতভাবেও ঠিক হয়নি। জাতীয় সংসদ সদস্যকে এভাবে নির্দেশ শব্দ ব্যবহার করতে পারেন না। চিঠিটা অসমাপ্ত। এতে আইনের পুরো ব্যাখ্যা এখানে নেই। যদিও আইনটি নিয়ে আমার পার্লামেন্টে কথা বলতে হবে। আইনটি আমরা সংশোধন করব ইনশাআল্লাহ।

‘আমি হাইকোর্টে এটার জন্য রিট করেছি, একটা রুলও পেয়েছি। এই জন্য করেছি, এটি পরিবর্তন হবে। একজন সংসদ সদস্য যেহেতু সরকারের অংশ না, তাহলে আমার সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে।’

‘কুমিল্লায় নৌকার জয় নিশ্চিত’

বাহারের অনুমান, গত দুই সিটি নির্বাচনে হারলেও এবার কুমিল্লায় জয় হবে নৌকার।

তিনি বলেন, ‘চুরাশি সাল থেকে আমি যত নির্বাচন করেছি সব নির্বাচনেই আমার প্রতিদ্বন্দ্বীদের জামানত নিয়ে যেতে কষ্ট হয়েছে। এই নির্বাচনেও এই চিঠিই আমাকে অনেকটা এগিয়ে দিয়েছে। আমাকে চিঠি দেয়ার কারণে কুমিল্লার মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে আজকে সবাই নৌকার পক্ষে ভোট দিচ্ছে।

‘এই নৌকার জন্য ৩০ লাখ মানুষ রক্ত দিয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু তার জীবদ্দশায় ১৪ বছর কারাগারে কাটিয়েছেন। বাংলাদেশের জন্য নৌকার বিকল্প কোনো প্রতীক নাই। আমি নৌকায়ই ভোট দিয়েছি। নৌকারই বিজয় হবে, বাহারের কোনো বিজয় হবে না।’

কিছু অতি উৎসাহী কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

কুমিল্লায় ভোটের পরিবেশ কেমন- এমন প্রশ্নে বাহার বলেন, ‘আমি ভোট দিতে এসে একটি উৎসবমুখর পরিবেশ পেয়েছি। শান্তির কুমিল্লায় সুন্দর পরিবেশে ভোট হচ্ছে। সকালবেলা একটু বৃষ্টি হয়েছিল। ভোটাররা একটু হতাশ হয়েছিল যে কীভাবে ভোট দেবে।

‘আমার মনে হয় বৃষ্টি চলে যাওয়ার পর ভোটাররা উৎসব-উদ্দীপনা নিয়ে ভোট দিচ্ছেন। কারণ উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট হচ্ছে। কোথাও কোনো গণ্ডগোল নাই, ঝামেলা নাই।’

আইনত নির্বাচন কমিশন এই চিঠি দিতেই পারে না: বাহার

কুমিল্লায় গত দুই সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ যাদের প্রার্থী করেছিল তারা ছিলেন নিজ দলে বাহারের প্রতিদ্বন্দ্বী আফজল খানের বলয়ের।

২০১২ সালে আফজল খান এবং ২০১৭ সালে তার মেয়ে আঞ্জুম সুলতানা সীমাকে প্রার্থী করে আওয়ামী লীগ। প্রথমবার ৩৫ হাজার ভোটে এবং দ্বিতীয়বার ১১ হাজার ভোটে হেরে যায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী।

আফজল খান গত বছর মারা যাওয়ার পর তার বলয়ের প্রভাব অনেকটাই কমে গেছে। আওয়ামী লীগ এবার প্রার্থী করেছে বাহারের বলয়ের আরফানুল হক রিফাতকে। এ কারণে বাহার বলয় এবার ভোটে আপ্রাণ চেষ্টা করছে।

বাহার বলেন, ‘আমি আপনাদের সব টিভির মাধ্যমে প্রশাসনকে বলতে চাই যে অতি উৎসাহী কোনো কর্মকর্তা যেন পরিবেশ নষ্ট না করে। ক্যান্ডিডেট এবং সমর্থকরা উৎসবমুখর অবস্থায় আছে। সারা কুমিল্লায় উৎসবের আমেজ চলছে।

‘কোথাও ১০-১২ জন ছেলেপেলে একসঙ্গে দাঁড়িয়ে থাকলে অতি উৎসাহী কোনো কর্মকর্তা যেন তাদের হ্যারাস না করে। আইনশৃঙ্খলার অবনতি হলে তখন আপনারা কাজে নামেন। আমার প্রিয় কুমিল্লাবাসীর প্রত্যেকেই যেন সুষ্ঠু, সুন্দরভাবে ভোট দিতে পারে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সব কর্মকর্তার প্রতি এটা আমার অনুরোধ।’

কয়েকজন ভোটার ভোট দিতে পারেননি বলে অভিযোগ পেয়েছেন বলেও জানান সংসদ সদস্য।

তিনি বলেন, ‘আমার কাছে কমপ্লেন এসেছে যে কয়েকজন ভোটার আইডি নিয়ে গেছে, কিন্তু চিঠি নিয়ে যায়নি। তাই তাদের ভোট দিতে দেয়নি। এখন চিঠি তো ভোটের অংশ না, আইডি অংশ। দু-একজন ম্যাজিস্ট্রেট এমন আছেন যারা আইডি আটকে রেখেছেন।

‘আমি সব কর্মকর্তাকে বলব, একটি উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচনকে সাফল্যমণ্ডিত করার জন্য আপনারা সহযোগিতা করবেন।’

কুমিল্লা সিটিতে বুধবার সকাল ৮টা থেকে ভোট শুরু হয়েছে। বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট চলবে।

২৭টি ওয়ার্ডে ভোটার রয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৯২০ জন। এদের মধ্যে ১ লাখ ১৭ হাজার ৯২ জন নারী এবং ১ লাখ ১২ হাজার ৮২৬ জন পুরুষ। ট্রান্সজেন্ডার ভোটার রয়েছেন দুজন।

আরও পড়ুন:
কুমিল্লায় আউয়াল কমিশনের প্রথম পরীক্ষা শুরু
কুমিল্লা নির্বাচন: মেয়র প্রার্থীরা কখন, কোথায় ভোট দেবেন
কুমিল্লার ভোটে চোখ রাখবে ৮৫০ সিসি ক্যামেরাও
বাহারকে এলাকা ছাড়তে বলা মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপ: তথ্যমন্ত্রী
কুমিল্লাতেই ইসির ক্ষমতা বোঝা গেছে: ফখরুল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The CPB demanded justice for the attack on the hills in Khagrachari

খাগড়াছড়িতে পাহাড়িদের ওপর হামলার বিচার দাবি সিপিবির

খাগড়াছড়িতে পাহাড়িদের ওপর হামলার বিচার দাবি সিপিবির
‘রাষ্ট্রের সব জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের। দেশের সর্বত্র সব মানুষের নিরাপদ ও স্বাধীন জীবনযাপনের পরিবেশ জনগণের মৌলিক অধিকার।’

খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে ৩৭টি পাহাড়ি পরিবারের ওপর হামলা ও বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবি।

সিপিবির সভাপতি শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমরা জানতে পারলাম গত ৫ জুলাই মহালছড়িতে আদিবাসীদের জায়গা-জমি, সম্পত্তি দখল এবং জাতিগত নিষ্পেষণ চালানোর উদ্দেশ্যে স্থানীয় আদিবাসীদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়া হয়।

‘দীর্ঘদিন ধরে একের পর এক এ ধরনের হামলা, অপহরণের ঘটনা পাহাড়ে ঘটে চললেও আদিবাসীদের নিরাপত্তা সরকার নিশ্চিত করতে পারছে না।’

অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তি দাবি জানিয়ে সিপিবি নেতারা বলেন, ‘রাষ্ট্রের সব জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের। দেশের সর্বত্র সব মানুষের নিরাপদ ও স্বাধীন জীবনযাপনের পরিবেশ জনগণের মৌলিক অধিকার।’

বিবৃতিতে অন্যায় নিপীড়নের বিরুদ্ধে, গণতন্ত্রহীনতার বিরুদ্ধে জনগণের ঐক্যবদ্ধ গণতান্ত্রিক সংগ্রাম গড়ে তুলতে সচেতন দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

আরও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে এশিয়ায় নতুন অর্থনৈতিক জোট, সিপিবির উদ্বেগ
গণহত্যা দিবসে শিখা চিরন্তনে সিপিবির আলোর মিছিল
সিপিবির সভাপতি শাহ আলম, সম্পাদক প্রিন্স
সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটিতে নেই কোনো কৃষক-মজদুর
সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটিতে ১০ নতুন মুখ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
People will not suffer with electricity Rizvi

বিদ্যুৎ নিয়ে যন্ত্রণা সহ্য করবে না জনগণ: রিজভী

বিদ্যুৎ নিয়ে যন্ত্রণা সহ্য করবে না জনগণ: রিজভী বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ছবি: নিউজবাংলা
‘প্রধানমন্ত্রীর সব কথা দ্বিচারিতামূলক। তিনি নাকি বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করেছেন। তাহলে লোডশেডিং কেন? …আপনি উন্নয়নের নামে দুর্নীতি করে যে টাকা পাচার করেছেন তার কুফল মানুষ এখন ভোগ করছে। বিদ্যুৎ খাতে জনগণের ভর্তুকির টাকা হরিলুট করা হয়েছে। বিদেশে পাচার করা হয়েছে। প্রাকৃতিক গ্যাসে নয়ছয় হয়েছে। তারা বিদ্যুৎ উৎপাদনে নজর দেয়নি।’

কোথায় আপনার বিদ্যুৎ? আপনাকে দেশবাসী আর সহ্য করবে না- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে এই বক্তব্য রেখেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

বিএনপি নেতা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সব কথা দ্বিচারিতামূলক। তিনি নাকি বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করেছেন। তাহলে লোডশেডিং কেন?’

বৃহস্পতিবার দুপুরে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছিলেন রিজভী।

চলতি মাসের শুরু থেকে দেশে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির অবনতির পর পরই সরকারকে আক্রমণ করছে বিএনপি। তাদের দাবি, সরকার গত এক যুগে বিদ্যুৎ উৎপাদন নিয়ে গর্ব করলেও আসলে এই খাতে কোনো উন্নয়ন হয়নি।

অন্যদিকে দলটির সর্বশেষ শাসনামলে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিদ্যুতের করুণ চিত্র তুলে ধরে ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির লজ্জা থাকলে লোডশেডিং নিয়ে কথা বলত না।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর বিদ্যুৎ খাতকে অগ্রাধিকার নিয়ে কাজ করেছে। এই সময়ে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি নানা প্রকল্পের সুফলও পেয়েছে দেশ। এক যুগে বিদ্যুতের উৎপাদনক্ষমতা ছয় গুণের বেশি বেড়েছে, উৎপাদনও বেড়েছে চার গুণের বেশি। বিদ্যুতের আরও কয়েকটি বড় প্রকল্প উৎপাদনে আসার অপেক্ষায়।

বিদ্যুৎ খাত নিয়ে বরাবর গর্ব করে থাকেন আওয়ামী লীগ নেতারা। তবে গত এক বছরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের ব্যাপক মূল্যবৃদ্ধির পর দেশে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সমস্যা হচ্ছে।

বাংলাদেশ সরকারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে তরল গ্যাস বা এলএনজি আপাতত আমদানি করা হবে না। গ্যাসের ঘাটতিজনিত উৎপাদনের যে সংকট সেটি সমাধান করা হবে লোডশেডিংয়ের মাধ্যমে। দেশে এখন দুই হাজার মেগাওয়াট ঘাটতি আছে।

বিদ্যুৎ বিভাগ গত কয়েক বছরে লোডশেডিং শব্দটা ব্যবহার করত না। তারাই এখন লোডশেডিংয়ের জন্য দুঃখ প্রকাশ করছে। দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি আর না কেনার কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। এ জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হবে জানিয়ে তিনি দুঃখও প্রকাশ করেছেন।

বিদ্যুতের চাহিদা কমাতে সরকার রাত ৮টায় বিপণিবিতান বন্ধের পাশাপাশি অফিস সময় পুনর্নির্ধারণ করে সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত করার চিন্তা করছে।

রিজভী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সব কথা দ্বিচারিতামূলক। তিনি নাকি বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করেছেন। তাহলে লোডশেডিং কেন? …আপনি উন্নয়নের নামে দুর্নীতি করে যে টাকা পাচার করেছেন তার কুফল মানুষ এখন ভোগ করছে। বিদ্যুৎ খাতে জনগণের ভর্তুকির টাকা হরিলুট করা হয়েছে। বিদেশে পাচার করা হয়েছে। প্রাকৃতিক গ্যাসে নয়ছয় হয়েছে। তারা বিদ্যুৎ উৎপাদনে নজর দেয়নি।

‘নিজের আত্মীয়স্বজনের দিয়ে কুইক রেন্টালের সুযোগ দিয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করছেন বিদ্যুৎ খাত থেকে। লোডশেডিংয়ের যন্ত্রণায় মানুষ অসহায় হয়ে পড়েছে।’

বিএনপি নেতা বলেন, ‘উন্নয়নের নামে হইচই করে এত লাফালাফি করলেন, কোথায় আপনার বিদ্যুৎ? আপনাকে দেশবাসী আর সহ্য করবে না।

‘আপনি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই প্রতিনিয়ত মিথ্যাচার করে চলেছেন। কোথায় ১০ টাকার চাল? কোথায় ঘরে ঘরে চাকরি? আজকে দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বেশি বেকার তথা কর্মহীন লোকের সংখ্যা বাংলাদেশে। আপনি ক্ষমতায় থাকা মানে মানুষ না খেয়ে থাকা। আপনি ক্ষমতায় থাকা মানে কর্মহীন থাকা। আজকে গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে লিখতে ও বলতে পারে না। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নামে বিভিন্ন কালাকানুন করেছে সরকার।’

ঈদে মানুষ সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার বলেও অভিযোগ করেন রিজভী। বলেন, ‘মাফিয়া আওয়ামী লীগের লোকেরা সিন্ডিকেট করে দ্বিগুণ থেকে তিন গুণ ভাড়া আদায় করছে। আজকে সিন্ডিকেট এমনভাবে চেপে বসেছে মানুষ মুখ ফুটে কিছু বলতে পারছে না। কোরবানির হাটেও সিন্ডিকেট করছে আওয়ামী লীগের লোকজন। সরকারদলীয় লোকেরা ইচ্ছামতো দাম বৃদ্ধি করে ক্রেতাদের পশু কিনতে বাধ্য করছে।

‘দেশের মানুষ ঈদের প্রাক্কালে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে হাপিত্যেশ করছে। সরকার জনগণের সঙ্গে তামাশা করছে। মানুষ বন্যার পানিতে ভাসছে, তাদের দিকে সরকারের কোনো দায়িত্ববোধ নেই। তারা পদ্মা সেতুর জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যস্ত।’

পদ্মা সেতুতে প্রধানমন্ত্রীর ছবি তোলা নিয়ে প্রশ্ন

পদ্মা সেতুতে দাঁড়ানো ও ছবি তোলা নিষিদ্ধের আদেশ জারির পরও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের ছবি তোলা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রিজভী।

তিনি বলেন, ‘দেশ চলছে মাফিয়া শাসনের অধীনে। এখানে আইনের কোনো বালাই নেই। হবু চন্দ্র রাজার গবু চন্দ্র মন্ত্রীরা যা খুশি বলছে এবং করছে।’

গত ৪ জুলাই পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে সড়কপথে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যান প্রধানমন্ত্রী। যাওয়ার পথে তারা সেতুতে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন।

তবে ২৫ জুন সেতু চালুর আগে সেতু কর্তৃপক্ষ এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে সেতুতে দাঁড়ানো বা ছবি তোলা যাবে না বলে জানায়।

রিজভী বলেন, ‘উদ্বোধনের পর পদ্মা সেতুর ওপর নেমে ছবি তোলা যাবে না। ছবি তোলায় কয়েকজনকে জরিমানাও করা হয়েছে। অথচ কদিন আগে প্রধানমন্ত্রী পদ্মা সেতুর মাঝখানে দাঁড়িয়ে নিজের ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে সেলফি তুলেছেন। আসলে এক দেশে দুই আইন চলছে।’

‘দেশে নির্বাচিত সরকার থাকলে তারা আইন মানত। তারা তো অনির্বাচিত। সে জন্য যখন যা চায় তারা তাই করছে।’
আলোচনা সভা শেষে অর্পণ সংঘের উদ্যোগে যুবদলের প্রয়াত নেতা জি এস বাবুলের স্ত্রীর হাতে অর্থসহায়তা তুলে দেন রিজভী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল, সহপ্রচার সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন, নির্বাহী কমিটির সদস্য আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী, জাহেদুল কবির, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য ও অর্পণ সংঘের বীথিকা বিনতে হোসাইন, ওমর ফারুক কাওসার ও আরিফুর রহমান তুষার।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
This state of power would not have happened if we had listened to the leftists CPB

বামপন্থিদের কথা শুনলে বিদ্যুতের এই দশা হতো না: সিপিবি

বামপন্থিদের কথা শুনলে বিদ্যুতের এই দশা হতো না: সিপিবি নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাতে মিছিলে সিপিবির নেতাকর্মীরা। ফাইল ছবি
‘জ্বালানি খাতকে আমদানিনির্ভর করাসহ ভুলনীতি ও দুর্নীতি পরিত্যাগ করে দেশের দেশপ্রেমিক বিশেষজ্ঞদের, বামপন্থিদের কথা শুনে জ্বালানি খাত অগ্রসর করলে আজ এই পরিস্থিতি হতো না। জ্বালানি খাতকে আমদানি নির্ভর করে সংকট তৈরিসহ সরকারের এই ভুলনীতি ও দুর্নীতির দায় সাধারণ মানুষ নেবে না।’

আন্তর্জাতিক বাজারে তেল-গ্যাসের বাড়তি দামের কারণে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমিয়ে লোডশেডিং করার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে বামপন্থি দল বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবি। তারা বলছে, বিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের নীতি ছিল ভুল। এ কারণে এই দশা তৈরি হয়েছে। বামপন্থিদের কথা শুনলে এটা হতো না।

সিপিবি সভাপতি শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বুধবার এক বিবৃতিতে এই দাবি জানান।

গত এক দশকে দেশে বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক উন্নতির পর দেশের শতভাগ এলাকায় বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। গত কয়েক বছরে লোডশেডিং শব্দটিও সরকার ব্যবহার করত না। কোথাও কোথাও বিদ্যুতের যাওয়া আসাকে সরবরাহ লাইনের বিভ্রাট হিসেবে বলা হতো। সেই সমস্যা কাটিয়ে উঠার চেষ্টা চলছে বলেও জানানো হয়েছে।

কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে তরল গ্যাস ও এলএনজির দাম এক বছরে ১০ গুণ হয়ে যাওয়ার পর স্পট মার্কেট থেকে আর গ্যাস না কেনার সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়েছে বিদ্যুৎ উৎপাদনে। গ্যাস সংকটের কারণেই ঘাটতি প্রায় দুই হাজার মেগাওয়াট। পরিকল্পিত লোডশেডিং করেই পরিস্থিতি সামাল দিতে চাইছে সরকার।

তবে লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ ও উদ্বেগ জানিয়ে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে সিপিবি।

বিবৃতিতে নেতারা বলেন, ‘সরকারের ভুলনীতি ও দুর্নীতির কারণে বিদ্যুতের গল্প আজ গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভর্তুকির নামে প্রতিদিন জনগণের করের কোটি কোটি টাকা অপচয় করেও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার ব্যর্থ হচ্ছে। অথচ জ্বালানি খাতকে আমদানিনির্ভর করাসহ ভুলনীতি ও দুর্নীতি পরিত্যাগ করে দেশের দেশপ্রেমিক বিশেষজ্ঞদের, বামপন্থিদের কথা শুনে জ্বালানি খাত অগ্রসর করলে আজ এই পরিস্থিতি হতো না। জ্বালানি খাতকে আমদানি নির্ভর করে সংকট তৈরিসহ সরকারের এই ভুলনীতি ও দুর্নীতির দায় সাধারণ মানুষ নেবে না।’

সরকারের পক্ষ থেকে বিদ্যুতে সাশ্রয়ী হতে যে আহ্বান জানানো হয়েছে, সেটির আগে সরকারকেই দৃষ্টান্ত রাখার আহ্বানও জানান সিপিবি নেতারা।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘কোনো কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতি হলে প্রথমে সরকারের সর্বোচ্চ মহল থেকে সাশ্রয়ী ব্যবহার, এসির ব্যবহার বন্ধ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। সর্বত্র এসির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সাধারণ মানুষ, কৃষি-শিল্পের অগ্রাধিকার বিবেচনায় নিয়ে বিদ্যুৎ বণ্টন নিশ্চিত করতে হবে।’

সিপিবির দৃষ্টিতে সরকারের কী কী ভুল-সেটিও উঠে আসে বিবৃতিতে। এতে বলা হয়, ‘দেশের স্থল ও সমুদ্রের গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে উপেক্ষা করা হয়েছে। গ্যাস চুরি, অপচয় বন্ধ করে, সাশ্রয়ী ব্যবহার করতে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। অন্যদিকে বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানিকে গুরুত্ব দিয়ে জ্বালানি খাতকে এলএনজি আমদানিনির্ভরতা অনিবার্য করে তোলা হয়েছে। তেলের ওপর নির্ভরতা বাড়ানো হয়েছে।

‘শুধু তাই নয়, সংবিধানের মূল দৃষ্টিভঙ্গিকে উপেক্ষা করে বেসরকারি খাতের প্রাধান্যও বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে কমিশনভোগী ও বিশেষ গোষ্ঠী লাভবান হয়েছে। প্রতি বছর জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট হয়েছে ও হচ্ছে। আজ তার পরিণতিতে বিদ্যুৎ সংকট তীব্র হয়ে উঠেছে। সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। কৃষি শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।’

এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে দেশ আরেক সংকটে পড়বে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয় বিবৃতিতে। বিদ্যুৎসহ জ্বালানি খাতের শ্বেতপত্র প্রকাশ, তাদের ভাষায় ‘জ্বালানি অপরাধীদের’ চিহ্নিত ও বিচারের দাবি জানান সিপিবি নেতারা।

বিবৃতিতে রেন্টাল, কুইক রেন্টালসহ ‘অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎকেন্দ্র’ বন্ধ ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানানো হয়। একইসঙ্গে জ্বালানি খাতে আমদানিনির্ভরতা দূর করে জাতীয় সক্ষমতা বাড়াতে স্থল ও সমুদ্র ভাগে নতুন নতুন গ্যাস ক্ষেত্র অনুসন্ধান ও উত্তোলনে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়ারও দাবি জানান নেতারা।

আরও পড়ুন:
লোডশেডিংয়ে উৎপাদন ব্যাহত, অতিষ্ঠ জনজীবন
লোডশেডিংয়ে আইপিএস-সোলারের রমরমা
এত লোডশেডিং কেন, জানালেন প্রধানমন্ত্রী
চাহিদার অর্ধেক সরবরাহে বারবার বিদ্যুৎ যাচ্ছে বগুড়ায়
গ্যাসস্বল্পতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
PM breaks law by taking selfie on Padma bridge Zafarullah

পদ্মা সেতুতে সেলফি তুলে আইন ভেঙেছেন প্রধানমন্ত্রী: জাফরুল্লাহ

পদ্মা সেতুতে সেলফি তুলে আইন ভেঙেছেন প্রধানমন্ত্রী: জাফরুল্লাহ গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ফাইল ছবি
‘প্রধানমন্ত্রী ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় পদ্মা সেতুতে গিয়ে সেলফি তোলেন। এর আগে ঘোষণা হয়েছে, পদ্মা সেতুতে কোনো সেলফি তোলা যাবে না। তার মানে আইন তার জন্য না।’

পদ্মা সেতুতে সেলফি তুলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইন ভেঙেছেন বলে দাবি করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

বুধবার দুপুরে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করে তিনি এই অভিযোগ করেন।

ঈদ উপলক্ষে ১০ হাজার পরিবারকে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের খাবার সহায়তা দেয়া হয়।

জাফরুল্লাহ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় পদ্মা সেতুতে গিয়ে সেলফি তোলেন। এর আগে ঘোষণা হয়েছে, পদ্মা সেতুতে কোনো সেলফি তোলা যাবে না। তার মানে আইন তার জন্য না।’

তিনি বলেন, ‘এর অন্যতম কারণ হলো গণতন্ত্র। সাংবাদিকদের কথা বলতে দিতে হবে। যত কালাকানুন আছে উঠিয়ে নিতে হবে।’

জাফরুল্লাহ বলেন, ‘দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির ফলে পদ্মা সেতুর জন্য সাধারণ মানুষের হাসি আজ কান্নায় পরিণত হয়েছে। আজকে চারদিকে অভাব-অনটন, কান্না।’

বিদ্যুৎ সংকটের জন্য সরকারের দুর্নীতি দায়ী বলেও মনে করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি বলেন, ‘সরকার এতদিন বলে আসছে বিদ্যুতে তাদের সারপ্রাইজ। এখন বলছে সাশ্রয় করতে হবে। দুর্নীতি করলে যা হয়। আমরা এখন সে অবস্থায় আছি।’

আরও পড়ুন:
চলেন পূর্ণিমায় খালেদাকে নিয়ে পদ্মা সেতুতে যাই: প্রধানমন্ত্রীকে জাফরুল্লাহ
সুধী সমাবেশে ডা. জাফরুল্লাহ
১৩ বছরে নেতাকর্মীরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে যেতে পারেননি: জাফরুল্লাহ
দলীয় সরকারের অধীনে ভোট কঠিন, তবে অসম্ভব নয়: জাফরুল্লাহ
প্রধানমন্ত্রীকে শ্রমিকের বাড়ি গিয়ে খবর নিতে বললেন জাফরুল্লাহ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
We want to remove the government very soon Musharraf

আমরা অতি দ্রুত সরকার হটাতে চাই: মোশাররফ

আমরা অতি দ্রুত সরকার হটাতে চাই: মোশাররফ বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
‘আমরা এ দেশে গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে চাই। অতি দ্রুত সরকারকে হটাতে চাই। এ দেশের জনগণ একটা নিরেপক্ষ নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন চায়। যে নির্বাচনে সরকার নিজের হাতে নিজের ভোট দিতে পারবে, ইভিএমে নয়। আর এর মাধ্যমে জনগণের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবে।’

বর্তমান সরকারকে যত দ্রুত সম্ভব ক্ষমতা থেকে হটাতে চান বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

তিনি বলেছেন, ‘আমরা আন্দোলন করলেও সরকার যাবে, না করলেও যাবে। যদি সেইভাবে যায় তাহলে জাতি আরেকটা অন্ধকারে প্রবেশ করবে। আর রাস্তায় নেমে আমরা যদি এদেরকে বাধ্য করতে পারি, তাহলে জনতার কাছে ক্ষমতা আসবে।’

বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এক আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি নেতা এসব কথা বলেন। ২০১১ সালের ৬ জুলাই সংসদ ভবনের সামনে তৎকালীন বিরোধী দলের চিফ হুইপ জয়নুল আবেদীন ফারুককে পুলিশের পিটুনির প্রতিবাদে এই আলোচনার আয়োজন করা হয়।

খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘এটা সকলের দাবি, এ দেশের মানুষ অতি দ্রুত পরিবর্তন চায়। তারা আর এই সরকারকে দেখতে চায় না। তারা চায় এই সরকার অতি দ্রুত তার পদ থেকে পদত্যাগ করুক বা আমরা তাদের সরিয়ে দিই। সেটা করতে হলে আমাদের সকলকে অবশ্যই রাস্তায় নামতে হবে।

‘আমরা এ দেশে গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে চাই। অতি দ্রুত সরকারকে হটাতে চাই। এ দেশের জনগণ একটা নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন চায়। যে নির্বাচনে সরকার নিজের হাতে নিজের ভোট দিতে পারবে, ইভিএমে নয়। আর এর মাধ্যমে জনগণের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করবে।’

সরকারের শেষ প্রচেষ্টা হিসেবে বিরোধীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করবে বলেও সতর্ক করেন মোশাররফ। বলেন, ‘বাংলাদেশ যেমন বীরের দেশ, তেমনি অনেক মীরজাফরও আছে। অতএব আজকে বীরেরা সামনে এগিয়ে আসুক। মীরজাফররা যেন সামনে আসতে না পারে।’

বন্যার জন্য সরকারকে দায়ী করেন বিএনপি সরকারের সাবেক মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমাদের ওপরের দেশগুলোতে যে নদী আছে, সেই প্রত্যেকটা নদীর মুখে বাঁধ আছে। সরকার নতজানু নীতির কারণে এর প্রতিবাদ করতে পারে না। খরা মৌসুমে তারা পানি আটকে রাখে, বর্ষার মৌসুমে পানি ছেড়ে দেয়। এই নতজানু নীতি না থাকলে ভারতের সঙ্গে কথা বলে এর সমাধান করতে পারত।’

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয়তাবাদী নবীন দলের সভাপতি হুমায়ূন আহমেদ তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সোহেল রানাও এ সময় বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন:
ঈদের পর আন্দোলন শুনে কষ্ট হয় তথ্যমন্ত্রীর
অন্ধকার যুগে বাস করছি: দুদু
পদ্মায় দুর্নীতি হয়নি প্রমাণ করতে পারলে বিএনপির ধন্যবাদ: গয়েশ্বর
মকারির নির্বাচনে আর না, খেলা হবে ‘ফেয়ার’: টুকু
বন্যার্তদের জন্য ৩০ লাখের তহবিল গড়বে যশোর বিএনপি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
I dont want to learn democracy from BNP Quader

বিএনপির কাছে গণতন্ত্র শিখতে চাই না: কাদের

বিএনপির কাছে গণতন্ত্র শিখতে চাই না: কাদের ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি
‘বিএনপির গণতন্ত্রের মূলে রয়েছে জনগণের অধিকার হরণ, ভোটারবিহীন নির্বাচন, হ্যাঁ- না ভোট, সোয়া এক কোটি ভুয়া ভোটার, আগুন সন্ত্রাস আর দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ।’

সেনা শাসকের দল বিএনপির কাছ থেকে গণতন্ত্র শিখতে চান না বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

সেনাপ্রধান থাকা অবস্থায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের হ্যাঁ-না ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি হওয়া, বিএনপির সর্বশেষ শাসনামলে এক কোটির বেশি ভুয়া ভোটার থাকার কথা তুলে ধরে তিনি এ কথা বলেন।

বুধবার রাজধানীতে সরকারি বাসভবনে অনলাইন ব্রিফিংয়ে এ বক্তব্য দেন ক্ষমতাসীন দলের নেতা।

আগের দিন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকার দেশে গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করেছে।
জবাবে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘বিএনপির থেকে গণতন্ত্র শিখতে চাই না, বিএনপির গণতন্ত্রের মূলে রয়েছে জনগণের অধিকার হরণ, ভোটারবিহীন নির্বাচন, হ্যাঁ- না ভোট, সোয়া এক কোটি ভুয়া ভোটার, আগুন সন্ত্রাস আর দুর্নীতির প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ।’

তিনি বলেন, ‘জন্মলগ্ন থেকেই বিএনপির রাজনীতি ক্ষমতা দখলের। ষড়যন্ত্রের মন্ত্র ও ক্ষমতার তন্ত্রে বিভোর বিএনপির এ দেশের গণতন্ত্র, জনমত, নির্বাচন এবং রাজনীতির অর্থবহ ও কল্যাণকর কোনো পন্থাতে আস্থা ছিল না, এখনও নেই।’

কাদেরের মতে, জনগণের মত প্রকাশের সর্বোত্তম মাধ্যম হচ্ছে নির্বাচন। সেই নির্বাচনি ব্যবস্থাকে অধিকতর গণতান্ত্রিক ও আধুনিক করার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ কাজ করে যাচ্ছে।

নিরপেক্ষ সরকার না থাকলে বিএনপি ভোটে আসবে না বলে মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের জবাবও দেন কাদের। বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়েই আগেভাগে তারা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এ কথা-সে কথা বলছে।’

ফখরুলকে কাদের বলেন, “আপনাদের দৃষ্টিতে নিরপেক্ষতার মানদণ্ড কী? তার প্রমাণ আপনারা ক্ষমতাসীন হয়ে বারবার দেখিয়েছেন। বিএনপি নেত্রী একসময় বলেছিলেন, ‘দেশে শিশু আর পাগল ছাড়া কেউই নিরপেক্ষ নয়’। দেশবাসী জানে যতক্ষণ বিএনপির ক্ষমতা দখলের পথ নিরাপদ না হবে, নির্বাচনে জেতার গ্যারান্টি না পাবে, ততদিন তাদের নিরপেক্ষতার মানদণ্ড নিশ্চিত হবে না।

‘বিএনপি যেকোনো উপায়ে নির্বাচনে জয়ের নিশ্চয়তা এবং পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতা দখলের পাঁয়তারার মানসিকতাই এখন সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রধান অন্তরায়।’

জনগণই আওয়ামী লীগের শক্তির উৎস জানিয়ে কাদের বলেন, ‘এ দেশে নির্বাচন ব্যবস্থা যতটুকু উন্নতি হয়েছে, বঙ্গবন্ধু থেকে শেখ হাসিনা পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারই এ উন্নতি করেছে।’

শেখ হাসিনা সরকার গণতন্ত্রকে অবরুদ্ধ করেনি উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘বরং অবরুদ্ধ গণতন্ত্রকে শৃঙ্খলমুক্ত করা হয়েছে। দেশে গণতন্ত্র আছে বলেই বিএনপি নেতারা রাত-দিন সরকারের অন্ধ সমালোচনা করছেন, মিডিয়ায় ঝড় তুলছেন, সংসদে আনুপাতিক হারের চেয়ে বেশি সময় পাচ্ছেন, বক্তব্য দিচ্ছেন পার্লামেন্টে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পদ্মা সেতু উদ্বোধনের পর শেখ হাসিনা সরকারের জনপ্রিয়তা বেড়ে যাওয়ায় বিএনপি নেতাদের বুকে বিষজ্বালা বেড়েই চলছে। আর এ থেকেই হতাশায় ভুগতে থাকা বিএনপি নেতারা আবোলতাবোল বলছেন।’

আরও পড়ুন:
বিএনপির নির্যাতন-নিপীড়নের অভিযোগ কল্পিত: কাদের
বিএনপি যাই বলুক নির্বাচনে আসবে, ভোট ইভিএমে হোক: কাদের
জনদুর্ভোগ নিয়ে রাজনীতি করছে বিএনপি: কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
EC dialogue with political parties from 16 July

১৭ জুলাই থেকে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ইসির সংলাপ

১৭ জুলাই থেকে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ইসির সংলাপ
ইসি আহসান হাবিব খান বলেন, ‘আগামী ১৭ জুলাই থেকে সকাল-বিকেল রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নির্বাচনি সংলাপ করা হবে। প্রতিদিন চারটি দলের সঙ্গে সংলাপ করবে নির্বাচন কমিশন। নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।’

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কর্মপদ্ধতি ঠিক করতে আগামী ১৭ জুলাই থেকে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ শুরু করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই সংলাপ চলবে ৩১ জুলাই পর্যন্ত।

মঙ্গলবার রাজধানীর নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আহসান হাবিব খান এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আগামী ১৭ জুলাই থেকে সকাল-বিকেল রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নির্বাচনি সংলাপ করা হবে। প্রতিদিন চারটি দলের সঙ্গে সংলাপ করবে নির্বাচন কমিশন। নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।’

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতিদিন দুই দফায় দুটি করে চারটি দলের সঙ্গে সংলাপে বসবে ইসি। তবে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ, সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টি এবং বিএনপির সঙ্গে আলাদা করে একেক দিন বৈঠকে বসার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে এর আগে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) যাচাই-বাছাই করতে ইসির নিবন্ধিত ৩৯টি রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। তবে সেখানে ২৮টি রাজনৈতিক দল ইসির ডাকে সাড়া দেয়। বিএনপিসহ তাদের সমমনা ১১টি রাজনৈতিক দল ইসির আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করে।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি আউয়াল কমিশনকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। নিয়োগ পাওয়ার পরদিন শপথ নিয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রথম দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন শুরু করে নতুন কমিশন। দেশের নির্বাচন ব্যবস্থার দায়িত্বভার পাওয়ার পর পরই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন মহলের সঙ্গে সংলাপের সিদ্ধান্ত নেয়।

সেই আলোকে গত ১৩ ও ২২ মার্চ এবং ৬ ও ১৮ এপ্রিল যথাক্রমে দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবী এবং নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমের সঙ্গে সংলাপ করে ইসি। পরে পর্যবেক্ষক এবং নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করে ইসি।

পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপে বসার কথা থাকলেও সংলাপের আগেই তাদের ইভিএম যাচাইয়ের জন্য চিঠি পাঠায় ইসি।

তবে পরে আবার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপে বসতে তারিখ নির্ধারণ করেছে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। এ লক্ষ্যে বিকেলে নির্বাচন ভবনে আরও বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

আরও পড়ুন:
ইসির সাফল্য হাতিয়ার ভোটে ম্লান?
পুঁজিবাজারে প্রভিডেন্ড ফান্ডের বিনিয়োগ চায় বিএসইসি
ব্যালটের চেয়ে ইভিএম ভালো: সিইসি
ফিকার প্রথম নারী সভাপতি অজি ক্রিকেটার লিসা
ইভিএম যাচাইয়ে ইসিতে গেল না বিএনপি

মন্তব্য

p
উপরে