× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
65 million freelancers are earning 500 million a year
hear-news
player
print-icon

‘সাড়ে ৬ লাখ ফ্রি-ল্যান্সার বছরে ৫০০ মিলিয়ন ডলার আয় করছে’

সাড়ে-৬-লাখ-ফ্রি-ল্যান্সার-বছরে-৫০০-মিলিয়ন-ডলার-আয়-করছে
তথ্য এবং যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক মঙ্গলবার খুলনা হাই-টেক পার্কের ভিত্তি স্থাপন শেষে বক্তব্য দেন। ছবি: নিউজবাংলা
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘২০২৫ সালের মধ্যে প্রযুক্তি শিল্পে ৩০ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান হবে এবং এই সেক্টর থেকে আয় হবে ৫ বিলিয়ন ডলার। এসব লক্ষ্যকে সামনে রেখেই দেশের ১২ জেলায় হাইটেক পার্ক নির্মাণ কাজ শুরু হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য জেলাতেও হবে।’

‘সরকারের নানা প্রযুক্তিগত উদ্যোগের ফলে দেশে গ্রাম ও শহরের মধ্যে বৈষম্য দূর হয়েছে। এখন সাড়ে ৬ লাখ ফ্রি-ল্যান্সার ঘরে বসে বছরে ৫০০ মিলিয়ন (৫ হাজার কোটি টাকা) ডলার আয় করছে। এছাড়া অন্যান্য আইটি সেক্টর মিলিয়ে প্রায় ২০ লাখ মানুষ বছরে ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আনছে।’

তথ্য এবং যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক মঙ্গলবার খুলনা হাই-টেক পার্কের ভিত্তি স্থাপন শেষে এসব তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘২০২৫ সালের মধ্যে প্রযুক্তি শিল্পে ৩০ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান হবে এবং এই সেক্টর থেকে আয় হবে ৫ বিলিয়ন ডলার। এসব লক্ষ্যকে সামনে রেখেই দেশের ১২ জেলায় হাইটেক পার্ক নির্মাণ কাজ শুরু হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য জেলাতেও হবে।

‘খুলনায় হাইটেক পার্ক নির্মাণে একশ’ ৭০ কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুন এটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে। সাড়ে তিন একর জায়গায় নিমিতব্য সাততলা ভবনের মধ্যে ট্রেনিং, ইনকিউবেশন. স্টার্টআপ ও বিজনেস ফ্লোর থাকবে।’

তথ্য-প্রযুক্তির এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে খুলনাবাসীকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পলক বলেন, ‘খুলনা এলাকার মানুষ অনেক প্রযুক্তি সচেতন। আইটি সেক্টরে খুলনায় অনেক উদ্যোক্তা আছে। অনেকে ফ্রি-ল্যান্সিং করে, সরকারের লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং প্রজেক্টের মাধ্যমে রেমিট্যান্স যোদ্ধা হিসেবে বএদশি মুদ্রা দেশে আনছে। এই হাইটেক পার্ক এ অঞ্চলের মানুষের আইটি দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ করে দেবে।

‘খুলনা হাইটেক পার্কে প্রতিবছর এক হাজার তরুণ-তরুণীকে আইটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। সে সুবাদে বিভিন্ন সেক্টরে প্রায় তিন হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।’

খুলনায় রূপসা নদীর তীরে (দাদাম্যাচ ফ্যাক্টরির সামনে) এই পার্কের ভিত্তি স্থাপন করেন খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।

এ সময়ে কেসিসি মেয়র বলেন, ‘কেউ কথা রাখে না; কথা রাখেন কেবল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি যা বলেন তা করে দেখান। তিনি বলেছিলেন ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়বেন, তিনি তা করে দেখিয়েছেন। সেই ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল এখন আমরা সবাই ভোগ করছি। ‘প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন যে নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু করবেন, তিনি তা করে বিশ্বের দরবারে দেখিয়েছেন আমরাও পারি। পদ্মা সেতু উদ্বোধন শেষে ঢাকার সঙ্গে খুলনার যোগাযোগ বাড়বে এবং এর সুফল পেতে হলে এখনই খুলনাকে প্রস্তুত হতে হবে।’

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন তথ্য এবং যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, খুলনায় ভারতের সহকারী হাইকমিশনার অসীম কুমার শান্ত্রা, জেলা প্রশাসক মনিরুজ্জামান তালুকদার ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার রকিবুল ইসলাম।

স্বাগত জানান আইটি/হাই-টেক পার্কের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডা. বিকর্ণ কুমার ঘোষ। ধন্যবাদ জানান প্রকল্প পরিচালক এ কে এ এম ফজলুল হক।

আরও পড়ুন:
দেশে আগামী বছর রোবটিকস উৎসব: পলক
পাঁচ বছরে ই-নথিভুক্ত ২ কোটি ফাইল: পলক
তথ্যের নিরাপত্তার স্বার্থে ‘বিকল্প ফেসবুক’
‘বঙ্গবন্ধুকে জানতে ডিজিটাল মিডিয়া সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম’
জবাবদিহি নিশ্চিত করবে ব্লকচেইন প্রযুক্তি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Daraje Realms stylish Narjo 50A Prime

দারাজে রিয়েলমির স্টাইলিশ নারজো ৫০এ প্রাইম

দারাজে রিয়েলমির স্টাইলিশ নারজো ৫০এ প্রাইম
৫০ মেগাপিক্সেলের ফ্ল্যাগশিপ লেভেলের ক্যামেরার ডিভাইসটি পাওয়া যাবে ১৬ হাজার ৯৯৯ টাকায়। ফ্ল্যাশ ব্লু ও ফ্ল্যাশ ব্ল্যাক এই দুইটি রঙে পাওয়া যাবে ফোনটি।

স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি বাজারে এনেছে স্টাইলিশ নারজো ৫০এ প্রাইম হ্যান্ডসেট। ৮.১ মিমি আল্ট্রা স্লিম কেভলার স্পিড টেক্সচার ডিজাইনের ৬.৬ ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস ডিসপ্লের ফোনটি পাওয়া যাবে শুধু দারাজে।

৫০ মেগাপিক্সেলের ফ্ল্যাগশিপ লেভেলের ক্যামেরার ডিভাইসটি পাওয়া যাবে ১৬ হাজার ৯৯৯ টাকায়। ফ্ল্যাশ ব্লু ও ফ্ল্যাশ ব্ল্যাক এই দুইটি রঙে পাওয়া যাবে ফোনটি।

এই সেগমেন্টের ফোনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো পারফরমেন্স দেয়ার পাশাপাশি দীর্ঘ স্থায়িত্ব নিশ্চিত করবে বলে দাবি করেছে রিয়েলমি।

রিয়েলমি নারজো ৫০এ প্রাইম ৪+১২৮ জিবি ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাবে। গ্রাহকরা রোববার বেলা ১২টায় বিশেষ অফারে ১৫ হাজার ৯৯৯ টাকায় পাওয়া যাবে দারাজে।

ফোনটি কেনার জন্য দারাজে এই লিঙ্কে যেতে হবে।

৮.১ মিমি আল্ট্রা স্লিম, ১৯২.৫ গ্রাম আল্ট্রা-লাইট বডি এবং কেভলার স্পিড টেক্সচার ডিজাইনের নারজো ৫০এ প্রাইম এই দামের মধ্যে সবচেয়ে পাতলা ও হালকা ডিভাইস বলে জানিয়েছে রিয়েলমি।

৬.৬ ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস ডিসপ্লের সঙ্গে রয়েছে শক্তিশালী অক্টা-কোর ১২ ন্যানোমিটার প্রসেসর। ৫০০০ এমএএইচ বিশাল ব্যাটারি, যা টানা ১৭ দশমিক ২ ঘণ্টা ইউটিউবে কনটেন্ট দেখতে পারবেন কিংবা টানা ৮ দশমিক ১ ঘণ্টা গেইমিং করতে পারবেন।

ফোনটির ১৮ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করে নারজো ৫০এ প্রাইম; তাই দ্রুতই চার্জ করা যাবে।

থাকছে আলট্রা ফাস্ট সাইড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর এবং ১ টেরাবাইট পর্যন্ত মেমরি এক্সপানশন সুবিধা।

আরও পড়ুন:
তরুণদের জন্য রিয়েলমির নাইট ফটোওয়াক 
দারাজ ইলেকট্রনিকস সপ্তাহে রিয়েলমি স্মার্টফোনে ছাড়
রিয়েলমি নিয়ে এলো জিটি নিও ৩ নারুতো এডিশন
১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার রিয়েলমি ৯ ফোরজি দারাজে
ই-কমার্সের বিশৃঙ্খলা দূর করতে নিয়ন্ত্রক সংস্থা চান পরিকল্পনামন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
53 lakh WhatsApp accounts banned in 3 months in India

ভারতে ৩ মাসে ব্যান ৫৩ লাখ হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট

ভারতে ৩ মাসে ব্যান ৫৩ লাখ হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ভারতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর মধ্যে হোয়াটসঅ্যাপের জনপ্রিয়তা রয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
হোয়াটসঅ্যাপের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছিল, অশালীন মেসেজ, ভুয়া খবর, রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক বার্তা, দেশবিরোধী বার্তা ও ভিডিও আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে কঠোর হবে তারা। ৩ মাসে ৫৩ লাখ অ্যাকাউন্ট ব্যান করে কঠোর অবস্থান স্পষ্ট করেছে হোয়াটসঅ্যাপ ইন্ডিয়া।

ভারতে গত ৩ মাসে ৫৩ লাখ হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন তথ্যপ্রযুক্তি আইনের কারণেই এসব অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

মেটা-মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপের সর্বশেষ মাসিক প্রতিবেদন অনুসারে, ভারতে ১ মে থেকে ৩১ মের মধ্যে ১৯ লাখ ১০ হাজার অ্যাকাউন্ট ব্যান করা হয়েছে।

গত এপ্রিলেও ১৬ লাখের বেশি অ্যাকাউন্ট ও মার্চে ১৮ লাখ ৫ হাজারের বেশি অ্যাকাউন্ট ব্যান করা হয়েছে।

নিয়ম বিরুদ্ধ কাজের জন্যই এসব অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে বলে দাবি করেছে হোয়াটসঅ্যাপের একজন মুখপাত্র।

তিনি জানান, ইন্টারনেট দুনিয়ায় ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ধরনের নিগ্রহের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ।

হোয়াটসঅ্যাপের এই মুখপাত্র বলেন, ‘বছরের পর বছর ধরে আমরা হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের সুরক্ষিত রাখতে ধারাবাহিকভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডেটা সায়েন্সে বিনিয়োগ করেছি।’

এর আগে হোয়াটসঅ্যাপের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছিল, অশালীন মেসেজ, ভুয়া খবর, রাজনৈতিক ও সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক বার্তা, দেশবিরোধী বার্তা ও ভিডিও আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে কঠোর হবে তারা।

বিশেষ করে যে ধরনের বার্তাগুলো অসংখ্যবার ফরোয়ার্ড করা হয়েছে এবং যেই মেসেজগুলোর জন্য গণ-অসন্তোষ তৈরি হতে পারে, সেসব অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ।

আরও পড়ুন:
বর্তমান পরিস্থিতি ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে: অমর্ত্য সেন
ভারতের টেস্ট অধিনায়ক হচ্ছেন বুমরাহ
জুবায়ের তিস্তাকে মুক্তি দেয়ার আহ্বান জাতিসংঘের
উদয়পুরের ঘটনায় শান্তি বজায় রাখার আহ্বান মমতার
টি-টোয়েন্টি সিরিজে আয়ারল্যান্ডকে ক্লিনসুইপ ভারতের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Here are five ways to protect your organization from ransomware

প্রতিষ্ঠানকে র‍্যানসমওয়্যার থেকে সুরক্ষিত রাখার পাঁচ উপায়

প্রতিষ্ঠানকে র‍্যানসমওয়্যার থেকে সুরক্ষিত রাখার পাঁচ উপায়
এসব প্রতিষ্ঠানকে তাদের এনক্রিপ্টেড ডেটা ফিরে পেতে ৮ লাখ ১২ হাজার ৩৬০ ডলার গড় মুক্তিপণ দিতে হয়েছিল, এর মধ্যে আবার শতকরা ১১ ভাগ ভুক্তভোগীকে ১ মিলিয়ন ডলার বা তার বেশি মুক্তিপণ দিতে হয়েছিল।

ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা সাধারণত যেসব সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন তার মধ্যে র‍্যানসমওয়্যার এখনও সবচেয়ে উদ্বেগজনক এবং হুমকিস্বরূপ।

২০১৩ সালে প্রথম ক্রিপ্টোলকারের আবির্ভাবের পর থেকে আমরা র‍্যানসমওয়্যারের একটি নতুন যুগ দেখতে পাচ্ছি, যেখানে বিভিন্ন ধরনের স্প্যাম মেসেজ এবং এক্সপ্লয়িট কিটের মাধ্যমে উদ্দেশমূলকভাবে র‍্যানসমওয়্যার সমৃদ্ধ এনক্রিপ্টেড ফাইল ছড়ানো হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে প্রধান লক্ষ্য হলো, যেকোনো ব্যবহারকারী এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়া।

বর্তমানে বড় অথবা ছোট সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেই র‍্যানসমওয়্যারের আক্রমণের হুমকি বেড়ে চলেছে। তাই প্রয়োজনীয় ফাইলগুলোতে অ্যাক্সেস না করতে পারা এবং পরে এর জন্য যে মুক্তিপণ দিতে হয়, তা যেকোনো প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনশীলতাকে ব্যাহত করে।

বিশ্বব্যাপী, সোফোসের প্রকাশিত ‘দ্য স্টেট অফ র‍্যানসমওয়্যার রিপোর্ট ২০২২’ এ দেখা যায়, ২০২১ সালে বছর জুড়ে শতকরা ৬৬ ভাগের বেশি সংস্থা র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণের শিকার হয়েছিল, যা কিনা ২০২০ সালেও ছিল শতকরা ৩৭ ভাগ।

ফলে এসব প্রতিষ্ঠানকে তাদের এনক্রিপ্টেড ডেটা ফিরে পেতে ৮ লাখ ১২ হাজার ৩৬০ ডলার গড় মুক্তিপণ দিতে হয়েছিল, এর মধ্যে আবার শতকরা ১১ ভাগ ভুক্তভোগীকে ১ মিলিয়ন ডলার বা তার বেশি মুক্তিপণ দিতে হয়েছিল।

ভারতে সোফোস ‘দ্য স্টেট অফ র‍্যানসমওয়্যার রিপোর্ট ২০২২’ প্রকাশ করেছে যা গত বছরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের র‍্যানসমওয়্যার এর আক্রমণ সম্পর্কে জানান দেয়।

গত বছর ভারতে ৭৮ শতাংশের বেশি প্রতিষ্ঠান র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণের শিকার হয়েছে, যা ২০২০ সালে ছিল ৬৮ শতাংশ। এইজন্য র‍্যানসমওয়্যার থেকে সুরক্ষিত থাকতে প্রতিষ্ঠানগুলোতে সর্বোত্তম ব্যবস্থা গ্রহণ করা অপরিহার্য এবং তা নিচে দেয়া হলো:

নিয়মিত ব্যাকআপ রাখুন

র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণের ক্ষেত্রে এনক্রিপ্টেড ব্যাকআপ যেকোনো প্রতিষ্ঠানের মূল্যবান সময় ও আর্থিক সংস্থান বাঁচাতে পারে। এজন্য অফলাইন ও অফসাইটে নিয়মিত ব্যাকআপ এবং আপডেট রাখা জরুরি। এটি আরও নিশ্চিত করবে ডিভাইসটি ভুল হাতে পড়লেও কোনো চিন্তা করতে হবে না।

ফাইল এক্সটেনশন চালু করুন

ডিফল্ট উইন্ডো সেটিংস-এ ফাইল এক্সটেনশন চালু করা থাকে না, ফলে প্রতিষ্ঠানগুলোকে এটি সনাক্ত করতে থাম্বনেইলের ওপর নির্ভর করতে হয়। এক্সটেনশন চালু করা থাকলে যেকোনো ফাইল সনাক্ত করা আরও সহজ হয়, যেগুলো সাধারণত ব্যবহারকারীকে পাঠানো হয়না, যেমন জাভাস্ক্রিপ্ট।

অযাচিত অ্যাটাচমেন্ট থেকে সতর্ক থাকুন

র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণকারীদের কাছ থেকে সুরক্ষিত থাকতে ব্যবহারকারীদের সম্পূর্ণ নিশ্চিত না হয়ে কোনো অ্যাটাচম্টে ওপেন করা উচিত নয়। কোনো মেইলের নির্ভরযোগ্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত মেইলটি ওপেন না করা এবং সন্দেহজনক কনটেন্ট হলে সে সম্পর্কে রিপোর্ট করার অভ্যাস তৈরি করতে হবে।

অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের অধিকার পর্যবেক্ষণ

আইটি বিভাগের নিশ্চিত করা উচিত যে, তারা ক্রমাগত অ্যাডমিনস্ট্রেটর এবং তাদের অধিকারসমূহ পর্যালোচনা করছে। সেই সঙ্গে কার কাছে সেগুলো রয়েছে এবং যাদের প্রয়োজন নেই তাদের অধিকারগুলো যাতে থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। এছাড়া অ্যাডমিনস্ট্রেটর হিসেবে কেউ যেন প্রয়োজনের বেশি লগইন করতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এমনকি কেউ অ্যাডমিন হিসেবে থাকা অবস্থায় অযথা ব্রাউজিং, যেকোনো ফাইল খোলা বা অন্য কাজ যাতে না করে সেবিষয়ে ও লক্ষ্য রাখতে হবে।

শক্তিশালী পাসওয়ার্ড দেয়া

যদিও এটি তুচ্ছ শোনাচ্ছে, কিন্তু এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যেকোনো দুর্বল এবং অনুমান করা যায় এমন পাসওয়ার্ড হ্যাকারদের খুব সহজেই প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার সুযোগ প্রদান করে। এজন্য সুপারিশ করা হয়, যেকোনো পাসওয়ার্ড যেন কমপক্ষে ১২ অক্ষরের হয়, একই সঙ্গে এটি ক্যাপিটাল, স্মল লেটার, যতিচিহ্ন, সংখ্যা বা কোনো বিশেষ ক্যারেক্টারের মিশ্রণে হওয়া উচিত, যেমন: Ju5t.LiKE#[email protected]। তাহলে যেকেউ সহজে অনুমান করতে পারবে না।

আরও পড়ুন:
৬৬% প্রতিষ্ঠান র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণের শিকার: সোফোস
সোফোসের রিপোর্ট: আরও সুসংগঠিত হবে রানস্যমওয়্যার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The Indian government gave Twitter one last chance

টুইটারকে শেষ সুযোগ দিল ভারত সরকার

টুইটারকে শেষ সুযোগ দিল ভারত সরকার ভারত সরকারের পক্ষ থেকে পাঠানো নোটিশ পালনে ব্যর্থ হচ্ছে টুইটার ইন্ডিয়া। ছবি: সংগৃহীত
চলতি সপ্তাহের গোড়ার দিকে টুইটারের অভ্যন্তরীণ কিছু তথ্য প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে, ২০২১ সালে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে একাধিক অ্যাকাউন্ট ও টুইট ব্লক করতে বলা হয়েছিল। তবে সরকারের নির্দেশনা টুইটারের পক্ষ থেকে মানা হয়েছিল কি না তা জানা যায়নি।

ভারত সরকারের পক্ষ থেকে টুইটার ইন্ডিয়াকে ৪ জুলাইয়ের মধ্যে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ম মেনে চলার শেষ সুযোগ দেয়া হয়েছে।

২৭ জুন ভারতের ইলেকট্রনিকস ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটিতে পাঠানো নতুন এক নোটিশে বলা হয়েছে, মন্ত্রণালয় থেকে ৬ ও ৯ জুন পাঠানো নোটিশ মেনে চলতে ব্যর্থ হয়েছে টুইটার।

নোটিশে বলা হয়েছে, সরকারের সব শর্ত মানতে হবে টুইটারকে। অন্যথায় ভারতে তারা অন্তর্বর্তীকালীন সুরক্ষা হারাবে। ফলে যাবতীয় পোস্টের জন্য দায় নিতে হবে টুইটারকেই।

ভারত সরকার অভিযোগ করে আসছে, ‘তথ্য ও প্রযুক্তি আইনের ধারা ৬৯-এর অধীনে কিছু বিষয়বস্তু প্ল্যাটফর্মটি থেকে সরিয়ে নেয়ার নোটিশগুলোতে কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি।’

ভারতের টুইটারের চিফ কমপ্লায়েন্স অফিসারকে উদ্দেশ করে দেয়া এক বার্তায় বলা হয়েছে, ‘যদি টুইটার তথ্য ও প্রযুক্তি আইন লঙ্ঘন করতে থাকে, তাহলে আইনের অধীনেই এর প্রতিক্রিয়া পাবে।’

তথ্যপ্রযুক্তি আইনে বলা হয়েছে, কোনো ব্যবহারকারী অপরাধমূলক কিংবা অবমাননাকর কোনো কিছু পোস্ট করলে তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রতিষ্ঠানকেই নিতে হবে। সেটা টুইটার, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ যেকোনো প্রতিষ্ঠানই হতে পারে।

এখন পর্যন্ত ভারতে ব্যবসা পরিচালনা করা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো ‘মধ্যস্থতাকারী’র সুবিধা পেয়ে এসেছে। বিতর্কিত ও অনৈতিক কোনো পোস্টের দায় সরাসরি প্রতিষ্ঠানের ওপর পড়েনি।

ভারত সরকার এবার জানিয়ে দিয়েছে, এই সুবিধা প্রত্যাহার করা হতে পারে।

এর আগে চলতি সপ্তাহের গোড়ার দিকে টুইটারের অভ্যন্তরীণ কিছু তথ্য প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে, ২০২১ সালে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে একাধিক অ্যাকাউন্ট ও টুইট ব্লক করতে বলা হয়েছিল। এর মধ্যে ছিল আন্তর্জাতিক অ্যাডভোকেসি গ্রুপ ফ্রিডম হাউস, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ ও কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে কিছু টুইট।

তবে সরকারের নির্দেশনা টুইটারের পক্ষ থেকে মানা হয়েছিল কি না তা জানা যায়নি।

আরও পড়ুন:
উদয়পুরের ঘটনায় শান্তি বজায় রাখার আহ্বান মমতার
টি-টোয়েন্টি সিরিজে আয়ারল্যান্ডকে ক্লিনসুইপ ভারতের
জুবায়ের ও তিস্তাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ মমতার
জি-৭ বিবৃতি ও টুইটারের তথ্যে মোদি সরকারের দ্বিচারিতা
নোবেল শান্তি পুরস্কারের সম্ভাব্য তালিকায় AltNews-এর জুবায়ের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Prohibition on sale of Grameen SIM in dishonest services

মানহীন সেবায় গ্রামীণের সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা

মানহীন সেবায় গ্রামীণের সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা
‘গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত অভিযোগ পাচ্ছি। কল করলে কেটে যায়, ইন্টারনেট সেবাও ধীরগতির। এই বিষয়টি নিয়ে কোম্পানিটির সঙ্গে বারবার যোগাযোগ হলেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। আমরা তাদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত মিটিং করি, ড্রাইভ টেস্ট হয়। কিন্তু তাদের কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি।’

মানসম্মত সেবা দিতে না পারার কথা জানিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোনের সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।

যদিও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিটি দাবি করেছে, তাদের সেবা বিশ্বমানের চেয়ে এগিয়ে। নিষেধাজ্ঞাকে অপ্রত্যাশিত উল্লেখ করে পরিস্থিতি মূল্যায়নের কথাও জানিয়েছে তারা।

বুধবার দুপুরে বিষয়টির অনুমোদনের পরে এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা গ্রামীণফোনে পাঠায় বিটিআরসি।

সংস্থাটির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত রায় মৈত্র বলেন, ‘গ্রামীণফোন কোয়ালিটি সার্ভিস দিতে পারছে না। তাই পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অপারেটরটি (গ্রামীণফোন) সিম বিক্রি করতে পারবে না।’

মানসম্মত সেবা দিতে পারছে না বলতে কী বুঝাচ্ছেন- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত অভিযোগ পাচ্ছি। কল করলে কেটে যায়, ইন্টারনেট সেবাও ধীরগতির।’

এই বিষয়টি নিয়ে কোম্পানিটির সঙ্গে বারবার যোগাযোগ হলেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি বলেও জানান বিটিআরসি কর্মকর্তা। বলেন, ‘আমরা তাদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত মিটিং করি, ড্রাইভ টেস্ট হয়। কিন্তু তাদের কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি।’

মোবাইল ফোন সেবার মান নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে অসন্তোষ স্পষ্ট। কল ড্রপ, ইন্টারনেটের ধীরগতি নিয়ে ব্যাপক অভিযোগ করে আসছেন ভোক্তারা। তবে এ নিয়ে মোবাইল ফোন অপারেটররা কিছু বলছেন না।

বিটিআরসি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত মে পর্যন্ত গ্রামীণফোনের গ্রাহক সংখ্যা ৮ কোটি ৪৯ লাখ ৫০ হাজার।

গ্রামীণের বক্তব্য

যোগাযোগ করা হলে মোবাইল ফোন অপারেটরটি নিউজবাংলাকে একটি লিখিত বক্তব্য পাঠায়

তারা বলেছে, ‘দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় টেলিকম ব্র্যান্ড গ্রামীণফোন বিটিআরসি ও আন্তর্জাতিক সংস্থা আইটিইউর সেবার মানদণ্ড অনুসরণ করার পাশাপাশি সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মানদণ্ড থেকেও এগিয়ে আছে।’

ধারাবাহিকভাবে নেটওয়ার্ক ও সেবার মানোন্নয়নে আমরা বিটিআরসির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে জানিয়ে মোবাইল ফোন অপারেটরটি বলেম ‘নেটওয়ার্ক আধুনিকীকরণে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।’

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হওয়া নিলামেও গ্রামীণফোন সর্বোচ্চ অনুমোদিত তরঙ্গ অধিগ্রহণ করেছে জানিয়ে সংস্থাটি এও বলেছে, ‘এমতাবস্থায়, অপ্রত্যাশিত এ চিঠি ও নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আমাদের পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ আমরা পরিস্থিতি মূল্যায়ন করছি। আমরা মনে করি, আমাদের সম্ভাব্য গ্রাহকদের স্বার্থে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সাথে গঠনমূলক আলোচনাই হবে এ সমস্যা সমাধানের সর্বোত্তম উপায়।’

আরও পড়ুন:
সিলেটের গ্রাহকদের ফ্রি মিনিট দিল গ্রামীণফোন
ফিলিপ কটলারের বইয়ে গ্রামীণফোনের কেস স্টাডি
ঝড়ে ভাঙল গ্রামীণফোনের টাওয়ার, ভোগান্তিতে সাড়ে ৩ হাজারের বেশি গ্রাহক
গ্রামীণফোনের ২৫০% লভ্যাংশ অনুমোদন
জিপির ই-সিম সোমবার থেকে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The electric three wheeler tiger is coming in July

আসছে ইলেকট্রিক থ্রি-হুইলার ‘বাঘ’

আসছে ইলেকট্রিক থ্রি-হুইলার ‘বাঘ’ দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারির থ্রি হুইলার বাজারে আনছে দেশীয় প্রতিষ্ঠান ‘বাঘ মোটরস’। আগামী জুলাইয়ে উৎপাদনে যাবে প্রতিষ্ঠানটি। ছবি: সংগৃহীত
লিথিয়াম ব্যাটারিতে চলা দেশে পেটেন্ট করা প্রথম থ্রি-হুইলার ‘বাঘ’ আসছে আগামী মাস থেকে। বাঘ মোটরস নামে একটি প্রতিষ্ঠান এটি তৈরি করছে। দাম হবে ৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা।

যানবাহনের প্রচলিত অ্যাসিড ব্যাটারির মেয়াদকাল ছয় মাস থেকে এক বছর। এটি পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। অথচ একটি লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি চলে পাঁচ থেকে ছয় বছর। এটি যানবাহন চালানোর খরচ কমিয়ে দেয়। পরিবেশও বাঁচায়।

এমন দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারির থ্রি হুইলার বাজারে আনছে দেশীয় প্রতিষ্ঠান ‘বাঘ মোটরস’। আগামী জুলাইয়ে উৎপাদনে যাবে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী কাজী জসিমুল ইসলাম বাপ্পি জানান, দেশে এটি হবে প্রথম ইকো থ্রি-হুইলার ট্যাক্সি। এর নাম রাখা হচ্ছে ‘বাঘ’। গাজীপুরের নিজস্ব কারখানায় উৎপাদন শুরু হবে।

জসিমুল ইসলাম বলেন, ‘পরিবেশ বাঁচাতে আমাদের তেলের বিকল্প নিয়ে ভাবতেই হবে। শুধু থ্রি-হুইলারই নয়, আগামী তিন বছরে বাস-ট্রাকসহ অন্যান্য পরিবহনও যুক্ত হবে বাঘ মোটরসের বহরে।’

গত মার্চে এ বাহনটিকে চলাচলের অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)। উচ্চ নিরাপত্তা ফিচার, কম খরচ ও উন্নত প্রযুক্তির এই গাড়ির দাম ৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা। বাঘ মোটরস জানিয়েছে, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকলেও তাদের থ্রি হুইলারে তেমন গরম অনুভূত হয় না।

জসিমুল ইসলাম বলেন, ‘বাঘ মোটরস প্রথম কোনো বাংলাদেশি কোম্পানি নিজস্ব প্যাটেন্ট দিয়ে, নিজস্ব ডিজাইনে নিজস্ব প্রকৌশলে দেশে গাড়ি উৎপাদন করছে। বর্তমানে দেশে অন্যরা যেসব গাড়ি উৎপাদন করছে, সেগুলো প্রযুক্তিসহ সব কিছুই অন্য দেশের। এখানে শুধু উৎপাদন হচ্ছে। আর আমাদের পেটেন্ট থেকে শুরু করে সবকিছুই নিজস্ব।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের এ পরিবহন শতভাগ পরিবেশবান্ধব, কোনো দূষণ নাই, সৌরশক্তিতে চলে, গ্রিন এনার্জি ব্যবহার হয়। এমন হাজারটা কারণ আছে, যাতে মানুষ আমাদের এই বাঘ ইকো মোটরসের ইকো ট্যাক্সি ব্যবহার করবে।’

অ্যাসিড ব্যাটারির কারণে দেশে প্রায় ২ কোটি লিটার অ্যাসিড নির্গত হয়ে পরিবেশের ক্ষতি করছে। ফলে বিদ্যুৎচালিত যানবাহন উৎসাহিত করার সময় এসেছে।

জসিমুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা এই ইকো থ্রি-হুইলারের ডিজাইন-ড্রইং করে পেটেন্ট করেছি। এটা পৃথিবীর প্রথম সোলার ইকো থ্রি-হুইলার, যেটা লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারিতে চলে। এটির পারমিশন পেতে আমাদের প্রায় ৩০ মাস সময় লেগেছে।’

এটির দাম সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘একটা সিএনজি অটোরিকশার দাম এখন প্রায় ১৮ লাখ টাকা, সেখানে আমরা একটা ইকো থ্রি-হুইলার ৬ লাখ ২৫ হাজার টাকায় দিচ্ছি। আমাদের একটা ব্যাটারি ৬ বছর পর্যন্ত পরিবর্তন করতে হয় না। প্রচলিত যেসব অ্যাসিড ব্যাটারি আছে, ছয় বছরে সেখানে ১২টি ব্যাটারি প্রয়োজন হয়।’

২০২০ সালের এপ্রিলে বাঘ মোটরস ১১টি যান তৈরি করে। ডুয়াল পাওয়ার-ব্যাটারি এবং সৌরচালিত এ থ্রি-হুইলারে যাত্রীর নিরাপত্তায় বেশ কিছু ফিচার যুক্ত হয়েছে। এর একটি হচ্ছে যাত্রীর সিটের সঙ্গে ‘প্যানিক বাটন’ রাখা রয়েছে। এই বাটনে চাপ দিলে গাড়ির গতি মুহূর্তেই ঘণ্টায় পাঁচ কিলোমিটারে নেমে আসবে। এরপর ২০ মিনিটের জন্য গাড়িটি অচল হয়ে যাবে। নিয়ন্ত্রণ কক্ষে সতর্কবার্তাও পাঠাবে। এতে কর্তৃপক্ষ ট্যাক্সির কার্যকারিতা নিষ্ক্রিয় করতে পারবে।

এতে থাকবে নিরাপত্তা ক্যামেরা, যা একটি কেন্দ্রীয় সার্ভারে যুক্ত থাকবে। সব ধরনের ভিডিও রেকর্ড ও সংরক্ষণ থাকবে সার্ভারে। থাকবে এমবেড করা রিয়াল-টাইম জিপিএস ট্র্যাকিং সিস্টেম, যা থ্রি-হুইলারের রিয়াল-টাইম অবস্থান দেখাবে। চুরি ঠেকাতে থাকবে আলাদা প্রযুক্তিও।

গাড়িগুলোতে উচ্চমানের ইস্পাত ব্যবহার করা হচ্ছে, যা সাধারণত বাস-কারে ব্যবহৃত হয়।

জসিমুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের গাড়ি শতভাগ মেটাল বডির তৈরি। পুরো বডিই মোটরগাড়ির মতো করে তৈরি, যা যাত্রীকে অধিক নিরাপত্তা দেবে। ব্রেক ও লাইট ছাড়া পুরো গাড়ির দুই বছরের রিপ্লেসমেন্ট ওয়ারেন্টি থাকবে। গাড়িতে ওয়াইফাই সিস্টেম থাকবে, মোবাইল চার্জিং সিস্টেম থাকবে, জিপিএস থাকবে, মনিটর থাকবে।’

২০২৫ সালের পর বিশ্বে কোনো ডিজেলচালিত গাড়ি তৈরি হবে না। ২০৩০ সাল থেকে তৈরি হবে না কোনো অকটেন গাড়িও। সব গাড়িই বিদ্যুৎচালিত গাড়িতে পরিণত হবে।

নিজস্ব রাইড শেয়ারিং অ্যাপের মাধ্যমে একটি ট্যাক্সি সার্ভিস হিসেবে কাজ করবে এই ইকো ট্যাক্সি। এর বাইরে ব্যক্তিগতভাবেও এটি কেনা যাবে।

সাধারণ সিএনজিচালিত থ্রি-হুইলার এবং হিউম্যান-হলারের চেয়ে বড় চাকা থাকবে বাঘ ইকো ট্যাক্সিতে। পাশাপাশি অ্যান্টি-লক ব্রেক সিস্টেম (এবিএস)-সহ একটি হাইড্রোলিক ব্রেক সিস্টেমও থাকবে। গাড়ির ছাদে থাকবে সোলার প্যানেল। এতে ব্যবহৃত একটি ৪৮০ ওয়াটের সোলার প্যানেল দিনের বেলায় ৪০ শতাংশ চার্জ হবে ব্যাটারিতে। যার ফলে অতিরিক্ত ৪০ কিলোমিটার যেতে পারবে গাড়িটি।

প্রতি কিলোমিটারে এটি চলার খরচ হতে পারে ১ দশমিক ৩৩ টাকার মতো। সম্পূর্ণ চার্জে ১৫০০ ওয়াটের গাড়িটি ৯০ কিলোমিটার চলতে পারে। এতে চালকের দিনে খরচ হবে ১২০ টাকা। ব্যাটারির চার্জ শেষ হলেও চিন্তা নেই। ৬০ ভোল্টের ব্যাটারি সম্পূর্ণ চার্জ হতে মাত্র ১৫ মিনিট সময় লাগবে।

বিভিন্ন স্থানে নিজস্ব চার্জিং পয়েন্টও বসানো হবে। চার্জিং পোর্টে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-সহ একটি মাইক্রো চিপ ইনস্টল করা থাকবে। একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে পোর্টটি খোলা হবে। গাড়ির মালিক নির্দেশ দিলেই চার্জ শুরু হবে।

আরও পড়ুন:
মেয়রের ফ্রি বাস সার্ভিসে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
‘মহাসড়কে থ্রি হুইলার ডিস্টার্ব, মারণফাঁদ’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Realms Night Photowalk for young people

তরুণদের জন্য রিয়েলমির নাইট ফটোওয়াক 

তরুণদের জন্য রিয়েলমির নাইট ফটোওয়াক 
এ ক্যাম্পেইনের প্রথম ধাপে, সারা দেশের ফটোগ্রাফি অনুরাগীদের তাদের প্রোফাইল জমা দিতে বলা হয়। বিভিন্ন অনলাইন ফটোগ্রাফি কমিউনিটির জন্যও এটি উন্মুক্ত ছিল। শতাধিক সাবমিশন থেকে, রিয়েলমি ফটোওয়াকের জন্য ১৬ জন ফটোগ্রাফার বাছাই করে।

রিয়েলমি স্মার্টফোনপ্রেমীদের জন্য এক নাইট ফটোওয়াক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। যারা মোবাইলে যেকোনো স্মৃতিময় মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করতে ভালোবাসেন, এই আয়োজন তাদের সৃজনশীলতা প্রকাশের সুযোগ করে দেবে বলে বলছে রিয়েলমি।

প্রতিযোগিতাটি নতুন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করবে এবং ফটোগ্রাফি বিষয়ে আগ্রহীদের একজন স্বনামধন্য ফটোগ্রাফারের সাথে আলোচনার সুযোগ করে দেবে। আর তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির পরামর্শ দেবেন সেই পেশাদার ফটোগ্রাফার।

এ ক্যাম্পেইনের প্রথম ধাপে, সারা দেশের ফটোগ্রাফি অনুরাগীদের তাদের প্রোফাইল জমা দিতে বলা হয়। বিভিন্ন অনলাইন ফটোগ্রাফি কমিউনিটির জন্যও এটি উন্মুক্ত ছিল। শতাধিক সাবমিশন থেকে, রিয়েলমি ফটোওয়াকের জন্য ১৬ জন ফটোগ্রাফার বাছাই করে।

প্রতিযোগিতাটির ৱতত্ত্বাবধানে ছিলেন স্বনামধন্য ফটোগ্রাফার অভিজিৎ নন্দী। তিনি বিবিসি বাজ ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা, নেচার অ্যান্ড লাইফ-স্টাইল ক্যাটাগরিতে ডিইউপিএস আয়োজিত থার্ড অ্যানুয়াল ফটোগ্রাফি এক্সিবিশন এবং আইআইইউপিই ২০০৮ (ইন্টারন্যাশনাল ইন্টার ইউনিভার্সিটি ফটোগ্রাফি কম্পিটিশন) সহ বিভিন্ন ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছেন।

তিনি নির্বাচিত ফটোগ্রাফারদের স্মার্টফোন দিয়ে সেরা শট নেয়ার বিভিন্ন কৌশল ও টিপস দেয়ার জন্য একটি অনলাইন কর্মশালার আয়োজন করবেন। পরে নির্বাচিত ফটোগ্রাফারদের ফটোগ্রাফি দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য ফটোওয়াকে নেয়া হবে।

প্রতিযোগিতায় চার ক্যাটাগরিতে ছবি তুলতে হবে– নেচার অ্যাট নাইট, স্ট্রিট ফটোগ্রাফি, পোর্ট্রেট অ্যাট নাইট ও ক্রিয়েটিভ অ্যাট নাইট।

অভিজিৎ নন্দীও এসব ক্যাটাগরিতে ছবি তুলবেন। দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটোগ্রাফি ক্লাব তাদের ছবিতে নতুন ও ভিন্নধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার মাধ্যমে এই ক্যাম্পেইনে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

এই প্রতিযোগিতার সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হচ্ছে এই চার বিভাগের সকল ছবি রিয়েলমির আসন্ন ৯ প্রো সিরিজের স্মার্টফোন দিয়ে তোলা হবে।

মোবাইল ফটোগ্রাফির প্রতি যেসব তরুণদের প্রবল অনুরাগ রয়েছে, এই প্রতিযোগিতা তাদের সৃজনশীলতার উন্মেষ ঘটাতে এবং রাতের সৌন্দর্য ভিন্নভাবে তুলে ধরতে সাহায্য করবে।

আরও পড়ুন:
দারাজ ইলেকট্রনিকস সপ্তাহে রিয়েলমি স্মার্টফোনে ছাড়
রিয়েলমি নিয়ে এলো জিটি নিও ৩ নারুতো এডিশন
১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার রিয়েলমি ৯ ফোরজি দারাজে
অর্ধেক দামে ফোন বিক্রির ফাঁদ
১০৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরার রিয়েলমি ৯ দেশে

মন্তব্য

p
উপরে