× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
Attempted rape and murder of a schoolgirl Sweeper 20 years in prison
hear-news
player
print-icon

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টা: সুইপারের ২০ বছরের জেল

স্কুলছাত্রীকে-ধর্ষণচেষ্টা-ও-হত্যাচেষ্টা-সুইপারের-২০-বছরের-জেল
২০১৮ সালের ১১ মার্চ দুপুরে স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে কৌশলে ভবনের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন আপন চন্দ্র। শিশুটি চিৎকার করতে থাকলে আপন তাকে দেয়ালে ধাক্কা দেয় ও গলায় চাকু দিয়ে আঘাত করে। এ সময় শিশুটির চোয়ালের ডান পাশের হাড় ভেঙে যায়। শিশুটি অজ্ঞান হয়ে গেলে তাকে স্কুলের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয় আপন।

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে হত্যাচেষ্টার দায়ে স্কুলের সুইপারকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক শারমিন জাহান মঙ্গলবার বিকেলে এই রায় দেন।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. আব্দুল মতিন।

আসামির নাম আপন চন্দ্র মালি। তিনি কাজ করতেন হাটহাজারীর কাটিরহাট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে।

২০১৮ সালের ১১ মার্চ দুপুরে স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে কৌশলে ভবনের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন আপন চন্দ্র। শিশুটি চিৎকার করতে থাকলে আপন তাকে দেয়ালে ধাক্কা দেয় ও গলায় চাকু দিয়ে আঘাত করে। এ সময় শিশুটির চোয়ালের ডান পাশের হাড় ভেঙে যায়।

শিশুটি অজ্ঞান হয়ে গেলে তাকে স্কুলের সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয় আপন। মেয়ে বাড়ি ফিরে না আসায় খোঁজাখুজি শুরু করে তার পরিবার। সেদিন বিকেলে ওই সেপটিক ট্যাংক থেকে মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়। সে সময়ই ক্ষুব্ধ স্বজন ও স্থানীয়রা সন্দেহের ভিত্তিতে আপনকে আটক করে পুলিশে দেয়। রাতে শিশুর বাবা হাটহাজারি থানায় তার নামে মামলা করেন।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বেশ কিছুদিন পর শিশুটি সুস্থ হয়।

২০২০ সালে আসামির বিচার শুরু হয়। ৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আপনকে দুই ধারায় ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেয়। একই সঙ্গে তাকে ১ লাখ ৭ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে দুই বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

ভুক্তভোগী শিশুর বাবা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আদালত সবকিছু বিবেচনা করে রায় ঘোষণা করেছে। আদালতের রায়ে আমরা খুশি। আমার মেয়েটা বাঁচবে বলে ভাবি নাই আমি। ও এখন সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। আমার মেয়েটা নিরাপদে যেন বড় হতে পারে সবাই সেই দোয়া করবেন।’

আরও পড়ুন:
তরুণীকে ধর্ষণ-অপহরণ মামলায় যুবক কারাগারে
সিলেটে রায়হান হত্যা: বরখাস্ত এসআই হাসানের জামিন
কলেজছাত্র হত্যা মামলায় দুজনের যাবজ্জীবন
‘ধর্ষণ’, ভিডিও ফেসবুকে দেয়ায় গ্রেপ্তার ২
কারখানায় ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’: প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Seized illicit drug dealer arrested

নিষিদ্ধ ওষুধ জব্দ, ব‍্যবসায়ী আটক

নিষিদ্ধ ওষুধ জব্দ, ব‍্যবসায়ী আটক মেহেরপুরে বিক্রয় নিষিদ্ধ ওষুধসহ বাবুর আলী নামের এক ব‍্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত
পুলিশ জানায়, নিষিদ্ধ ব্যথানাশক ট্যাপেন্টাডল বিক্রির নগদ ৫ হাজার ৫০০ টাকা ও নিষিদ্ধ ওষুধসহ ইমন-ঈশান ফার্মেসির মালিক বাবুর আলীকে আটক করে মেহেরপুর সদর থানায় নেয়া হয়েছে।

মেহেরপুরে বিক্রয় নিষিদ্ধ ও সরকারি ওষুধসহ বাবুর আলী নামের এক ব‍্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

রোববার বিকেলে মেহেরপুর-কাথুলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ইমন-ঈশান ফার্মেসিতে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ওষুধসহ দোকান মালিককে আটক করা হয়।

মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অপু সরোয়ার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এসব তথ্য জানান।

৪৫ বছর বয়সী বাবুর আলী মেহেরপুর সদরের কাথুলি বাজার এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ কর্মকর্তা অপু সরোয়ার জানান, ইমন-ইশান ফার্মেসিতে বিক্রয় নিষিদ্ধ ও সরকারি হাসপাতালের ওষুধ বিক্রির গোপন তথ্যে অভিযান চালায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

সেখানে থেকে নিষিদ্ধ ব্যথানাশক ট্যাবলেট টাপেন্টাডল ৩৬ পিস, গর্ভনিরোধকারি সরকারি ইনজেকশন স্বস্তি-১৫০ মিলি ১৯৪ পিস, ইন্ডিয়ান ভায়াগ্রা-১০০ মিলি ৭৫০ পিস ও সরকারি হাসপাতালের বিক্রয় নিষিদ্ধ ওষুধের মধ্যে সেফিক্সিম-২০০মিলি ২০০ পিস, সেফ্রাডিন-৫০০ মিলি ৫০০ পিস, এজিথ্রোমাইসিন-৫০০ মিলি ১০০ পিস, সিপ্রোফ্লক্সিন-৫০০ মিলি ৩০০ পিস জব্দ করা হয়।

তিনি জানান, নিষিদ্ধ ব্যথানাশক ট্যাপেন্টাডল বিক্রির নগদ ৫ হাজার ৫০০ টাকা ও নিষিদ্ধ এসব ওষুধসহ ইমন-ঈশান ফার্মেসির মালিক বাবুর আলীকে আটক করে মেহেরপুর সদর থানায় নেয়া হয়।

তার বিরুদ্ধে মেহেরপুর সদর থানায় তিনটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। সোমবার তাকে আদালতে নেয়া হবে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা অপু সরোয়ার।

আরও পড়ুন:
আয়ুর্বেদিকের আড়ালে ভেজাল ওষুধের কারখানা
সানোফি বাংলাদেশ এখন থেকে সিনোভিয়া ফার্মা
আটা-ময়দায় তৈরি হচ্ছিল শ্বাসকষ্টের ওষুধ
‘মিষ্টিতে বিষ মেশানোর বর্ণনা’ সফিউল্লার জবানবন্দিতে
২ শিশুকে ‘বিষ খাইয়ে হত্যা’: মায়ের ‘প্রেমিক’ গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Testimony of three policemen against GK Shamim

জি কে শামীমের বিরুদ্ধে তিন পুলিশের সাক্ষ্য

জি কে শামীমের বিরুদ্ধে তিন পুলিশের সাক্ষ্য অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ঠিকাদার জি কে শামীম। ছবি: সংগৃহীত
রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালত তিন পুলিশ সদস্যসহ চারজনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ২৯ জুন দিন ঠিক করেন। এ মামলায় মোট ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

মানি লন্ডারিং আইনের মামলায় আলোচিত ঠিকাদার এস এম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জি কে শামীমসহ আটজনের বিরুদ্ধে তিন পুলিশ সদস্যসহ চারজন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালত তিন পুলিশ সদস্যসহ চারজনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ২৯ জুন দিন ঠিক করেন। এ মামলায় মোট ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

এদিন কারাগার থেকে আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তাদের উপস্থিতিতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

সাক্ষীরা হলেন সিআইডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম, সহকারী উপপরিদর্শক আব্দুল মমিন, জাহাঙ্গীর আলম। এ ছাড়া দিদারুল আলম নামে আরও একজন সাক্ষ্য দেন।

এর আগে গত ১৫ জুন জি কে শামীমসহ আটজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছিলেন র‌্যাবের তৎকালীন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম।
বর্তমানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে কর্মরত সারওয়ার আলম আদালতে জানান, তার নেতৃত্বে জি কে শামীমের অফিস ও বাসায় অভিযান হয়। তখন নগদ টাকা, অস্ত্র, বিদেশি মুদ্রা, এফডিআর, সঞ্চয়পত্র ও কিছু চেক বই জব্দ করা হয়।

আলোচিত এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন দেলোয়ার হোসেন, মোরাদ হোসেন, সামসাদ হোসেন, আনিছুল ইসলাম, শহীদুল ইসলাম, কামাল হোসেন ও জাহিদুল ইসলাম। তারা জি কে শামীমের দেহরক্ষী হিসেবে পরিচিত।

জি কে শামীমকে ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর আটক করে র‌্যাব। এ সময় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা, ৯ হাজার ইউএস ডলার, ৭৫২ সিঙ্গাপুরের ডলার, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর, অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ উদ্ধার হয়। এ ব্যাপারে র‌্যাব বাদী হয়ে মানি লন্ডারিং, মাদক ও অস্ত্র আইনে মামলা করে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবু সাঈদ তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ৪ আগস্ট আদালতে জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনের মামলায় চার্জশিট জমা দেন। ২০২০ সালের ১০ নভেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে আদালত।

আরও পড়ুন:
অ্যাম্বুলেন্সে করে আদালতে জিকে শামীমের মা
জি কে শামীম করোনায় আক্রান্ত
জি কে শামীমের অর্থপাচার মামলায় সাক্ষী অনুপস্থিত
চট্টগ্রামে জিকে শামীমের বিরুদ্ধে টেন্ডার জালিয়াতির মামলা
অর্থপাচার: জি কে শামীমের বিচার শুরু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The purpose of the baijis was to damage the bridge CID

বাইজীদের বিরুদ্ধে মামলা বিশেষ ক্ষমতা আইনে, হতে পারে মৃত্যুদণ্ড

বাইজীদের বিরুদ্ধে মামলা বিশেষ ক্ষমতা আইনে, হতে পারে মৃত্যুদণ্ড পদ্মা সেতুর নাট খুলে ভাইরাল হওয়া বাইজীদ। ছবি: সংগৃহীত
বাইজীদ তার পরিকল্পনা অনুযায়ী পদ্মা সেতুর নাট খুলেছিলেন সেতুর ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে। এমন অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫ ধারায় তার নামে মামলা হচ্ছে। পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানায় এ মামলা প্রক্রিয়াধীন। থানা কর্তৃপক্ষই বাদী হবে: সিআইডি

পদ্মা সেতুর রেলিংয়ের নাট খুলে টিকটক ভিডিও বানানো মো. বাইজীদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হচ্ছে।

আইনটির যে ধারায় তার নামে মামলা হবে বলে জানানো হয়েছে, সে ধারায় এ ধরনের অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মনে করছে, সেতুর ওপরের রেলিংয়ের ইস্পাতের পাতের সংযোগস্থলের নাট খোলা নিছক খেয়ালের ছলে হয়নি; এটা পরিকল্পিত।

সংস্থাটির এক কর্মকর্তা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে বলেছেন, বাইজীদের এই কাজের পেছনে নাশকতার চেষ্টা থাকতে পারে।

পদ্মা সেতুতে যান চলাচল শুরুর দিন রোববার রেলিংয়ের নাট খোলার ভিডিও টিকটকে ছড়িয়ে সন্ধ্যায় সিআইডির হাতে গ্রেপ্তার হন সেই যুবক। পরে জানা যায়, তিনি বায়েজিদ তালহা নামে পরিচিত, তবে তার জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম মো. বাইজীদ।

সিআইডির প্রধান অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মাহবুবুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাইজীদ তার পরিকল্পনা অনুযায়ী পদ্মা সেতুর নাট খুলেছিলেন সেতুর ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে। এমন অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫ ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে। পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানায় এ মামলা প্রক্রিয়াধীন। থানা কর্তৃপক্ষই বাদী হবে।’

কী আছে বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫ ধারায়

বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫ ধারায় ‘অন্তর্ঘাতমূলক’ (স্যাবোটাজ) কর্মকাণ্ডের ব্যাখ্যা ও শাস্তির উল্লেখ রয়েছে।

এই আইনের ১৫ (খ) ধারায় বলা হয়, কোনো রেলপথ, রোপওয়ে, রাস্তা, খাল, সেতু, কালভার্ট, বন্দর, ডকইয়ার্ড, লাইটহাউজ, বিমানবন্দর, টেলিগ্রাফ বা টেলিফোনের লাইন অথবা টেলিভিশন বা বেতার স্থাপনার দক্ষতা বিনষ্ট বা ক্ষতিসাধনের মতো কাজ করা যাবে না।

এ ধরনের অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। এ ছাড়া যাবজ্জীবন বা ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে আইনে।

বাইজীদকে জিজ্ঞাসাবাদে কী জানা গেল

বাইজীদকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে সিআইডির প্রধান মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদে নিশ্চিত হয়েছি, সে উদ্দেশ্যমূলকভাবে এই কাজ করেছে। আমরা বিস্তারিত আগামীকাল (সোমবার) সংবাদ সম্মেলনে জানাব।’

জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি বাইজীদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতাও পরীক্ষা করা সিআইডি জানিয়েছে, তিনি ছাত্রদলের রাজনীতিতে জড়িত। পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সা‌বেক সভাপ‌তি গাজী আশফাকুর রহমান বিপ্লবের সময়ে বিএন‌পি ও ছাত্রদলের মি‌ছিল-মি‌টিং‌য়ে নিয়মিত অংশ নিতেন।

সিআইডি আরও জানায়, বাইজীদের মোবাইল ফোন থেকেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। সবকিছু যাচাই-বাছাই করেই তারা দেখা গেছে, নিছক হেয়ালি নয়, পরিকল্পিতভাবে সেতুর রেলিংয়ের নাট খুলেছেন এ যুবক।

কী ছিল আলোচিত ভিডিওতে

পুলিশ জানায়, শনিবার পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর বিপুলসংখ্যক মানুষ উঠে পড়েন মূল সেতুতে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরে তাদের সরিয়ে দেন। পরদিন সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়ার পর দিনের বিভিন্ন সময়ে বিশৃঙ্খলা দেখা যায়। এরই ফাঁকে আলোচিত ভিডিওটি করেন বাইজীদ।

৩৪ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, ওই যুবক সেতুর রেলিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে দুটি বল্টুর নাট খুলছেন। যিনি ভিডিও করছিলেন, তাকে বলতে শোনা যায়, ‘এই লুজ দেহি, লুজ নাট, আমি একটা ভিডিও করতেছি, দ্যাহো।’

নাট হাতে নিয়ে বাইজীদ বলেন, ‘এই হলো পদ্মা সেতু আমাদের...পদ্মা সেতু। দেখো আমাদের হাজার হাজার কোটি টাকার পদ্মা সেতু। এই নাট খুইলা এহন আমার হাতে।’

ওই সময় পাশে থেকে আরেক ব্যক্তি বলেন, ‘ভাইরাল কইরা ফালায়েন না।’

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতুতে নাট খোলা বাইজীদ পটুয়াখালীর, করতেন ছাত্রদল
বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ৮ মিনিট বন্ধ পদ্মা সেতুর টোল আদায়
পদ্মা সেতু: যাতায়াত শুরু হলেও পণ্য পরিবহনে নেই সুফল
পদ্মা সেতু নিয়ে খুশি হতে পারেনি বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী
পদ্মা সেতু দেখতে ঢাকা থেকে ছুটছে মানুষ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Another video of opening the nut in the same place on the railing of the bridge is viral

সেতুর একই জায়গায় নাট খোলার আরেক ভিডিও ভাইরাল

সেতুর একই জায়গায় নাট খোলার আরেক ভিডিও ভাইরাল
দ্বিতীয় ভিডিওতে দেখা যায়, নাট খুলে লম্বা গড়নের এক যুবক বলেন, ‘পদ্মা সেতুর নাট।’ অন্য একজন বলেন, ‘নাট খুইল্যা গেছে?’ সেই যুবক বলেন, ‘ঝাকায়া খুইল্যা ফালাইছি হাত দিয়া।’ এই সবগুলাই কি লুজ?-জিজ্ঞেস করেন ভিডিওতে চেহারা দেখা না যাওয়া দ্বিতীয় জন। এর মধ্যে সেই নাটটি জায়গা মতো স্থাপন করেন সেই যুবক। বলেন, ‘এইগুলা লুজ। লাগায়া দিলাম। ক্যামেরা দেহাইয়া লাগাইয়া দিলাম।’

পদ্মা সেতুর রেলিংয়ের নাট বল্টু খুলে এক টিকটকারের আটক এবং তার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলার ঘোষণার মধ্যেই নাট খোলার আরও একটি ভিডিও ছড়িয়েছে।

দুটি ভিডিও পর্যালোচনা করলে দেখে মনে হয়, দুটো একই জায়গায় করা হয়েছে।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত সংস্থা-সিআইডি বলেছে, তারা বেশ কয়েকটি ঘটনা নিয়ে একস্ঙ্গে কাজ করছে। এসব বিষয়ে পরে জানানো হবে।

রোববার পদ্মা সেতুতে যান চলাচল শুরুর দিন সেতুতে উঠতে বিশেষ করে বাইকারদের মরিয়া মনোভাবের মধ্যে সেতুর রেলিংয়ের ওপরে থাকা স্টিলের পাত সংযোগের নাট বল্টু খুলতে দেখা যায় একটি ভিডিওতে।

পরে জানা যায়, সেই যুবকের নাম বাইজীদ তালহা। তার বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলার তেলীখালী গ্রামে।

ভিডিওটি প্রথমে আপলোড করা হয়েছিল টিকটকে। সেটি ভাইরাল হলে তুমুল সমালোচনার মুখে তা সরিয়ে ফেলা হয়। এমনকি বাইজীদের ফেসবুক আইডিটিও ডিঅ্যাকটিভেট করে ফেলা হয়। বন্ধ হয়ে যায় ফোন নম্বর।

তবে সন্ধ্যার ঢাকার শান্তিনগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তারের কথা জানায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি। সেই যুবক হাত দিয়ে নাট বল্টু খোলার কথা জানানো হলেও গোয়েন্দারা জানান, বাইটের নাট খোলার যন্ত্র দিয়ে সেতুর রেলিংয়ের নাট খোলা হয়েছে।

এর মধ্যে টিকটকেই আরও একটি ভিডিও প্রচার হয়।

সেই ভিডিওতে দেখা যায়, নাট খুলে লম্বা গড়নের এক যুবক বলেন, ‘পদ্মা সেতুর নাট।’

অন্য একজন বলেন, নাট খুইল্যা গেছে?’

সেই যুবক বলেন, ‘ঝাকায়া খুইল্যা ফালাইছি হাত দিয়া’।

এই সবগুলাই কি লুজ?-জিজ্ঞেস করেন ভিডিওতে চেহারা দেখা না যাওয়া দ্বিতীয় জন।

এর মধ্যে সেই নাটটি জায়গা মতো স্থাপন করেন সেই যুবক। বলেন, ‘এইগুলা লুজ। লাগায়া দিলাম। ক্যামেরা দেহাইয়া লাগাইয়া দিলাম।’

ভিডিওতে চেহারা দেখা যায় না, সেই যুবক বলেন, ‘এখন লাগায়া দিছেন, কিন্তু রাইতে আবার কী করবেন না করবেন…’

এরপর সেই যুবক পাশের আরেকটি জোড়ার কাছে যান, ‘এই যে দেখেন আরেকটা। এতে আমি কিন্তু কোনো রেঞ্জ ব্যবহার করি নাই।’

তবে তিনি সেই নাট খুলেছেন, কি না সেটা দেখা যায় না।

এর আগের যে ভিডিওটি ছড়িয়েছিল এবং দ্বিতীয় ভিডিওর স্থানটি একই বলেই প্রতীয়মান হয়, যদিও বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কেউ বিস্তারিত জানাচ্ছে না। দ্বিতীয় যুবকের পরিচয়ও কেউ নিশ্চিত করেনি।

যোগাযোগ করা হলে সিআইডির সাইবার ইন্টিলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার রেজাউল মাসুদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা এই ধরনের বেশ কয়েকজনের বিষয়ে খোঁজ করছি। তাদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।’

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতু নিয়ে খুশি হতে পারেনি বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী
পদ্মা সেতু দেখতে ঢাকা থেকে ছুটছে মানুষ
পদ্মা সেতুর নাট খোলা যুবক বাইজীদ আটক
২ ঘণ্টা ৫০ মিনিটে বরিশাল থেকে ঢাকা
পদ্মা সেতু পাড়ি দিতে এক্সপ্রেসওয়েতে যানের চাপ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The child wrapped in a vine was killed after being raped Police

লতায় প্যাঁচানো শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়: পুলিশ

লতায় প্যাঁচানো শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়: পুলিশ
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বদরুল জানান, শনিবার বেলা ১১টার দিকে শৌচাগারে যাওয়ার জন্য স্কুল থেকে বের হয় নেয়াজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিকের ছাত্রীটি। সেখান থেকে তাকে জঙ্গলের দিকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন স্বপন।

ফেনীর দাগনভূঞায় স্কুলের পেছন থেকে শিশু শিক্ষার্থীর লতায় প্যাঁচানো মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আনোয়ার হোসেন স্বপন নামে ওই ব্যক্তি রোববার আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যার দায় স্বীকার করেছেন।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বদরুল আলম মোল্লা।

আনোয়ারের বাড়ি উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নের দক্ষিণ নেয়াজপুর গ্রামে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বদরুল জানান, শনিবার বেলা ১১টার দিকে শৌচাগারে যাওয়ার জন্য স্কুল থেকে বের হয় নেয়াজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিকের ছাত্রীটি। সেখান থেকে তাকে জঙ্গলের দিকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন স্বপন। শিশুটি সবাইকে এ ঘটনা বলে দেবে জানালে তাকে গাছের লতার সঙ্গে প্যাঁচিয়ে হত্যা করে পালিয়ে যান তিনি।

দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান ইমাম জানান, স্বপনকে গ্রেপ্তারের পর তার মোবাইল ফোনে বিভিন্ন পর্ন ভিডিও পাওয়া গেছে। তাকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল ইসলামের আদালতে তোলা হলে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

আরও পড়ুন:
ধর্ষণের মামলায় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা কারাগারে
ধর্ষণ মামলায় আনসার ও নির্বাচন কর্মকর্তা কারাগারে
সাবেক স্ত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার
শিশু ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন
বাসে ধর্ষণ, চালক-হেলপারসহ ৩ জন রিমান্ডে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Baijid Patuakhali used to open nuts on Padma bridge

পদ্মা সেতুতে নাট খোলা বাইজীদ পটুয়াখালীর, করতেন ছাত্রদল

পদ্মা সেতুতে নাট খোলা বাইজীদ পটুয়াখালীর, করতেন ছাত্রদল পদ্মা সেতুতে উঠে রেলিংয়ের নাট খুলে টিকটক ভিডিও বানান বাইজীদ। ছবি: সংগৃহীত
পটুয়াখালী বিএনপিসংশ্লিষ্ট কয়েক নেতা জানান, বাইজীদ অতীতে ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সা‌বেক সভাপ‌তি গাজী আশফাকুর রহমান বিপ্লবের সময়ে বিএন‌পি ও ছাত্রদ‌লের মি‌ছিল-মি‌টিং‌য়ে নিয়মিত অংশ নিতেন তিনি। 

পদ্মা সেতুর রেলিংয়ের নাট খুলে নিয়ে টিকটক ভিডিও করা যুবক বাইজীদ তালহার বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলার তেলীখালী গ্রামে। টিকটকে তিনি বায়েজীদ তালহা নামে পরিচিত হলেও জাতীয় পরিচয়পত্রে তার নাম মো. বাইজীদ।

একসময়ের ছাত্রদলকর্মী বাইজীদ বর্তমানে ঢাকায় ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী ও পটুয়াখালী বিএনপিসংশ্লিষ্টরা।

তারা বলছেন, বাইজীদ অতীতে ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সা‌বেক সভাপ‌তি গাজী আশফাকুর রহমান বিপ্লবের সময়ে বিএন‌পি ও ছাত্রদ‌লের মি‌ছিল-মি‌টিং‌য়ে নিয়মিত অংশ নিতেন তিনি।

পটুয়াখালী জেলা স্বেচ্ছাসেবক দ‌লের একা‌ধিক নেতা এসব তথ্য নিউজবাংলাকে নি‌শ্চিত ক‌রে‌ন। বাইজীদ জেলা স্বেচ্ছা‌সেবক দ‌লের সাধারণ সম্পাদক এনা‌য়েত হো‌সেন মোহ‌নের নিকটাত্মীয় বলেও দাবি করছেন তারা।

তবে মোহনের দাবি, বাইজীদ তার আত্মীয় নন। তিনি (বাইজীদ) জেলা ছাত্রদলের সা‌বেক সভাপ‌তি গাজী আশফাকুর রহমান বিপ্লবের অনুসারী ছিলেন। বিপ্লব এখন যুবদল করেন।

জেলা ছাত্রদ‌লের এক জ্যেষ্ঠ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিউজবাংলাকে বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় মোহ‌নের সঙ্গেও বাইজীদ রাজনী‌তি ক‌রে‌ছেন। ত‌বে তার কোনো সংগঠনিক পদ ছিল না। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বাইজীদ ঢাকায় চ‌লে যান। সেখানে তিনি এখন ব্যবসায় জড়িত।

পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আল-হেলাল নয়ন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাইজীদ আগে পটুয়াখালীতে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে তিনি অনেকদিন ধরে এলাকায় নাই। এখন ঢাকায় রাজনীতি ক‌রেন কিনা তা জা‌নি না। ব্যক্তির অন্যায় অপরাধ দল কখনই দায় নেবে না।’

বাইজীদকে রাজধানীর শান্তিনগর থেকে রোববার সন্ধ্যার দিকে আটক করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি।

সিআইডির সাইবার ইন্টিলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার রেজাউল মাসুদ নিউজবাংলাকে বাইজীদকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘আটকের পর তাকে সিআইডি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সেখানে একাধিক ইউনিটের কর্মকর্তারা তার সঙ্গে কথা বলছেন।’

একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে জানান, বাইজীদের বাড়ি পটুয়াখালী হলেও তিনি ঢাকার শান্তিনগরে থাকেন। পদ্মা সেতুতে নাট খোলার বিষয়টি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ জানায়, বাইজীদ পদ্মা সেতুতে ওই টিকটক ভিডিও বানানোর পর নিজের টিকটক প্রোফাইলে পোস্ট করেন। এ নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে পরে তিনি ভিডিওটি মুছে ফেলেন। একই সঙ্গে নিজের ফেসবুক প্রোফাইল ডিঅ্যাকটিভেট করে মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন।

পরে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার করে মোবাইল ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করে তাকে শান্তিনগরের বাসা থেকে আটক করে সিআইডি।

শনিবার পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর বিপুলসংখ্যক মানুষ উঠে পড়েন মূল সেতুতে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরে তাদের সরিয়ে দেন। পরদিন সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়ার পর দিনের বিভিন্ন সময়ে বিশৃঙ্খলা দেখা গেছে। এরই ফাঁকে আলোচিত ভিডিওটি করেন বাইজীদ।

৩৪ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, ওই যুবক সেতুর রেলিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে দুটি বল্টুর নাট খুলছেন। যিনি ভিডিও করছিলেন তাকে বলতে শোনা যায়, ‘এই লুজ দেহি, লুজ নাট, আমি একটা ভিডিও করতেছি, দেহ।'

নাট হাতে নিয়ে জবাবে বাইজীদ বলেন, ‘এই হলো পদ্মা সেতু আমাদের... পদ্মা সেতু। দেখো আমাদের হাজার হাজার কোটি টাকার পদ্মা সেতু। এই নাট খুইলা এহন আমার হাতে।’

এ সময় পাশ থেকে আরেক ব্যক্তি বলেন, ‘ভাইরাল কইরা ফালায়েন না।’

ভিডিওটি বাইজীদের টিকটক অ্যাকাউন্টে আপলোড করার পর ফেসবুকেও সেটি ভাইরাল হয়। তবে রোববার বিকেলে এই অ্যাকাউন্টে ‘প্রাইভেট’ করা অবস্থায় দেখা গেছে।

সাধারণের জন্য খুলে দেয়ার পর পদ্মা সেতুতে রোববার দিনভর গণপরিবহন ছাড়া অন্য প্রায় সব গাড়িকে সেতুতে থামাতে দেখা যায়। কেউ কেউ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গাড়ি থেকে নেমে হাঁটাহাঁটির পাশাপাশি তুলেছেন ছবি।

মাইক্রোবাস ভাড়া করে পরিবার নিয়ে পদ্মা সেতু দেখতে আসেন তোফাজ্জল হোসেন। গাড়িটি দাঁড় করিয়ে প্রায় ১৫ মিনিট ধরে পরিবারের ১৪ সদস্য সেতু ঘুরে দেখেন; তোলেন দলবদ্ধ ছবি।

নিউজবাংলাকে তোফাজ্জল বলেন, ‘যেদিন সেতু উদ্বোধনের ঘোষণা দিয়েছে, আমরা সেদিনই ঠিক করেছি প্রথম দিনই সেতু দেখতে আসব। এ জন্য আমার মা, খালা, ফুপুসহ পরিবারের সবাইকে নিয়ে এসেছি। সারা দিন ঘুরে আবার কুমিল্লা ফিরে যাব।’

নিয়ম ভাঙার প্রসঙ্গ টানলে তিনি বলেন, ‘দেখেন আমরা তো কত অনিয়মই করি। এতদিনের ইচ্ছা স্বপ্নের সেতুতে এসে দাঁড়াব। নিজের স্বপ্নপূরণে একটু অনিয়ম করা দোষের কিছু না।’

আরও পড়ুন:
২ ঘণ্টা ৫০ মিনিটে বরিশাল থেকে ঢাকা
পদ্মা সেতু পাড়ি দিতে এক্সপ্রেসওয়েতে যানের চাপ
যাত্রীচাপ কম দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায়
পদ্মা সেতুমুখী সড়কে চাপ: যানজটে নাকাল শরীয়তপুরবাসী
প্রথম বাসে চড়তে টিকিট সংগ্রহ ৩ দিন আগে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Life imprisonment of 3 accused of organized rape

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ৩ আসামির যাবজ্জীবন

সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ৩ আসামির যাবজ্জীবন
২০০৭ সালের ২৬ মে ভোরে নগরীর মর্ডান মোড় এলাকায় রিকশার গতিরোধ করে আরোহী ওই গৃহবধূকে টেনেহিঁচড়ে খামার এলাকায় নিয়ে ধর্ষণ করে আসামিরা। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন গিয়ে আসাদুলকে আটক করে পুলিশে দেয়। অন্যরা পালিয়ে যায়।

গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দায়ে তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালত-১-এর বিচারক মোস্তফা কামাল রোববার বিকেলে এই আদেশ দেন।

দণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন রংপুর নগরীর এরশাদনগর এলাকার আসাদুল ইসলাম, রঞ্জু মিয়া ও কেডিসি রোড এলাকার বাবু মিয়া।

রায় ঘোষণার সময় দুই আসামি আদালতে উপস্থিত থাকলেও প্রধান আসামি বাবু পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ আইনজীবী রফিক হাসনাইন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

২০০৭ সালের ২৬ মে ভোরে নগরীর মর্ডান মোড় এলাকায় রিকশার গতিরোধ করে আরোহী ওই গৃহবধূকে টেনেহিঁচড়ে খামার এলাকায় নিয়ে ধর্ষণ করে আসামিরা। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন গিয়ে আসাদুলকে আটক করে পুলিশে দেয়। অন্যরা পালিয়ে যায়।

সেদিনই ওই নারী কোতোয়ালি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। এসআই আজিজুল ইসলাম তদন্ত শেষে তিন আসামির বিরুদ্ধে সে বছরের ১০ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দেন। ১৫ বছর পর এই মামলার রায় হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত বাড়ছেই
সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে ‘হামলার হুমকি’ ইসরায়েলের
স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টা: সুইপারের ২০ বছরের জেল
মামাকে হত্যার দায়ে ১০ বছর পর মৃত্যুদণ্ড
চুরি করতে গিয়ে বৃদ্ধকে হত্যা: দম্পতির যাবজ্জীবন

মন্তব্য

p
উপরে