× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Court show cause to Turin Afroz
google_news print-icon

তুরিন আফরোজকে আদালতের শো' কজ

তুরিন-আফরোজকে-আদালতের-শো-কজ
তুরিন আফরোজের মা ও ভাইয়ের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার মনজুর বলেন, ‘বিবাদী পক্ষকে উত্তরার বাড়ির দখল কেন বুঝিয়ে দেয়া হবে না- জানতে চেয়ে আদালত তুরিন আফরোজকে শো-কজ করেছেন। ১০ দিনের মধ্যে শো-কজের জবাব দিতে বলা হয়েছে।’

বাড়ির দখল নিয়ে ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজকে শো-কজ করেছে আদালত। ঢাকা যুগ্ম জেলা জজ আদালত-৫ সোমবার এই আদেশ দিয়েছে।

আদেশের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন তুরিন আফরোজের মা ও ভাইয়ের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার মনজুর রাব্বী।

তিনি বলেন, ‘বিবাদী পক্ষকে বাড়ির দখল কেন বুঝিয়ে দেয়া হবে না- জানতে চেয়ে আদালত তুরিন আফরোজকে শো-কজ করেছেন। ১০ দিনের মধ্যে শো-কজের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

‘ঢাকার উত্তরার বাড়িটি তার (তুরিন আফরোজ) দখলে রয়েছে। এই বাড়ির প্রাপ্য অংশ তার ভাই ও মাকে বুঝিয়ে দিতে নির্দেশনা চেয়ে গত ৭ জুন আদালতে একটি আবেদন জমা দেই। ৮ জুন আদালতে এ বিষয়ে শুনানি হয়। আজ সোমবার আদালত আদেশ দেন।’

ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ২০১৭ সালের ১১ মে নিষেধাজ্ঞার একটি মামলা করেন তার ভাই শাহনেওয়াজ আহমেদ শিশিরের বিরুদ্ধে। এরপর আদালত ২০১৮ সালের ৮ মে উভয় পক্ষকে স্থিতাবস্থাসহ শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার আদেশ দেয়। ২০১৯ সালের ১৪ জুন রাতে ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজের উত্তরার বাসার নিচে তার ভাই বাসার দারোয়ানের সঙ্গে হট্টগোল, চিৎকার-চেঁচামেচি করে জোরপূর্বক বাসায় প্রবেশের চেষ্টা করেন এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন। ওই ঘটনায় তুরিন আফরোজ উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

এদিকে সংবাদ সম্মেলন করে তুরিন আফরোজের মা ও ভাই ওই বাড়িতে তাদের প্রাপ্য অংশ বুঝিয়ে না দেয়ার অভিযোগ তোলেন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
5 marriages of security guards in police identity

পুলিশ পরিচয়ে ৫ বিয়ে নিরাপত্তা প্রহরীর

পুলিশ পরিচয়ে ৫ বিয়ে নিরাপত্তা প্রহরীর বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর মিরপুরের মনিপুর কাঠালতলা এলাকা থেকে তিনি গ্রেপ্তার হন শাকিল। ছবি: নিউজবাংলা
মিরপুর মডেল থানার ওসি মহসীন বলেন, ‘রাজধানীর বাড্ডা এলাকার এক মেয়েকে একইভাবে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তিনি মিরপুর নিয়ে যান। বিয়ে করবেন বলে ৫০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে তার স্বাক্ষর নেন। এরপর নিজেই নিজের বিয়ে পড়েন।’

পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণা করে ৫টি বিয়ের অভিযোগে শাকিল হোসেন নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ‘পুলিশ’ পরিচয় দিলেও পেশায় তিনি নিরাপত্তা প্রহরী (সিকিউরিটি গার্ড)।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর মিরপুর মডেল থানার মনিপুর কাঠালতলা এলাকা থেকে তিনি গ্রেপ্তার হন।

এ সময় তার বাসা থেকে পুলিশের ১টি পরিচয়পত্র, ১টি ক্যাপ, ১ জোড়া জুতা, ১টি ওয়ারলেস সেট ও ১টি ৫০ টাকা সমমূল্যের নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প জব্দ করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মিরপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শাকিল একজন প্রতারক। তার নাম শাকিল হলেও তিনি সবাইকে পরিচয় দেন রানা নামে।

‘একটি বেসরকারি কোম্পানিতে সিকিউরিটি গার্ডের চাকরি করলেও তিনি নিজেকে পরিচয় দেন পুলিশের এএসআই হিসেবে। মানুষ যাতে বিশ্বাস করে, তাই ওই নামে তিনি আইডি কার্ড ও পুলিশের ক্যাপ বানিয়েছেন, পুলিশের জুতা ও ওয়াকিটকিও কিনেছেন।’

তিনি বলেন, ‘ভুয়া পরিচয়েই তিনি বিভিন্ন মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে বিয়ের নামে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস করেন। কিছুদিন থাকার পর পালিয়ে যান।’

এভাবে তিনি ৫টি বিয়ে করেছেন বলে জানান ওসি মহসীন।

ওসি বলেন, ‘রাজধানীর বাড্ডা এলাকার এক মেয়েকে একইভাবে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তিনি মিরপুর নিয়ে যান। বিয়ে করবেন বলে ৫০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে তার স্বাক্ষর নেন। এরপর নিজেই নিজের বিয়ে পড়েন।

‘বিয়ের কিছুদিন পরই তার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হয় মেয়েটির কাছে। এরপর তিনি পুলিশের কাছে বিষয়টি জানালে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে প্রতারণার কথা স্বীকার করেন শাকিল।’

তার বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী মেয়েটি ধর্ষণের মামলা করেছেন বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
ইউনিসেফের নাম করে চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণা
ফেসবুকে নারী সেজে প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার হাবিপ্রবির ছাত্র
বাংলাদেশিদের সঙ্গে নিয়ে ২ নাইজেরিয়ানের পার্সেল ফাঁদ
সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা, অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে চক্র
‘র‌্যাপিড ক্যাশ’ চক্রের টার্গেটে বাংলাদেশসহ তিন দেশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Threatened to shoot the magistrate

ম্যাজিস্ট্রেটকে পেলেই গুলি করে হত্যার হুমকি

ম্যাজিস্ট্রেটকে পেলেই গুলি করে হত্যার হুমকি প্রতীকী ছবি
বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে মোবাইল ফোনে দুই দফা কল করে অজ্ঞাত ব্যক্তি ওই হুমকি দেন।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক দত্তকে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানেই গুলি করে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে মোবাইল ফোনে দুই দফা কল করে অজ্ঞাত ব্যক্তি ওই হুমকি দেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রতীক দত্ত নিজেই বিষয়টি জানান।

তিনি বলেন, ‘আমি অফিসের কাজে ঢাকায় এসেছি। আজ সকাল ৮টা ৪৪ মিনিট ও ৮টা ৪৮ মিনিটের দিকে দুটো কল আসে। একটি +৫৭২৫৮২৪৭৮, অপরটি +৮৮০১৯৪২২০৬০৩১ নম্বর থেকে। কল করে আমাকে যেখানে পাবে সেখানেই গুলি করবে, জবাই করবে এসব কথা বলেছে৷’

এ বিষয়ে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রাবিক হাসান বলেন, ‘প্রতীক দত্তকে মোবাইল ফোনে হুমকির ঘটনায় ঢাকার শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। তার নিরাপত্তা ও হুমকির বিষয়ে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
রুয়েটের ৯ শিক্ষক-কর্মকর্তাকে উড়ো চিঠি, সাদা কাপড়
‘তোর জন্য দুটি গুলিই যথেষ্ট’
বখাটেদের হুমকিতে অনিশ্চিত চার ছাত্রীর এসএসসি পরীক্ষা
পারিবারিকভাবে বিষয়টি সমাধান করে ফেলেছি: সালওয়া
সাবেক এমপিপুত্রের বিরুদ্ধে অভিনেত্রী সালওয়াকে হত্যার হুমকির অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Life sentence for wife in case of strangulation of husband

স্বামীকে শ্বাসরোধে হত্যার মামলায় স্ত্রীর যাবজ্জীবন  

স্বামীকে শ্বাসরোধে হত্যার মামলায় স্ত্রীর যাবজ্জীবন   স্বামীকে শ্বাসরোধে হত্যার মামলায় স্ত্রী সর্জিনা খাতুনের যাবজ্জীবন। ছবি: নিউজবাংলা
বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আব্দুল মতিন এ দণ্ডাদেশ দেন। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় পরকীয়ার জেরে স্বামী হারুন-অর-রশিদকে শ্বাসরোধে হত্যার মামলায় স্ত্রী সর্জিনা খাতুনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে আদালত।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আব্দুল মতিন এ দণ্ডাদেশ দেন। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমাইল হোসেন জানান, ২০০৮ সালের ২৫ জুলাই ঝিনাইদহের শৈলকুপার উপজেলার উত্তর বোয়ালিয়া গ্রামের হারুন-অর-রশিদকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তার স্ত্রী সর্জিনা খাতুন ও তার প্রেমিক লিটন হোসেন। এ ঘটনায় হারুন-অর-রশিদের ভাই ইব্রাহিম বাদী হয়ে শৈলকুপা থানায় সর্জিনা খাতুন ও লিটন হোসেনকে আসামি করে মামলা করেন।তদন্ত শেষে পুলিশ ২০০৮ সালের ২৪ ডিসেম্বর সর্জিনা খাতুন ও লিটনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত ওই মামলায় স্ত্রী সর্জিনা খাতুনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে। মামলার অপর আসামি লিটনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
পালিয়েও শেষ রক্ষা হলো না যাবজ্জীবন পাওয়া সেকান্দারের
লালমনিরহাটে গরু ব্যবসায়ী হত্যায় একজনের যাবজ্জীবন
১৩ বছর পর হত্যা মামলার রায়, গ্রেনেড বাবুর যাবজ্জীবন
শিশু ধর্ষণের মামলায় একজনের যাবজ্জীবন
স্বর্ণের ২৮ বার উদ্ধারের মামলায় একজনের যাবজ্জীবন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Councilor Mizan Rajib arrested according to law RAB

আইন মেনেই গ্রেপ্তার কাউন্সিলর মিজান-রাজীব: র‍্যাব

আইন মেনেই গ্রেপ্তার কাউন্সিলর মিজান-রাজীব: র‍্যাব র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বাহিনীটির মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। ছবি: নিউজবাংলা
র‌্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘তাদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা তদন্তাধীন। আর আদালত বলতে পারবেন, কারা দোষী ছিলেন, কারা ছিলেন না। অভিযান আমরা পরিচালনা করেছি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এবং আইন মেনে।’

র‍্যাবের ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানে কাউন্সিলর মিজান-রাজীবসহ অন্য যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, সবই গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আইন মেনে করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাহিনীটির মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে ২০১৯ সালে র‌্যাবের ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান প্রশ্নবিদ্ধ জানিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক দুই কাউন্সিলরের সংবাদ সম্মেলন বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সাবেক দুই কাউন্সিলরের সংবাদ সম্মেলন বিষয়ে র‌্যাবের মন্তব্য কী জানতে চাইলে কমান্ডার মঈন বলেন, ‘সাবেক দুই কাউন্সিলরের যে অভিযোগ, তা সংক্ষুব্ধ হয়ে যে কেউ করতে পারেন। তবে আমাদের ক্যাসিনো অভিযান দেশবাসী দেখেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দুর্নীতিমুক্ত দেশগঠনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করে যাচ্ছে। সেখানে একটি শ্রেণী দুর্নীতির মাধ্যমে মানুষের টাকা আত্মসাৎ করছে, এমন অভিযোগে আমাদের অভিযান ছিল। শুধু দুজনের বিরুদ্ধে অভিযান না, আমরা ওই সময় আরও অভিযান করেছি, কিন্তু কোনো প্রশ্ন ওঠেনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০১৯ সালে আমরা অভিযান চালিয়েছি। তাদের সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ থাকলে, এত দিনে র‌্যাব সদরদপ্তর, আদালত বা পুলিশ সদরদপ্তরে অভিযোগ জানাতে পারতেন। কিন্তু এত দিন পর তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করছেন! এটা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি হিসেবে করতে পারেন।’

কমান্ডার মঈন বলেন, ‘তাদের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা তদন্তাধীন। আর আদালত বলতে পারবেন, কারা দোষী ছিলেন, কারা ছিলেন না। অভিযান আমরা পরিচালনা করেছি গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এবং আইন মেনে।’

রোববার ডিআরইউতে সংবাদ সম্মেলন করেন সাবেক কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান মিজান ও তারেকুজ্জামান রাজীব।

তাতে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের নামে তাদের ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করেন।

আরও পড়ুন:
সেলিম প্রধানের মুক্তির দাবিতে রুশ স্ত্রীর জামিন আবেদন
ক্যাসিনো ব্যবসা: সেলিম প্রধানের জামিন নাকচ
সেলিম প্রধানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ পেছাল
ক্যাসিনোকাণ্ডে গ্রেপ্তার সেলিমের মুক্তি চাইলেন রুশ স্ত্রী
ক্যাসিনো সরঞ্জামসহ আটক ৫৩

মন্তব্য

বাংলাদেশ
50 bulkhead workers seized in Chandpur

চাঁদপুরে জব্দ বালুবাহী ৫০ বাল্কহেড, শতাধিক শ্রমিক আটক

চাঁদপুরে জব্দ বালুবাহী ৫০ বাল্কহেড, শতাধিক শ্রমিক আটক চাঁদপুরে জব্দ বাল্কহেড ঘিরে বৃহস্পতিবার নৌ পুলিশের তৎপরতা। ছবি: নিউজবাংলা
নৌ পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান জানান, রাতে চুরি করে বালু তুলে যাতে পরিবহন করে অন্য কোথাও বিক্রি করতে না পরে সে জন্য নৌ পুলিশের পাঁচটি দল ভোররাত থেকে অভিযানে অংশ নেয়।

চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনা নদীতে অবৈধভাবে বালু তুলে পরিবহন বন্ধে অভিযান চালিয়েছে নৌ পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পদ্মা-মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে বালুবাহী ৫০টি বাল্কহেড জব্দ এবং শতাধিক শ্রমিককে আটক করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন চাঁদপুর নৌ পুলিশের সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।

নৌ পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান জানান, বেশ কিছুদিন ধরে চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনা থেকে বালু তুলে বাল্কহেডে করে পরিবহন করা হচ্ছে।

নৌ পুলিশ এর আগেও কয়েকবার অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে। চলতি বছর ১৫৫টি বালুবাহী বাল্কহেড আটক করা হয়।

সেই ধারাবাহিকতায় আবারও অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে আটক ব্যক্তি ও বাল্কহেড বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি আরও জানান, রাতে চুরি করে বালু তুলে যাতে পরিবহন করে অন্য কোথাও বিক্রি করতে না পরে সে জন্য নৌ পুলিশের পাঁচটি দল ভোররাত থেকে অভিযানে অংশ নেয়।

তিনি বলেন, ‘অবৈধভাবে বালু তোলা এবং অনিবন্ধিত বাল্কহেডের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে।’

অভিযানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর নৌ পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার মো. তোফাজ্জেল হোসেন, চাঁদপুর নৌ থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান, পুলিশ পরিদর্শক (মোহনপুর) মো. মনিরুজ্জামান।

আরও পড়ুন:
নৌকায় বাল্কহেডের ধাক্কা, নিখোঁজ ২
সন্ধ্যায় বাল্কহেডডুবি: ৪ দিন পর মিলল মরদেহ
বাল্কহেডডুবি: নিখোঁজ ১ শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার
বরিশালে বাল্কহেডডুবি, নিখোঁজ সুকানি
কালবৈশাখী ঝড়ে ডুবল বাল্কহেড

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The court allowed the emperor to go abroad

সম্রাটকে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি আদালতের

সম্রাটকে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি আদালতের ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট। ফাইল ছবি
বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ আদালত-৬ এর বিচারক মো. মঞ্জুরুল ইমামের আদালতে মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ছিল। সম্রাটের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর আবেদন করেন। আবেদন মঞ্জুর করে আদালত আগামী ৬ জুলাই অভিযোগ গঠন শুনানির পরবর্তী তারিখ ধার্য করে এবং সম্রাটের বিদেশে গিয়ে চিকিৎসার আবেদন মঞ্জুর করে।

জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ আদালত-৬ এর বিচারক মো. মঞ্জুরুল ইমামের আদালতে মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ছিল। সম্রাটের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর আবেদন করেন। আবেদন মঞ্জুর করে আদালত আগামী ৬ জুলাই অভিযোগ গঠন শুনানির পরবর্তী তারিখ ধার্য করে এবং সম্রাটের বিদেশে গিয়ে চিকিৎসার আবেদন মঞ্জুর করে।

সারা দেশে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান চলাকালে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর সম্রাট ও তার সহযোগী তৎকালীন যুবলীগ নেতা এনামুল হক ওরফে আরমানকে কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

ওই বছরের ১২ নভেম্বর সম্রাটের বিরুদ্ধে দুদকের করা মামলায় ২ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। পরের বছর অর্থাৎ ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর এ মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক।

অভিযোগপত্রে সম্রাটের বিরুদ্ধে ২২২ কোটি ৮৮ লাখ ৬২ হাজার ৪৯৩ টাকা জ্ঞাত-আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।

আরও পড়ুন:
ধানমন্ডিতে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা, গ্রেপ্তার ২৭
নাইকো মামলায় খালেদার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য শুরু
প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি: নেত্রকোনায় বিএনপি কার্যালয়ে আগুন
প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার হুমকির অভিযোগে চাঁদের নামে মামলা
খুলনায় পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষ: ১৩০০ জনের নামে মামলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Death penalty for two murders for obstructing land acquisition

জমি দখলে বাধা দেয়ায় খুন, দুজনের মৃত্যুদণ্ড

জমি দখলে বাধা দেয়ায় খুন, দুজনের মৃত্যুদণ্ড ফাইল ছবি
রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত কৌঁসুলি এম. সিরাজুল মোস্তফা মাহমুদ জানান, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার আদালত রায় ঘোষণা করে।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে জমি দখলে বাধা দেয়ায় এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাত ও পিটিয়ে হত্যার মামলায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই রায়ে চারজনকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে।

চট্টগ্রামের দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আমিরুল ইসলাম বুধবার বিকেলে এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুজন হলেন মো. জাবেদ ও হাবিজ আহমদ। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত মিন্টু মিয়া। বেকসুর খালাস পান নুরুল আলম মেম্বার, হোসনে আরা, তারা বানু এবং পেয়ার আহমদ। তাদের মধ্যে পেয়ার আহমদ কর্ণফুলীর উত্তর চরলক্ষ্যার বাকিরা একই থানার খোয়াজনগর এলাকার বাসিন্দা।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ৫ নভেম্বর সকালে কর্ণফুলীর খোয়াজনগরে মো. আব্দুস সবুরের দখলীয় জমিতে সিমেন্টের খুঁটি দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে আসামিরা অবৈধভাবে দখল করার চেষ্টা করেন। এসময় মো. আব্দুস সবুর ও তার ভাই আব্দুল করিম তাদের বাধা দেয়ার চেষ্টা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জাবেদ ও হাবিজ আহমদ আব্দুস সবুরকে ছুরিকাঘাত ও আব্দুল করিমকে মারধর করেন। অন্যরা তাদের সহযোগিতা করেন।

পরবর্তীতে আব্দুস সবুরকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী খুরশীদা বেগম বাদী হয়ে ১০ জনকে আসামি করে কর্ণফুলী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

মামলার এজহারনামীয় ১০ আসামি হলেন মো. জাবেদ, হাবিজ আহমদ, নুরুল আলম মেম্বার, ছবির আহমদ, ফরিদ আহমদ, মো. আবছার, মিন্টু মিয়া, হোসনে আরা, তারা বানু এবং পেয়ার আহমদ।

রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত কৌঁসুলি এম. সিরাজুল মোস্তফা মাহমুদ জানান, মামলার পর পুলিশ ২০১১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর মো. আবছারকে বাদ দিয়ে বাকি আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এরমধ্যে ফরিদ আহমদের মৃত্যু হলে তাকে বাদ দিয়ে ২০১৫ সালের ৮ এপ্রিল বাকি ৮ আসামির বিচার শুরু হয়৷ বিচার শুরুর পর ছবির আহমদের মৃত্যু হলে তাকেও মামলার কার্যক্রম থেকে বাদ দেয়া হয়। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় ১৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার আদালত রায় ঘোষণা করে।

আরও পড়ুন:
শিশুকে অপহরণের পর হত্যার মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
লক্ষ্মীপুরে ছাত্রলীগ নেতা জসিম হত্যায় ৮ জনের মৃত্যুদণ্ড
অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যায় স্বামীর মৃত্যুদণ্ড  
সিলেটে মা-ছেলে হত্যায় দুজনের মৃত্যুদণ্ড
হবিগঞ্জে কৃষক হত্যায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

মন্তব্য

p
উপরে