× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
Dr Kamals writ hearing on tax evasion is on Tuesday
hear-news
player
print-icon

ড. কামালের কর ফাঁকি নিয়ে রিট শুনানি মঙ্গলবার

ড-কামালের-কর-ফাঁকি-নিয়ে-রিট-শুনানি-মঙ্গলবার
প্রখ্যাত আইনজীবী ও রাজনীতিক ড. কামাল হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
আইনজীবী তানিম হোসেন শাওন বলেন, ‘আজ শুনানি হয়েছে। আরও শুনানির জন্য মঙ্গলবার আদালতের তালিকায় এলে পরবর্তী শুনানি হবে।’

৬ কোটি টাকা কর ফাঁকির বিষয়ে কর আপিল ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনের করা রিট আবেদনের আংশিক শুনানি হয়েছে। পরবর্তী শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ঠিক করেছে হাইকোর্ট।

রোববার বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মোহাম্মদ মাহবুব উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ শুনানি হয়।

আদালতে কামাল হোসেন অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের পক্ষে শুনানি করে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান। তাদের সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী তানিম হোসেন শাওন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল প্রতিকার চাকমা।

পরে আইনজীবী তানিম হোসেন শাওন বলেন, ‘আজ শুনানি হয়েছে। আরও শুনানির জন্য মঙ্গলবার আদালতের তালিকায় এলে পরবর্তী শুনানি হবে।’

আয়কর নিয়ে ট্যাক্সেস আপিল ট্রাইব্যুনালের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদনটি করেন ড. কামাল। এর আগে গত ২১ জুন শুনানির জন্য তা কার্যতালিকায় এলেও রিটকারীর এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এক সপ্তাহ পিছিয়ে রোববার দিন ঠিক করে হাইকোর্ট।

এ রিট আবেদনে বলা হয়, কামাল হোসেন অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১ কোটি ৪ লাখ ৩ হাজার ৪৯৫ টাকা আয়কর রিটার্ন দাখিল করে। কিন্তু ওই অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড তার নামে ২০ কোটি ১১ লাখ ৪ হাজার ২১৯ টাকার সম্পদ দেখিয়ে ৬ কোটি ৯ লাখ ৮৫ হাজার ৩১৫ টাকা আয়কর এবং আরও ৮৭ লাখ ৩৫ হাজার ৬৩৪ টাকা সুদ দাবি করে।

২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বরে রাজস্ব বোর্ডের এক ডেপুটি কমিশনারের ওই আদেশের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট যুগ্ম কমিশনারের কাছে আপিল করেন কামাল হোসেন। ওই আপিল শুনানি শেষে ২০২০ সালের ২৫ জুন তা খারিজ করে আদেশ দেয়।

এরপর যুগ্ম কমিশনারের ওই আদেশের বিরুদ্ধে ড. কামাল হোসেন অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস ট্যাক্সেস আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল করে। আপিল ট্রাইব্যুনাল সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। এরপর বিষয়টি নিয়ে হাইকোর্টে রিট করেন ড. কামাল।

আরও পড়ুন:
ড. কামালের কর ফাঁকি নিয়ে রিট শুনানি মুলতবি
ড. কামালের কর ফাঁকি নিয়ে রিটের শুনানি রোববার
ড. কামালই গণফোরামের সভাপতি
নিজের গড়া দলকে এক করতে পারছেন না ড. কামাল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Insult to the principal 3 directly involved in wearing a shoe garland

অধ্যক্ষকে লাঞ্ছনা: ‘জুতার মালা পরিয়ে দেয়ায় সরাসরি জড়িত ৩’

অধ্যক্ষকে লাঞ্ছনা: ‘জুতার মালা পরিয়ে দেয়ায় সরাসরি জড়িত ৩’
নড়াইল সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাহামুদুর রহমান বলেন, ‘অধ্যক্ষের গলায় জুতার মালা পরানোয় সরাসরি জড়িত ছিলেন তিন জন। তাদের মধ্যে রনি ও শাওন রিমান্ডে মালা পরানোর সত্যতা স্বীকার করেছেন। আরেকজন এখনও পলাতক।’

নড়াইলে মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসকে জুতার মালা পরিয়ে দেয়ার দায় জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন আসামি শাওন খান ও রহমাতুল্লাহ রনি। এর মধ্যে শাওন জুতার মালাটি কলেজের মাঠ থেকে কুড়িয়ে এনেছিলেন, আর সেটি রনির নেতৃত্বে শিক্ষকের গলায় পরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি ও আরেকজন।

তিন দিনের রিমান্ডে আসামিদের কাছ থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন নড়াইল সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাহামুদুর রহমান।

তিনি বৃহস্পতিবার রাতে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অধ্যক্ষের গলায় জুতার মালা পরানোয় সরাসরি জড়িত ছিলেন তিন জন। তাদের মধ্যে রনি ও শাওন রিমান্ডে মালা পরানোর সত্যতা স্বীকার করেছেন। রিমান্ড শেষে গ্রেপ্তার ৪ জনকে দুপুরে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

রিমান্ডে পাওয়া তথ্যের বরাতে পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, জুতার মালাটি তৈরি করেছিল বিক্ষুদ্ধ কয়েক ছাত্র। তারা সেই মালা অধ্যক্ষের গলায় পরিয়ে না দিতে পেরে কলেজের মাঠের মধ্যে ফেলে দেয়। সেখান থেকে জুতার মালা কুড়িয়ে নিয়ে আসেন শাওন খান। পুলিশ যখন স্বপন কুমারকে কলেজের ভবন থেকে বের করে আনেন, তখন ওই মালা রহমত উল্লাহ রনির হাতে তুলে দেন শাওন। পরে রনির নেতৃত্বে শাওন ও সোয়েব নামের আরেক ব্যক্তি একত্রে স্বপন কুমার বিশ্বাসের গলায় পরিয়ে দেন।

প্রেক্ষাপট

ফেসবুকে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বহিষ্কৃত মুখপাত্র নূপুর শর্মার সমর্থনে কলেজের এক হিন্দু শিক্ষার্থীর পোস্ট দেয়াকে কেন্দ্র করে গত ১৮ জুন দিনভর নড়াইল সদর উপজেলার মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ, সহিংসতা চলে। গুজব ছড়িয়ে দেয়া হয় ওই শিক্ষার্থীর পক্ষ নিয়েছেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাস।

এরপর পুলিশ পাহারায় বিকেল ৪টার দিকে স্বপন কুমার বিশ্বাসকে ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে যাওয়ার সময় তাকে দাঁড় করিয়ে গলায় জুতার মালা পরিয়ে দেয় একদল ব্যক্তি। শিক্ষক স্বপন কুমার হাত উঁচিয়ে ক্ষমা চাইতে থাকেন। পরে তাকে তুলে নেয়া হয় পুলিশের গাড়িতে।

মোবাইল ফোনে ধারণ করা এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। দেশজুড়ে তৈরি হয় তীব্র ক্ষোভ।

আরও পড়ুন: শিক্ষককে জুতার মালা: ঘুম ভাঙল প্রশাসনের, হারাচ্ছেন না পদ

কলেজে হামলা ও শিক্ষক হেনস্তার ঘটনার ৯ দিন পর গত ২৭ জুন দুপুরে নড়াইল সদর থানায় মামলা করেন পুলিশের উপপরিদর্শক ও মির্জাপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ শেখ মোরছালিন।

দণ্ডবিধির ৩৪, ১৪৩, ৪৪৭, ৪৪৮, ৩২৩, ৩৪১, ৩৩২, ৩৫৩, ৩৫৫, ৪৩৬, ৪২৭, ৫০০ ধারায় করা এ মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ১৭০ থেকে ১৮০ জনকে আসামি করা হয়।

মামলায় এ পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

তারা হলেন, ওই কলেজের শিক্ষার্থী রহমাতুল্লাহর রনি, মোবাইল ফোনের মেকানিক শাওন খান, অটোরিকশার চালক রিমন আলী, মাদ্রাসা শিক্ষক মনিরুল ইসলাম ও শ্রমিক মো. নুরুন্নবী। তাদের বাড়ি নড়াইল সদর থানার মির্জাপুর কলেজের আশপাশের বিভিন্ন গ্রামে।

এদের মধ্যে রনি, শাওন, রিমন ও মনিরুল গত সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত আদালতের নিদের্শে রিমান্ডে ছিলেন। তাদের বৃহস্পতিবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আর নুরুন্নবীর ৩ দিনের রিমান্ড শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার থেকে।

সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহামুদুর বলেন, ‘ঘটনার দিন মনিরুল হ্যান্ড মাইকে উসকানিমূলক ঘোষণা দিয়েছিলেন। রিমন আলী স্থানীয়দের মধ্যে জনরোষ সৃষ্টি করেছিলেন এবং নুরুন্নবী কলেজ মাঠে গিয়ে নিজের গায়ের পাঞ্জাবি ছিড়ে সেখানে বেশ উত্তপ্ত পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিলেন। এসব অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।’

আরও পড়ুন: শিক্ষক লাঞ্ছনা: ওসির পর প্রত্যাহার ফাঁড়ির ইনচার্জও

তিনি আরও জানান, জুতার মালা পরিয়ে দেয়া মূল অভিযুক্তদের একজন সোয়েবকে এখনও গ্রেপ্তার করা যায়নি। তিনি যশোরের অভয়নগর উপজেলার সিঙ্গাড়ি আবদুল হক ডিগ্রি কলেজের ছাত্র।

আরও পড়ুন:
অধ্যক্ষকে জুতার মালা পরানো শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, শিক্ষককে শোকজ
মাদ্রাসা ‘অধ্যক্ষের নির্দেশে’ শিক্ষকের মাথা ন্যাড়া
শিক্ষকদের ওপর হামলা মানে শিক্ষার ওপর হামলা: ইউনিসেফ
শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা: সেই কলেজের অধ্যক্ষকে শোকজ
শিক্ষক হত্যা: জিতুর দায় স্বীকার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Organized rape of a schoolgirl Confession of one accused

স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: এক আসামির স্বীকারোক্তি

স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: এক আসামির স্বীকারোক্তি
তদন্ত কর্মকর্তা সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন) আবু বকর সিদ্দিক এজাহারের বরাতে জানান, ওই স্কুলছাত্রীর সঙ্গে আগে থেকে পরিচয় ছিল নাঈমের। গত ২৯ জুন নাঈম তাকে সিদ্ধিরগঞ্জে রোহানদের বাড়ির ছাদে ডেকে নেয়। সেখানে আসামিরা তাকে ধর্ষণ করে। 

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামির একজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। এরপর চারজনকেই কারাগারে পাঠিয়েছেন বিচারক।

জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম কাউসার আলমের আদালতে বৃহস্পতিবার বিকেলে আসামিদের তোলা হয়। এর আগে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম নূর নাহার ইয়াসিনের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন আসামি মো. নাঈম।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বৃহস্পতিবার দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা করেন। তাতে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আসামিদের নেয়া হয় আদালতে।

আসামিরা হলো সিদ্ধিরগঞ্জের মোহাম্মদ নাঈম, মো. যুবরাজ, মো. দিপু ও মো. পিয়াস। তবে মামলার আরেক আসামি মোহাম্মদ রোহান পলাতক।

তদন্ত কর্মকর্তা সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন) আবু বকর সিদ্দিক এজাহারের বরাতে জানান, ওই স্কুলছাত্রীর সঙ্গে আগে থেকে পরিচয় ছিল নাঈমের। গত ২৯ জুন নাঈম তাকে সিদ্ধিরগঞ্জে রোহানদের বাড়ির ছাদে ডেকে নেয়। সেখানে আসামিরা তাকে ধর্ষণ করে।

এজাহারে আরও বলা হয়, ঘটনার পর বেশ কিছুদিন ভয়ে মেয়েটি পরিবারকে তা জানায়নি। অসুস্থ বোধ করলে গত বুধবার রাতে সে তার মা-বাবাকে ধর্ষণের বিষয়টি জানায়। এরপরই মামলার সিদ্ধান্ত নেয় পরিবার।

আরও পড়ুন:
স্কুলছাত্রীকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’, গ্রেপ্তার ৪

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Hearing of charges against PK Haldar will be held on August 18

পি কে হালদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৬ আগস্ট

পি কে হালদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৬ আগস্ট
পি কে হালদারসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন আগামী ১৬ আগস্ট ঠিক করেছে ঢাকার একটি আদালত।

হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচার করে দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে গ্রেপ্তার প্রশান্ত কুমার হালদার বা পি কে হালদারসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন আগামী ১৬ আগস্ট ঠিক করেছে ঢাকার একটি আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এ বদলির আদেশ দেন এবং অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য নতুন তারিখ ঠিক করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন পি কে হালদারের মা লীলাবতী হালদার, পূর্ণিমা রানী হালদার, অমিতাভ অধিকারী, প্রীতিশ কুমার হালদার, উত্তম কুমার মিস্ত্রি, অনঙ্গ মোহন রায়, স্বপন কুমার মিস্ত্রি, রাজিব সোম, সুব্রত দাস, অবন্তিকা বড়াল, সুকুমার মৃধা, অনিন্দিতা মৃধা এবং শংখ ব্যাপারী।

এদের মধ্যে শংখ ব্যাপারী, সুকুমার মৃধা, অবন্তিকা বড়াল, অনিন্দিতা মৃধা কারাগারে রয়েছেন।

এর আগে ২৭ মার্চ এ মামলার পলাতক ১০ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।

মামলা থেকে জানা যায়, দেশের চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে পি কে হালদার নামে-বেনামে বিভিন্ন কোম্পানির নামে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা বের করে নেন। এই টাকা আর ফেরত না আসায় ওই চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে পারছে না।

প্রতিষ্ঠান চারটি হলো ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি)।

টাকা বের করার আগে শেয়ার কিনে তিনি এসব প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেন।

তিনি দেশ ছাড়েন ২০১৯ সালের শেষ দিকে। আর এই আর্থিক কেলেঙ্কারি জানাজানি হয় ২০২০ সালের শুরুতে।

পলাতক থাকা অবস্থায় ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি পি কে হালদারের বিরুদ্ধে প্রায় ২৭৫ কোটি টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলা করে দুদক।

দুদকের অভিযোগপত্রে বলা হয়, পি কে হালদার নামে-বেনামে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ৬ হাজার ৭৯০ শতাংশ জমি কিনেছেন।

বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী এই সম্পদের মূল্য ৯৩৩ কোটি টাকা হলেও এই সম্পদের বাজারমূল্য দেখানো হয়েছে ৩৯১ কোটি ৭৫ লাখ ৮১ হাজার ১২ টাকা।

এর মধ্যে নিজের নামে তিনি জমি কিনেছেন ৪ হাজার ১৭৪ শতাংশ। এর দাম দলিলে দেখানো হয়েছে ৬৭ কোটি ৯৪ লাখ ২০ হাজার ৯৩০ টাকা। অথচ এই সম্পদের বর্তমান মূল্য ২২৮ কোটি টাকা। এ ছাড়া ধানমন্ডিতে তার নামে দুটি ফ্ল্যাট রয়েছে।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, প্রশান্ত তার নিকটাত্মীয় পূর্ণিমা রানী হালদারের নামে উত্তরায় ১২ কোটি টাকা দামের একটি ভবন করেছেন।

আর পূর্ণিমার ভাই উত্তম কুমার মিস্ত্রির নামে তেজগাঁও, তেজতুরী বাজার ও গ্রিন রোডে ১০৯ শতাংশ জমি কেনেন।

যার বাজারমূল্য ২০০ কোটি টাকা। প্রশান্ত তার কাগুজে কোম্পানি ক্লিউইস্টোন ফুডসের নামে কক্সবাজারে দুই একর জমির ওপর আটতলা হোটেল তৈরি করেছেন।

যার আর্থিক মূল্য বর্তমানে ২৪০ কোটি টাকা। এ ছাড়া পি কের খালাতো ভাই অমিতাভ অধিকারী এবং অনঙ্গ মোহন রায়ের নামে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে ৪০৪ শতাংশ জমি কিনেছেন, যার দাম ১৬৭ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) ও কানাডীয় ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের তথ্যের বরাত দিয়ে দুদক প্রতিবেদনে বলেছে, পি কে হালদার ২০১২ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে তার ভাই প্রীতিশ হালদারের কাছে ১ কোটি ১৭ লাখ ১১ হাজার ১৬৪ কানাডীয় ডলার পাচার করেন, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৮০ কোটি টাকা।

আরও পড়ুন:
জেরায় বাংলাদেশ-ভারতের একাধিক প্রভাবশালীর নাম বলেছেন পি কে
পি কে হালদার ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতে
পাচারের টাকা বৈধ করার সুযোগ পাবেন না পি কে
পি কে হালদার ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতে
এবার ১১ দিনের জেল হেফাজতে পি কে হালদার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
4 arrested for organized rape of a schoolgirl

স্কুলছাত্রীকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’, গ্রেপ্তার ৪

স্কুলছাত্রীকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’, গ্রেপ্তার ৪
এজাহারে বলা হয়, ‘ওই কিশোরী স্থানীয় একটি মাধ্যমিক স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী। নাঈমের সঙ্গে তার আগের পরিচয় ছিল। গত ২৯ জুন নাঈম তাকে সিদ্ধিরগঞ্জে রোহানদের বাড়ির ছাদে ডেকে নেয়। এ সময় নাঈমসহ তার বাকি চার বন্ধু ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে।’

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে ওই ছাত্রীর বাবা মামলা করেন। এর আগে বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন সিদ্ধিরগঞ্জের বউবাজার এলাকার মোহাম্মদ নাঈম, মো. যুবরাজ, মো. দিপু ও মো. পিয়াস। তবে মামলার আরেক আসামি মোহাম্মদ রোহান পলাতক।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন৷

এজাহারে বলা হয়েছে, ‘ওই কিশোরী স্থানীয় একটি মাধ্যমিক স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী। নাঈমের সঙ্গে তার পরিচয় ছিল। গত ২৯ জুন নাঈম তাকে সিদ্ধিরগঞ্জে রোহানদের বাড়ির ছাদে ডেকে নেয়। এ সময় নাঈমসহ তার বাকি চার বন্ধু ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে।’

মামলায় আরও বলা হয়, ‘ঘটনার পর ভয় পেয়ে ওই কিশোরী ধর্ষণের বিষয়টি পরিবারের কাউকে জানায়নি। বুধবার মা-বাবাকে বিষয়টি জানালে তারা সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় রাতে অভিযোগ করেন। অভিযোগের পর পরই সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত চারজনকে আটক করা হয়।’

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের পরিদর্শক (অপারেশন) আবু বকর সিদ্দিক জানান, পলাতক আসামি রোহানকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে। বাকি আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার পর ওই ছাত্রীর শারীরিক পরীক্ষার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বৃদ্ধের পায়ুপথে টর্চলাইট, আরেক আসামি গ্রেপ্তার
ইউপি মেম্বারকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’, মাইক্রোবাসচালক গ্রেপ্তার
বৃদ্ধের পায়ুপথে টর্চলাইট, যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার
বাসে তুলে ধর্ষণচেষ্টার সেই আসামি গ্রেপ্তার
৯ বছরের শিশুকে সংঘবদ্ধ ‘ধর্ষণ’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The embezzlement of Tk 12 crore is not a guarantee for the branch manager of Jamuna Bank

১২ কোটি টাকা আত্মসাৎ, যমুনা ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকের জামিন নয়

১২ কোটি টাকা আত্মসাৎ, যমুনা ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকের জামিন নয় ফাইল ছবি
দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, ‘১২ কোটি ১৬ টাকা আত্মসাতের মামলায় আসামি সওগাত আরমানকে জামিন দেয়নি হাইকোর্ট। তার জামিন আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেয় আদালত।’

১২ কোটি ১৬ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় যমুনা ব্যাংকের বগুড়া শাখার ব্যবস্থাপক সওগাত আরমানকে জামিন দেয়নি হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. মুস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ তার জামিন আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেয়।

আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

তিনি বলেন, ‘১২ কোটি ১৬ টাকা আত্মসাতের মামলায় আসামি সওগাত আরমানকে জামিন দেয়নি হাইকোর্ট। তার জামিন আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেয় আদালত।’

তার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন মো. মুজাহিদুল ইসলাম।

মামলা থেকে জানা যায়, ২০২০ সালের ২৯ জুলাই সকালে দুদকের বগুড়া জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের কর্মকর্তারা ব্যবস্থাপক আরমানকে গ্রেপ্তার করে নিজেদের হেফাজতে নেন।

সওগাত আরমান যমুনা ব্যাংকের বগুড়া শাখায় ম্যানেজার (ব্যবস্থাপক) হিসেবে কর্মরত থাকাকালে বিভিন্ন সময়ে জালিয়াতির মাধ্যমে অন্যের অ্যাকাউন্টে ১২ কোটি ১৬ লাখ টাকা সরিয়ে নেন। পরে সেই টাকা নিজের অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করে আত্মসাৎ করেন তিনি। এ অভিযোগে দুদকের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে সওগাত আরমানের নামে মামলা করে। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The body of the trader was recovered from under the bridge

ব্রিজের নিচ থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

ব্রিজের নিচ থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার প্রতীকী ছবি
গঙ্গাচড়া মডেল থানার ওসি জানান, বুধবার বিকেলে তিনি বাড়ি থেকে দোকানে যান। রাত ১১টার দিকে দোকান বন্ধ করে আর বাড়ি ফেরেননি। সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় একটি ব্রিজের নিচ থেকে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

গঙ্গাচড়া বাজারসংলগ্ন ভুটকা ব্রিজের নিচের পানি থেকে বৃহস্পতিবার সকালে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

৮০ বছরের মাহের উদ্দিনের বাড়ি ওই একই উপজেলায়। স্থানীয় একটি বাজারে তার দোকান ছিল।

গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল হোসেন বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয়রা ব্রিজের নিচে মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

পরিবারের বরাতে ওসি জানান, বুধবার বিকেলে তিনি বাড়ি থেকে দোকানে যান। রাত ১১টার দিকে দোকান বন্ধ করে আর বাড়ি ফেরেননি। সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার কাউন্সিলর পুত্র 
ঘরে মা-ছেলের গলা কাটা দেহ
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেসিনে নবজাতকের মরদেহ
কাউন্সিলরের বাসায় পুত্রবধূর গলায় ওড়না প্যাঁচানো মরদেহ
নিখোঁজ অটোচালকের মরদেহ মিলল ঝোপে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Leaning of school building Ministrys instructions to take action

স্কুল ভবন হেলে পড়ায় ব্যবস্থার নির্দেশ

স্কুল ভবন হেলে পড়ায় ব্যবস্থার নির্দেশ ফাইল ছবি
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইইডির এক নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ভবনের কাজ শেষ না হতেই ভবনটি ৫-৬ ইঞ্চি হেলে পড়ে। বিষয়টি নজরে এলে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখা হয়। কিছুদিন পর হেলে পড়া ভবনটি সোজা করার জন্য ‘অভিনব পদ্ধতি’তে আবার কাজ শুরু করা হয়।

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার পল্লীশ্রী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন চারতলা অ্যাকাডেমিক ভবন একপাশে হেলে পড়ার ঘটনায় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবু বকর ছিদ্দীক এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইইডির এক নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, ভবনের কাজ শেষ না হতেই ভবনটি ৫-৬ ইঞ্চি হেলে পড়ে। বিষয়টি নজরে এলে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখা হয়। কিছুদিন পর হেলে পড়া ভবনটি সোজা করার জন্য ‘অভিনব পদ্ধতি’তে আবার কাজ শুরু করা হয়।

তিনি আরও বলেন, ভবনটি সোজা করতে যে পাশে হেলে গেছে তার বিপরীত পাশে খনন করা হচ্ছে ১৪ ফুট গভীর খাল। অন্য পাশে বাঁশের পাইলিং দিয়ে ১২ ফুট চওড়া ও ১৪ ফুট উচ্চতায় নির্মাণ করা হচ্ছে বাঁধ, যা সম্পূর্ণ প্রকৌশল বিদ্যাবহিভূর্ত।

জানতে চাইলে ইইডির খুলনা জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘নির্দেশনা অনুযায়ী সমস্যা সমাধানের কাজ চলছে। এর বেশি কিছু আমার পক্ষে বলা সম্ভব নয়।’

গত ২৮ জুন স্কুলভবন হেলে পড়ার ঘটনায় ইইডির খুলনা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আ. ট. মারুফ আল ফারুকীর নেতৃত্বে তদন্তদল গঠন করা হয়। এ তদন্তদলে রয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী (প্রধান কার্যালয়) মীর মুয়াজ্জেম হুসেন, নির্বাহী প্রকৌশলী (খুলনা) মু. মোস্তাফিজুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) এস এম সাফিন হাসান ও সহকারী প্রকৌশলী রতিশ চন্দ্র সেন।

জানা যায়, বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী শাহ নাইমুল কাদের ইইডির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী থাকাকালে এ প্রকল্পের পরিচালক ছিলেন। এখনও তিনি এ প্রকল্পের দায়িত্বে আছেন।

এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার প্রধান প্রকৌশলী শাহ নাইমুল কাদেরকে ফোন ও এসএমএস করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

ইইডি থেকে জানা যায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ইইডি) বাস্তবায়নাধীন ‘নির্বাচিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহে উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় পল্লীশ্রী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চারতলা অ্যাকাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয় ২০১৮-১৯ অর্থবছর। এর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় দুই কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

আরও পড়ুন:
সেই অধ্যক্ষকে সন্দীপে বদলি
অধ্যক্ষের ভর্তি বাণিজ্যের সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি
অসীম ও অপু উকিলের ‘দুর্নীতির’ তদন্ত চাওয়া রিট খারিজ
যেখানেই যান, সেখানেই ‘ঘুষ-অনিয়মে’ সালাম

মন্তব্য

p
উপরে