× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
Money laundering case Barkat Rubel chargesheet hearing on July 3
hear-news
player
print-icon

অর্থ পাচার মামলা: বরকত-রুবেলের অভিযোগ গঠনের শুনানি ৩ জুলাই

অর্থ-পাচার-মামলা-বরকত-রুবেলের-অভিযোগ-গঠনের-শুনানি-৩-জুলাই
ফরিদপুরের আলোচিত দুই ভাই সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও ইমতিয়াজ হাসান রুবেল। ছবি: সংগৃহীত
তদন্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে এদিন মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি হয়। তবে তা শেষ না হওয়ায় আদালত আগামী ৩ জুলাই নতুন দিন ঠিক করে অবশিষ্ট অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য।

দুই হাজার কোটি টাকা পাচারের মামলায় ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের অব্যাহতিপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ইমতিয়াজ হাসান রুবেলসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অবশিষ্ট অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ৩ জুলাই দিন ঠিক করেছে ঢাকার একটি বিশেষ আদালত।

রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালত নতুন এ দিন ঠিক করে।

তদন্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে এদিন মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি হয়। তবে তা শেষ না হওয়ায় আদালত আগামী ৩ জুলাই নতুন দিন ঠিক করে অবশিষ্ট অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য।

এর আগে ১৯ মে এ মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। তবে ওইদিনও শুনানি শেষ না হওয়ায় ১২ জুন অবশিষ্ট অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ঠিক হয়েছিল।

এর আগে গত ৭ মার্চ আসামিদের নির্দোষ দাবি করে আইনজীবী শাহিনুর রহমান অব্যাহতির আবেদন করেন। এরপর অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি শুরু হয়। তবে তা শেষ না হওয়ায় অবশিষ্ট অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আদালত দিন ঠিক করে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- ফরিদপুর আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজমুল ইসলাম খন্দকার লেভী, আসিকুর রহমান ফারহান, খন্দকার মোহতেসাম হোসেন বাবর, এ এইচ এম ফুয়াদ, ফাহাদ বিন ওয়াজেদ ওরফে ফাহিম, কামরুল হাসান ডেভিড, মুহাম্মদ আলি মিনার ও তারিকুল ইসলাম ওরফে নাসিম।

২০২১ সালের ৩ মার্চ বরকত, রুবেলসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) উত্তম কুমার বিশ্বাস। ওই বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত এ অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন।

২০২০ সালের ২৬ জুন অর্থ পাচারের অভিযোগে ঢাকার কাফরুল থানায় বরকত ও রুবেলের বিরুদ্ধে মামলা করেন সিআইডির পরিদর্শক এস এম মিরাজ আল মাহমুদ। মামলায় দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ২ হাজার কোটি টাকা উপার্জন ও পাচারের অভিযোগ আনা হয়।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০১০ সাল থেকে চলতি বছর পর্যন্ত ফরিদপুরের এলজিইডি, বিআরটিএ, সড়ক বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি বিভাগের ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক হন বরকত ও রুবেল। এ ছাড়া তারা মাদক কারবার ও ভূমি দখল করে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। এসি ও নন-এসিসহ ২৩টি বাস, ডাম্প ট্রাক, বোল্ডার ও পাজেরো গাড়ির মালিক হয়েছেন দুই ভাই।

অভিযোগে আরও বলা হয়, উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করেছেন বরকত-রুবেল। রাজবাড়ীতে ১৯৯৪ সালে এক আইনজীবী হত্যা মামলারও আসামি ছিলেন তারা।

এজাহারে আরও বলা হয়, গত ১৮ জুন মিরাজ আল মাহমুদ তদন্ত কর্মকর্তা নিযুক্ত হন। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, বরকত ও রুবেল অন্তত ২ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন।

আরও পড়ুন:
অর্থ পাচার: রুবেল-বরকতের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ
দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার বরকত-রুবেল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
7 students of Jabir remanded after arrest

জবির ৭ শিক্ষার্থী রিমান্ডে

জবির ৭ শিক্ষার্থী রিমান্ডে
যাত্রাবাড়ী থানার সাব-ইন্সপেক্টর নওশের আলী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘থানার একটি মামলায় আমরা ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছি। তাদের কাছ থেকে জামায়াত-শিবিরের বইপত্র পাওয়া গেছে। আদালত তাদের দুই দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে। তারা যাত্রাবাড়ী থানায় হেফাজতে রয়েছে।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বিভিন্ন বিভাগের ৭ শিক্ষার্থীকে যাত্রাবাড়ী থানার এক মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাদের আদালতের মাধ্যমে দুই দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।

যাত্রাবাড়ী থানার সাব-ইন্সপেক্টর নওশের আলী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘থানার একটি মামলায় আমরা ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছি। তাদের কাছ থেকে জামায়াত-শিবিরের বইপত্র পাওয়া গেছে। আদালত তাদের দুই দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে। তারা যাত্রাবাড়ী থানায় হেফাজতে রয়েছে।’

বুধবার মধ্যরাতে ওয়ারী থানার একটি টিম নারিন্দা কাঁচা বাজারের একটি বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখান থেকে ৯ জনকে আটক করে থানায় নেয়া হয়। পরবর্তীতে তাদের যাত্রাবাড়ী থানায় হস্তান্তরের পর দুজনকে ছেড়ে দেয়া হয়।

ছাড়া পাওয়া এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘পুলিশের দুটি গাড়িতে প্রায় ৪০ জনের মতো এসে প্রথমে আমাদের সবার মোবাইল ফোন সেট নিয়ে নেয়। মেসে তল্লাশি শেষে তারা ৯ জনকে থানায় নিয়ে যায়। জিজ্ঞাসাবাদের পর আমাদের দুইজনকে ছেড়ে দেয়া হয়।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল নিউজবাংলাকে জানান, তিনি এ ঘটনা সম্পর্কে কিছু জানেন না।

প্রসঙ্গত, এর আগে ২৫ মার্চ মধ্যরাতে গেন্ডারিয়া থানার ধুপখোলা এলাকার একটি মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ শিক্ষার্থীকে আটকর করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। তারা কারাগারে রয়েছেন।

আরও পড়ুন:
চাকরি স্থায়ী করার দাবিতে জবিতে কর্মচারীদের অবস্থান
জবিতে গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে বন্ধ ক্লাস, চলবে পরীক্ষা
নিজেদের দ্বিতল বাসে চড়বে জবি শিক্ষার্থীরা
জবিতে স্প্যানিশ ভাষা শেখাবে দূতাবাস
পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনে ইনক্রিমেন্ট চান জবির শিক্ষকরা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Transgender people are being deprived of legal protection

আইনি সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ট্রান্সজেন্ডারেরা

আইনি সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ট্রান্সজেন্ডারেরা
‘তৃতীয় লিঙ্গের অনেক মানুষ সমাজের ভয়ে নিজের পরিচয় গোপন রাখে। কারণ পরিচয় প্রকাশ হলে হয়রানির শঙ্কা থাকে। তবে সরকারি-বেসরকারি প্রচেষ্টায় সাম্প্রতিক সময়ে এসব ক্ষেত্রে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।’

দেশের প্রচলিত আইনি সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ট্রান্সজেন্ডারেরা। তারা নানামুখী হয়রানির শিকার হচ্ছে। অথচ ন্যায্য নাগরিক অধিকারটুকুও পাচ্ছে না।

লিঙ্গ বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর আইনি সুরক্ষা ও অধিকার সংরক্ষণে বৃহস্পতিবার বিকেলে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় আলোচকেরা এমন মন্তব্য করেন। এলইজিডি প্রকল্পের সহযোগিতায় এই সভার আয়োজন করে ‘সম্পর্কের নয়া সেতু’।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি জয়া সিকদার বলেন, ‘হিজড়া জনগোষ্ঠীর মানুষের প্রতি সমাজের নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। ফলে আইনি সুরক্ষা ও নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন এই জনগোষ্ঠীর মানুষেরা। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষেরা ঠিকমতো স্বাস্থ্যসেবাও পান না।’

নারী পক্ষের সদস্য আইনজীবী কামরুন নাহার বলেন, ‘তৃতীয় লিঙ্গের অনেক মানুষ সমাজের ভয়ে নিজের পরিচয় গোপন রাখে। কারণ পরিচয় প্রকাশ হলে হয়রানির শঙ্কা থাকে। তবে সরকারি-বেসরকারি প্রচেষ্টায় সাম্প্রতিক সময়ে এসব ক্ষেত্রে কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।

‘দেশে প্রতিদিন ৩০০ ট্রান্সজেন্ডার শিশু জন্মগ্রহণ করে। পরবর্তীতে এদের কেউ কেউ হত্যা বা পাচারের শিকার হয়। দেশে সবচেয়ে বেশি পাচারের শিকার হয় সাতক্ষীরায়।

অনুষ্ঠানে আলোচনায় আরও অংশ নেন মানবাধিকার কর্মী মুশফিকা লাইজু, নাগরিক উদ্যোগের প্রোগ্রাম ম্যানেজার নাদিরা পারভীন, আশার আলোর প্রোগ্রাম ম্যানেজার সানোয়ার হোসেন প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
ট্রান্স নারীরা ‘বিশ্ব নারী সাঁতার প্রতিযোগিতা’ থেকে নিষিদ্ধ
প্রতিবন্ধী-ট্রান্সজেন্ডারদের চাকরি দিলে কর ছাড়
হোচিমিনের পরিবার একঘরে!
ট্রান্স পুরুষের পরিপক্ব ডিম্বাণুতে জন্ম নেবে সন্তান
ট্রান্সজেন্ডারদের দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৭

মন্তব্য

বাংলাদেশ
After 18 years of rape Roy was sentenced to life imprisonment

ধর্ষণের ১৮ বছর পর রায়, ২ জনের যাবজ্জীবন

ধর্ষণের ১৮ বছর পর রায়, ২ জনের যাবজ্জীবন রংপুরে ধর্ষণ মামলার আসামি একরামুল হক ও আবুল কালাম আজাদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। ছবি: নিউজবাংলা
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০০৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর রাত ১১টার দিকে পীরগঞ্জের একবারপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামে এক দম্পতির পথ রোধ করেন একরামুল হক ও আবুল কালাম আজাদ। আসামিরা অস্ত্রের মুখে স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে স্ত্রীকে অন্যত্র নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন।

রংপুরের পীরগঞ্জে স্বামীকে গাছে বেঁধে গৃহবধূকে অপহরণ করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় ১৮ বছর পর দুই আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রংপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক এম আলী আহাম্মেদ এ আদেশ দেন।

এ সময় আসামি একরামুল হক ও আবুল কালাম আজাদ আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০০৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর রাত ১১টার দিকে পীরগঞ্জের একবারপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামে এক দম্পতির পথ রোধ করেন একরামুল হক ও আবুল কালাম আজাদ। আসামিরা অস্ত্রের মুখে স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে স্ত্রীকে অন্যত্র নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করেন।

এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী পরদিন পীরগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ইকবাল বাহার দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেন। মামলায় ১৫ সাক্ষীর মধ্যে আদালতে ১২ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

১৮ বছর মামলা চলার পর একরামুল ও আবুল কালামকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারক।

বাদী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন বিশেষ পিপি তাইবুর রহমান লাইজু। তিনি জানান, দেরিতে হলেও ন্যায়বিচার পেয়েছে বাদীপক্ষ।

আসামিপক্ষের আইনজীবী আব্দুস সালাম জানান, তার মক্কেল ন্যায়বিচার পাননি। তারা উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।

আরও পড়ুন:
২২৫ গ্রাম হেরোইন বহনের দায়ে ২ যুবকের যাবজ্জীবন
শিশু হত্যায় চাচির যাবজ্জীবন
বাইকচাপায় হত্যার দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন
স্ত্রীকে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন
খালাতো দুই বোনকে অ্যাসিড ছোড়ায় ভাই-বোনের যাবজ্জীবন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Former DGM of Agrani Bank Nurul Amin has been ordered to be arrested

অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক ডিজিএম নুরুল আমিনকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ

অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক ডিজিএম নুরুল আমিনকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ ফাইল ছবি
অগ্রণী ব্যাংকের চট্টগ্রাম আগ্রবাদ শাখা থেকে ১৫৫ কোটি ৪৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৮ সালের ১৬ মে ডবলমুরিং থানায় অগ্রণী ব্যাংকের তৎকালীন পাঁচ কর্মকর্তা ও ইলিয়াস ব্রাদার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সামসুল আলমসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

পণ্য আমদানির নামে ব্যাংক থেকে দেড় শ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগের মামলায় অগ্রণী ব্যাংকের চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ করপোরেট শাখার তৎকালীন উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মো. নুরুল আমিনকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার তার করা জামিন আবেদন খারিজের নির্দেশ দেয় বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এম এ আজিজ খান।

আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আমিন উদ্দিন মানিক জানিয়েছেন, অগ্রণী ব্যাংকের চট্টগ্রাম আগ্রবাদ শাখা থেকে ১৫৫ কোটি ৪৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৮ সালের ১৬ মে ডবলমুরিং থানায় অগ্রণী ব্যাংকের তৎকালীন পাঁচ কর্মকতা ও ইলিয়াস ব্রাদার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সামসুল আলমসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

এ মামলায় উচ্চ আদালত থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নিয়ে আত্মসমর্পণের পর একই বছরের ১৭ জুলাই নুরুল আমিনকে কারাগারে পাঠান চট্টগ্রামের আদালত।

এরপর তিনি হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। হাইকোর্ট ২০১৮ সালের ১৪ অক্টোবর তাকে জামিন দিয়ে রুল জারি করে। ওই আদেশের পর তিনি জামিনে মুক্ত হন।

সম্প্রতি এ মামলায় চার্জশিট দেয়া হয়। তখন নুরুল আমিন বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের আবেদন দিয়েও হাজির হননি। এ অবস্থায় তার জামিনের ওপর রুল শুনানি শেষে তা খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। একই সঙ্গে তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
7 JMB hanged in Kurigram freedom fighter murder case

ধর্মান্তরিত মুক্তিযোদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যা: ৬ জেএমবি সদস্যের ফাঁসি

ধর্মান্তরিত মুক্তিযোদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যা: ৬ জেএমবি সদস্যের ফাঁসি
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করেন ওই মুক্তিযোদ্ধার ছেলে রাহুল আমিন আজাদ। ৭ নভেম্বর কুড়িগ্রাম সদর থানা পুলিশ ১০ জেএমবি সদস্যকে অভিযুক্ত করে জেলার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট জমা দেয়। মামলায় মোট ৩২ জন সাক্ষীর মধ্যে ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

ধর্মান্তরিত বীর মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলী হত্যা মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) ছয় সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে কুড়িগ্রামের একটি বিচারিক আদালত।

এ ছাড়া বিস্ফোরক আইনে করা মামলায় তিন জেএমবি সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও জরিমানা করা হয়েছে।

জেলা ও দায়রা জজ মো. আব্দুল মান্নান বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এস এম আব্রাহাম লিংকন।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়ারা হলেন জাহাঙ্গীর ওরফে রাজিব ওরফে রাজিব গান্ধী, রিয়াজুল ইসলাম মেহেদী, গোলাম রব্বানী, হাসান ফিরোজ ওরফে মোখলেছ, মাহবুব হাসান মিলন ও আবু নাসির ওরফে রুবেল।

রায়ের সময় মেহেদী ছাড়া বাকিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

২০১৬ সালের ২২ মার্চ কুড়িগ্রাম শহরের গাড়িয়াল পাড়া এলাকায় প্রাতঃভ্রমণের সময় খ্রিষ্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলীকে কুপিয়ে হত্যা করে আসামিরা। পরে ককটেল ফাঁটিয়ে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে পালিয়ে যায় তারা।

এ ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা করেন ওই মুক্তিযোদ্ধার ছেলে রাহুল আমিন আজাদ। ৭ নভেম্বর কুড়িগ্রাম সদর থানা পুলিশ ১০ জেএমবি সদস্যকে অভিযুক্ত করে জেলার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট জমা দেয়। মামলায় মোট ৩২ জন সাক্ষীর মধ্যে ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

আইনজীবী এস এম আব্রাহাম লিংকন জানান, রায়ে হত্যা মামলায় ৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন বিচারক। এ ছাড়া বিস্ফোরক আইনের ৩ ধারায় আসামি রাজিব গান্ধী, রিয়াজুল ইসলাম ও গোলাম রব্বানীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়।

এর পাশাপাশি তাদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক বছরের জেল দেন বিচারক। এ ছাড়া বিস্ফোরক আইনের ৪ ধারায় ওই ৩ আসামিকে ২০ বছর কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের হাজতবাসের আদেশ দেন বিচারক।

রায়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সন্তুষ্ট প্রকাশ করলেও উচ্চ আদালতে যাওয়ার কথা জানিয়েছে আসামি পক্ষের আইনজীবী।

আসামি পক্ষের আইনজীবী হুমায়ুন কবির জানান, রায়ের কপি বিশ্লেষণ করে উচ্চ আদালতে আবেদন করা হবে।

রায় ঘোষণার আগে কড়া নিরাপত্তায় আসামিদের আদালতে তেলা হয়। সাজা ঘোষণার পর ফের তাদের পাঠানো হয় জেলা কারাগারে।

এ মামলার আরেক আসামি সাদ্দাম হোসেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ায় মামলা থেকে তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
আ. লীগ নেতার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা
প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়েছেন স্ত্রী, ফ্যানে ঝুলছিলেন প্রবাসী
বিলাইছড়িতে বাবা-ছেলেসহ ৩ জনকে গুলিতে হত্যা
ইউপি মেম্বারকে কুপিয়ে হত্যা
জামাতার বিরুদ্ধে শ্বশুরকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The court did not file a case against 9 people including WASA MD

ওয়াসা এমডিসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা নিল না আদালত

ওয়াসা এমডিসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা নিল না আদালত
মামলার অভিযোগে বলা হয়, সমবায় সমিতি ২০১৭ সালের ১৬ জুলাই থেকে ২০১৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ৯৯ কোটি ৬৫ লাখ ১৯ হাজার ১৭৩ টাকা ঢাকা ওয়াসা থেকে রাজস্ব আদায় বাবদ পায়। ২০১৮ সাল থেকে ২০১৯ অর্থবছরে আরও ৩৪ কোটি ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৭৯০ টাকা পাওয়ার কথা। এর মধ্যে ২০১৭ থেকে ২০১৮ অর্থবছরে সমিতির হিসাবে জমা হয় ১ কোটি ৭৯ লাখ ৫৯ হাজার ৫০৩ টাকা। বাকি ১৩২ কোটি ৪ লাখ ১৭ হাজার ৪৬০ টাকা ৬ টি ব্যাংক থেকে বিভিন্ন চেকের মাধ্যমে তাকসিম এ খানের নির্দেশে অপর আসামিরা টাকা আত্মসাৎ করেন।

ঢাকা ওয়াসা কর্মচারী বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিডেটের ১৩২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী তাকসিম এ খানসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন গ্রহণ করেনি আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশেক ইমামের আদালতে এ আবেদন করেন ওয়াসা কর্মচারী বহুমুখী সমবায় সমিতির সম্পাদক শাহাব উদ্দিন সরকার। তার জবানবন্দি গ্রহণের পর মামলার আবেদনটি গ্রহণ না করে ফেরত দেন বিচারক।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, সমবায় সমিতি ২০১৭ সালের ১৬ জুলাই থেকে ২০১৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ৯৯ কোটি ৬৫ লাখ ১৯ হাজার ১৭৩ টাকা ঢাকা ওয়াসা থেকে রাজস্ব আদায় বাবদ পায়। ২০১৮ সাল থেকে ২০১৯ অর্থবছরে আরও ৩৪ কোটি ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৭৯০ টাকা পাওয়ার কথা।

এর মধ্যে ২০১৭ থেকে ২০১৮ অর্থবছরে সমিতির হিসাবে জমা হয় ১ কোটি ৭৯ লাখ ৫৯ হাজার ৫০৩ টাকা। বাকি ১৩২ কোটি ৪ লাখ ১৭ হাজার ৪৬০ টাকা ৬ টি ব্যাংক থেকে বিভিন্ন চেকের মাধ্যমে তাকসিম এ খানের নির্দেশে অপর আসামিরা টাকা আত্মসাৎ করেন।

আত্মসাতের বিষয়টি সমবায় অধিদপ্তরের অডিট রিপোর্টে প্রমাণিত হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। সমিতির গাড়িসহ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি সমিতির হেফাজত থেকে প্রায় ২০০ কোটি টাকা সমমূল্যের সম্পদ চুরির অভিযোগও আনা হয়।

মামলায় আরও যাদের আসামি করার আবেদন করা হয়, তারা হলেন প্রকৌশলী শারমিন হক আমীর, সাবেক রাজস্ব পরিদর্শক মিঞা মো. মিজানুর রহমান, প্রকৌশলী আখতারুজ্জামান, উপসচিব শেখ এনায়েত উল্লাহ, রাজস্ব পরিদর্শক জাকির হোসেন, জনতা ব্যাংকের সাবেক ডিজিএম শ্যামল বিশ্বাস, প্রকৌশলী বদরুল আলম ও উপ প্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা সালেকুর রহমান।

অজ্ঞাতনামা আরও অনেককেই আসামি করার আবেদন করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন:
পানির দাম ২০ শতাংশের বেশি বাড়াতে চায় ওয়াসা
পানির দাম বাড়ানোয় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
রাজশাহীতে পানির বর্ধিত দাম কার্যকর
এফডিসিতে এমডির কুশপুতুল দাহ
জোরালো হচ্ছে এফডিসির এমডির পদত্যাগ দাবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Application for embezzlement in the name of WASA MD

ওয়াসার এমডির নামে অর্থ আত্মসাতের মামলার আবেদন

ওয়াসার এমডির নামে অর্থ আত্মসাতের মামলার আবেদন ঢাকা ওয়াসার এমডি তাকসিম এ খান। ফাইল ছবি
মামলার আবেদনে অভিযোগ করা হয়, ঢাকা ওয়াসা কর্মচারী বহুমুখী সমবায় সমিতির রাজস্ব আদায় বাবদ পাওয়া ১৩২ কোটি ৪ লাখ ১৭ হাজার ৪৬০ টাকা ছয়টি ব্যাংক থেকে বিভিন্ন চেকের মাধ্যমে তাকসিম এ খানের নির্দেশে আত্মসাৎ করা হয়।

ঢাকা ওয়াসা কর্মচারী বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের ১৩২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী তাকসিম এ খানসহ ৯ জনের নামে মামলার আবেদন করা হয়েছে।

আবেদনে ওই ৯ ব্যক্তি ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও অনেকের নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত করতে বলা হয়েছে।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশেক ইমামের আদালতে বৃহস্পতিবার এ আবেদন করেন ওয়াসা কর্মচারী বহুমুখী সমবায় সমিতির সম্পাদক শাহাব উদ্দিন সরকার।

আদালত বাদীর জবানবন্দি নিয়ে আদেশ দেবেন বলে জানিয়েছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী মুনজুর আলম।

মামলার আবেদনে অভিযোগ করা হয়, ঢাকা ওয়াসা কর্মচারী বহুমুখী সমবায় সমিতি ২০১৭ সালের ১৬ জুলাই থেকে ২০১৮ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সংস্থাটির কাছ থেকে রাজস্ব আদায় বাবদ পায় ৯৯ কোটি ৬৫ লাখ ১৯ হাজার ১৭৩ টাকা। আর ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে একই কাজ বাবদ সমিতি ৩৪ কোটি ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৭৯০ টাকা পায়। এর মধ্যে ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে সমিতির হিসাবে জমা হয় ১ কোটি ৭৯ লাখ ৫৯ হাজার ৫০৩ টাকা। বাকি ১৩২ কোটি ৪ লাখ ১৭ হাজার ৪৬০ টাকা ৬টি ব্যাংক থেকে বিভিন্ন চেকের মাধ্যমে তাকসিম এ খানের নির্দেশে অপর আসামিরা আত্মসাৎ করে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, আসামিদের এই ‘আত্মসাতের’ বিষয়টি সমবায় অধিদপ্তরের অডিট রিপোর্টে প্রমাণ হয়েছে।

মামলায় আরও যাদের আসামি করার আবেদন করা হয়েছে তারা হলেন ঢাকা ওয়াসার প্রকৌশলী শারমিন হক আমীর, সাবেক রাজস্ব পরিদর্শক মিঞা মো. মিজানুর রহমান, প্রকৌশলী মো. আখতারুজ্জামান, উপসচিব শেখ এনায়েত উল্লাহ, রাজস্ব পরিদর্শক মো. জাকির হোসেন, জনতা ব্যাংকের সাবেক ডিজিএম শ্যামল বিশ্বাস, প্রকৌশলী মো. বদরুল আলম ও উপপ্রধান হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মো. সালেকুর রহমান।

আরও পড়ুন:
কলেজছাত্র হত্যা মামলায় দুজনের যাবজ্জীবন
কারখানায় ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’: প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
কারখানায় নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা
পুলিশ সদস্যকে মারধর: রিমান্ডে আরও ৪ জন
গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার: স্বামীর নামে মামলা

মন্তব্য

p
ad-close 20220623060837.jpg
উপরে