× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
Doctors have asked Khaleda to leave the country Fakhrul
hear-news
player
print-icon

চিকিৎসকরা খালেদাকে দেশের বাইরে নিতে বলেছেন: ফখরুল

চিকিৎসকরা-খালেদাকে-দেশের-বাইরে-নিতে-বলেছেন-ফখরুল
গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে শনিবার সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন মির্জা ফখরুল। ছবি: নিউজবাংলা
‘উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর বিষয়টি সম্পূর্ণ বাতিল করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী যে ব্যবস্থার কথা বলেছেন তা সঠিক নয়। তিনি আবারও অসুস্থ হয়ে পড়ায় প্রমাণ হলো, অবিলম্বে বিদেশে পাঠিয়ে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে না পারলে তার জীবন হুমকির মুখে পড়বে।’

চিকিৎসকরা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে করণীয় বিষয়ে দলীয়ভাবে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে শনিবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘ডাক্তারদের কাছে যতটুকু শুনেছি, তার (খালেদা জিয়ার) একটা মাইল্ড হার্ট অ্যাটাক হয়ে গেছে। আবার হাসপাতালে থাকা অবস্থায়ই তার আরেকটি উপসর্গ এসে যায়। তা হচ্ছে শ্বাসকষ্ট। সে জন্য চিকিৎসকরা বিলম্ব না করে তার এনজিওগ্রাম করানোর সিদ্ধান্ত নেন।

‘এনজিওগ্রাম করে দেখা গেছে খালেদা জিয়ার মেইন আর্টারিটা ৯৯ শতাংশ ব্লকড। তাতে সফলভাবে রিং পরানো হয়েছে। ডাক্তাররা আশাবাদী, এই ট্রিটমেন্টের ফলে তিনি হার্টের সমস্যা থেকে সাময়িকভাবে রিলিফ হলেন।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে দেশের বাইরে চিকিৎসার সুযোগ দিতে এর আগে বহুবার বিএনপি ও পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে।

‘প্রধানমন্ত্রী আজ পর্যন্ত তার (খালেদা জিয়া) চিকিৎসার জন্য, তাকে যে বিদেশে পাঠানো দরকার সেই বিষয়টি সম্পূর্ণ বাতিল করে দিয়ে যে ব্যবস্থার কথা বলেছেন তা সঠিক নয়। আজকে আবার তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ায় প্রমাণ হলো, অবিলম্বে বিদেশে পাঠিয়ে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে না পারলে তার জীবন হুমকির মুখে পড়বে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আমরা দলীয়ভাবে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি। জনগণের দাবি চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠানো হোক।

‘যদিও তারা অনির্বাচিত, তবু আজ আবার তাদের প্রতি আহ্বান জানাতে চাই- খালেদা জিয়ার জীবন রক্ষার জন্য তাকে দেশের বাইরে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হোক। অন্যথায় সব দায়দায়িত্ব এই সরকারকে বহন করতে হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, মির্জা আব্বাস, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও বেগম সেলিমা রহমান উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
খালেদার দুই মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি ১৪ জুন
কুমিল্লায় নাশকতার মামলায় খালেদার স্থায়ী জামিন
জ্বরে ভুগছেন খালেদা জিয়া
খালেদার গ্যাটকো মামলার চার্জ শুনানি পেছাল
দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন খালেদা জিয়া

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
91 percent of the subtypes of Omicron identified in the country are BA2

দেশে শনাক্ত ওমিক্রনের উপ-ধরনের ৯১ শতাংশ বিএ.২

দেশে শনাক্ত ওমিক্রনের উপ-ধরনের ৯১ শতাংশ বিএ.২
‘সার্স-সিওভি-২ ভ্যারিয়েন্টস ইন বাংলাদেশ টেকনিক্যাল ব্রিফিং রিপোর্ট: মে ২০২২’ শীর্ষক রিপোর্টে বলা হয়েছে, মে মাসের ১ থেকে ৩১ তারিখ পর্যন্ত দেশে করোনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করে ওমিক্রনের ৯ শতাংশ বিএ.৫ এবং ৯১ শতাংশ বিএ.২ উপ-ধরন পাওয়া গেছে।

দেশে করোনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করে ওমিক্রনের ৯১ শতাংশই বিএ.২ উপ-ধরন (সাব-ভ্যারিয়েন্ট) পাওয়া গেছে। বাকি ৯ শতাংশ বিএ.৫ উপ-ধরন। মে মাসে দেশে ওমিক্রনের নতুন উপ-ধরনে বিএ.২-এর প্রাধান্য দেখা গেছে।

‘সার্স-সিওভি-২ ভ্যারিয়েন্টস ইন বাংলাদেশ টেকনিক্যাল ব্রিফিং রিপোর্ট: মে ২০২২’ শীর্ষক রিপোর্টে এ তথ্য উঠে এসেছে। তাতে বলা হয়েছে, মে মাসের ১ থেকে ৩১ তারিখ পর্যন্ত দেশে করোনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করে ওমিক্রনের ৯ শতাংশ বিএ.৫ ও ৯১ শতাংশ বিএ.২ উপ-ধরন পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনটি যৌথভাবে তৈরি করেছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর), আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি), ইনস্টিটিউট ফর ডেভেলপিং সায়েন্স অ্যান্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভস (আইডেশি), চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশন (সিএইচআরএফ) এবং বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন।

ওমিক্রনের এই দুটি উপ-ধরন জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত হয়। মে মাসের শেষের দিকে এটি দক্ষিণ ভারতে শনাক্ত হয়। উপ-ধরনটি দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনা সংক্রমণের পঞ্চম ঢেউ এবং সম্প্রতি ভারতে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের জন্য দায়ী বলে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন। ভ্যাকসিন নেয়া ব্যক্তিরাও করোনার এই উপ-ধরনে আক্রান্ত হচ্ছেন।

আগামী দিনে এটি সংক্রমণশীল অন্যান্য উপ-ধরনের তুলনায় বেশি সংক্রমণ ঘটাতে পারে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বিশ্বজুড়ে করোনার দুটি ধরনকে নজরদারির মধ্যে রেখেছে। ২০২১ সালের নভেম্বরের শেষের দিকে ‘ভ্যারিয়েন্টস অব কনসার্ন’ হিসেবে সবশেষ সংযোজিত হয় ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টটি। সংক্রমণের ক্ষমতা, ইমিউনিটি সিস্টেমকে আক্রমণের সক্ষমতা এবং ভ্যাকসিন রেসিস্ট্যান্সের কারণে এটিকে এই তালিকায় রাখা হয়।

সবশেষ ২০ জুন পর্যন্ত দেশে ওমিক্রন ধরন শনাক্ত হয়েছে ১২৮০ জনের দেহে।

অন্যদিকে গত মাসের ২৪ তারিখে দেশে প্রথম ওমিক্রনের বিএ.৫ ধরন শনাক্ত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মে মাস জুড়ে দেশে যতগুলো করোনা কেস শনাক্ত হয়েছে তার শতভাগের ক্ষেত্রেই ওমিক্রন দায়ী।

সারা দেশে কোভিড-১৯ এর পজিটিভিটি রেট কমায়, মে মাসে নমুনার পরিমাণ কম ছিল। ফলে কনসোর্টিয়ামটি ১-৩১ এর মধ্যে কেবল ১১টি নমুনার সিকোয়েন্স করতে সক্ষম হয়। নমুনাগুলো ৬টি বিভাগ থেকে সংগ্রহ করা হয়।

আরও পড়ুন:
দেশে প্রবেশে আরটি-পিসিআর টেস্ট লাগবে না
টিকায় বাংলাদেশের পেছনে ভারত-পাকিস্তান
করোনাশূন্য দেশের ১৬ জেলা
ওমিক্রনের পর নতুন ভ্যারিয়েন্টের শঙ্কা
ফেব্রুয়ারির ২২ দিনে আইইডিসিআরের সব নমুনায় ওমিক্রন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
CPR saves lives in cardiac arrest

কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে জীবন বাঁচায় ‘সিপিআর’

কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে জীবন বাঁচায় ‘সিপিআর’
হেলো-আইপিডিআই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আবদুল ওয়াদুদ চৌধুরী বলেন, ‘কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে আক্রান্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচানোর অন্যতম উপায় হলো সিপিআর। কোনো ধরনের ডাক্তারি বিদ্যা ছাড়াই যে কোনো মানুষের পক্ষে সিপিআর পদ্ধতি শেখা সম্ভব।’

বিশ্বে বছরে প্রায় এক কোটি ৮০ লাখ মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তাদের একটি বড় অংশই মারা যান কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে আক্রান্ত হয়ে। তবে একটু সচেতন হলেই ‘কার্ডিও-পালমোনারি রিসাসিটেশন’ (সিপিআর)-এর মাধ্যমে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে আক্রান্ত ব্যক্তিকে বাঁচানো সম্ভব।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মঙ্গলবার সিপিআর প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ নিয়ে এমন তথ্য জানান হেলো-আইপিডিআই ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আবদুল ওয়াদুদ চৌধুরী।

হেলো-আইপিডিআই ফাউন্ডেশন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা অনুষদ যৌথভাবে এই কর্মশালা আয়োজন করে।

অনুষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা অনুষদের অধ্যাপক ড. সালমা চৌধুরী, হেলদি হার্ট হ্যাপি লাইফ অর্গানাইজেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট আবু রেজা মো. কাইউম খান এবং হেলো-আইপিডিআই ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সেক্রেটারি জেনারেল হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মহসীন আহমদ।

আবদুল ওয়াদুদ চৌধুরী বলেন, ‘কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে আক্রান্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচানোর অন্যতম উপায় হলো সিপিআর। কোনো ধরনের ডাক্তারি বিদ্যা ছাড়াই যে কোনো মানুষের পক্ষে সিপিআর পদ্ধতি শেখা সম্ভব। জনসাধারণের মাঝে সিপিআর-এর সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই হেলো-আইপিডিআই এমন উদ্যোগ নিয়েছে।’

হেলো-আইপিডিআই ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ডা. মহসীন আহমেদ ‘কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট ও সিপিআর’ বিষয়ক প্রবন্ধ উপস্থাপন শেষে বলেন, ‘কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে আক্রান্ত ব্যক্তির জীবন বাঁচানোর পেছনে সিপিআর-এর ভূমিকা অনস্বীকার্য।’

উন্নত বিশ্বে এর গুরুত্ব সঠিকভাবে উপলব্ধ হয়েছে। অন্যদিকে আমাদের দেশে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট ও সিপিআর সম্পর্কে জনসাধারণের ধারণা না থাকায় এ ধরনের উদ্যোগ দেখা যায় না। এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্যে হেলো-আইপিডিআই ফাউন্ডেশন কাজ করে যাচ্ছে।

‘কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে জীবন বাঁচায় সিপিআর, ঘরে ঘরে হোক এর ট্রেনিং সেন্টার- এই অঙ্গীকার নিয়ে আমাদের আজকের এই কর্মশালার আয়োজন।’

কর্মশালায় আইপিডিআই ফাউন্ডেশনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. আসিফ জামান তুষার, ডা. মাহবুবা আক্তার চৌধুরী ও ডা. শিবলী শাহেদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের বিনামূল্যে হাতে-কলমে সিপিআর প্রশিক্ষণ দেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Demand for tax reform on tobacco products

তামাকপণ্যে কর সংশোধনের দাবি

তামাকপণ্যে কর সংশোধনের দাবি বেসরকারি গবেষণা সংস্থা উন্নয়ন সমন্বয় মঙ্গলবার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সেমিনার কক্ষে বাজেট নিয়ে আলোচনার আয়োজন করে। ছবি: নিউজবাংলা
আলোচকরা বলেন, ‘বাজেটে সিগারেটের ওপর যে কর ধার্য করা হয়েছে তাতে সিগারেটের বিক্রি না কমে উল্টো দেড় শতাংশ বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বাজেটে সিগারেটের প্রস্তাবিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সিগারেট ইতোমধ্যেই বাজারে বিক্রি হচ্ছে।’

বাজেটে সিগারেট, বিড়ি এবং ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যে যে করের প্রস্তাব করা হয়েছে তা নিয়ে সন্তুষ্ট নন তামাকবিরোধীরা। ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত করের চেয়ে বেশি করারোপের পক্ষে তারা।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সেমিনার কক্ষে মঙ্গলবার বেসরকারি গবেষণা সংস্থা উন্নয়ন সমন্বয় আয়োজিত এক আলোচনায় সংসদ সদস্যসহ আলোচকরা এ অভিমত দেন।

তামাকবিরোধী বিভিন্ন সংগঠন, গবেষক এবং অ্যাক্টিভিস্টরা সম্মিলিতভাবে তামাকপণ্যে কার্যকর করারোপের যে প্রস্তাবনা দিয়েছিল তা বাজেটে একেবারেই প্রতিফলিত হয়নি বলে মনে করেন আলোচকরা।

আলোচনায় অংশ নেয়া সংসদ সদস্যদের মধ্য ছিলেন শিরীন আখতার, ফজলে হোসেন বাদশা, উম্মে ফাতেমা নাজমা, আফতাব উদ্দিন সরকার, উম্মে কুলসুম স্মৃতি, ডা. সামিল উদ্দিন আহম্মেদ শিমুল, মো. হারুনুর রশীদ এবং মো. সাইফুজ্জামান।

আলোচনায় ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে উন্নয়ন সমন্বয়ের সভাপতি অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান বলেন, ‘তামাকবিরোধী সংগঠনগুলো এক ধাক্কায় অনেকখানি কর বাড়ানোর প্রস্তাব করেছিল। যাতে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর মধ্যে তামাক ব্যবহারের মাত্রা উল্লেখযোগ্য মাত্রায় কমিয়ে আনা যায়। কর আদায়ে সুবিধার জন্য সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাবনাও ছিল।

‘কিন্তু প্রস্তাবিত বাজেটে শুল্কহার আগের মতোই রেখে বিভিন্ন স্তরের সিগারেটের দাম অতি-সামান্য বাড়ানো হয়েছে। সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয়নি। এতে তামাকপণ্যে কার্যকর করারোপের সম্ভাব্য সুফল থেকে দেশ বঞ্চিত হবে।’

আলোচকরা বলেন, ‘বাজেটে সিগারেটের ওপর যে কর ধার্য করা হয়েছে তাতে সিগারেটের বিক্রি না কমে উল্টো দেড় শতাংশ বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বাজেটে সিগারেটের প্রস্তাবিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সিগারেট ইতোমধ্যেই বাজারে বিক্রি হচ্ছে। ফলে কর প্রস্তাব অপরিবর্তিত থাকলে সিগারেট কোম্পানির বিক্রি বৃদ্ধির পাশাপাশি কর ফাঁকি দেয়ার সুযোগও বেড়ে যাবে।

‘সুপারিশ অনুযায়ী বিদ্যমান কর ব্যবস্থা সংস্কার করলে তামাকের ব্যবহার কমবে, জীবন বাঁচবে এবং রাজস্ব আয় বাড়বে। নিম্ন স্তরে সিগারেটের মূল্যবৃদ্ধি তুলনামূলক স্বল্প আয়ের মানুষকে ধূমপান ছাড়তে উৎসাহিত করবে। উচ্চ স্তরে সিগারেটের দাম বাড়ানো হলে ধূমপায়ীদের পছন্দের সামর্থ্য সীমিত হবে। ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি স্বল্প আয়ের মানুষের মধ্যে এসব পণ্যের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করবে।’

সংসদ সদস্য শিরীন আখতার বলেন, ‘বাজেট অধিবেশন শুরুর আগেই অর্থমন্ত্রীর কাছে তামাকপণ্যে কার্যকর করারোপের প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন অন্তত ১০০ জন সংসদ সদস্য। এরপরও বাজেটে তা প্রতিফলিত না হওয়া লজ্জাজনক।’

ফজলে হোসেন বাদশা বলেন, ‘সংসদ সদস্যসহ অন্য সকল অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অচিরেই বাংলাদেশে তামাকপণ্যে কার্যকর করারোপ সম্ভব হবে। ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা হলেও সেটি এখনও সংশোধনের সুযোগ আছে।’

আরও পড়ুন:
জনস্বাস্থ্য রক্ষায় তামাকপণ্যে কর বাড়ানোর দাবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chittagong Maternal and Child Hospital submerged for 4 days

চার দিন ধরে জলমগ্ন চট্টগ্রামের মা ও শিশু হাসপাতাল

চার দিন ধরে জলমগ্ন চট্টগ্রামের মা ও শিশু হাসপাতাল
হাসপাতালের পরিচালক নুরুল হক বলেন, ‘আমাদের অনেক সেবা নতুন ভবনে পার করা হয়েছে। আগামী মাসের মধ্যে আমরা সবকিছু নতুন ভবনে স্থানান্তর করব। তখন আর এই সমস্যা থাকবে না।’

চার দিন ধরে পানি জমে আছে চট্টগ্রামের মা ও শিশু হাসপাতালের নিচতলায়। দুর্ভোগ শেষ হচ্ছে না সেবা নিতে আসা রোগী ও স্বজনদের।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই তলার কার্যক্রম সরিয়ে নেয়া হয়েছে দ্বিতীয় তলায় এবং হাসপাতালের নতুন ভবনে।

হাসপাতালের কর্মচারী মো. রাকিব বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকেলে হাসপাতালে পানি ঢুকে যায়। ওই দিন প্রথমে হাসপাতালের সামনে বৃষ্টির পানি জমে। এরপর খাল দিয়ে জোয়ারের পানি ঢুকলে ভেতরে পানি ঢুকতে শুরু করে।

‘পরে রাস্তার পানি নেমে গেলেও হাসপাতালের পানি বের হতে পারেনি। শুক্রবার সন্ধ্যার বৃষ্টিতে আরও পানি ভেতরে ঢোকে। তবে আজকে পানি কিছুটা কমেছে।’

নিচতলায় আছে শিশু ওয়ার্ড, অভ্যর্থনা কক্ষ, বহির্বিভাগ, প্রশাসনিক বিভাগ ও ক্যানসার ইউনিট। এসব সেবা অন্য জায়গায় সরিয়ে নিলেও আসা-যাওয়ায় ভোগান্তি পোহাচ্ছে ডাক্তার, রোগীসহ সবাই।

হাটহাজারীর ফতেয়াবাদ থেকে আড়াই বছরের ছেলেকে নিয়ে আসা কহিনুর বেগম বলেন, ‘আমার ছেলে সিঁড়িতে স্লিপ খেয়ে পড়ে হাত ভেঙে গেছে। হাসপাতালে এসে দেখি নিচে হাঁটুপানি। পানির কারণে আসা-যাওয়ার অনেক সমস্যা হচ্ছে।’

আগামী মাসের মধ্যে নতুন ভবনে হাসপাতাল স্থানান্তর করা হলে এই দুর্ভোগের অবসান হবে বলে জানান হাসপাতালের পরিচালক নুরুল হক।

তিনি বলেন, ‘পানির সমস্যা বহু পুরোনো। তা ছাড়া এটা এখন জাতীয় সমস্যাও। দেশের অনেক জায়গা পানির নিচে তলিয়ে আছে৷

‘আমাদের অনেক সেবা নতুন ভবনে পার করা হয়েছে। আগামী মাসের মধ্যে আমরা সবকিছু নতুন ভবনে স্থানান্তর করব। তখন আর এই সমস্যা থাকবে না।’

আরও পড়ুন:
লালমনিরহাটে বিপৎসীমার ওপর তিস্তা-ধরলার পানি
সুনামগঞ্জে ডাকাত আতঙ্ক
মৌলভীবাজারে প্লাবিত ৩০০ গ্রাম
আসাম-মেঘালয়ে ভারি বর্ষণ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত
বন্যার পানি নামবে কবে?

মন্তব্য

বাংলাদেশ
140 medical teams to treat flood victims

বন্যার্তদের স্বাস্থ্যসেবায় ১৪০ মেডিক্যাল টিম

বন্যার্তদের স্বাস্থ্যসেবায় ১৪০ মেডিক্যাল টিম বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। ছবি: নিউজবাংলা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বন্যাকবলিত মানুষদের চিকিৎসাসেবা দিতে সারা দেশে ১৪০টি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। তারা প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে গিয়ে সেবা দেবে। সিলেটের জেলা ও উপজেলা নিয়ে একটি কমিটি গঠন হয়েছে। সব মিলিয়ে ঢাকায় একটি সমন্বয় কমিটি গঠন হয়েছে।’

বন্যার্তদের চিকিৎসাসেবা দিতে সারা দেশে ১৪০টি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। তারা প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নে সেবা দেবে।

শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মানিকগঞ্জ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এসব তথ্য দেন।

তিনি বলেন, ‘বন্যাকবলিত মানুষদের চিকিৎসাসেবা দিতে সারা দেশে ১৪০টি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে। তারা প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে গিয়ে সেবা দেবে। সিলেটের জেলা ও উপজেলা নিয়ে একটি কমিটি গঠন হয়েছে। সেই কমিটিতে ডাক্তার, নার্স, সিভিল সার্জন, এসপি, ডিসি ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারাও আছেন। সব মিলিয়ে ঢাকায় একটি সমন্বয় কমিটি গঠন হয়েছে।

‘কমিটির সবাই কাজ করছেন। তারা স্যালাইন, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবেলেটসহ চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে যাচ্ছেন। রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় নৌকা, স্পিডবোটসহ নানা বাহনে গিয়ে তারা মানুষকে সেবা দিচ্ছেন।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সিলেটে বন্যার পাশাপাশি অনেক জেলা প্লাবিত হয়েছে। বন্যার পানিতে প্রত্যেক হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। পানি ঢুকে গেছে প্রতিটি হাসপাতালে এবং যাওয়া-আসার রাস্তাঘাট ডুবে গেছে। চিকিৎসা দেয়া কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।

‘ওসমানী মেডিক্যালে কলেজেও বন্যার পানি ঢুকেছে, সেখানে বিদ্যুৎ নেই। জেনারেটরের মাধ্যমে আমরা সেই হাসপাতালের কার্যক্রম চালু রেখেছি। প্রধানমন্ত্রী এসব বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন, খোঁজখবর রাখছেন।’

দেশে করোনা আবার বাড়ছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘করোনাভাইরাস বিষয়ে আমাদের সজাগ হতে হবে। মাস্ক পরতে হবে এবং টিকা না নিলে অবশ্যই বুস্টার ডোজ নিয়ে নেবেন। যতটুকু পারেন, সাবধানে থাকবেন।’

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জেলা মহিলা লীগের সভাপতি নিনা রহমান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি সাফিয়া খাতুন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মাহমুদা বেগম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মহীউদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, সংসদ সদস্য এ এম নাঈমূর রহমান দূর্জয় ও মমতাজ বেগম।

আরও পড়ুন:
শাহজালালের মাজারেও পানি ঢোকার শঙ্কা
শরীয়তপুর-ফরিদপুরে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
শেরপুরে প্লাবিত ৫০ গ্রাম
বন্যার্তদের উদ্ধারে গিয়ে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার
৬ জেলার বন্যার্তদের জন্য বরাদ্দ ৮০ লাখ টাকা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
New epidemic in North Korea

উত্তর কোরিয়ায় নতুন মহামারি!

উত্তর কোরিয়ায় নতুন মহামারি! উত্তর কোরিয়ায় অজ্ঞাত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। ছবি: সংগৃহীত
উত্তর কোরিয়ায় নতুন এক সংক্রামক রোগ মহামারি রূপ নিয়েছে। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, টাইফয়েড, আমাশয় এবং কলেরার মতো অন্যান্য সংক্রামক রোগের সঙ্গে নতুন রোগের মিল রয়েছে।  

এমনিতেই করোনায় বিপর্যস্ত কিম জং উনের দেশ উত্তর কোরিয়া। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার আরেকটি সংক্রামক রোগের কথা জানায় পিয়ংইয়ং, যা মহামারির রূপ নিয়েছে।

নতুন মহামারিটি কতটা গুরুতর, তা স্পষ্ট নয়। এ রোগে কত জন আক্রান্ত হয়েছেন তাও জানা যায়নি।

কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব হাইজু শহরে আক্রান্তদের পাশে দাঁড়িয়েছেন দেশটির নেতা কিম উন। তিনি তার পরিবারের জন্য সংরক্ষিত ওষুধ আক্রান্তদের দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন।

অনেক পর্যবেক্ষক বলছেন, “উত্তর কোরিয়ায় ‘অন্ত্রের মহামারি’ বলতে টাইফয়েড, আমাশয় বা কলেরার মতো একটি সংক্রামক রোগকে বোঝায়। দূষিত খাবার এবং পানির মাধ্যমে বা সংক্রামিত মানুষের মলের মাধ্যমে এটি ছড়িয়ে পড়তে পারে।”

স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট ডিপিআরকেহেলথ ডটকমের প্রধান আহন কিয়ং-সু বলেন, ‘ হাম বা টাইফয়েডের প্রাদুর্ভাব উত্তর কোরিয়ায় অস্বাভাবিক নয়। আমি মনে করি এটি সত্য। দেশটিতে সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। তবে উত্তর কোরিয়া এটিকে একটি সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করছে। কিম অসুস্থদের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছেন। তিনি বুঝতে পারেছেন ক্ষমতায় থাকতে হলে, জনসমর্থনের প্রয়োজন আছে।’

উত্তর কোরিয়া গত মাসে প্রথমবারের মতো করোনা প্রাদুর্ভাবের কথা স্বীকার করে। কেসিএনএ জানিয়েছে, দেশের দুই কোটি ৬ লাখ মানুষের মধ্যে ৪৫ লাখেরও বেশি মানুষ অজ্ঞাত জ্বরে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাদের মধ্যে মারা গেছেন ৭৩ জন।

আরও পড়ুন:
মহামারিতে স্কুল হারিয়েছে হাজারও ছেলেশিশু
দেশের ৫৫ কোটি মানুষের সমান সম্পদের মালিক ৯৮ ভারতীয়
ভবিষ্যৎ মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশ ‘অপ্রস্তুত’
মহামারিতে অতিধনীরা আরও ফুলে-ফেঁপে উঠেছেন
টিকা জাতীয়তাবাদে ভুগবে বিশ্ব: ডব্লিউটিও প্রধান

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Corona is growing slowly

করোনা বাড়ছে ধীরে ধীরে

করোনা বাড়ছে ধীরে ধীরে প্রতীকী ছবি
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, নতুন শনাক্ত হওয়া ২৩২ জনের মধ্যে ২১৬ জনই ঢাকা মহানগর ও জেলার বাসিন্দা। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৮৮ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৫ হাজার ৫০৪ জন।

তিন মাসের বেশি সময় ধরে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে থাকার পর ধীরে ধীরে বাড়ছে শনাক্ত। ২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজার ৯৮৬টি নমুনা পরীক্ষায় ২৩২ জনের শনাক্ত হয়েছে করোনা; গত ৯০ দিনে এটিই সবচেয়ে বেশি।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি। এ সময়ের মধ্যে কিছুটা বেড়েছে শনাক্তের হার। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় সর্বশেষ শনাক্তের হার ৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ। গতকাল এই হার ৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ ছিল।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, নতুন শনাক্ত হওয়া ২৩২ জনের মধ্যে ২১৬ জনই ঢাকা মহানগর ও জেলার বাসিন্দা।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৮৮ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৫ হাজার ৫০৪ জন। প্রতি ১০০ জন শনাক্তের বিপরীতে সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

এর আগে ২৬ ফেব্রুয়ারি সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্তের সংবাদ দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেদিন শনাক্তের হার ছিল ৪ দশমিক ১৫ শতাংশ। এরপর গত সাড়ে তিন মাসের মধ্যে এর চেয়ে বেশি শনাক্তের সংবাদ দেয়নি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

দেশে করোনায় এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ১৩১ জনের। তিন ধাপে করোনা সংক্রমণের প্রথম পর্যায়েই মৃত্যু বেশি ছিল। সে সময় সংক্রমণ প্রতিরোধের ব্যবস্থাপনাও ছিল দুর্বল।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়ে। এরপর ধীরে ধীরে সংক্রমণ বাড়তে থাকে। প্রথম ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে। একই বছরের মার্চে ডেল্টা ধরনের করোনায় আসে দ্বিতীয় ঢেউ। এ পর্যায়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয় গত জুলাইয়ে। একপর্যায়ে শনাক্তের হার ৩৩ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়।

দেশে করোনার ওমিক্রন ধরন শনাক্ত হয় গত বছরের ১১ ডিসেম্বর। এরপর দ্রুতগতিতে বাড়তে থাকে তার সংক্রমণ। ২০ জানুয়ারি করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে প্রবেশ করে দেশ। ২৮ জানুয়ারি করোনা শনাক্তের হার ৩৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ দাঁড়ায়, যা দেশে করোনা সংক্রমণ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি। তবে তৃতীয় ঢেউয়ে আক্রান্ত বেশি হলেও মৃত্যু ছিল তুলনামূলক কম। এই ঢেউ দ্রুত নিয়ন্ত্রণেও আসে।

আরও পড়ুন:
করোনা শনাক্ত হার ৩.৫৬%, সাড়ে তিন মাসে সর্বোচ্চ
মৃত্যুহীন দিনে করোনা শনাক্ত বেড়ে ১২৮
৮১ দিনের মধ্যে করোনায় সর্বোচ্চ শনাক্ত

মন্তব্য

p
ad-close 20220623060837.jpg
উপরে