× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
Students call for boycott of Indian products
hear-news
player
print-icon

জবিতে শিক্ষার্থীদের ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক

জবিতে-শিক্ষার্থীদের-ভারতীয়-পণ্য-বয়কটের-ডাক
মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্য দেয়ার বিচার দাবিতে জবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ। ছবি: নিউজবাংলা
বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী নাসিম বিল্লাহ্ বলেন, ‘ভারতের বিজেপির দুই নেতা যে জঘন্যতম কাজ করেছে, তার প্রতিবাদ করেছি, ভবিষ্যতে আরও করব। পণ্য বয়কট হোক আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাড়া তুলে হোক, অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত আমরা আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত রাখব।’

ভারতীয় ক্ষমতাসীন দল বিজেপির নেত্রী ও দলটির বহিষ্কৃত মুখপাত্র নূপুর শর্মার মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্যের প্রতিবাদে ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

পাশাপাশি অবমাননাকর বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ থেকে অবিলম্বে রাষ্ট্রীয়ভাবে নিন্দা প্রস্তাব আনতে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার জুমার নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঁঠালতলা থেকে মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিজ্ঞান অনুষদ, ভাস্কর্য চত্বর, প্রধান ফটক হয়ে পুরান ঢাকার বাংলাবাজার মোড় প্রদক্ষিণ করে আবারও ক্যাম্পাসের ফটকে এসে সমাবেশ হয়। এই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে সহস্রাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।

সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করে বিজেপির দুই নেতা বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের হৃদয়ে আঘাত করছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার স্বার্থে ভারতের ইসলামবিদ্বেষীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী বেল্লাল খান বক্তব্যে বলেন, ‘ভারতীয় দুই কুলাঙ্গারের এ রকম বক্তব্যে আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। সারা বিশ্বের মুসলিম সমাজ এক হয়ে আমরা এই কুলাঙ্গার দুই নেতার ধর্মীও শান্তি বিনষ্টের দায়ে সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।’

একটি বিশেষ উদ্দেশ্য হাসিল করতে এ ধরনের ধর্মীয় অপবাদ ছড়ানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী আবদুল কাদের।

বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি বলেন, ‘বিজেপি নেতাদের বক্তব্য ভারতীয় উপমহাদেশসহ গোটা বিশ্বের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের একটি পাঁয়তারা। আমরা মুসলিম বিশ্ব এক বিন্দু রক্ত থাকতে তা মেনে নেব না।’

বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী নাসিম বিল্লাহ্ বলেন, ‘ভারতের বিজেপির দুই নেতা যে জঘন্যতম কাজ করেছে, তার প্রতিবাদ করেছি, ভবিষ্যতে আরও করব। পণ্য বয়কট হোক আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাড়া তুলে হোক, অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত আমরা আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত রাখব।’

ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক দল বিজেপি সাবেক মুখপাত্র নূপুর শর্মা এক টেলিভিশন শোতে অংশ নিয়ে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। পরে দলটির নয়াদিল্লি শাখার গণমাধ্যমপ্রধান নবীন জিন্দালও নূপুর শর্মার মন্তব্যের সমর্থনে টুইট করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বিশ্বের অনেক মুসলিম দেশ প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে।

আরও পড়ুন:
হুমকির পর নূপুরের নিরাপত্তা জোরদার
মোদি সরকারের ৮ বছর: কংগ্রেসের স্লোগান ‘৮ সাল-৮ ছলনা’
দলীয় কোন্দল মেটাতে পশ্চিমবঙ্গ যাচ্ছেন অমিত শাহ
পশ্চিমবঙ্গ বিজেপিতে গৃহদাহ
অমিত শাহের ‘হিন্দি’ নিয়ে বাড়ছে বিতর্ক

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Budget discussion meeting at DU

ঢাবিতে বাজেটবিষয়ক আলোচনা সভা

ঢাবিতে বাজেটবিষয়ক আলোচনা সভা রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে বাজেটবিষয়ক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধে কোভিড-পরবর্তী বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে অগ্রসর হওয়ার লক্ষ্যে জাতীয় বাজেটে শিক্ষা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে অগ্রাধিকার দেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বলা হয়, এ ক্ষেত্রে উদীয়মান চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় বরাদ্দ অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বাজেট ২০২২-২৩ : শিক্ষা ও কর্মসংস্থান’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

রোববার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেন্টার অন বাজেট অ্যান্ড পলিসি।

সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. এম আবু ইউসুফ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

প্রবন্ধে কোভিড-পরবর্তী বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে অগ্রসর হওয়ার লক্ষ্যে জাতীয় বাজেটে শিক্ষা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে অগ্রাধিকার দেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বলা হয়, এ ক্ষেত্রে উদীয়মান চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে বরাদ্দ অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মাহবুবুল মোকাদ্দেম আকাশ ও উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর প্রবন্ধের ওপর আলোচনায় অংশ নেন।

মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার শিক্ষার মাধ্যমে একটি কল্যাণকর ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষার গুণগত পরিবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।’

সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য তিনি শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, শিক্ষা ও কর্মসংস্থান ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বিশ্ববিদ্যালয়কে উদ্ভাবনের প্রাণকেন্দ্র। উচ্চশিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষেত্রে শিক্ষক ও গবেষকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ও সেন্টার অন বাজেট অ্যান্ড পলিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জিয়া রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মারুফুল ইসলাম অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন:
বেলায়েত বললেন, ঢাবির পরীক্ষা মোটামুটি হয়েছে
কারাগারে বসে ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষা
র‍্যাঙ্কিংয়ে ‘অ্যাটেনশন নেই’ ঢাবি উপাচার্যের
ভর্তি পরীক্ষা হলো ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে
ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে ভর্তির লড়াই শুরু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
8 students of Jabir are in jail

জবির ৭ শিক্ষার্থী কারাগারে

জবির ৭ শিক্ষার্থী কারাগারে প্রতীকী ছবি
মামলায় বলা হয়েছে, গত ১২ মে সকালে যাত্রাবাড়ী এলাকায় জামায়াত-শিবিরের দুই শতাধিক নেতাকর্মী রাস্তায় ব্যারিকেড দেয়। তারা একটি লেগুনা গাড়ি ভাঙচুর করে। বাধা দিলে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে গাড়ি ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত ছাত্রকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।

পুলিশ রোববার দুই দিনের রিমান্ড শেষে সাত আসামিকে আদালতে হাজির করে। আসামিদের পক্ষে জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়। অন্যদিকে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নওশের আলী।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শান্তা ইসলাম উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আসামিদের জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আসামিরা হলেন মোস্তাফিজুর রহমান সাব্বির, অন্তর সরকার, নাজমুল হক, হাসিবুর রহমান, তুষার আহমেদ বাপ্পি, শফিকুল আলম খন্দকার ও ফরহাদ হোসেন শান্ত। পুলিশ গত বুধবার রাতে একটি মেসে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে তাদের।

এর আগে বৃহস্পতিবার সাত শিক্ষার্থীকে আদালতের মাধ্যমে দুই দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।

মামলায় বলা হয়েছে, গত ১২ মে সকালে যাত্রাবাড়ী এলাকায় জামায়াত-শিবিরের দুই শতাধিক নেতাকর্মী রাস্তায় ব্যারিকেড দেয়। তারা একটি লেগুনা গাড়ি ভাঙচুর করে। বাধা দিলে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। যাত্রাবাড়ী থানার এসআই সাব্বির এ ঘটনায় মামলা করেন। সে মামলাতেই গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে জবির সাত শিক্ষার্থীকে।

আরও পড়ুন:
জবির ৭ শিক্ষার্থী রিমান্ডে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dipu Moni Nawfels dissatisfaction with the quality of service in the education office

শিক্ষা অফিসে সেবার মান নিয়ে দীপু মনি-নওফেলের অসন্তোষ

শিক্ষা অফিসে সেবার মান নিয়ে দীপু মনি-নওফেলের অসন্তোষ
‘সেবা নিয়ে পাবলিক পারসেপশন ভালো না, প্রভাবমুক্ত ও ভোগান্তিহীন সেবা দিতে হবে। যারা প্রান্তিক পর্যায়ের সেবা গ্রহিতা তারা সেবা পাচ্ছে না। আমরা ভোগান্তিহীনভাবে সেবা দিতে পারছি না।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন অধিদপ্তর ও দপ্তরে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সেবার মান বাড়াতে নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। একই অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে সেবার মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, ‘সেবার মান বাড়াতে হবে। কোনো সেবাগ্রহীতা যেন আমাদের কাছে বিমুখ হয়ে ফিরে না যান। যদি সেবাগ্রহীতাকে তার কাজ করে দেয়া সম্ভব নাও হয়, তবু তিনি যেন তৃপ্তি নিয়ে ফেরত যেতে পারেন।’

রোববার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের সভাকক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অধীন ২৩ টি অধিদপ্তর, দপ্তর ও সংস্থার মধ্যে ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘সেবা নিয়ে পাবলিক পারসেপশন ভালো না, প্রভাবমুক্ত ও ভোগান্তিহীন সেবা দিতে হবে। যারা প্রন্তিক পর্যায়ের সেবা গ্রহিতা তারা সেবা পাচ্ছে না। আমরা ভোগান্তিহীনভাবে সেবা দিতে পারছি না।

‘জেলা ও উপজেলার শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে হবে। আমাদের বাজেট বাড়ছে কিন্তু সেবার মান বাড়ছে না। অর্থ অনেক খরচ হচ্ছে অথচ প্রভাবমুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে পারছি না। প্রভাবমুক্ত ও ভোগান্তিহীন সেবা নিশ্চিত করতে হবে।’

সেবার মান ও জবাবদিহীতা নিশ্চিত না হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবু বকর ছিদ্দিক বলেন, ‘কিছু দিন আগে আমরা প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দিয়েছি ২৩৩ জনকে। এই পদোন্নতির জন্য আমরা ছাড়পত্র পেয়েছিলাম ডিসেম্বর মাসে। আমরা যদি জানুয়ারিতে পদোন্নতি দিয়ে দিতাম, কোনো সমস্যা ছিল না। এতে কোনও বাধা ছিল না আমাদের। আমরা দিতে দেরি করায় আট জন মারা গেছেন, ২৪ জন পিআরএল এ গেছেন। শেষ পর্যন্ত যখন প্রস্তাব পাঠাই তখন আরও একজন পিআরএল এ চলে গেছেন। আমার মনে হয়, তাদের এ ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করায় আমাদের জবাব দিতে হবে।’

২০২১-২২ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির (এপ্রিএ) চূড়ান্ত মূল্যায়নে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সরকারের ৫১টি মন্ত্রণালয়/বিভাগের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে।

আরও পড়ুন:
বন্যা গেলেই শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী
সহশিক্ষা কার্যক্রম কর্মজীবনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে : শিক্ষামন্ত্রী
নতুন শিক্ষাক্রমে পরীক্ষা-মূল্যায়ন দুটিই থাকবে: শিক্ষামন্ত্রী
আবার করোনায় আক্রান্ত শিক্ষামন্ত্রী
অনুমোদনহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধে উদ্যোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The results of DU B unit will be released on Monday

ঢাবির ‘খ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ সোমবার

ঢাবির ‘খ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ সোমবার
চলতি মাসের ৪ তারিখ ঢাকা ও ঢাকার বাইরে সাতটি বিভাগীয় শহরে ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হয়।  ইউনিটে মোট আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ৫৮ হাজার ৫৫১ জন। আর মোট আসন সংখ্যা ১৭৮৮টি। সেক্ষেত্রে এ ইউনিটে প্রতি আসনের বিপরীতে লড়েছেন প্রায় ৩৩জন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার ফল সোমবার প্রকাশ করা হবে।

রোববার বিকেলে জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মাহমুদ আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনস্থ অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান আনুষ্ঠানিকভাবে এই ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করবেন।

চলতি মাসের ৪ তারিখ ঢাকা ও ঢাকার বাইরে সাতটি বিভাগীয় শহরে খ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা হয়।

‘খ’ ইউনিটে মোট আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ৫৮ হাজার ৫৫১ জন। আর মোট আসন সংখ্যা ১৭৮৮টি। সেক্ষেত্রে এ ইউনিটে প্রতি আসনের বিপরীতে লড়েছেন প্রায় ৩৩জন।

আরও পড়ুন:
রাতে ঢাবি ক্লাবে রিজভী, সভাপতিকে নোটিশ
‘মনে হচ্ছে নতুন জীবন পেয়েছি’
সুনামগঞ্জে আটকা ঢাবি শিক্ষার্থীদের উদ্ধার সেনাবাহিনীর
ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের নাম হবে শেখ রাসেলের নামে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘আষাঢ় পার্বণ’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mausi UGC signed the APA

এপিএতে সই শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউজিসির

এপিএতে সই শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউজিসির মাউশি ও ইউজিসির মধ্যে এপিএ সই অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির হাত থেকে অভিনন্দন ও সনদপত্র নেন ইউজিসির সচিব ড. ফেরদৌস জামান। ছবি: নিউজবাংলা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ২০২১-২০২২ অর্থবছরে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সফলতা ও দক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়নের স্বীকৃতি হিসেবে সনদপত্র পায় ইউজিসি। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে ড. ফেরদৌস জামান অভিনন্দন ও সনদপত্র নেন।

২০২২-২৩ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিতে (এপিএ) সই করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের সভাকক্ষে রোববার বিভাগের সচিব আবু বকর ছিদ্দীক ও ইউজিসির সচিব ড. ফেরদৌস জামান নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এ চুক্তিতে সই করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

অনুষ্ঠানে ২০২১-২০২২ অর্থবছরে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সফলতা ও দক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়নের স্বীকৃতি হিসেবে সনদপত্র পায় ইউজিসি। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে ড. ফেরদৌস জামান অভিনন্দন ও সনদপত্র নেন।

এপিএ বাস্তবায়নে শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের অধীন ২৩টি দপ্তর/অধিদপ্তর/সংস্থার সঙ্গেও রোববার চুক্তি সই করে।

ইউজিসির পক্ষ থেকে বলা হয়, এপিএর মূল উদ্দেশ্য সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতের পাশাপাশি দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে উৎকর্ষ সাধন।

আরও পড়ুন:
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় মাউশির নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল
বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি শিক্ষায় ইউজিসির গাইডলাইন
উচ্চশিক্ষার পাঠক্রম উন্নয়নে সহযোগিতা করবে যুক্তরাষ্ট্র
তিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়ম তদন্তে ইউজিসি
সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট বাড়ছে ৯৩৮ কোটি টাকা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Books worth crores of rupees wasted in Ban water

বানের জলে নষ্ট ‘কোটি টাকার’ বই

বানের জলে নষ্ট ‘কোটি টাকার’ বই বন্যার পানি ঢুকে পড়ে সিলেটের সবচেয়ে বড় বইয়ের মার্কেট রাজা ম্যানশনে। ছবি: নিউজবাংলা
রাজা ম্যানশন ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক তানভীর হোসেন রহিম বলেন, ‘বন্যার পানিতে মার্কেটের নিচতলার সবগুলো দোকান এবং প্রতিষ্ঠানই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। কেবল বই ব্যবসায়ীদেরই ক্ষতি হয়েছে কোটি টাকার মতো।’

সিলেটের সবচেয়ে বড় বইয়ের মার্কেট রাজা ম্যানশন। গত ১৮ জুন এই মার্কেটে বন্যার পানি ঢুকে নিচের তলা পুরোপুরি ডুবে যায়। এতে কোটি টাকার বই নষ্ট হয়ে গেছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।

গত ১৫ জুন থেকে সিলেটে বন্যা দেখা দেয়। এর দুদিন পর থেকে ভয়ংকর রূপ নেয় বন্যা। ১৮ জুন সকাল থেকে টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় নগরের উঁচু এলাকাগুলোও। ওইদিন পানি ঢুকে পড়ে নগরের প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা জিন্দাবাজারের বেশির ভাগ শপিং মল ও দোকানপাটে।

পানি ঢোকে জিন্দাবাজার এলাকার রাজা ম্যানশনেও। মার্কেটের নিচতলার অর্ধশত বইয়ের দোকান, ছাপাখানা ও কম্পিউটারের দোকানে পানি ঢুকে পড়ে।

রাজা ম্যানশনের ব্যবসায়ীরা বলছেন, ১৬ জুন বৃহস্পতিবার রাতে তারা জিন্দাবাজার এলাকা পানিশূন্য অবস্থায় দেখে ঘরে ফেরেন। পরের দিন শুক্রবার মার্কেট বন্ধ ছিল। আর ১৮ জুন শনিবার সকালে এসে দেখতে পান পানিতে তলিয়ে গেছে মার্কেট। পানি ঢুকে পড়েছে নিচতলার সব দোকানে। অনেক দোকানে কোমর সমান পানিও জমা হয়।

বানের জলে নষ্ট ‘কোটি টাকার’ বই

তারা আরও জানান, পানিতে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বই ব্যবসায়ীরা। বইয়ের দোকানের নিচের তাকগুলোয় থাকা সব বই ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। এখন এগুলো ফেলে দিতে হচ্ছে।

শনিবার রাজা ম্যানশনে গিয়ে দেখা যায়, মার্কেট থেকে পানি নেমে গেছে। ভিজে নষ্ট হওয়া বই ভ্যানে করে সরিয়ে নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। কিছু বই আবার রোদে শুকানোর চেষ্টা করছেন তারা।

এ সময় কথা হয় মার্কেটের শুভেচ্ছা লাইব্রেরির স্বত্বাধিকারী তানজিল হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমার দোকান মার্কেটের একেবারে সম্মুখে। তাই বন্যার পানি প্রথমে আমার দোকানেই ঢুকে পড়ে। পানিতে দোকানের প্রায় ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার বই ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। এগুলো আর ব্যবহারের উপযোগী নয়।’

তিনি বলেন, ‘রাজা ম্যানশনে বন্যার পানি ঢুকবে তা কখনও কল্পনাও করিনি। অথচ নিমিষেই পানিতে তলিয়ে গেল মার্কেটের পুরো নিচতলা। এখন ক্ষতি কীভাবে কাটিয়ে উঠবো তা বুঝতে পারছি না।’

প্যারাগন লাইব্রেরির বিক্রেতা আকাশ আহমদ বলেন, ‘আমাদের অন্তত ৭ লাখ টাকার বই নষ্ট হয়েছে। নষ্ট হওয়া বইগুলো পুরনো কাগজের ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে দিতে হয়েছে। যেগুলো অল্প ভিজেছে সেগুলো শুকিয়ে ঠিক করা যায় কি না সে চেষ্টা করছি।’

বানের জলে নষ্ট ‘কোটি টাকার’ বই

জানা গেছে, বইয়ের পাশাপাশি ক্ষতি হয়েছে মার্কেটের নিচতলার ছাপাখানা ও কম্পিউটার ব্যবসায়ীদেরও।

প্যারাডাইস প্রেস নামের একটি ছাপাখানার কর্মকর্তা সুমন বক্স বলেন, ‘আমাদের প্রেস মেশিনসহ অন্যান্য যন্ত্রাংশে পানি ঢুকে গেছে। এগুলোর মেরামত কাজ চলছে। ফলে ছাপাখানা আপাতত বন্ধ আছে।’

রাজা ম্যানশন ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক তানভীর হোসেন রহিম বলেন, ‘বন্যার পানিতে মার্কেটের নিচতলার সব দোকান এবং প্রতিষ্ঠানই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। কেবল বই ব্যবসায়ীদেরই ক্ষতি হয়েছে কোটি টাকার মতো।’

ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি পুস্তক ব্যবসায়ী সমিতির কেন্দ্রীয় নেতাদের অভিহিত করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘করোনার আগেও আমরা বড় ক্ষতির মুখে পড়েছিলাম। এবার বন্যার কারণে ক্ষতির মুখে পড়তে হলো। বন্যা আমাদের সব মূলধন নিয়ে চলে গেল।’

আরও পড়ুন:
‘যেখানে এখনও ত্রাণ পৌঁছেনি, আমরা নিয়ে যাচ্ছি’
বন্যায় মৃত্যু নিয়ে সুনামগঞ্জের ডিসির বক্তব্য অসত্য, দাবি বিএনপির
‘কেউ খবর নেয় না’
এত ত্রাণ, তবু কেন হাহাকার
আসামে বন্যায় মৃত ১১৭

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dope test is compulsory for university admission

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ডোপ টেস্ট

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ডোপ টেস্ট ডোপ টেস্ট। ফাইল ছবি
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন করা হচ্ছে। আইনে যা থাকবে, সে অনুযায়ী তাদের ডোপ টেস্ট করা হবে। তাদের ভর্তির সময় যে মেডিকেল টেস্ট করা হবে, তার এই ডোপ টেস্ট থাকবে।’

বিশ্বাবিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের জন্য ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলেক করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। সে জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আইন সংশোধন করার উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

সচিবালয়ে 'মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস’ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে রোববার এ কথা জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যখন মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের কথা বলেছিলেন, তার আগেই আমরা পুলিশের ডোপ টেস্ট শুরু করে দিয়েছিলাম। এরপর আমরা প্রধানমন্ত্রী কাছে একটি প্রস্তাব দিয়েছিলাম, চাকরিতে যারা নিয়োগ পাবে তাদের ডোপ টেস্ট করার। সিভিল সার্জন যে সকল পরীক্ষা করেন, সেখানেও ডোপ টেস্ট করবে। সেটাও আমাদের কাছে চলে আসছে। এটা ব্যাপকভাবে চালু করতে অবকাঠামোর উন্নয়ন করতে হবে। সেই প্রচেষ্টা আমরা শুরু করেছি।’

‘বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন করা হচ্ছে। আইনে যা থাকবে, সে অনুযায়ী তাদের ডোপ টেস্ট করা হবে। তাদের ভর্তির সময়
যে মেডিকেল টেস্ট করা হবে, তার এই ডোপ টেস্ট থাকবে।’

মন্তব্য

p
উপরে