× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
The depot is still burning
hear-news
player
print-icon

এখনও জ্বলছে ডিপো

এখনও-জ্বলছে-ডিপো
বিএম কনটেইনার ডিপোর আগুন এখনও নেভেনি। ছবি: নিউজবাংলা
ফায়ার সার্ভিস কুমিল্লার সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান বলেন, ‘এখানে চার থেকে ছয়টি কনটেইনার আছে যেগুলোর ভেতরে পানি ঢুকছে না। আমরা কর্তৃপক্ষকে খবর দিয়েছি। তারা দরজাগুলো খুলে দিলে এবং কনটেইনারগুলো নামিয়ে দিলে আশা করছি আর অল্প সময়ের মধ্যে আগুন নেভানো শেষ পর্যায়ে আনতে পারব।’

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোর আগুন এখনও নেভেনি। আগুন নেভাতে কাজ করে যাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা।

সরেজমিনে সোমবার সকালে ডিপোর ভেতরে পশ্চিমপাশে কনটেইনার পুড়তে দেখা গেছে। আশপাশের কনটেইনার থেকেও ধোঁয়া বের হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা পানি ছিটিয়ে আগুন নেভানোর কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের সঙ্গে সেনা সদস্যরাও রয়েছেন। তবে আগুনের তীব্রতা রাতের চেয়ে কমেছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিস কুমিল্লার সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এখানে চার থেকে ছয়টি কনটেইনার আছে যেগুলোর ভেতরে পানি ঢুকছে না। আমরা কর্তৃপক্ষকে খবর দিয়েছি। তারা দরজাগুলো খুলে দিলে এবং কনটেনারগুলো নামিয়ে দিলে আশা করছি আর অল্প সময়ের মধ্যে আগুন নেভানো শেষ পর্যায়ে আনতে পারব।’

তিনি বলেন, ‘ঢাকা থেকে হাজমত টিম আসছেন। তারা আইডেন্টিফাই করবে কোন রাসায়নিকগুলো ঝুঁকিপূর্ণ, কোনগুলো না। তবে আমরা এখন যে অংশে ফায়ার ফাইটিং করছি, সেই অংশে রাসায়নিক দ্রব্য নেই। অন্য অংশে আছে কি না তা আমাদের টিম পর্যবেক্ষণ করবে। আগুন নেভানো শেষে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং করবেন।’

সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী এলাকার বিএম কনটেইনার ডিপোতে শনিবার রাতে আগুন লাগে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, ডিপোটির কনটেইনারে থাকা রপ্তানির জন্য রাখা হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডের কারণেই এমন বিস্ফোরণ ঘটেছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মমিনুর রহমান ও সীতাকুণ্ডের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহাদাত হোসেনের দেয়া সবশেষ তথ্যে, আগুন ও বিস্ফোরণের ঘটনায় ৪৫ প্রাণহানি হয়েছে। এর মধ্যে আছেন ফায়ার সার্ভিসের ৯ কর্মী। এ ঘটনায় দগ্ধ ও আহত হয়ে চট্টগ্রাম ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শতাধিক।

আরও পড়ুন:
২৪ ঘণ্টা পরও নেভেনি ডিপোর আগুন
সিকিউরিটি গার্ডরা বের হতে দেয়নি দগ্ধদের
স্ত্রীকে নিয়ে কর্মস্থলে থাকতে চেয়েছিলেন রনি
ঢাকায় বার্ন ইনস্টিটিউটে আনা ১৪ জনই আশঙ্কাজনক
আলাউদ্দিনের মৃত্যুসংবাদে জ্ঞান হারাচ্ছেন মা ও স্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
College student arrested in abusive case

কটূক্তির মামলায় কলেজছাত্র গ্রেপ্তার

কটূক্তির মামলায় কলেজছাত্র গ্রেপ্তার গৌরনদী মডেল থানা। ছবি: সংগৃহীত
অভিযুক্ত সৌভিক সাহার বাবা বেল্টু সাহা বলেন, ‘আমার ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কটূক্তি করে তার পরিবারের অকল্যাণ কামনা করে ফেসবুকে পোস্ট দেয়ার অভিযোগে সৌভিক সাহা নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে বরিশালের গৌরনদী থানা পুলিশ।

কটূক্তির অভিযোগে মামলা হলে বুধবার দুপুরে গ্রেপ্তারের পর সৌভিককে আদালতের নির্দেশে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

সদ‌্য এইচএসসি পাশ করা সৌভিক সাহা জেলার গৌরনদী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ‘বার্থী তাঁরা মায়ের মন্দির’ পরিচালনা কমিটির সদস্য বেল্টু সাহার পুত্র। ওই মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি শান্তনু ঘোষ কটূক্তির দায়ে মামলাটি করেন।

মামলার বাদি শান্তুনু ঘোষ বলেন, ‘মন্দির কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বেল্টু সাহার ছেলে সৌভিক। সে প্রধানমন্ত্রীকে কটুক্তি করে এবং তার পরিবারের অকল্যাণ চেয়ে মন্দিরে প্রার্থণা চলছে উল্লেখ করে এতে যোগ দিতে সবাইকে আহ্বান করে সোমবার রাতে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেয়।’

শান্তনু জানান, বিষয়টি গৌরনদী মডেল থানার ওসি আফজাল হোসেনকে জানালে পুলিশ সৌভিককে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে পোস্ট দেয়ার কথা স্বীকার করেছে।

সৌভিক সাহার বাবা বেল্টু সাহা বলেন, ‘আমার ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন।’

গৌরনদী থানার ও‌সি আফজাল হোসেন বলেন, ‘ফেসবুকে এক‌টি পোস্টকে কেন্দ্র করে মামলা হয়েছে। সেই মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
মহানবীকে নিয়ে ‘কটূক্তি’, বাড়ি ঘেরাও
মহানবীকে কটূক্তি: সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবীর সদস্যপদ স্থগিত
মহানবীকে নিয়ে কটূক্তি: সিলেটে বন্ধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান
মহানবীকে কটূক্তি: সিলেটে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ডাক
নূপুর শর্মাকে সমর্থন করে পোস্ট, শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
UP member shot dead in Pangsha

পাংশায় ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা

পাংশায় ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা

রাজবাড়ীর পাংশায় এক ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

বাহের মোড় এলাকায় বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পাট্টা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোহাম্মদ ফয়জুর রহমানকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বিস্তারিত আসছে...

আরও পড়ুন:
শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যায় জিতু গ্রেপ্তার
শিক্ষক হত্যাকারীকে গ্রেপ্তারের দাবিতে ঢাবিতে আমরণ অনশন
ছেলের প্রেমে মাকে পুড়িয়ে হত্যা, দম্পতি কারাগারে
শিক্ষক হত্যায় জিতুর বাবা রিমান্ডে
ছাগলের জন্য বড় ভাইকে হত্যায় গ্রেপ্তার ছোট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If he is expelled from the university

বহিষ্কার হয়েও থাকেন তিনি হলে

বহিষ্কার হয়েও থাকেন তিনি হলে মিখা পিরেগু। ছবি সংগৃহীত
বহিষ্কার হওয়ার পর কেউ হলে অবস্থান করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন ডেপুটি রেজিস্ট্রার আবু হাসান (শিক্ষা)। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘কেউ সাময়িক বহিষ্কার হলেও তার হলে থাকার অধিকার নেই। সেক্ষেত্রে আজীবন বহিষ্কার হলে কোনোভাবেই হলে থাকার সুযোগ নেই।’

জালিয়াতির দায়ে গেল বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মিখা পিরেগুকে। তিনি ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সাবেক সভাপতি। বহিষ্কারের পরও বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে থাকছেন তিনি।

বিষয়টি স্বীকার করে মার্কেটিং বিভাগের ৪৪ ব্যাচের বহিষ্কৃত এই শিক্ষার্থী বলেন, ‘বহিষ্কারের বিষয়টি পুনঃবিবেচনার জন্য আবেদন করেছি। এ বিষয়ে এখনও জবাব পাইনি, তাই হলে থাকছি।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ৪০১, ৪১২ ও ৪১৩ নম্বর কক্ষ তিনটি ছাত্র ইউনিয়রের ‘কক্ষ’ হিসেবে পরিচিত। মিখা পিরেগু নিয়মিত থাকেন ৪১২ নম্বর কক্ষে। চার সিটের এই কক্ষে আরও থাকেন ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের বর্তমান কমিটির সহ সভাপতি রিফাত খান অনিক, সাংগঠনিক সম্পাদক অমর্ত্য রায় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়কসম্পাদক মো. সৈকত।

আজীবনের জন্য বহিষ্কৃত একজন ছাত্র কীভাবে হলে থাকেন জানতে চাইলে অমর্ত্য রায় নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সে (পিরেগু) নিয়মিত ঢাকায় থাকত। মাঝে মাঝে হলে আসত। তার পারিবারিক সমস্যার কারণে গত দেড় মাস ধরে হলে নিয়মিত থাকছে।’

সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েও আপনি কেন ব্যবস্থা নেননি? প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

সহ সভাপতি রিফাত খান অনিক বলেন, ‘পিরেগু আজীবন বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের পুনঃবিবেচনার বিষয়ে প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছেন। সেই সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত তিনি হলে থাকতে পারবেন। তাই এই বিষয়ে আমরা কোনো ব্যবস্থা নেইনি।’

একই কক্ষে থাকলেও পিরেগুর বহিষ্কারের বিষয়টি জানতেন না দাবি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. সৈকতের। বলেন, ‘আমি ভাইয়ের বহিষ্কারের বিষয়টি জানতাম না।’

গত বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রহিমা কানিজ স্বাক্ষরিত বহিষ্কারাদেশে বলা হয়, ‘বিশেষ পরীক্ষার অনুমতির আবেদনপত্রে বিভাগীয় সভাপতির স্বাক্ষর ও সিলমোহর জালিয়াতি করায় এ সংক্রান্ত গঠিত কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে মিখা পিরেগুকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হলো।’

বহিষ্কার হওয়ার পর কেউ হলে অবস্থান করতে পারবে না বলে জানিয়েছেন ডেপুটি রেজিস্ট্রার আবু হাসান (শিক্ষা)। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘কেউ সাময়িক বহিষ্কার হলেও তার হলে থাকার অধিকার নেই। সেক্ষেত্রে আজীবন বহিষ্কার হলে কোনোভাবেই হলে থাকার সুযোগ নেই।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি আখতারুজ্জামান সোহেল বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থী হোক বা কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা-কর্মী হোক, আজীবন বহিষ্কার হয়ে কেউ কোনোভাবেই হলে অবস্থান করতে পারেন না। এটি একটি নৈতিকতাবিরোধী কাজ।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ইস্রাফিল আহমেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জানলাম। আমি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেব।’

আরও পড়ুন:
জাবির ভর্তি পরীক্ষার আবেদন শুরু ১৮ মে
নীরবে বাসভবন ছাড়লেন বিদায়ী উপাচার্য ফারজানা ইসলাম
নতুন ভিসি পেল জাহাঙ্গীরনগর
বিজ্ঞানশিক্ষক হৃদয় মণ্ডলের মুক্তি চেয়ে জাবিতে মানববন্ধন
সেহরিতে জাবি হলে ‘পচা ভাত’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Jitu arrested for beating teacher to death

শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যায় জিতু গ্রেপ্তার

শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যায় জিতু গ্রেপ্তার শিক্ষক উৎপল হত্যা মামলায় প্রধান আসামি স্কুলছাত্র আশরাফুল ইসলাম জিতু। ছবি: সংগৃহীত
র‍্যাব বলছে, শ্রীপুরের নগরহাওলা গ্রাম থেকে জিতুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।

ঢাকার সাভারে শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারকে হত্যা মামলায় প্রধান আসামি স্কুলছাত্র আশরাফুল ইসলাম জিতুকে গাজীপুর থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

শ্রীপুরের নগরহাওলা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি বুধবার সন্ধ্যায় নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, ‘নগরহাওলা গ্রাম থেকে জিতুকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। এ বিষয়ে কাল সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে।’

কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে এদিন ভোরে জিতুর বাবা উজ্জ্বল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে আশুলিয়া থানা পুলিশ। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ডে পায় পুলিশ।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এমদাদুল হক জানান, সকালে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে তাকে ঢাকার মুখ্য বিচারিক আদালতে তোলা হয়। শুনানি শেষে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেয় আদালত।

যা ঘটেছিল

হাজি ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সাইফুল হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রতি বছরের মতো এবারও আমরা ছেলেদের ফুটবল ও মেয়েদের ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছি। শনিবার স্কুলে মেয়েদের ক্রিকেট খেলা চলছিল। এ সময় প্রতিষ্ঠানের দ্বিতীয় তলা ভবনের বারান্দায় দাঁড়িয়ে খেলা দেখছিল ছেলে শিক্ষার্থীরা।

‘অভিযুক্ত ছাত্রও দ্বিতীয় তলায় ছিল। হঠাৎ সে নেমে মাঠের এক পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষক উৎপলকে স্টাম্প দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে পালিয়ে যায়। আহত অবস্থায় উৎপলকে উদ্ধার করে এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই আজ (সোমবার) সকালে উৎপলের মৃত্যু হয়।’

অধ্যক্ষ জানান, উৎপলের বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানার এঙ্গেলদানি গ্রামে। তিনি প্রায় ১০ বছর ধরে হাজি ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ছিলেন। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করছিলেন।

দায়িত্বের অংশ হিসেবেই উৎপল শিক্ষার্থীদের আচরণগত সমস্যা নিয়ে কাউন্সেলিং করতেন ও তাদের নানা অপরাধ বা নিয়মবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের বিচার করতেন বলে জানান অধ্যক্ষ। তার ধারণা, অভিযুক্ত ছাত্রকেও উৎপল কোনো কারণে শাসন করেছিলেন। সেই ক্ষোভ থেকে ওই কিশোর তার ওপর হামলা করেছে।

নিহতের ভাই ও মামলার বাদী অসীম কুমার সরকার বলেন, ‘আমি জানতে পেরেছি, ওই শিক্ষার্থী মেয়েদের ইভটিজিংসহ নানা উচ্ছৃঙ্খল কাজে অভিযুক্ত। তাকে শাসন করায় আমার ভাইকে মেরে ফেলেছে সে। আমি এর উপযুক্ত বিচার চাই।’

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) এমদাদুল হক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নিহত শিক্ষক প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি থাকায় নিয়মকানুন মানাতে শিক্ষার্থীদের শাসন করতেন। তিনি ওই শিক্ষার্থীকেও শাসন করায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে আমাদের প্রাথমিক ধারণা।’

আরও পড়ুন:
ছাগলের জন্য বড় ভাইকে হত্যায় গ্রেপ্তার ছোট
হত্যা মামলার আসামিদের বিচারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ
শিক্ষক হত্যা: আলামত জব্দে দেরি, আসামির বয়সও ভুল
শিক্ষক উৎপল হত্যা: তৃতীয় দিনেও সড়কে শিক্ষার্থীরা
‘শিক্ষকের গলায় জুতার মালায় দুঃখিত, দায়িত্বে অবহেলায় ব্যবস্থা’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Protest of CU teachers association over killing and humiliation of teachers

শিক্ষক হত্যা ও অপদস্থের ঘটনায় চবি শিক্ষক সমিতির প্রতিবাদ

শিক্ষক হত্যা ও অপদস্থের ঘটনায় চবি শিক্ষক সমিতির প্রতিবাদ
প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিকভাবে ঘটে যাওয়া অপরাধগুলো পুরো জাতিকে ভাবিয়ে তুলছে। মুক্তবুদ্ধির চর্চার জন্য শিক্ষকদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সমাজ ও রাষ্ট্রের। প্রতিটি ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেয়ার ব্যর্থতায় ও দায়িত্বে অবহেলায় বারবার এই অপরাধগুলো ঘটছে৷

সাভারে শিক্ষক হত্যা ও নড়াইলে শিক্ষকের গলায় জুতার মালা পরানোর ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি।

বুধবার শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক সেলিনা আখতার ও সাধারণ সম্পাদক সজীব কুমার ঘোষের সই করা প্রতিবাদলিপিতে এই নিন্দা জানানো হয়।

এতে বলা হয়, সাভারে অবস্থিত ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক উৎপল কুমার সরকারকে পিটিয়ে হত্যা ও নড়াইল সদর উপজেলার ইউনাইটেড কলেজের অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসের গলায় জুতার মালা পরানোর ঘটনা জাতিকে হতবাক করেছে ৷

একজনের অপরাধ- ডিসিপ্লিনারি কমিটির প্রধান হিসেবে ছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য ছাত্রকে কাউন্সেলিং করা, আর অপরজনের অপরাধ, কলেজে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানোর জন্য পুলিশকে ডাকা। এ দুটি ঘটনাই অত্যন্ত লজ্জার৷

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি দুটি ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে এবং সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছে।

প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিকভাবে ঘটে যাওয়া অপরাধগুলো পুরো জাতিকে ভাবিয়ে তুলছে৷ মুক্তবুদ্ধির চর্চার জন্য শিক্ষকদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সমাজ ও রাষ্ট্রের। প্রতিটি ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেয়ার ব্যর্থতায় ও দায়িত্বে অবহেলায় বারবার এই অপরাধগুলো ঘটছে৷

মানবিক সমাজ গঠনে অপরাধ দমনে সরকারকে জিরো টলারেন্স দেখাতে হবে এবং শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে বলেও মনে করে শিক্ষক সমিতি।

এ ঘটনার প্রতিবাদে বৃ্হস্পতিবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ মিনার চত্বরে মানববন্ধনের ডাক দিয়েছে চবি শিক্ষক সমিতি।

আরও পড়ুন:
‘শিক্ষকের গলায় জুতার মালায় দুঃখিত, দায়িত্বে অবহেলায় ব্যবস্থা’
শিক্ষক নির্যাতনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায় শিক্ষক সমিতি
শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা: অভিযুক্তের বাবা গ্রেপ্তার
মারধরে নিহত শিক্ষক উৎপলই ছিলেন পরিবারের বড় ভরসা
শিক্ষক উৎপলের বিরুদ্ধে জিতুর আক্রোশ ‘প্রেমে বাধায়’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Teachers hanging body recovered

শিক্ষকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

শিক্ষকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। ছবি: নিউজবাংলা
পরিবারের সদস্যরা জয় চ্যাটার্জির ‘আত্মহত্যা’র বিষয়ে কোনো কারণ জানাতে পারেনি।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে গলায় ফাঁস দিয়ে এক শিক্ষক আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বুধবার বিকেলে উপজেলার ফয়েজনগর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহত ৫০ বছর বয়সী ওই স্কুলশিক্ষকের নাম জয় চ্যাটার্জি। তিনি পটিয়ার গুয়াতলী এলাকার শান্তিপ্রিয় চ্যাটার্জির ছেলে। চরলক্ষ্যা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন জয়।

পাঁচলাইশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাদেকুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, বুধবার বিকেলে কর্ণফুলীর ফয়েজনগরে ভাড়া বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান জয় চ্যাটার্জি। বিষয়টি টের পেয়ে প্রতিবেশী ও আত্মীয় স্বজন তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে। পরে হাসপাতালের চিকিৎসক জয়কে মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে, পরিবারের সদস্যরা জয় চ্যাটার্জির ‘আত্মহত্যা’র বিষয়ে কোনো কারণ জানাতে পারেনি।

আরও পড়ুন:
শিক্ষক হত্যাকারীকে গ্রেপ্তারের দাবিতে ঢাবিতে আমরণ অনশন
শিক্ষক হত্যায় জিতুর বাবা রিমান্ডে
শিক্ষক হত্যা: আলামত জব্দে দেরি, আসামির বয়সও ভুল
শিক্ষক উৎপল হত্যা: তৃতীয় দিনেও সড়কে শিক্ষার্থীরা
‘শিক্ষকের গলায় জুতার মালায় দুঃখিত, দায়িত্বে অবহেলায় ব্যবস্থা’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
RU students expelled for misbehaving with teacher

শিক্ষকের সঙ্গে অশোভন আচরণ, রাবি শিক্ষার্থী বহিষ্কার

শিক্ষকের সঙ্গে অশোভন আচরণ, রাবি শিক্ষার্থী বহিষ্কার অভিযুক্ত শিক্ষার্থী আশিক উল্লাহ। ছবি: সংগৃহীত
ভুক্তভোগী শিক্ষক অধ্যাপক বেগম আসমা সিদ্দীকা বলেন, ‘আমি চতুর্থ বর্ষের ক্লাস শেষ করে বের হতে গেলেই সে আমার পথ রোধ করে।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের এক শিক্ষকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগে ওই বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

বুধবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

অভিযুক্ত আশিক উল্লাহ আইন বিভাগে মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। তার বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন অভিযোগ ছিল বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আশিক একাধিকবার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশের বিঘ্ন ঘটিয়েছেন। বিভিন্ন সময় তিনি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের হত্যার হুমকিও দিয়েছেন। বুধবার আইন বিভাগের ক্লাসরুমে অধ্যাপক ড. বেগম আসমা সিদ্দীকাকে তিনি হেনস্তা করেন।

তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুষ্ঠু পরিবেশ, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে আশিককে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শৃঙ্খলা কমিটি ও সিন্ডিকেটের রিপোর্ট সাপেক্ষে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়।

এর আগে বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিক্ষককে হুমকি দেন আশিক। এ সময় তাকে বিভাগের সভাপতির কক্ষে প্রায় দুই ঘণ্টা আটকে রাখেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। পরে বিভাগ থেকে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের হাতে তুলে দেয়া হয়।

এ সময় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা আশিক উল্লাহকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার, প্রকাশ্যে ভুক্তভোগী শিক্ষকের পায়ে ধরে ক্ষমা চাওয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বাদী হয়ে মামলার দাবি জানান।

শিক্ষকের সঙ্গে অশোভন আচরণ, রাবি শিক্ষার্থী বহিষ্কার
শিক্ষকের সঙ্গে অশোভন আচরণের ঘটনায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা

আইন বিভাগ ও শিক্ষার্থী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার চতুর্থ বর্ষের ক্লাস চলার সময় ইমপ্রুভমেন্টের কথা বলে ক্লাসে প্রবেশ করেন মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আশিক উল্লাহ। কিন্তু তার কোনো ইমপ্রুভমেন্ট ছিল না। ক্লাসের শেষ দিকে অধ্যাপক বেগম আসমা সিদ্দীকাকে বিব্রত করার জন্য অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করতে থাকেন তিনি।

একপর্যায়ে শিক্ষক ক্লাস থেকে বের হতে গেলে আশিক উল্লাহ দরজা লাগিয়ে তাকে মারার জন্য উদ্যত হন। পরে অন্য শিক্ষার্থীরা তাকে ক্লাসরুমে আটকে রেখে ওই শিক্ষককে রক্ষা করেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষক অধ্যাপক বেগম আসমা সিদ্দীকা বলেন, ‘আমি চতুর্থ বর্ষের ক্লাস শেষ করে বের হতে গেলেই সে আমার পথ রোধ করে। ডিপার্টমেন্টের অভ্যন্তরীণ একটি বিষয় নিয়ে আমার কাছে সমাধান চাইলে আমি তাকে চেয়ারম্যান স্যারের সঙ্গে কথা বলতে বলি। কিন্তু সে তা না শুনেই আমার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে।’

আরও পড়ুন:
রায়ে সন্তুষ্ট, কার্যকরের অপেক্ষায় অধ্যাপক তাহেরের স্ত্রী
রাবি অধ্যাপক তাহের হত্যা: ২ জনের ফাঁসির আদেশ আপিলে বহাল
৮৮ বছর পর আয়া সোফিয়াতে তারাবির নামাজ
রাবিতে এ বছর ‘সেকেন্ড টাইম’ ভর্তির সুযোগ
দেশের সব মসজিদে একই পদ্ধতিতে তারাবি পড়ানোর আহ্বান

মন্তব্য

p
উপরে