× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Mass bath in Buriganga to save the river
google_news print-icon

নদী বাঁচাতে বুড়িগঙ্গায় ‘গণগোসল’

নদী-বাঁচাতে-বুড়িগঙ্গায়-গণগোসল
রোববার মোহাম্মদপুরে বসিলা ব্রিজ এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীতে গণগোসল কর্মসূচিতে অংশ নেন অনেকে। ছবি: নিউজবাংলা
বাপার সাধারণ সম্পাদক শফিক জামিল বলেন, ‘গণগোসল কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা নদীতীরের মানুষের প্রতি সংহতি জানাচ্ছি। আজ এই পরিবেশ দিবসে আমাদের দাবি হচ্ছে- বুড়িগঙ্গাসহ দেশের সব নদী অবশ্যই দূষণমুক্ত করতে হবে। সরকারকে জনবান্ধব ও বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনা নিতে হবে। তাতে ডিটেইল রোডম্যাপও থাকতে হবে।’

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে দেশের সব নদী ও এর পরিবেশ বাঁচাতে বুড়িগঙ্গায় ‘গণগোসল’ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

ব্যতিক্রমী উদ্যোগটি নিয়েছে জেসিআই ঢাকা নর্থ, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ, রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টার ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)।

বুড়িগঙ্গার পানি গোসলের উপযোগী করতে এবং দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়ার দাবিতে এই আয়োজন। একইসঙ্গে প্রতিনিয়ত যারা বুড়িগঙ্গা নদীর দূষণের শিকার হচ্ছেন তাদের পাশেও দাঁড়াতে চায় সংগঠনগুলো।

রোববার সকাল ১১টায় মোহাম্মদপুরের বসিলা ব্রিজ এলাকায় এই কর্মসূচি শুরু হয়। স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশ কর্মীরা দুপুর ১২টা পর্যন্ত পরিবেশ, বুড়িগঙ্গার দূষণ ও এর প্রতিকার নিয়ে বক্তব্য দেন। এরপর শুরু হয় ‘গণগোসল’। তা চলে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

কর্মসূচিতে নদীপাড়ের মানুষ, পরিবেশকর্মী, গবেষক, শিক্ষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, যুব নেতৃবৃন্দ ও মিডিয়া কর্মীসহ কয়েকশ’ মানুষ অংশ নেন।

নদী বাঁচাতে বুড়িগঙ্গায় ‘গণগোসল’

কর্মসূচিতে অংশ নেয়াদের একজন সাজিদ মিয়া। দূষণের শিকার বুড়িগঙ্গায় গোসল সেরে তিনি বলেন, ‘পানি এখনো অনেক নোংরা। তবে গন্ধ নেই। এখন তো যা হোক বর্ষার কারণে পানি স্বচ্ছ দেখাচ্ছে। কিন্তু শীতের সময় বুড়িগঙ্গার পানিতে প্রকট দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এই গন্ধের কারণে তখন নদীর পাড়ে টেকাও দায় হয়ে দাঁড়ায়।’

বাপার সাধারণ সম্পাদক শরীফ জামিল বলেন, ‘বুড়িগঙ্গাসহ ঢাকার আশপাশের সব নদ-নদীর পানি ভয়াবহ দূষণের শিকার। এসব নদীর পানিতে গোসল করাটাও নিরাপদ নয়। বুড়িগঙ্গার পানি সারা বছর দূষিত থাকে। ট্যানারি দূষণ, টেক্সটাইলের দূষণ কয়েক বছর ধরে এই নদীতে যুক্ত হয়েছে। আর শ্যামপুর থেকে তো ডাইং দূষণ আছেই।’

শরীফ জামিল বলেন, ‘বুড়িগঙ্গা পাড়ের মানুষ সারা বছরই নদীতে গোসল করে। আজকের এই কর্মসূচি প্রতীকী। আমরা যারা প্রতিদিন বুড়িগঙ্গায় আসি না, তারা আজ এই কর্মসূচির মাধ্যমে নদীতীরের মানুষের প্রতি সংহতি জানাচ্ছি।

‘আজ এই পরিবেশ দিবসে আমাদের দাবি হচ্ছে- বুড়িগঙ্গাসহ দেশের সব নদী অবশ্যই দূষণমুক্ত করতে হবে। স্থানীয়রা যেন বুড়িগঙ্গায় নিরাপদে গোসল ও গৃহস্থালির কাজে এই পানি ব্যবহার করতে পারে। সে লক্ষ্যে সরকারকে সত্যিকার অর্থে একটি জনবান্ধব, জনসম্পৃক্ত ও বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনা নিতে হবে। সেই পরিকল্পনায় ডিটেইল রোডম্যাপও থাকতে হবে।’

নদী বাঁচাতে বুড়িগঙ্গায় ‘গণগোসল’

কর্মসূচিতে রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টারের চেয়ারম্যান মো. এজাজ বলেন, ‘২০০৯ সালে হাইকোর্ট ঢাকার চার নদীকে ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল ঘোষণা করে। আজ ২০২২ সাল চলে এসেছে। এই লম্বা সময়ে বুড়িগঙ্গা এবং এর সঙ্গে যে চারটি নদী আছে সেগুলোর স্বাস্থ্যের কোনো উন্নতি হয়নি; বরং অবনতি হয়েছে।

‘আমরা অনেক কাজ করেছি, কথা বলেছি, মিডিয়া অনেক কথা বলছে। কিন্তু সরকারের দপ্তরগুলো এগুলোর জন্য দায়ী। তাদের কারণে দিন দিন নদী দূষণের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে।’

মো. এজাজ বলেন, ‘আমরা চিন্তা করলাম- আর বসে না থেকে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরাই নদীতে নেমে যাব। তারা নদীর অবস্থা যত খারাপই করুক না কেন আমরা নদীতে নেমে গোসল করে নদীর পাড়ে বসবাসকারীদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করব।’

রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টার একটি গবেষণা করেছে। এই গবেষণার তথ্য উল্লেখ করে সংগঠনটির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমাদের গবেষণায় বুড়িগঙ্গায় ২৫১টি সুয়ারেজ লাইনের সংযোগ পেয়েছি। ওয়েস্ট ডাম্পিং পেয়েছি ২৩১টি। এগুলোকে রিমুভ কিংবা ম্যানেজের মধ্যে আনতে পারলে আমরা নতুন বুড়িগঙ্গা দেখতে পাব।’

আরও পড়ুন:
পরিবেশ ধ্বংসে জড়িত জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ দাবি
ডিজিটাল রূপান্তরে পিছিয়ে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য: জব্বার
বর্ণিল আয়োজনে আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী দিবস পালিত
শেখ হাসিনা রাজনীতিতে এসেছিলেন আশা জাগিয়ে
শেখ হাসিনা মানবকল্যাণের জন্যই ফিরে আসেন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The heatwave subsides and there is a glimpse of rain

তাপপ্রবাহ কমে ঝড়-বৃষ্টির আভাস

তাপপ্রবাহ কমে ঝড়-বৃষ্টির আভাস দেশের সব বিভাগে ঝড়বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ছবি: সংগৃহীত
এদিকে তাপপ্রবাহ নিয়ে সুখবর দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

গত কয়েকদিন ধরে দেশজুড়ে বয়ে যাওয়া মৃদু তাপপ্রবাহ কমার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সেইসঙ্গে রোববার দেশের সব বিভাগে কমবেশি ঝড় ও শিলাবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে রাষ্ট্রীয় সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সেইসঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে বলেও পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।

এদিকে তাপপ্রবাহ নিয়ে সুখবর দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার তাপপ্রবাহের সতর্কতায় বলা হয়েছে, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, নোয়াখালী, কক্সবাজার, বাগেরহাট, যশোর, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী ও ভোলা জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু তাপপ্রবাহ প্রশমিত হতে পারে।

তাছাড়া সার্বিকভাবে সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে। তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dhaka air is bearable during holidays

ছুটির দিনে ‘সহনীয়’ ঢাকার বাতাস

ছুটির দিনে ‘সহনীয়’ ঢাকার বাতাস প্রাণভরে নিশ্বাস নিতে রাজধানীর অনেকেই যান রমনা পার্কে। ফাইল ছবি
আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ সকালের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ৬ দশমিক ১ গুণ বেশি।

বাতাসের নিম্ন মানের দিক থেকে আইকিউএয়ারের তালিকায় নিয়মিত শীর্ষ দশে থাকা ঢাকার বায়ুর মানের উন্নতি হয়েছে।

সরকারি ছুটির দিন শনিবার সকালে ‘সহনীয়’ বা ‘মধ্যম মানের’ বাতাস পেয়েছে রাজধানীবাসী।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে ৯১ স্কোর নিয়ে বাতাসের মানের দিক থেকে ১১৯টি শহরের মধ্যে ১৮তম অবস্থানে ছিল ঢাকা।

একই সময়ে বাতাসের নিম্ন মানের দিক থেকে শীর্ষে ছিল ভারতের দিল্লি।

আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ সকালের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ৬ দশমিক ১ গুণ বেশি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

আজ বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ৯১। এর মানে হলো সে সময়টাতে মধ্যম মানের বা সহনীয় বাতাস নিতে পেরেছেন রাজধানীবাসী।

আরও পড়ুন:
ঢাকার বাতাস ‘সহনীয়’
তালিকায় উন্নতি, তবু অস্বাস্থ্যকর ঢাকার বাতাস
ছুটির দিনেও ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস
ঢাকার বাতাস সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর
সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর ঢাকার বাতাস

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dhaka air is bearable during holidays

ছুটির দিনে ‘সহনীয়’ ঢাকার বাতাস

ছুটির দিনে ‘সহনীয়’ ঢাকার বাতাস প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নিতে রাজধানীর অনেকেই যান রমনা পার্কে। ফাইল ছবি
আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ সকালের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ৬ গুণ বেশি।

বাতাসের নিম্ন মানের দিক থেকে আইকিউএয়ারের তালিকায় নিয়মিত শীর্ষ দশে থাকা ঢাকার বায়ুর মানের উন্নতি হয়েছে।

সরকারি ছুটির দিন শুক্রবার দুপুরে ‘সহনীয়’ বা ‘মধ্যম মানের’ বাতাস পেয়েছে রাজধানীবাসী।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে ৯০ স্কোর নিয়ে বাতাসের মানের দিক থেকে ১১৯টি শহরের মধ্যে ১৩তম অবস্থানে ছিল ঢাকা।

একই সময়ে বাতাসের নিম্ন মানের দিক থেকে শীর্ষে ছিল ভারতের দিল্লি। দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে ছিল চীনের চেংদু ও মিসরের কায়রো।

আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ সকালের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ৬ গুণ বেশি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

আজ দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ৯০। এর মানে হলো সে সময়টাতে মধ্যম মানের বা সহনীয় বাতাস নিতে পেরেছেন রাজধানীবাসী।

আরও পড়ুন:
তালিকায় উন্নতি, তবু অস্বাস্থ্যকর ঢাকার বাতাস
ছুটির দিনেও ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস
ঢাকার বাতাস সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর
সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর ঢাকার বাতাস
মানে উন্নতি, তবু ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The heat wave may continue for two more days

তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে আরও দুই দিন

তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে আরও দুই দিন গরমের তীব্রতা থেকে বাঁচতে গোসল করছেন এক ব্যক্তি। ফাইল ছবি
এ সময়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস নিয়ে সুখবর পেয়েছে শুধু সিলেট বিভাগ। দেশের অন্যান্য জায়গায় আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

গত কয়েক দিন ধরে দেশের বেশির ভাগ এলাকার ওপর বয়ে চলা মৃদু তাপপ্রবাহ আরও দুই দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

চলমান তাপপ্রবাহ নিয়ে দেয়া পূর্বাভাসে অধিদপ্তর জানায়, রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে।

এ সময়ে বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্পের আধিক্যের কারণে জনজীবনে অস্বস্তি আরও বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়।

এ সময়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস নিয়ে সুখবর পেয়েছে শুধু সিলেট বিভাগ। পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সিলেট বিভাগের দুই-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

দেশের অন্যান্য জায়গায় আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

গত ৩১ মার্চ থেকে সারা দেশে তীব্র তাপ্রবাহ শুরু হয়, যা চলে ৬ মে পর্যন্ত। টানা ৩৭ দিন ধরে চলা দাবদাহে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। এ সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে গরমে অসুস্থ হয়ে বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর খবরও পাওয়া যায়।

পরে ৭ মে থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়, বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কমলে স্বস্তি ফেরে জনজীবনে, তবে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে গিয়ে গত কয়েক দিন ধরে ফের গরম বাড়তে শুরু করেছে।

আরও পড়ুন:
চার বিভাগ ও ১২ জেলায় মৃদু তাপপ্রবাহ
গরম সামান্য বাড়তে পারে, বৃষ্টির দেখা মিলছে না শিগগিরই

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Countries like Bangladesh are deprived due to failure of GCF
টিআইবি’র গবেষণা প্রতিবেদন

জিসিএফের ব্যর্থতায় বাংলাদেশের মতো দেশগুলো বঞ্চিত

জিসিএফের ব্যর্থতায় বাংলাদেশের মতো দেশগুলো বঞ্চিত বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব। ছবি: সংগৃহীত
টিআইবি’র গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সবুজ জলবায়ু তহবিল অনুদানের তুলনায় ঋণ বৃদ্ধির উদ্বেগজনক প্রবণতা রয়েছে। বর্তমানে ৪১ দশমিক ৬ শতাংশ অর্থায়নের ৪০ দশমিক ৬ শতাংশই জিসিএফের ঋণ, যা ইতোমধ্যে দেশগুলোর ওপর আর্থিক চাপ যোগ করছে।

‘সবুজ জলবায়ু তহবিল বা গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ) তহবিল অনুদানের ক্ষেত্রে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর চেয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে, যা এর মূল নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ফলে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলো প্রয়োজনীয় সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।’

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর গবেষণা প্রতিবেদনে এমন বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। সূত্র: ইউএনবি

‘অ্যাকসসেসিং গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ) ফর ভালনারেবল কান্ট্রিজ অ্যাজ বাংলাদেশ: গভর্ন্যান্স চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড ওয়ে ফরওয়ার্ড’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে টিআইবি।

প্রতিবেদনে উন্নত দেশগুলো থেকে অপর্যাপ্ত তহবিল সংগ্রহ এবং জলবায়ুজনিত ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর ওপর অনুদানের পরিবর্তে ঋণ আরোপসহ গত ১২ বছরে দায়িত্ব পালনে জিসিএফ’র ব্যর্থতার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের মে মাস পর্যন্ত পরিচালিত এই গবেষণায় গুণগত ও পরিমাণগত উভয় পদ্ধতিই ব্যবহার করা হয়েছে।

জিসিএফের কঠোর শর্তের সমালোচনা করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘উন্নয়নশীল দেশগুলোর তহবিল পাওয়া প্রায় নিষিদ্ধ হয়ে পড়েছে। জিসিএফ তার নিজের নীতিগুলো মেনে চলতে ব্যর্থ হওয়ায় তহবিল স্থানান্তরে উল্লেখযোগ্য বিলম্ব হয়েছে এবং উপযুক্ত প্রাপকদের জন্যও অনুদানের পরিমাণ অপর্যাপ্ত।’

ইউএনডিপি, আইডিবি, এডিবি এবং ইবিআরডির মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতি জিসিএফের পক্ষপাতমূলক আচরণকে অগ্রহণযোগ্য ও জিসিএফ মিশনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে উল্লেখ করেন ড. ইফতেখারুজ্জামান।

তিনি অনুদানের চেয়ে ঋণের ক্ষেত্রে সমস্যাযুক্ত পরিবর্তনের কথাও তুলে ধরেন, যা বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপের বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে। এরপরও দুর্নীতির অভিযোগ সত্ত্বেও ইউএনডিপির স্বীকৃতি নবায়ন করা হয়, দুর্নীতির বিষয়ে জিসিএফের শূন্য-সহনশীলতা নীতিকে ক্ষুণ্ন করে।

গবেষণায় উঠে এসেছে, জিসিএফ-এর স্বীকৃতি প্রক্রিয়া অত্যন্ত জটিল ও সময়সাপেক্ষ, যা বাংলাদেশের মতো দুর্বল দেশগুলোকে সরাসরি তহবিলপ্রাপ্তিতে বাধা দিচ্ছে। জিসিএফ সুষম ৫০:৫০ তহবিল অনুপাত অর্জন করতে বা এই লক্ষ্যটির জন্য একটি সময়সীমা নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ২১৫ থেকে ৩৮৭ বিলিয়ন ডলারের প্রয়োজন থাকা সত্ত্বেও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অভিযোজনের জন্য মাত্র ৫৯০ কোটি ডলার দিয়েছে জিসিএফ।

গবেষণা প্রতিবেদনে অনুদানের তুলনায় ঋণ বৃদ্ধির উদ্বেগজনক প্রবণতাও উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, বর্তমানে ৪১ দশমিক ৬ শতাংশ অর্থায়নের ৪০ দশমিক ৬ শতাংশই জিসিএফের ঋণ, যা ইতোমধ্যে দেশগুলোর ওপর আর্থিক চাপ যোগ করছে।

বাংলাদেশে জিসিএফের জন্য জাতীয় মনোনীত কর্তৃপক্ষের (এনডিএ) নির্বাচন স্বচ্ছতা এবং স্পষ্ট নীতির অভাবের কারণে সমালোচিত হয়েছে। সরকারি সংস্থাগুলোর জন্য স্বীকৃতি প্রক্রিয়াটি উল্লেখযোগ্য হারে বিলম্ব দেখেছে। চারটি সংস্থা পাঁচ বছরের চেষ্টার পরও স্বীকৃতি পায়নি। জিসিএফ সচিবালয়ের অপর্যাপ্ত সহায়তার কারণে একটি বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদনের জন্য দুই বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে।

জিসিএফ প্রকল্পের অর্থায়ন বিশ্লেষণে উঠে এসেছে যে বাংলাদেশ তার জলবায়ু প্রয়োজনের জন্য অপর্যাপ্ত তহবিল পেয়েছে। ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে প্রয়োজনীয় ১২ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে মাত্র ১ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলার (৯ দশমিক ৯ শতাংশ) বিভিন্ন উৎস থেকে অনুমোদিত হয়েছে। এছাড়াও জিসিএফ রেডিনেসসহ বাংলাদেশের জন্য মোট তহবিল অনুমোদন করেছে ৪৪৮ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলার, যা প্রয়োজনীয় মোট অর্থের ৩ দশমিক ৭ শতাংশ।

উপরন্তু, জিসিএফ বাংলাদেশে প্রশমন প্রকল্পের জন্য ২৫৬ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলার (৭৬ দশমিক ৯ শতাংশ) এবং অভিযোজন প্রকল্পের জন্য ৭৬ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলার (২৩ দশমিক ১ শতাংশ) বরাদ্দ পেয়েছে। এর মধ্যে ৭৫ শতাংশ ঋণ এবং মাত্র ২৫ শতাংশ অনুদান। বাংলাদেশের ৯টি জিসিএফ প্রকল্পের জন্য মাত্র ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ তহবিল ছাড় করা হয়েছে, যার মধ্যে একটি প্রকল্পের প্রথম কিস্তির অর্থ তিন বছর পর ছাড় করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা-নির্বাহী ব্যবস্থাপনা অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের, গবেষণা ও পলিসি বিভাগের পরিচালক মুহাম্মদ বদিউজ্জামান।

সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ও টিআইবির আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে গবেষণা উপস্থাপনা করেন জলবায়ু অর্থায়নে সুশাসন বিষয়ক রিসার্চ ফেলো নেওয়াজুল মওলা এবং রিসার্চ এসোসিয়েট মো. সহিদুল ইসলাম।

আরও পড়ুন:
উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপে কোটিপতি চেয়ারম্যান প্রার্থী ৯৩: টিআইবি
সরকারি চাকুরেদের সম্পদের তথ্য জমা বাতিল হলে দুর্নীতি বাড়বে
ঘুষের প্রতিবেদন ‘উদ্দেশ্যমূলক’, টিআইবির কাছে ব্যাখ্যা চাইবে বিআরটিএ
টিআইবির দুর্নীতি পরীক্ষা করা দরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
টিআইবির গবেষণার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন কাদেরের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Unhealthy Dhaka air for sensitive population

ঢাকার বাতাস ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’

ঢাকার বাতাস ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ অস্বাস্থ্যকর বাতাসে ঢাকার বাসিন্দাদের চলাচল। ফাইল ছবি
আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ দিনের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ১১ গুণ বেশি।

সপ্তাহের দ্বিতীয় কর্মদিবসে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান পঞ্চম।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ সময় সোমবার সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ১৪৯ নিয়ে রাজধানীর বাতাসের মান ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ অবস্থায় রয়েছে।

একই সময়ে যথাক্রমে ১৯১ ও ১৭৮ স্কোর নিয়ে প্রথম ও দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ভারতের দিল্লি ও যুক্তরাষ্ট্রের মিনিয়াপলিস।

আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ দিনের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ১১ গুণ বেশি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো‘ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

আজ সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ১৪৯। এর মানে হলো ওই সময়টাতে সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর ছিল ঢাকার বাতাস।

আরও পড়ুন:
ছুটির দিনেও ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস
ঢাকার বাতাস সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর
সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর ঢাকার বাতাস
মানে উন্নতি, তবু ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস
ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’, নিম্ন মানে চতুর্থ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dhakas air quality improves after rains

বৃষ্টির পর ঢাকার বাতাসের মানের উন্নতি

বৃষ্টির পর ঢাকার বাতাসের মানের উন্নতি প্রতীকী ছবি/সংগৃহীত
আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ সকালের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ৪ দশনিক ৪ গুণ বেশি।

সকালে নামা ঝুম বৃষ্টির পর বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ছুটির দিন শনিবার ঢাকার অবস্থান ৩০তম।

নিয়মিত অস্বাস্থ্যকর বাতাসের চক্রে ঘুরপাক খাওয়া ঢাকার বাতাস আজ সহনীয়।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টায় এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ৭৫ নিয়ে রাজধানীর বাতাসের মান ‘সহনীয় বা মধ্যম মানের’ রয়েছে।

একই সময়ে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে ছিল ভারতের দিল্লি, মিশরের কায়রো শহর ও ইরাকের বাগদাদ।

আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ সকালের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ৪ দশনিক ৪ গুণ বেশি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

আজ বেলা ১১টায় ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ৭৫। এর মানে হলো ওই সময়টাতে ‘সহনীয়’ বাতাসের মধ্যে বসবাস করেছে রাজধানীবাসী।

আরও পড়ুন:
ঢাকার বাতাস সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর
সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর ঢাকার বাতাস
মানে উন্নতি, তবু ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস
ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’, নিম্ন মানে চতুর্থ
ছুটির পর প্রথম কর্মদিবসে বাতাসের নিম্ন মানে দ্বিতীয় ঢাকা

মন্তব্য

p
উপরে