× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
BNP Jamaat wants to assassinate Sheikh Hasina Nasim
hear-news
player
print-icon

বিএনপি-জামায়াত শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে চায়: নাছিম

বিএনপি-জামায়াত-শেখ-হাসিনাকে-হত্যা-করতে-চায়-নাছিম
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রোববার সকালে রাজধানীর মৎস্য ভবন মোড়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। ছবি: নিউজবাংলা
‘বাংলাদেশের মানুষ শান্তি চায়, শান্তিতে বসবাস করতে চায়। এ দেশে কেউ যদি হত্যার রাজনীতি সৃষ্টির পাঁয়তারা করে, তাদের নির্মূল করা হবে। যারা বঙ্গবন্ধুকন্যাকে হত্যা করতে চায়, এরাই ৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেছে।’

বিএনপি-জামায়াত প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে চায় বলে অভিযোগ করেছেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। তিনি বলেন, ‘তাকে হত্যার মধ্য দিয়ে ৭৫ সালের খুনিদের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে এই অপশক্তি দেশে রাজত্ব কায়েম করতে চায়।’

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রোববার সকালে রাজধানীর মৎস্য ভবন মোড়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত সামাজিক জনসচেতনতামূলক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

নাছিম বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ শান্তি চায়, শান্তিতে বসবাস করতে চায়। এ দেশে কেউ যদি হত্যার রাজনীতি সৃষ্টির পাঁয়তারা করে তাদের নির্মূল করা হবে। যারা বঙ্গবন্ধুকন্যাকে হত্যা করতে চায়, এরাই ৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করেছে।

জেলের ভেতর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করেছে। এই অপশক্তি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় অপরাজনীতি সৃষ্টি করে দেশকে অন্ধকারে নিয়ে গিয়েছিল।’

একটি গোষ্ঠী সরকারের সব কাজে বিরোধিতা করে বলে অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগের এই নেতা। তারা দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে চায়। তারা রাজনৈতিক পরিবেশ নষ্ট করতে চায়। হত্যা, গুম, আতঙ্ক সৃষ্টি করে দেশের পরিবেশ ধ্বংস করতে চায়। এরা দেশের জনজীবনকে বিপর্যস্ত করার চেষ্টা করে।

‘কেউ যদি দেশে অশান্তি সৃষ্টি করে, আমাদের নেত্রীকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করে তাদের আমরা মোকাবিলা করব। আগামী দিনে আর কোনো প্রতিবাদ হবে না। তাদের প্রতিরোধ করব।’

স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রশংসা করে বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, ‘আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ মানুষকে জাগ্রত করার জন্য এমন কর্মসূচি সব সময় পালন করে থাকে। মানুষকে এগিয়ে আসার জন্য আহবান করে, সচেতনতা তৈরি করে। এটি তাদের সৃষ্টি থেকে করে যাচ্ছে।

‘তারা বর্ষাকালে দেশব্যাপী পরিবেশ রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণ করে থাকে। তারা আমাদের এই মাতৃভূমিকে সবুজায়নের জন্য যথেষ্ট কাজ করে যাচ্ছে।’

মানববন্ধনে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ, সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু, সহসভাপতি আব্দুল আলীম ব্যাপারী, সালেহ মোহাম্মদ টুটুল, কৃষিবিদ আব্দুস সালাম, সাংগঠনিক সম্পাদক নাফিউল করিম নাফা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
আ. লীগের যৌথসভা সোমবার
আ.লীগের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক বুধবার
আ.লীগের বিক্ষোভ মিছিলে বিএনপির ‘হামলা’
তারাও আওয়ামী লীগে ছিলেন
মোজাম্মেল-সবুজের নেতৃত্বে গাজীপুর আ.লীগ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
In exchange for Raushans opinion the division of Japar is again public

রওশনের মতবিনিময়ে জাপার বিভক্তি ফের প্রকাশ্যে

রওশনের মতবিনিময়ে জাপার বিভক্তি ফের প্রকাশ্যে শনিবার গুলশানের এক হোটেলে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন রওশন এরশাদ। ছবি: নিউজবাংলা
রওশন এরশাদ বলেন, ‘দীর্ঘ ছয় মাস থাইল্যান্ডের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলাম। পার্টির কেউ খোঁজ নেয়নি। অথচ যাদেরকে দল থেকে বের করে দেয়া হয়েছে তারাই আমার নিয়মিত খোঁজ রেখেছেন। মসজিদ, মাজারসহ বিভিন্ন উপাসনালয়ে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।’

আল হেলাল শুভ, ঢাকা

জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক রওশন এরশাদের মতবিনিময় সভায় আবারও প্রকাশ্যে উঠে এসেছে দলীয় বিভেদ-বিভক্তি আর কোন্দল। দলে স্বেচ্ছাচারিতা চলছে অভিযোগ করে পদবঞ্চিত নেতারা পার্টির নেতৃত্ব রওশন এরশাদকে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

শনিবার গুলশানের এক হোটেলে পার্টির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন রওশন এরশাদ। সভায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের উপস্থিত ছিলেন না।

রওশন বলেন, ‘দীর্ঘ ছয় মাস থাইল্যান্ডের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলাম। পার্টির কেউ খোঁজ নেয়নি। অথচ যাদেরকে দল থেকে বের করে দেয়া হয়েছে তারাই আমার নিয়মিত খোঁজ রেখেছেন। মসজিদ, মাজারসহ বিভিন্ন উপাসনালয়ে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘আজ পল্লীবন্ধু এরশাদ নেই। তাই জাতীয় পার্টি এলোমেলো হয়ে গেছে। উনি থাকলে পার্টি অন্যরকম হতো।

‘যাদের দল থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে তাদেরকে ফিরিয়ে নিতে হবে। যারা চলে গেছে তাদেরকেও ফিরিয়ে আনতে হবে। নতুন প্রজন্মকে দলে আনতে হবে। দলকে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমকক্ষ বানাতে হবে। নতুবা রাজনীতির টিকে থাকতে পারব না।’

সভায় বক্তারা জাতীয় পার্টিতে স্বেচ্ছাচারিতা চলছে বলে অভিযোগ করে পার্টির নেতৃত্ব রওশন এরশাদকে নেয়ার আহ্বান জানান।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘পার্টি শক্তিশালী করার প্রয়োজনে যা যা করার দরকার তা-ই করব। এরশাদ তিলে তিলে এই দলটা গড়েছেন। সবাইকে নিয়েই কাজ করতে হবে।’

প্রয়াত এরশাদকে স্মরণ করে রওশন বলেন, ‘এরশাদ ওপারে ভালো আছেন। কারণ তিনি ইসলামের খাদেম ছিলেন। ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম করেছিলেন, পবিত্র শুক্রবার ছুটি ঘোষণা করেন। মসজিদ, মন্দিরসহ সব উপাসনালয়ের পানি ও বিদুৎ বিল মওকুফ করেছিলেন।’

সভায় জাপার সাবেক এমপি নূরুল ইসলাম মিলন বলেন, পার্টির কর্মীরা আজ অসহায়, তাদের খোঁজ কেউ নেয় না। আপনাকে (রওশন এরশাদ) দলের দায়িত্ব নিতে হবে। পার্টির লাখো কর্মী আপনার অপেক্ষায় আছে।’

প্রফেসর দেলোয়ার হোসেন খান বলেন, ‘আপনার নামের পাশে এরশাদ আছে। বাংলার মানুষ আপনাকে নেতৃত্বে দেখতে চায়। যে লোক কএনাদিন জেল খাটেনি, রাজপথে এরশাদ মুক্তির আন্দোলন করেনি তার কাছে এরশাদের জাতীয় পার্টি নিরাপদ নয়।’

সাবেক এমপি জিয়াউল হক মৃধা বলেন, ‘জাতীয় পার্টিতে শুধুই বিশৃঙ্খলা, দ্বিধাবিভক্তি। কেন্দ্রে শুধু পদ আমদানি হয়। মুরগির মতো দলীয় পদ বিক্রি হচ্ছে।’

সভায় জাপার সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও এরশাদ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান কাজী মামুনুর রশীদ বলেন, ‘আমাদের আজ দুঃসময় চলছে। আপনার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল করলে আমাকে বাধা দেয়া হয়। আপনি যখন সংকটাপন্ন অবস্থায় থাইল্যান্ডে যান, তার পরের দিন তারা কক্সবাজারে দলবেঁধে আমোদ-ফূর্তি করেছে।’

কাজী মামুন রওশন এরশাদের জীবদ্দশায় সাদ এরশাদকে পার্টির চেয়ারম্যান করার দাবি জানান।

জাপার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন রাজু বলেন, ‘কাউন্সিলে কথা ছিল আপনার দলীয় পতাকা আপনি ব্যবহার করবেন। সব সভায় সভাপতিত্ব করবেন আপনি। আপনার পরামর্শে দল পরিচালিত হবে। কোনো কথা রাখা হয়নি।’

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন রওশন পুত্র রাহগীর আল মাহি (সাদ এরশাদ), রওশন এরশাদের রাজনৈতিক সচিব গোলাম মসিহ, জাপার প্রেসিডিয়াম সদস্য হাবিবুর রহমান হবি, ক্বারী হাবিবুল্লাহ বেলালী, জাপার সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য এমএ সাত্তার, জাফর ইকবাল সিদ্দিকী, ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, নরুল ইসলাম নুরু, ইকবাল হোসেন রাজু, মোস্তাকুর রহমান মোস্তাক, আশরাফ সিদ্দিকী প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
সংসদে রওশনকে দেখে ছুটে গেলেন প্রধানমন্ত্রী
পদ্মা সেতু নির্মাণে সমালোচকদের মুখে চুনকালি: রওশন
দেশে ফিরলেন রওশন এরশাদ
রওশন এরশাদকে দেখে দেশে ফিরলেন জি এম কাদের
রওশনকে দেখতে থাইল্যান্ড জি এম কাদের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The government is extremely pro India Charmonai Pir

সরকার অতিমাত্রায় ভারতপ্রেমী: চরমোনাই পির

সরকার অতিমাত্রায় ভারতপ্রেমী: চরমোনাই পির ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আয়োজনে ১৫ দাবি আদায়ে বিক্ষোভ মিছিল। ছবি: নিউজবাংলা
চরমোনাই পির রেজাউল করীম বলেন, ভারতের সঙ্গে যৌথ ৫৪টি নদীসহ দেশের প্রধান পানির প্রবাহগুলোকে ভারত ফারাক্কা, গজলডোবার মতো বাঁধ দিয়ে মেরে ফেলেছে। প্রয়োজনীয় মুহূর্তে পানি আটকে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা ধ্বংস করছে, বর্ষার সময়ে পানি ছেড়ে ফসল নষ্ট করছে, মানুষ হত্যা করছে।

সরকার অতিমাত্রায় ভারতপ্রেমী হওয়ায় দেশটির অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করতে পারছে না। সে কারণে ভারতের পানি আগ্রাসন ও সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যার কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নিতেও পারছে না বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির, চরমোনাই পির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।

সরকার যদি ভারতপ্রীতি না ছাড়ে, নিজেদের দাবি আদায়ে দৃঢ় না হয়, তবে সামনের দিনে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

শনিবার বিকেলে ভারতের পানি আগ্রাসনের প্রতিবাদসহ ১৫ দাবি আদায়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের উদ্যোগে জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররমের উত্তর গেটে গণমিছিলের আগে জমায়েত করে দলটি। সেখানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রেজাউল করীম বলেন, ‘আমাদের তিন মাসের কর্মসূচির আজকে শেষ বিক্ষোভ। ঈদের পর আপনারা যদি আমাদের দাবি কবুল না করেন, যদি সরকারের কানের তুলা না খোলে, আমরা তুলা খোলার জন্য পরামর্শভিত্তিক কঠোর কর্মসূচি নিতে বাধ্য হব।’

চরমোনাই পির বলেন, ‘ভারতে বিজেপি নেত্রী রাসুল (সা.) এবং উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা (রা.) সম্পর্কে কটূক্তির প্রতিবাদে বিশ্বব্যাপী নিন্দার ঝড় উঠলেও আমাদের সরকার ভারতের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব আনতে পারেনি। তাদের কাছে নবীর ভালোবাসার চেয়েও ভারতের ভালোবাসা বেশি।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। নদীকে কেন্দ্র করে আমাদের সভ্যতা সৃষ্টি হয়েছে। শত শত নদীর গতিপথ ধরে বিকশিত হয়েছে জীবন, গড়ে উঠেছে জীবিকাপ্রবাহ। অথচ দেশের সরকারগুলোর ভুল নীতি, ভারতীয় পানি আগ্রাসন ও নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে দেশটাকে মরুভূমি বানিয়ে ফেলেছে। বন্যায় সয়লাব করে জীবন-জীবিকা ধ্বংস করছে।

‘দেশে ২৪ হাজার কিলোমিটার নৌপথ ছিল, এখন চার হাজারে নেমে এসেছে। স্বাধীনতার পর শুকিয়ে গেছে ১৫৮টি নদী।’

ভারতের সঙ্গে যৌথ ৫৪টি নদীসহ দেশের প্রধান পানির প্রবাহগুলোকে ভারত ফারাক্কা, গজলডোবার মতো বাঁধ দিয়ে মেরে ফেলেছে। প্রয়োজনীয় মুহূর্তে পানি আটকে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা ধ্বংস করছে, বর্ষার সময়ে পানি ছেড়ে ফসল নষ্ট করছে, মানুষ হত্যা করছে বলেও অভিযোগ করেন রেজাউল করীম।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকারগুলো ভারতের অন্যায্য পানি প্রত্যাহার ও বাঁধ নির্মাণ বিষয়ে আন্তর্জাতিকভাবে সমাধান করতে পারেনি। বছরের পর বছর ভারত অব্যাহতভাবে পানি আগ্রাসন চালিয়ে কোটি কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা ধ্বংস করছে, দেশের খাদ্যনিরাপত্তা বিনষ্ট করছে। অথচ সরকারগুলো কোনো ধরনের প্রতিকার করতে পারেনি নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে।’

আওয়ামী লীগ সরকার এক যুগের বেশি সময় ধরে জনমতকে উপেক্ষা করে ক্ষমতায় আছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। দলটি মানুষের ভোটাধিকার হরণ করেছে। খুন-গুমের রাজনীতি করছে বলেও বক্তব্যে অভিযোগ করেন।

বলেন, ‘দেশের তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংস করতে মাদকের সয়লাব ঘটাতে মদের লাইসেন্স দিচ্ছে, শিক্ষা থেকে ধর্মীয় শিক্ষাকে সরিয়ে দিচ্ছে। দুর্নীতি, দলীয় কর্মী তোষণের কারণে দ্রব্যমূল্য জনতার নাগালের বাইরে চলে গেছে। মানুষ দুর্ভিক্ষের আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে, আর সরকার উন্নয়ন দেখিয়ে লুটতরাজ সমাপ্তির উৎসব করেছে।’

এমন অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য গণ-আন্দোলনের বিকল্প নেই বলেও মনে করেন চরমোনাই পির।

দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানীসহ অন্যরা বক্তব্য দেন।

জমায়েত শেষে গণমিছিলটি বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট থেকে পল্টন মোড় হয়ে শান্তিনগর গিয়ে শেষ হয়।

আরও পড়ুন:
ইসলামী সরকার ছাড়া সাম্য সম্ভব নয়: ইসলামী আন্দোলন
জাপা এমপিকে চরমোনাই পিরের সম্মাননা
আ.লীগ-বিএনপির কমলেও ভোট বেড়েছে ইসলামী আন্দোলনের
করোনা: মানুষের পাশে ইসলামী আন্দোলন
ভাস্কর্য ইস্যুতে মামলা চক্রান্তের অংশ: ইসলামী আন্দোলন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP is giving contradictory statements after losing its food Information Minister

বিএনপি খেই হারিয়ে উল্টাপাল্টা বক্তব্য দিচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

বিএনপি খেই হারিয়ে উল্টাপাল্টা বক্তব্য দিচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীতে নিজ বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা
মন্ত্রী বলেন, ‘পদ্মা সেতু হয়ে যাওয়ায় সারা দেশের মানুষ যখন উল্লসিত, বিএনপি তখন খেই হারিয়ে ফেলেছে। এই সেতু নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করেছে তাদের মানুষ ধিক্কার দিচ্ছে। এ অবস্থায় বিএনপি উল্টাপাল্টা বক্তব্য দিচ্ছে।’

পদ্মা সেতু হয়ে যাওয়ায় বিএনপি খেই হারিয়ে উল্টাপাল্টা বক্তব্য দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীতে নিজ বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘পদ্মা সেতু হয়ে যাওয়ায় সারা দেশের মানুষ যখন উল্লসিত, বিএনপি তখন খেই হারিয়ে ফেলেছে। এখন কী বলবে বিএনপি? পদ্মা সেতু নিয়ে যারা ষড়যন্ত্র করেছে, তাদের মানুষ ধিক্কার দিচ্ছে। এ অবস্থায় বিএনপি খেই হারিয়ে উল্টাপাল্টা বক্তব্য দিচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘বন্যা হওয়ার পর সেখানে বিএনপির কেউ যায়নি। তারা বলেছে, ত্রাণ দেয়া তাদের দায়িত্ব-কর্তব্য নয়। আমরা যখন বিরোধী দলে ছিলাম, তখন বন্যা, জলোচ্ছ্বাসসহ বিভিন্ন দুর্যোগে আওয়ামী লীগ দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমাদের নেত্রী ছুটে গেছেন দুর্গতদের পাশে।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বন্যা দেখা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সরকার ও দল ঝাঁপিয়ে পড়েছে। দল ও সরকারের পক্ষ থেকে সব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বন্যার পানিতে ডুবে এবং সাপের কামড়ে কয়েকজন মারা গেছে সেটা সত্য। কিন্তু অনাহারে কোনো মানুষ মৃত্যুবরণ করেনি।’

পদ্মা সেতুর ব্যাপারে যারা বাংলাদেশে থেকে বিরোধিতা করেছেন তাদের বিরুদ্ধে সরকার আইনি কোনো ব্যবস্থা নেবে কি না- এমন প্রশ্নের উত্তরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘হাইকোর্টের একটি রায় আছে। পদ্মা সেতুর বিরুদ্ধে যারা ষড়যন্ত্র করেছে, তাদের খুঁজে বের করার জন্য কমিশন গঠন করতে বলা হয়েছে।’

হাইকোর্টের রায়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কী করা যায় সরকার বিবেচনা করবে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতু নিয়ে খুশি নন মধ্যরাতের টক শো বিশেষজ্ঞরা: তথ্যমন্ত্রী
বন্ধ হচ্ছে গুজব ছড়ানো অনলাইন পোর্টাল: তথ্যমন্ত্রী
বেগম জিয়াকে বলির পাঁঠা বানানো সঠিক নয়: তথ্যমন্ত্রী
বিদেশি ইস্যু নিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা নয়: তথ্যমন্ত্রী
ফজলে এলাহীর প্রতি যাতে অন্যায় না হয় ‘দেখবেন’ তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
My crime was that I did not accept his evil proposal

জবি ছাত্রলীগ নেত্রীকে নেতার ‘কুপ্রস্তাব’

জবি ছাত্রলীগ নেত্রীকে নেতার ‘কুপ্রস্তাব’ ফৌজিয়া জাফরিন প্রিয়ন্তী ও আকতার হোসাইন। ছবি: সংগৃহীত
‘আমার অপরাধ ছিল আমি তার কুপ্রস্তাব মেনে নেইনি। ভেঙে গেল ৭ বছরের ভাই-বোনের সম্পর্ক। একমাত্র ছাত্রী হলে ছাত্রলীগ থেকে ৩০০ মেয়ে সিট পেলেও আমাকে সে হলে উঠতে দেয়নি।’

সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসাইনের বিরুদ্ধে ‘গুরুতর’ অভিযোগ তুলেছেন সংগঠনের একই শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফৌজিয়া জাফরিন প্রিয়ন্তী।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘আমার অপরাধ ছিল আমি তার কুপ্রস্তাব মেনে নেইনি। ভেঙে গেল ৭ বছরের ভাই-বোনের সম্পর্ক। একমাত্র ছাত্রী হলে ছাত্রলীগ থেকে ৩০০ মেয়ে সিট পেলেও আমাকে সে হলে উঠতে দেয়নি।’

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কমিটির কার্যক্রম স্থগিতের নির্দেশ দেয়ার পর শুক্রবার রাতে এই নেত্রী নিজের টাইমলাইনে এক পোস্টের মাধ্যমে বেশ কয়েকটি অভিযোগ তুলে ধরেন।

ফৌজিয়া বলেন, ‘আমার জন্য তার অনেক বড় ভাইরা বললেও তিনি কানে তোলেননি। কারণ তার তো আর আমাকে কর্মী হিসেবে প্রয়োজন নেই। এখন তিনি নেতা, প্রয়োজন মেটাতে পারলেই কেবল প্রয়োজন বোধ করবেন। বাংলাদেশের এমন কোনো হল আছে কি যেখানে কোনো গেস্ট গিয়ে একদিন থাকতে পারে না? কিন্তু এই আমি প্রিয়ন্তী হলে একদিন গিয়েছিলাম দেখতে যে হলে থাকার কেমন অনুভূতি। কিন্তু এই আকতার জানতে পেরে প্রভোস্ট ম্যামকে চাপ দিয়ে সেই রাতেই আমাকে হল থেকে বের হতে বাধ্য করে।’

‘আমার কি অপরাধ ছিল? ১৪ সাল থেকে প্রতিদিন আট-দশ ঘন্টা ইভেন আরও বেশি পরিশ্রম করে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর কমিটিতে এসেছি। আমাকে হলে উঠতে দেওয়া হয়নি। এর পেছনের প্রধান কারণ হচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আকতার। আমার দীর্ঘ আরাধ্য ও প্রতীক্ষার হল থেকে, আমার প্রাপ্য অধিকার থেকে আমাকে বঞ্চিত করেছে।’

প্রিয়ন্তী ফেসবুকে আরও লিখেন, ‘দীর্ঘ ৭ বছর তার পিছনে হেঁটেছি। আপনি তার কয় দিনের কর্মী সেটা আগে ভাবুন। আমার মাদারীপুরের তিনজন ক্যান্ডিডেট ছিল। কিন্তু তার মধ্যে থেকে তাকে বেছে নিয়েছিলাম নেতা হিসেবে। তার জন্য কত কিছু করছি যা লিখে বলা সম্ভব না। আল্লাহ মনের আশা পূরণ করলেন, কিন্তু তারপর থেকে আকতার ভাইয়ের আসল রূপ বের হতে থাকলো।

‘লেখক দাদার বাসা থেকে যেদিন ফুল দিয়ে নিচে নামলাম তার সাথে, সেদিন সকল পোস্টেড নেতার সামনে বসে আমাকে আর জিনিয়া আফ্রিনকে উদ্দেশ করে বলল- কোন হাইকমান্ডের ফোনে সে হল কমিটি দিবে না; দরকার হয় সে সাবেক হয়ে যাবে। সে নেতা হয়ে গেছে। তার নামের আগে সাবেক লেখা থাকবে তার সমস্যা নেই। আগে তার কর্মী হতে হবে, তাকে নেতা মেনে ধারণ করতে হবে। তবেই সেই হলের নেত্রী বানাবে। আমরা অবাক হয়ে রইলাম। হলের কথা কই থেকে আসলো? নেতা হল ১০ দিন মাত্র তখন। সেদিনের পর থেকে তার বিভিন্ন আবদার রাখতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে তার সাথে আমার দীর্ঘ ৭ বছরের রাজনীতিকে সে মুহুর্তেই অস্বীকার করেছে।’

এ বিষয়ে ফৌজিয়া জাফরিন প্রিয়ন্তী নিউজবাংলাকে বলেন, কুপ্রস্তাব বলতে বুঝাতে চেয়েছি, তাঁর মতো করে চলতে হবে। সে যেখানে যেতে বলবে সেখানে যেতে হবে, যা করতে বলবে তা করতে হবে। আমি তো রাজনৈতিক প্রোগ্রাম কোনো কিছুই বাদ দিতাম না। কিন্তু এর বাইরে সে কী বুঝাইছে আশা করি আপনাদের এটা আর ডিটেইলস-এ বলতে হবে না।’

এদিকে এ পোস্ট দেয়ার পর থেকে চাপের মুখে পড়েছেন বলে জানান এই নেত্রী। বলেন, ‘পোস্ট দেওয়ার পর আকতার হোসাইন আমাকে কল দিয়ে বলেন- যা করলি অনেক ভালো করলি। আমি যখন তাকে জিজ্ঞেস করলাম- আপনি আমার সঙ্গে অন্যায় করেননি? তখন তিনি বলেন- হ্যাঁ, আমি অন্যায় করেছি। কিন্তু তুই এটা এ সময়ে তুলে না ধরলেও পারতি।’

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসাইনকে কল দেয়া হলেও তিনি সংযোগ কেটে দেন।

প্রসঙ্গত, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত জন্য স্থগিত করা হয়েছে। ছাত্রলীগ সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার এ নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের ৫০ লাখ টাকা বৃত্তি দিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
জবিতে খাবারের দাম কমানো ও অঙ্কনের মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি
ডিএসসিসির খোঁড়াখুঁড়িতে ভাঙল জবির প্রাচীর, সংস্কারে নেই উদ্যোগ
শিশুকে কোলে তুলে নিলেন শিক্ষক, পরীক্ষা দিলেন মা
ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে জবি ছাত্রদলের মশাল মিছিল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The Prime Minister mourns the death of Mukul Bose

মুকুল বোসের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

মুকুল বোসের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুকুল বোস জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং পরবর্তী সময়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং জাতির পিতার আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করে গেছেন।’

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকুল বোসের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার এক শোকবার্তায় তিনি এ শোক প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুকুল বোস জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং পরবর্তী সময়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং জাতির পিতার আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করে গেছেন।’

প্রধানমন্ত্রী মুকুল বোসের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

বাংলাদেশ সময় শনিবার ভোরে ভারতের চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মুকুল বোস। তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর।

মৃত্যুকালে মুকুল বোস স্ত্রী, এক ছেল ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। বেশ কিছুদিন ধরে তিনি শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন।

২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি মুকুল বোসকে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য করা হয়।

আরও পড়ুন:
চলে গেলেন আওয়ামী লীগ নেতা মুকুল বোস

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Living in the Dark Ages Dudu

অন্ধকার যুগে বাস করছি: দুদু

অন্ধকার যুগে বাস করছি: দুদু অনুষ্ঠানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। ছবি: নিউজবাংলা
দুদু বলেন, ‘দেশে গণতন্ত্র না থাকলে মানুষের অধিকার থাকে না, তখন মগের মুল্লুকের মতো যা মনে চায়, তা-ই করা যায়। আর এই সরকার তাই করছে।’

এখন অন্ধকার যুগে বাস করছেন বলে মনে করছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিচতলায় জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের আয়োজনে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ দলটির অসুস্থ নেতা-কর্মীদের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

দুদু বলেন, ‘দেশে গণতন্ত্র না থাকলে মানুষের অধিকার থাকে না, তখন মগের মুল্লুকের মতো যা মনে চায়, তা-ই করা যায়। আর এই সরকার তাই করছে।

‘সে জন্য এই শাসনব্যবস্থাকে উল্টিয়ে দিতে হবে, পরিবর্তন করতে হবে। আমরা এখন একটা অন্ধকার যুগে বাস করছি। এই অন্ধকার থেকে দেশকে সভ্যতায় ফিরিয়ে আনতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করছি, গণতন্ত্র-স্বাধীনতার মুক্তির দাবি করছি। আমাদের চাওয়ার সবচেয়ে বড় জায়গা হচ্ছে মহান রাব্বুল আলামিন। তার কাছে আমরা চাইব। কিসের জন্য চাইব? গণতন্ত্র, স্বাধীনতার মুক্তি চাইব। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ যারা অসুস্থ আছেন তাদের রোগ মুক্তি চাইব।’

কৃষক দলের সাবেক এই আহ্বায়ক বলেন, ‘দেশে এত পরিমাণ দুর্নীতি, হামলা-মামলা অত্যাচার চলছে যে এর আগে কোনদিন এরকমটা হয় নাই। আমাদেরকে উদ্যোগী হতে হবে। আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। রাস্তায় নামতে হবে। তাহলে দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসবে।’
সবাইকে উদ্যোগী হতে হবে জানিয়ে ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি দুদু বলেন, ‘বাংলাদেশের সবাইকে এক জায়গায় দাঁড়াতে হবে, সেটা হবে গণতন্ত্রের পক্ষে। গণতন্ত্র না থাকলে দুর্নীতি হয়, গণতন্ত্র না থাকলে হামলা-মামলা নির্যাতন হয়।

‘অতীতে যেমন শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়া দেশকে অন্ধকার থেকে আলোয় ফিরিয়ে এনেছিলেন, তেমনি বর্তমান তারেক রহমানের নির্দেশে এই অন্ধকার থেকে এই দেশ ও জাতিকে আলোয় ফিরিয়ে আনতে হবে।’

সংগঠনের আহ্বায়ক মাওলানা শাহ মোহাম্মাদ নেছারুল হকের সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব মাওলানা নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় দোয়া মাহফিলে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবীর খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, ওলামা দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী সেলিম রেজা,কৃষক দলের সাবেক নেতা শাহজাহান মিয়া সম্রাট, মিয়া মোহাম্মাদ আনোয়ার, ওলামা দলের নেতা শাহ মোহাম্মাদ মাসুম বিল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
পদ্মায় দুর্নীতি হয়নি প্রমাণ করতে পারলে বিএনপির ধন্যবাদ: গয়েশ্বর
মকারির নির্বাচনে আর না, খেলা হবে ‘ফেয়ার’: টুকু
বন্যার্তদের জন্য ৩০ লাখের তহবিল গড়বে যশোর বিএনপি
বাংলাদেশ
Awami League leader Mukul Bose has passed away

চলে গেলেন আওয়ামী লীগ নেতা মুকুল বোস

চলে গেলেন আওয়ামী লীগ নেতা মুকুল বোস ভারতের একটি হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে মুকুল বোসের। ছবি: সংগৃহীত
বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আমরা দুঃখ ও বেদনার সঙ্গে জানাচ্ছি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মুকুল বোস চেন্নাই অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোর ৫টা ২০ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেছেন।’

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মুকুল বোসের মৃত্যু হয়েছে।

বাংলাদেশ সময় শনিবার ভোরে ভারতের চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালে মৃত্যু হয় তার।

আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বিষয়টি জানিয়েছেন।

মুকুল বোসের বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আমরা দুঃখ ও বেদনার সঙ্গে জানাচ্ছি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মুকুল বোস চেন্নাই অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোর ৫টা ২০ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেছেন।’

আওয়ামী লীগে একসময়ের প্রভাবশালী নেতা মুকুল বোস। দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব ছিল তার।

এক-এগারোর পর সংস্কারপন্থি হিসেবে পরিচিতি পান মুকুল বোস। এরপর দলে কোণঠাসা হয়ে পড়েন তিনি।

এক-এগারো পরবর্তী কেন্দ্রীয় কমিটিতে মুকুল বোস পদ হারান। ২০১২ সালে অনুষ্ঠিত দলের জাতীয় সম্মেলনের পর গঠিত কেন্দ্রীয় কমিটিতেও জায়গা পাননি মুকুল।

দলের ২০তম কাউন্সিলের পর ২০১৭ সালের ৩১ জানুয়ারি মুকুল বোসকে দলটির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য করা হয়।

আরও পড়ুন:
আওয়ামী লীগ নেতাকে দুর্বৃত্তের গুলি
বিএনপির নেতারা কথা বলে বেশি, কাজ করে কম: নানক
৫০ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকব: শেখ সেলিম
ভাইস চেয়ারম্যানের ‘হাত-পা ভেঙে দেয়ার হুমকি’ আ.লীগ নেতার 
সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যুদের আ.লীগে দেখতে চাই না: কাদের

মন্তব্য

p
উপরে