× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
The complexity of MPO registration of teachers is coming to an end Minister of Education
hear-news
player
print-icon

শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির জটিলতার অবসান হচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষকদের-এমপিওভুক্তির-জটিলতার-অবসান-হচ্ছে--শিক্ষামন্ত্রী
প্রতীকী ছবি
শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এনটিআরসিএ পাওয়ার পরও অনেক শিক্ষককে যোগদান করার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। তাদের চাহিদা অনুযায়ী সুপারিশ করা হয়ে থাকে। তারপরও কেউ প্রতিবন্ধকতা নিয়ে অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেব।’

এনটিআরসিএর সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির জটিলতার অবসান হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

তিনি জানান, এ কার্যক্রম অটোমেশনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর ফলে সুপারিশ করার আগেই কারও কাগজপত্র যাচাই করা হবে। এমপিওভুক্তির সময় শুধু যোগদানপত্র জমা দিলেই হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে রোববার সকালে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এনটিআরসিএ পাওয়ার পরও অনেক শিক্ষককে যোগদান করার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার মধ্যে পড়তে হচ্ছে। তাদের চাহিদা অনুযায়ী সুপারিশ করা হয়ে থাকে। তারপরও কেউ প্রতিবন্ধকতা নিয়ে অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেব।’

এমপিওভুক্তির বিকেন্দ্রীকরণ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বিভিন্ন কারণে এমপিওভুক্তির কাজ বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে, তবে এনটিআরসিএর মাধ্যমে যারা নিয়োগের জন্য সুপারিশ পাবে, তাদের নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের আগে যাচাই-বাছাই কাজ শেষ করা হবে।

‘এমপিওভুক্তি পাওয়ার জন্য শুধু সুপারিশপত্র জমা দিতে হবে, যাকে বলা হয় অটোমেশন পদ্ধতি।’

নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এনটিআরসিএর মাধ্যমে নিয়োগের সুপারিশ করা হলেও তাদের অনেকে বেতন-ভাতা পাচ্ছে না।

এ নিয়ে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘এ ক্ষেত্রেও এনটিআরসিএ নিয়োগের জন্য সুপারিশ করে থাকে। তবুও যদি তারা বেতন-ভাতা পরিশোধে ঝামেলা করে, তবে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টিও এনটিআরসিএর মাধ্যমে করার বিবেচনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা এটি বিবেচনা করছি। কারণ, এই প্রশ্ন বার বার উত্থাপিত হচ্ছে। যখন এনটিআরসিএর সামগ্রিক বিষয় নিয়ে বসব তখন বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।’

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়োগ কার্যক্রমে কী কী পরিবর্তন করা যায়, সেটির একটি প্রস্তাব এনটিআরসিএর কাছে চাওয়া হয়েছে। সেটি পেলে নিয়োগ কার্যক্রম রিভিউ করা হবে।’

বর্তমানে চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তির কাজ শুরু হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে চতুর্থ ধাপে শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

আরও পড়ুন:
মুখস্থ করে উত্তীর্ণ হওয়া শিক্ষার লক্ষ্য নয়: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষার্থী ভর্তিতে অসুস্থ প্রতিযোগিতা নয়: শিক্ষামন্ত্রী
এমপিওভুক্তির তালিকা চূড়ান্ত, ঘোষণা আসছে
এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের এপ্রিল মাসের চেক ছাড়
বিনা মূল্যে উচ্চশিক্ষার সংস্কৃতি থেকে সরে আসা দরকার: শিক্ষামন্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Start downloading bunch admission test tickets

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু শুরু হয়েছে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড
‘গত শিক্ষাবর্ষের চেয়ে এই শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থী বেশি আবেদন করেছে। আমরা আবেদনের সময় দিয়েছিলাম মাত্র ১০ দিন। আবেদনকারী ভর্তিচ্ছুরা ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন।’

গুচ্ছ পদ্ধতিতে দেশের ২২টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষার আবেদন করা শিক্ষার্থীরা ওয়েবসাইটে আইডি নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন।

৭ জুলাই দুপুর ১২ টা থেকে ১২ জুলাই রাত ১১:৫৯ মিনিটের মধ্যে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে হবে। পরবর্তীতে প্রবেশপত্র ডাউনলোডের সময় বাড়ানোর আর সুযোগ থাকবে না। তবে ১৫ জুলাই দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রয়োজনে পরীক্ষার্থীর ছবি ও প্রশ্নের ভার্সন পরিবর্তন করা যাবে। পরীক্ষার কেন্দ্র, কক্ষ নং, ভবন ও সেন্টারের নাম পরবর্তীতে এসএমএস-এর মাধ্যমে জানানো হবে এবং ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

গুচ্ছভুক্ত টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক ও চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নাছিম আখতার এবং রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শাহ আজম নিউজবাংলাকে বৃহস্পতিবার এসব তথ্য জানিয়েছেন।

নাছিম আখতার বলেন, ‘গত শিক্ষাবর্ষের চেয়ে এই শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থী বেশি আবেদন করেছে। আমরা আবেদনের সময় দিয়েছিলাম মাত্র ১০ দিন। আবেদনকারী ভর্তিচ্ছুরা ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে পারবেন।’

অধ্যাপক ড. মো. শাহ আজম বলেন, ‘নির্ধারিত নিয়মে ১২ জুলাই পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ওয়েবসাইটে যেয়ে তাদের কোন তথ্য ভুল থাকলে সংশোধনের সুযোগ পাবে, কেউ চাইলে ছবিও পরিবর্তন করতে পারবে এতে তাদের অতিরিক্ত কোন ফি দিতে হবে না।’

বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রবেশপত্র ডাউনলোড কিংবা ভর্তি পরীক্ষার সময়সীমা বাড়ানো হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে গুচ্ছ ভর্তি কমিটির মিটিংয়ে কোন আলোচনা হয়নি। এখন বন্যা ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে অগ্রসর হচ্ছে তবে যদি পরিস্থিতি খুব খারাপ অবস্থা হয় রাষ্ট্রীয়ভাবে যদি কোন নির্দেশনা আসে তখন সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
এর আগে ১৫ জুন থেকে শুরু হওয়া গুচ্ছ ভর্তির আবেদন শেষ হয় ২৫ জুন।

২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছভুক্ত ২২টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আগামী ৩০ জুলাই থেকে শুরু হওয়ার কথা। বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষা ৩০ জুলাই, মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের ১৩ আগস্ট এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে।

‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ এই তিনটি ইউনিটে ২ লাখ ৯৪ হাজার ৫২৪ জন ভর্তিচ্ছু আবেদন করেছেন। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটে। এই ইউনিটে এক লাখ ৬১ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি আবেদন করেছেন।

ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটে আবেদন পড়েছে সবচেয়ে কম। এই ইউনিটে আবেদন করেছে ৪২ হাজারের কিছু বেশি শিক্ষার্থী। আর মানবিকের জন্য নির্ধারিত ‘খ’ ইউনিটে আবেদন করেছেন ৯০ হাজারের কিছু বেশি শিক্ষার্থী।

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটির আহবায়ক এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালেয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন বলেন, গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা পেছানো নিয়ে এখনো কোনো চিন্তা ভাবনা করা হয়নি। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি।

গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়; ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়; খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়; কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়; জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়; বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর; বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়; রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়; বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়; শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়; শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

এছাড়াও মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়; বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ এবং চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

কেন্দ্রেভেদে আবেদন

গুচ্ছভুক্ত ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার মূল কেন্দ্রের দায়িত্ব পালন করবে। এই কেন্দ্রের আশপাশে উপকেন্দ্র হবে।
পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা মিলে এক লাখ ৪ হাজারের বেশি ভর্তিচ্ছু। এর মধ্যে শুধুমাত্র বিজ্ঞান বিভাগেই ৬৫ হাজার শিক্ষার্থী আবেদন করেছে।

ভর্তিচ্ছুদের কেন্দ্র নির্বাচনে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে আবেদন করেছে ২৪ হাজারের বেশি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করেছে ৭ হাজার ৩০০ এর কিছু বেশি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন পড়েছে ৪ হাজার।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন পড়েছে তিন হাজার ৭০০, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৮ হাজার, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯ হাজার ৮০০, কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩ হাজার ৪০০, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ হাজার ৮০০, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭ হাজার ৮০০, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪ হাজার ৯০০, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ হাজার ৩০০,নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ হাজার ৭০০, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭ হাজার ৪০০, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক হাজার ৩০০, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫ হাজার ৮০০, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ হাজার ৪০০, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ হাজার ৬০০ এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ হাজার ৫০০ এর কিছু বেশি ভর্তিচ্ছু আবেদন করেছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
If the MPO is dropped the appeal will be filed by July 21

এমপিওভুক্তি থেকে বাদ পড়লে আপিল ২১ জুলাইয়ের মধ্যে

এমপিওভুক্তি থেকে বাদ পড়লে আপিল ২১ জুলাইয়ের মধ্যে ফাইল ছবি।
প্রায় তিন বছর পর বুধবার এমপিওভুক্ত হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ২ হাজার ৭১৬ বেসরকারি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতায় রয়েছে ২ হাজার ৫১টি। আর কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতায় আছে ৬৬৫টি।

এমপিওভুক্তির জন্য যোগ্য বিবেচিত না হওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে আপিল করতে পারবে।

সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সচিব (মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ অথবা কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগ) বরাবর আবেদন করতে হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুটি বিভাগ থেকে বৃহস্পতিবার পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব সোনা মনি চাকমার সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৬ জুলাই যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত হতে পারেনি, সে সকল প্রতিষ্ঠান আগামী ১৫ দিনের মধ্যে সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বরাবর আপিল আবেদন করতে পারবে।

আবেদনের স্ক্যানড কপি [email protected] ই-মেইলে এবং মূল কপি, ডাক বিভাগের মাধ্যমে উপসচিব, বেসরকারি মাধ্যমিক-৩, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কক্ষ নং-১৮১০, ভবন নং-০৬ বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা-১০০০ ঠিকানায় পাঠাতে হবে।

অন্যদিকে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের উপসচিব সাজ্জাদ হোসেনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এমপিওভুক্তির জন্য যোগ্য বিবেচিত হয়নি এমন প্রতিষ্ঠান প্রধান ও গভর্নিং বডি/ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির যৌথ স্বাক্ষরে যোগ্যতার স্বপক্ষে প্রমাণক ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রসহ আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগে ই-মেইলে ([email protected]) ও ডাক বিভাগের মাধ্যমে উপসচিব, এমপিও, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, কক্ষ নং-১৬১৯, ভবন নং-৬, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা-১০০০ বরাবর আবেদন করতে হবে।

প্রায় তিন বছর পর বুধবার এমপিওভুক্ত হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ২ হাজার ৭১৬ বেসরকারি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতায় রয়েছে ২ হাজার ৫১টি। আর কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতায় আছে ৬৬৫টি।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৬৬টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১ হাজার ১২২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৩৬টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১০৯টি উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ ও ১৮টি ডিগ্রি কলেজ রয়েছে।

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে এসএসসি ভোকেশনাল অথবা দাখিল ভোকেশনাল ৯৭টি, এসএসসি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি ২০০টি, ডিপ্লোমা ইন অ্যাগ্রিকালচার দুটি, দাখিল মাদ্রাসা ২৬৪টি, আলিম মাদ্রাসা ৮৫টি, ফাজিল মাদ্রাসা ৬টি ও কামিল মাদ্রাসা ১১টি।

সবশেষ ২০১৯ সালে ২ হাজার ৬৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়। এর আগে ২০১০ সালে ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There will be religious education in the curriculum Minister of Education

ধর্মীয় শিক্ষা ছিল, আছে, থাকবে: শিক্ষামন্ত্রী

ধর্মীয় শিক্ষা ছিল, আছে, থাকবে: শিক্ষামন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ছবি: নিউজবাংলা
‘যারা আজকে ধর্ম শিক্ষা তুলে দেয়া হয়েছে বলে ধোয়া তুলছেন তাদের উদ্দেশ্য ধর্ম রক্ষা নয়, পক্ষে থাকা নয় উদ্দেশ্য ধর্মকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে দেশকে অস্থিতীশীল করা।

শিক্ষাক্রম থেকে ধর্মীয় শিক্ষা তুলে দেয়া হচ্ছে অভিযোগ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে সমালোচনা চলছে তা উড়িয়ে দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ধর্মীয় শিক্ষা তুলে দেয়ার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।

সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বুধবার দুপুরে তিনি এ কথা বলেন।

দীপু মনি বলেন, ‘একজন মাননীয় সংসদ সদস্য, আমি তখন দেশে ছিলাম না, একজন সংসদ সদস্য আমাদের পাঠ্যপুস্তকের বিষয়ে সংসদে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। পরে আবার তিনিই স্পিকারকে চিঠি দিয়ে বলেছেন, তার তথ্য সঠিক ছিলো না এবং তার এ বক্তব্য এখনকার বইয়ের জন্য প্রযোজ্য নয়। তিনি এগুলো প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছেন।

‘আমরা যে যেখানেই থাকি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলার সময় সবচেয়ে ভালো, সঠিক তথ্য জেনে নিয়ে কথা বলা। আর একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির কাছ থেকে আমাদের চাওয়াটাও অনেক বেশি। আমি তাকে অন্তত এটুকু সাধুবাদ দিতে চাই যে, তিনি পরে হলেও তথ্য যাচাই করে ভুল স্বীকার করে প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘তার এ বক্তব্যের ভিডিও ব্যাপকভাবে, একটি অংশ যারা বিভিন্ন সময়েই ধর্মের দোহাই দিয়ে নানানভাবে আমাদের এগিয়ে যাওয়াকে বন্ধ করার চেষ্টা করে, তারা সেটি ব্যাপকভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। কাজেই তিনি যা বলেছেন সেটি কেবল সেখানেই শেষ না, যেখানে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এটার ব্যাপক অপব্যবহার হচ্ছে।

‘এই বক্তব্যের কিছুদিন আগে থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক একটি প্রচারণা চলছিল। এটা আমার নজরে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে আমাদের নতুন শিক্ষাক্রম ধর্মশিক্ষা বাদ দেয়া হয়েছে। এটা সর্বৈব মিথ্যা। ধর্ম শিক্ষা সব সময় ছিল, এখনও আছে। না থাকবার কোনো কারণ নেই।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের শিক্ষায় আমরা বারবার বলছি, জ্ঞান দক্ষতা তা যেমন থাকবে, পাশাপাশি সঠিক মূল্যবোধ, নৈতিকতায় ধর্ম শিক্ষা একটি আবষ্যিক বিষয়। কাজেই ধর্ম শিক্ষা বাদ দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমরা বাদ দেইও নেই। নতুন কারিকুলামে আমরা যেমন সবকিছু করে করে শেখার দিকে যাচ্ছি সেখানে ধর্ম শিক্ষার বইগুলোও… শুধু পড়ে গেলাম তা যেন না হয়। তারা যেন ধর্ম শিক্ষার বোধগুলো, নৈতিকতা যেন অনুধাবন করতে পারে। তাদের জীবনে চর্চা করতে পারে সেভাবে বইগুলো তৈরি করা হয়েছে।

‘কাজেই যারা আজকে ধর্ম শিক্ষা তুলে দেয়া হয়েছে বলে ধোয়া তুলছেন তাদের উদ্দেশ্য ধর্ম রক্ষা নয়, পক্ষে থাকা নয় উদ্দেশ্য ধর্মকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে দেশকে অস্থিতীশীল করা। দেশের ধর্মভীরু মানুষকে উসকে দিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে এক ধরনের একটা পরিবেশ তৈরি করা এবং আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশকে অস্থীতিশীল করে তোলা। আমার মনে হয় এটাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষা অফিসে সেবার মান নিয়ে দীপু মনি-নওফেলের অসন্তোষ
বন্যা গেলেই শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী
সহশিক্ষা কার্যক্রম কর্মজীবনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে : শিক্ষামন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
No organization of 32 upazilas has been registered in MPO

এমপিওভুক্ত হয়নি ৩২ উপজেলার কোনো প্রতিষ্ঠান

এমপিওভুক্ত হয়নি ৩২ উপজেলার কোনো প্রতিষ্ঠান প্রতীকী ছবি
শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, দেশের মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ের ৩২ উপজেলা ও সিটি করপোরেশনভুক্ত ২২ থানার একটি প্রতিষ্ঠানও এমপিওভুক্তির যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। এ ছাড়া কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে ২২৩টি ও মাদ্রাসা শিক্ষার ক্ষেত্রে ২০০টি উপজেলা থেকে একটি প্রতিষ্ঠানও এমপিওভুক্তির অনুমোদনের যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি।

পৌনে তিন বছর পর এমপিওভুক্ত হলো মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ২ হাজার ৭১৬ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতায় রয়েছে ২ হাজার ৫১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। আর কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতায় ৬৬৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

এবার দেশের মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ের ৩২ উপজেলার একটি প্রতিষ্ঠানও পায়নি এমপিওভুক্তির অনুমোদন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বুধবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

তিনি জানান, দেশের মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ের ৩২ উপজেলা ও সিটি করপোরেশনভুক্ত ২২ থানার একটি প্রতিষ্ঠানও এমপিওভুক্তির যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। এ ছাড়া কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে ২২৩টি ও মাদ্রাসা শিক্ষার ক্ষেত্রে ২০০টি উপজেলা থেকে একটি প্রতিষ্ঠানও এমপিওভুক্তির অনুমোদনের যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি।

মন্ত্রী জানান, মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ের ১৮টি এবং কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ২১৩টি, মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ১৫২টি উপজেলা থেকে এমপিওভুক্তির আবেদন পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও জানান, আবেদন করার পরও এমপিওভুক্তির জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে না পারা উপজেলার সবগুলোতে অন্তত একটি প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য বাছাই করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ, কারিগরি শিক্ষা এবং মাদ্রাসা শিক্ষার যেকোনো একটিকে নেয়া হয়েছে। প্রতিটি উপজেলায় স্বীকৃতি/স্বীকৃতির সুপারিশ রয়েছে এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে বিবেচনা করা হয়েছে।

আঞ্চলিক অসামঞ্জস্য দূর করতে মাধ্যমিক ও কলেজ পর্যায়ের ২৯টি, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষার ক্ষেত্রে ১৭টি প্রতিষ্ঠানকে বিবেচনা করা হয়েছে। শিক্ষায় পশ্চাৎপদতা, অনগ্রসরতা বিবেচনায় নিয়ে এমপিওভুক্তির জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে না পারা দশটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য বাছাই করা হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ৬৬৬টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১ হাজার ১২২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৩৬টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১০৯টি উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ এবং ১৮টি ডিগ্রি কলেজ।

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে এসএসসি ভোকেশনাল অথবা দাখিল ভোকেশনাল ৯৭টি, এসএসসি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি ২০০টি, ডিপ্লোমা ইন অ্যাগ্রিকালচার দুটি, দাখিল মাদ্রাসা ২৬৪টি, আলিম মাদ্রাসা ৮৫টি, ফাজিল মাদ্রাসা ৬টি ও কামিল মাদ্রাসা ১১টি।

এর আগে সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এসব প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ঘোষণা দেন।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আবেদন যাচাই-বাছাইয়ে গত বছরের ৭ নভেম্বর ৯ সদস্যের কমিটি গঠন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কমিটিকে সহায়তা করতে চার সদস্যের একটি উপকমিটি গঠন করা হয়।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) এমপিওভুক্ত করতে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তিতে ১০ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করতে বলা হয়।

আবেদনকৃত প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্তির জন্য প্রাথমিক তালিকা করে এমপিও যাচাই-বাছাই কমিটি। এই তালিকা শিক্ষামন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। মন্ত্রীর অনুমোদনের পর এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন শেষে এটি চূড়ান্ত করা হয়।

সবশেষ ২০১৯ সালে ২ হাজার ৬৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়। এর আগে ২০১০ সালে ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল।

গত অর্থবছরের (২০২১-২২) বাজেট বরাদ্দের যে প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো হয়েছে, তাতে নতুন প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির জন্য ২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জন্য ২০০ কোটি টাকা এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য ৫০ কোটি টাকা।

দেশে এ পর্যন্ত এমপিওভুক্ত হয়েছে এমন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৬ হাজার ৪৪৮টি। আর এমপিওভুক্ত হয়নি এখনও প্রায় ৭ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার জন্য গত বছরের ২৯ মে সংশোধিত এমপিও নীতিমালা প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে এমপিওভুক্তির জন্য তিনটি শর্ত দেয়া হয়।

শিক্ষার্থী, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবং পাবলিক পরীক্ষায় পাসের হার—এই তিন বিষয়ে ১০০ নম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীর সংখ্যায় ৩০, পরীক্ষার্থীর সংখ্যায় ৩০ এবং পাসের হারে ৪০ নম্বর রাখা হয়েছে। আগের নীতিমালায় প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতির মেয়াদের ওপর ২৫ নম্বর ছিল, যা সংশোধিত নীতিমালায় বাদ দেয়া হয়েছে।

২০২১ সালের নীতিমালায় কোন ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম কতজন শিক্ষার্থী থাকতে হবে, তা বেঁধে দেয়া হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী নিম্ন মাধ্যমিকে শহরে ১২০ ও মফস্বলে ৯০, মাধ্যমিকে শহরে ২০০ ও মফস্বলে ১৫০, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শহরে ৪২০ ও মফস্বলে ৩২০, উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে শহরে ২৫০ ও মফস্বলে ২২০ এবং ডিগ্রি কলেজে স্নাতকে শহরে ৪৯০ ও মফস্বলে ৪২৫ শিক্ষার্থী থাকতে হবে। পাসের হার স্তরভেদে ৪৫ থেকে সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সব স্কুলে হচ্ছে কিশোর-কিশোরী ক্লাব
শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির জটিলতার অবসান হচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী
এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন এমপিওভুক্তির ঘোষণা
করোনায় স্কুল ছেড়েছে ৩৫ শতাংশ শিক্ষার্থী
শিক্ষায় ‘বেড়াই খাচ্ছে ক্ষেত’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There are 2618 educational institutions in MPO

এমপিওভুক্ত হচ্ছে ২৭১৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

এমপিওভুক্ত হচ্ছে ২৭১৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিক্ষা ভবন। ফাইল ছবি
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের বলেন, ‘এ বছর নতুন করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ২ হাজার ৭১৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হচ্ছে। আজ দুপুরে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হবে।’

পৌনে তিন বছর পর এমপিওভুক্ত হচ্ছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ২ হাজার ৭১৬ বেসরকারি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের বুধবার এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘এ বছর নতুন করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের ২ হাজার ৭১৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হচ্ছে। আজ দুপুরে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হবে।’

এমপিওভুক্ত দুই হাজার ৭১৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের আওতায় রয়েছে ২ হাজার ৫১টি। আর কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আওতায় আছে ৬৬৫টি।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৬৬টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১ হাজার ১২২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৩৬টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১০৯টি উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ ও ১৮টি ডিগ্রি কলেজ রয়েছে।

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে এসএসসি ভোকেশনাল অথবা দাখিল ভোকেশনাল ৯৭টি, এসএসসি বিজনেস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলোজি ২০০টি, ডিপ্লোমা ইন অ্যাগ্রিকালচার দুটি, দাখিল মাদ্রাসা ২৬৪টি, আলিম মাদ্রাসা ৮৫টি, ফাজিল মাদ্রাসা ৬টি ও কামিল মাদ্রাসা ১১টি।

চলতি বছরের মে মাসে বেসরকারি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। পরে তা প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়।

এর আগে গত বছরের ৭ নভেম্বর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ৯ সদস্যের কমিটি গঠন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে এই কমিটিকে সহায়তা করতে আরও চার সদস্যের একটি উপকমিটি গঠন করা হয়।

এ কমিটিকে সহায়তা করে ব্যানবেইসের সিনিয়র সিস্টেম অ্যানালিস্ট আবু তাহের খানের নেতৃত্বে চার সদস্যের কমিটি।

গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) এমপিওভুক্ত করতে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তিতে ১০ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করতে বলা হয়।

সবশেষ ২০১৯ সালে ২ হাজার ৬৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়। এর আগে ২০১০ সালে ১ হাজার ৬২৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হয়েছিল।

গত অর্থবছরের (২০২১-২২) বাজেট বরাদ্দের যে প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো হয়েছে, তাতে নতুন প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তির জন্য ২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জন্য ২০০ কোটি টাকা এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের জন্য ৫০ কোটি টাকা।

দেশে এ পর্যন্ত এমপিওভুক্ত হয়েছে এমন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২৬ হাজার ৪৪৮টি। আর এমপিওভুক্ত হয়নি এখনও প্রায় ৭ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার জন্য গত বছরের ২৯ মে সংশোধিত এমপিও নীতিমালা প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে এমপিওভুক্তির জন্য তিনটি শর্ত দেয়া হয়।

শিক্ষার্থী, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবং পাবলিক পরীক্ষায় পাসের হার—এই তিন বিষয়ে ১০০ নম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীর সংখ্যায় ৩০, পরীক্ষার্থীর সংখ্যায় ৩০ এবং পাসের হারে ৪০ নম্বর রাখা হয়েছে। আগের নীতিমালায় প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতির মেয়াদের ওপর ২৫ নম্বর ছিল, যা সংশোধিত নীতিমালায় বাদ দেয়া হয়েছে।

২০২১ সালের নীতিমালায় কোন ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম কতজন শিক্ষার্থী থাকতে হবে, তা বেঁধে দেয়া হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী, নিম্ন মাধ্যমিকে শহরে ১২০ ও মফস্বলে ৯০, মাধ্যমিকে শহরে ২০০ ও মফস্বলে ১৫০, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শহরে ৪২০ ও মফস্বলে ৩২০, উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে শহরে ২৫০ ও মফস্বলে ২২০ এবং ডিগ্রি কলেজে স্নাতকে শহরে ৪৯০ ও মফস্বলে ৪২৫ শিক্ষার্থী থাকতে হবে। পাসের হার স্তরভেদে ৪৫ থেকে সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ করা হয়েছে।

[সংশোধনী: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শুরুতে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বলা হয়েছিল ২ হাজার ৬১৬টি। প্রায় এক ঘণ্টা পর মন্ত্রণালয় সে সংখ্যাটি ২ হাজার ৭১৬ বলে জানায়।]

আরও পড়ুন:
শিক্ষকদের এমপিওভুক্তির জটিলতার অবসান হচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী
এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন এমপিওভুক্তির ঘোষণা
করোনায় স্কুল ছেড়েছে ৩৫ শতাংশ শিক্ষার্থী
শিক্ষায় ‘বেড়াই খাচ্ছে ক্ষেত’
এমপিওভুক্তির তালিকা চূড়ান্ত, ঘোষণা আসছে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The Midsummer Nights Dream is staged at JB

জবিতে মঞ্চস্থ হলো ‘এ মিডসামার নাইটস ড্রিম’

জবিতে মঞ্চস্থ হলো ‘এ মিডসামার নাইটস ড্রিম’ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মঞ্চস্থ হয় ‘এ মিডসামার নাইটস ড্রিম’। ছবি: নিউজবাংলা
বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় নাটকটি মঞ্চস্থ হয়। নাট্যকলা বিভাগের তৃতীয় বর্ষ ষষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা প্রযোজনাটি নির্দেশনা দিয়েছেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সঞ্জীব কুমার দে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) নাট্যকলা বিভাগের প্রযোজনায় মঞ্চস্থ হয়েছে উইলিয়াম শেক্সপিয়র রচিত ‘এ মিডসামার নাইটস ড্রিম’।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায় নাটকটি মঞ্চস্থ হয়। নাট্যকলা বিভাগের তৃতীয় বর্ষ ষষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা প্রযোজনাটি নির্দেশনা দিয়েছেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সঞ্জীব কুমার দে।

শেক্সপিয়র রচিত অন্যতম জনপ্রিয় ও সারা বিশ্বে অভিনীত কমেডি নাটক এটি। এথেন্সের ডিউক থিসিয়াস ও আমাজনদের রানি হিপ্পোলিটার বিয়ের পারিপার্শ্বিক ঘটনা অবলম্বনে রচিত এই নাটক। নাটকে দুই প্রণয়ীযুগল ও একদল শখের অভিনেতার অ্যাডভেঞ্চার প্রদর্শিত হয়েছে।

নাটকটিতে অভিনয় করেছেন- শফিকুল, আরিফ, মৌমিতা, সাবরিনা, পরমা, অনামিকা, মৃত্তিকা, বৃষ্টি, সাবিহা, প্রিয়া, শাকিল, নিবিড়, জিন্নাত, নাফিস, মিল্টন, রিয়াজ, জান্নাতুল, লামিয়া, স্বর্ণা, উম্মেহানি, রিমি, বিথী, ফারজানা, সায়লা, সুজানা, আশরাফুল, উচ্ছ্বাস, হৃদয়, ইব্রাহিম, আলিমুল, আবেশ ও এলিন।

নাটকটির মঞ্চ আলোক পরিকল্পনায় ছিলেন বিভাগীয় চেয়ারম্যান শামস্ শাহরিয়ার কবি। পোশাক পরিকল্পনা ও অঙ্গরচনা তত্ত্বাবধান করেন বিভাগীয় শিক্ষক আফরিন হুদা তোড়া। দেহবিন্যাস তত্ত্বাবধানে ছিলেন বিভাগীয় শিক্ষক রুবাইয়া জাবীন প্রিয়তা ও কৃপাকণা তালুকদার। আলোক প্রক্ষেপণে ছিলেন মাহাবুবুর রহমান এবং মিউজিকে ইব্রাহীম এলিন ও হোসেন হৃদয়।

এছাড়াও বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা নেপথ্যে রয়েছেন। মঞ্চবিন্যাসে ছিলেন অনামিকা, মৌমিতা, শাকিল, দিনা, আরিফ, আলিম, নিবিড়, শাহিনুল, জান্নাতুল, সায়লা, লামিয়া, মিল্টন ও মুস্তাকিন।

নাটক প্রসঙ্গে নির্দেশক সঞ্জীব কুমার দে বলেন, শিক্ষায়তনে নাট্য প্রযোজনা সিলেবাসের আবর্তে চলমান। তারই ধারাবাহিকতায় জবি নাট্যকলা বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের প্রযোজনা এটি। এই নাট্য নির্মাণের ক্ষেত্রে ক্লাসিকের গুরুত্ব অক্ষুণ্ন রেখে সমসাময়িক বিষয়কে যুক্ত করার চেষ্টা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘কমেডি খুব সহজভাবে হাস্যরসের মধ্য দিয়ে জীবনের অসঙ্গতিগুলোকে সমাজের সামনে প্রকাশ করে। নাটকের কল্পকাহিনীর মূল বিষয় হলো হাস্যরস এবং প্রেম। প্রেম যেন একটা শৃঙ্খলাবিহীন হাস্যকর বিষয়। প্রেমে পড়া মানুষ অতি সহজেই জীবনের ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে পরিণত হয়।

‘প্রেম আর যুক্তির সহাবস্থানের ক্ষেত্রে যে প্রশ্ন উত্থাপিত হয় এই নাটকে তার উত্তর খোঁজার চেষ্টা হয়েছে। এই সংকটময় জটিল জীবনে প্রেমের জটিলতা যে হাস্যরস তৈরি করে তা দর্শক-মনকে প্রফুল্ল করবে আশা করছি।’

আরও পড়ুন:
রাষ্ট্রপতির ছেলের গাড়িচালককে মারধর: প্রতিবেদন ২৮ জুলাই
রাষ্ট্রপতির ছেলের গাড়িচালককে মারধর, জবি ছাত্রের নামে মামলা
শিক্ষার্থীদের ৫০ লাখ টাকা বৃত্তি দিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
জবিতে খাবারের দাম কমানো ও অঙ্কনের মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি
ডিএসসিসির খোঁড়াখুঁড়িতে ভাঙল জবির প্রাচীর, সংস্কারে নেই উদ্যোগ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
This time 31 people from that college are in DU

সেই কলেজ থেকে এবার ঢাবিতে ৩১ জন

সেই কলেজ থেকে এবার ঢাবিতে ৩১ জন সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজ থেকে ৩১ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেয়েছে ঢাবিতে। ছবি: নিউজবাংলা
একই শিক্ষাবর্ষে সরকারি মেডিক্যাল কলেজে ৩৯ জন এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পান এই কলেজ থেকে।

সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মেধার প্রতিফলন ঘটিয়েছে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিজ্ঞান কলেজের শিক্ষার্থীরা।

এখানকার ৩১ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেয়েছে ঢাবির ‘ক’ ইউনিটে বা বিজ্ঞান বিভাগে।

২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের প্রকাশিত ফলাফলে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছে এই বিদ্যাপীঠ। ভর্তির সুযোগ পাওয়া ৩১ জনের মধ্যে ২৬ জন ছেলে ও ৫ জন মেয়ে রয়েছেন।

একই শিক্ষাবর্ষে সরকারি মেডিক্যাল কলেজে ৩৯ জন এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬ জন শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পান এই কলেজ থেকে।

চলতি বছর সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ২৬৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হন ২৬৫ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ অর্জন করেন ২৪৯ জন।

২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস পরীক্ষায় ৩৯ জন, বুয়েটে ১৬ জন এবং সবশেষ ঢাবিতে ৩১জনের মেধার বহিঃপ্রকাশ ঘটে।

২০২১ সালে ৪০ জন, ২০২০ সালে ৪০ জন, ২০১৯ সালে ৩৬ জন ও ২০১৮ সালে ৩৮জন শিক্ষার্থী সরকারি মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির সুযোগ পান। প্রতি বছর মেডিক্যাল ছাড়াও বুয়েট, রুয়েট, চুয়েটসহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জায়গা করে নেন এই কলেজের শিক্ষার্থীরা।

ঢাবিতে ভর্তির সুযোগ পাওয়া নূর আলম বলেন, ‘সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো, এখানে পড়াশোনায় প্রতিযোগিতা থাকে। আমরা যারা পড়ি, কে কার চেয়ে ভালো করব, এটাই লক্ষ্য থাকে।

‘বাবা-মায়ের দোয়া আর শিক্ষকদের সঠিক নির্দেশনায় ঢাবিতে ভর্তির সুযোগ পেয়েছি। এটা কতটা আনন্দের, বলার ভাষা নেই।’

ভর্তির সুযোগ পাওয়া আরেক শিক্ষার্থী ঈশিকা বলেন, ‘শিক্ষকরা কঠোর তদারকি করতেন। পুঙ্খানু পুঙ্খানুভাবে আমাদের পড়াশোনা বিশ্লেষণ করতে হয়। যার কারণে সুফল পাই আমরা শিক্ষার্থীরা। আজকে ঢাবিতে সুযোগ পাওয়ায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’

অভিভাবক পরিতোষ কুমার রায় বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানটি আমাদের অভিভাবকদের মধ্যে সাহস জুগিয়েছে এবং প্রতিযোগিতায় ফেলে দিয়েছে। ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনার ক্ষেত্রে আমরা সোচ্চার হচ্ছি এবং শিক্ষকদের কঠোর মনিটরিংয়ের ফলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে।’

সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম আহমেদ ফারুক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের এ অর্জনে আমরা গর্বিত। প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও ইঞ্জিনিয়ারিং গুচ্ছে এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী রয়েছে।’

অধ্যক্ষ বলেন, ‘আমরা এখানে শিক্ষার্থীদের গ্রিন-ক্লিন লার্নিং পদ্ধতিতে পড়ানোর চেষ্টা করি। এতে সবার মধ্যে প্রতিযোগিতা ও মননশীলতা বৃদ্ধি পায়। এখানে ভর্তি পরীক্ষা অত্যন্ত স্বচ্ছ।

‘ক্লাশরুমেই সম্পূর্ণ পাঠদান হয়। এর ওপর ভিত্তি করে শিক্ষার্থীদের যাবতীয় প্রয়োজনীয়তা মাথা রাখা হয়।’

তিনি বলেন, ‘প্রতি বছরই আমাদের ভালো করার প্রানান্ত চেষ্টা থাকে। আমরা সেভাবে শিক্ষার্থীদের তৈরি করে থাকি।’

১৯৬৪ সালে সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ওই সময় প্রতিষ্ঠানটির নাম ছিল সৈয়দপুর সরকারি কারিগরী স্কুল। পরে এটিকে ১৯৭৭ সালে কলেজে উন্নীত করা হয়।

ওই সময় সৈয়দপুর সরকারি কারিগরী বিজ্ঞান মহাবিদ্যালয় নামকরণ করা হয়। ২০২০ সালে সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ নতুন নাম করা হয়েছে।

মন্তব্য

p
উপরে