× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
Raw material trader hacked to death
hear-news
player
print-icon

কাঁচামাল ব্যবসায়ীকে ‘কুপিয়ে হত্যা’

কাঁচামাল-ব্যবসায়ীকে-কুপিয়ে-হত্যা
প্রতীকী ছবি
লোহাগড়া থানার ওসি শেখ আবু হেনা মিলন বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নড়াইল সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটক করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় পূর্ব শত্রুতার জেরে কাঁচামাল ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

তেলকাড়া গ্রামে সোমবার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

৫৫ বছরের নিজাম শেখের বাড়ি একই গ্রামে। তিনি বড়দিয়া বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী ছিলেন।

নিউজবাংলাকে তথ্য নিশ্চিত করে লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু হেনা মিলন বলেন, ‘নিজাম শেখের শরীরের বিভিন্নস্থানে বেশ কয়েকটি কোপের চিহ্ন রয়েছে।’

নিজাম শেখের পরিবার ও স্থানীয়দের বরাতে ওসি জানান, গ্রামে আধিপত্য বিস্তারসহ গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের জেরে তেলকাড়া গ্রামের ইমরুল কায়েস গ্রুপের সঙ্গে নিজাম গ্রুপের দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। এর জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন নিজামকে কুপিয়ে হত্যা করে থাকতে পারেন।

ঘটনার দিন রাতে নিজাম তেলকাড়ার মুজিবরের দোকান থেকে চা পান করে বাড়ি ফেরার পথে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

ওসি শেখ আবু হেনা মিলন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নড়াইল সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটক করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
দিনমজুরকে কুপিয়ে হত্যা
জয় হোক অভয়ের
ব্যবসায়ীকে ‘কুপিয়ে’ হত্যা
সিরাজুলের ঘোড়া হত্যা করল কে
‘পারিবারিক কলহের জেরে’ গৃহবধূর গায়ে আগুন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Development work has stopped in half

অর্ধেকে এসে থেমে গেছে উন্নয়নকাজ

অর্ধেকে এসে থেমে গেছে উন্নয়নকাজ
সদর উপজেলার চাউলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাফিজার রহমান জানান, তার এলাকায় ২০ দিনের কাজ শেষ হয়েছে। এক কৃষক বলেন, ‘এহন কাদা তো হইছেই, সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হতি লাগে কষ্ট। এরাম কাজ করার মানে কী বুঝলাম না।’

মাগুরা সদরের আঠারখাদা ইউনিয়নের আলীধানী গ্রামের নবগঙ্গা মধ্যপাড়ার পান্নু মোল্লা মিয়ার বাড়ির সামনের রাস্তা কাঁচা। কিন্তু তাতে তার যতটা না ভোগান্তি ছিল, সেটা আরও বেড়ে গেছে রাস্তার উন্নয়নকাজের পর।

পান্নু মোল্লা বললেন, ‘বাড়ির সামনে রাস্তাডা ভালোই ছিল। বৃষ্টিতে পানি হোক, তাও একটা কায়দা করে চলতাম। মাটির রাস্তা হলিও শক্ত আছে। কাদা হতো না।

‘আর মাটি ফেলিছে দেহেন কিরাম। উঁচু ঢিবি হয়ে গেছে। কাদা যাতে না হয় সে জন্য মাটি ফেলিছে। কিন্তু মাটি সমান করে যায় নাই। ইউনিয়ন পরিষদে বললাম যে এই মাটির ঢিবিতে বাড়ির যাতায়াতের রাস্তা বন্ধ করে দিছে। সমান করেন। তারা বলে, আর কাজ হবে না। টাকা নেই বলে কাজ হবি না। এহন কাদা তো হইছেই, সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হতি লাগে কষ্ট। এরাম কাজ করার মানে কী বুঝলাম না।’

এক মাস ধরে এমন ভোগান্তি পান্নু মোল্লার। মাঠে কাজে যেতে কষ্ট হয়। কেউ দেখার নেই।

ইউনিয়ন পরিষদে কর্মসংস্থান কর্মসূচির ৪০ দিনের কাজের টাকা অর্ধেক সময়ে এসে ফেরত চলে যাওয়ায় মাগুরা জেলা সদরের কয়েকটি ইউনিয়নে গ্রামীণ উন্নয়নের অসমাপ্ত কাজ ভোগান্তি সৃষ্টি করেছে।

ত্রাণ ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় থেকে জানা গেছে, ২০২২ অর্থবছরের প্রকল্পের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে দেরিতে ছাড় হওয়ায় সময়মতো কাজ শেষ হয়নি। দেশের অধিকাংশ ইউনিয়নে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সাধারণ মানুষ এই অর্ধেক কাজকে ভোগান্তি হিসেবে দেখছেন। মাগুরা সদরের আঠারখাদার মধ্যপাড়ায় একই এলাকার কৃষক নসিম জানান, ‘সামনে পাটের সময়। তাহলে এ রকম উল্টাপাল্টা কাজ করার দরকার কী? অর্ধেক মাটি ফেলে আমার বাড়ির সামনে উঁচু ঢিবি বানাই রাখছে। বৃষ্টির পানি গড়ায় বাড়ির ভেতরে যায়। আগে তো এটা হতো না। মাটি কোনো রকম ফেলে তারা চলে গেছে।’

একই ইউনিয়নের আনসার ভিডিপি ক্লাবসংলগ্ন মাটির রাস্তাটিও এক পাশে উঁচু তো অন্য পাশে নিচু। কয়েক দিনের বৃষ্টিতে হাঁটু পর্যন্ত কাদা।

স্থানীয়রা জানান, রাস্তাটি ছিল বেলে মাটির। সেটাই ভালো ছিল। কিন্তু এখন মাটি ফেলেছে এক পাশে, সমান করেনি। তাই অর্ধশতাধিক পরিবার এই পথ দিয়ে যেতে পারে না। হাঁটু কাদা পেরিয়ে শিশুরা স্কুলে যায়। তাদের ইউনিফর্ম নষ্ট হয়ে যায়। এমন কাজ তাদের দরকার নেই বলে জানান গ্রামবাসী।

সদরের ১৩টি ইউনিয়নেই এমন কমবেশি খারাপ পরিস্থিতি। আগের বছরগুলোতে নারী কর্মী দিয়ে কাজ করা গেলেও এবার অর্ধেক কাজ হয়েছে দায়সারাভাবে। এই কর্মসূচির নিয়মিত এক নারী শ্রমিক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, তাড়াহুড়ো করে কাজ করানো হয়েছে এ বছর। কোথাও দুই দিন, কোথাওবা এক দিন মাটি ভরাট করার কাজ তারা করতে পেরেছেন। তবে ঠিকমতো টাকা পেয়েছেন বলে জানান তিনি। আর বছর শেষে কাজ শুরু হলে আবার কিছু উপার্জন করতে পারবেন।

এ বিষয়ে মাগুরা সদরের হাজরাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবির হোসেন বলেন, ‘এলাকার রাস্তার পাশে মাটি ভরাট কাজ পুরো সম্পন্ন হয়নি। কোথাও কোথাও থেমে আছে। বলা যায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কাজ সমাপ্ত হলেও পুরো কাজ শেষ হওয়া দরকার। গত অর্থবছরের ২০ দিনের কাজ শেষে হয়েছে। এরপর আর বরাদ্দ আমরা পাইনি। বর্ষা মৌসুমে এই কাজগুলো শেষ হলে ভালো হয়। না হলে রাস্তার দুই পাশে মাটি ভরাট পানিতে ধুয়ে যাচ্ছে।’

জগদল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘৪০ দিনের কাজ আসে বছরে দুইবার। এবার শুনেছি অর্থ বরাদ্দ ২০ দিনের হয়ে আর আসেনি। এ জন্য ২০ দিনের কাজ করা হয়েছে। তবে যেসব জায়গায় কাজ হয়েছে, সেসব স্থানে কাজ সমাপ্ত হলে মানুষের দুর্ভোগ কমবে। আশা করছি জটিলতা অচিরেই ঠিক হয়ে যাবে।’

সদর উপজেলার চাউলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাফিজার রহমান জানান, তার এলাকায় ২০ দিনের কাজ শেষ হয়েছে। কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শ্রমিকরা টাকা পেয়ে গেছেন। এ নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। যতটুকু বরাদ্দ, ততটুকু উন্নয়ন হয়েছে। ৪০ দিনের কাজ ২০ দিনে হলে তো কিছু অপ্রাপ্তি থাকে এলাকাবাসীর। বিশেষ করে বর্ষায় কাঁচা রাস্তা মেরামতের কাজ খুব প্রয়োজনীয়।

মাগুরা সদর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়নকারী কর্মকর্তা আম্বিয়া বেগম শিল্পী জানান, মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ ছাড় পাওয়া গেছে অর্ধেক কাজের। ফলে বাকি ২০ দিনের কাজের অর্থ না আসায় পরিষদের এই কাজগুলো আর এগোয়নি। তবে এই অর্থবছরে আর টাকা বরাদ্দ হবে না। ২০২৩ অর্থবছরে কাজ শুরু হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
বরাদ্দের চেয়ে কম খরচে ভবন নির্মাণ
নতুন বাজেটে থাকবে মেগা প্রকল্পে বড় বরাদ্দ
জলবায়ুর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ইউএসএআইডির প্রকল্প ‘প্রতিবেশ’
উন্নয়ন মেগা প্রকল্পে, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আলাদা অর্থনৈতিক অঞ্চল: প্রধানমন্ত্রী
সরকারি সেবা ই-সেবায় রূপান্তরে প্রকল্প, দরপ্রস্তাব অনুমোদন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Taking a selfie in Sanko Padma Bridge beat two people in the caption

সাঁকোতে সেলফি তুলে ক্যাপশনে পদ্মা সেতু, দুজনকে পিটুনি

সাঁকোতে সেলফি তুলে ক্যাপশনে পদ্মা সেতু, দুজনকে পিটুনি আহত মাসুমকে তার স্বজনরা মাগুরা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে।
আহত মাসুম জানান, ছবিটি তার বন্ধু নিজের ফেসবুকে এমনভাবে পোস্ট করবে তা তিনি কখনোই ভাবেননি। মারধরের পর পরিবারের লোকজন তাকে মাগুরা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে।

মাগুরা সদর উপজেলার হাজরাপুর ইউনিয়নের আলমখারী বাজার এলাকায় পদ্মা সেতু নিয়ে ব্যাঙ্গাত্মক পোস্ট দেয়ায় দুই যুবককে পিটিয়ে আহত করেছে স্থানীয়রা।

রোববার রাত সাড়ে ৮টায় পিটুনির ঘটনাটি ঘটে। এতে আহত ২৪ বছর বয়সী মাসুম রেজা হাজরাপুর গ্রামের সোলাইমানের ছেলে। তিনি ঢাকায় একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেন। আহত অপর ব্যক্তি ২৮ বছর বয়সী আকিদুল ইসলাম একই গ্রামের বাসিন্দা। এক বছর আগে মালয়েশিয়া থেকে তিনি দেশে এসেছিলেন।

আহত মাসুম বলেন, ‘বেশ কয়েকদিন আগে বন্ধু সমতুল্য আকিদুলের সঙ্গে শ্রীপুর উপজেলার খামারপাড়া এলাকার খালের ওপর বাঁশের তৈরি একটি সাঁকোতে দুই বন্ধু সেলফি তুলি। সেই ছবি সম্প্রতি আমার বন্ধু তার নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেন। ছবির ক্যাপশন দেয়া হয়- আমরা পদ্মা সেতুতে উঠেছি।’

মাসুম জানান, ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়। ছবির সূত্র ধরে হাজরাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কবির হোসেন আলমখারী বাজার এলাকায় তার নিজ কার্যালয়ে দুজনকে ডেকে নিয়ে যান।

পরে চেয়ারম্যান তাদের কাছে ছবির বিষয়ে ব্যাখ্যা জানতে চাইলে তারা জানান, ছবিটি অনেক আগে তোলা। আর ছবির ক্যাপশনের জন্য ভুল শিকার করে ক্ষমা চান তারা। কিন্তু ঘটনাস্থলে থাকা কয়েকজন মাসুম ও আকিদুলকে মারধর শুরু করে।

মাসুম আরও জানান, ছবিটি তার বন্ধু নিজের ফেসবুকে এমনভাবে পোস্ট করবে তা তিনি কখনোই ভাবেননি। মারধরের পর পরিবারের লোকজন তাকে মাগুরা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে।

মাসুমের বাবা সুলাইমান বলেন, ‘আমার ছেলে এলাকায় খুব ভদ্র বলে পরিচিত। বন্ধুদের সঙ্গে কি ছবি তুলে কি লিখেছে তা নিয়ে এলাকায় হাতাহাতি হয়েছে। আমি দূরে থাকায় পরে জানতে পেরেছি। কারা মেরেছে এখনও নিশ্চিত হতে পারিনি।’

অপর আহত যুবক আকিদুলকে হাসপাতালে নিয়ে আসলেও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তার পরিবারের একটি নম্বরে বারবার ফোন দিয়েও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

বিষয়টি নিয়ে হাজরাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কবির হোসেন মুটোফোনে জানান, মারামারির বিষযটি তার জানা নেই। এমন ঘটনা তার কার্যালয়ে কখনোই ঘটেনি। তবে ফেসবুকে পদ্মা সেতু নিয়ে দুই যুবক কটূক্তি করেছেন বলে তিনি মর্মাহত।

মাগুরা সদর থানার ওসি নাসির উদ্দিন জানান, সদরের একটি গরুর হাটে মারামারির সংবাদ আমাদের জানা আছে। তবে পদ্মা সেতু নিয়ে এমন ঘটনার কোনো অভিযোগ তাদের কাছে নেই।

আরও পড়ুন:
বাইজীদের বিরুদ্ধে মামলা বিশেষ ক্ষমতা আইনে, হতে পারে মৃত্যুদণ্ড
সেতুর একই জায়গায় নাট খোলার আরেক ভিডিও ভাইরাল
বিশৃঙ্খলার মধ্যে পদ্মা সেতুতে বাইক নিষিদ্ধ
পদ্মা সেতুতে উঠতে পারছে না সাতক্ষীরার বেশির ভাগ গাড়ি
পদ্মা সেতুতে দুর্ঘটনায় দুই বাইকারের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Arrest of abusive youth on Facebook

ফেসবুকে কটূক্তি, যুবক গ্রেপ্তার

ফেসবুকে কটূক্তি, যুবক গ্রেপ্তার গ্রেপ্তার হওয়া রুমন সরকার রনি। ছবি: সংগৃহীত
সুন্দরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মেহেদী রাসেল ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রোববার দুপুরে ওই যুবকের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন।

প্রধানমন্ত্রী কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য পোস্ট করার অভিযোগে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সুন্দরগঞ্জ পৌর বাজার এলাকা থেকে রোববার সন্ধ্যায় ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে কটূক্তির দায়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তার বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়।

গ্রেপ্তার ২১ বছর বয়সী রুমন সরকার রনি সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দহবন্দ ইউনিয়নের দক্ষিণ ধুমাইটারী গ্রামের আঞ্জু মিয়ার ছেলে।

গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে সুন্দরগঞ্জ থানার ওসি সরকার ইফতেখারুল মোকাদ্দেম। তিনি জানান, শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ও মানহানিকর বক্তব্য পোস্ট করেন রুমন।

এ নিয়ে উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মেহেদী রাসেল ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে রোববার দুপুরে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। সেই মামলায় রোববার সন্ধ্যায় পৌর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে রুমনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার সকালে গাইবান্ধার আদালতে রুমনকে পাঠানো হবে বলেও জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
মহানবীকে নিয়ে কটূক্তি: সিলেটে বন্ধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান
মহানবীকে কটূক্তি: সিলেটে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধের ডাক
নূপুর শর্মাকে সমর্থন করে পোস্ট, শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার
বঙ্গবন্ধু নিয়ে কটূক্তি: জাবি ছাত্রের সাত বছরের কারাদণ্ড
মহানবী (সা.) কে নিয়ে ‘কটূক্তি’, যুবক আটক

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Seized illicit drug dealer arrested

নিষিদ্ধ ওষুধ জব্দ, ব‍্যবসায়ী আটক

নিষিদ্ধ ওষুধ জব্দ, ব‍্যবসায়ী আটক মেহেরপুরে বিক্রয় নিষিদ্ধ ওষুধসহ বাবুর আলী নামের এক ব‍্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত
পুলিশ জানায়, নিষিদ্ধ ব্যথানাশক ট্যাপেন্টাডল বিক্রির নগদ ৫ হাজার ৫০০ টাকা ও নিষিদ্ধ ওষুধসহ ইমন-ঈশান ফার্মেসির মালিক বাবুর আলীকে আটক করে মেহেরপুর সদর থানায় নেয়া হয়েছে।

মেহেরপুরে বিক্রয় নিষিদ্ধ ও সরকারি ওষুধসহ বাবুর আলী নামের এক ব‍্যবসায়ীকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

রোববার বিকেলে মেহেরপুর-কাথুলী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ইমন-ঈশান ফার্মেসিতে অভিযান চালিয়ে নিষিদ্ধ ওষুধসহ দোকান মালিককে আটক করা হয়।

মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অপু সরোয়ার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এসব তথ্য জানান।

৪৫ বছর বয়সী বাবুর আলী মেহেরপুর সদরের কাথুলি বাজার এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ কর্মকর্তা অপু সরোয়ার জানান, ইমন-ইশান ফার্মেসিতে বিক্রয় নিষিদ্ধ ও সরকারি হাসপাতালের ওষুধ বিক্রির গোপন তথ্যে অভিযান চালায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

সেখানে থেকে নিষিদ্ধ ব্যথানাশক ট্যাবলেট টাপেন্টাডল ৩৬ পিস, গর্ভনিরোধকারি সরকারি ইনজেকশন স্বস্তি-১৫০ মিলি ১৯৪ পিস, ইন্ডিয়ান ভায়াগ্রা-১০০ মিলি ৭৫০ পিস ও সরকারি হাসপাতালের বিক্রয় নিষিদ্ধ ওষুধের মধ্যে সেফিক্সিম-২০০মিলি ২০০ পিস, সেফ্রাডিন-৫০০ মিলি ৫০০ পিস, এজিথ্রোমাইসিন-৫০০ মিলি ১০০ পিস, সিপ্রোফ্লক্সিন-৫০০ মিলি ৩০০ পিস জব্দ করা হয়।

তিনি জানান, নিষিদ্ধ ব্যথানাশক ট্যাপেন্টাডল বিক্রির নগদ ৫ হাজার ৫০০ টাকা ও নিষিদ্ধ এসব ওষুধসহ ইমন-ঈশান ফার্মেসির মালিক বাবুর আলীকে আটক করে মেহেরপুর সদর থানায় নেয়া হয়।

তার বিরুদ্ধে মেহেরপুর সদর থানায় তিনটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। সোমবার তাকে আদালতে নেয়া হবে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা অপু সরোয়ার।

আরও পড়ুন:
আয়ুর্বেদিকের আড়ালে ভেজাল ওষুধের কারখানা
সানোফি বাংলাদেশ এখন থেকে সিনোভিয়া ফার্মা
আটা-ময়দায় তৈরি হচ্ছিল শ্বাসকষ্টের ওষুধ
‘মিষ্টিতে বিষ মেশানোর বর্ণনা’ সফিউল্লার জবানবন্দিতে
২ শিশুকে ‘বিষ খাইয়ে হত্যা’: মায়ের ‘প্রেমিক’ গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
26 candidates selected for the boat in Upazila Municipality UP

উপজেলা, পৌরসভা, ইউপিতে নৌকার ২৮ প্রার্থী বাছাই

উপজেলা, পৌরসভা, ইউপিতে নৌকার ২৮ প্রার্থী বাছাই
আগামী ২৭ জুলাই স্থানীয় সরকারের বেশ কিছু এলাকায় ভোট হবে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আছে ২৫টি ইউনিয়ন। আছে একটি উপজেলা ও কয়েকটি পৌরসভা।

আগামী ২৭ জুলাইয়ের ভোটকে ঘিরে একটি উপজেলা, দুটি পৌরসভা ও ২৫ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

রোববার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভায় প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।

পরে দলটির দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রার্থী তালিকা গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।

কোথায় কারা প্রার্থী

ঝিনাইদহ শৈলকূপায় চেয়ারম্যান পদে নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন এম আব্দুল হাকিম আহমেদ।

দুটিটি পৌরসভার মধ্যে জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে মেয়র পদে হাবিবুর রহমান, ক্ষেতলালে সিরাজুল ইসলাম বুলুকে মেয়র পদে প্রার্থী করা হয়েছে।

ইউনিয়নের ভোটে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার হোসেনগাঁওয়ে মতিউর রহমান, বাচোরে জীতেন্দ্র নাথ বর্মন, নন্দুয়ারে আব্দুল বারীর হাতে নৌকা তুলে দেয়া হয়েছে।

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নে রেজাউল করিম নান্নু, রামনাথপুরে শাহ্ মো. মোফাজ্জল হোসেন, পীরগঞ্জে নূরুল ইসলামকে প্রার্থী করেছে আওয়ামী লীগ।

পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার করমজা ইউনিয়নে হোসেন আলী বাগছীর হাতে তুলে দেয়া হয়েছে নৌকা।

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নাজিরপুর তাঁতেরকাঠী ইউনিয়নে ইব্রাহিম ফারুক, টাঙ্গাইল সদরের কাতুলী ইউনিয়নে ইকবাল হোসেন, মাহমুদনগরে সাহাদৎ হোসেন, কাকুয়ায় বদিউজ্জামান ফারুকের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে নৌকা।

ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার ডুমাইন ইউনিয়নে খুরশীদ আলম (মাসুম), মেঘচামীতে হাসান আলী খাঁন, আড়পাড়ায় আরমান হোসেন (বাবু) কে প্রার্থী করেছে আওয়ামী লীগ।

মুন্সীগঞ্জ সদরের বজ্রযোগিনী ইউনিয়নে সিরাজুল ইসলাম, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বাটিকামারী ইউনিয়নে শাহ নাজিম উদ্দিন পেয়েছেন নৌকা।

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার রামচন্দ্রকুড়া মন্ডলিয়াপাড়ায় হাফিজুল ইসলাম জুয়েল, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কাইতলা (উত্তর) ইউনিয়নে আবুল খায়ের, কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মহিচাইলে আবু মুছা মজুমদার, চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার খাদেরগাঁওয়ে সৈয়দ মনজুর হোসেন, লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার বড়খেরীতে হাসান মাকসুদ, চরআবদুল্যাহে কামাল উদ্দিন, লক্ষ্মীপুর সদরের দিঘলী ইউনিয়নে সালাউদ্দিন চৌধুরী পেয়েছেন নৌকা।

রাঙ্গামাটি লংগদু উপজেলার সদর ইউনিয়নে রকি চাকমাকে মার্কা তুলে দিয়েছে ক্ষমতাসীন দল।

আরও পড়ুন:
তুমুল বৃষ্টিতে গোর্খাল্যান্ডের ভোট
সুন্দর পরিবেশে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন চায় অস্ট্রেলিয়া
আগামী নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার
ফোনে ফল পাল্টানো অসম্ভব: সিইসি
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট বামপন্থি সাবেক গেরিলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
One person was killed in an elephant attack in Rangunia

রাঙ্গুনিয়ায় হাতির আক্রমণে এক ব্যক্তির মৃত্যু

রাঙ্গুনিয়ায় হাতির আক্রমণে এক ব্যক্তির মৃত্যু হাতির আক্রমণে নিহত শাহ্ আলমের মরদেহ। ছবি: নিউজবাংলা
বিট কর্মকর্তা মিন্টু কুমার দে বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। নিহত শাহ আলমকে আক্রমণের পর হাতিটি বনে চলে গেছে।’

চট্টগ্রামের দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানা এলাকায় বন্যহাতির আক্রমণে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার মোবারক আলী টিলার নারিশ্চা ছোট্ট খাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ শাহ্ আলম শিলক ইউনিয়নের মাইজপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

মাইজপাড়ার ওমর ফারুক নঈমী জানান, এক ব্যক্তিকে হাতি আক্রমণ করেছে এমন খবর শুনে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। গিয়ে দেখেন সেখানে শাহ্ আলমের মরদেহ পড়ে আছে। ঘটনাস্থলে হাতিটিকে পাওয়া যায়নি। পরে তারা দক্ষিণ থানার পুলিশকে খবর দেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্বাস আলী বলেন, ‘হাতির আক্রমণে শাহ্ আলমের মৃত্যুর বিষয়টি আমি দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানা ও চেয়ারম্যানকে জানিয়েছি। পুলিশ মরদেহটি ঘটনাস্থল থেকে নিয়ে গেছে।’

রাঙ্গুনিয়া নারিশ্চা বন বিভাগের বিট কর্মকর্তা মিন্টু কুমার দে বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। নিহত শাহ আলমকে আক্রমণের পর হাতিটি বনে চলে গেছে। পরিবারের আবেদন সাপেক্ষে ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে।’

দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি ওবাইদুল ইসলাম বলেন, ‘খবর শুনেই আমরা ঘটনাস্থল যাই। গিয়ে দেখি, নিহত ব্যক্তির মরদেহ নারিশ্চা এলাকার একটি খালের পাড়ে পড়ে আছে। সুরতহাল শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
হাতিরঝিলে আইল্যান্ডে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, দুুইজন নিহত
হাতিয়ায় সি-ট্রাক বন্ধে মোহাম্মদ আলীর হাত?
শেরপুরে হাতি-মানুষ দ্বন্দ্ব বাড়ার নেপথ্যে
হাতিরঝিলে ওয়াটার ট্যাক্সি থাকবে না?
হাতিরঝিলে ওয়াটার ট্যাক্সি বন্ধের পরামর্শ হাইকোর্টের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The floods have also affected the hospitals in Sylhet

বন্যা রোগী করেছে সিলেটের হাসপাতালগুলোকেও

বন্যা রোগী করেছে সিলেটের হাসপাতালগুলোকেও বন্যায় তলিয়ে গিয়েছিল সিলেট ওসমানী হাসপাতালের নিচতলা।
সিলেটে বন্যার পানি একদিকে কমছে, অন্যদিকে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। কিন্তু সিলেটের বেশিরভাগ হাসপাতাল এখন নিজেই রোগী হয়ে বসে আছে।

বন্যার ধাক্কায় টালামাটাল হয়ে পড়েছে সিলেটের স্বাস্থ্যসেবা খাত। বিভাগের প্রধান চিকিৎসাকেন্দ্র এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালসহ অন্তত ২৪টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বন্যার পানি ঢুকে পড়েছিল। এতে ওই হাসপাতালগুলোর বিভিন্ন যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অবকাঠামো আর আসবাবপত্রেরও।

যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ায় ওসমানী হাসপাতালেও বন্ধ রয়েছে রোগ নির্ণয়ের কয়েকটি পরীক্ষা ও কিছু সেবা। উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর অবস্থা আরও করুণ।

মস্তিষ্কে রক্ষক্ষরণজনিত কারণে রোববার ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন সিলেটের দক্ষিণ সুরমার বাসিন্দা লায়েক আহমদ। চিকিৎসকরা তাকে সিটি স্ক্যান করানোর কথা বললেও ওসমানী হাসপাতালে তিনি পরীক্ষাটি করাতে পারেননি।

রোববার দুপুরে লায়েকের ভাই সায়েক আহমদ বলেন, ‘হাসপাতাল থেকে বলা হয়েছে বন্যার পানি ঢুকে সিটি স্ক্যান যন্ত্র নষ্ট হয়ে গেছে। তাই বাইরে থেকে পরীক্ষা করিয়ে আনতে বলা হয়েছে। কিন্তু রোগীর যে অবস্থা তাতে তাকে বাইরে নিয়ে যাওয়াও কষ্টকর।’

গত ১৫ জুন সিলেটে বন্যা দেখা দেয়। আর ১৮ জুন সিলেট বিভাগের প্রধান স্বাস্থ্যকেন্দ্র এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পানি ঢুকে পড়ে। নিচ তলায় হাঁটু পানি জমে যায়। এতে হাসপাতালটির সিটি স্ক্যান, এমআরআই, রেডিওথেরাপি যন্ত্র ছাড়াও বিভিন্ন যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে যায়। এ ছাড়া অ্যাম্বুলেন্স, জেরারেটরসহ বেশকিছু আসবাবপত্রও নষ্ট হয়েছে।

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ‘বন্যায় হাসপাতালের নিচতলা পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিচতলায় থাকা এমআরআই, সিটি স্ক্যান ও রেডিওথেরাপি মেশিন জলমগ্ন ছিল।’

পরিচালক জানান, রেডিওথেরাপি যন্ত্রটি চালুর চেষ্টা চললেও এমআরআই, সিটি স্ক্যান যন্ত্র আবার চালু করা সম্ভব হবে কি-না তা এখনও বোঝা যাচ্ছে না। এগুলো নষ্ট থাকায় রোগীরা বাইরে থেকে এসব পরীক্ষা করিয়ে আনছেন।

হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স, পরিচালকের গাড়িসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও আসবাবপত্র নষ্ট হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পুরোপুরি ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিশ্চিত করতে আরও সময় লাগবে।

শুধু ওসমানী হাসপাতালই নয়, স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে- সিলেট বিভাগের ৪০টি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মধ্যে অন্তত ২৪টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবগুলো কমপ্লেক্সেই গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এ ছাড়া ৮৫টি ইউনিয়ন সাব সেন্টারের মধ্যে আক্রান্ত হয়েছে ৩১টি এবং ৯২৭টি কমিউনিটি ক্লিনিকের মধ্যে ৪১৪টি পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে।

সিলেটের জৈন্তাপুর, বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ বাদে বাকি ১০ উপজেলার সব স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পানিতে তলিয়ে গিয়েছিল। সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালসহ এই জেলার সবকটি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়েছিল। এখনও এই জেলার অনেক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পানিতে নিমজ্জিত অবস্থায় রয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় থেকে বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বন্যা কবলিত সব স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে অবকাঠামোগত ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচীর (ইপিআই) ফ্রিজ, প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষার যন্ত্রপাতি, এক্স-রে মেশিন, এমএসআর সামগ্রী নষ্ট হয়ে গেছে। জলমগ্ন এসব যন্ত্র কার্যক্ষম কি না, পানি না সরায় তা এখনো যাচাই করা যাচ্ছে না। সার্বিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানাতে আরো সময় লাগবে।

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কামরুজ্জামান রাসেল বলেন, ‘আমাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিচতলায় ১০ ফুট পানি ছিল। এতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়েছে। অনেক আসবাব ভেসে গেছে। ফলে পানি কমতে শুরু করলেও সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।’

ক্ষয়ক্ষতির প্রসঙ্গে সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হিমাংশু লাল রায় বলেন, ‘চলমান বন্যা স্বাস্থ্য খাতে ব্যাপক ক্ষতি করেছে। অবকাঠামো, আসবাবপত্রের পাশপাশি অনেক যন্ত্রপাতিও নষ্ট হয়ে গেছে।’

হিমাংশু জানান, পানি নামতে শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বাড়ছে। পানিবাহিত রোগের প্রকোপও বেড়েছে। বন্যায় যন্ত্রপাতি, অবকাঠামো ও আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে যাওয়ায় রোগীর চাপ সামলাতে সংশ্লিষ্টদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

এ অবস্থায় ক্ষয়ক্ষতির চিত্র পরিদর্শনে সোমবার সকালে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে আসবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক।

আরও পড়ুন:
আসামে বন্যায় মৃত ১১৭
বন্যাদুর্গতদের ফ্রি ডাটা দিচ্ছে ইমো
শিশুখাদ্য ও ত্রাণ নিয়ে বন্যাদুর্গতদের পাশে শাওমি
বন্যায় বড় কষ্ট গর্ভবতী মা ও শিশুদের
বানে গেল দুই শিশুর প্রাণ

মন্তব্য

p
উপরে