× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
There is no cold storage for mangoes in Tha Tha Barind
hear-news
player
print-icon

ঠা ঠা বরেন্দ্রে আমের মৌতাত, হিমাগার নেই

ঠা-ঠা-বরেন্দ্রে-আমের-মৌতাত-হিমাগার-নেই
নওগাঁয় জমিতে এখন ধান চাষ কমিয়ে আম চাষে ঝুঁকছেন চাষিরা। ছবি: নিউজবাংলা
আমের ভালো দাম থাকে মৌসুমের প্রথম ও শেষের দিকে। কিন্তু মৌসুমের মধ্যবর্তী সময়ে আমের বাজার পড়ে যায়। তখন দাম অনেক কম থাকে। চাষিরা বলছেন, সংরক্ষণাগার থাকলে তারা ভালো দাম পাবেন।

নওগাঁর সীমান্তবর্তী পোরশা, সাপাহার, নিয়ামতপুর ও পত্নীতলা উপজেলার কিছু অংশ ‘ঠা ঠা বরেন্দ্র’ নামে পরিচিত। পানি স্বল্পতার কারণে এখানে অন্যান্য ফসল চাষ করে লোকশান গুনতে হয়। এ কারণে এসব জমিতে এখন ধান চাষ কমিয়ে আম চাষে ঝুঁকছেন চাষিরা।

জেলায় সবচেয়ে বেশি আম চাষ হয় সাপাহার ও পোরশা উপজেলায়। এসব এলাকার আম চাষিরা জানান, আমের ভালো দাম থাকে মৌসুমের প্রথম ও শেষের দিকে। কিন্তু মৌসুমের মধ্যবর্তী সময়ে আমের বাজার পড়ে যায়। তখন দাম অনেক কম থাকে।

জেলায় আমের সবচেয়ে বড় বাজারটি বসে সাপাহার উপজেলায়। পাশেই ধামইরহাট, পত্নীতলা, পোরশা এমনকি রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে অনেক ব্যবসায়ী আম বিক্রি করতে আসে এই বাজারে।

বিপুল ফলনের কারণে এ সময় আমের বাজার দর কমে যায়। আমের সংরক্ষণাগার ও বিপণন ব্যবস্থা না থাকায় মধ্যস্বত্বভোগীরা লাভের বড় অংশ লুফে নেন।

চাষিরা বলছেন, জেলায় আম সংরক্ষণাগার করা হলে তারা পরবর্তী সময়ে বিক্রি করলে ভালো দাম পেতে পারতেন।

ঠা ঠা বরেন্দ্রে আমের মৌতাত, হিমাগার নেই

জেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের বেঁধে দেয়া সময় অনুযায়ী গত ২৫ মে থেকে গুটি জাতের আম নামানোর মধ্য দিয়ে জেলায় আম পাড়া শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য জাতের জাতের আম নামানো হবে।

নওগাঁর পত্নীতলার আম চাষি রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতি বছর প্রচুর পরিমাণে আম উৎপাদন হয় এখানে। শুরু ও শেষের দিকে আমের দাম ভালো পাওয়া যায়। সরকারি বা বেসরকারিভাবে জেলায় কোনো হিমাগার নেই। আম সংরক্ষণের জন্য যদি একটি হিমাগার থাকত, তবে সেখানে আম সংরক্ষণ করে সুবিধামতো সময়ে বিক্রি করা গেলে লাভবান হওয়া যেত।’

সাপাহার উপজেলার আইহাই গ্রামের আম চাষি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘হিমাগার থাকলে সেখানে ২০ থেকে ৩০ দিন রেখে আমগুলো বিক্রি করা যেত। অনেক সময় আমের দাম কমে যায়।’

পোরশা উপজেলা সদরের আম চাষি রেজাউল করিম বলেন, ‘আম দ্রুত পচে যায়। ঝড়-বৃষ্টি হলে বা ব্যবসায়ীরা না কিনতে চাইলে আম নষ্ট হয়ে যায়। সেই পরিস্থিতিতে আম যদি কিছু দিনের জন্য সংরক্ষণ করে রাখা যেত, সেটা কৃষকদের উপকারে লাগত।’

সাপাহারের গোডাউন পাড়ার বরেন্দ্র অ্যাগ্রো পার্কের উদ্যোক্তা ও আম চাষি মো. সোহেল রানা বলেন, ‘আমি নিজেও প্রতি বছর দেশ ও দেশের বাইরে আম পাঠাই। বেশ কয়েক বছর ধরে নওগাঁয় বিপুল পরিমাণে আমের আবাদ হচ্ছে। অন্যান্য ফসল সংরক্ষণ করে রাখা যায়। আম রাখারও ব্যবস্থা থাকা উচিত।’

ঠা ঠা বরেন্দ্রে আমের মৌতাত, হিমাগার নেই

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. শামছুল ওয়াদুদ নিউজবাংলাকে বলেন, নওগাঁয় চলতি মৌসুমেও আমের ব্যাপক চাষ হয়েছে। হিমাগার থাকলে চাষিরা কিছুদিন আম হিমাগারে রেখে বিক্রি করে লাভবান হতে পারবেন। একটি হিমাগার খুবই প্রয়োজন জেলায়। আমরা বিষয়টি নিয়ে কৃষি অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করব।’

নওগাঁর জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নওগাঁর আম দেশ ও বিদেশে সুনাম অর্জন করেছে। আম চাষিদের সব ধরনের সহায়তা ও পরামর্শ আমরা দিয়ে যাচ্ছি। চাষিদের উৎপাদিত আম সংরক্ষণের জন্য একটি আম সংরক্ষণাগার প্রয়োজন। জেলার কৃষি বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

বিষয়টি নিয়ে কথা হলে নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নওগাঁর সাপাহারে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্পের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই উপজেলায় অর্থনৈতিক অঞ্চল হলে সরকারি ও বেসরকারিভাবে বিভিন্ন শিল্প-কারখানা গড়ে উঠবে। গড়ে উঠবে জুস কারখানা। যোগাযোগব্যবস্থা আরও উন্নত হবে। এতে করে আম চাষিরা আরও ভালো দাম ও লাভবান হবেন।

‘অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠলে এর আশপাশের জেলার পোরশা, নিয়ামতপুর, পত্নীতলা, ধামইরহাট, মহাদেবপুর উপজেলা এবং পার্শ্ববর্তী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার কয়েকটি উপজেলার ব্যাপক উন্নয়ন হবে। আমরা আশা করছি, অচিরেই আম চাষিদের আম সংরক্ষণের জন্য সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে হিমাগার গড়ে তোলা হবে।’

জেলা কৃষি বিভাগের অনুযায়ী, চলতি মৌসমে নওগাঁ জেলায় ২৯ হাজার ৪৭৫ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। এটি গত বছরের চেয়ে ৩ হাজার ৬২৫ হেক্টর বেশি। হেক্টর প্রতি গড় ফলন ধরা হয়েছে ১২ দশমিক ৫০ মেট্রিক টন। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৪৩৫ মেট্রিক টন।

গোপাল ভোগ, হিমসাগর, আম্রপালি, বারি-৪, গৌড়মতি, ব্যানানা ম্যাংগো, কাটিমন, ল্যাংড়া, হিমসাগর, ফজলি, মিয়াজিকিসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জাতের আম চাষ হচ্ছে। এবার প্রতি কেজি আমের গড় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ টাকা। সে অনুযায়ী ১ হাজার ৮৪২ কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার আম বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মেহেরপুরের বাজারে ‘কেমিক্যালে’ পাকানো আম
ফজলি রাজশাহীরও, চাঁপাইয়েরও
আমদানি কমাতে ১৩৫ পণ্যে শুল্কারোপ
নওগাঁর ১০০ টন আম যাবে বিদেশে
ফজলি নিয়ে রাজশাহী-চাঁপাই লড়াই

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Habibur Rahman is the new AMD of SBAC Bank

এসবিএসি ব্যাংকের নতুন এএমডি হাবিবুর রহমান

এসবিএসি ব্যাংকের নতুন এএমডি হাবিবুর রহমান সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার এন্ড কমার্স ব্যাংকের  অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাবিবুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
এএনজেড গ্রিনলেজ ব্যাংকে যোগদানের মাধ্যমে তিনি ব্যাংকিং জীবন শুরু করেন। বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ২৭ বছরের ব্যাংকিং জীবন তার। সিটি ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, এইচএসবিসি এবং কানাডার টরেন্টো ডমিনিয়ন ব্যাংকে চাকুরি করেন হাবিবুর রহমান।

সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার এন্ড কমার্স (এসবিএসি) ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) হিসেবে যোগ দিয়েছেন হাবিবুর রহমান।

এর আগে তিনি ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) ছিলেন বলে এসবিএসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এএনজেড গ্রিনলেজ ব্যাংকে যোগদানের মাধ্যমে তিনি ব্যাংকিং জীবন শুরু করেন। বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ২৭ বছরের ব্যাংকিং জীবন তার। সিটি ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, এইচএসবিসি এবং কানাডার টরেন্টো ডমিনিয়ন ব্যাংকে চাকুরি করেন হাবিবুর রহমান।

তিনি ঋণ ব্যবস্থাপনা ও ঝুঁকি বিষয়কসহ পেশাগত স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও কোর্স সম্পন্ন করেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অথনীতি বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। বেলজিয়ামের ব্রাসেলস থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ওমেগা নামক প্রতিষ্ঠান থেকে সার্টিফাইড ক্রেডিট প্রফেসনালস ডিগ্রি অর্জন করেনিএই ব্যাংকার।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bimans Toronto flight starts on July 26

বিমানের টরন্টো ফ্লাইট শুরু ২৭ জুলাই

বিমানের টরন্টো ফ্লাইট শুরু ২৭ জুলাই বোয়িং-৭৮৭ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ দিয়ে পরিচালিত হবে ঢাকা-টরন্টো ফ্লাইট। ছবি: নিউজবাংলা
প্রাথমিকভাবে ঢাকা-টরন্টো রুটে সপ্তাহে দুটি করে ফ্লাইট পরিচালিত হবে। ঢাকা থেকে প্রতি বুধবার ও রোববার বিমানের ফ্লাইট টরন্টোর উদ্দেশে যাত্রা করবে। একই দিন টরন্টো থেকে ফিরতি ফ্লাইট ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ঢাকা-টরন্টো রুটে বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু হচ্ছে ২৭ জুলাই। টরন্টো ফ্লাইটে ভ্রমণে ইচ্ছুকরা এখন থেকেই অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করতে পারবেন।

রোববার প্রতিষ্ঠানটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশ-বিদেশে অবস্থিত বিমানের যে কোনো সেলস্ সেন্টার, বিমান অনুমোদিত যে কোনো ট্রাভেল এজেন্সি, বিমানের বাণিজ্যিক ওয়েবসাইট www.biman-airlines.com ও কল সেন্টার ০১৯৯০৯৯৭৯৯৭ থেকে এ রুটের টিকিট কেনা এবং আনুষঙ্গিক সেবাগুলো গ্রহণ করা যাবে।

তবে কানাডা থেকে আপাতত ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে টিকিট কেনা যাবে না। বিষয়টি এখনও অ্যাকটিভেশন পর্যায়ে রয়েছে।

বিমান বলছে, প্রাথমিকভাবে ঢাকা-টরন্টো রুটে সপ্তাহে দুটি করে ফ্লাইট পরিচালিত হবে। ঢাকা থেকে প্রতি বুধবার ও রোববার বিমানের ফ্লাইট টরন্টোর উদ্দেশে যাত্রা করবে। একই দিন টরন্টো থেকে ফিরতি ফ্লাইট ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবে। রুটটিতে ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে বিমানের বহরে থাকা বোয়িং-৭৮৭ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ।

ঢাকা থেকে যাওয়ার সময় ফ্লাইটটি তুরস্কের ইস্তানবুলে এক ঘণ্টার জন্য টেকনিক্যাল ল্যান্ডিং করবে। তবে ফিরতি ফ্লাইটটি সরাসরি ঢাকায় অবতরণ করবে বলে জানিয়েছে বিমান।

বাংলাদেশ থেকে ইকোনমি ক্লাসে ভ্রমণে একমুখী যাত্রার জন্য ভাড়া ঠিক করা হয়েছে সর্বনিম্ন ৯০ হাজার ৫১০ টাকা। আর রিটার্ন টিকিটের ভাড়া ১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৭০ টাকা।

প্রিমিয়াম ইকোনমি ক্লাসের একমুখী ভাড়া ১ লাখ ২৭ হাজার ৩০০ টাকা আর রিটার্ন ভাড়া ২ লাখ ৩৪ হাজার ৩৫৫ টাকা।

আর বিজনেস ক্লাসের ক্লাসে ভ্রমণে একমুখী ভাড়া শুরু হবে ১ লাখ ৬৪ হাজার ১০০ টাকা এবং রিটার্ন টিকিটের সর্বনিম্ন ভাড়া ঠিক করা হয়েছে ৩ লাখ ৪ হাজার ৩০২ টাকা।

টরন্টো থেকে যারা ঢাকায় আসবেন তাদের জন্য ইকোনমি ক্লাসে একমুখী ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৯০ কানাডিয়ান ডলার আর রিটার্ন টিকিটের দাম ১ হাজার ২৩৩ কানাডিয়ান ডলার।

প্রিমিয়াম ইকোনমি ক্লাসের ক্ষেত্রে একমুখী ভাড়া ১ হাজার ২৩০ কানাডিয়ান ডলার এবং রিটার্ন টিকিটের দাম ধরা হয়েছে ২ হাজার ১৭৮ কানাডিয়ান ডলার। আর বিজনেস ক্লাসের ক্ষেত্রে একমুখী ভাড়া ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮৬০ কানাডিয়ান ডলার এবং রিটার্ন টিকিটের দাম ধরা হয়েছে সর্বনিম্ন ৩ হাজার ৭৮ কানাডিয়ান ডলার।

আরও পড়ুন:
ফ্লাইটের ভাড়া নির্ধারণে বসছে সভা
বিমান অসুস্থ প্রতিযোগিতা করছে: এওএবি
কারিগরি ত্রুটি: বিমানের ফ্লাইটের জরুরি অবতরণ
অল্পের জন্য বাঁচল বিমানের ড্রিমলাইনার
দুবাইফেরত যাত্রীর কাছে সোয়া কেজি স্বর্ণ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Abdul Monem Limited was attached to the Padma Bridge

পদ্মা সেতুতে যুক্ত ছিল আব্দুল মোনেম লিমিটেড

পদ্মা সেতুতে যুক্ত ছিল আব্দুল মোনেম লিমিটেড
স্বপ্নের এই সেতুর ৫টি প্রকল্পের ৩টিই করেছে বাংলাদেশের নির্মাণ শিল্পের পথিকৃৎ এই প্রতিষ্ঠানটি।

পদ্মা সেতু প্রকল্পের দুই প্রান্তে সংযোগ সড়ক, সার্ভিস এরিয়া, টোল প্লাজা, নদীশাসনসহ বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল দেশীয় প্রতিষ্ঠান আব্দুল মোনেম লিমিটেড। স্বপ্নের এই সেতুর ৫টি প্রকল্পের ৩টিই করেছে বাংলাদেশের নির্মাণ শিল্পের পথিকৃৎ এই প্রতিষ্ঠানটি।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রোববার প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ‘পদ্মা সেতু প্রকল্পের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিরলসভাবে যুক্ত ছিল একমাত্র দেশীয় প্রতিষ্ঠান আব্দুল মোনেম লিমিটেড। ঐতিহাসিক এই যাত্রায় জাতির স্বপ্ন বাস্তবায়নের গর্বিত অংশীদার প্রতিষ্ঠানটি। পুরো প্রকল্পে সেতুর গুনগত মান ঠিক রাখতে প্রায় এক কোটি আমেরিকান ডলার খরচ করে জার্মানি থেকে দুটি মেশিন নিয়ে আসার পাশাপাশি অন্যান্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতেও আব্দুল মোনেম লিমিটেড বিনিয়োগ করেছে।’

আবদুল মোনেম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনউদ্দিন মোনেম বলেন, ‘পদ্মা সেতুর ৫টি প্রকল্পের ৩টিই করেছি আমরা। এই প্রকল্পে একনিষ্ঠভাবে কাজ করতে গিয়ে আমরা আমাদের সক্ষমতা সম্পর্কে আরও একবার নিশ্চিত হয়েছি। ভবিষ্যতে দেশের আরও যেকোনো বড় প্রকল্পে আরও দক্ষতার সাথে অবদান রাখতে পারব বলে বিশ্বাস করে।’

আমাদের ওপর আস্থা রাখার জন্য এবং জাতির স্বপ্ন বাস্তবায়নের ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জনের গর্বিত অংশীদার হওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Jane Alam is the marketing head of Shanta Asset

শান্তা অ্যাসেটের বিপণন প্রধান হলেন জানে আলম

শান্তা অ্যাসেটের বিপণন প্রধান হলেন জানে আলম দেশের পরিচিত বিপণন ব্যক্তিত্ব জানে আলম রোমেল। ছবি: ফেসবুক থেকে নেয়া
শান্তা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান আরিফ খান বলেন, ‘এফএমসিজি, এয়ারলাইনস, ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন এবং ইলেকট্রনিকস ইন্ডাস্ট্রির মতো বৈচিত্র্যময় কর্মক্ষেত্র রোমেলের অভিজ্ঞতাকে পরিণত ও সমৃদ্ধ করেছে। আমরা আশাবাদী, তার ভিন্নধর্মী চিন্তাধারা, বিপণন নিয়ে ভিন্ন কিছু করার অদম্য ইচ্ছা আমাদের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে সহায়তা করবে।’

দেশের জনপ্রিয় বিপণন ব্যক্তিত্ব জানে আলম রোমেল শান্তা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের বিপণন, ডিজিটাল বিজনেস ও গ্রাহক পরিষেবার প্রধান হিসেবে সম্প্রতি যোগ দিয়েছেন।

তিনি শান্তার পুঁজিবাজার ব্যবসার অঙ্গসংস্থাসমূহ শান্তা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট, শান্তা সিকিউরিটিজ এবং শান্তা ইকুইটির সামগ্রিক বিপণন কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

শান্তা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের ভাইস চেয়ারম্যান আরিফ খান বলেন, ‘এফএমসিজি, এয়ারলাইনস, ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন এবং ইলেকট্রনিকস ইন্ডাস্ট্রির মতো বৈচিত্র্যময় কর্মক্ষেত্র রোমেলের অভিজ্ঞতাকে পরিণত ও সমৃদ্ধ করেছে। আমরা আশাবাদী, তার ভিন্নধর্মী চিন্তাধারা, বিপণন নিয়ে ভিন্ন কিছু করার অদম্য ইচ্ছা আমাদের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে সহায়তা করবে।’

শান্তা অ্যাসেটে যোগদানের আগে জানে আলম রোমেল ছয় বছর আইডিএলসি ফাইন্যান্সের চিফ মার্কেটিং অফিসার হিসেবে কাজ করেছেন।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ শেষ করার পর জানে আলম ২০০৫ সালে এমজিএইচ গ্রুপে তার কর্মজীবন শুরু করেন। পরে সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস বাংলাদেশের বিক্রয় ও বিপণন প্রধান হিসেবে যোগ দেন।

কর্মজীবনের দীর্ঘ সময় তিনি আইডিএলসি ফাইন্যান্সের মার্কেটিং কমিউনিকেশনের প্রধান এবং র‌্যাংগস ইন্ডাস্ট্রিজের মার্কেটিং প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

শান্তা আসেট ম্যানেজমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ এমরান হাসান বলেন, ‘জানে আলম রোমেলকে আমাদের মাঝে পেয়ে আমরা আনন্দিত। কাজের প্রতি তার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি, কর্ম-উদ্দীপনা, বিক্রয় এবং বিপণনের বিস্তৃত অভিজ্ঞতা আমাদের আরও সমৃদ্ধ করবে বলে আশা রাখি।’

আরও পড়ুন:
ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ধারা ভাঙছে ওয়্যার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Books worth crores of rupees wasted in Ban water

বানের জলে নষ্ট ‘কোটি টাকার’ বই

বানের জলে নষ্ট ‘কোটি টাকার’ বই বন্যার পানি ঢুকে পড়ে সিলেটের সবচেয়ে বড় বইয়ের মার্কেট রাজা ম্যানশনে। ছবি: নিউজবাংলা
রাজা ম্যানশন ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক তানভীর হোসেন রহিম বলেন, ‘বন্যার পানিতে মার্কেটের নিচতলার সবগুলো দোকান এবং প্রতিষ্ঠানই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। কেবল বই ব্যবসায়ীদেরই ক্ষতি হয়েছে কোটি টাকার মতো।’

সিলেটের সবচেয়ে বড় বইয়ের মার্কেট রাজা ম্যানশন। গত ১৮ জুন এই মার্কেটে বন্যার পানি ঢুকে নিচের তলা পুরোপুরি ডুবে যায়। এতে কোটি টাকার বই নষ্ট হয়ে গেছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।

গত ১৫ জুন থেকে সিলেটে বন্যা দেখা দেয়। এর দুদিন পর থেকে ভয়ংকর রূপ নেয় বন্যা। ১৮ জুন সকাল থেকে টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় নগরের উঁচু এলাকাগুলোও। ওইদিন পানি ঢুকে পড়ে নগরের প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা জিন্দাবাজারের বেশির ভাগ শপিং মল ও দোকানপাটে।

পানি ঢোকে জিন্দাবাজার এলাকার রাজা ম্যানশনেও। মার্কেটের নিচতলার অর্ধশত বইয়ের দোকান, ছাপাখানা ও কম্পিউটারের দোকানে পানি ঢুকে পড়ে।

রাজা ম্যানশনের ব্যবসায়ীরা বলছেন, ১৬ জুন বৃহস্পতিবার রাতে তারা জিন্দাবাজার এলাকা পানিশূন্য অবস্থায় দেখে ঘরে ফেরেন। পরের দিন শুক্রবার মার্কেট বন্ধ ছিল। আর ১৮ জুন শনিবার সকালে এসে দেখতে পান পানিতে তলিয়ে গেছে মার্কেট। পানি ঢুকে পড়েছে নিচতলার সব দোকানে। অনেক দোকানে কোমর সমান পানিও জমা হয়।

বানের জলে নষ্ট ‘কোটি টাকার’ বই

তারা আরও জানান, পানিতে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বই ব্যবসায়ীরা। বইয়ের দোকানের নিচের তাকগুলোয় থাকা সব বই ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। এখন এগুলো ফেলে দিতে হচ্ছে।

শনিবার রাজা ম্যানশনে গিয়ে দেখা যায়, মার্কেট থেকে পানি নেমে গেছে। ভিজে নষ্ট হওয়া বই ভ্যানে করে সরিয়ে নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। কিছু বই আবার রোদে শুকানোর চেষ্টা করছেন তারা।

এ সময় কথা হয় মার্কেটের শুভেচ্ছা লাইব্রেরির স্বত্বাধিকারী তানজিল হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমার দোকান মার্কেটের একেবারে সম্মুখে। তাই বন্যার পানি প্রথমে আমার দোকানেই ঢুকে পড়ে। পানিতে দোকানের প্রায় ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার বই ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। এগুলো আর ব্যবহারের উপযোগী নয়।’

তিনি বলেন, ‘রাজা ম্যানশনে বন্যার পানি ঢুকবে তা কখনও কল্পনাও করিনি। অথচ নিমিষেই পানিতে তলিয়ে গেল মার্কেটের পুরো নিচতলা। এখন ক্ষতি কীভাবে কাটিয়ে উঠবো তা বুঝতে পারছি না।’

প্যারাগন লাইব্রেরির বিক্রেতা আকাশ আহমদ বলেন, ‘আমাদের অন্তত ৭ লাখ টাকার বই নষ্ট হয়েছে। নষ্ট হওয়া বইগুলো পুরনো কাগজের ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে দিতে হয়েছে। যেগুলো অল্প ভিজেছে সেগুলো শুকিয়ে ঠিক করা যায় কি না সে চেষ্টা করছি।’

বানের জলে নষ্ট ‘কোটি টাকার’ বই

জানা গেছে, বইয়ের পাশাপাশি ক্ষতি হয়েছে মার্কেটের নিচতলার ছাপাখানা ও কম্পিউটার ব্যবসায়ীদেরও।

প্যারাডাইস প্রেস নামের একটি ছাপাখানার কর্মকর্তা সুমন বক্স বলেন, ‘আমাদের প্রেস মেশিনসহ অন্যান্য যন্ত্রাংশে পানি ঢুকে গেছে। এগুলোর মেরামত কাজ চলছে। ফলে ছাপাখানা আপাতত বন্ধ আছে।’

রাজা ম্যানশন ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক তানভীর হোসেন রহিম বলেন, ‘বন্যার পানিতে মার্কেটের নিচতলার সব দোকান এবং প্রতিষ্ঠানই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। কেবল বই ব্যবসায়ীদেরই ক্ষতি হয়েছে কোটি টাকার মতো।’

ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি পুস্তক ব্যবসায়ী সমিতির কেন্দ্রীয় নেতাদের অভিহিত করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘করোনার আগেও আমরা বড় ক্ষতির মুখে পড়েছিলাম। এবার বন্যার কারণে ক্ষতির মুখে পড়তে হলো। বন্যা আমাদের সব মূলধন নিয়ে চলে গেল।’

আরও পড়ুন:
‘যেখানে এখনও ত্রাণ পৌঁছেনি, আমরা নিয়ে যাচ্ছি’
বন্যায় মৃত্যু নিয়ে সুনামগঞ্জের ডিসির বক্তব্য অসত্য, দাবি বিএনপির
‘কেউ খবর নেয় না’
এত ত্রাণ, তবু কেন হাহাকার
আসামে বন্যায় মৃত ১১৭

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The decision to reduce the price of edible oil took a day or two

ভোজ্যতেলের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত দু-এক দিনেই

ভোজ্যতেলের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত দু-এক দিনেই ফাইল ছবি
ভোজ্যতেলের দাম নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে বাণিজ্যসচিব বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমে গেছে, সেই হিসেবে দেশেও দাম কমানো হবে।’

আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কিছুটা কমে আসায় দেশেও ভোজ্যতেলের দাম দু-এক দিনের মধ্যে কমানোর সিদ্ধান্ত আসতে যাচ্ছে।

রোববার দুপুরে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার দ্বাদশ মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্সে আলোচনার নানা দিক তুলে ধরতে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন বাণিজ্যসচিব তপন কান্তি ঘোষ।

ভোজ্যতেলের দাম নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে বাণিজ্যসচিব বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমে গেছে, সেই হিসেবে দেশেও দাম কমানো হবে।’

দাম কমলে কত কমানো হতে পারে- এমন প্রশ্নে তপন কান্তি ঘোষ বলেন, ‘আগামী দু-এক দিনের মধ্যে কিংবা চলতি সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে বৈঠক করা হবে।

‘সেখানে আন্তর্জাতিক দাম অনুযায়ী দেশে গত এক মাসের মূল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সেই দাম নির্ধারণ করা হবে। তবে ডলারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় খুব বেশি কমানো সম্ভব নাও হতে পারে।’

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউ সেলের মহাপরিচালক মো. হাফিজুর রহমান ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সয়াবিন তেল মিলছে আগের দামেই
দেশে ৪০ ভাগ ভোজ্যতেল উৎপাদনের পরিকল্পনা
ভোজ্যতেলের দাম কমার আভাস বাণিজ্যমন্ত্রীর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Agreement between Teletalk and Metropolitan Police

টেলিটক ও মেট্রোপলিটন পুলিশের মধ্যে চুক্তি

টেলিটক ও মেট্রোপলিটন পুলিশের মধ্যে চুক্তি
চুক্তি সই অনুষ্ঠানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিআইজি (প্রশাসন) মীর রেজাউল আলম উপস্থিত ছিলেন।

টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মধ্যে কর্পোরেট ডিজিটাল সার্ভিসেস প্রদান সংক্রান্ত একটি চুক্তি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এই চুক্তি হয় বলে টেলিটকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

চুক্তি সই অনুষ্ঠানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিআইজি (প্রশাসন) মীর রেজাউল আলম, উপপুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর ও প্রশাসন) টুটুল চক্রবর্তী এবং টেলিটকের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির মহাব্যবস্থাপক (মার্কেটিং এন্ড ভ্যাস) তাহমিনা খাতুন, অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক (ভ্যাস) আল-রাজ্জাকুজ্জামানসহ দুই প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
বন্যার্তদের টেলিটকের ১৫ মিনিট ফ্রি টক টাইম
গ্রাহকদের সঙ্গে কথা বললেন টেলিটকের এমডি
সাক্ষীকে মামলার তারিখ জানাবে টেলিটক

মন্তব্য

p
উপরে