× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
The government has made the country a hybrid to foreign countries Musharraf
hear-news
player
print-icon

সরকার বিদেশের কাছে দেশকে হাইব্রিড বানিয়েছে: মোশাররফ

সরকার-বিদেশের-কাছে-দেশকে-হাইব্রিড-বানিয়েছে-মোশাররফ
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফুটবল টুর্নামেন্টে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
মোশাররফ বলেন, ‘দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ আজ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। যেখানেই যাচ্ছে সব জিনিসের দাম আকাশচুম্মি হওয়ায় মানুষ থমকে দাঁড়াচ্ছে। ঘরে, বাইরে অস্থির অবস্থা বিরাজ করছে।’

সরকার দেশকে বিদেশের কাছে হাইব্রিড বানিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি বলেন, ‘গায়ের জোরে টিকে থাকা এ সরকারের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে।

‘এই সরকারের অনতিবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে।’

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিএনপির জাতীয় ক্রীড়া কমিটির উদ্যোগে সদর উপজেলার শহীদ আবুল কাশেম মহাবিদ্যালয় মাঠে জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে এসব কথা বলেন তিনি।

টুর্নামেন্টে লালমনিরহাট জেলা বিএনপি বনাম রংপুর মহানগর বিএনপির মধ্যে ফাইনাল খেলা হয়।

মোশাররফ বলেন, ‘দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ আজ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। যেখানেই যাচ্ছে সব জিনিসের দাম আকাশচুম্মি হওয়ায় মানুষ থমকে দাঁড়াচ্ছে। ঘরে, বাইরে অস্থির অবস্থা বিরাজ করছে।’

এ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হবে না উল্লেখ করে বিএনপি জ্যেষ্ঠ এই নেতা বলেন, ‘শুধু তাই নয় বিএনপি এই ফ্যাসিবাদী সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে যাবে না। খালেদা জিয়াকে মুক্তি, তারেক রহমানকে দেশে এনে সুস্থ রাজনীতির নিশ্চয়তা ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আরও বলেন, ‘এই সরকারের আমলে গণতন্ত্র হারিয়ে গেছে। হারানো গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনাই আমাদের আজকের সংগ্রাম। এই ফ্যাসিবাদী সরকার আমাদের ৬ শতাধিক নেতাকর্মীকে গুম করেছে। অসংখ্য নেতাকর্মীকে খুন করেছে। এই সরকারের আমলে দেশের কোনো কিছুই নিরাপদ নয়।’

আরও পড়ুন:
খুলনায় ছাত্রলীগ-বিএনপি সংঘাত যেভাবে
বিএনপির সমাবেশে সংবাদকর্মীরা লাঞ্ছিত
বিএনপির সঙ্গে না থাকার ঘোষণা ৬০ নেতার
বিএনপির প্রতিবাদ সভায় ছাত্রলীগের ‘হামলা’
বিএনপির ষড়যন্ত্র রুখতে পাড়ায় পাড়ায় পাহারা বসান: কৃষিমন্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
MP Harun is afraid to cross the Padma bridge

পদ্মা সেতু পার হতে ভয় পাচ্ছেন এমপি হারুন

পদ্মা সেতু পার হতে ভয় পাচ্ছেন এমপি হারুন বিএনপির দলীয় এমপি হারুনুর রশীদ। ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এমন আতঙ্কের কথা বলেন হারুনুর রশীদ।

পদ্মা সেতু পারাপারে সংসদের নিজের আতঙ্কের কথা তুলে ধরেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন অনুষ্ঠানের দাওয়াত দিলেন। জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ এবং ভাঙ্গার সংসদ সদস্য নিক্সন চৌধুরী সেতু হওয়ার পর তাদের বাড়ি যাওয়ার দাওয়াত করেছেন। কিন্তু আওয়ামী লীগের শাজাহান খানসহ অনেকেই পদ্মা সেতু দিয়ে পার হতে নিষেধ করছেন।

হারুন বলেন, ‘পদ্মা পার হতে আমি আতঙ্কে আছি। পার হতে গেলে আমাকে ডুবিয়ে দেবে কি-না, ফেলে দেবে কি না নদীতে! আমি তো ভয়ের মধ্যে আছি।’

রোববার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন হারুনুর রশীদ।

তিনি আরও বলেন, ‘একদিকে দাওয়াত দিবেন, অন্যদিকে ভয় দেখাবেন। আমি তো আতঙ্কে আছি।

এ সময় পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের আগের পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতু আমাদের জন্য গৌরবের। এটা নিয়ে তির্যক মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, বিএনপির মন খারাপ, বুকে বড় জ্বালা।

‘আমাদের মন খারাপ না। আমাদের মন খারাপ হবে কেন? আমরা আনন্দে আছি। আমাদের মন খারাপ হচ্ছে- আমরা মুজিবর্ষ পালন করলাম, আমরা পদ্মা ব্রিজ উদ্বোধন করলাম, কিন্তু দেশে যে গুম ও খুনের সংস্কৃতি চালু হয়েছে- আমরা এখান থেকে কি বের হতে পারব? ভোটের অধিকার হারিয়ে ফেলেছি, সেটা কি ফিরিয়ে আনতে পারব?’

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতুতে দুর্ঘটনায় দুই বাইকারের মৃত্যু
পদ্মা সেতুতে নাট খোলা বাইজীদ পটুয়াখালীর, করতেন ছাত্রদল
বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ৮ মিনিট বন্ধ পদ্মা সেতুর টোল আদায়
পদ্মা সেতু: যাতায়াত শুরু হলেও পণ্য পরিবহনে নেই সুফল
পদ্মা সেতু নিয়ে খুশি হতে পারেনি বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Syndicate barring workers from going to Malaysia

‘মালয়েশিয়ায় শ্রমিক যেতে বাধা সিন্ডিকেট’

‘মালয়েশিয়ায় শ্রমিক যেতে বাধা সিন্ডিকেট’
রুস্তম ফরাজী বলেন, ‘বারবার মালয়েশিয়া সফর করেও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় দেশটিতে শ্রমশক্তি রপ্তানি শুরুর ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যের কারণে এটা সম্ভব হচ্ছে না।’

বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় শ্রমশক্তি রপ্তানিতে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা হলেও সিন্ডিকেটের কারণে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) সংসদ সদস্য রুস্তম আলী ফরাজী।

রোববার একাদশ জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশনে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।

রুস্তম ফরাজী বলেন, মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী স্পষ্ট করেই আমাদের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীকে জানালেন যে তারা বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেবেন। আমাদের মন্ত্রী ওখানে গেলেন। আলোচনা হলো। তখন মালয়েশিয়া বলল, আপনারা সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাদের জানান। কিন্তু বারবার মালয়েশিয়া সফর করেও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। সেটা শুধুই সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যের কারণে।

‘কয়েকটি বিশেষ গোষ্ঠীকে আমরা যদি সুযোগ দিই তাহলে ব্যয় বেড়ে যাবে। এখন মালয়েশিয়ায় যাওয়া যায় ১ লাখ ২৫ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকায়। তখন লাগবে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা। দেশের নিম্নবিত্ত ও সাধারণ মানুষ কী করে এত টাকা সংগ্রহ করবে?’

প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে রুস্তম ফরাজী বলেন, টালবাহানা না করে আপনারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিন। সবাইকে ছেড়ে দিন, ওনাদের সঙ্গে আলোচনা করুন। মানুষ যাতে কর্মসংস্থানের জন্য অল্প টাকায় মালয়েশিয়ায় যেতে পারে সে ব্যবস্থা করুন।

সমস্যা আশু সমাধানে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্যোগ নেয়ার অনুরোধ জানান রুস্তম ফরাজী। তিনি বলেন, ‘সাধারণ ঘরের সন্তানরা মালয়েশিয়ায় গেলে কর্মসংস্থান হবে, রেমিট্যান্স আসবে। দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে।’

আরও পড়ুন:
‘যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপির লবিংয়ের প্রমাণ আছে’
সংসদের ষষ্ঠদশ অধিবেশন: ডিএমপির যত নিষেধাজ্ঞা
সংসদ অধিবেশন বসছে ১৬ জানুয়ারি
সংসদ অধিবেশনে ডিএমপির যত নিষেধাজ্ঞা
সংসদ অধিবেশন বসছে ১৪ নভেম্বর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Khaledas two granddaughters

খালেদার পাশে দুই নাতনি

খালেদার পাশে দুই নাতনি খালেদা জিয়ার সঙ্গে কোকোর বড় মেয়ে জাহিয়া রহমান। ফাইল ছবি
সূত্র জানায়, দাদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ও তার স্বাস্থ্যগত খোঁজখবর নিতে আরাফাত রহমান কোকোর দুই মেয়ে জাহিয়া রহমান ও জাইফা রহমান রোববার বিকেলে খালেদা জিয়ার গুলাশনের বাসভবন ফিরোজায় আসেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে তার গুলশানের বাসভবনে এসেছেন দুই নাতনি।

সূত্র জানায়, দাদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ও তার স্বাস্থ্যগত খোঁজখবর নিতে আরাফাত রহমান কোকোর দুই মেয়ে জাহিয়া রহমান ও জাইফা রহমান রোববার বিকেল পৌনে ৩টার দিকে খালেদা জিয়ার গুলাশনের বাসভবন ফিরোজায় আসেন। রাত সাড়ে ৭টার দিকেও তারা সেখানেই অবস্থান করছিলেন।

তবে এ বিষয়ে আর কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান দুই মেয়েকে নিয়ে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন। সম্প্রতি তারা দেশে আসেন।

খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে মারা যান।

আরও পড়ুন:
ওমিক্রনের ‘শঙ্কায়’ বাসায় ফিরলেন খালেদা জিয়া
খালেদা জিয়া বাসায় ফিরতে পারেন সন্ধ্যায়
মানহানির দুই মামলায় স্থায়ী জামিন খালেদা জিয়ার
সিসিইউ থেকে কেবিনে খালেদা জিয়া
খালেদা জিয়া এখনও নিবিড় পর্যবেক্ষণে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP could not be happy with Padma bridge Information Minister

পদ্মা সেতু নিয়ে খুশি হতে পারেনি বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী

পদ্মা সেতু নিয়ে খুশি হতে পারেনি বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী
‘পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান অভিনন্দন জানালেও দুঃখজনক সত্য যে বিএনপি অভিনন্দন জানাতে পারেনি। অর্থাৎ পদ্মা সেতু হওয়াতে দেশ ও বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা সমস্ত বাঙালি, বাংলাদেশিরা আনন্দিত হলেও বিএনপি নেতারা খুশি হতে পারেননি এবং অভিনন্দন জানাতে ব্যর্থ হয়ে তারা স্বীকার করে নিয়েছেন যে পদ্মা সেতুর বিরুদ্ধে তারা ষড়যন্ত্র করেছিলেন।’

পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় বিএনপি খুশি হতে পারেনি বলে মনে করেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। দেশ ছাড়াও বিভিন্ন দেশ থেকে অভিনন্দন বার্তা এলেও বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো বার্তা না পাওয়ায় এই বিশ্বাস জন্মেছে মন্ত্রীর।

দেশের সবচেয়ে বড় সেতুটিতে যান চলাচল শুরুর দিন রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন হাছান মাহমুদ। এ সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।

আগের দিন পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হলেও বিএনপির সাত নেতা তাতে যোগ দেননি। দেশজুড়ে তুমুল আলোচিত এই সেতুটি নিয়ে সেদিন বিএনপির নেতারা পুরোপুরি চুপ।

এই সেতু নির্মাণের সময় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া একাধিকবার বলেছেন, আওয়ামী লীগ এই সেতু নির্মাণ করতে পারবে না। আর জোড়াতালির সেতু নির্মাণ করলেও সেটি ভেঙে পড়ে যাবে।

সেতু নির্মাণকাজ শুরু করার আগে বিশ্বব্যাংক পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতিচেষ্টার যে অভিযোগ তুলেছিল, সেটিই এখনও বিএনপি নেতারা বলে যাচ্ছেন। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর জবাব দিয়ে বলেছেন, ২০১৭ সালে কানাডার আদালত এই অভিযোগকে বায়বীয় ও গালগপ্প বলে উড়িয়ে দিয়েছে। এরপর আর কোনো কথা থাকতে পারে না। তবে বিএনপি নেতারা কানাডা আদালতের রায় নিয়ে কোনো কথা বলেন না।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান অভিনন্দন জানালেও দুঃখজনক সত্য যে বিএনপি অভিনন্দন জানাতে পারেনি।

‘অর্থাৎ পদ্মা সেতু হওয়াতে দেশ ও বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা সমস্ত বাঙালি, বাংলাদেশিরা আনন্দিত হলেও বিএনপি নেতারা খুশি হতে পারেননি এবং অভিনন্দন জানাতে ব্যর্থ হয়ে তারা স্বীকার করে নিয়েছেন যে পদ্মা সেতুর বিরুদ্ধে তারা ষড়যন্ত্র করেছিলেন।

‘এরপরও এই পদ্মা সেতু প্রধানমন্ত্রী সবার জন্যই নির্মাণ করেছেন, যারা প্রশংসা করতে ব্যর্থ হয়েছেন তারাও এই সেতু ব্যবহার করবেন।’

সাংবাদিকদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দেয়া করোনাকালীন বিশেষ সহায়তার অবশিষ্ট টাকা ঈদের আগেই বিতরণ করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী। বলেন, ‘এ বছর সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে সাংবাদিকদের কল্যাণার্থে সাধারণ খাতে ৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা ছিল, তন্মধ্যে ৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ইতোমধ্যেই বিতরিত হয়েছে, বাকি অর্থ বিতরণে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।

‘এর বাইরে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত করোনাকালীন বিশেষ সহায়তার ১০ কোটি টাকার তহবিলের প্রায় ৬ কোটি টাকা বিতরণ হয়েছে, আর ৪ কোটি টাকার সিংহভাগ আগামী কোরবানি ঈদের আগেই বিতরণ করার প্রক্রিয়া হাতে নেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতুমুখী সড়কে চাপ: যানজটে নাকাল শরীয়তপুরবাসী
প্রথম বাসে চড়তে টিকিট সংগ্রহ ৩ দিন আগে
বাধাহীন যাতায়াতে মাতোয়ারা মানুষ
পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে নৌকা চালাতে বাধা
পদ্মা সেতু নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজতে রুলের শুনানি সোমবার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Australia wants twelfth parliamentary elections in a beautiful environment

সুন্দর পরিবেশে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন চায় অস্ট্রেলিয়া

সুন্দর পরিবেশে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন চায় অস্ট্রেলিয়া সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার জেরেমি ব্রুআর। ছবি: নিউজবাংলা
অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার জেরেমি ব্রুআর বলেন, ‘সিইসি ও আমার মধ্যে খুব সুন্দর আলোচনা হয়েছে। এটা খুব সময়োপযোগী আলোচনা হলো। নির্বাচনের কারিগরি ও অন্যান্য উপকরণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’

সুন্দর, খোলামেলা ও স্বচ্ছ পরিবেশে বাংলাদেশের আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেখতে চায় অস্ট্রেলিয়া।

রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের কাছে এমন প্রত্যাশার কথা জানান দেশটির হাইকমিশনার জেরেমি ব্রুআর।

অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার জেরেমি ব্রুআর বলেন, ‘সিইসি ও আমার মধ্যে খুব সুন্দর আলোচনা হয়েছে। এটি খুব সময়োপযোগী আলোচনা হলো। নির্বাচনের কারিগরি ও অন্যান্য উপকরণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’

কিছুদিন আগেই অস্ট্রেলিয়ায় নির্বাচন হলো উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘খুব সুন্দরভাবে ক্ষমতার পরিবর্তন হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার অস্ট্রেলিয়ায় নেই, নির্বাচনী ব্যবস্থার এমন অনেক সাদৃশ্য-বৈশাদৃশ্য নিয়ে আলোচনা হয়েছে। খুব সুন্দর ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার বলেন, ‘সুন্দর, খোলামেলা, স্বচ্ছ পরিবেশে নির্বাচন হতে হবে।’

এর আগে ৮ জুন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস সিইসির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বাংলাদেশে নির্বাচনে কে জিতবে না জিতবে, তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো মাথাব্যথা নেই বলে জানিয়েছিলেন ঢাকায় দেশটির রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস। তবে ভোট অংশগ্রহণমূলক হবে- এমন প্রত্যাশা ছিল তার।

আরও পড়ুন:
আগামী নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার
ফোনে ফল পাল্টানো অসম্ভব: সিইসি
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট বামপন্থি সাবেক গেরিলা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Mirza Fakhrul attacked again

ফের করোনা আক্রান্ত মির্জা ফখরুল

ফের করোনা আক্রান্ত মির্জা ফখরুল বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
শায়রুল বলেন, ‘শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্যারের কোভিড-১৯ ভাইরাস সংক্রমণ পরীক্ষায় পজিটিভ পাওয়া গিয়েছে। তিনি ডাক্তার রায়হান রাব্বানী সাহেবের তত্ত্বাবধানে আছেন।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আবারও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

শনিবার বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

শায়রুল বলেন, ‘শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্যারের কোভিড-১৯ ভাইরাস সংক্রমণ পরীক্ষায় পজিটিভ পাওয়া গিয়েছে। তিনি ডাক্তার রায়হান রাব্বানী সাহেবের তত্ত্বাবধানে আছেন।’

ছয় মাসের মধ্যে মির্জা ফখরুল এ নিয়ে দ্বিতীয়বার করোনা আক্রান্ত হলেন। চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি তিনি একবার করোনা পজিটিভ হয়েছিলেন।

মির্জা ফখরুলের করোনা প্রতিরোধী তিনটি টিকা নেয়া আছে।

দল ও পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে তার সুস্থতার জন্য দোয়া চাওয়া হয়েছে বলেও জানান বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির।

আগামীকাল রোববার বেলা ১১টায় জিয়াউর রহমানের কবরে নবগঠিত যুবদল কমিটির নেতাদের নিয়ে মির্জা ফখরুলের শ্রদ্ধা জানানোর কথা ছিল, সেটি স্থগিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সিলেটের বন্যার জন্য দায়ী কিশোরগঞ্জের সড়ক: বিএনপি
আ.লীগেরই শেখ হাসিনা ছাড়া কেউ নেই: ফখরুল
ফের করোনায় আক্রান্ত বিপ্লব বড়ুয়া
শনাক্ত হাজার ছাড়াল, হার ১৩.৩০ শতাংশ
পদ্মায় দুর্নীতি আড়াল করতেই ষড়যন্ত্র তত্ত্ব: রিজভী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Today I feel happy like Eid

‘আজ ঈদের মতো খুশি লাগছে’

‘আজ ঈদের মতো খুশি লাগছে’ শিবচরে পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত জনসভার একাংশ। ছবি: নিউজবাংলা
মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ মোল্লা তার বক্তব্যে বলেন, ‘আজ আমাদের ঈদের মতো খুশি লাগছে। এই বিজয় পুরোটাই প্রধানমন্ত্রীকে উৎসর্গ করলাম। আমরা তার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ থাকব।’

মাদারীপুরের শিবচরে পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে জনসভায় বক্তব্য দেয়ার সময় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশাল জনসভা মঞ্চে ওঠার আগে বক্তব্য দেন জাতীয় ও স্থানীয় নেতারা। মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উচ্ছ্বসিত হয়ে বলেন, আজ ঈদের দিনের মতো খুশি লাগছে।

শনিবার সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে সভার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এ সময় বিভিন্ন স্তরের নেতারা বক্তব্য রাখেন। প্রত্যেক নেতার বক্তব্যে ছিল উচ্ছ্বসিত, উল্লসিত।

সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক।

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আব্দুস সোবাহান গোলাপ সভা পরিচালনা করেন।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাজাহান খান, আব্দুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল, মির্জা আজম, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, সংসদ সদস্য শেখ হেলাল।

আব্দুর রহমান বলেন, এই বিজয় শুধু দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলবাসীর বিজয় নয়, এটা পুরো বাংলাদেশের বিজয়। এই বিজয়ের মহানায়ক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি প্রধানমন্ত্রী না হলে এ দেশে পদ্মা সেতু হতো না। আমরা নতুন করে আরেকটি বিজয় পেলাম।’

শাজাহান খান বলেন, ‘দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের প্রাণের দাবি ছিল পদ্মা সেতু। বিএনপি শুধু ফাঁকা বুলি দিয়ে গেছে, তারা কোনো কাজে আসেনি। শেখ হাসিনার পক্ষেই সম্ভব হয়েছে পদ্মা সেতুর মতো এত বড় কর্মযজ্ঞ শেষ করতে। আমাদের আজ বিজয় উল্লাসের দিন। দিনটি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী বলেন, ‘আমরা জনসভার আয়োজক হিসেবে উদ্বোধন অনুষ্ঠান ছাড়াও ছয় দিন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি।’

মাদারীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ মোল্লা তার বক্তব্যে বলেন, ‘আজ নতুন করে স্বাধীনতার স্বাদ পেলাম। আমাদের ঈদের দিনের মতো খুশি লাগছে। এই বিজয় পুরোটাই প্রধানমন্ত্রীকে উৎসর্গ করলাম। আমরা তার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ থাকব।’

মাদারীপুরের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে উপস্থিত হন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেলা ১টা ৮ মিনিট থেকে ১টা ২৩ মিনিট পর্যন্ত বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন:
বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে খুলনায় পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উদযাপন
নিজস্ব অর্থের জোগান এলো যেভাবে
‘সাহসী’ প্রধানমন্ত্রীকে জাফরুল্লাহর ধন্যবাদ
পদ্মায় সেতু: অতীত নয়, সামনে তাকাতে চায় বিশ্বব্যাংক
করোনায় পদ্মা সেতুর অনুষ্ঠানে যেতে পারেননি ৩ এমপি

মন্তব্য

p
উপরে