× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
My village my city sure dream ambulance
google_news print-icon

‘আমার গ্রাম, আমার শহর’ নিশ্চিতে ‘স্বপ্নযাত্রা’ অ্যাম্বুলেন্স

আমার-গ্রাম-আমার-শহর-নিশ্চিতে-স্বপ্নযাত্রা-অ্যাম্বুলেন্স
লক্ষ্মীপুরে মানুষকে সেবা দিতে প্রতিটি গ্রাম-গঞ্জে যাচ্ছে স্বপ্নযাত্রা নামের অ্যাম্বুলেন্স। ছবি: নিউজবাংলা
জেলা প্রশাসক আনোয়ার হোছাইন আকন্দ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন আমরা পূরণ করতে চাই। আমরা শহরের সুবিধা গ্রামেরও পৌঁছাতে চাই। সে লক্ষেই এই উদ্যোগ। আমরা এতে ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। সারা দেশে এ কার্যক্রম ছড়িয়ে দিতে পারলে গ্রামীণ জনপদে মৃত্যুর হার অনেক কমে আসবে।’

সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে ও জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ব্যতিক্রম উদ্যোগ নিয়েছে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসন। অসহায়, দুস্থ, প্রতিবন্ধীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সেবা দিতে প্রতিটি গ্রাম-গঞ্জে যাচ্ছে ‘স্বপ্নযাত্রা’ নামের অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস।

এতে সাধারণ মানুষ সহজে সেবা নিতে পারবে। কমবে দুর্ভোগসহ নানা হয়রানি। প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ‘আমার গ্রাম, আমার শহর’ প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে লক্ষ্মীপুরে গ্রামীণপর্যায়ে সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা দিতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে একটি অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে শুরু হওয়া কার্যক্রমটি এখন পরিচালিত হচ্ছে ১০টি অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে। এই অ্যাম্বুলেন্সগুলো জেলার ৫৮টি ইউনিয়ন পর্যায়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের তহবিল থেকে কেনা হয়েছে অ্যাম্বুলেন্সগুলো। ২৪ ঘণ্টায় সদরসহ জেলার ৫টি উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে যাচ্ছে ‘স্বপ্নযাত্রা’।

‘আমার গ্রাম, আমার শহর’ নিশ্চিতে ‘স্বপ্নযাত্রা’ অ্যাম্বুলেন্স

সহজেই মানুষ অ্যাপের মাধ্যমে এই সার্ভিস ব্যবহারও করতে পারছেন। সে জন্য গুগল প্লে স্টোরে দেয়া হয়েছে স্বপ্নযাত্রা নামের একটি অ্যাপ, যা ডাউনলোড করে সেবার বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

সদর উপজেলার হামছাদীর আয়েশা বেগমের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, হঠাৎ বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। হাসপাতালে নিতে বিভিন্ন স্থানে অ্যাম্বুলেন্স খুঁজে না পেয়ে ‘স্বপ্নযাত্রা’ অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস সেবা কার্যক্রমে কল দেন স্বজনরা। স্বল্প খরচে অল্প সময়ে বাড়িতে পৌঁছে যায় অ্যাম্বুলেন্স। স্বল্প সময়েই পৌঁছান হাসপাতালে। কয়েক দিন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাসায় ফেরেন তিনি।

উত্তর হামছাদীর নাজমুল করিম টিপু বলেন, ‘প্রতি কিলোমিটার রোগীদের কাছ থেকে এসি গাড়ি ২০ টাকা হারে নেয়া হচ্ছে। যেখানে প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স করে ভাড়া দিতে হয় ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা। সেখানে এ সার্ভিসের মাধ্যমে নেয়া হচ্ছে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা।’

এমন সেবায় খুশি তারা। তাদের ভাষ্য, তারা সহজে যেমন সার্ভিস পাওয়া যাচ্ছে, তেমনি স্বল্প খরচে সবাই সেবাও নিতে পারছেন।

সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম সালাউদ্দিন টিপু বলেন, ‘কম খরচে ও সঠিক সময়ে এ সেবা পেয়ে খুশি সাধারণ মানুষ। এ সেবা কার্যক্রম জেলাজুড়ে ব্যাপক সাড়া মিলেছে।’

প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনিও। তার দাবি, এ ‘স্বপ্নযাত্রা’ অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের মাধ্যমে সমাজের খেটে খাওয়া মানুষগুলো স্বাস্থ্যসেবা নিতে সহজ হবে। ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগকে সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়ার দাবি জানান তিনি।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান হোসেন বলেন, 'আমার গ্রাম, আমার শহর’ প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নে লক্ষ্মীপুরে গ্রামীণপর্যায়ে সাধারণ মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে ‘স্বপ্নযাত্রা’ অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস চালু করা হয়েছে। সরকারি অনুদানে নয়, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের নিজস্ব অর্থায়নে চলছে এ কার্যক্রম।’

জেলা প্রশাসক আনোয়ার হোছাইন আকন্দ বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন আমরা পূরণ করতে চাই। আমরা শহরের সুবিধা গ্রামেও পৌঁছাতে চাই। সে লক্ষেই এই উদ্যোগ। আমরা এতে ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। সারা দেশে এ কার্যক্রম ছড়িয়ে দিতে পারলে গ্রামীণ জনপদে মৃত্যুর হার অনেক কমে আসবে।’

এটি অব্যাহত রাখার ঘোষণাও দেন জেলা প্রশাসক। পাশাপাশি এ কার্যক্রমে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বানও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
ভারতের উপহারের আরও ৪০ অ্যাম্বুলেন্স বেনাপোলে
মোদির উপহারের ৪০ অ্যাম্বুলেন্স ঢাকা আসছে বৃহস্পতিবার
বেনাপোল ছেড়েছে ভারতের উপহারের ৩০ অ্যাম্বুলেন্স
ভারতের উপহারের ৩০ অ্যাম্বুলেন্স বেনাপোলে
চট্টগ্রামে বিনা মূল্যে মিলবে আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Health Minister suddenly visited three hospitals on the day of Eid

ঈদের দিন আকস্মিক তিন হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঈদের দিন আকস্মিক তিন হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছবি: বাসস
মন্ত্রী বলেন, ‘রোগীদের সঙ্গে আমি কথা বলেছি। কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। সকালে দেশের সকল হাসপাতালের পরিচালকদের মেসেজ পাঠিয়েছি৷ আমি এখন পর্যন্ত যতটুকু জানি, সব জায়গায় চিকিৎসা চলছে। কোথাও ব্যত্যয় ঘটেনি।’

ঈদের দিন আকস্মিকভাবে রাজধানীর মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিট পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে হাসপাতালগুলোতে পরিদর্শনে যান। ঈদ ছুটিতে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতেই মূলত তিনি হাসপাতালগুলো পরিদর্শন করেছেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, ‘মন্ত্রী হিসেবে এটা আমার প্রথম ঈদ। আশা করছি, দেশের মানুষ খুব সুন্দরভাবে ঈদ পালন করছেন। ঈদে লম্বা ছুটি। এর মধ্যেও দেশের কোনো হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবার ব্যাঘাত ঘটেনি।”

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শনকালে ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘আমি বুধবার কয়েকটা হাসপাতালে গিয়েছিলাম। আজকে আরও কয়েকটি হাসপাতালে যাব। গতকাল দুটি হাসপাতালে গিয়েছি, দুই জায়গায়ই আমি পর্যাপ্ত ডাক্তার ও নার্স পেয়েছি। আমি সন্তুষ্ট।’

তিনি বলেন, ‘রোগীদের সঙ্গেও আমি কথা বলেছি। কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। সকালে দেশের সকল হাসপাতালের পরিচালকদের মেসেজ পাঠিয়েছি৷ আমি এখন পর্যন্ত যতটুকু জানি, সব জায়গায় চিকিৎসা চলছে। কোথাও ব্যত্যয় ঘটেনি।’

স্বাস্থ্য মন্ত্রীর এই আকস্মিক পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
ঈদের ছুটিতে দুই হাসপাতাল পরিদর্শন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
ঈদের ছুটিতে কখন কোন হাসপাতালে যাব বলব না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BSMMUs external department will be closed for 4 days and the emergency department will be open

বিএসএমএমইউয়ের বহির্বিভাগ ৪ দিন বন্ধ, খোলা থাকবে জরুরি বিভাগ

বিএসএমএমইউয়ের বহির্বিভাগ ৪ দিন বন্ধ, খোলা থাকবে জরুরি বিভাগ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: উইকিমিডিয়া
রোগীদের সুবিধার্থে ১৩ এপ্রিল শনিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বিএসএমএমইউয়ের বহির্বিভাগ খোলা থাকবে। তাছাড়া প্রতিদিনই হাসপাতালের ইনডোর  ও জরুরি বিভাগ খোলা থাকবে। হাসপাতালের জরুরি ল্যাব সেবাও চালু থাকবে। 

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১০ থেকে ১৪ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) বহির্বিভাগ বন্ধ থাকবে ।

তবে রোগীদের সুবিধার্থে ১৩ এপ্রিল শনিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বিএসএমএমইউয়ের বহির্বিভাগ খোলা থাকবে। তাছাড়া প্রতিদিনই হাসপাতালের ইনডোর ও জরুরি বিভাগ খোলা থাকবে। হাসপাতালের জরুরি ল্যাব সেবাও চালু থাকবে।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ক্লাস, অফিস, বৈকালিক স্পেশালাইজড কনসালটেশন সার্ভিস, সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের কনসালটেশন সার্ভিস, পিসিআর ল্যাব, কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিনেশন কার্যক্রম বুধবার থেকে আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ১৪ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

পবিত্র ঈদুল ফিতর ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩১ বঙ্গাব্দের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. দীন মো. নূরুল হক। এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, ছাত্রছাত্রী, কর্মকর্তা, নার্স, কর্মচারী এবং শুভানুধ্যায়ীসহ দেশবাসীকে আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি।

পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটির দিনগুলোতে যাতে চিকিৎসা ব্যবস্থার কোনো ঘাটতি না হয়, সেজন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশ দিয়েছেন বিএসএমএমইউ উপাচার্য। রোগীদের উন্নতমানের খাবার পরিবেশনেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Health Minister visits two hospitals during Eid holidays

ঈদের ছুটিতে দুই হাসপাতাল পরিদর্শন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

ঈদের ছুটিতে দুই হাসপাতাল পরিদর্শন স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্যমন্ত্রী সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের জরুরি সেবা বিভাগ, বিভিন্ন ওয়ার্ড ও কিচেন এবং জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) পরিদর্শন করেন। ছবি: সংগৃহীত
মন্ত্রী বলেন, ‘প্রতি ঈদের ছুটিতে এই অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়, হাসপাতালে ডাক্তার, নার্স থাকেন না। সেবা নিতে আসা রোগীরা চিকিৎসা পায় না। এবার এটা হতে দেয়া যাবে না।’

ঈদুল ফিতরের ছুটিতে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা হচ্ছে কি না, তা দেখতে বুধবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

সচিবালয়ে মঙ্গলবার নিজ দপ্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘যাদের ডিউটি থাকবে, সেটা যাতে ব্যাহত না হয়, সেটা আমি নিজে মনিটর করব। আমি কখন, কোথায়, কোন হাসপাতালে যাব, সেটা বলব না।’

ওই বক্তব্যের এক দিন পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের জরুরি সেবা বিভাগ, বিভিন্ন ওয়ার্ড ও কিচেন এবং জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) পরিদর্শন করেন।

দুটি হাসপাতালে সেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। কোনো অভিযোগ থাকলে নিঃসংকোচে জানাতে বলেন তাদের।

হাসপাতাল দুটি পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সেখানকার চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে জড়িত কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন।

ওই সময় মন্ত্রী বলেন, ‘প্রতি ঈদের ছুটিতে এই অভিযোগ প্রায়ই শোনা যায়, হাসপাতালে ডাক্তার, নার্স থাকেন না। সেবা নিতে আসা রোগীরা চিকিৎসা পায় না। এবার এটা হতে দেয়া যাবে না।’

আরও পড়ুন:
ঈদের বার্তায় ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা বন্ধে জোর সৌদি বাদশাহর
বঙ্গবন্ধু সেতুতে এক দিনে ৯ হাজার ৩২৪ মোটরসাইকেল পার
কখন কোথায় ঈদের জামাত
দেশের যেসব জায়গায় ঈদ হচ্ছে আজ
চাঁদপুরের ৪০ গ্রামে ঈদ উদযাপিত হচ্ছে আজ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
I will not say when I will go to any hospital during the Eid holidays Health Minister

ঈদের ছুটিতে কখন কোন হাসপাতালে যাব বলব না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঈদের ছুটিতে কখন কোন হাসপাতালে যাব বলব না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। ফাইল ছবি
ঈদের ছুটির সময় ঢাকা ও ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে সশরীরে উপস্থিত থাকার কথা জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি নিজেই এ কয়দিন হাসপাতালগুলো মনিটর করব। শুধু ঢাকায় না, ঢাকার বাইরেও।’

ঈদের ছুটিতে স্বাস্থ্যসেবা পরিস্থিতি দেখতে আকস্মিক বিভিন্ন হাসপাতাল পরিদর্শনে যাবেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে মঙ্গলবার তিনি এ কথা বলেন বলে জানিয়েছে ইউএনবি।

মন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘যাদের ডিউটি থাকবে সেটা যাতে ব্যাহত না হয়, সেটা আমি নিজে মনিটর করব। আমি কখন, কোথায়, কোন হাসপাতালে যাব, সেটা বলব না।’

ঈদের ছুটির সময় ঢাকা ও ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোতে সশরীরে উপস্থিত থাকার কথা জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি নিজেই এ কয়দিন হাসপাতালগুলো মনিটর করব। শুধু ঢাকায় না, ঢাকার বাইরেও।’

হাসপাতালগুলোতে রোগী ও চিকিৎসকদের উন্নত খাবার দেয়ার আশ্বাস দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘সামনে ঈদুল ফিতর। এর পরপরই নববর্ষ। এ সময় অনেক বড় একটা ছুটি। ছুটিতে অনেকেই বাড়ি যান।

‘ঈদের সময় রোগীদের যেমন উন্নত খাবার দেয়া হবে, এবার আমি অফিশিয়ালি প্রত্যেক হাসপাতালের পরিচালক, ইনস্টিটিউট, উপজেলার সবাইকে বলে দিয়েছি, বন্ধের সময় যাতে চিকিৎসকদের উন্নত খাবার দেয়া হয়। সব দোকানপাট বন্ধ থাকে, ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করতে পারেন না তারা।’

ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘ডেঙ্গু এমন একটা রোগ, এখানে সচেতনতাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় জিনিস। সঠিক সময়ে হাসপাতালে ভর্তি না হতে পারলে ডেঙ্গুতে অনেক সময় মানুষ মারাও যায়। প্রথম বিষয় হলো আমাদের সচেতন হতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ডেঙ্গু মশার উপদ্রব বন্ধ করতে হবে। চিকিৎসা হলো পরের কথা। চিকিৎসা করার জন্য যা যা দরকার, সেটা নিয়ে আমরা অলরেডি একটা মিটিং করেছি। ঈদের পরে আবার বসব যেন চিকিৎসায় কোনো ঘাটতি না হয়।’

আরও পড়ুন:
প্রতিকূল আবহাওয়া মাথায় রেখেই ঈদের প্রধান জামাতের প্রস্তুতি: মেয়র তাপস
কেমন থাকতে পারে ঈদের দিনের আবহাওয়া
মহাসড়কে মানুষের ঢল, বাড়তি ভাড়ায় ভোগান্তি
পর্যটকদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত ‘চায়ের রাজধানী’
বঙ্গবন্ধু সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় ৪৩ হাজার বাহন পার, টোল উঠেছে সোয়া ৩ কোটি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Both women who received Sarahs kidneys died

সারাহ’র কিডনি গ্রহীতা দুই নারীই মারা গেলেন

সারাহ’র কিডনি গ্রহীতা দুই নারীই মারা গেলেন সারাহ ইসলাম। ফাইল ছবি
সারাহ ইসলামের কিডনি প্রতিস্থাপন করা রোগীদের একজন শামীমা আক্তার মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে বিএসএমএমইউ’র আইসিইউতে মারা গেছেন। কিডনি গ্রহীতা অপরজন হাসিনা হাসিনা এর আগে গত বছরের অক্টোবরে মারা যান। এর ফলে সারাহর কিডনি পাওয়া দুই নারীরই মৃত্যু হলো।

দেশে প্রথমবারের মতো ক্যাডাভেরিক কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট (ব্রেন ডেথ রোগীর অঙ্গ প্রতিস্থাপন) করা হয়। গত বছরের জানুয়ারি মাসে সারাহ ইসলাম নামে একজনের অঙ্গদানের মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্য সেবা খাতে এমন রেকর্ড সৃষ্টি হয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) শামীমা আক্তার ও হাসিনা নামে দুই রোগীর শরীরে ওই কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। বিষয়টি নিয়ে সে সময় নিউজবাংলায় প্রতিবেদনও প্রকাশ হয়।

সারাহ ইসলামের কিডনি প্রতিস্থাপন করা রোগীদের একজন শামীমা আক্তার মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে বিএসএমএমইউ’র আইসিইউতে মারা গেছেন। কিডনি গ্রহীতা অপরজন হাসিনা হাসিনা এর আগে গত বছরের অক্টোবরে মারা যান। এর ফলে সারাহর কিডনি পাওয়া দুই নারীরই মৃত্যু হলো।

বিএসএমএমইউ’র ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. হাবিবুর রহমান দুলাল মঙ্গলবার রাতে শামীমা আক্তারের মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘কিডনি গ্রহীতা প্রথম জন (হাসিনা) ফুসফুসের সংক্রমণে মারা গিয়েছিলেন। অপরজন শামীমাও চলে গেলেন। এটি খুবই কষ্টের। শামীমা শেষ ছয় মাস আমাদের আওতার বাইরে ছিলেন।’

তিনি বলেন, সম্প্রতি শামীমার ভাই জানায় যে শামীমার ক্রিয়েটিনিন বেড়ে গেছে, একেবারে শুকিয়ে গেছে। তিন সপ্তাহ আগে আবারও তাকে বিএসএমএমইউতে ভর্তি করা হয়। শুরুর দিকে কিছুটা উন্নতি হলেও শামীমার শুকিয়ে যাওয়ার কারণটা ধরতে পারছিলেন না চিকিৎসকরা।

‘ক্রিয়েটিনিন পুনরায় বাড়ায় ওয়ার্ড থেকে তাকে কেবিনে আনা হয়। তারপরও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় চার দিন আগে আইসিইউতে নেয়া হয়।’

ডা. হাবিবুর রহমান জানান, শামীমার শরীরে হেপাটাইটিস-সি ধরা পড়ে। কারও হেপাটাইটিস-সি পজিটিভ হলে রক্ত কাজ করে না। এজন্য বিশেষ রক্ত লাগে। সেটি দেয়ার পরও কিন্তু শেষ মুহূর্তে রেসপন্স করেনি। আর বাড়িতে থাকার সময় অবস্থা খারাপ হলেও সময়মতো আমাদের জানানো হয়নি।’

আরও পড়ুন:
পুরো দেহটাই দান করে গেছেন সারা
সারার কর্ণিয়া পাবে আরও দুজন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Khaleda Zia was admitted to the hospital late at night as her physical condition worsened

খালেদা জিয়াকে গভীর রাতে হাসপাতালে ভর্তি

খালেদা জিয়াকে গভীর রাতে হাসপাতালে ভর্তি গুলশানের বাসা থেকে খালেদা জিয়াকে বহনকারী গাড়িটি রাত আড়াইটার দিকে হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হয়। ছবি: বিএনপি মিডিয়া সেল
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য খালেদা জিয়াকে ভর্তি করা হয়েছে এভারকেয়ার হাসপাতালে।

শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় শনিবার গভীর রাতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য খালেদা জিয়াকে ভর্তি করা হয়েছে এভারকেয়ার হাসপাতালে। গুলশানের বাসা থেকে খালেদা জিয়াকে বহনকারী গাড়িটি রাত আড়াইটার দিকে হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হয়।

খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, লিভার, ফুসফুস, চোখের সমস্যাসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। অসুস্থতা বাড়লে মাঝে মাঝে তাকে হাপাতালে নিতে হচ্ছে।

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে স্বাস্থ্যের কিছু পরীক্ষা শেষে গত ১৪ মার্চ গুলশানের বাসায় ফেরেন খালেদা জিয়া। এর আগে ১৩ মার্চ রাতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

দুটি মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া কারাবন্দি ছিলেন। নির্বাহী আদেশে তার দণ্ড স্থগিত রয়েছে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয় বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ আদালত।

রায় ঘোষণার পর খালেদাকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রাখা হয়। এরপর ৩০ অক্টোবর এই মামলায় আপিলে তার আরও পাঁচ বছরের সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করে হাইকোর্ট।

খালেদা জিয়ার দণ্ড স্থগিত রেখে মুক্তির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়িয়ে বুধবার প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এ নিয়ে সরকারের নির্বাহী আদেশে আটবারের মতো তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হলো।

মুক্তির বর্ধিত মেয়াদে খালেদা জিয়া ঢাকার নিজ বাসায় থেকে চিকিৎসা নেবেন এবং এ সময় তিনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন খালেদা জিয়া
খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে ভর্তির কারণ জানালেন চিকিৎসক
ভুল চিকিৎসার অভিযোগে বন্ধ হাসপাতাল খুলল রফায়
খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে এলেন ফখরুল
খালেদার ১১ মামলার শুনানি ২২ এপ্রিল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Will not corrupt nor condone BSMMU Vice Chancellor

দুর্নীতি করব না, প্রশ্রয়ও দেব না: বিএসএমএমইউ উপাচার্য

দুর্নীতি করব না, প্রশ্রয়ও দেব না: বিএসএমএমইউ উপাচার্য ছবি: সংগৃহীত
নবনিযুক্ত উপাচার্য বলেছেন, ‘আমি কোনো দুর্নীতি করব না। কোনো দুর্নীতি প্রশ্রয়ও দেব না। আমি মানুষ হিসেবে ভুল করতেই পারি, তবে ভুল হলে ধরিয়ে দেবেন। আমার কাজের গতি যেন ত্বরান্বিত হয়, সে ব্যাপারে সহযোগিতা করবেন।’

কোনো ধরনের দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেবেন না বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ডা. দীন মোহাম্মদ।

তিনি বলেছেন, ‘আমি কোনো দুর্নীতি করব না। কোনো দুর্নীতি প্রশ্রয়ও দেব না। আমি মানুষ হিসেবে ভুল করতেই পারি, তবে ভুল হলে ধরিয়ে দেবেন। আমার কাজের গতি যেন ত্বরান্বিত হয়, সে ব্যাপারে সহযোগিতা করবেন।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডা. মিল্টন হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে দুপুর ১২টার দিকে উপাচার্যের কার্যালয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেন নতুন উপাচার্য।

দায়িত্ব নিয়েই সবার প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘আমি আপনাদেরই লোক, আমি বঙ্গবন্ধুর লোক, আমি প্রধানমন্ত্রীর লোক। আমাকে সবাই সহযোগিতা করবেন, ভুল হয়ে ধরিয়ে দেবেন। তবে কেউ আমাকে পিছু টানবেন না।’

তিনি বলেন, ‘আমি কারও অন্যায় আবদার শুনব না। সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করতে চাই। প্রশাসনিক ক্ষমতা দেখাতে নয়, আমি আপনাদের বন্ধু হয়ে কাজ করতে চাই। আমি আপনাদের পাশে থেকে সব সমস্যা সমাধান করব।’

চিকিৎসকদের উদ্দেশে নতুন উপাচার্য বলেন, ‘আপনাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করলেই আমি সবচেয়ে খুশি হব। অন্যকিছু দিয়ে আমাকে খুশি করা যাবে না। কেউ দায়িত্ব পালন করতে না পারলে দায়িত্ব থেকে সরে যেতে হবে। যিনি চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করতে পারবেন, তিনিই দায়িত্ব নেবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ আমার বন্ধু। তিনি আমাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে বিদায় নিয়েছেন। আমি শারফুদ্দিন আহমেদকে শুভেচ্ছা জানাই।’

ডা. দীন মোহাম্মদ বলেন, ‘আমি সুনির্দিষ্ট কোনো গ্রুপের লোক নই। আমি কোনো ধরনের গ্রুপে যেতে চাই না। এ বয়সে আমার কোনো গ্রুপিংয়ের প্রয়োজন নেই। আমাকে যে আস্থা এবং বিশ্বাস নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখানে পাঠিয়েছেন, আমি সেটাকে মূল্যায়ন করতে চাই।’

উদ্বোধনের দীর্ঘদিন পরও সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল চালু না হওয়া প্রসঙ্গে নতুন উপাচার্য বলেন, ‘সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল চালু করা একটা বড় চ্যালেঞ্জ।’ এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও সচিবের সঙ্গে কথা হয়েছে বলে জানান তিনি।

উপাচার্য বলেন, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আমার দায়বদ্ধতা আছে। আমি বিদেশ থেকে অভিজ্ঞ চিকিৎসক-ট্রেইনারদের নিয়ে এসে আমাদের চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করব। আশা করি, সেবায় প্রতিষ্ঠানটি বিশ্বের অন্যতম জায়গায় অবস্থান করবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়টিকে বিশ্বের অন্যতম একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা উপাচার্য হিসেবে তার একমাত্র অ্যাজেন্ডা বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মন্তব্য

p
উপরে