× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Those who follow the rules will get liquor license Home Minister
hear-news
player
google_news print-icon

যারা নিয়ম মানবে তারা মদের লাইসেন্স পাবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যারা-নিয়ম-মানবে-তারা-মদের-লাইসেন্স-পাবে-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নিয়ম মেনে চললে মদ বিক্রির লাইসেন্স দেয়া হবে। ছবি: সংগৃহীত
‘আওতা বাড়বে কি না এটা নির্ভর করে তারা আমাদের নিয়ম-কানুন কতটা মেনে চলতে পারছে বা পারবে। এটা একটি চলমান প্রক্রিয়া। যারাই আমাদের নিয়ম মেনে চলতে পারবে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কয়েকটি ক্রাইটেরিয়া আছে যখন সেগুলো ফুলফিল করতে পারবে তখন তারা লাইসেন্স পাবে।’

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নিয়ম মেনে চললে মদ বিক্রির লাইসেন্স দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

সচিবালয়ে বেসরকারি মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলোর মান উন্নয়নের জন্য আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

মাদক বিস্তার রোধে মদের বিষয়ে সরকার নমনীয় হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘একটা হলো সফট ড্রাগস আরেকটি হলো হার্ড ড্রাগস। সফট ড্রাগস সারা বিশ্বেই চলছে। আমাদের এখানেও লাইসেন্সের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে, কয়েকটি হোটেল-রেস্টুরেন্ট-ক্লাবকে লাইসেন্স দিয়েছি। তারা শর্ত মেনে চলছে… যারা শর্ত মানছে বা মেনে চলছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাদের লাইসেন্স দিচ্ছি।

‘আওতা বাড়বে কি না এটা নির্ভর করে তারা আমাদের নিয়মকানুন কতটা মেনে চলতে পারছে বা পারবে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। যারাই আমাদের নিয়ম মেনে চলতে পারবে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কয়েকটি ক্রাইটেরিয়া আছে, যখন সেগুলো ফুলফিল করতে পারবে তখন তারা লাইসেন্স পাবে।’

সুরা নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধন হচ্ছে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘আইন যখনই প্রয়োজন হয় তখনই সেটা ব্যবহার করা হয়। এখন মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি আইন রয়েছে, সেখানে প্রয়োজনে আমরা ব্যবস্থা নেব। কিন্তু এখনই আমরা মনে করছি না সেটার প্রয়োজন হচ্ছে।’

মাদক প্রতিরোধের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মাদকে আসক্ত হলে সবকিছু হারিয়ে ফেলে। তাই মাদক প্রতিরোধ ও নিরাময়ে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা আছে। মাদকের চাহিদা নিরসন ও সাপ্লাই বন্ধে মন্ত্রণালয় কাজ করছে। পাশের দেশ ভারতের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার কারণে ফেনসিডিল সাপ্লাই কমেছে। তবে ভয়ংকরভাবে ইয়াবা আসছে। তরুণরা এতে বেশি আসক্ত হচ্ছে।’

যারা নিয়ম মানবে তারা মদের লাইসেন্স পাবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মাদকাসক্ত পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলোকে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ছবি: নিউজবাংলা

অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ৩৬ লাখ মাদকাসক্ত আছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, তবে মাদকাসক্তের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি।

মাদকে শুধু জনপ্রতিনিধিরা জড়িত নন, সব পেশার কিছু মানুষ এর সঙ্গে জড়িত আছে জানিয়ে তিনি বলেন, সবাই মিলে মাদক প্রতিরোধ করতে হবে।

মাদক নিরাময় কেন্দ্র নিয়ে তিনি বলেন, ‘৩৬২টি মাদক নিরাময় কেন্দ্র আছে। এর মধ্যে অনেকগুলো মানসম্পন্ন নয়। একজন পুলিশ কর্মকর্তার ঢাকায় একটি কেন্দ্রে মৃত্যু হয়েছে। যশোরেও এ রকম একটি ঘটনা আছে।

‘আবার অনেক নিরাময় কেন্দ্র ভালো কাজ করছে। ১৫টি প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক অনুদান দেয়া হয়েছে। আহ্‌ছানিয়া মিশন, আপন, মুক্তি, প্রমিসেস, রিলাইফ, ক্রীড়া, সেফ হোম, বিকন, আমার হোম, ঘেরা, বারাকা, ইয়ুথ ফাস্ট ও প্রয়াসসহ ১৫টি প্রতিষ্ঠান।’

ছাত্রলীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষ প্রসঙ্গ

পরিকল্পিতভাবে ছাত্রলীগ ছাত্রদলের ওপর হামলা করেছে বলে মির্জা ফখরুল ইসলামের বক্তব্যকে রাজনৈতিক কৌশল বলে মনে করছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বলেন, ‘এগুলো হলো রাজনৈতিক কৌশল। অনেকেই অনেকভাবে এ ধরনের প্রচারণা করেন। আমি বলব, প্রচারণার জন্যই তারা এগুলো বলেন। এগুলোর অনেক কিছুর মধ্যেই সত্যতা নেই।’

ছাত্রলীগ-ছাত্রদল সংঘর্ষের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘এটি একটি স্বাধীন দেশ। এখানে বহুদলীয় রাজনীতি সুপ্রতিষ্ঠিত। এখানে রাজনীতির অঙ্গন সব সময়ই উন্মুক্ত। কিন্তু যারা আবার নৈরাজ্য সৃষ্টি করে, ভাঙচুর করে, জনগণের বিপক্ষে গিয়ে দাঁড়ায়, মানে যান চলাচল বন্ধ করে কিংবা মানুষের যাতায়াতের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে, মালপত্র বা জানমালকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দেয়, তখনই আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী সেখানে হস্তক্ষেপ করে।

‘না হলে তারা মিটিং করছে, মানববন্ধন করছে, রাজনৈতিকভাবে যেগুলো করণীয়, তারা সেগুলো করছে। আমরা মনে করি, এটা তাদের অধিকার। সেগুলো তারা করছে। এখানে আমাদের কিছু বলার নেই। একটি রাজনৈতিক দল তার রাজনীতির মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করবে, এগিয়ে যাবে- এটিই আমাদের কাম্য।’

আরও পড়ুন:
বিলাস পণ্য আমদানি কমাতে আরও কড়াকড়ি
ভোমরায় ৭ ঘণ্টা আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকল কেন
ঘরে তৈরি মদে ১০ মৃত্যু
বুড়িমারী স্থলবন্দরে ৭ দিন আমদানি- রপ্তানি বন্ধ
আমদানি পরবর্তী অর্থায়ন নীতিমালা শিথিল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Saikat Bahadur died while eating

খাওয়ার সময় প্রাণ হারাল ‘সৈকত বাহাদুর’

খাওয়ার সময় প্রাণ হারাল ‘সৈকত বাহাদুর’ খাওয়ার সময় মারা গেছে হাতি সৈকত বাহাদুর। ছবি: সংগৃহীত
মাজাহারুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে চকরিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। হাতির ময়নাতদন্ত রিপোর্টও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জমা দেয়া হবে।’

কক্সবাজারের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে একটি পোষা বন্যহাতির মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার বিকেল ৪টার দিকে পার্কের ভেতরে খাওয়ার সময় মারা যায় সৈকত বাহাদুর নামের হাতিটি।

৩২ বছর বয়সী এ হাতির মৃত্যুর তথ্য মঙ্গলবার দুপুরে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মাজাহারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘পার্কের ভেতরে হাতির গোদা নামক স্থানে খাবার খাওয়ার সময় হঠাৎ সৈকত বাহাদুর অজ্ঞান হয়ে পরে। তাৎক্ষণিক ভেটেনারি চিকিৎসক নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা যায় সৈকত বাহাদুর বেঁচে নেই।’

মাজাহারুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে চকরিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। হাতির ময়নাতদন্ত রিপোর্টও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জমা দেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
মধ্যরাতে বন্য হাতির আক্রমণে কৃষকের মৃত্যু
জিআই তারে জড়িয়ে বন্য হাতির মৃত্যু
বাচ্চা হাতিটি এখন খোশ মেজাজে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The prime minister bought a ticket and saw an eye doctor

টিকিট কেটে চোখের ডাক্তার দেখালেন প্রধানমন্ত্রী

টিকিট কেটে চোখের ডাক্তার দেখালেন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে টিকিট কেটে চোখ দেখালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: নিউজবাংলা
প্রধানমন্ত্রী হাসপাতাল ছেড়ে আসার সময় বহির্বিভাগের নার্স, রোগী ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। তিনি চিকিৎসাবিষয়ক খোঁজখবর নেন ও তাদের সঙ্গে ছবি তোলেন।

সাধারণ রোগীদের মতো ১০ টাকার টিকিট কেটে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চোখ দেখালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাজধানীর শেরেবাংলানগরে মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে হাসপাতালের নিচতলায় বহির্বিভাগে টিকিট কাউন্টার থেকে টিকিট কাটেন তিনি।

টিকিট কেটে চোখের ডাক্তার দেখালেন প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে টিকিট কেটে চোখ দেখালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: নিউজবাংলা

এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. গোলাম মোস্তফা অভ্যর্থনা জানান।

প্রধানমন্ত্রী হাসপাতাল ছেড়ে আসার সময় বহির্বিভাগের নার্স, রোগী ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। তিনি চিকিৎসাবিষয়ক খোঁজখবর নেন ও তাদের সঙ্গে ছবি তোলেন।

টিকিট কেটে চোখের ডাক্তার দেখালেন প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে টিকিট কেটে চোখ দেখানোর পর সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: নিউজবাংলা

এর আগে ২০১৯ সালের ২৯ আগস্টও লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কেটে চোখের ডাক্তার দেখিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেদিনও জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে সাধারণ রোগীদের মতোই সরকার নির্ধারিত ১০ টাকার টিকিট কেটে চিকিৎসা নেন তিনি।

আরও পড়ুন:
উন্নয়নশীল দেশ পরিচালনার উপযোগী শিক্ষাব্যবস্থার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
ক্ষমতায়ন না হলে নারীর অবস্থার উন্নতি হতো না: প্রধানমন্ত্রী
যুদ্ধ বন্ধে সংলাপে বসুন: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
GM Quader has no obstacle to run Jatiya Party

জি এম কাদেরের জাতীয় পার্টি চালাতে বাধা নেই

জি এম কাদেরের জাতীয় পার্টি চালাতে বাধা নেই জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের। ফাইল ছবি
এ আদেশের ফলে জি এম কাদেরের জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে তার সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।

গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জাতীয় পার্টির বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদেরের বিরুদ্ধে বিচারিক আদালতের আদেশ স্থগিত করেছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে রুল জারি করেছে আদালত।

এ আদেশের ফলে জি এম কাদেরের চেয়ারম্যান হিসেবে তার সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।

মঙ্গলবার বিচারপতি শেখ আবদুল আউয়ালের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে জি এম কাদেরের পক্ষে শুনানি করেন শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম।

গত ৪ অক্টোবর জাপা থেকে বহিষ্কৃত নেতা দলটির সাবেক এমপি জিয়াউল হক মৃধা জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদেরের দায়িত্ব পালনে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে মামলা করেন। বাদীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩১ অক্টোবর ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ আদালত জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে জি এম কাদেরের দলীয় যাবতীয় কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞার অস্থায়ী আদেশ দেয়।

পরে আইনজীবী শেখ সিরাজুল ইসলাম, কলিম উল্যাহ মজুমদারসহ বেশ কয়েকজন আইনজীবী জি এম কাদেরের পক্ষে আবেদন করেন।

গত ২৪ নভেম্বর এই আবেদনের শুনানির জন্য জেলা জজ আদালতে মিস আপিল করা হয়। সেই আবেদন নামঞ্জুর করেন জেলা জজ আদালত। জেলা জজ আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করেন জি এম কাদের।

ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট আজ এ আদেশ দেয়।

মামলায় বলা হয়, জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ২০১৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। এরপর বিবাদী জি এম কাদেরের হাইকোর্ট বিভাগের একটি রিট মামলা বিচারাধীন থাকার পরও জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ওই বছর ২৮ ডিসেম্বর কাউন্সিল করে নিজেকে চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করেন।

জিয়াউল হক মৃধার মামলায় বলা হয়, গত ৫ মার্চ গাজীপুর মহানগর কমিটির উপদেষ্টা আতাউর রহমান সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক সবুর শিকদার, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক রফিকুল ইসলাম ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. মো. আজিজকে বহিষ্কার করেন। এ ছাড়া গত ১৪ সেপ্টেম্বর বাদী মসিউর রহমান রাঙ্গাকে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য পদ থেকে বহিষ্কার করেন।

অন্যদিকে গত ১৭ সেপ্টেম্বর অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধাকেও জাতীয় পার্টি থেকে বহিষ্কার করেন, যা অবৈধ।

আরও পড়ুন:
বিএনপির সঙ্গে জোটের প্রশ্নই আসে না
‘জি এম কাদেরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে’
রওশন-কাদের বিরোধে রংপুরে মনোনয়ন জটিলতা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Chubby art students on the road again

ফের সড়কে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা

ফের সড়কে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা এক দফা দাবীতে রাস্তা অবরোধ করেছে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে চারুকলা ইনস্টিটিউটের সামনে বাদশাহ মিয়া রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। এ সময় তারা স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে অবস্থান অব্যাহত রাখেন।

মূল ক্যাম্পাসে ফেরার এক দফা দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা।

তাদের অভিযোগ, ২৮ দিন পেরিয়ে গেলেও কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে পারেনি প্রশাসন ও স্থানান্তর সংক্রান্ত গঠিত কমিটি। একই সঙ্গে প্রশাসনের নির্দেশ থাকলেও চারুকলার শিক্ষকরা এ বিষয়ে অ্যাকাডেমিক কমিটির আর কোনো বৈঠকে বসেননি। পাশাপাশি তারা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে চারুকলা ইনস্টিটিউটের সামনে বাদশাহ মিয়া রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। এ সময় স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে অবস্থান অব্যাহত রাখেন।

এর আগে গত ১৬ নভেম্বর থেকে তারা মূল ক্যাম্পাসে অবরোধ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। ২০ নভেম্বর একজন সহকারী প্রক্টর, চারুকলা পরিচালক এবং ১২ শিক্ষককে প্রায় ১০ ঘণ্টার মতো অবরুদ্ধ করে রাখেন তারা।

চারুকলা স্নাতক চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী খন্দকার মসরুল আল ফাহিম বলেন, ‘আমরা আজ থেকে ফটকের বাইরে অবস্থান কর্মসূচি ও সড়ক অবরোধ করছি। প্রশাসন একটা কমিটি করেছিল, কিন্তু দুই সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও কমিটি স্থানান্তর বিষয়ে সুস্পষ্ট বক্তব্য দিতে পারেনি। তাহলে এই কমিটির মানে কী?

আমরা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। সমাধান না আসা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।’

ফের সড়কে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা

এ বিষয়ে 'চারুকলাকে ক্যাম্পাসে স্থানান্তর' বিষয়ক কমিটির আহ্বায়ক চবির ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ মামুন বলেন, ‘আমরা তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলাম। ক্যাম্পাস স্থানান্তরের বিষয়ে সরকারি ও আইনি যে প্রক্রিয়া আছে, সেগুলো আমরা তাদের বলেছিলাম। গ্যাজেটের কপি তাদের দেখিয়েছিলাম। তারাও আমাদের সঙ্গে সম্মত হয়েছিল। আমরা সুপারিশ করেছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্ষদে সিদ্ধান্ত পাস হয়ে আসতে হবে। তারপর সরকারের সম্মতি নিয়ে চারুকলাকে স্থানান্তর করতে হবে। এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করব, বিশ্ববিদ্যালয়ও এই প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

প্রসঙ্গত, গত ২ নভেম্বর থেকে ২২ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান কর্মসূচি ও ক্লাস বর্জন শুরু করেন চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের ২২ দফা পরে এক দাবিতে রূপ নেয়। বর্তমানে তাদের একটাই দাবি, তারা মূল ক্যাম্পাসে ফিরে যেতে চান।

আরও পড়ুন:
হলে প্রবেশের সময়সীমাকে চবি ছাত্রীদের প্রত্যাখ্যান
চবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৬ আগস্ট
বাসের দাবিতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে ৫ ঘণ্টা
স্বাধীনতা দিবসে ৫০ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা দেবে চবি
যে বিপদ ওত পেতে আছে চবি রেলস্টেশনে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The order to report within 3 months on the loss of money of Basic Bank

বেসিক ব্যাংকের অর্থ লোপাট নিয়ে ৩ মাসের মধ্যে প্রতিবেদনের নির্দেশ

বেসিক ব্যাংকের অর্থ লোপাট নিয়ে ৩ মাসের মধ্যে প্রতিবেদনের নির্দেশ রাজধানীতে বেসিক ব্যাংকের একটি শাখার ফাইল ছবি
রায়ের পরে আইনজীবী এস এম আবুল হোসেন বলেন, ‘রায়ের কপি পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে সব মামলার তদন্ত শেষ করে চার্জশিট জমার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে আমাদের জামিন আবেদনটি খারিজ করে দেয়া হয়েছে।’

বেসিক ব্যাংকের দুই হাজার ৭৭ কোটি টাকা দুর্নীতি মামলায় তিন মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এই সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে ব্যর্থ হলে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ব্যাংকটির অর্থপাচারের মামলার আসামি মোহাম্মদ আলীর জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল খারিজ করে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেয়।

আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান, জামিন আবেদনকারী মোহাম্মদ আলীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এসএম আবুল হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক, তার সঙ্গে ছিলেন সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল আন্না খানম কলি।

রায়ের পরে আইনজীবী এস এম আবুল হোসেন বলেন, ‘রায়ের কপি পাওয়ার তিন মাসের মধ্যে সব মামলার তদন্ত শেষ করে চার্জশিট জমার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে আমাদের জামিন আবেদনটি খারিজ করে দেয়া হয়েছে।’

বেসিক ব্যাংকের দুই হাজার ৭৭ কোটি আত্মসাতের ঘটনায় আলামত চেয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন মালয়েশিয়ায় অনুরোধ পাঠিয়েছে-এ তথ্য জানিয়ে সোমবার হাইকোর্টে প্রতিবেদন দেয় দুদক। দুদকের সেই প্রতিবেদন জমার পর শুনানি হয়।

ব্যাংকটির ৫৬ মামলার মধ্যে ১২ মামলার আাসমি এর সাবেক কর্মকর্তা মোহম্মদ আলী। তিনি জামিন চেয়ে আবেদন করলে তার সেই জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে কেন তাকে জামিন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে আদালত। এ রুলের দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত রুলটি মঙ্গলবার খারিজ করে দেয়।

এ মামলায় ৮২ জন ঋণ গ্রহীতা ছাড়াও বেসিক ব্যাংকের তৎকালীন এমডি কাজী ফকরুল ইসলাম, ডিএমডি ফজলুস সোবহান, সাবেক ডিএমডি শেখ মঞ্জুর মোরশেদ, জিএম এ. মোনায়েম খান, জিএম মোহাম্মদ আলী ওরফে মোহাম্মদ আলী চৌধুরীসহ ব্যাংকের ২৭ জন কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়েছে।

বেসিক ব্যাংকের গুলশান শাখা, প্রিন্সিপাল/প্রধান শাখা, দিলকুশা শাখা এবং শান্তিনগর শাখাসহ মোট ৪টি শাখার ঋণ কেলেঙ্কারির বিষয়ে গুলশান থানায় ২৩ টি, মতিঝিল থানায় ১২টি এবং পল্টন থানায় ২১টিসহ মোট ৫৬ টি মামলা করা হয়।

মামলার আসামিদের মধ্যে বেসিক ব্যাংক কর্মকর্তা ২৭ জন, ব্যবসায়ী ৮২ জন এবং বেসরকারি সার্ভেয়ার ১১ জনসহ মোট ১২০ জনকে আসামি করা হয়। এর মধ্যে ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আত্মসমর্পণ করেছেন একজন।

আরও পড়ুন:
বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি: আলামত চেয়ে মালয়েশিয়াকে দুদকের অনুরোধ
বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির তদন্ত ৬ বছরেও কেন শেষ হয়নি: হাইকোর্ট
বেসিক ব্যাংকের কত টাকা জব্দ, সাত দিনের মধ্যে জানানোর নির্দেশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Tipu Preity Murder Inquiry Report January 11

টিপু-প্রীতি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১১ জানুয়ারি

টিপু-প্রীতি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১১ জানুয়ারি জাহিদুল ইসলাম টিপু ও সুমাইয়া আফরিন প্রীতি। ফাইল ছবি
মঙ্গলবার মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার দিন ঠিক ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। এ জন্য ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী প্রতিবেদন জমার নতুন এ তারিখ ঠিক করেন।

মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু ও কলেজছাত্রী সামিয়া আফরিন প্রীতি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার তারিখ পিছিয়ে আগামী ১১ জানুয়ারি ঠিক করেছে আদালত।

মঙ্গলবার মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার দিন ঠিক ছিল। কিন্তু এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। এ জন্য ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী প্রতিবেদন জমার নতুন এ তারিখ ঠিক করেন।

গত ২৪ মার্চ রাত পৌনে ১০টার দিকে মতিঝিল এজিবি কলোনির কাঁচা বাজারসংলগ্ন নিজের রেস্টুরেন্ট থেকে বাসায় ফেরার পথে শাহজাহানপুর আমতলা ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের সামনে দুর্বৃত্তদের এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হন মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক টিপু। এ সময় তার মাইক্রোবাসের পাশে রিকশায় থাকা কলেজছাত্রী প্রীতিও গুলিতে নিহত হন। আহত হন টিপুর গাড়িচালক মুন্না।

এ ঘটনায় টিপুর স্ত্রী ফারজানা ইসলাম ডলি হত্যা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়।

মামলার পর ২৬ মার্চ রাতে বগুড়া থেকে শ্যুটার মাসুম মোহাম্মদ ওরফে আকাশকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি।

এরপর আরও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। তারা হলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটির ১০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক, আবু সালেহ শিকদার ওরফে শ্যুটার সালেহ, নাছির উদ্দিন ওরফে কিলার নাছির, মোরশেদুল আলম ওরফে কাইল্লা পলাশ ও আরফান উল্লাহ দামাল।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ১০টা ২২ মিনিটে টিপু একটি সাদা রঙের নোয়াহ মাইক্রোবাসে করে শাহজাহানপুর আমতলা মসজিদের সামনে থেকে খিলগাঁও ফ্লাইওভারের দিকে যাচ্ছিলেন। গাড়িটি সাউথইস্ট ব্যাংকের সামনে জ্যামে আটকা পড়ে।

ওদিকে বিপরীত দিকের রাস্তায় দুই যুবক মোটরসাইকেল নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। টিপুর গাড়িটি জ্যামে আটকা পড়ার সঙ্গে সঙ্গে হেলমেটধারী দুই যুবকের একজন এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়ে টিপুর গাড়ির দিকে ছুটে আসেন। এরপর গাড়ি লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়েন। এতে গাড়ির ভেতরেই গুলিবিদ্ধ হন টিপু। এ সময় চালকের হাতে গুলি লাগলে তিনি গাড়ির গতি বাড়িয়ে ঘটনাস্থল থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

ওদিকে শুরুর দিকে ছোড়া এলোপাতাড়ি গুলিতে আহত হন গাড়ির পাশে রিকশায় থাকা কলেজছাত্রী প্রীতি। ঘটনার পরপরই আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে চিকিৎসকরা তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধদের উদ্ধার করে ঢামেকে নিয়ে গেলে চিকিৎসক রাত ১১টার দিকে টিপু ও প্রীতিকে মৃত ঘোষণা করেন।

২০১৩ সালের ২৯ জুলাই রাজধানীর গুলশানে শপার্স ওয়ার্ল্ড নামে একটি বিপণিবিতানের সামনে খুন হন যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল হক খান মিল্কী। আলোচিত এ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন তৎকালীন মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু।

আরও পড়ুন:
টিপু-প্রীতি হত্যা: এক আসামির জামিন
টিপু-প্রীতি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ২৯ নভেম্বর
টিপু-প্রীতি হত্যা মামলার প্রতিবেদন ১৭ অক্টোবর
টিপু-প্রীতি হত্যা: মোল্লা শামীমসহ ৫ জন ৩ দিনের রিমান্ডে
টিপু-প্রীতি হত্যা: সেই বাইক-পিস্তলসহ গ্রেপ্তার ৫

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNPs former MP lost his post by insulting senior leaders

সিনিয়র নেতাদের নামে ‘কুৎসা রটানোয়’ পদ গেল বিএনপির সাবেক এমপির

সিনিয়র নেতাদের নামে ‘কুৎসা রটানোয়’ পদ গেল বিএনপির সাবেক এমপির লহ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আহমেদ। ফাইল ছবি
অব্যাহতি পাওয়া সাবেক এমপি নাজিম উদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, জেলা বিএনপির কয়েকজন নেতা একপেশে সিদ্ধান্ত নিয়ে তাদের অন্যায়ভাবে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। এ বিষয়ে তারা কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে আবেদন করবেন।

দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের নামে কুৎসা রটানোসহ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপির লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলা আহ্বায়ক ও লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আহমেদকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বিভিন্ন সময়ে সভা-সমাবেশে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, সিনিয়র নেতাদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনাসহ একাধিক অভিযোগে সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সাবেক এমপি নাজিম উদ্দিনসহ পাঁচ নেতাকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ১২ নভেম্বর এই নেতাদের ৭ দিনের সময় দিয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছিল বলে জানান হাসিবুর রহমান।

নাজিম উদ্দিন ছাড়া অব্যাহতি পাওয়া বাকি নেতারা হলেন রামগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সাহাবুদ্দিন তুর্কি, আবদুর রহিম ভিপি, পৌর বিএনপির সদস্যসচিব মিয়া মো. আলমগীর ও পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জাকির হোসেন মোল্লা।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, ওই পাঁচ নেতার রিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জেলা বিএনপির দলীয় প্যাডে অব্যাহতিপত্র লিখে পাঠানো হয়। এতে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, সদস্যসচিব সাহাবুদ্দিন সাবু ও যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান স্বাক্ষর করেছেন।

নেতা-কর্মীরা জানিয়েছেন, কয়েক মাস আগে উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মাহাবুবুল আলম বাহারকে অব্যাহতি দিয়ে কেন্দ্র থেকে চিঠি পাঠানো হয়। কিন্তু কেন্দ্রের নির্দেশনা উপেক্ষা করে জেলা কমিটি তাকে ওই পদেই বহাল রাখে। এতে নেতা-কর্মীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

তাদের দাবি, এসব কারণ ও তার পাশাপাশি নিজেদের পছন্দের লোকজনকে কমিটিতে আনতে পাঁচ নেতাকে দল থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

রামগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক পদ থেকে অব্যাহতি পাওয়া সাবেক এমপি নাজিম উদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, জেলা বিএনপির কয়েকজন নেতা একপেশে সিদ্ধান্ত নিয়ে তাদের অন্যায়ভাবে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। এ বিষয়ে তারা কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে আবেদন করবেন।

আরও পড়ুন:
ডিসেম্বরেই আওয়ামী লীগকে পরাজিত করতে হবে: দুদু
কুমিল্লায় বিএনপির সমাবেশে মোবাইল হারানোর ৭১ জিডি
কুমিল্লা সমাবেশ: বিএনপির ভেতরে ক্ষোভের আগুন

মন্তব্য

p
উপরে