× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Black smoke coming back
google_news print-icon

ফিরে আসছে কালো ধোঁয়া

ফিরে-আসছে-কালো-ধোঁয়া
কয়েক বছর ধরে বাস, ট্রাকসহ বেশ কিছু যানবাহনে সিএনজি বাদ দিয়ে ডিজেলে চালানোর প্রবণতাকে বায়ুদূষণের জন্য দায়ী মনে করা হচ্ছে। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/ নিউজবাংলা
দুই দশক পর রাজধানীতে আবার ফিরে আসতে শুরু করেছে সেই কালো ধোঁয়া। কয়েক বছর ধরে বাস, ট্রাকসহ বেশকিছু যানবাহনের সিএনজি ছেড়ে ডিজেলে ফেরার প্রবণতাকে এ জন্য দায়ী মনে করা হচ্ছে। ট্রাফিক বিভাগ বলছে, তাদের কাছে কালো ধোঁয়া পরিমাপক যন্ত্র নেই, তাই যানবাহনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না।

চলতি শতকের শুরুতে রাজধানীবাসীকে বায়ুদূষণ থেকে বাঁচাতে সড়ক থেকে টু-স্ট্রোক ইঞ্জিনের সব যানবাহন তুলে দিয়ে চালু করা হয় ফোর স্ট্রোক ইঞ্জিন বাহন। পাশাপাশি বাস বা ব্যক্তিগত গাড়িতে জ্বালানি হিসেবে পেট্রল-ডিজেলের পরিবর্তে শুরু হয় কমপ্রেসড ন্যাচারাল গ্যাস বা সিএনজির ব্যবহার। এতে নগরীর বায়ুদূষণ পরিস্থিতিতে রাতারাতি পরিবর্তন আসে।

২০০০ সালের আগের ঢাকার বাতাস ছিল গাড়ির কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন। নাক-কান জ্বালা করা কিংবা শ্বাসজনিত নানা রোগ ছিল নিত্যসঙ্গী। জ্বালানি হিসেবে সিএনজির ব্যবহার বৃদ্ধির ফলে এসব সমস্যা অনেকাংশে কমে আসে।

দুই দশক পর রাজধানীতে আবার ফিরে আসতে শুরু করেছে সেই কালো ধোঁয়া। কয়েক বছর ধরে বাস, ট্রাকসহ বেশকিছু যানবাহনের সিএনজি ছেড়ে ডিজেলে ফেরার প্রবণতাকে এ জন্য দায়ী মনে করা হচ্ছে।

পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, জ্বালানি হিসেবে সিএনজি ব্যবহার করলে বায়ুদূষণ কমে আসে। তবে এতে গাড়ির ইঞ্জিনের আয়ুষ্কালও একই সঙ্গে কমে যায়। পাশাপাশি ডিজেল এবং সিএনজির দামে পার্থক্যও অনেক কম। এ কারণে বাণিজ্যিকভাবে যেগুলো বড় পরিবহন হিসেবে পরিচিত, যেমন: বাস বা ট্রাক, এ বাহনগুলোতে ডিজেল ব্যবহারের প্রবণতা বেড়েছে।

ফিরে আসছে কালো ধোঁয়া

জ্বালানি হিসেবে পেট্রোলিয়ামের পরিবর্তে সিএনজি ব্যবহার করলে কালো ধোঁয়ার পাশাপাশি বায়ুদূষণ কমে। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/ নিউজবাংলা

তেলচালিত এসব বাহন ঠিকমতো রক্ষণাবেক্ষণ না করায় এগুলো বাতাসে ক্ষতিকর কালো ধোঁয়া ছড়াচ্ছে।

রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে সড়কে চলাচল করা বাস, ট্রাক, পিকআপ বা সরকারি মালিকানাধীন গাড়িগুলোই কালো ধোঁয়ার প্রধান উৎস।

২০০২ সালের ৩১ ডিসেম্বর টু-স্ট্রোক বেবি ট্যাক্সিসহ পুরাতন যানবাহন বন্ধের পর এক দিনে ঢাকার বায়ুতে দূষণের মাত্রা কমে যায় প্রায় ৩০ শতাংশ। তবে ২০১৩ সাল থেকে তা আবারও বাড়তে থাকে। গত নয় বছরে সেই দূষণ বাড়তে বাড়তে আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে রাজধানীর বায়ুদূষণের অন্তত ৪০ ভাগের জন্য দায়ী এই কালো ধোঁয়া। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ও বায়ুদূষণ বিষয়ক গবেষক অধ্যাপক আবদুস সালাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বায়ুদূষণের একটি বিরাট অংশ যানবাহন থেকে আসে। আমরা যে তিনটি মেজর সোর্স ধরি বায়ুদূষণের তার মধ্যে কালো ধোঁয়া, একটি ব্রিক ফিল্ড এবং কনস্ট্রাকশন। গাড়ির কালো ধোঁয়া থেকে যেটা আসে এটা প্রায় ৪০ শতাংশ।’

কালো ধোঁয়া কী এবং কেন বের হয়?

গাড়ির ইঞ্জিন মূলত জ্বালানি তেল পুড়িয়ে শক্তি উৎপন্ন করে যেটি দিয়ে গাড়িটি চলে। কালো ধোঁয়া হলো এই জ্বালানির না পোড়া অংশ। সাধারণত গাড়ি পুরাতন হয়ে গেলে এবং এটিকে ঠিক মতো রক্ষণাবেক্ষণ না করা হলে এই কালো ধোঁয়া উৎপন্ন হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক আবদুস সালাম বলেন, ‘কালো ধোঁয়া মূলত দুই কারণে বের হয়। গাড়ি যত পুরাতন হতে থাকে এর কর্মক্ষমতাও কমতে থাকে। গাড়িতে যে তেল ব্যবহার করা হয় সেটা থেকে তার এনার্জি তৈরি হয়। কিন্তু গাড়ির কর্মক্ষমতা কমে গেলে এই তেলটা কমপ্লিট বার্ন হয় না বা কনভার্সন হয় না। যখনই এটা হয় না, তখনই তার একটি অংশ একজস্টের সাথে বের হয়ে আসে। এটাকে বলে ইনকমপ্লিট কনভার্সন।

‘গাড়ির একটি রেগুলার মেইনটেন্যান্স প্রয়োজন। এর মধ্যে একটি হলে নিয়মিত প্রতি ৩ হাজার কিলোমিটার চলার পর মোবিল পরিবর্তন করা। এটা করা হয় না। এ কারণে গাড়ির যে লুব্রিকেটিং ফাংশন, এটা ঠিকভাবে কাজ করে না। সেখান থেকে পলিউশন হয়।’

অনেক সময় তেলের পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের গুণগত মান ঠিক না থাকলেও কালো ধোঁয়া তৈরি হতে পারে। অধ্যাপক সালাম বলেন, ‘আবার যে জ্বালানি ব্যবহার করা হয়, সেটাও অনেক সময় ভালো মানের থাকে না। এটাও দূষণের কারণ। মুলত এই তিন কারনে কালো ধোয়াটা তৈরি হয়।

‘কালো ধোঁয়ার একটি বড় অংশ হলো টক্সিক কার্বন। এটা গ্লোবাল ওয়ার্মিং এবং মানুষের ক্যান্সারের অন্যতম প্রধান কারণ। এতে থাকে অনেকগুলো ক্ষতিকর উপাদান যেমন হাইড্রো কার্বন, কাবন মনোঅক্সাইড এবং জ্বালানি তেলের আনবার্ন্ট কিছু অংশ। এগুলো প্রত্যেকটাই খুব ক্ষতিকর।’

কালো ধোঁয়ার ক্ষতি রোধে বেশ কয়েকটি পরামর্শও দেন এই গবেষক। তিনি বলেন, ‘আমাদের এখন যেটা করতে হবে, গাড়ির জ্বালানিটি কোয়ালিটি ধরে রাখতে হবে এবং গাড়ি নিয়মিত মেইনটেন্যান্স করতে হবে। মূলত পুরাতন গাড়িই এর জন্য দায়ী।

‘আমাদের এখানে নিয়ম আছে যে ২০ বছরের পুরাতন গাড়ি রাস্তায় চলতে পারবে না। এখন এটা ঠিক মতো মেইনটেইন করা হয় কিনা জানি না। পাশাপাশি আইনের প্রয়োগ বৃদ্ধি করতে হবে।’

কালো ধোঁয়া যে ক্ষতি

আপাত দৃষ্টিতে নিরীহ মনে হলেও কালো ধোঁয়া মুলত মানুষের ফুসফুস ক্যান্সারের একটি বড় কারণ। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি নারী ও পুরুষের বন্ধ্যাত্বের একটি বড় কারণ।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কালো ধোঁয়া মানেই হলো কার্বন মনোঅক্সাইড, ডাই-অক্সাইড এবং ধাতব পদার্থ– মূলত সিসা। এগুলো মানুষের শরীরে গেলে ফুসফুসের ক্ষতি হয়, ফুসফুসের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয় এবং এক ধরনের প্রদাহ তৈরি করে। এর ফলে আমাদের শ্বাসতন্ত্রীয় রোগগুলো বেড়ে যায়।

‘এর মধ্যে হাঁপানি কাশি ও কারও কারও অ্যাজমাটিক সমস্যাও হতে পারে। দীর্ঘদিন এটি গ্রহণে আমাদের ফুসফুসে ক্যান্সারের আশঙ্কা বেড়ে যায়। কার্বন মনোক্সাইড শরীরে শোষিত হয়ে আমাদের লিভার ও কিডনিতে জটিলতা তৈরি করে এবং নারী পুরুষের বন্ধ্যাত্ব তৈরি করতে পারে। বায়ু দূষণের একটি বড় উপাদান এই কালো ধোঁয়া। শিশুদের জন্য এর প্রভাব মারাত্মক। এটি আমাদের বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউজ এফেক্ট বাড়িয়ে দেয়। এর কারণে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বাড়ে, জলবায়ূ পরিবর্তনে প্রভাব রাখে।’

দায় এড়াচ্ছেন পরিবহন মালিক ও ট্রাফিক বিভাগ

কালো ধোঁয়ার ক্ষতি জানার পরেও এটি ছড়ানোর দায় নিতে চায় না পরিবহন মালিকরা। তাদের দাবি, গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিয়মিতই সদস্যদের তাগাদা দেয়া হয়।

পরিবহন মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্ল্যাহ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সতর্কতার কথা সব সময় বলা হয়। এটা তো মালিকের বিষয় না। পাম্পের তেলের সমস্যার কারণে অনেক সময় কালো ধোঁয়া হয়।

‘কালো ধোঁয়া পেলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোও অনেক সময় ব্যবস্থা নেয়। বাসে কোনো কালো ধোঁয়া নেই। ম্যাক্সিমাম গাড়ি তো খারাপ অবস্থায় থাকতে পারে না। কয়েকটি গাড়ি দিয়ে তো সবগুলোকে মূল্যায়ন করা যায় না। আমরা সব সময় বলি গাড়ি ঠিক রাখার জন্য। যারা করবে না তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেক। আমরা সব সময়ই বলে থাকি।’

দেশের মোটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩ এবং পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ অনুযায়ী, স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক বা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ধোঁয়া নির্গত হলে তা জরিমানাসহ শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

অবশ্য খালি চোখে কালো ধোঁয়ার সরব উপস্থিতি দেখা গেলেও ধোঁয়া পরিমাপক যন্ত্রের অপেক্ষায় কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না ট্রাফিক বিভাগ। তাদের দাবি, কালো ধোঁয়া পরিমাপক যন্ত্র না থাকায় চাইলেও কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী কোনো যানকে জরিমানার আওতায় আনা যাচ্ছে না।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার মো. মুনিবুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যানবাহনের কালো ধোঁয়ার কারণে অ্যাকশন নিতে হলে আমাদের ধোঁয়া পরিমাপক যন্ত্র লাগবে, সেটা আমাদের দেশের ট্রাফিক বিভাগের কাছে নেই। পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে ধোঁয়ার নির্ণয়ক মান নির্ধারণ করে দেয়া আছে, কিন্তু আমরা তো খালি চোখে সেটা মাপতে পারব না।

‘তাই দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি যে আমরা এই ব্যাপারে একেবারেই নিরুপায়। তবে ধোঁয়া ডিটেকটরের জন্য ট্রাফিক বিভাগ ইতোমধ্যেই সরকারের কাছে আবেদন করে রেখেছে। এটা পেলেই আমরা কালো ধোঁয়ার বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া শুরু করতে পারব।’

২০২১ সালের হিসাবে, দেশে নিবন্ধিত মোটরযান আছে ৪৭ লাখ ২৯ হাজার ৩৯৩টি। এর মধ্যে রাজধানীতে রয়েছে ১৬ লাখের বেশি গাড়ি।

আরও পড়ুন:
বাসচাপায় ভ্যানচালক নিহত
আমদানি কমাতে ১৩৫ পণ্যে শুল্কারোপ
ফ্রান্সের প্রধানমন্ত্রী বর্নিকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন
অল্প বৃষ্টিতেই স্কুলের মাঠে জমে হাঁটু পানি
পদ্মা সেতু খুলছে ২৫ জুন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Dhakas air will top dangerous lows on the last working day of the week

সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে ঢাকার বাতাস ‘বিপজ্জনক’, নিম্ন মানে শীর্ষে

সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে ঢাকার বাতাস ‘বিপজ্জনক’, নিম্ন মানে শীর্ষে রাজধানীতে ধুলায় আচ্ছন্ন সড়ক ধরে গন্তব্যে যাচ্ছেন যাত্রীরা। ছবি: গ্রিন ল্যাব
আইকিউ এয়ারের ডেটা অনুযায়ী, সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঢাকার বাতাসে অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ৫৭ দশমিক ৩ গুণ বেশি।

বাতাসের নিম্ন মানের দিক থেকে আইকিউ এয়ারের তালিকায় ফের শীর্ষে উঠে এসেছে ঢাকা।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৪৩ মিনিটে ৩৩৭ স্কোর নিয়ে বায়ুর নিম্ন মানে ১১১টি শহরের মধ্যে প্রথম অবস্থানে ছিল ঢাকা।

একই সময়ে বাতাসের নিম্ন মানে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ ছিল ভারতের কলকাতা, পাকিস্তানের লাহোর ও ভারতের মুম্বাই।

সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে ঢাকার বাতাস ‘বিপজ্জনক’, নিম্ন মানে শীর্ষে

আইকিউ এয়ারের ডেটা অনুযায়ী, সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে সকাল পৌনে ১০টার দিকে ঢাকার বাতাসে অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ৫৭ দশমিক ৩ গুণ বেশি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউ এয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

আজ দিনের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ৩৩৭। এর মানে হলো ওই সময়টাতে ‘বিপজ্জনক’ বাতাসের মধ্যে বসবাস করতে হয় রাজধানীবাসীকে।

আরও পড়ুন:
ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর, নিম্ন মানে পঞ্চম
আজও ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’
অস্বাস্থ্যকর বাতাসের চক্রে ঢাকা
ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’, নিম্ন মানে চতুর্থ
ছুটির দিনে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dhakas air is unhealthy in the low mean third

ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর, নিম্ন মানে তৃতীয়

ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর, নিম্ন মানে তৃতীয় দূষিত বাতাসে ঢাকার বাসিন্দাদের চলাচল। ফাইল ছবি
আইকিউ এয়ারের ডেটা অনুযায়ী, মঙ্গলবারের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ১৮ দশমিক ৪ গুণ বেশি।

বাতাসের নিম্ন মানের দিক থেকে আইকিউ এয়ারের তালিকায় নিয়মিত ওপরে থাকা ঢাকা শীর্ষে না থাকলেও রয়েছে প্রথম তিনে।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার বেলা ১১টা ৪৬ মিনিটে ১৭০ স্কোর নিয়ে বায়ুর নিম্ন মানে ১০০টি শহরের মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে ছিল ঢাকা।

ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর, নিম্ন মানে তৃতীয়

একই সময়ে বাতাসের নিম্ন মানে প্রথম ও দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল নেপালের কাঠমান্ডু ও ভারতের কলকাতা।

আইকিউ এয়ারের ডেটা অনুযায়ী, মঙ্গলবারের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ১৮ দশমিক ৪ গুণ বেশি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউ এয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

আজ দিনের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ১৭০। এর মানে হলো ওই সময়টাতে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বাতাসের মধ্যে বসবাস করতে হয় রাজধানীবাসীকে।

আরও পড়ুন:
আজও ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’
অস্বাস্থ্যকর বাতাসের চক্রে ঢাকা
ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’, নিম্ন মানে চতুর্থ
ছুটির দিনে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস
‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস নিয়ে তালিকায় তৃতীয় ঢাকা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Air in Dhaka is unhealthy low mean ninth

ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর, নিম্ন মানে নবম

ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর, নিম্ন মানে নবম রাজধানীতে ধুলায় আচ্ছন্ন সড়ক ধরে গন্তব্যে যাচ্ছেন যাত্রীরা। ছবি: গ্রিন ল্যাব
আইকিউ এয়ারের ডেটা অনুযায়ী, সোমবার সকাল ১০টায় ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ১৩ দশমিক ৪ গুণ বেশি।

বাতাসের নিম্ন মানের দিক থেকে আইকিউ এয়ারের তালিকায় নিয়মিত ওপরে থাকা ঢাকা শীর্ষে না থাকলেও রয়েছে প্রথম দশে।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ সময় শনিবার সকাল ১০টায় ১৫৭ স্কোর নিয়ে বায়ুর নিম্ন মানে ১০০টি শহরের মধ্যে নবম অবস্থানে ছিল ঢাকা।

একই সময়ে বাতাসের নিম্ন মানে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে ছিল পাকিস্তানের লাহোর, ভারতের দিল্লি ও মুম্বাই।

আইকিউ এয়ারের ডেটা অনুযায়ী, সোমবারের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ১৩ দশমিক ৪ গুণ বেশি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউ এয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

আজ দিনের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ১৫৭। এর মানে হলো ওই সময়টাতে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বাতাসের মধ্যে বসবাস করতে হয় রাজধানীবাসীকে।

আরও পড়ুন:
অস্বাস্থ্যকর বাতাসের চক্রে ঢাকা
ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’, নিম্ন মানে চতুর্থ
ছুটির দিনে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস
বায়ুদূষণে বদলাচ্ছে ফুলের গন্ধ
‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস নিয়ে তালিকায় তৃতীয় ঢাকা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The body of the Irrawaddy dolphin washed up on the beach

সৈকতে ভেসে এল ইরাবতী ডলফিনের মরদেহ

সৈকতে ভেসে এল ইরাবতী ডলফিনের মরদেহ ছবি: নিউজবাংলা
ডলফিনের পাশাপাশি টেকনাফের হাজমপাড়া ও কক্সবাজারের দরিয়ানগর সমুদ্র সৈকতে ভেসে আসে চারটি মৃত মা কাছিম। কাছিমগুলো অলিভ রিডলি প্রজাতির।

কক্সবাজারের হিমছড়ি সমুদ্র সৈকতে ভেসে এসেছে একটি মৃত ইরাবতী ডলফিন। ডলফিনটি ৬ ফিট লম্বা ও প্রায় ১২০ কেজি ওজনের।

রোববার সকালে ইরাবতী ডলফিনটির সঙ্গে অন্য সৈকতে ভেসে আসে আরও ৪টি মৃত মা কচ্ছপ।

বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইন্সটিটিউটের (বোরি) জ্যেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের হিমছড়ি বিচে ৬ ফুট লম্বা, প্রায় ১২০ কেজি ওজনের একটি মৃত ইরাবতী ডলফিন ভেসে এসেছে। ডলফিনটির শরীরে তেমন কোনো আঘাতের চিহ্ন না থাকলেও পেছনের পাখনায় সামান্য আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।’

বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইন্সটিটিউট মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করছে জানিয়ে এই বিজ্ঞানী বলেন, ‘মৃত ডলফিনটি সম্পর্কে বন বিভাগকে খবর দেয়া হয়েছে। তাদের জিম্মায় এটাকে পুঁতে ফেলা হবে।’

এছাড়া ডলফিনের পাশাপাশি টেকনাফের হাজমপাড়া ও কক্সবাজারের দরিয়ানগর সমুদ্র সৈকতে ভেসে আসে চারটি মৃত মা কাছিম। কাছিমগুলো অলিভ রিডলি প্রজাতির।

এর আগে, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কক্সবাজার শহর থেকে ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণে সোনারপাড়া সৈকতে ও ২৬ কিমি দক্ষিণে পাটুয়ারটেক সৈকতে মৃত দুটি ডলফিন ভেসে আসে। ১৭ ফেব্রুয়ারি কক্সবাজার শহর থেকে ৮ কিলোমিটার দক্ষিণে হিমছড়ি সৈকতে একটি ডলফিন ও তার আগেরদিন শহরের সুগন্ধা পয়েন্ট সৈকতে একটি পরপইসের মরদেহ ভেসে এসেছিল।

২০১২ সালের বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে স্তন্যপায়ী ডলফিন, পরপইস ও সামুদ্রিক কচ্ছপ সংরক্ষিত প্রজাতি হিসেবে তালিকাভুক্ত। এগুলো শিকার করা, খাওয়া, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পরিবহন ও ক্রয়-বিক্রয় করা দণ্ডনীয় অপরাধ।

চলতি মৌসুমে কক্সবাজার শহর, রামু, উখিয়া, টেকনাফ, সেন্টমার্টিন ও সোনাদিয়া সৈকতে অন্তত ৮৫টি মরা সামুদ্রিক কচ্ছপ ভেসে আসে বলে জানান সমুদ্রবিজ্ঞানীরা।

কিন্তু কী কারণে হঠাৎ করে কক্সবাজার বঙ্গোপসাগরে ডলফিনসহ এত সংরক্ষিত প্রাণী মারা যাচ্ছে, তা বিজ্ঞানীদের কাছে এখনও পরিষ্কার নয়। তবে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন বোরি মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. তৌহিদা রশীদ।

তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে ফরেনসিক নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’

প্রাণীগুলোর আবাসস্থলে কোনো বড় ধরনের সমস্যা হয়েছে কি না, তাও অনুসন্ধান করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন
সংরক্ষিত বনে আটকে ছিল ৪০ কেজির কচ্ছপ
খরা ও তীব্র গরমে ১২০ অ্যামাজন ডলফিনের মৃত্যু
প্রকৃতিতে ফিরছে বিলুপ্তপ্রায় ‘বাটাগুর বাসকা’
কুয়াকাটা সৈকতে অর্ধগলিত ডলফিন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
It means that Dhakas air is unhealthy even though it has improved

মানে উন্নতি হলেও ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস

মানে উন্নতি হলেও ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস তালিকায় নিয়মিত প্রথম দশে থাকা ঢাকা রোববার সকালে রয়েছে ২১তম অবস্থানে।। ছবি: পনির হোসেন/রয়টার্স
আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ সকালের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ৭ দশমিক ৬ গুণ বেশি।

বাতাসের নিম্ন মানের দিক থেকে আইকিউ এয়ারের তালিকায় নিয়মিত প্রথম দশে থাকা ঢাকা রোববার সকালে রয়েছে ২১তম অবস্থানে।

বায়ুর মানের উন্নতি হলেও ‘অস্বাস্থ্যকরই’ রয়ে গেছে বাংলাদেশের রাজধানীর বাতাস।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টা ২৫ মিনিটে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ১০৭ নিয়ে রাজধানীর বাতাসের মান ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ অবস্থায় রয়েছে।

একই সময়ে তালিকায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃয়ীয় স্থানে ছিল ভারতের দিল্লি, পাকিস্তানের লাহোর ও নেপালের কাঠমান্ডু।

এর আগে ছুটির শনিবার সকাল ৯টা ১০ মিনিটে ১৬৪ স্কোর নিয়ে বায়ুর নিম্ন মানে ১০০টি শহরের মধ্যে পঞ্চম অবস্থানে ছিল ঢাকা।

আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ সকালের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ৭ দশমিক ৬ গুণ বেশি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

আজ বেলা ১১টা ২৫ মিনিটে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ১০৭। এর মানে হলো, ওই সময়টাতে রাজধানীর বাতাস ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ছিল।

একই সময় ১১০টি দেশের এ তালিকার সর্বনিম্ন ৮ স্কোর নিয়ে ‘ভালো’ বাতাসের শহর ছিল আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্স।

আরও পড়ুন:
ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’, নিম্ন মানে চতুর্থ
ছুটির দিনে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস
‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস নিয়ে তালিকায় তৃতীয় ঢাকা
ছুটির দিনে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস
‘অস্বাস্থ্যকর’ বাতাস নিয়ে তালিকায় তৃতীয় ঢাকা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Dhakas air is unhealthy low mean fifth

ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর, নিম্ন মানে পঞ্চম

ঢাকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর, নিম্ন মানে পঞ্চম অস্বাস্থ্যকর বাতাসে ঢাকায় মানুষের চলাচল। ফাইল ছবি
আইকিউ এয়ারের ডেটা অনুযায়ী, সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১১টায় ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ১২ দশমিক ৫ গুণ বেশি।

বাতাসের নিম্ন মানের দিক থেকে আইকিউ এয়ারের তালিকায় নিয়মিত ওপরে থাকা ঢাকা শীর্ষে না থাকলেও রয়েছে প্রথম পাঁচে।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১১টায় ১৫৫ স্কোর নিয়ে বায়ুর নিম্ন মানে ১০০টি শহরের মধ্যে পঞ্চম অবস্থানে ছিল ঢাকা।

একই সময় এ তালিকায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে ছিল ভারতের দিল্লি, পাকিস্তানের লাহোর ও উজবেকিস্তানের তাসখন্দ।

আইকিউ এয়ারের ডেটা অনুযায়ী, সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস বৃহস্পতিবারের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ১২ দশমিক ৫ গুণ বেশি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউ এয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

আজ দিনের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ১৫৫। এর মানে হলো ওই সময়টাতে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বাতাসের মধ্যে বসবাস করতে হয় রাজধানীবাসীকে।

আরও পড়ুন:
আজও ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’
অস্বাস্থ্যকর বাতাসের চক্রে ঢাকা
ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’, নিম্ন মানে চতুর্থ
ছুটির দিনে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস
বায়ুদূষণে বদলাচ্ছে ফুলের গন্ধ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A dead dolphin washed up on the beach

সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন

সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন কুয়াকাটা সৈকতে বুধবার সকালের জোয়ারে ভেসে আসা মৃত ডলফিন উদ্ধারে তৎপরতা। ছবি: নিউজবাংলা
ইকোফিশ-২ বাংলাদেশ প্রকল্পের সহযোগী গবেষক সাগরিকা স্মৃতি বলেন, ‘বেশ দীর্ঘ সময় পর কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন। এমন ঘটনা চলতি বছরে এটাই প্রথম। এটি ইরাবতী প্রজাতির পুরুষ ডলফিন।’

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে ভেসে এসেছে একটি মৃত ডলফিন। ৫ ফুট লম্বা ইরাবতী ডলফিনটির মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশের চামড়া উঠানো।

বুধবার সকালে কুয়াকাটা সৈকতের গঙ্গামতি এলাকায় ৩৩ কানি পয়েন্টে ডলফিনটি দেখতে পান পর্যটকরা। খবর পেয়ে কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির সদস্যরা মরদেহটি উদ্ধার করেন।

ডলফিন রক্ষা কমিটির সদস্য আবুল হোসেন রাজু বলেন, ‘স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি যে সকালের দিকে জোয়ারে পানিতে এটি ভেসে এসেছে সৈকতে। পরে আমাদের কমিটির টিম লিডারকে বিষয়টি অবহিত করি।’

সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন
কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে আসা মৃত ডলফিন ঘিরে একদল পর্যটক। ছবি: নিউজবাংলা

সমুদ্রের নীল অর্থনীতি, উপকূলের পরিবেশ-প্রতিবেশ এবং জীববৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ডফিশের ইকোফিশ-২ বাংলাদেশ প্রকল্পের সহযোগী গবেষক সাগরিকা স্মৃতি বলেন, ‘বেশ দীর্ঘ সময় পর কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো মৃত ডলফিন। এমন ঘটনা চলতি বছরে এটাই প্রথম। এটি ইরাবতী প্রজাতির পুরুষ ডলফিন।’

কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, ‘বিষয়টি বন বিভাগকে অবহিত করা হয়েছে। আমাদের সদস্যরা এটিকে নিরাপদ স্থানে মাটিচাপা দেয়ার ব্যবস্থা করছেন।

‘আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, এভাবে ডলফিন মারা যাওয়ার নেপথ্যের কারণগুলো খুঁজে বের করতে যেন উদ্যোগ নেয়া হয়।’

আরও পড়ুন:
খরা ও তীব্র গরমে ১২০ অ্যামাজন ডলফিনের মৃত্যু
কুয়াকাটা সৈকতে অর্ধগলিত ডলফিন
৭ দিনের ব্যবধানে হালদায় আরও দুটি মৃত ডলফিন
হালদার বুকে আরও একটি মৃত ডলফিন

মন্তব্য

p
উপরে