× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
After two years the Hajj camp in Ashkona is in full swing
hear-news
player
print-icon

দুই বছর পর রং চড়ছে আশকোনার হজক্যাম্পে

দুই-বছর-পর-রং-চড়ছে-আশকোনার-হজক্যাম্পে
রোববার দুপুরে রাজধানীর আশকোনার হজক্যাম্পে গিয়ে দেখা যায়, ভেতরে ধোয়া-মোছার কাজ করছেন শ্রমিকরা। ছবি: নিউজবাংলা
৩১ মে থেকে হজযাত্রা শুরু হবে। তাই ঢাকার হজক্যাম্পে এখন ব্যাপক প্রস্তুতি। রোববার দুপুরে হজ ক্যাম্পে গিয়ে দেখা যায়, ভেতরে ধোয়া-মোছার কাজ করছেন শ্রমিকরা। কেউ কেউ রং করছেন দেয়ালে। কেউবা বাথরুম ঠিক করছেন। কয়েকজনকে দেখা যায় দেয়ালে প্লাস্টার করতে।

করোনা মহামারির কারণে গত দুই বছর হজযাত্রা বন্ধ ছিল। তাই কোনো ব্যস্ততা ছিল না রাজধানীর আশকোনার হজক্যাম্পে। তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। এবার বাংলাদেশ থেকে ৫৭ হাজারের বেশি মানুষ অংশ নিচ্ছেন হজযাত্রায়।

আর কয়েক দিন পরই শুরু হবে হজ ফ্লাইট। তাই ধুয়ে-মুছে সাফসুতরো করার কাজ চলছে হজক্যাম্পে।

রোববার দুপুরে হজক্যাম্পে গিয়ে দেখা যায়, ভেতরে ধোয়া-মোছার কাজ করছেন শ্রমিকরা। কেউ কেউ রং করছেন দেয়ালে। কেউবা বাথরুম ঠিক করছেন। কয়েকজনকে দেখা যায় দেয়ালে প্লাস্টার করতে।

সেখানে কাজ করা শ্রমিক আব্দুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘১২ থেকে ১৪ দিন ধরে এখানে সব ধরনের স্যানিটারির কাজ করছি। এই কাজ করছেন ৬০ জনের বেশি শ্রমিক। দুই দলে ভাগ হয়ে কাজ করছি। দুই-এক দিনের মধ্যেই কাজ শেষ হবে আমাদের। ক্যাম্পের ভেতরে সব রুম, বাথরুম থেকে শুরু করে পুরা হজক্যাম্প পরিপাটি করা হচ্ছে।’

দুই বছর পর রং চড়ছে আশকোনার হজক্যাম্পে

রাজধানীর আশকোনার হজ ক্যাম্প। ছবি: নিউজবাংলা

হজযাত্রীদের সেবা দিতে সৌদি আরব যাচ্ছেন ৫৩২ কর্মকর্তা-কর্মচারী। স্বাভাবিক সময়ে প্রতি বছর ২০ থেকে ২৫ লাখ মুসল্লি পবিত্র হজ পালনের সুযোগ পেয়ে থাকেন। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে গত দুই বছর সৌদি আরবের বাইরের কেউ হজ করার সুযোগ পাননি। পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সৌদি সরকার এবার সারা বিশ্বের ১০ লাখ মানুষকে হজ পালনের অনুমতি দিচ্ছে।

এবার সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের জন্য দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে সর্বোচ্চ প্যাকেজটি হলো ৫ লাখ ২৭ হাজার ৩৪০ টাকা। আর সর্বনিম্নটি হলো ৪ লাখ ৬২ হাজার ১৫০ টাকা।

প্রথম হজ ফ্লাইট ৩১ মে ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার কথা। শুরুর ফ্লাইটে ৪১৯ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে যাওয়ার কথা রয়েছে।

হজের সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে যুগ্ম সচিব ও হজ অফিস ঢাকার পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘এ বছর ৫৩ হাজার ৫৮৫ জন হজযাত্রী বেসরকারিভাবে এবং ৪ হাজার সরকারিভাবে হজে যাচ্ছেন। আমাদের সময় যেহেতু অল্প, তাই অনেক চ্যালেঞ্জ আছে। সেই চ্যালেঞ্জগুলোকে পাশে রেখেই কাজগুলো আমাদের করতে হচ্ছে। আশা করছি সময়মতো সব কিছু আমরা শেষ করতে পারব। এরই মধ্যে নিবন্ধিত হজযাত্রীর সংখ্যাও প্রায় সব পেয়ে গেছি।’

বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীরা জুন মাসের ১০ তারিখ থেকে যাবেন। এর আগের কয়েক দিনে সরকারি ব্যবস্থাপনার হজ যাত্রীরা যাবেন বলে জানান সাইফুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘হজক্যাম্পকে আগের থেকে অনেক পরিপাটি করা হয়েছে। আমাদের মসজিদে এসি ছিল না। ডরমেটরিতে এসি ছিল না। গরমের কথা বিবেচনা করে আমরা চিন্তা করছি এসি না থাকলে সম্মানিত হজযাত্রীরা কষ্ট পাবেন। এ জন্য আমরা সব ব্যবস্থা করেছি।

দুই বছর পর রং চড়ছে আশকোনার হজক্যাম্পে

করোনা মহামারির কারণে গত দুই বছর হজযাত্রা বন্ধ থাকার পর এবার বাংলাদেশ থেকে ৫৭ হাজারের বেশি মানুষ অংশ নিচ্ছেন হজযাত্রায়। তাই রাজধানীর আশকোনা হজক্যাম্পে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। হজক্যাম্পের ভেতরে ধোয়া-মোছার কাজ করছেন শ্রমিকরা। ছবি: নিউজবাংলা

‘বাংলাদেশ বিমানের হজযাত্রীরা শুধু এখানে বোডিং কার্ড নিতেন এবং ইমিগ্রেশন হতো। এখন সৌদি এয়ারলাইনসের যাত্রীরাও এখানে আসবেন। এখানে চেকিং হবে। তারা বোর্ডিং কার্ড নেবেন এবং ইমিগ্রেশন হবে। সে জন্য এখানে যা যা করা দরকার, স্থাপনা করা দরকার সব করেছি। চট্টগ্রাম ও সিলেট বাদে আমাদের এখান থেকে যত যাত্রী ফ্লাই করবেন, সবাইকে আমরা ইনস্টিটিউটের আওতায় আনতে পারব। তিনটি এয়ারলাইনসেই এখান থেকে হজযাত্রীদের চেকিং, ইমিগ্রেশন হবে।’

হজযাত্রীরা ঢাকার হজক্যাম্পে কবে থেকে আসা শুরু করবেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘৩১ মে ফ্লাইট শুরু হওয়ায় ঢাকার বাইরের যাত্রীদের তিন দিন আগে আসার জন্য আমরা অনুরোধ করব। ঢাকার হাজিদের আমরা বলে থাকি ফ্লাইট ছাড়ার সাত-আট ঘণ্টা আগে এলেই চলবে। আশা করছি হজযাত্রীরা ২৮ মে বিকেলে অথবা ২৯ মে সকাল থেকে আসা শুরু করবেন। তাদের থাকার জন্য সকল ধরণের প্রস্তুতি আমাদের আছে। আমাদের এখানে দুটা ক্যান্টিন আছে। সেখানে তারা নিজ ব্যবস্থাপনায় খাবেন।’

এবার হজ হতে পারে ৮ জুলাই (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে)। সৌদি আরবের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী ৫৭ হাজার হজযাত্রীর অর্ধেক পরিবহন করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। বাকি অর্ধেক বহন করবে সৌদি রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইনস ও ফ্লাই নাস।

রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান এ বছর ৭৫টি ডেডিকেটেড ফ্লাইটের মাধ্যমে ৩১ হাজার যাত্রী বহন করবে। যাত্রী পরিবহনে বিগত বছরগুলোর মতোই বহরে থাকা বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হবে।

আরও পড়ুন:
হজযাত্রীদের প্যাকেজ নির্বাচনের সময় বাড়ল
হজ নিবন্ধনের সময় বাড়ল
দরপত্রে ‘কারসাজি করে’ ট্রেনের টিকিট ব্যবস্থাপনায় সহজ
হজযাত্রীদের স্বার্থে শনিবার ব্যাংক খোলা
হজযাত্রীদের পাসপোর্টের মেয়াদ থাকতে হবে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Hygiene rules must be followed in Eid prayers

ঈদ জামাতে ফাঁকা রাখতে হবে একটি করে কাতার

ঈদ জামাতে ফাঁকা রাখতে হবে একটি করে কাতার ঈদুল আজহার নামাজ আদায়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাসহ ৮ দফা নির্দেশনা দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।ফাইল ছবি
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ঈদুল আজহার নামাজ আদায়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাসহ আট দফা নির্দেশনা দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

ঈদের নামাজ আদায়ের সময় কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পাশাপাশি দুই কাতারের মাঝে এক কাতারের সমান জায়গা ফাঁকা রেখে দাঁড়াতে বলা হয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আবারও বেড়ে যাওয়ায় ঈদুল আজহার নামাজ আদায়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাসহ এমন আট দফা নির্দেশনা দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার সিনিয়র সহকারী সচিব মোস্তফা কাইয়ুমের সই করা এই নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট সবাইকে মেনে চলার অনুরোধ করেছে মন্ত্রণালয়।

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী, জনপ্রতিনিধি, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট মসজিদের পরিচালনা কমিটিকে এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

নির্দেশনায় যা আছে

১. পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন উপলক্ষে কোনো ধরনের আলোকসজ্জা করা যাবে না।

২. প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে অজু করে ঈদগাহে বা মসজিদে আসতে হবে।

৩. করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধ নিশ্চিত করতে মসজিদ/ঈদগাহের অজুখানায় সাবান/হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে।

৪. ঈদের নামাজের জামায়াতে আগত মুসল্লিকে অবশ্যই মাস্ক পরে মসজিদে আসতে হবে। মসজিদ/ঈদগাহে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।

৫. ঈদের নামাজ আদায়ের সময় কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে দাঁড়াতে হবে এবং এক কাতার অন্তর অন্তর কাতার করতে হবে।

৬. করোনাভাইরাস মহামারি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ শেষে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে খতিব ও ইমামদের দোয়া করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

৭. সম্মানিত খতিব, ইমাম এবং মসজিদ পরিচালনা কমিটি ও স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়গুলো বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

৮. পশু কোরবানির ক্ষেত্রে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

আরও পড়ুন:
ঈদযাত্রায় প্রস্তুত পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাট
জোরেশোরে চলছে জাতীয় ঈদগাহ মাঠের প্রস্তুতি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Preparations for the National Eidgah ground are in full swing

জোরেশোরে চলছে জাতীয় ঈদগাহ মাঠের প্রস্তুতি

জোরেশোরে চলছে জাতীয় ঈদগাহ মাঠের প্রস্তুতি জাতীয় ঈদগাহ ময়দান প্রস্তুতের কাজ চলছে। ছবি: নিউজবাংলা
ঈদগাহ ময়দান প্রস্তুতের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পিয়ারু সর্দার অ্যান্ড সন্স ডেকোরেটরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোজাম্মেল হক বলেন, ‘গত মাস থেকে আমাদের কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিদিন দেড়শ লোক মাঠ প্রস্তুতির জন্য কাজ করছেন। গত রমজানে এখানে নামাজ আদায় হয়েছে। আশা করি আবহাওয়া ভালো থাকলে এখানে ঈদের নামাজ সুন্দরভাবেই হবে।’

ঈদুল আজহার বাকি আর দুই দিন। রাজধানী ঢাকায় ঈদের প্রধান জামাতের জন্য এরই মধ্যে প্রায় প্রস্তুত করা হয়েছে জাতীয় ঈদগাহ ময়দান।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে গত দুই বছর বন্ধ ছিল জাতীয় ঈদগাহে ঈদের নামাজ। করোনার সে শঙ্কা কাটিয়ে ঈদ উল ফিতরের পর এবার ঈদুল আজহার ঈদ জামাত এ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার সরেজমিন জাতীয় ঈদগাহ ময়দান ঘুরে দেখা যায়, বিশাল এলাকা জুড়ে প্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছে। ত্রিপল দিয়ে পুরো মাঠ ঢেকে দেয়া হয়েছে। পানিরোধক শামিয়ানা দিয়ে উপরের ছাউনি প্রস্তুত করা হয়েছে। এখন ভেতরে নামাজের জায়গা, বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা তৈরি এবং সাদা কাপড় দিয়ে সজ্জিত করা হচ্ছে মাঠের ভেতরের অংশ।

চলছে শেষ সময়ে ব্যানার ফেস্টুন দিয়ে সাজ সজ্জার কাজ। স্থাপন করা হচ্ছে সাউন্ড সিস্টেম। মুসল্লিদের নিরাপত্তার জন্য ঈদগাহ ময়দানের ভেতরসহ পুরো ঈদগাহ জুড়ে নিরাপত্তার জন্য সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হচ্ছে।

জোরেশোরে চলছে জাতীয় ঈদগাহ মাঠের প্রস্তুতি

করোনার রেশ কাটিয়ে গত রোজার ঈদে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে এই ময়দানে। এরপর ঈদুল আজহার জন্য গত মাস থেকে লাখো মুসল্লির ঈদ জামাতের জন্য বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু হয়। ঈদগাহের মাঠ ছাড়াও আশপাশের এলাকা তথা হাইকোর্ট মাজার, কদম ফোয়ারাসহ সব জায়গায় রঙ-বেরঙের ব্যানার-ফেস্টুন দিয়ে সাজানো হচ্ছে।

ঈদগাহ ময়দান প্রস্তুতের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পিয়ারু সর্দার অ্যান্ড সন্স ডেকোরেটরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বলতে পারেন ঈদগাহ ময়দান প্রায় প্রস্তুত। এখন শুধু নিচে কার্পেটিং এবং সাদা চাদর বিছানোর কাজটুকু বাকি। এটুকু মূলত ঈদের আগের দিন করা হয়। তা ছাড়া বাকি সব কাজই আমাদের প্রায় শেষের দিকে।’

তিনি বলেন, ‘গত মাস থেকে আমাদের কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিদিন দেড়শ লোক মাঠ প্রস্তুতির জন্য কাজ করছেন। গত রমজানে এখানে নামাজ আদায় হয়েছে। আশা করি আবহাওয়া ভালো থাকলে এখানে ঈদের নামাজ সুন্দরভাবেই হবে।’

জাতীয় ঈদগাহের ঈদ জামাতে রাষ্ট্রপতি, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য, বিচারপতি, রাজনৈতিক ব্যক্তি ও কূটনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা অংশ নেন। পাশাপাশি নারীদের জন্যও পৃথক নামাজের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

জোরেশোরে চলছে জাতীয় ঈদগাহ মাঠের প্রস্তুতি

করোনায় বিভিন্ন বিধিনিষেধে দুই বছর নামাজ আদায় বন্ধ ছিল জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। উন্মুক্ত স্থানে জনসমাগম না করার নির্দেশনা থাকায় এখানে জামাত আদায় হয়নি। গত দুই বছর মসজিদে সময় ভাগ করে একাধিক ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে জাতীয় ঈদগাহে সকাল ৮টায় ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা জানিয়েছিল ধর্ম মন্ত্রণালয়।

গত ১৯ জুন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনের জন্য সরকারি কর্মসূচি নির্ধারণকল্পে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

এছাড়া আবহাওয়া প্রতিকূল বা অন্য কোনো অনিবার্য কারণে এ জামাত অনুষ্ঠান সম্ভব না হলে ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত হবে বলেও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

আরও পড়ুন:
ঈদে বায়তুল মোকাররমে ৫ জামাত
ঈদ জামাত মসজিদে, মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The formality of Hajj begins

হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু

হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হজ ঘিরে এবার ১০ লাখ মুসল্লির সমাগম হয়েছে মক্কায়। ছবি: সংগৃহীত
মক্কায় মসজিদুল হারাম চত্বরে স্বর্ণালি হরফ খচিত কালো কাপড়ে আবৃত পবিত্র কাবাঘরের ‘তওয়াফ’ এবং মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও দোয়া চাওয়ার মাধ্যমে হজের প্রথম আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।

পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। লাখ লাখ মুসলমান সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় কাবা তওয়াফের মধ্য দিয়ে হজ কার্যক্রম শুরু করেছেন। এবার করোনার বিধিনিষেধের কড়াকড়ি না থাকায় বেশির ভাগ অংশগ্রহণকারী মাস্ক ছাড়া হজে যোগ দিয়েছেন।

মক্কায় মসজিদুল হারাম চত্বরে স্বর্ণালি হরফ খচিত কালো কাপড়ে আবৃত পবিত্র কাবাঘরের ‘তওয়াফ’ এবং মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও দোয়া চাওয়ার মাধ্যমে হজের প্রথম আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়।

হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু

গত দুই বছর করোনা মহামারির কারণে হজে কড়াকড়ি আরোপ করেছিল সৌদি সরকার। ২০২০ সালে সৌদি আরবে বাসকারী মাত্র এক হাজার মানুষ পেয়েছিল হজের অনুমতি। গত বছর সংক্রমণ কিছুটা কমে আসায় অনুমতি পেয়েছিলেন ৬০ হাজার মুসল্লি।

হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু

এবার বিশ্বের অন্তত ১০ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছেন হজে। চলতি বছরের জুলাই থেকে বিদেশি তীর্থযাত্রীর জন্য গণটিকা প্রচার অভিযান চালিয়েছিল হজ কর্তৃপক্ষ। ধারণা করা হচ্ছে, এবার মোট অংশগ্রহণকারীর ৮৫ শতাংশই বিদেশি নাগরিক।

হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু

ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি হজ। তবে এটি কেবল তাদের জন্যই প্রযোজ্য যাদের সৌদিতে এসে করার সামর্থ্য আছে।

২০১৯ সালে প্রায় ২৫ লাখ মুসল্লি অংশ নিয়েছিলেন হজে।

আরও পড়ুন:
হজে গিয়ে ভিক্ষা: মন্টু হাত হারান নিজের বানানো বোমায়
হজে গিয়ে ভিক্ষা, মুচলেকায় ছাড়া বাংলাদেশি
ব্যাংকের হজ সংশ্লিষ্ট শাখা খোলা থাকবে শনিবার
বাংলাদেশি হজযাত্রী ২৪১৫ বেড়ে ৬০ হাজার
হজে যাওয়া আরও ২ বাংলাদেশির মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
There will be religious education in the curriculum Minister of Education

ধর্মীয় শিক্ষা ছিল, আছে, থাকবে: শিক্ষামন্ত্রী

ধর্মীয় শিক্ষা ছিল, আছে, থাকবে: শিক্ষামন্ত্রী সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ছবি: নিউজবাংলা
‘যারা আজকে ধর্ম শিক্ষা তুলে দেয়া হয়েছে বলে ধোয়া তুলছেন তাদের উদ্দেশ্য ধর্ম রক্ষা নয়, পক্ষে থাকা নয় উদ্দেশ্য ধর্মকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে দেশকে অস্থিতীশীল করা।

শিক্ষাক্রম থেকে ধর্মীয় শিক্ষা তুলে দেয়া হচ্ছে অভিযোগ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে সমালোচনা চলছে তা উড়িয়ে দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেছেন, ধর্মীয় শিক্ষা তুলে দেয়ার কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।

সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বুধবার দুপুরে তিনি এ কথা বলেন।

দীপু মনি বলেন, ‘একজন মাননীয় সংসদ সদস্য, আমি তখন দেশে ছিলাম না, একজন সংসদ সদস্য আমাদের পাঠ্যপুস্তকের বিষয়ে সংসদে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। পরে আবার তিনিই স্পিকারকে চিঠি দিয়ে বলেছেন, তার তথ্য সঠিক ছিলো না এবং তার এ বক্তব্য এখনকার বইয়ের জন্য প্রযোজ্য নয়। তিনি এগুলো প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছেন।

‘আমরা যে যেখানেই থাকি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলার সময় সবচেয়ে ভালো, সঠিক তথ্য জেনে নিয়ে কথা বলা। আর একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির কাছ থেকে আমাদের চাওয়াটাও অনেক বেশি। আমি তাকে অন্তত এটুকু সাধুবাদ দিতে চাই যে, তিনি পরে হলেও তথ্য যাচাই করে ভুল স্বীকার করে প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘তার এ বক্তব্যের ভিডিও ব্যাপকভাবে, একটি অংশ যারা বিভিন্ন সময়েই ধর্মের দোহাই দিয়ে নানানভাবে আমাদের এগিয়ে যাওয়াকে বন্ধ করার চেষ্টা করে, তারা সেটি ব্যাপকভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। কাজেই তিনি যা বলেছেন সেটি কেবল সেখানেই শেষ না, যেখানে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এটার ব্যাপক অপব্যবহার হচ্ছে।

‘এই বক্তব্যের কিছুদিন আগে থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক একটি প্রচারণা চলছিল। এটা আমার নজরে এসেছে। সেখানে বলা হয়েছে আমাদের নতুন শিক্ষাক্রম ধর্মশিক্ষা বাদ দেয়া হয়েছে। এটা সর্বৈব মিথ্যা। ধর্ম শিক্ষা সব সময় ছিল, এখনও আছে। না থাকবার কোনো কারণ নেই।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের শিক্ষায় আমরা বারবার বলছি, জ্ঞান দক্ষতা তা যেমন থাকবে, পাশাপাশি সঠিক মূল্যবোধ, নৈতিকতায় ধর্ম শিক্ষা একটি আবষ্যিক বিষয়। কাজেই ধর্ম শিক্ষা বাদ দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমরা বাদ দেইও নেই। নতুন কারিকুলামে আমরা যেমন সবকিছু করে করে শেখার দিকে যাচ্ছি সেখানে ধর্ম শিক্ষার বইগুলোও… শুধু পড়ে গেলাম তা যেন না হয়। তারা যেন ধর্ম শিক্ষার বোধগুলো, নৈতিকতা যেন অনুধাবন করতে পারে। তাদের জীবনে চর্চা করতে পারে সেভাবে বইগুলো তৈরি করা হয়েছে।

‘কাজেই যারা আজকে ধর্ম শিক্ষা তুলে দেয়া হয়েছে বলে ধোয়া তুলছেন তাদের উদ্দেশ্য ধর্ম রক্ষা নয়, পক্ষে থাকা নয় উদ্দেশ্য ধর্মকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে দেশকে অস্থিতীশীল করা। দেশের ধর্মভীরু মানুষকে উসকে দিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে এক ধরনের একটা পরিবেশ তৈরি করা এবং আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশকে অস্থীতিশীল করে তোলা। আমার মনে হয় এটাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষা অফিসে সেবার মান নিয়ে দীপু মনি-নওফেলের অসন্তোষ
বন্যা গেলেই শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী
সহশিক্ষা কার্যক্রম কর্মজীবনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে : শিক্ষামন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Baitul Mukarram Eid 5 Jamaat starts at 8 am

বায়তুল মোকাররমে ঈদে ৫ জামাত, শুরু সকাল ৭টায়

বায়তুল মোকাররমে ঈদে ৫ জামাত, শুরু সকাল ৭টায় ফাইল ছবি
পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাতটি অনুষ্ঠিত হবে সকাল পৌনে ১১টায়। এই নামাজের ইমামের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মুহীউদ্দিন কাসেমকে।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি ঈদের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাত হবে সকাল ৭টায়।

আসন্ন ১০ জুলাই উদযাপিত হবে ঈদুল আজহা। এ উপলক্ষে বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নামাজের জামাতের ওই তথ্য জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

এতে বলা হয়েছে, সকাল ৭টায় প্রথম জামাতে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান।

দ্বিতীয় জামাত শুরু হবে সকাল ৮টায়। এতে ইমামতির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভীকে।

সকাল ৯টায় শুরু হবে তৃতীয় জামাত। বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা এহসানুল হক এই নামাজে ইমামতি করবেন।

সকাল ১০টায় হবে চতুর্থ জামাত। যেখানে ইমামতি করবেন ড. মাওলানা আবু সালেহ পাটোয়ারী।

আর পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাতটি অনুষ্ঠিত হবে সকাল পৌনে ১১টায়। এই নামাজের ইমামের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মুহীউদ্দিন কাসেমকে।

পাঁচটি জামাতে কোনো ইমাম অনুপস্থিত থাকলে বিকল্প ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

আরও পড়ুন:
ঈদের ৫ জামাত বায়তুল মোকাররমে, প্রথমটি ৭টায়
ঈদের জামাত তাহলে কোথায়
করোনার কারণে ঈদগাহে জামাতে মানা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The last flight before the Hajj

হজের আগে শেষ ফ্লাইট বিমানের

হজের আগে শেষ ফ্লাইট বিমানের চলতি বছর বিমানের প্রথম হজ ফ্লাইটের যাত্রীদের একাংশ। ফাইল ছবি
বিমানের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলতি বছরের হজপূর্ব ফ্লাইট সফল হয়েছে। ধর্মপ্রাণ মানুষের অনুভূতিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিমান এ বছর কোটা অনুযায়ী ২৯ হাজার ৯৯২ হজযাত্রীকে নিরাপদে সৌদি আরব পৌঁছে দিয়েছে।

পবিত্র হজ শুরুর আগে শেষ ফ্লাইটে প্রায় ৩০ যাত্রীকে নিয়ে সৌদি আরব গেছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট।

প্রতিষ্ঠানটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বিমান বলছে, চলতি বছরের হজপূর্ব ফ্লাইট সফল হয়েছে। ধর্মপ্রাণ মানুষের অনুভূতিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিমান এ বছর কোটা অনুযায়ী ২৯ হাজার ৯৯২ হজযাত্রীকে নিরাপদে সৌদি আরব পৌঁছে দিয়েছে।

বিমানের সবশেষ হজপূর্ব ফ্লাইট বিজি-৩১৪১ রোববার সন্ধ্যা ৭টা ৫৫ মিনিটে যাত্রা করে ঝামেলাহীনভাবে জেদ্দা পৌঁছায়।

হজপূর্ব কর্মসূচিতে ৬৭টি ডেডিকেটেড ফ্লাইট ও ২০টি শিডিউল ফ্লাইটসহ বিমান ৮৭টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। আর এ জন্য প্রতিষ্ঠানটি ব্যবহার করেছে বহরে থাকা নিজস্ব চারটি বোয়িং ট্রিপল সেভেন উড়োজাহাজ।

হজ শেষে আগামী ১৪ জুলাই থেকে হজ পরবর্তী ফ্লাইট শুরু করবে বিমান।

আরও পড়ুন:
হজে গিয়ে সৌদিতে আরেক বাংলাদেশির মৃত্যু
হজে গিয়ে ভিক্ষা: মন্টু হাত হারান নিজের বানানো বোমায়
হজে গিয়ে ভিক্ষা, মুচলেকায় ছাড়া বাংলাদেশি
বিমানের টরন্টো ফ্লাইট শুরু ২৭ জুলাই
ব্যাংকের হজ সংশ্লিষ্ট শাখা খোলা থাকবে শনিবার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Judge in personal attack of Anklet supporters

নূপুর সমর্থকদের টার্গেটে বিচারকও

নূপুর সমর্থকদের টার্গেটে বিচারকও বিজেপির বরখাস্ত মুখপাত্র নূপুর শর্মা। ছবি: সংগৃহীত
ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পারদিওয়ালা বলেন, ‘বিচারকদের ওপর ব্যক্তিগত আক্রমণ বিচার ব্যবস্থাকে বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যায়, যেখানে আইন আসলে কী বলছে তার বদলে মিডিয়া কী করছে, তা নিয়ে ভাবতে হয় বিচারকদের৷ এটি আইনের শাসনের বড় ক্ষতি।’

মহানবীকে (সা.) নিয়ে আপত্তিকর বিজেপির এক শীর্ষ নেতার মন্তব্যের জেরে ভারতজুড়ে চলছে তোলপাড়। ভারতের কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দল বিজেপির মুখপাত্রের পদ থেকে বরখাস্ত হয়েছে নূপুর শর্মা।

৩৭ বছরের নূপুরের বিরুদ্ধে ভারতের বিভিন্ন জায়গায় এফআইআর হয়েছে। সব অভিযোগ নয়াদিল্লিতে স্থানান্তরের আবেদন জানালে সর্বোচ্চ আদালত তার বিষয়ে পর্যবেক্ষণ দেয়।

সুপ্রিম কোর্টে বিচারক জে বি পারদিওয়ালা মহানবীকে (সা.) নিয়ে নূপুর শর্মার মন্তব্যের কড়া নিন্দা জানিয়েছিলেন। বলেছিলেন, পুরো দেশের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত তার। আরেক বিচারক সূর্য কান্তও একই মনোভাব ব্যক্ত করেন।

পর্যবেক্ষণে বিচারকরা এও প্রশ্ন করেছিলেন, কেন নূপুর শর্মাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তারা নূপুরকে ‘সারা দেশে আবেগ প্রজ্বলিত করার’ জন্য দায়ী করেছিলেন।

এর পরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়ে ওঠে নূপুরের সমর্থকরা।

রোববার এক অনুষ্ঠানে বিষয়টি নজরে আনেন বিচারপতি পারদিওয়ালা। বলেন, ‘বিচারকদের ওপর ব্যক্তিগত আক্রমণ পরিস্থিতিকে বিপজ্জনক পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে।

‘বিচারকদের ওপর ব্যক্তিগত আক্রমণ বিচার ব্যবস্থাকে বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যায়, যেখানে আইন আসলে কী বলছে তার বদলে মিডিয়া কী করছে, তা নিয়ে ভাবতে হয় বিচারকদের৷ এটি আইনের শাসনের বড় ক্ষতি।’

নূপুর সমর্থকদের টার্গেটে বিচারকও

তিনি আরও বলেন, ‘সংবিধানের অধীনে আইনের শাসন রক্ষায় সারা দেশে ডিজিটাল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়ন্ত্রণ করা দরকার।

‘আধুনিক প্রেক্ষাপটে বিচার প্রক্রিয়ায় একটি অযাচিত হস্তক্ষেপ হলো ডিজিটাল মিডিয়া।’

বিচারপতি পারদিওয়ালা এ সময় উদাহরণ হিসেবে অযোধ্যা মামলাকে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘ওই মামলায় জমি এবং নাম নিয়ে বিরোধ ছিল। তবে চূড়ান্ত রায় দেয়ার সময় ইস্যুটি রাজনৈতিক মাত্রা পেয়েছিল।’

আরও পড়ুন:
রাজস্থানে দর্জি হত্যার পেছনে পাকিস্তানের জঙ্গিরা?
নূপুর শর্মাকে দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইতে বলল আদালত
ভারতে ‘তালেবানি মানসিকতা’ চলবে না: আজমির শরিফ প্রধান
সেই নূপুরের পক্ষ নেয়ায় রাজস্থানে দর্জি খুন, ১৪৪ ধারা
জবিতে শিক্ষার্থীদের ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক

মন্তব্য

p
উপরে