× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
Sheikh Hasina congratulates the new Prime Minister of Australia and invites him to visit the country
hear-news
player
print-icon

অস্ট্রেলিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রীকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন

অস্ট্রেলিয়ার-নতুন-প্রধানমন্ত্রীকে-শেখ-হাসিনার-অভিনন্দন
অস্ট্রেলিয়ার নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজকে বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি আন্তরিকভাবে আশা করি, ‘১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ সফরে আসা প্রধানমন্ত্রী গফ হুইটলামের পরে দ্বিতীয় অস্ট্রেলিয়ান প্রধানমন্ত্রী হিসাবে বর্তমান বাংলাদেশের সক্ষমতা দেখতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আপনার সুবিধামতো সময়ে আমাদের দেশে ঘুরে যাবেন।’

অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল নির্বাচনে অ্যান্থনি নরম্যান আলবানিজের নেতৃত্বাধীন দল লেবার পার্টি জয়লাভ করায় বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ সফরে আলবানিজকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

নির্বাচনে দলটির সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়ে রোববার বার্তা পাঠান সরকারপ্রধান। এ দিন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং।

দেশটির অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, শান্তি এবং সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে যেতে এই জয়কে অ্যান্থনি আলবানিজের নেতৃত্বের প্রতি অস্ট্রেলিয়ার জনগণের অগাধ আস্থার প্রতিফলন বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

১৯৭৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশ সফরে আসেন গফ হুইটলাম। সে প্রসঙ্গ ধরে আলবানিজকে বাংলাদেশ সফরে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘আমি আন্তরিকভাবে আশা করি, ‘১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ সফরে আসা প্রধানমন্ত্রী গফ হুইটলামের পরে দ্বিতীয় অস্ট্রেলিয়ান প্রধানমন্ত্রী হিসাবে বর্তমান বাংলাদেশের সক্ষমতা দেখতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আপনার সুবিধামতো সময়ে আমাদের দেশে ঘুরে যাবেন।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই ধরনের উচ্চ পর্যায়ের যোগাযোগ আমাদের বন্ধুত্বের বিরাজমান বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে এবং দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ এবং সমসাময়িক আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সমস্যাগুলোর বিষয়ে একটি সাধারণ বোঝাপড়া তৈরি করতে সাহায্য করবে।’

অভিনন্দন বার্তায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রতি অস্ট্রেলিয়ার সমর্থন এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর থেকে সহায়তার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন সরকারপ্রধান।

তিনি বলেন, ‘বাণিজ্য, অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং শিক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও গভীর ও মজবুত হয়েছে। ক্লিন এনার্জি, মেরিটাইম সিকিউরিটি, ওসান গভর্নেন্স এবং ব্লু ইকোনমিতে আমাদের সহযোগিতার অপার সম্ভাবনা রয়েছে।’

দুই দেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ৫০ বছর পালন করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পারস্পরিক স্বার্থ, আন্তঃনির্ভরতার নতুন নতুন ক্ষেত্র খুঁজে বের করার সুযোগ আমাদের রয়েছে, যা অংশীদারত্বমূলক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেবে। ভারত মহাসাগর অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা ও আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা রক্ষায় আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারি।’

আরও পড়ুন:
বৈশ্বিক মন্দা ঠেকাতে প্রধানমন্ত্রীর চার প্রস্তাব
অর্থনীতি নিয়ে জরুরি বৈঠকের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
কক্সবাজারে যেখানে-সেখানে স্থাপনা নয়: প্রধানমন্ত্রী
পত্রিকার সংবাদে না ঘাবড়ে, দেশের উন্নয়নে কাজ করুন: প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
DU teachers have to leave home High Court

ঢাবি শিক্ষককে বাসা ছাড়তে হবে: হাইকোর্ট

ঢাবি শিক্ষককে বাসা ছাড়তে হবে: হাইকোর্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোর্শেদ হাসান খান। ছবি: সংগৃহীত
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, ‘নোটিশের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন শিক্ষক মোর্শেদ হাসান। যা মঙ্গলবার শুনানি শেষে আদালত খারিজ করে দেয়।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অবমাননা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগে বরখাস্ত হওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোর্শেদ হাসান খানকে বাসা ছাড়তে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে হাইকোর্ট।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দেয়া নোটিশ স্থগিত চেয়ে করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত। তাই তাকে বাসা ছাড়তেই হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী।

বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এ আদেশ দেয়।

আদালতে মোর্শেদ হাসানের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরসেদ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আবুল কালাম খান দাউদ।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘মোর্শেদ হাসানকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক এলাকার বাসা ছাড়তে গত ২৯ জুন নোটিশ দেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। নোটিশের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন শিক্ষক মোর্শেদ হাস। যা মঙ্গলবার শুনানি শেষে আদালত খারিজ করে দেয়।’

২০১৮ সালের ২৬ মার্চ একটি জাতীয় দৈনিকের স্বাধীনতা দিবস সংখ্যায় তার লেখা ‘জ্যোতির্ময় জিয়া’ শিরোনামে এক নিবন্ধে বঙ্গবন্ধুর অবমাননা, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্যের অভিযোগ আনে ছাত্রলীগ।

এ ঘটনায় তাকে বরখাস্ত করার দাবিতে আন্দোলনের পাশাপাশি উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দেয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতিও ওই লেখার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়। এ ঘটনায় ২০২০ সালের ৯ সেপ্টেম্বর সিন্ডিকেটের এক সিদ্ধান্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া

এরপর ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে চাকরি থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী বাসা ছেড়ে দেয়ার কথা। কিন্তু সেটি তিনি না করায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে বাসা ছাড়তে নোটিশ দেয়।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Judgment issued with the introduction of biometric system in prisons

কারাগারে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালুর নির্দেশ দিয়ে রায় প্রকাশ

কারাগারে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালুর নির্দেশ দিয়ে রায় প্রকাশ কারাগারে বায়োমেট্রিক পদ্ধতির প্রচলন করতে নির্দেশনামূলক হাইকোর্টের রায় প্রকাশ করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
২০১৩ সালের ৯ এপ্রিল রাজধানীর খিলগাঁও থানায় হওয়া মামলায় (নম্বর-১২(৪)১৩) পুলিশ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের শাহজাদপুর গ্রামের আহসান উল্লাহর ছেলে মোদাচ্ছের আনছারীকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর মোদাচ্ছের তার নাম-ঠিকানা গোপন করে নিজেকে নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার আজগর আলী মোল্লা বাড়ি মসজিদ রোড এলাকার মোহাম্মদ আব্দুল কাদেরের ছেলে মোহাম্মদ জহির উদ্দিন নামে পরিচয় দেন।

বদলি সাজা খাটা রোধে এবং প্রকৃত আসামি শনাক্তে দেশের কারাগারগুলোতে পর্যায়ক্রমে বায়োমেট্রিক পদ্ধতির প্রচলন করতে নির্দেশনামূলক হাইকোর্টের রায় প্রকাশ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রায় প্রকাশের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইনজীবী শিশির মনির।

ছয় পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি লিখেছে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো.মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

রায়ে বিদ্যমান ব্যবস্থার সঙ্গে সব থানায় আসামির হাতের আঙ্গুল ও তালুর ছাপ, চোখের মণি, বায়োমেট্রিক পদ্ধতির প্রচলন করা, গ্রেপ্তারের পর আসামির সম্পূর্ণ মুখের ছবি ধারণ ও কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডারে সংরক্ষণ করা, এবং দেশের সব কারাগারে আঙ্গুল ও হাতের তালুর ছাপ, চোখের মণির সংরক্ষণের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক তথ্য সংরক্ষণ সিস্টেম চালু করতে বলা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কারা কর্তৃপক্ষকে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

২০১৩ সালের ৯ এপ্রিল রাজধানীর খিলগাঁও থানায় হওয়া মামলায় (নম্বর-১২(৪)১৩) পুলিশ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের শাহজাদপুর গ্রামের আহসান উল্লাহর ছেলে মোদাচ্ছের আনছারীকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর মোদাচ্ছের তার নাম-ঠিকানা গোপন করে নিজেকে নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার আজগর আলী মোল্লা বাড়ি মসজিদ রোড এলাকার মোহাম্মদ আব্দুল কাদেরের ছেলে মোহাম্মদ জহির উদ্দিন নামে পরিচয় দেন।

এরপর ওই বছরের ৩১ অক্টোবর মোদাচ্ছের জামিন পেয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে পালিয়ে যান। তিনি জহির উদ্দিন নামেই আদালতে জামিনের আবেদন করেন।

তদন্ত শেষে পুলিশ জহির উদ্দিনসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ৮ এপ্রিল অভিযোগপত্র দেয়। এরপর ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ২০১৭ সালের ১১ অক্টোবর জহিরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। জহির উদ্দিন সেই পরোয়ানার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেন।

ওই রিটের শুনানি নিয়ে গত বছরের ১০ মার্চ জহির উদ্দিনের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কার্যকারিতা স্থগিত করে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে রুল জারি করা হয়।

পাশাপাশি নোয়াখালীর জহির উদ্দিন ওই মামলার প্রকৃত আসামি কি-না, তা তদন্ত করতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেয়া হয়।

আদালতের নির্দেশে গত সপ্তাহে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দেয় পিবিআই। প্রতিবেদনে বলা হয়, মামলার প্রকৃত আসামি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের আহসান উল্লাহর ছেলে মোদাচ্ছের আনছারী ওরফে মোহাদ্দেস।

পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সারোয়ার আলমের দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘জহির উদ্দিনকে খিলগাঁও থানার মামলায় (নম্বর-১২(৪)১৩) গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আসামি হিসেবে চিহ্নিত করার মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। জহির উদ্দিন প্রকৃতপক্ষে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাধারী ব্যক্তি নয়। প্রকৃত আসামি মোদাচ্ছের আনছারী ওরফে মোহাদ্দেস।

আরও পড়ুন:
কারাগারে বায়োমেট্রিক পদ্ধতির অগ্রগতি জানতে চায় হাইকোর্ট
আসামি শনাক্তে কারাগারে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালুর নির্দেশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
PK Haldar again in jail custody

জেরায় বাংলাদেশ-ভারতের একাধিক প্রভাবশালীর নাম বলেছেন পি কে

জেরায় বাংলাদেশ-ভারতের একাধিক প্রভাবশালীর নাম বলেছেন পি কে
তৃতীয় দফার ১৪ দিনের জেল হেফাজত শেষে মঙ্গলবার পি কে হালদারসহ ৬ অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হলে কলকাতার ব্যাঙ্কশাল কোর্টের বিশেষ সিবিআই আদালত আরও ১৫ দিন জেলহাজতে রাখা নির্দেশ দেয়। ২০ জুলাই তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ইডির আইনজীবী।

বাংলাদেশ থেকে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পালানো প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদার এবং তার ৫ সহযোগীর জেল হেফাজতের মেয়াদ আরও ১৫ দিন বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে হেফাজতে পি কে হালদার ও সহযোগীদের জেরা করে অর্থ জালিয়াতি এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট হিসেবে বাংলাদেশ ও ভারতের একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।

তৃতীয় দফার ১৪ দিনের জেল হেফাজত শেষে মঙ্গলবার পিকে হালদারসহ ৬ অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হলে কলকাতার ব্যাঙ্কশাল কোর্টের বিশেষ সিবিআই আদালত এই নির্দেশ দেয়।

পরবর্তী শুনানির জন্য তাদেরকে ২০ জুলাই আদালতে হাজির করতে বলা হয়েছে। ওইদিন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ইডির আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী।

অরিজিৎ চক্রবর্তী জানান, জেল হেফাজতে পি কে হালদার ও তার সহযোগীদের জেরা করে অর্থ জালিয়াতির এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ভারতের প্রভাবশালী একাধিক ব্যক্তির নাম বেরিয়ে এসেছে। বাংলাদেশেরও বেশ কয়েকজন প্রভাবশালীর নাম জানা গেছে।

বাংলাদেশের এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি টাকা আর্থিক কেলেঙ্কারি মামলার প্রধান আসামি পি কে হালদার।

পি কে হালদার চক্র জালিয়াতির টাকা হাওলার মাধ্যমে ভারত এবং অন্যান্য দেশে পাচার করে দিয়েছে।

বাংলাদেশ সরকারের অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি পশ্চিমবঙ্গের অশোকনগর থেকে পি কে হালদারসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে নিজেদের হেফাজতে নেয় ।

প্রথমে ৩ দিন, পরে আদালতের নির্দেশে আরও ১০ দিনের জন্য অভিযুক্তদের নিজেদের হেফাজতে নেয় ইডি। এরপর প্রথম পর্যায়ে ১১ দিন এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। সেই জেল হেফাজতের মেয়াদ শেষে ২১ জুন অভিযুক্তদের আদালতে তোলা হলে আবারও ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

ইডির তদন্তকারীরা অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বহু জমি-বাড়ি ফ্ল্যাটের সন্ধান পেয়েছেন। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি, নগদ টাকা, মোবাইল ফোন, অবৈধ পাসপোর্ট, আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে অর্থ পাচারের মামলা করেছে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের পি কে হালদার, ভারতের নীরব মোদি
পি কেকে ফেরাতে পশ্চিমবঙ্গে যাবে কমিটি
পি কে হালদারকে ফেরত চেয়ে ইন্টারপোলে আবার চিঠি দুদকের
পি কে হালদারের নামে আরেক মামলা দুদকের
পি কে হালদারকে ফেরাতে দুদকের কমিটি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The bus owners behind the motorcycle stop

‘মোটরসাইকেল বন্ধের পেছনে বাসমালিকরা’

‘মোটরসাইকেল বন্ধের পেছনে বাসমালিকরা’ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধনে অংশ নেন মোটরসাইকেল চালকরা। ছবি: নিউজবাংলা
মোটরসাইকেলচালক মমিন তাজ বলেন, ‘ঈদে বাসমালিকদের আয় কমে যাওয়ার ভয় থেকেই তারা ওপর মহলে চাপ সৃষ্টি করে এই বাইক চলাচল বন্ধ করেছে। আমরা ঝামেলাবিহীনভাবে বাড়ি ফেরার জন্য মহাসড়কে বাইক চলাচলের অনুমতি চাই।’

মহাসড়কে মোটরসাইকেল বন্ধের কারণ হিসেবে বাসমালিকদের হিংসাত্মক মনোভাবকে দুষলেন বাইকচালকেরা। এ সময় সঠিক আইন প্রয়োগের মাধ্যমে মহাসড়কে মোটরসাইকেল চলাচলে অনুমতি দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান বাইকচালকেরা।

মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে তারা এই দাবি জানান।

মানববন্ধনে মহাসড়কে মোটরসাইকেল বন্ধের পেছনে বাসমালিকদের হিংসাত্মক মনোভাব রয়েছে দাবি করে বাইকচালক মমিন তাজ বলেন, ‘ঈদে বাসমালিকদের আয় কমে যাওয়ার ভয় থেকেই তারা ওপর মহলে চাপ সৃষ্টি করে এই বাইক চলাচল বন্ধ করেছে। আমরা ঝামেলাবিহীনভাবে বাড়ি ফেরার জন্য মহাসড়কে বাইক চলাচলের অনুমতি চাই।’

বাইকচালক মেজবাহদ্দিন বলেন, ‘নিরাপত্তার ইস্যুতে আন্তমহাসড়কে বাইক চলাচল বন্ধ কার্যকরী সমাধান নয়। বরং মহাসড়কে আইনের প্রয়োগ করে মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি দেয়া হোক। কেননা এই ঈদে বাড়ি ফেরার জন্য বাস-ট্রেনের টিকিট পাওয়া ঝামেলা। এ ছাড়া যাতায়াতেও কষ্ট।’

মানববন্ধনে অর্ধশতাধিক বাইকচালক উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
মোটরসাইকেলে আরও গতি চায় সরকার
এবার ফিরে আসার ‘মহাযুদ্ধে’ বাইক বাহিনী
নওগাঁয় বাইক দুর্ঘটনায় আহত ৭, আশঙ্কাজনক ৬

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The slope to return home through the Padma Bridge

পদ্মা সেতু হয়ে বাড়ি ফেরার ঢল

পদ্মা সেতু হয়ে বাড়ি ফেরার ঢল ঈদে পদ্মা সেতু হয়ে বাড়ি ফিরতে রাজধানীল সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা
‘আগে আরিচা হয়ে বাড়ি যেতাম, এখন মাওয়া হয়ে যাচ্ছি। পদ্মা সেতু হওয়ায় বাড়ি যাওয়া সহজ হয়ে গেছে। টিকিট পেতে একটু ঝামেলা হচ্ছে। তবে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। ঈদের আগে এটুকু ঝামেলা হবে এটাই স্বাভাবিক।’

পদ্মা সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়ার পর থেকেই দক্ষিণবঙ্গের যাত্রীরা আরিচা ঘাট খুব কম ব্যবহার করছেন। আর ঈদযাত্রায় পদ্মা সেতু দিয়ে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে।

পদ্মা সেতু হয়ে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা রুটে যাত্রীর চাপ ক্রমশ বাড়ছে। এর প্রভাব পড়েছে রাজধানীর গুলিস্তান এবং সায়দাবাদ বাস টার্মিনালেও। এ দুটি টার্মিনালে যাত্রীর ভিড় লেগেই আছে।

২৬ জুন পদ্মা সেতু খুলে দেয়ার পর থেকেই যাত্রীর চাপ রয়েছে এই রুটে। তবে শনিবার থেকে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ঈদযাত্রার চাপ।

মো. শামীম তার পরিবার নিয়ে এসেছেন গুলিস্তান বিআরটিসি টার্মিনালে। পদ্মা সেতু হয়ে ফরিদপুরে গ্রামের বাড়ি যাবেন ঈদ করতে।

তিনি বলেন, ‘আগে আরিচা হয়ে বাড়ি যেতাম। এখন মাওয়া হয়ে যাচ্ছি। পদ্মা সেতু হওয়ায় বাড়ি যাওয়া সহজ হয়ে গেছে। টিকিট পেতে একটু ঝামেলা হচ্ছে। তবে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। ঈদের আগে এটুকু ঝামেলা হবে এটাই স্বাভাবিক।’

পদ্মা সেতু হয়ে বাড়ি ফেরার ঢল
ঈদযাত্রায় পদ্মা সেতু হয়ে বাড়ি ফিরতে যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ দেখা গেছে রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে। ছবি: নিউজবাংলা

বিআরটিসির বাসচালক সুমন ব্যাপারী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গত মাসের ২৬ তারিখ থেকেই যাত্রীর ভিড় বেড়েছে এই রুটে। পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর থেকে সেতু দেখার জন্য হলেও মানুষ বাড়ি যাচ্ছে। ঈদের কারণে চাপ আরও বাড়ছে।’

কাউন্টারে অনেক যাত্রী বাস দেরিতে ছাড়ার অভিযোগ তুলছেন। তাদের একজন ইয়াসিন গাজী বলেন, ‘বাস সময়মতো ছাড়ছে না। কাউন্টারে বললে বলে জ্যামে আটকে বাস।’

যাত্রীদের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বিআরটিসি কাউন্টারের টিকিট বিক্রেতা হাসান মাহমুদ বলেন, ‘বাবুবাজার ব্রিজের পর থেকেই প্রচণ্ড জ্যাম। গাড়ি আসতে দেরি করছে, তাই গাড়ি ছাড়তে একটু দেরি হচ্ছে।’

ফাল্গুনী মধুমতী পরিবহনের টিকিট বিক্রেতা মো. মনির বলেন, ‘আরিচা হয়ে মানুষ এখন বাড়ি যায় না। দক্ষিণ অঞ্চলের মানুষ এখন পদ্মা সেতু হয়ে বাড়ি যায়। যাত্রীদের প্রচুর চাপ। তবে টিকিট দিতে পারছি।’

পদ্মা সেতু হয়ে বাড়ি ফেরার ঢল
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালে টিকিট কাটতে যাত্রীর ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা

গুলিস্তান থেকে লোকাল পরিবহনেও পদ্মা সেতু হয়ে বাড়ি যাচ্ছে হাজারো যাত্রী।

প্রচেষ্টা পরিবহন গুলিস্তান থেকে ফরিদপুর ভাঙ্গা পর্যন্ত যায়। এই বাসের সুপারভাইজার মো. রাকিব বলেন, ‘লোকাল বাস হলে আমাদের বাসে যাত্রীর চাপ ভালোই। গত ঈদের থেকে এবারের ঈদে যাত্রী ভালো পাচ্ছি। গুলিস্তান থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত ভাড়া নিচ্ছি ২৫০ টাকা।’

শুধু গুলিস্তান না সায়দাবাদ বাস টার্মিনালেও দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীদের ভিড় দেখা যায়।

দোলা পরিবহনের টিকিট বিক্রেতা রাব্বি বলেন, ‘পদ্মা সেতু হয়ে বাড়ি যাওয়া এখন খুব সহজ হয়ে গেছে। তাই আরিচা হয়ে এখন আর খুব কম মানুষ বাড়ি যায়। পদ্মা সেতু হয়েই যাচ্ছে তারা।’

আরও পড়ুন:
‘টিকিট পাব কি না বুঝতে পারছি না’
পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়ে বাড়ি যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
সড়ক সংস্কার ঈদের ৫ দিন আগে শেষ করার নির্দেশ
চলেন পূর্ণিমায় খালেদাকে নিয়ে পদ্মা সেতুতে যাই: প্রধানমন্ত্রীকে জাফরুল্লাহ
পদ্মা সেতু নিয়ে ইতিবাচক সংবাদে তথ্যমন্ত্রীর ধন্যবাদ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Comilla is an example of good election

‘ভালো নির্বাচনের দৃষ্টান্ত কুমিল্লা’

‘ভালো নির্বাচনের দৃষ্টান্ত কুমিল্লা’ কুমিল্লা সিটিতে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই ভোটকেন্দ্রে ভোটাররা। ফাইল ছবি
‘এই নির্বাচনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মানুষ শুধু অংশগ্রহণই করেনি, অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক একটা নির্বাচন। চমৎকার প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন হয়েছে, এখানে যে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে পেরেছে, ভোটের মাধ্যমে তারা তাদের মনমতো প্রার্থীকে জয়ী করেছে। আমি মনে করি যে নির্বাচনের ইতিহাসে এটি একটি দৃষ্টান্ত।’

গত ১৫ জুন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যে ভোট হয়েছে, সেটিকে ভালো ভোটের একটি উদাহরণ হিসেবে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বলেছেন, মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে পেরেছে, ভোটের মাধ্যমে তারা তাদের মনমতো প্রার্থীকে জয়ী করেছে।

ভোটের ২০ দিন পর মঙ্গলবার ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে নবনির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের শপথ অনুষ্ঠান হয়। মেয়র হিসেবে আওয়ামী লীগ নেতা আরফানুল হক রিফাতকে শপথ পড়ান প্রধানমন্ত্রী আর কাউন্সিলরদের শপথ পড়ান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত ছিলেন সরকারপ্রধান।

কুমিল্লার এই ভোট গত কয়েক বছরের ভোটের মধ্যে ব্যতিক্রম হিসেবেই দেখা হচ্ছে। ২০১৪ সালের পর থেকে বিভিন্ন নির্বাচনে সহিংসতা, ভয়ভীতি, ভোটারদের বাধা, একজনের ভোট আরেকজনের দিয়ে দেয়ার যে বিস্তার অভিযোগ উঠেছিল, তার কিছুই হয়নি কুমিল্লায়।

বর্তমান নির্বাচন কমিশনের অধীনে এই প্রথম ভোট নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরাও দিনভর কোনো অভিযোগ করেননি। একেবারে শেষ পর্যায়ের চারটি কেন্দ্রের ফল ঘোষণার আগে হাঙ্গামার পর পরাজিত প্রার্থী দুই বারের মেয়র মনিরুল হক সাক্কু অভিযোগ করেন, তাকে হারিয়ে দেয়া হয়েছে।

তবে পরে সেই চারটি কেন্দ্রসহ সব কেন্দ্রের আলাদা ফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। সেসব ফলে দেখা যায়, সাক্কুর এজেন্টরা আগেই কেন্দ্র থেকে ফল নিয়ে এসেছেন। কেন্দ্র থেকে আলাদা ঘোষিত ফলাফলে সাক্কুর এজেন্টদের সই ছিল এবং তারা কোনো অভিযোগ করেননি।

কুমিল্লার এই ভোট আওয়ামী লীগের জন্য বেশ স্বস্তিকর এই কারণে যে, শহরের ভোটে ১৯৭৩ সালের পর তারা প্রথম জয় পেয়েছে। ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে সদর আসনে জয়ের পর সিটি করপোরেশনের দুটি নির্বাচনের মধ্যে প্রথমবার ২০১২ সালে ৩০ হাজার এবং পরেরবার ২০১৭ সালে ১১ হাজার ভোটে হেরে যান আওয়ামী লীগের প্রার্থী। এবার স্বল্প ভোটে হলেও জয় পেয়েছে ক্ষমতাসীনরা।

নৌকা নিয়ে রিফাত ভোট পেয়েছেন ৫০ হাজার ৩১০টি, ঘড়ি প্রতীকে সাক্কুর পক্ষে রায় দিয়েছেন ৪৯ হাজার ৯৬৭ জন। ভোটের ব্যবধান ছিল মাত্র ৩৪৩টি।

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ‘এই নির্বাচনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মানুষ শুধু অংশগ্রহণই করেনি, অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক একটা নির্বাচন। চমৎকার প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনটা হয়েছে, এখানে যে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে পেরেছে, ভোটের মাধ্যমে তারা তাদের মনমতো প্রার্থীকে জয়ী করেছে। আমি মনে করি যে নির্বাচনের ইতিহাসে এটি একটি দৃষ্টান্ত।’

জনগণ যে আস্থা রেখে ভোট দিয়েছে, তার মর্যাদা রক্ষা করতে বিজয়ীদের তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘মানুষের আস্থা, বিশ্বাসটা যেন আপনাদের ওপর থাকে। যে বিশ্বাস নিয়ে ভোটার আপনাকে ভোট দিয়েছেন, সেই বিশ্বাসে যেন কখনও চিড় না ধরে, সেই বিশ্বাস যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। সেই বিশ্বাসটাকে ধরে রেখে আরও বিশ্বাস যেন অর্জন করতে পারেন, সেদিকেই আপনারা বিশেষ দৃষ্টি দেবেন।’

কমিশনের চিন্তা বাদ দিন

উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে ‘মোটা অঙ্কের কমিশন’-এর চিন্তা বাদ দিয়ে দেশ ও মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করতেও বলেন সরকারপ্রধান।

তিনি বলেন, ‘যারা কাউন্সিলর ও মেয়র তাদের আমি এতটুকু বলব যেকোনো উন্নয়ন প্রকল্প করতে হলে, এই একটা উন্নয়ন প্রকল্প করতে গেলে, একটা মোটা অঙ্কের কমিশন পাওয়া যাবে, ওই চিন্তা যেন কারও মাথায় না থাকে।

‘এই উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিলে পরে তার বাস্তবায়নের সুফল মানুষ কতটুকু ভোগ করবে, আর তার থেকে, এই উন্নয়ন প্রকল্প থেকে রাষ্ট্র কতটুকু লাভবান হবে, এই অর্থটা কতটুকু ফেরত আসবে আর কতটুকু মানুষের কাজে লাগানো যাবে, সেটাই মাথায় রাখবেন।’

আরও পড়ুন:
জীবনের ওপর ফের আঘাতের শঙ্কা প্রধানমন্ত্রীর
দক্ষিণে ব্যাপক উন্নয়ন করবে পদ্মা সেতু: প্রধানমন্ত্রী
বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Two plane crashes Ministrys investigation committee

২ বিমানের সংঘর্ষ: মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি

২ বিমানের সংঘর্ষ: মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানের একটি উড়োজাহাজ। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ৪ সদস্যের এই তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটিকে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গারে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুই উড়োজাহাজের মধ্যে সংঘর্ষে দুটির ডানা ক্ষতিগ্রস্তের ঘটনায় তদন্ত কমিটি করেছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় চার সদ্যসের এই তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

এতে আহ্বায়ক করা হয়েছে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিমান ও সিএ) মো. মহিদুল ইসলামকে। কমিটিতে অন্যান্যের মধ্যে আছেন মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (বিমান ও সিএ) নজরুল ইসলাম সরকার, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক (এয়ারওয়ার্দিনেস স্টান্ডার্ড) আব্দুল কাদের, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উপমহাব্যবস্থাপক আনোয়ার হোসেন।

গত রোববার রাত ৯টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গারে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুই উড়োজাহাজের মধ্যে ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সে সময় বিমানের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক তাহেরা খন্দকার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিমানের একটি বোয়িং সেভেন এইট সেভেন ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজকে হ্যাঙ্গারে প্রবেশ করানোর সময় সেখানে বাহিরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বোয়িং সেভেন থ্রি সেভেন উড়োজাহাজের একটি পাখা এবং পাখার নিচের অংশে আঘাত লাগে।

‘এতে সেভেন থ্রি সেভেন উড়োজাহাজটির বাম ডানা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্যদিকে ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজটির ডান ডানাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’

এ ঘটনায় বিমানের এয়ার সেফটি বিভাগের পরিচালক এনামুল হক তালুকদারকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তাহেরা খন্দকার জানান, ‘তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে বিমানের স্বাভাবিক ফ্লাইট কার্যক্রমে এই দুর্ঘটনার কোনো প্রভাব পড়বে না।’

বিমান কর্মকর্তারা বলছেন, দুর্ঘটনার ফলে আপাতত এই দুই উড়োজাহাজ দিয়ে যাত্রী পরিবহন করা যাবে না। উড়োজাহাজ দুটির কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে তা নিরূপণ করতে এসব তথ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছে পাঠানো হবে। তাদের মূল্যায়নের পর জানা যাবে ক্ষতির পরিমাণ।

তারও আগে, গত ১০ এপ্রিল দুপুরে বিমানের বোয়িং ৭৭৭ উড়োজাহাজ হ্যাঙ্গারের ভেতরে প্রবেশ করানোর সময় আগে থেকেই সেখানে থাকা বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। ফলে ৭৭৭ উড়োজাহাজের র‍্যাডোম ও সামনের বাল্কহেড এবং ৭৩৭ উড়োজাহাজের বাঁদিকের আনুভূমিক স্ট্যাবিলাইজারের কোনার অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এ ঘটনার পরপরই বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। সেই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে গাফিলতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর বিমানের পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বরখাস্তের আদেশ দেয়া হয়।

বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন বিমানের মুখ্য প্রকৌশলী মোহাম্মদ বদরুল ইসলাম, প্রকৌশলী মাইনুল ইসলাম, সৈয়দ বাহারুল ইসলাম ও সেলিম হোসেন খান এবং জিএসই অপারেটর মো. হাফিজুর রহমান।

আরও পড়ুন:
বিমান অসুস্থ প্রতিযোগিতা করছে: এওএবি
কারিগরি ত্রুটি: বিমানের ফ্লাইটের জরুরি অবতরণ
অল্পের জন্য বাঁচল বিমানের ড্রিমলাইনার
দুবাইফেরত যাত্রীর কাছে সোয়া কেজি স্বর্ণ
বিমানের বোয়িংয়ে ইউএস বাংলার জিএসইর ধাক্কা

মন্তব্য

p
উপরে