× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
Huge gathering of Islamic movement in Barisal
hear-news
player
print-icon

বরিশালে ইসলামী আন্দোলনের বিশাল সমাবেশ

বরিশালে-ইসলামী-আন্দোলনের-বিশাল-সমাবেশ
সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন চরমোনাই পির সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল ক‌রিম।
বক্তারা সরকারের নানা সমালোচনা করে অভিযোগ করেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়িয়ে মেগা প্রকল্পের নামে ক্ষমতাসীনরা হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করছে।

জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই সংসদ ভেঙে সব রাজনৈতিক দলের মতামতে নির্বাচনকালীন সরকার গঠন করতে হবে বলে দাবি জানিয়েছেন চরমোনাই পির সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল ক‌রিম। এ ছাড়া নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা যাবে না বলেও সরকারকে হুঁশিয়ার করেছেন তিনি।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদ, মদের বিধিমালা বাতিল, পাঠ্যপুস্তকের সিলেবাসে ধর্মীয় শিক্ষার সংকোচন বন্ধসহ ইসলামিক আদর্শে রাষ্ট্র গঠনে ১৫ দফা দাবি জানিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশে এমন দাবি করেন চরমোনাই পির।

শুক্রবার বিকেলে বরিশাল নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে চরমোনাই পির আরও দাবি করেন, পরবর্তী সরকার ক্ষমতাগ্রহণের আগ পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েনসহ জাতীয় নির্বাচনের দিন সশস্ত্র বাহিনীর হাতে বিচারিক ক্ষমতা প্রদান করতে হবে।

সমাবেশে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার নেতাকর্মী দলে দলে অংশ নেন। নির্ধারিত সময়ের আগেই কানায় কানায় ভরে ওঠে সমাবেশস্থল।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি চরমোনাই পির ছাড়াও কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন।

এ সময় বক্তারা সরকারের নানা সমালোচনা করে অভিযোগ করেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়িয়ে মেগা প্রকল্পের নামে ক্ষমতাসীনরা হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করছে। ১১৬ জন আলেম ওলামাকে বিতর্কিত করে ইসলামকেই হেয় করছে।

এ ছাড়া পাঠ্যপুস্তক থেকে ইসলামি শিক্ষা বাদ দিতেও সরকার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের।

বক্তারা জানান, সমাবেশে যোগদানের জন্য পিরোজপুর জেলা শাখার আওতাধীন উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড ও ইউনিট শাখা থেকে প্রায় ১০৮টি পরিবহন বাস রিজার্ভের কথা হয়েছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা বাস মালিক সমিতি হঠাৎ সব রিজার্ভ করা গাড়ি বাতিল করে নেতাকর্মীদের বায়না টাকা ফেরত দিয়ে দেয়। এ ক্ষেত্রে বাস মালিক সমিতি দোষ চাপিয়ে দিচ্ছে প্রশাসনের ওপর আর প্রশাসন দোষ চাপাচ্ছে বাস মালিক সমিতির ওপর।

সমাবেশে যোগদানে ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের আরও নানাভাবে বাধা দেয়া হয়েছে দাবি করে বক্তারা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

বক্তাদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান অন্যতম।

আরও পড়ুন:
ইসলামী সরকার ছাড়া সাম্য সম্ভব নয়: ইসলামী আন্দোলন
জাপা এমপিকে চরমোনাই পিরের সম্মাননা
আ.লীগ-বিএনপির কমলেও ভোট বেড়েছে ইসলামী আন্দোলনের
করোনা: মানুষের পাশে ইসলামী আন্দোলন
ভাস্কর্য ইস্যুতে মামলা চক্রান্তের অংশ: ইসলামী আন্দোলন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The bridge minister urged the passengers to be responsible for the Padma bridge

পদ্মা সেতুতে যাত্রীদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান সেতুমন্ত্রীর

পদ্মা সেতুতে যাত্রীদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান সেতুমন্ত্রীর উদ্বোধনের দিনই সেতুতে উঠে পড়ে উৎসুক জনতা। ছবি: নিউজবাংলা
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পদ্মা সেতু অবকাঠামো একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্থাপনা এবং দেশের এক বড় সম্পদ। এর নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব।

পদ্মা সেতু পারাপারে যাত্রীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার এক বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পদ্মা সেতু অবকাঠামো একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্থাপনা এবং দেশের এক বড় সম্পদ। এর নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব।

বিবৃতিতে সেতু পারাপারে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পালনের জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের।

শনিবার পদ্মা সেতু উদ্বোধনের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর রোববার ভোরে যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয় এই সেতু।

যানবাহন পারাপারের জন্য খুলে দেয়ার আগের দিন অর্থাৎ উদ্বোধনের দিনই নির্দেশনা না মেনে উঠে পড়ে মানুষ। উদ্বোধনের দিন ঘটতে থাকে একের পর এক অনিয়ম। গাড়ি থামিয়ে ছবি তোলা, সেতুর নাট খোলা; টিকটক করা।

একপর্যায়ে রাতে পদ্মা সেতুতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ‍নিহত হয়েছেন দুই যুবক। এরপর সেতুতে মোটরসাইকেল চালানো বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

আরও পড়ুন:
শুধু হাত দিয়ে পদ্মা সেতুর নাট খোলা অসম্ভব: সিআইডি
শরীয়তপুর থেকে ফিরতি পথে বিপাকে ঢাকার বাইকাররা
পদ্মা সেতু জাতীয় সম্পদ, বিরোধীরা জাতির শত্রু: হাইকোর্ট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Raushan Ershad returned to the country

দেশে ফিরলেন রওশন এরশাদ

দেশে ফিরলেন রওশন এরশাদ দেশে ফিরলেন রওশন এরশাদ। ছবি: নিউজবাংলা
গত বছরের ৫ নভেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ব্যাংকক নিয়ে যাওয়া হয় রওশন এরশাদকে। তিনি থাইল্যান্ডের ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ফুসফুসের সমস্যাসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি।

প্রায় আট মাস থাইল্যান্ডে চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ।

সোমবার দুপুর ১২টার দিকে তাকে বহনকারী বিমান ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবরতণ করে।

রওশন এরশাদের সহকারী একান্ত সচিব মামুন হাসান নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত বছরের ৫ নভেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ব্যাংকক নিয়ে যাওয়া হয় রওশন এরশাদকে। তিনি থাইল্যান্ডের ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ফুসফুসের সমস্যাসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি।

মামুন হাসান জানান, দুপুর ১২টায় রওশন এরশাদ বিমানবন্দরে নেমে সরাসরি রাজধানীর গুলশানে হোটেল ওয়েস্টিনে চলে যান। ঢাকায় অবস্থানকালে তিনি সেখানেই থাকবেন। আগামী ৩০ জুন বাজেট অধিবেশনের সমাপনী দিনে উপস্থিত থাকবেন বিরোধীদলীয় নেতা। পরে আগামী ৪ জুলাই চিকিৎসার জন্য আবারও থাইল্যান্ড চলে যাবেন।

তিনি জানান, বিরোধীদলীয় নেতার দীর্ঘ চিকিৎসাকালে তার সঙ্গে অবস্থানকারী ছেলে রাহগীর আল মাহি (সাদ) এরশাদ ও পুত্রবধূ মাহিমা এরশাদও দেশে ফিরেছেন।

রওশন এরশাদকে বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের, দলের কো-চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য আবু হোসেন বাবলা, মসিউর রহমান রাঙ্গাসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।

বিমানবন্দরের বাইরে দলের বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্যসহ নেতা-কর্মীরা তাকে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত হয়েছিলেন।

আরও পড়ুন:
রওশন এরশাদকে দেখে দেশে ফিরলেন জি এম কাদের
রওশনকে দেখতে থাইল্যান্ড জি এম কাদের
রওশন এরশাদ দেশে ফিরছেন ২৭ জুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
MP Harun is afraid to cross the Padma bridge

পদ্মা সেতু পার হতে ভয় পাচ্ছেন এমপি হারুন

পদ্মা সেতু পার হতে ভয় পাচ্ছেন এমপি হারুন বিএনপির দলীয় এমপি হারুনুর রশীদ। ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এমন আতঙ্কের কথা বলেন হারুনুর রশীদ।

পদ্মা সেতু পারাপারে সংসদের নিজের আতঙ্কের কথা তুলে ধরেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন অনুষ্ঠানের দাওয়াত দিলেন। জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ এবং ভাঙ্গার সংসদ সদস্য নিক্সন চৌধুরী সেতু হওয়ার পর তাদের বাড়ি যাওয়ার দাওয়াত করেছেন। কিন্তু আওয়ামী লীগের শাজাহান খানসহ অনেকেই পদ্মা সেতু দিয়ে পার হতে নিষেধ করছেন।

হারুন বলেন, ‘পদ্মা পার হতে আমি আতঙ্কে আছি। পার হতে গেলে আমাকে ডুবিয়ে দেবে কি-না, ফেলে দেবে কি না নদীতে! আমি তো ভয়ের মধ্যে আছি।’

রোববার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রস্তাবিত ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন হারুনুর রশীদ।

তিনি আরও বলেন, ‘একদিকে দাওয়াত দিবেন, অন্যদিকে ভয় দেখাবেন। আমি তো আতঙ্কে আছি।

এ সময় পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের আগের পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতু আমাদের জন্য গৌরবের। এটা নিয়ে তির্যক মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, বিএনপির মন খারাপ, বুকে বড় জ্বালা।

‘আমাদের মন খারাপ না। আমাদের মন খারাপ হবে কেন? আমরা আনন্দে আছি। আমাদের মন খারাপ হচ্ছে- আমরা মুজিবর্ষ পালন করলাম, আমরা পদ্মা ব্রিজ উদ্বোধন করলাম, কিন্তু দেশে যে গুম ও খুনের সংস্কৃতি চালু হয়েছে- আমরা এখান থেকে কি বের হতে পারব? ভোটের অধিকার হারিয়ে ফেলেছি, সেটা কি ফিরিয়ে আনতে পারব?’

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতুতে দুর্ঘটনায় দুই বাইকারের মৃত্যু
পদ্মা সেতুতে নাট খোলা বাইজীদ পটুয়াখালীর, করতেন ছাত্রদল
বিদ্যুৎ বিভ্রাটে ৮ মিনিট বন্ধ পদ্মা সেতুর টোল আদায়
পদ্মা সেতু: যাতায়াত শুরু হলেও পণ্য পরিবহনে নেই সুফল
পদ্মা সেতু নিয়ে খুশি হতে পারেনি বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Syndicate barring workers from going to Malaysia

‘মালয়েশিয়ায় শ্রমিক যেতে বাধা সিন্ডিকেট’

‘মালয়েশিয়ায় শ্রমিক যেতে বাধা সিন্ডিকেট’
রুস্তম ফরাজী বলেন, ‘বারবার মালয়েশিয়া সফর করেও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় দেশটিতে শ্রমশক্তি রপ্তানি শুরুর ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যের কারণে এটা সম্ভব হচ্ছে না।’

বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ায় শ্রমশক্তি রপ্তানিতে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা হলেও সিন্ডিকেটের কারণে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় পার্টির (জাপা) সংসদ সদস্য রুস্তম আলী ফরাজী।

রোববার একাদশ জাতীয় সংসদের অষ্টাদশ অধিবেশনে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন।

রুস্তম ফরাজী বলেন, মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী স্পষ্ট করেই আমাদের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীকে জানালেন যে তারা বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেবেন। আমাদের মন্ত্রী ওখানে গেলেন। আলোচনা হলো। তখন মালয়েশিয়া বলল, আপনারা সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাদের জানান। কিন্তু বারবার মালয়েশিয়া সফর করেও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। সেটা শুধুই সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যের কারণে।

‘কয়েকটি বিশেষ গোষ্ঠীকে আমরা যদি সুযোগ দিই তাহলে ব্যয় বেড়ে যাবে। এখন মালয়েশিয়ায় যাওয়া যায় ১ লাখ ২৫ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকায়। তখন লাগবে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা। দেশের নিম্নবিত্ত ও সাধারণ মানুষ কী করে এত টাকা সংগ্রহ করবে?’

প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে রুস্তম ফরাজী বলেন, টালবাহানা না করে আপনারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিন। সবাইকে ছেড়ে দিন, ওনাদের সঙ্গে আলোচনা করুন। মানুষ যাতে কর্মসংস্থানের জন্য অল্প টাকায় মালয়েশিয়ায় যেতে পারে সে ব্যবস্থা করুন।

সমস্যা আশু সমাধানে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্যোগ নেয়ার অনুরোধ জানান রুস্তম ফরাজী। তিনি বলেন, ‘সাধারণ ঘরের সন্তানরা মালয়েশিয়ায় গেলে কর্মসংস্থান হবে, রেমিট্যান্স আসবে। দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে।’

আরও পড়ুন:
‘যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপির লবিংয়ের প্রমাণ আছে’
সংসদের ষষ্ঠদশ অধিবেশন: ডিএমপির যত নিষেধাজ্ঞা
সংসদ অধিবেশন বসছে ১৬ জানুয়ারি
সংসদ অধিবেশনে ডিএমপির যত নিষেধাজ্ঞা
সংসদ অধিবেশন বসছে ১৪ নভেম্বর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Khaledas two granddaughters

খালেদার পাশে দুই নাতনি

খালেদার পাশে দুই নাতনি খালেদা জিয়ার সঙ্গে কোকোর বড় মেয়ে জাহিয়া রহমান। ফাইল ছবি
সূত্র জানায়, দাদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ও তার স্বাস্থ্যগত খোঁজখবর নিতে আরাফাত রহমান কোকোর দুই মেয়ে জাহিয়া রহমান ও জাইফা রহমান রোববার বিকেলে খালেদা জিয়ার গুলাশনের বাসভবন ফিরোজায় আসেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে তার গুলশানের বাসভবনে এসেছেন দুই নাতনি।

সূত্র জানায়, দাদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ও তার স্বাস্থ্যগত খোঁজখবর নিতে আরাফাত রহমান কোকোর দুই মেয়ে জাহিয়া রহমান ও জাইফা রহমান রোববার বিকেল পৌনে ৩টার দিকে খালেদা জিয়ার গুলাশনের বাসভবন ফিরোজায় আসেন। রাত সাড়ে ৭টার দিকেও তারা সেখানেই অবস্থান করছিলেন।

তবে এ বিষয়ে আর কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান দুই মেয়েকে নিয়ে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন। সম্প্রতি তারা দেশে আসেন।

খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে মারা যান।

আরও পড়ুন:
ওমিক্রনের ‘শঙ্কায়’ বাসায় ফিরলেন খালেদা জিয়া
খালেদা জিয়া বাসায় ফিরতে পারেন সন্ধ্যায়
মানহানির দুই মামলায় স্থায়ী জামিন খালেদা জিয়ার
সিসিইউ থেকে কেবিনে খালেদা জিয়া
খালেদা জিয়া এখনও নিবিড় পর্যবেক্ষণে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BNP could not be happy with Padma bridge Information Minister

পদ্মা সেতু নিয়ে খুশি হতে পারেনি বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী

পদ্মা সেতু নিয়ে খুশি হতে পারেনি বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী
‘পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান অভিনন্দন জানালেও দুঃখজনক সত্য যে বিএনপি অভিনন্দন জানাতে পারেনি। অর্থাৎ পদ্মা সেতু হওয়াতে দেশ ও বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা সমস্ত বাঙালি, বাংলাদেশিরা আনন্দিত হলেও বিএনপি নেতারা খুশি হতে পারেননি এবং অভিনন্দন জানাতে ব্যর্থ হয়ে তারা স্বীকার করে নিয়েছেন যে পদ্মা সেতুর বিরুদ্ধে তারা ষড়যন্ত্র করেছিলেন।’

পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় বিএনপি খুশি হতে পারেনি বলে মনে করেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। দেশ ছাড়াও বিভিন্ন দেশ থেকে অভিনন্দন বার্তা এলেও বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো বার্তা না পাওয়ায় এই বিশ্বাস জন্মেছে মন্ত্রীর।

দেশের সবচেয়ে বড় সেতুটিতে যান চলাচল শুরুর দিন রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন হাছান মাহমুদ। এ সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।

আগের দিন পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হলেও বিএনপির সাত নেতা তাতে যোগ দেননি। দেশজুড়ে তুমুল আলোচিত এই সেতুটি নিয়ে সেদিন বিএনপির নেতারা পুরোপুরি চুপ।

এই সেতু নির্মাণের সময় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া একাধিকবার বলেছেন, আওয়ামী লীগ এই সেতু নির্মাণ করতে পারবে না। আর জোড়াতালির সেতু নির্মাণ করলেও সেটি ভেঙে পড়ে যাবে।

সেতু নির্মাণকাজ শুরু করার আগে বিশ্বব্যাংক পরামর্শক নিয়োগে দুর্নীতিচেষ্টার যে অভিযোগ তুলেছিল, সেটিই এখনও বিএনপি নেতারা বলে যাচ্ছেন। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর জবাব দিয়ে বলেছেন, ২০১৭ সালে কানাডার আদালত এই অভিযোগকে বায়বীয় ও গালগপ্প বলে উড়িয়ে দিয়েছে। এরপর আর কোনো কথা থাকতে পারে না। তবে বিএনপি নেতারা কানাডা আদালতের রায় নিয়ে কোনো কথা বলেন না।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পদ্মা সেতু উদ্বোধন হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র, প্রতিবেশী ভারত, পাকিস্তান অভিনন্দন জানালেও দুঃখজনক সত্য যে বিএনপি অভিনন্দন জানাতে পারেনি।

‘অর্থাৎ পদ্মা সেতু হওয়াতে দেশ ও বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা সমস্ত বাঙালি, বাংলাদেশিরা আনন্দিত হলেও বিএনপি নেতারা খুশি হতে পারেননি এবং অভিনন্দন জানাতে ব্যর্থ হয়ে তারা স্বীকার করে নিয়েছেন যে পদ্মা সেতুর বিরুদ্ধে তারা ষড়যন্ত্র করেছিলেন।

‘এরপরও এই পদ্মা সেতু প্রধানমন্ত্রী সবার জন্যই নির্মাণ করেছেন, যারা প্রশংসা করতে ব্যর্থ হয়েছেন তারাও এই সেতু ব্যবহার করবেন।’

সাংবাদিকদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দেয়া করোনাকালীন বিশেষ সহায়তার অবশিষ্ট টাকা ঈদের আগেই বিতরণ করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী। বলেন, ‘এ বছর সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টে সাংবাদিকদের কল্যাণার্থে সাধারণ খাতে ৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা ছিল, তন্মধ্যে ৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ইতোমধ্যেই বিতরিত হয়েছে, বাকি অর্থ বিতরণে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।

‘এর বাইরে প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত করোনাকালীন বিশেষ সহায়তার ১০ কোটি টাকার তহবিলের প্রায় ৬ কোটি টাকা বিতরণ হয়েছে, আর ৪ কোটি টাকার সিংহভাগ আগামী কোরবানি ঈদের আগেই বিতরণ করার প্রক্রিয়া হাতে নেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতুমুখী সড়কে চাপ: যানজটে নাকাল শরীয়তপুরবাসী
প্রথম বাসে চড়তে টিকিট সংগ্রহ ৩ দিন আগে
বাধাহীন যাতায়াতে মাতোয়ারা মানুষ
পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে নৌকা চালাতে বাধা
পদ্মা সেতু নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজতে রুলের শুনানি সোমবার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Australia wants twelfth parliamentary elections in a beautiful environment

সুন্দর পরিবেশে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন চায় অস্ট্রেলিয়া

সুন্দর পরিবেশে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন চায় অস্ট্রেলিয়া সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার জেরেমি ব্রুআর। ছবি: নিউজবাংলা
অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার জেরেমি ব্রুআর বলেন, ‘সিইসি ও আমার মধ্যে খুব সুন্দর আলোচনা হয়েছে। এটা খুব সময়োপযোগী আলোচনা হলো। নির্বাচনের কারিগরি ও অন্যান্য উপকরণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’

সুন্দর, খোলামেলা ও স্বচ্ছ পরিবেশে বাংলাদেশের আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেখতে চায় অস্ট্রেলিয়া।

রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের কাছে এমন প্রত্যাশার কথা জানান দেশটির হাইকমিশনার জেরেমি ব্রুআর।

অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার জেরেমি ব্রুআর বলেন, ‘সিইসি ও আমার মধ্যে খুব সুন্দর আলোচনা হয়েছে। এটি খুব সময়োপযোগী আলোচনা হলো। নির্বাচনের কারিগরি ও অন্যান্য উপকরণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’

কিছুদিন আগেই অস্ট্রেলিয়ায় নির্বাচন হলো উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘খুব সুন্দরভাবে ক্ষমতার পরিবর্তন হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার অস্ট্রেলিয়ায় নেই, নির্বাচনী ব্যবস্থার এমন অনেক সাদৃশ্য-বৈশাদৃশ্য নিয়ে আলোচনা হয়েছে। খুব সুন্দর ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার বলেন, ‘সুন্দর, খোলামেলা, স্বচ্ছ পরিবেশে নির্বাচন হতে হবে।’

এর আগে ৮ জুন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস সিইসির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বাংলাদেশে নির্বাচনে কে জিতবে না জিতবে, তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো মাথাব্যথা নেই বলে জানিয়েছিলেন ঢাকায় দেশটির রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস। তবে ভোট অংশগ্রহণমূলক হবে- এমন প্রত্যাশা ছিল তার।

আরও পড়ুন:
আগামী নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার
ফোনে ফল পাল্টানো অসম্ভব: সিইসি
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট বামপন্থি সাবেক গেরিলা

মন্তব্য

p
উপরে