× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
DC transferred to file case against Education Ministers brother
hear-news
player
print-icon

শিক্ষামন্ত্রীর ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করা ডিসি বদলি

শিক্ষামন্ত্রীর-ভাইয়ের-বিরুদ্ধে-মামলা-করা-ডিসি-বদলি
বদলি হওয়া জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিস। ছবি: সংগৃহীত
চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিসকে বদলির প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে। ডিসি অঞ্জনা গত ২৮ এপ্রিল হাইমচরের খাস জমি উদ্ধারে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির বড় ভাই স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা জাওয়াদুর রহিম ওয়াদুদের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন।  

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির বড় ভাই চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জাওয়াদুর রহিম ওয়াদুদ ওরফে টিপুর বিরুদ্ধে মামলা করার ২১ দিনের মাথায় বদলি হলেন জেলা প্রশাসক প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিস। তাকে নেত্রকোণার জেলা প্রশাসক হিসেবে বদলি করা হয়েছে। চাঁদপুরের ডিসি করা হয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রীর একান্ত সচিব কামরুল হাসানকে।

সরকারি খাস জমি উদ্ধারে গত ২৮ এপ্রিল এ মামলা করেন ডিসি অঞ্জনা খান মজলিস।

বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। ওই প্রজ্ঞাপনে অঞ্জনা খান মজলিস ও কামরুল হাসানের পদে রদবদল ছাড়াও আরও দুজন ডিসির বদলির কথা বলা হয়েছে। শেরপুরের জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পেয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সাহেলা আক্তার এবং জামালপুরের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শ্রাবন্তী রায়।

চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার ‘টিপুনগরে’ খাস জমি উদ্ধারে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জাওয়াদুর রহিম ওয়াদুদ টিপুসহ ২৫ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা করা হয়। মামলাটি আমলে নিয়ে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে সমন জারির নির্দেশ দেয়। ৩১ মে মামলার শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির বড় ভাই টিপু এ মামলার ১ নম্বর আসামি।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ১৯৫০ সালে নদীতে জেগে ওঠা জমি পরবর্তী সময়ে সরকারি স্বত্ব স্বার্থ বজায় রেখে কৃষকদের মধ্যে অস্থায়ী বন্দোবস্ত দেওয়া হয়। কিন্তু চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জাওয়াদুর রহিম ওয়াদুদ হাইমচর আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে নিয়ে হাইমচরের ৪ নম্বর নীলকমল ইউনিয়নের বাহেরচরে ৪৮ দশমিক ৫২ একর (৪ হাজার ৮৫২ শতাংশ) জমি হাইমচর সাবরেজিস্ট্রারের সহযোগিতায় ভুয়া দলিল মূলে মালিকানা নেন। পরে সেখানে মাছের ঘের, গবাদিপশুর খামার ও সবজির বাগান গড়ে তোলেন। ওই এলাকার নাম বদলে নিজের নামে টিপুনগর নামকরণ করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
পক্ষে রায় এনে দেয়ার নামে ‘অর্থ আত্মসাৎ’, আদালতে মামলা
মোর্শেদ হত্যা: ৪ আসামি গ্রেপ্তার
‘ভুল চিকিৎসা’য় মা ও নবজাতকের মৃত্যু, পশু চিকিৎসক গ্রেপ্তার
ইমামের বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণ মামলা
শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেপ্তার

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Two children die in a fun pond

মজা পুকুরে দুই শিশুর মৃত্যু

মজা পুকুরে দুই শিশুর মৃত্যু রাঙ্গুনিয়ায় মজা পুকুরের অল্প পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
রাঙ্গুনিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ফাহিমা আক্তার বলেন, ‘দুপুর সোয়া ১টার দিকে দুই শিশুকে হাসপাতালে আনা হয়। আমরা দুজনকে মৃত অবস্থায় পেয়েছি। হাসপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়।’

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় মজা পুকুরের অল্প পানিতে ডুবে লাবিবা আকতার ও মো. আলিফ নামের দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সম্পর্কে তারা চাচাতো ভাইবোন।

মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের তিনচৌদিয়া গ্রামের পূর্বপাড়ার মুহাম্মদ ছৈয়দ মেম্বার বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

লাবিবা বানিয়াখোলা গ্রামের প্রবাসী মাহাবুবুল আলমের ৫ বছর বয়সী কন্যা এবং ৪ বছর বয়সী আলিফ সৈয়দুল আলমের ছেলে। মাহাবুবুলের ভাই সৈয়দুলও প্রবাসী।

ইউপি সদস্য রফিক উদ্দিন তালুকদার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে লাবিবা ও আলিফ বাড়ির কাছে পুকুরে খেলতে যায়। ওই মজা পুকুরে পানি অল্প, ৩ ফুটের মতো হবে। তাদের সঙ্গে সমবয়সী ৭ থেকে ৮ জন ছিল। একপর্যায়ে অন্য শিশুরা লাবিবাকে না দেখে চিৎকার করতে থাকে।

রফিক আরও জানান, এ সময় এক প্রতিবেশী পুকুরে নেমে লাবিবাকে খুঁজতে শুরু করেন। একপর্যায়ে ডুবন্ত লাবিবাকে উদ্ধার করে ওঠার সময় আলিফ তার পায়ের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। তখন তাকেও উদ্ধার করা হয়। দুজনকে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

প্রতিদিন শিশুরা ওই পুকুরে খেলত বলে জানান ইউপি সদস্য রফিক।

রাঙ্গুনিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ফাহিমা আক্তার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুপুর সোয়া ১টার দিকে দুই শিশুকে হাসপাতালে আনা হয়। আমরা দুজনকেই মৃত অবস্থায় পেয়েছি। হাসাপাতালে আনার আগেই তাদের মৃত্যু হয়।’

আরও পড়ুন:
পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু
মাছ ধরতে পুকুরে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু
নদীতে নেমে দুই কিশোরের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Death of a teenager injured in a beating

মারধরে আহত কিশোরের মৃত্যু

মারধরে আহত কিশোরের মৃত্যু
মৃত মো. লিখন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার ভয়ানগর থানার আব্দুল মজিদের ছেলে৷ সে পলাশবাড়ী এলাকায় থেকে কাঠ মিস্ত্রির কাজ করত বলে জানা গেছে।

ঢাকার সাভারে মারধরে আহত এক কিশোর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।

এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মঙ্গলবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

মৃত মো. লিখন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার ভয়ানগর থানার আব্দুল মজিদের ছেলে৷ সে পলাশবাড়ী এলাকায় থেকে কাঠ মিস্ত্রির কাজ করত বলে জানা গেছে।

আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শরিফ মফিজুর রহমান নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এসআই শরিফ মফিজুর রহমান বলেন, সোমবার পলাশবাড়ীর ইস্টার্ন হাউজং এলাকায় মারামারির ঘটনা ঘটে বলে খবর পাই। মারামারিতে আহত হয়ে এক কিশোরকে এনাম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে আমি হাসপাতালে গিয়ে লিখন নামে ওই কিশোরকে দেখে আসি। আজ (মঙ্গলবার) শুনেছি ছেলেটি মারা গেছে।

এখনও নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ যোগাযোগ করেনি। সাভার মডেল থানা পুলিশ মরেদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠাবে।

আরও পড়ুন:
চোর চোর বলে চিৎকার, ৫ তলা থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু
ব‍্যবসায়ী হত‍্যা মামলায় ২ জনের মৃত‍্যুদণ্ড
স্ত্রী হত্যা মামলায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড
খালে ডুবে স্কুলছাত্রের মৃত্যু
গলায় খাবার আটকে মেয়ের মৃত্যু, ‘শোকে আত্মহত্যা’ বাবা-মায়ের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
80 percent of RBIs budget will go to salaries allowances and pensions

রাবির বাজেটের ৮০ ভাগই যাবে বেতন-ভাতা ও পেনশনে

রাবির বাজেটের ৮০ ভাগই যাবে বেতন-ভাতা ও পেনশনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সংগৃহীত
বাজেটের ৩৩৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে বরাদ্দ দেয়া হবে। বাকি ২২ কোটি টাকা আসবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আয় থেকে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ৪৫৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন দিয়েছে সিন্ডিকেট। গত অর্থবছরের তুলনায় এবার ২১ কোটি ২৩ লাখ টাকা বাড়িয়ে বাজেট পাশ করা হয়েছে।

সোমবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক সিন্ডিকেটের ৫১৫ তম সভায় বাজেটটি পাশ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সিন্ডিকেট সভায় সভাপতিত্ব করেন। এর আগে ২ জুলাই অর্থায়ন কমিটির ৫৫৮ তম সভায় এই বাজেটের অনুমোদন দেয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পান্ডে জানান, এবার ৪৫৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা বাজেটের মধ্যে ৩৬৮ কোটি ১৯ লাখ টাকা খরচ হবে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন, ভাতা ও পেনশনে। যা মোট বাজেটের ৮০ দশমিক ৬১ শতাংশ।

এবার গবেষণা খাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১০ কোটি টাকা। যা মোট বাজেটের ২.১৯ শতাংশ। গতবছর এই খাতে ৮ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল।

এবারই প্রথমবারের মতো প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ১ কোটি টাকার বাজেট রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা, প্রকাশনা, বই পত্র, গবেষণাগার সরঞ্জামাদি, স্মার্ট ক্লাসরুম, ফিল্ডওয়ার্ক/শিক্ষা সফর, তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ, খেলাধুলা ও শিক্ষাবৃত্তিসহ ১০ খাত অগ্রাধিকার পেয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রকাশনা খাতে ৫২ লাখ, ফিল্ড ওয়ার্ক/শিক্ষা সফর খাতে ৮০ লাখ, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ বাবদ ৫২ লাখ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে ১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এদিকে শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি খাতে ২০২১-২২ বছরে ৪৫ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও এবার তা বাড়িয়ে এক কোটি টাকা করা হয়েছে। বইপত্র খাতে বাজেট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৬০ লাখ টাকা। গত বাজেটে বিভাগের সেমিনার লাইব্রেরির জন্য বইপত্র খাতে বরাদ্দ ছিল ১৫ হাজার টাকা। এবার তা বাড়িয়ে ৪০ হাজার টাকা করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের বই ক্রয় বাবদ ৩৩ লাখ ৫৪ হাজার টাকা এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের অটোমেশন বাবদ ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
হল থেকে শিক্ষার্থীকে ‘বের করে দিল’ ছাত্রলীগ
অপরাধ করলে শাস্তি নিশ্চিত: অ্যাটর্নি জেনারেল
রায়ে সন্তুষ্ট, কার্যকরের অপেক্ষায় অধ্যাপক তাহেরের স্ত্রী
রাবি অধ্যাপক তাহের হত্যা: ২ জনের ফাঁসির আদেশ আপিলে বহাল
৮৮ বছর পর আয়া সোফিয়াতে তারাবির নামাজ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
While trying to save one person two lives were electrocuted

একজনকে বাঁচাতে গিয়ে ঝরল ২ প্রাণ

একজনকে বাঁচাতে গিয়ে ঝরল ২ প্রাণ আশাশুনি থানা। ছবি: নিউজবাংলা
দুপুরের গোসল শেষে কাপড় শুকাতে গিয়ে পাশে ঝুলে থাকা বৈদ্যুতিক আউট লাইনের তারে হাত লাগলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন শামীম। তাকে ছাড়াতে যান ঘেরের বাসায় থাকা কর্মচারী আলম গাজী। শামীমের গায়ে হাত দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন।

ভেজা কাপড় শুকাতে দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই ঘের কর্মচারীর মৃত্যু হয়েছে।

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার মাড়িয়ালা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন সাতক্ষীরা সদরের মোফাজ্জল হোসেনের ঘেরের বাসায় মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, ৩৫ বছরের শামীম বয়স, তিনি আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নের বৈকরঝটি গ্রামের বাসিন্দা। ২৫ বছরের আলম গাজী, তিনি আশাশুনি সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরের গোসল শেষে কাপড় শুকাতে গিয়ে পাশে ঝুলে থাকা বৈদ্যুতিক আউট লাইনের তারে হাত লাগলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন শামীম। তাকে ছাড়াতে যান ঘেরের বাসায় থাকা কর্মচারী আলম গাজী। শামীমের গায়ে হাত দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন।

ঘেরের বাসায় থাকা অন্য একজন কর্মচারী স্থানীয়দের সহযোগিতায় ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।

আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিউজ বাংলাকে নিশ্চিত করে জানান, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মৃতদেহ দুটি উদ্ধার করেছে। পুলিশ দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে চেষ্টা করছে।

আরও পড়ুন:
মাছ ধরতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু
সাইনবোর্ড সরাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ মৃত্যু
বাড়িতে জলাবদ্ধতা, বিদ্যুতায়িত হয়ে দুজনের মৃত্যু
একজনকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুজনের মৃত্যু
দোকানের আগুন নেভাতে গিয়ে প্রাণ গেল চালকের

মন্তব্য

বাংলাদেশ
10 years after the murder of Taiz 3 people were sentenced to life imprisonment

তাইজ হত্যার ১০ বছর পর ৩ জনের যাবজ্জীবন

তাইজ হত্যার ১০ বছর পর ৩ জনের যাবজ্জীবন
দণ্ডিতরা হলেন, অহিদ মিয়া, মোবারক হোসেন ও মজনু মিয়া। তারা ত্রিশাল উপজেলার কোনাবাড়ী ও সাখুয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিন জনের মধ্যে মোবারক পলাতক রয়েছেন।

১০ বছর পর ময়মনসিংহের ত্রিশালের তাইজ উদ্দিন হত্যা মামলায় তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

ময়মনসিংহ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হেলাল উদ্দিন মঙ্গলবার দুপুরে এ রায় দেন।

দণ্ডিতরা হলেন, অহিদ মিয়া, মোবারক হোসেন ও মজনু মিয়া। তারা ত্রিশাল উপজেলার কোনাবাড়ী ও সাখুয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিন জনের মধ্যে মোবারক পলাতক রয়েছেন।

নিউজবাংলাকে এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এপিপি মো. কবির উদ্দিন ভূইয়া।

তিনি জানান, ২০১২ সালের ১১ আগস্ট ত্রিশাল উপজেলার কোনাবাড়ী নদীরপাড় এলাকা থেকে তাইজ উদ্দিন নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরে তাইজের বাবা নূরুল ইসলাম ত্রিশাল থানায় হত্যা মামলা করেন।

অ্যাডভোকেট কবির বলেন, ওই মামলায় সাক্ষ্য প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তিন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং দশ হাজার টাকা করে অর্থ দণ্ড দেয়। জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

বিচারকের নির্দেশে অহিদ মিয়া ও মজনু মিয়াকে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
কৃষক হত্যায় যাবজ্জীবন
স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন
গৃহবধূ হত্যা: স্বামীর যাবজ্জীবন, সতিন খালাস
ছিনতাই মামলায় তিন আসামির বিভিন্ন মেয়াদে সাজা
শ্রমিক হত্যায় একজনের যাবজ্জীবন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The people of Chandpur do not sleep at night when the power plant is closed

বন্ধ বিদ্যুৎকেন্দ্র, রাতে ঘুম নেই চাঁদপুরবাসীর

বন্ধ বিদ্যুৎকেন্দ্র, রাতে ঘুম নেই চাঁদপুরবাসীর ১৫০ মেগাওয়াট উৎপাদনক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে বর্তমানে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
গ্যাসের সমস্যা নিরসন না হওয়া পর্যন্ত এমন অবস্থা থাকবে বলে জানান চাঁদপুর বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান।

বেড়েছে গরম। এর মধ্যেই দফায় দফায় লোডশেডিং। এ অবস্থায় রাতের বেলায় ঘুমানোই কঠিন হয়ে পড়েছে চাঁদপুরবাসীর। চাঁদপুর শহর ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় খোঁজ নিয়ে এমন পরিস্থিতির কথা জানা গেছে।

গত কয়েক দিনের লোডশেডিংয়ে চাঁদপুরের জনজীবন অতিষ্ঠ হওয়া ছাড়াও ব্যাহত হচ্ছে অফিস, ব্যাংক-বীমা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম। পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছে শিক্ষার্থীদের।

চাঁদপুর শহরের মাদ্রসা রোড এলাকার শিক্ষার্থী শারমিন আক্তার ও মাহিম বলেন, ‘দুদিন ধরে ঘন ঘন বিদ্যুৎ যাচ্ছে। এতে আমরা পড়াশোনা করতে পারছি না। প্রচণ্ড গরমে বিদ্যুৎ না থাকায় ঘরেও বসে থাকা যাচ্ছে না। বিশেষ করে, রাতে লোডশেডিং বেশি হওয়ায় ঘুমানোই যাচ্ছে না। আমরা এই সমস্যার নিরসন চাই।’

শহরের নাজির পাড়া এলাকার ব্যবসায়ী মামুন তালুকদার বলেন, ‘একবার বিদ্যুৎ গেলে ২-৩ ঘণ্টার মধ্যেও আসে না। কিন্তু আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বিদ্যুৎ ছাড়া চালানো সম্ভব না। লোকজন এসে ফিরে যাচ্ছে।’

মামুন জানান, লোডশেডিংয়ে বাসা বাড়িতে বয়স্ক ও ছোট শিশুদেরই বেশি সমস্যা হচ্ছে। একবার বিদ্যুৎ গেলে তাদেরকে ঘরে আটকে রাখা কষ্ট হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, চাঁদপুর শহরে অবস্থিত ১৫০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদন বন্ধ থাকাই এই অঞ্চলে লোডশেডিং বাড়ার অন্যতম কারণ। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে বন্ধ রয়েছে এটি। যদিও ডাকাতিয়ার অপর প্রান্তে ইচলী এলাকার ‘চাঁদপুর পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড’ নামে একটি প্রাইভেট বিদ্যুৎকেন্দ্রে অল্প পরিসরে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। তবে তা সীমিত।

পর্যবেক্ষণ বলছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিদ্যুৎ সংকট এত প্রকট ছিল না চাঁদপুরে। বর্তমানে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড চাহিদার ৬০-৭০ ভাগ সরবরাহ পেলেও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি পাচ্ছে অর্ধেকের মতো। তাই গত তিন দিন ধরে বিদ্যুতের ঘন ঘন আসা-যাওয়া লক্ষ্য করা গেলেও সহসা এই সমস্যা থেকে উত্তরণের কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারেনি স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগ।

চাঁদপুর বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, ‘উৎপাদন সমস্যার কারণে সারা দেশেই বিদ্যুৎ সল্পতা আছে। চাঁদপুরে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন এলাকায় প্রতিদিন দিনের বেলায় ১৮ মেগাওয়াট ও রাতে ২২ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা। জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ কম পাওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতে লোডশেডিং হচ্ছে। বর্তমানে দিনে ১২ মেগাওয়াট আর রাতে ১৪ মেগাওয়াট দেয়া হচ্ছে।’

গ্যাসের সমস্যা নিরসন না হওয়া পর্যন্ত এমন অবস্থা থাকবে বলে জানান মিজানুর রহমান।

আরও পড়ুন:
প্রচণ্ড লোডশেডিং হচ্ছে, এটা ভয়াবহ: ফখরুল
এত লোডশেডিং কেন, জানালেন প্রধানমন্ত্রী
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কেবল অপারেটরের মৃত্যু
বিদ্যুৎ আসার অপেক্ষা আর যাওয়ার আতঙ্ক রাজশাহীতে
চাহিদার অর্ধেক সরবরাহে বারবার বিদ্যুৎ যাচ্ছে বগুড়ায়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The party workers got the support of the Prime Minister in the first step

দলদলির শ্রমিকরা প্রথম ধাপেই পেলেন প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা

দলদলির শ্রমিকরা প্রথম ধাপেই পেলেন প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান মঙ্গলবার দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত চা শ্রমিক পরিবারের মধ্যে সহায়তার টাকা বিতরণ করেন। ছবি: নিউজবাংলা
সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি মেরামতের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে সিলেটে ৫ কোটি টাকা অনুদান দেয়া হয়েছে। এ টাকা থেকেই প্রথম ধাপে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ হাজার পরিবারকে ১০ হাজার টাকা করে সহায়তা দেয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে দলদলি চা বাগানের ৯ পরিবারকে সহায়তা দেয়া হলো।

ঢলে ভেঙে যাওয়া ঘর মেরামতের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের বরাদ্দে অর্থ প্রথম ধাপেই পেয়েছে সিলেটের দলদলি চা বাগানের ৯ পরিবার।

মঙ্গলবার দুপুরে সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান ক্ষতিগ্রস্ত চা শ্রমিক পরিবারের মাঝে ১০ হাজার টাকা করে বিতরণ করেন।

১৮ জুন ঢলে ঘর ভেঙে যায় দলদলি চা বাগানের ২০টি শ্রমিক পরিবারের। তবে অর্থাভাবে এতদিন ঘরগুলোও সংস্কার করতে পারেননি শ্রমিকরা।

এই বাগানের শ্রমিকদের দুর্দশা নিয়ে নিউজবাংলায় প্রতিবেদন প্রকাশের পর বদলে যায় চিত্র।

সরকারি সহায়তারও আগে ক্ষতিগ্রস্ত ২০ পরিবারকে ‘দুর্যোগপীড়িতদের পাশে লেখক-শিল্পী- সাংবাদিক-প্রকাশক’-এর ব্যানারে ঘর তৈরির টিন দেয়া হয়। তাদেরকে খাবার দিয়েছে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন।

মঙ্গলবার অর্থ বিতরণের সময় জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি মেরামতের জন্য প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে সিলেটে ৫ কোটি টাকা অনুদান দেয়া হয়েছে। এ টাকা থেকেই প্রথম ধাপে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ হাজার পরিবারকে ১০ হাজার টাকা করে সহায়তা দেয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে দলদলি চা বাগানের ৯ পরিবারকে সহায়তা দেয়া হলো।

তিনি বলেন, চা শ্রমিকরা এমনিতেই মানবেতর জীবন যাপন করেন। তাই প্রথম ধাপে তাদের সহায়তা দেয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে ক্ষতিগ্রস্ত সবাইকে পুনর্বাসন করা হবে।

১৮ জুন পাহাড়ি ঢল ও টিলা ধসে পরিবারগুলোর ঘর ধ্বংস হয়ে যায়।

আশ্রয়কেন্দ্রে এখনও ২৫ হাজারের বেশি মানুষ

১৫ জুন থেকে সিলেটে বন্যা শুরু হয়। মঙ্গলবার ২০ দিন পার হয়েছে। এখনও অনেক জায়গা থেকে নামেনি পানি। এ কারণে আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়তে পারেনি অনেক মানুষ।

সিলেটের জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সিলেটে এখনও বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে ২৫ হাজার ৫৭৯ জন আশ্রিত আছেন। জেলায় ৩১৭টি আশ্রয় কেন্দ্র চালু রয়েছে।

জেলা প্রশাসক জানান, এবারের বন্যায় জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ৪ লাখ ৮৪ হাজার ৩৮৩টি, ক্ষতিগ্রস্ত লোকসংখ্যা প্রায় ৩০ লাখ। বানের পানিতে ক্ষতি হয়েছে ৪০ হাজার ঘরবাড়ির।

এ পর্যন্ত জেলায় ১ হাজার ৬১২ টন চাল, ২০ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার এবং প্রায় আড়াই কোটি টাকা বন্যার্তদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে বলে জানান জেলা প্রশাসক।

আরও পড়ুন:
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিদুর্গতদের সহায়তা 
৮৫০ কোটি টাকা বাজেটসহায়তা দেবে দক্ষিণ কোরিয়া
৩৩ কোটি ইউরো সহায়তা দেবে ফ্রান্স
প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়নে জাপানের ৩৯ কোটি টাকা অনুদান
করোনা: আরও আড়াই কোটি ডলার দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মন্তব্য

p
উপরে