× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
Gaffar Chowdhury is immortal in the heart of Bengalis
hear-news
player
print-icon

‘বাঙালির হৃদয়ে চির অম্লান গাফ্‌ফার চৌধুরী’

বাঙালির-হৃদয়ে-চির-অম্লান-গাফ্‌ফার-চৌধুরী
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরীর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

প্রবীণ সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত লেখক এবং ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ কালজয়ী গানের স্রষ্টা আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপতি বলেছেন, ‘আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী তার কালজয়ী গান ও লেখনীর মাধ্যমে প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে চির অম্লান হয়ে থাকবেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘বিজ্ঞ ও পুরোধা ব্যক্তিত্বকে হারালাম, যিনি তার লেখা ও গবেষণায় আমাদের বাঙালির ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছেন।’

বিশিষ্ট এই সাংবাদিকের মৃত্যুতে পৃথক শোকবার্তা দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

রাষ্ট্রপতির শোক
শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর মৃত্যুতে বাংলাদেশ প্রগতিশীল, সৃজনশীল ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী একজন অগ্রপথিককে হারাল।’

একুশের অমর সেই গান বাঙালি জাতিকে ভাষা আন্দোলন ও মুক্তির আন্দোলনে অসীম সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছিল বলে মনে করেন রাষ্ট্রপতি।

তিনি বলেন, ‘আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী একজন বিশিষ্ট কলামিস্ট। লেখনীর মাধ্যমে তিনি আজীবন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশে কাজ করে গেছেন। তার মৃত্যু দেশের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।’

প্রধানমন্ত্রীর শোক
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ গানের রচয়িতা আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী তার মেধা-কর্ম ও লেখনীতে এই দেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখেছেন।

‘বাঙালির অসাম্প্রদায়িক মননকে ধারণ করে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়কে সমর্থন করে জাতির সামনে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে আমৃত্যু কাজ করে গেছেন।’

স্মৃতিচারণ করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর সঙ্গে আমার বহু স্মৃতি। অনেক পরামর্শ পেয়েছি। একজন বিজ্ঞ ও পুরোধা ব্যক্তিত্বকে হারালাম, যিনি তার লেখা ও গবেষণায় আমাদের বাঙালির ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছেন।’

মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি বাংলাদেশ সরকার নিবন্ধিত সাপ্তাহিক জয় বাংলা পত্রিকায় লেখালেখির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেছেন বলেও শোকবার্তায় উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘পরবর্তীতে তিনি প্রবাসে থেকেও তার লেখনীর মাধ্যমে বাঙালির মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে তুলে ধরেছেন।’

আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।

স্পিকারের শোক
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর মৃত্যুতে শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে তার শোকসন্তপ্ত পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।

প্রধান বিচারপতির শোক
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।

তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

যুক্তরাজ্যের লন্ডনে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর মৃত্যু হয়।

তার ঘনিষ্ঠজন সাংবাদিক স্বদেশ রায় নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, লন্ডনের নর্থ উইক হাসপাতালে এক মাসের বেশি সময় ধরে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন গাফ্ফার চৌধুরী। তার দুটি কিডনিই নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। ডায়ালাইসিস কাজ করছিল না।

স্বদেশ রায় আরও জানান, বুধবার গোসলের পর গাফ্ফার চৌধুরীর দেহের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। সেটি আর নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আজ তার মৃত্যু হয়।

মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর সরকারের মাধ্যমে নিবন্ধিত স্বাধীন বাংলার প্রথম পত্রিকা ‘সাপ্তাহিক জয় বাংলা’র প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী। বরিশালের উলানিয়ার চৌধুরী বাড়িতে তার জন্ম ১৯৩৪ সালের ১২ ডিসেম্বর।

১৯৪৯ সালে ‘সওগাত’ পত্রিকায় আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর প্রথম গল্প ছাপা হয়।

১৯৫০ সালে ‘দৈনিক ইনসাফ’ পত্রিকায় সাংবাদিক হিসেবে কাজ শুরু করেন।

পরবর্তীতে ‘সংবাদ’, ‘সওগাত’, ‘মেঘনা’, ‘চাবুক’, ‘আজাদ’, ‘জনপদ’, ‘বাংলার ডাক’, ‘সাপ্তাহিক জাগরণ’, ‘নতুন দেশ’, ‘পূর্বদেশ’সহ অনেক পত্রিকায় কাজ করেন তিনি।

প্রবাসে বসেও গাফ্ফার চৌধুরী বাংলাদেশের প্রধান পত্রিকাগুলোয় নিয়মিত লিখেছেন।

গাফ্ফার চৌধুরীর বইগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘চন্দ্রদ্বীপের উপাখ্যান’, ‘নাম না জানা ভোর’, ‘নীল যমুনা’, ‘শেষ রজনীর চাঁদ’, ‘কৃষ্ণপক্ষ’, ও ‘পলাশী থেকে ধানমণ্ডি’।

বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশে পদক, ইউনেস্কো পুরস্কার, বঙ্গবন্ধু পুরস্কার, সংহতি আজীবন সম্মাননা পদক, স্বাধীনতা পদকসহ অনেক পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী।

আরও পড়ুন:
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীর প্রয়াণ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The driver was killed in a truck motorcycle collision

ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল চালকের

ট্রাক-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে প্রাণ গেল চালকের প্রতীকী ছবি
ওসি জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ট্রাকটি জব্দ করেছে পুলিশ। তবে ট্রাকচালক পলাতক আছেন। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

চাঁদপুরের কচুয়ায় ট্রাক ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে মোটরসাইকেলচালক নিহত হয়েছেন।

কচুয়া-গৌরিপুর সড়কের বায়েক এলাকায় বৃহস্পতিবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মোটরসাইকেল চালকের নাম শফিকুল ইসলাম। তিনি নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার হোসাইন নগর গ্রামের আবুল হাশেমের ছেলে।

কচুয়া সাচার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আনোয়ার হোসেন বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, বৃহস্পতিবার সকালে কচুয়া থেকে মোটরসাইকেলে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন শফিকুল। এ সময় ঢাকা থেকে কচুয়া আসার পথে বায়েক মোড় এলাকায় একটি ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলচালক শফিকুল ইসলাম মারা যান।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ট্রাকটি জব্দ করেছে পুলিশ। তবে ট্রাকচালক পলাতক আছেন। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত
প্রবাসীকে আনতে গিয়ে খুঁটিতে মাইক্রোর ধাক্কা, নিহত ৩
ধাক্কা দিয়ে কাভার্ড ভ্যানের চালক নিহত
দুই বাইকের সংঘর্ষে চালকরা নিহত
ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল অটোচালক ও যাত্রীর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Teacher Utpal beaten to death for showing heroism Radhab

হিরোইজম দেখাতে শিক্ষক উৎপলকে পিটিয়ে হত্যা: র‌্যাব

হিরোইজম দেখাতে শিক্ষক উৎপলকে পিটিয়ে হত্যা: র‌্যাব ছাত্রের মারধরে নিহত শিক্ষক উৎপল কুমার। ছবি: সংগৃহীত
র‌্যাবের কর্মকর্তা খন্দকার আল মঈন বলেন, ২৫ জুন পরিকল্পনা করে বাসা থেকে স্টাম্প নিয়ে আসেন জিতু । তিনি উৎপল কুমার সরকারকে আঘাত করার সময় খুঁজতে থাকেন। পরবর্তী সময়ে স্কুলে খেলার সময় উত্তমকে একা পেয়ে স্টাম্প দিয়ে পেছন থেকে আঘাত করেন। পরবর্তী সময়ে একের পর এক আঘাত করতে থাকেন তাকে।

ঢাকার সাভারে স্কুলছাত্র আশরাফুল ইসলাম জিতু হিরোইজম দেখাতে গিয়ে তার শিক্ষক উৎপল কুমার সরকারকে পিটিয়ে হত্যা করেন বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে বৃহস্পতিবার ব্রিফিংয়ে বাহিনীর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এ তথ্য জানিয়েছেন।

উৎপল হত্যা মামলার প্রধান আসামি জিতুকে গাজীপুরের শ্রীপুরের নগরহাওলা গ্রাম থেকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি বুধবার সন্ধ্যায় নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন র‍্যাবের কর্মকর্তা খন্দকার আল মঈন।

জিতুকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে পরের দিন ব্রিফিংয়ে মঈন সাংবাদিকদের জানান, দশম শ্রেণির ছাত্র জিতু বিভিন্ন সময়ে শিক্ষাজীবনে বিরতি নিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে উচ্ছৃঙ্খল আচরণের অভিযোগ ছিল স্কুলের অনেক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর।

র‌্যাবের কর্মকর্তা জানান, প্রায়ই ইউনিফর্ম ছাড়া স্কুলে আসতেন জিতু। স্কুল এলাকায় ধূমপান করতেন। তিনি শিক্ষার্থীদের উত্ত্যক্ত করতেন; বাইক চালাতেন বেপরোয়াভাবে।

ওই স্কুলছাত্র ‘জিতু দাদা’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন জানিয়ে র‌্যাবের কর্মকর্তা বলেন, ‘জিতু দাদা’ নামে কিশোর গ্যাং তৈরি করেছিলেন জিতু। তিনি মানুষকে হেনস্তা করতেন। তার বিষয়ে নালিশ দেয়া হলে বিভিন্নজনকে ভয়-ভীতি দেখাতেন।

কেন উৎপলকে হত্যা

শিক্ষক উৎপলকে হত্যার কারণ নিয়ে খন্দকার আল মঈন বলেন, কিছুদিন আগে জিতু কলেজপড়ুয়া এক ছাত্রীর সঙ্গে অযাচিতভাবে স্কুল ক্যাম্পাসে ঘোরাঘুরি করছিলেন। সে সময় শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি হিসেবে উৎপল কুমার সরকার ওই ছাত্রী ও জিতুকে প্রেষণা (মোটিভেশন) দেন। এতে জিতু ক্ষুব্ধ হন। হিরোইজম প্রদর্শন করার জন্য তিনি স্টাম্প দিয়ে উৎপলকে আঘাত করেন।

র‌্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, ২৫ জুন পরিকল্পনা করে বাসা থেকে স্টাম্প নিয়ে আসেন জিতু । তিনি উৎপলকে আঘাত করার সময় খুঁজতে থাকেন। পরবর্তীকালে স্কুলে খেলার সময় উত্তমকে একা পেয়ে স্টাম্প দিয়ে পেছন থেকে আঘাত করেন জিতু।

তিনি আরও জানান, জিতু একের পর এক আঘাত করতে থাকেন উৎপলকে। মারধর শেষে তিনি স্কুল ছেড়ে এলাকায় অবস্থান নেন। সন্ধ্যার সময় পরিস্থিতি বুঝতে পেরে শুরুতে মানিকগঞ্জে যান। সেখান থেকে তিনি পাবনায় পরিচিত একজনের বাসায় চলে যান। বুধবার ভোরে পাবনা থেকে আরিচা হয়ে গাজীপুরের শ্রীপুরে বন্ধুর বাসায় আসেন প্রাপ্তবয়স্ক এ স্কুলছাত্র।

যা ঘটেছিল

সাভারে হাজি ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সাইফুল হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রতি বছরের মতো এবারও আমরা ছেলেদের ফুটবল ও মেয়েদের ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছি। শনিবার স্কুলে মেয়েদের ক্রিকেট খেলা চলছিল। এ সময় প্রতিষ্ঠানের দ্বিতীয় তলা ভবনের বারান্দায় দাঁড়িয়ে খেলা দেখছিল ছেলে শিক্ষার্থীরা।

‘অভিযুক্ত ছাত্রও দ্বিতীয় তলায় ছিল। হঠাৎ সে নেমে মাঠের এক পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষক উৎপলকে স্টাম্প দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে পালিয়ে যায়। আহত অবস্থায় উৎপলকে উদ্ধার করে এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই সোমবার সকালে উৎপলের মৃত্যু হয়।’

অধ্যক্ষ জানান, উৎপলের বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানার এঙ্গেলদানি গ্রামে। তিনি প্রায় ১০ বছর ধরে হাজি ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ছিলেন। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

তিনি আরও জানান, দায়িত্বের অংশ হিসেবেই উৎপল শিক্ষার্থীদের আচরণগত সমস্যা নিয়ে কাউন্সেলিং করতেন এবং তাদের নানা অপরাধ বা নিয়মবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের বিচার করতেন।

আরও পড়ুন:
দুর্বৃত্তের গুলিতে হত্যা মামলার আসামি নিহত
অধ্যক্ষের গলায় জুতার মালা ওসির সামনেই
কালুখালীতে ইউপি সদস্যকে গুলি করে হত্যা
শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যায় জিতু গ্রেপ্তার
শিক্ষক হত্যা ও অপদস্থের ঘটনায় চবি শিক্ষক সমিতির প্রতিবাদ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The death toll in covered vanchapa increased to 3

কাভার্ড ভ্যানচাপায় নিহত বেড়ে ৩

কাভার্ড ভ্যানচাপায় নিহত বেড়ে ৩ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কাভার্ড ভ্যানটি সবজি বাজারে ঢুকে পড়ে। ছবি: নিউজবাংলা
ভৈরব হাইওয়ে থানা পুলিশের ওসি মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘আজ ভোরে মহাসড়কের মাহমুদাবাদে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় তিনজন নিহত হয়েছেন। আমাদের নথিতে এখনও চারজনের নাম লিপিবদ্ধ করা হয়নি। হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করতে আইনি কার্যক্রম চলছে।’

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ হারানো কাভার্ড ভ্যানের চাপায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে তিনজনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

তবে স্বজনদের দাবি, এ ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন।

হতাহতরা সবাই সবজি বিক্রেতা বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাহমুদাবাদ এলাকায় সবজি বাজারে বৃহস্পতিবার ভোরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিউজবাংলাকে তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভৈরব হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হোসেন।

নিহতদের মধ্যে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের ৫০ বছরের ফারুক মিয়া ও মাহমুদাবাদ পাগলাবাড়ির ৪৫ বছরের মো. মাসাকিন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। হাসপাতালে নেয়ার পথে টানপাড়া এলাকার ৩৫ বছরের রিপন মিয়া ও ৫০ বছরের মো. শাজাহানের মৃত্যু হয়।

আহতদের নাম-পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শী রহমান মিয়া ও তাহের ব্যাপারীসহ কয়েকজন সবজি বিক্রেতা নিউজবাংলাকে জানান, প্রতিদিনের মতো ভোরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে মাহমুদাবাদ বাজারে সবজির হাট জমে ওঠে। এ হাটে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা সবজি বিক্রি করতে আসেন। আজ ভোরে মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি কাভার্ড ভ্যান সবজি বিক্রেতাদের অটোরিকশার ওপর উঠে যায়। এতে অটোরিকশার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা দুই সবজি বিক্রেতা চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

অন্তত পাঁচজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিলে আরও দুজন মারা যান।

ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার কর্মীরা জানান, ভোরে ভৈরব ছেড়ে আসা ঢাকামুখী জননী কুরিয়ার সার্ভিসের একটি কাভার্ড ভ্যান মাহমুদাবাদ বাজারের পাশে মেশিনঘর এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত দিকে চলে যায়। একই সময়ে ঢাকা থেকে সিলেটগামী আরেকটি কাভার্ড ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশে মেশিন গড় এলাকায় রাস্তার পাশে সবজির হাটে ঢুকে পড়ে। এ সময় ভ্যান দুটি বেশ কিছু দোকান ও অটোরিকশাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত ও অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।

ভৈরব বাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ আজিজুল হক বলেন, ‘ভোর সাড়ে ৫টার দিকে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল গিয়ে দুটি মরদেহ উদ্ধার করি। আরও একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় ভৈরব নেয়ার পথে তিনি মারা যান।’

ওসি মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘আজ ভোরে মহাসড়কের মাহমুদাবাদে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় তিনজন নিহত হয়েছেন। আমাদের নথিতে এখনও চারজনের নাম লিপিবদ্ধ করা হয়নি। হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করতে আইনি কার্যক্রম চলছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চালক ঘুমিয়ে পড়ার কারণে দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা হয়েছে। মরদেহ নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।’

আরও পড়ুন:
আখ মাড়াই যন্ত্রে হাত, ফায়ার সার্ভিসের ১ ঘণ্টার চেষ্টায় বিক্রেতা উদ্ধার
পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় চিকিৎসাধীন নারীর মৃত্যু
খিলগাঁও ফ্লাইওভারে গেল যুবকের প্রাণ
বিকল ট্রেন উদ্ধার, দেড় ঘণ্টা পর চালু সিলেটের রেলপথ
ট্রাকচাপায় অটোরিকশাযাত্রী মা-ছেলে নিহত

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Surma water is expected to rise above the danger level

সুনামগঞ্জে বাড়ছে সুরমার পানি, দীর্ঘস্থায়ী বন্যার শঙ্কা

সুনামগঞ্জে বাড়ছে সুরমার পানি, দীর্ঘস্থায়ী বন্যার শঙ্কা টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সুনামগঞ্জে ফের বাড়ছে সুরমা নদীর পানি। ছবি: নিউজবাংলা
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সুনামগঞ্জ ও মেঘালয়ে বৃষ্টি হওয়ায় সুরমাসহ অন্যান্য নদীর পানি বাড়ছে। তবে এখনও সুরমার পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এক দিন আগে তা ১৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।’

টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সুনামগঞ্জে সুরমার পানি আরও বেড়েছে। তবে এখনও তা বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জে ১৮৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত সুরমার পানি ১৬ সেন্টিমিটার বেড়েছে। এতে জেলায় বন্যা পরিস্থিতি ফের অবনতি ও দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

পানি বাড়ায় জেলার নিচু এলাকা নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে। পৌর শহরের তেঘরিয়া, আরপিন নগর, বড়পাড়া, পূর্ব নতুনপাড়া, হাজীপাড়া, নবীনগর, ধূপাখালি এবং ছাতক ও দোয়ারাবাজার উপজেলার নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকছে।

তেঘরিয়া এলাকার বাসিন্দা ফরহাদ আহমেদ বলেন, ‘ঘরবাড়ি থেকে মাত্র চার দিন হইছে পানি নামছিল। কিন্তু আজকে সকাল থকি আবারও ঘরে বারান্দায় পানি প্রবেশ করা শুরু করেছে। আজকে বৃষ্টি এ রকম হতে থাকলে ঘরেও পানি ডুকতে বেশি সময় লাগবে না, বিপদের মধ্যে মহাবিপদ।’

উত্তর আরপিন নগর এলাকার বাসিন্দা লুকনা বিবি বলেন, ‘আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়িত আইলাম দুই দিন অইল। এখন দেখি আবার পানি আইচ্ছে। তিনটা মেয়ে, স্বামী ও শাশুড়ি নিয়া কষ্টের মধ্যে আছি। কাজকাম নাই। মানুষের ঘরে কাজ করিয়া দিন আনি দিন খাই। কিন্তু পানি আইলে আমরা বন্দি।’

সুনামগঞ্জে বাড়ছে সুরমার পানি, দীর্ঘস্থায়ী বন্যার শঙ্কা

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সুনামগঞ্জ ও মেঘালয়ে বৃষ্টি হওয়ায় সুরমাসহ অন্যান্য নদীর পানি বাড়ছে। তবে এখনও সুরমার পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এক দিন আগে তা ১৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
সিলেটে বৃষ্টি, আবারও বন্যার শঙ্কা
বন্যার কবলে পৌনে ৬ লাখ শিক্ষার্থী
আসামের বন্যাদুর্গতদের জন্য ২৫ লাখ রুপি দিলেন আমির খান
পানি নামার আগেই আবার বাড়ছে সুনামগঞ্জে
বন্যাদুর্গত এলাকায় কাটা রাস্তায় সেতু বা কালভার্ট নির্মাণের নির্দেশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Crimes against humanity Shafiuddin of Habiganj was sentenced to death

মানবতাবিরোধী অপরাধ: হবিগঞ্জের শফিউদ্দিনের মৃত্যুদণ্ড

মানবতাবিরোধী অপরাধ: হবিগঞ্জের শফিউদ্দিনের মৃত্যুদণ্ড আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাইনবোর্ড। ফাইল ছবি
প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, আটক, নির্যাতন ও হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধে দুটি অভিযোগ আনে। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার মামলার রায় ঘোষণা করে ট্রাইব্যুনাল।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হবিগঞ্জের শফিউদ্দিনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

এ মামলায় অপর তিন আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। খালাস পেয়েছেন অন্য একজন।

ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি শাহিনুর ইসলামসহ তিন সদস্যদের ট্রাইব্যুনাল বৃহস্পতিবার এ রায় দেয়।

মামলায় আমৃত্যু কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে তাজুল ইসলাম, জাহেদ মিয়া ও ছালেক মিয়াকে। খালাস পেয়েছেন সাব্বির আহমেদ।

এর আগে গত ১৭ মে মামলাটির যুক্তিতর্ক শেষ করে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সীমন। আসামিপক্ষে ছিলেন আব্দুস সাত্তার পালোয়ান ও গাজী তামিম।

২০১৮ সালের ২১ মার্চ এ মামলায় পাঁচজনের নামে তদন্ত সম্পন্ন করে তদন্ত সংস্থা। পরে তারা প্রসিকিউটশনের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়।

প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, আটক, নির্যাতন ও হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধে দুটি অভিযোগ আনে। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে রায়ের জন্য মামলাটি অপেক্ষমাণ রাখে ট্রাইব্যুনাল।

আরও পড়ুন:
মানবতাবিরোধী অপরাধ: সুনামগঞ্জের ১১ জনের বিচার শুরুর নির্দেশ
বিচার শেষে রায়ের অপেক্ষা
জামায়াত নেতার মৃত্যুদণ্ড: সাতক্ষীরায় আনন্দ মিছিল
জামায়াত নেতা খালেকসহ দুজনের মৃত্যুদণ্ড
মানবতাবিরোধী অপরাধ: ফাঁসির রায়ের ৭ বছর পর কায়সারের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The housewife was killed less than a week after the wedding

সপ্তাহ না যেতেই নববধূ ‘খুন’

সপ্তাহ না যেতেই নববধূ ‘খুন’ বিয়ের এক সপ্তাহের মধ্যেই খুন হলেন দিতি খাতুন। ছবি: সংগৃহীত
নালিতাবাড়ী থানার ওসি বছির আহমেদ বাদল বলেন, ‘ঘটনার তদন্ত চলছে। কী কারণে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে তা এখনও জানা যায়নি। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে বিয়ের এক সপ্তাহের মাথায় নববধূকে বাবার বাড়িতে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

নালিতাবাড়ী পৌর এলাকার কালিনগর মহল্লায় বুধবার রাত ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় জড়িতের অভিযোগে পুলিশ স্থানীয় রহুল আমিন নামের এক যুবক ও তার ভাবিকে গ্রেপ্তার করেছে। ২৫ বছরের রহুল মাদক সেবন করতেন বলে জানা গেছে।

১৮ বছরের দিতি খাতুন কালিনগর মহল্লার মুছা মিয়ার মেয়ে।

মেয়েকে হত্যার ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে হত্যা মামলা করেন মুছা মিয়া।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করে নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বছির আহমেদ বাদল বলেন, ‘আসামিদের আজ দুপুরে আদালতে তোলা হবে।’

স্বজনদের বরাতে ওসি জানান, এক সপ্তাহ আগে গত বৃহস্পতিবার উপজেলার চেল্লাখালী সন্যাসীভিটা এলাকার খাইরুল ইসলামের সঙ্গে দিতির বিয়ে হয়। বিয়ের পর দিতিকে তার বাবার বাড়ি কালিনগর রেখে খাইরুল কর্মস্থল ঢাকায় চলে যান।

বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে একই এলাকার রহুল আমিন তার ভাবি রাহেলাকে নিয়ে দিতিদের বাড়িতে যান। এ সময় রাহেলার ডাক শুনে দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে রহুল দা দিয়ে দিতির মাথায় কুপিয়ে পালিয়ে যান।

পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে নালিতাবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসক ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠাতে পরামর্শ দেন। ময়মনসিংহ নেয়ার পথে রাত সাড়ে ১০টার দিকে নকলা উপজেলায় দিতির মৃত্যু হয়।

সপ্তাহ না যেতেই নববধূ ‘খুন’
গৃহবধূকে খুনের মামলায় গ্রেপ্তার রুহুল আমিন। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাহেলাকে আটক করে ও রহুল আমিনকে খুঁজতে থাকে। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে রহুল আমিন নিজেই ঘটনাস্থলে পুলিশের কাছে এসে হত্যার কথা স্বীকার করে।’

এ ঘটনায় দিতির মা মনোয়ারা বেগম জানান, রাতের খাওয়া শেষে তারা ঘুমাতে যাচ্ছিলেন। এ সময় রাহেলা এসে ঘরের দরজা খুলতে বলেন। দিতি দরজা খোলা মাত্রই রহুল তাকে কুপিয়ে পালিয়ে যান। পরে রাহেলাও চলে যান। তখন পুলিশে খবর দেয়া হয়।

তিনি বলেন, ‘কী কারণে তারা আমার মেয়েডারে মারল আমরা জানি না। আমার মেয়ের খুনিদের বিচার চাই।’

এদিকে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন নালিতাবাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আফরোজা নাজনীন ও ওসি বাদল।

ওসি বছির আহমেদ বাদল বলেন, ‘ঘটনার তদন্ত চলছে। কী কারণে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে তা এখনও জানা যায়নি। তবে দ্রুতই আমরা আসল ঘটনা উদ্ধার করতে পারব।মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ছোট ভাইকে খুনের কথা বলে যুবকের আত্মসমর্পণ
জমি নিয়ে বিরোধে ভাইকে ‘খুন’
‘বন্ধুর ছুরিকাঘাতে’ কলেজছাত্র খুন
কুষ্টিয়ায় ২০ দিনে ৯ খুন
ভাটারায় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে তরুণ খুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Voting has been suspended at a center in Vidyanandapur the winner of Andharmani

আন্ধারমানিক ইউনিয়নে জয়ী স্বতন্ত্র, বিদ্যানন্দপুরেও এগিয়ে স্বতন্ত্রপ্রার্থী

আন্ধারমানিক ইউনিয়নে জয়ী স্বতন্ত্র, বিদ্যানন্দপুরেও এগিয়ে স্বতন্ত্রপ্রার্থী
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম জানান, ভোটের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী আন্ধারমানিক ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র প্রার্থী চশমা প্রতীকের নাসির উদ্দিন খোকন ৪২১০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার বিপরীতে নৌকা প্রতীকের আলাউদ্দিন কবিরাজ ৩৬০১ ভোট পেয়েছেন।

বরিশালের আন্ধারমানিক ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী। বিদ্যানন্দপুরেও এগিয়ে আছে স্বতন্ত্র প্রার্থী। তবে বিদ্যানন্দপুরের একটি কেন্দ্রে ৮৯ জনের ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) আঙুলের ছাপ মিল না হওয়ায় ওই কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। স্থগিত কেন্দ্রের ভোট কবে নাগাদ হবে সে সিদ্ধান্ত এখনও নেয়া হয়নি।

জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আন্ধারমানিক ও বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের এ ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে বুধবার।

মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম বুধবার রাতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ভোটের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী আন্ধারমানিক ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র প্রার্থী চশমা প্রতীকের নাসির উদ্দিন খোকন ৪২১০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার বিপরীতে নৌকা প্রতীকের আলাউদ্দিন কবিরাজ ৩৬০১ ভোট পেয়েছেন।

এই ইউনিয়নে শতকরা ৫৭ দশমিক ৭৫ ভাগ ভোট পড়েছে।

বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের একটি কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত হয়েছে। তবে সেখানে ৩২৫৮ ভোট পেয়ে এগিয়ে আছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আনারস প্রতীকের শাহে আলম মীর এবং দ্বিতীয় অবস্থানে ২৩৪২ ভোট পেয়ে নৌকা প্রতীকের জব্বার খান।

বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা নারী-পুরুষ মিলিয়ে বারো হাজার ৯৫ জন এবং আন্ধারমানিকে সতের হাজার ৫১৩ জন ভোটার রয়েছে।

আন্ধারমানিক ইউনিয়নে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীকে ১২ জুন দল থেকে বহিষ্কার করেছিলেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন।

এর আগে ১৩ জুন নির্বাচন কমিশন এই দুই ইউনিয়নে নির্বাচনী পরিবেশ না থাকায় ১৫ জুন নির্ধারিত ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়।

আরও পড়ুন:
এমপি বাহার কুমিল্লাতেই, ইসির নির্দেশ উপেক্ষা
ঢাকার দোহারসহ তিন পৌরসভায় ভোট ২৭ জুলাই
এবার সাতকানিয়ার এওচিয়া ইউপির ভোট স্থগিত
নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গ : তিন সাংসদকে সতর্ক করল ইসি
ভোটের প্রচারে বাধা: দুই ডিসিকে প্রতিবেদন দিতে ইসির নির্দেশ

মন্তব্য

p
উপরে