× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
Fraud by defaming Bangabandhu family Two remanded
hear-news
player
print-icon

বঙ্গবন্ধু পরিবারের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা: দুজন রিমান্ডে

বঙ্গবন্ধু-পরিবারের-নাম-ভাঙিয়ে-প্রতারণা-দুজন-রিমান্ডে
র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার প্রতারক চক্রের দুজন। ছবি: নিউজবাংলা
পুলিশ বুধবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে দুই আসামিকে হাজির করে পল্টন থানায় দায়ের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর হাকিম আশেক ইমাম রিমান্ডের আদেশ দেন।

বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার মামলায় দুই আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিন পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছে আদালত।

পুলিশ বুধবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে দুই আসামিকে হাজির করে পল্টন থানায় দায়ের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর হাকিম আশেক ইমাম রিমান্ডের আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজাদ রহমান এ তথ্য জানান।

রিমান্ডে যাওয়া দুই আসামি হলেন প্রতারক চক্রের মূলহোতা মনসুর আহমেদ এবং তার অন্যতম সহযোগী মহসিন চৌধুরী।

জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাবের যৌথ অভিযানে মঙ্গলবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

ওই দুজনকে গ্রেপ্তারের সময় প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন দলিল ও ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার আসামিরা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য।

এই চক্রে পাঁচ থেকে সাতজন সদস্য রয়েছে। চক্রের মূলহোতা মনসুর। চক্রটি প্রায় তিন বছর ধরে বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ পাইয়ে দেয়ার নাম করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে প্রতারিত করে আসছিল।

মামলার নথিপত্র থেকে জানা যায়, আসামিরা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। এ চক্রে পাঁচ থেকে সাতজন সদস্য রয়েছে। চক্রের মূলহোতা মনসুর। চক্রটি বিগত প্রায় তিন বছর ধরে বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে প্রতারিত করে আসছিল।

আরও পড়ুন:
পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ স্ত্রীর
বঙ্গবন্ধু পরিবারের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা, দুজন গ্রেপ্তার
গুলিস্তান শপিং কমপ্লেক্সের জায়গা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ
ভূমি অধিগ্রহণে প্রতারণা, সার্ভেয়ারকে বরখাস্তের সুপারিশ
১০ লাখ টাকা আত্মসাতে বিআইডব্লিউটিএ কর্মচারীর কারাদণ্ড

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Life sentence of 4 people including two brothers in murder case

হত্যা মামলায় দুই সহোদরসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন

হত্যা মামলায় দুই সহোদরসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন
এজাহারে জানা যায়, ২০০৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর জেলার ধনবাড়ীর রামজীবনপুর গ্রামের একটি জমির দখল নেয়ার চেষ্টা করে আসামিরা। এ সময় আব্দুর রহিম বাধা দিলে তাকে পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে তার ছেলে ও এলাকাবাসী রহিমকে উদ্ধার করে প্রথমে মধুপুর হাসপাতালে, পরে ময়মনসিংহ মেডিক্যালে নিয়ে যায়। পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুর রহিম মারা যান।

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে হত্যা মামলায় দুই সহোদরসহ চারজনের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

রায়ে খালাস দেয়া হয়েছে ১১ আসামিকে। দণ্ডিত প্রত্যেক আসামিকে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মোরশেদ আলম সোমবার দুপুরে এ রায় দেন।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী খোরশেদ আলম।

তিনি জানান, দণ্ডিতরা হলেন টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার রামজীবনপুর গ্রামের সেজনু মিয়া ও তার ভাই মিজানুর রহমান, একই গ্রামের মনছুর আলী এবং গঙ্গাবর গ্রামের জামাল ফকির। দণ্ডিতদের মধ্যে আসামি সেজনু মিয়া পলাতক।

এজাহারে জানা যায়, ২০০৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর জেলার ধনবাড়ীর রামজীবনপুর গ্রামের একটি জমির দখল নেয়ার চেষ্টা করে আসামিরা। এ সময় আব্দুর রহিম বাধা দিলে তাকে পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে তার ছেলে ও এলাকাবাসী রহিমকে উদ্ধার করে প্রথমে মধুপুর হাসপাতালে, পরে ময়মনসিংহ মেডিক্যালে নিয়ে যায়। পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় আব্দুর রহিম মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে সুলতান বাদী হয়ে মামলা করেন।

২০০৫ সালের জুলাইয়ের ২৫ তারিখ এ মামলায় চার্জশিট দেয় পুলিশ। ২৩ জনের সাক্ষ্য নিয়েছে আদালত।

আরও পড়ুন:
ইউপি সদস্য হত্যা: প্রধান আসামিসহ দুজন গ্রেপ্তার
ভূরুঙ্গামারীতে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা
নায়িকা শিমু হত্যা: পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন
গলায় ফাঁস দিয়ে তরুণের ‘আত্মহত্যা’
স্ত্রীর শোকে মুদি দোকানির ‘আত্মহত্যা’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Kaiser the companion of the Baijis opened the nut of the Padma Bridge

পদ্মা সেতুর নাট খোলায় বাইজীদের সঙ্গী কায়সার

পদ্মা সেতুর নাট খোলায় বাইজীদের সঙ্গী কায়সার রোববার পদ্মা সেতুতে উঠে রেলিংয়ের নাট খুলে টিকটক ভিডিও বানান মো. বাইজীদ। ছবি: সংগৃহীত
সিআইডি কর্মকর্তা রেজাউল মাসুদ বলেন, ‘বাইজীদ ও তার বন্ধু কায়সার প্রাইভেট কারে করে পদ্মা সেতুতে যান। বাইজীদ গাড়ি ড্রাইভ করছিলেন। জাজিরা প্রান্তের ৩০-৩৫ নম্বর পিলারের মধ্যে নেমে তিনি ও তার বন্ধু কায়সার রেলিংয়ের নাট-বল্টু খুলে ফেলে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেন। পরে বাইজীদ ও কায়সার দুটি ভিডিও নিজেদের টিকটক অ্যাকাউন্টে আপলোড করেন।’

পদ্মা সেতুতে নাট খুলে ভাইরাল হওয়া মো. বাইজীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা আইনে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ- সিআইডি কর্মকর্তারা বলছেন যানবাহন চলাচলের জন্য রোববার সেতু খুলে দেয়ার পর সকাল ৭টা থেকে ১১টার মধ্যে বাইজীদের নাট খোলার ভিডিও ধারণ করা হয়। এরপর এটি আপলোড করা হয় টিকটকে।

বাইজীদকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে সোমবার সকালে সংবাদ সম্মেলন করেন সিআইডির সাইবার ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার রেজাউল মাসুদ।

তিনি বলেন, ‘বাইজীদ ও তার বন্ধু কায়সার প্রাইভেট কারে করে পদ্মা সেতুতে যান। বাইজীদ গাড়ি ড্রাইভ করছিলেন। জাজিরা প্রান্তের ৩০-৩৫ নম্বর পিলারের মধ্যে নেমে তিনি ও তার বন্ধু কায়সার রেলিংয়ের নাট-বল্টু খুলে ফেলে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেন। ব্যঙ্গ করে মানুষের ফিলিংসে (অনুভূতি) আঘাত করেন। পরে বাইজীদ ও কায়সার দুটি ভিডিও নিজেদের টিকটক অ্যাকাউন্টে আপলোড করেন।

‘প্রাথমিকভাবে আমাদের মনে হয়েছে, এটা একটা অন্তর্ঘাতমূলক কাজ। এটা স্যাবোটাজের মতো আমাদের কাছে মনে হয়েছে। আমরা বাইজীদকে দ্রুত অ্যারেস্ট করি। ভিডিওটি আপলোড হওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যেই অবস্থান শনাক্ত করে তাকে গ্রেপ্তার করি। তবে কায়সার এখনও পলাতক’

রেজাউল মাসুদ বলেন, ‘আমরা তার (বাইজীদ) কাছ থেকে ডিভাইস উদ্ধার করেছি। তার আরও কিছু ডিভাইস, আরও কিছু ভিডিও, আগের অ্যাক্টিভিটিজ দেখে মনে হয়েছে এটা অন্তর্ঘাতমূলক কাজ।

‘এই জিনিসটা এভাবে খোলার কথা না। এতবড় স্থাপনার নাট-বল্টু হাত দিয়ে খোলার কথা না। ভিডিওতে আমরা সবাই দেখছি ইজিলি খুলে যাচ্ছে।’

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘সবকিছু বিবেচনায় আমরা মনে করছি এই কাজটা সেই করেছে, তার একটা প্ল্যান ছিল। বাকিটা তদন্তে আসবে। আপনারা যে ভিডিও দেখেছেন তার বাইরেও কিছু ভিডিও আমরা পেয়েছি।’

সিআইডির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘এই নাট হাত দিয়ে কোনোভাবে খোলার কথা না। কোনোভাবে সম্ভব না। ধরেই নিতে হবে, এই কাজটা তারা করেছে, তাদের সহযোগী আছে, তাদের প্ল্যান আছে।

‘তিনটা বিষয় এ ক্ষেত্রে ঘটেছে। মানুষের ফিলিংস, রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ও অন্তর্ঘাতমূলক কাজ। এই তিনটার মধ্যে অন্তর্ঘাতমূলক কাজটা হয়েছে। এখানে তার গিল্টিমাইন্ড আছে। যে কারণে আমরা মামলা দিয়েছি।’

বাইজীদ অপরাধ মানসিকতার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই কাজটা করলাম, পোস্ট ডিলেট করলাম, আইডি ডিঅ্যাক্টিভেট করলাম, টিকটক.. এগুলো দেখে বোঝা যায় গিল্টিমাইন্ড।

‘আমরা ব্রিজ অথরিটির সঙ্গে কথা বলেছি, তারা জানিয়েছে এটা এভাবে হাত দিয়ে খোলা সম্ভব না। হাত দিয়ে খোলা সম্ভব না মানে অবশ্যই সে ইনস্ট্রুমেন্ট ব্যবহার করেছে।’ বাইজীদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনের যে ধারায় মামলা হয়েছে, সে ধারায় এ ধরনের অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

কী আছে বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫ ও ২৫ ধারায়

বাইজীদের বিরুদ্ধে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানায় সিআইডির পক্ষ থেকে বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫ (খ) ও ২৫ (ঘ) ধারায় মামলা করা হয়েছে।

বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫ (খ) ধারায় ‘অন্তর্ঘাতমূলক’ (স্যাবোটাজ) কর্মকাণ্ডের ব্যাখ্যা ও শাস্তির উল্লেখ রয়েছে।

এই ধারায় বলা হয়, কোনো রেলপথ, রোপওয়ে, রাস্তা, খাল, সেতু, কালভার্ট, বন্দর, ডকইয়ার্ড, লাইটহাউস, বিমানবন্দর, টেলিগ্রাফ বা টেলিফোনের লাইন অথবা টেলিভিশন বা বেতার স্থাপনার দক্ষতা বিনষ্ট বা ক্ষতিসাধনের মতো কাজ করা যাবে না।

এ ধরনের অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। এ ছাড়া যাবজ্জীবন বা ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে আইনে।

বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫ (ঘ) ধারায় বলা হয়েছে, যে কেউ এই আইনের (বিশেষ ক্ষমতা আইন) অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করার চেষ্টা করেন বা ষড়যন্ত্র করেন বা প্রস্তুতি নেন বা করতে চান, তাহলে তিনি সেই অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট শাস্তিতে দণ্ডিত হবেন।

আরও পড়ুন:
শুধু হাত দিয়ে পদ্মা সেতুর নাট খোলা অসম্ভব: সিআইডি
নিষেধাজ্ঞার পরও বাইকে পদ্মা সেতু পাড়ি দেয়ার চেষ্টা
বাইজীদের বিরুদ্ধে মামলা বিশেষ ক্ষমতা আইনে, হতে পারে মৃত্যুদণ্ড

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Life imprisonment for killing a worker

শ্রমিক হত্যায় একজনের যাবজ্জীবন

শ্রমিক হত্যায় একজনের যাবজ্জীবন প্রতীকী ছবি
গ্রেপ্তারের পর জামিনে বের হয়ে পালিয়ে যান বাহার। দীর্ঘ শুনানির পর সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সোমবার আসামির অনুপস্থিতিতে আদালত তাকে যাবজ্জীবন দেয়।

লক্ষ্মীপুর সদরে নির্মাণশ্রমিক হত্যার দায়ে এক আসামির যাবজ্জীবন দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আসামির অনুপস্থিতিতে এ রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) জসিম উদ্দিন নিউজবাংলাকে রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বরাতে পিপি জানান, ২০১৫ সালের ২০ জানুয়ারি রাত ৮টার দিকে দেড় লাখ টাকা নিয়ে বিদেশ যাওয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হন রাসেল। এই টাকা রাসেলের খালা শাশুড়িকে বুঝিয়ে দিয়ে বিদেশ যাওয়ার কথা ছিল তার। টাকা নিয়ে বসুদৌহিতা এলাকায় পৌঁছলে আসামি বাহার উদ্দিনের নেতৃত্বে ৭-৮ জনের একটি দল রাসেলের পথরোধ করে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে টাকা ছিনিয়ে নেন তারা।

এদিন সকালে সেখানকার একটি ধানক্ষেত থেকে রাসেলকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্বজনদের খবর দেন স্থানীয়রা। পরে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে প্রথমে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ দিন পর মারা যান রাসেল।

এ ঘটনায় ৩০ জানুয়ারি বাহার উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৮ জনের নামে চন্দ্রগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন নিহতের মা আমেনা বেগম। ২০১৬ সালের ২২ আগস্ট বাহারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ।

গ্রেপ্তারের পর জামিনে বের হয়ে পালিয়ে যান বাহার। দীর্ঘ শুনানির পর সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে সোমবার আসামির অনুপস্থিতিতে আদালত তাকে যাবজ্জীবন দেয়।

রায়ে নিহতের স্বজন ও রাষ্ট্রপক্ষ খুশি বলে জানিয়েছেন পিপি।

আরও পড়ুন:
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের দা‌য়ে ২ জ‌নের যাবজ্জীবন
২২৫ গ্রাম হেরোইন বহনের দায়ে ২ যুবকের যাবজ্জীবন
শিশু হত্যায় চাচির যাবজ্জীবন
বাইকচাপায় হত্যার দায়ে দুই আসামির যাবজ্জীবন
স্ত্রীকে হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Life imprisonment of 3 accused in murder of expatriates

প্রবাসী হত্যায় ৩ আসামির যাবজ্জীবন

প্রবাসী হত্যায় ৩ আসামির যাবজ্জীবন
কোর্ট পরিদর্শক মজিবুর রহমান জানান, মামলার ১ নম্বর আসামি ফজলুল হককে যাবজ্জীবন, ৩ নম্বর আসামি আবিদ আলীকে যাবজ্জীবন ও অতিরিক্ত এক বছরের কারাদণ্ড, ৪ নম্বর আসামি আবুল খায়েরকে যাবজ্জীবন ও অতিরিক্ত ৫ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

কুমিল্লায় প্রবাসী হত্যা মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

হত্যার ১৪ বছর পর দেয়া রায়ে পাঁচ আসামিকে খালাস দেয়া হয়েছে।

কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালত অতিরিক্ত-২-এর বিচারক নাছরিন জাহান সোমবার বেলা ১১টার দিকে এ রায় দেন।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কোর্ট পরিদর্শক মজিবুর রহমান।

তিনি জানান, মামলার ১ নম্বর আসামি ফজলুল হককে যাবজ্জীবন, ৩ নম্বর আসামি আবিদ আলীকে যাবজ্জীবন ও অতিরিক্ত এক বছরের কারাদণ্ড, ৪ নম্বর আসামি আবুল খায়েরকে যাবজ্জীবন ও অতিরিক্ত ৫ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

এজাহারে বলা হয়েছে, কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার দক্ষিণ শিলমুড়ি ইউনিয়নের শিয়ালোড়া গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে মো. আলম। ২০০৮ সালের ২০ মার্চ আলম ও তার বড় ভাই আলী নেওয়াজকে জায়গা-জমির বিরোধে আসামিরা মারধর করেন।

গুরুতর আহত আলম ও আলীকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য আলমকে ঢাকা মেডিক্যালে নেয়া হয়। ২২ মার্চ সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় আলমের মা মাছুমা বেগম বাদী হয়ে মামলা করেন। বাদী জানান, তার ছেলে দেশের বাইরে থাকতেন। ঘটনার ৬ মাস আগে দেশে ফেরেন। তিনি এ রায়ে সন্তুষ্ট নন। ন্যায়বিচার পেতে উচ্চ আদালতে যাবেন।

কোর্ট পরিদর্শক মজিবুর রহমান জানান, রায় ঘোষণার সময় ৮ জন আসামি উপস্থিত ছিলেন। পরে যাদের শাস্তি দেয়া হয় তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ইউপি সদস্য হত্যা: প্রধান আসামিসহ দুজন গ্রেপ্তার
ভূরুঙ্গামারীতে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা
নায়িকা শিমু হত্যা: পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন
গলায় ফাঁস দিয়ে তরুণের ‘আত্মহত্যা’
স্ত্রীর শোকে মুদি দোকানির ‘আত্মহত্যা’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
It is not possible to open the nuts and bolts of the Padma Bridge by hand alone

শুধু হাত দিয়ে পদ্মা সেতুর নাট খোলা অসম্ভব: সিআইডি

শুধু হাত দিয়ে পদ্মা সেতুর নাট খোলা অসম্ভব: সিআইডি রোববার পদ্মা সেতুতে উঠে রেলিংয়ের নাট খুলে টিকটক ভিডিও বানান মো. বাইজীদ। ছবি: সংগৃহীত
সিআইডির সাইবার পুলিশের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. রেজাউল মাসুদ বলেন, ‘কোনো যন্ত্রাংশ ছাড়া শুধু হাত দিয়ে পদ্মা সেতুর নাট-বোল্ট খোলা সম্ভব নয়। এটি একটি অন্তর্ঘাতমূলক কাজ। পদ্মা সেতুর যারা নাট-বোল্ট খুলেছে তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।’

পদ্মা সেতুর রেলিংয়ের নাট হাত দিয়ে খোলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন সিআইডির সাইবার পুলিশের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. রেজাউল মাসুদ।

তিনি বলেন, ‘কোনো যন্ত্রাংশ ছাড়া শুধু হাত দিয়ে পদ্মা সেতুর নাট-বোল্ট খোলা সম্ভব নয়। এটি একটি অন্তর্ঘাতমূলক কাজ। পদ্মা সেতুর যারা নাট-বোল্ট খুলেছে তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।’

পুলিশ জানায়, শনিবার পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর বিপুলসংখ্যক মানুষ উঠে পড়েন মূল সেতুতে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পরে তাদের সরিয়ে দেন। পরদিন সেতু যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়ার পর দিনের বিভিন্ন সময়ে বিশৃঙ্খলা দেখা যায়। এরই ফাঁকে আলোচিত ভিডিওটি করেন মো. বাইজীদ নামের এক যুবক।

সেতুর রেলিংয়ের নাট খুলে টিকটক ভিডিও বানানো বাইজীদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

আইনটির যে ধারায় তার নামে মামলা হবে বলে জানানো হয়েছে, সে ধারায় এ ধরনের অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মনে করছে, সেতুর ওপরের রেলিংয়ের ইস্পাতের পাতের সংযোগস্থলের নাট খোলা নিছক খেয়ালের ছলে হয়নি; এটা পরিকল্পিত।

সংস্থাটির এক কর্মকর্তা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে বলেছেন, বাইজীদের এই কাজের পেছনে নাশকতার চেষ্টা থাকতে পারে।

পদ্মা সেতুতে যান চলাচল শুরুর দিন রোববার রেলিংয়ের নাট খোলার ভিডিও টিকটকে ছড়িয়ে সন্ধ্যায় সিআইডির হাতে গ্রেপ্তার হন সেই যুবক। পরে জানা যায়, তিনি বায়েজিদ তালহা নামে পরিচিত, তবে তার জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম মো. বাইজীদ।

সিআইডির প্রধান অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মাহবুবুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাইজীদ তার পরিকল্পনা অনুযায়ী পদ্মা সেতুর নাট খুলেছিলেন সেতুর ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে। এমন অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫ ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা হচ্ছে। পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানায় এ মামলা প্রক্রিয়াধীন। থানা কর্তৃপক্ষই বাদী হবে।’

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতু জাতীয় সম্পদ, বিরোধীরা জাতির শত্রু: হাইকোর্ট
নিষেধাজ্ঞার পরও বাইকে পদ্মা সেতু পাড়ি দেয়ার চেষ্টা
প্রথম দিনে পদ্মা সেতুতে টোল ২ কোটি ৯ লাখ টাকা
বাইকে নিষেধাজ্ঞা: গাড়ির চাপ কম পদ্মা সেতুতে
পদ্মা সেতু পার হতে ভয় পাচ্ছেন এমপি হারুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Opponents of Padma Bridge national resources are enemies of the nation High Court

পদ্মা সেতু জাতীয় সম্পদ, বিরোধীরা জাতির শত্রু: হাইকোর্ট

পদ্মা সেতু জাতীয় সম্পদ, বিরোধীরা জাতির শত্রু: হাইকোর্ট পদ্মা সেতুকে জাতীয় সম্পদ ও দেশের অহংকার বলে উল্লেখ করেছে হাইকোর্ট। যান চলাচলের জন্য রোববার ভোরে খুলে দেয়া হয় পদ্মা সেতু্। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা
আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, ‘পদ্মা সেতু আমাদের জাতীয় সম্পদ। এটা আমাদের অহংকার। এ ধরনের জাতীয় স্বার্থ ও উন্নয়নের বিরুদ্ধে যারা থাকেন, তারা জাতির শত্রু, দেশের শত্রু, তাদের চিহ্নিত করা দরকার।’

পদ্মা সেতুকে জাতীয় সম্পদ ও দেশের অহংকার উল্লেখ করে উচ্চ আদালত হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ জানিয়েছে, যারা এমন জাতীয় সম্পদের বিরোধিতা করবে তারা জাতির শত্রু।

সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করে।

আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, ‘পদ্মা সেতু আমাদের জাতীয় সম্পদ। এটা আমাদের অহংকার। এ ধরনের জাতীয় স্বার্থ ও উন্নয়নের বিরুদ্ধে যারা থাকেন, তারা জাতির শত্রু, দেশের শত্রু, তাদের চিহ্নিত করা দরকার।’

পদ্মা সেতু নির্মাণ চুক্তি নিয়ে দুর্নীতির মিথ্যা গল্প সৃষ্টির নেপথ্যে প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে জারি করা রুলের শুনানিকালে এ মন্তব্য করে হাইকোর্ট।

পরে আগামীকাল মঙ্গলবার এ রুলের ওপর আরও শুনানি ও আদেশের জন্য দিন ঠিক করে দেয় হাইকোর্ট।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক, দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

শনিবার দুপুরে মাওয়া প্রান্তে নামফলক উন্মোচনের মাধ্যমে দেশের দীর্ঘতম পদ্মা সেতুর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আরও পড়ুন:
প্রথম দিনে পদ্মা সেতুতে টোল ২ কোটি ৯ লাখ টাকা
বাইকে নিষেধাজ্ঞা: গাড়ির চাপ কম পদ্মা সেতুতে
পদ্মা সেতু পার হতে ভয় পাচ্ছেন এমপি হারুন
সাঁকোতে সেলফি তুলে ক্যাপশনে পদ্মা সেতু, দুজনকে পিটুনি
বাইজীদের বিরুদ্ধে মামলা বিশেষ ক্ষমতা আইনে, হতে পারে মৃত্যুদণ্ড

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Twelve Supreme Court justices have been attacked by Corona

সুপ্রিম কোর্টের ১২ বিচারকের করোনা

সুপ্রিম কোর্টের ১২ বিচারকের করোনা সুপ্রিম কোর্ট ভবনের একাংশ। ফাইল ছবি
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আপিল বিভাগের বিচারক বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক রাজিক আল জলিল, বিচারক ইকবাল কবির লিটনসহ ১২ জন বিচারক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, অনেক আইনজীবীও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের ১২ বিচারক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

সোমবার প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী এ তথ্য জানিয়েছেন।

সকালে আপিল বিভাগের বিচারকাজ শুরু হলে অ্যাটর্নি জেনারেলকে এ তথ্য জানান তিনি।

প্রধান বিচারপতি অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে মামলা পরিচালনায় সহযোগিতা চেয়ে বলেন, ‘আমাদের ১২ জন বিচারপতি করোনায় আক্রান্ত। দ্বৈত বেঞ্চের একজন করোনায় আক্রান্ত হলে ওই বেঞ্চের বিচারকাজ বন্ধ থাকে।

‘করোনার কারণে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বেঞ্চে বিচারকাজ বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় আপনারা যদি সহযোগিতা না করেন, তাহলে আমাদের জন্য বিষয়টি কঠিন হয়ে পড়ে। আপনারা সহযোগিতা না করলে আমাদের ভার্চুয়ালি কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তারপরও ধৈর্য ধরেন, আমরা দেখতেছি।’

আপাতত গুরুত্বপূর্ণ মামলাকে অগ্রাধিকার দেয়ার কথা বলেন প্রধান বিচারপতি। ওই সময় তিনি সব আইনজীবীর সহযোগিতা চান।

অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, ‘মাই লর্ড, আমাদের অনেক আইনজীবীও করোনায় আক্রান্ত। আমরা আপনাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।’

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আপিল বিভাগের বিচারক বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক রাজিক আল জলিল, ইকবাল কবির লিটনসহ ১২ জন বিচারক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

আরও পড়ুন:
করোনায় নব্য বিলিয়নেয়ার ৫৭৩, হতদরিদ্র ২৬ কোটি
সুপ্রিম কোর্টে তথ্য কর্মকর্তা চেয়ে নোটিশ
করোনার প্রথম দুই বছরে অতিরিক্ত দেড় কোটি মৃত্যু
তুরস্ক গেলেন প্রধান বিচারপতি

মন্তব্য

p
উপরে